Tag: irrigation department land

irrigation department land

  • Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালিতে সরকারি জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল ক্যাফে। এই অভিযোগে ক্যাফে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন (Matla River Encroachment)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুলডোজার দিয়ে ‘অরণ্যের কূলে’ নামের ওই ক্যাফের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। ক্যাফেটির মালিকানা রয়েছে তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার নামে (Ex TMC MLA)।

    গড়াগড়ি খাচ্ছে ইমরানের সাধের ক্যাফে (Ex TMC MLA)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, মৌখালি সেতুর কাছাকাছি মাতলা নদীর চর এবং সেচ দফতরের জমির ওপর অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল ক্যাফেটি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দফতর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারপরেই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে জারি করা হয় নোটিশ। শেষমেশ ভেঙে দুরমুশ করে দেওয়া সরকারি জমি দখল করে গড়ে তোলা ব্যবসার কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন ইমরানকে ক্যাফের বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য মহকুমাশাসকের দফতরে ডাকা হয়েছিল। প্রশাসনের দাবি, জমা পড়া নথি যাচাই করে দেখা যায়, ক্যাফে নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনের কোনও বৈধ প্রমাণ মেলেনি। সরকারি জমি দখলের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এরপরই জারি করা হয় ক্যাফে ভাঙার নির্দেশ।

    বুলডোজার অভিযান

    ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় এনআইএর হাতে শওকত গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তের সূত্র ধরেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জমির নথি ও নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখা হয় (Ex TMC MLA)। অভিযান চলাকালীন এলাকায় যাতে অপ্রীতিকর কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তাই ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার। বুলডোজার অভিযান চলাকালীন সময়ে ঘটনাস্থলে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ক্যানিং মহকুমা পুলিশের আধিকারিক, জীবনতলা থানার কর্তারা এবং প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিক। মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচুর জওয়ানকে।

    অবৈধ জমির ওপর কারবার!

    ক্যাফে ভাঙার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে ব্যবসা চললেও, এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই সময় যত গড়িয়েছে, ততই ফুলে ফেঁপে উঠেছে অবৈধ জমির ওপর গড়ে তোলা কারবার। প্রশাসনের দাবি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী এই (Matla River Encroachment) পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ক্যাফে ভাঙার কাজ শেষ হওয়ার পর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও (Ex TMC MLA)।

  • South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস! দাপট দেখাচ্ছেন আরাবুল

    South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস! দাপট দেখাচ্ছেন আরাবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড় কি তৃণমূলের মুক্তাঞ্চল! তৃণমূলের নেতারা যা খুশি করে বেড়াচ্ছেন, বলে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসন বা জেলা প্রশাসন কারও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। দুদিন আগেই প্রকাশ্য মঞ্চে শওকত মোল্লা বিরোধীদের বুথে কাজ না করার নিদান দিয়েছিলেন। এবার ভাঙড়ের আর এক দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরির অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তী রাজ্য সড়ক লাগোয়া বামনঘাটা বাজার এলাকায়। সেচ দফতরের জায়গা দখল করে পার্টি অফিস তৈরি করছেন আরাবুল এবং তাঁর অনুগামীরা। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বামনঘাটা বাজারের পাশে খাল রয়েছে। তার পাশে সেচ দফতরের জমির উপর কংক্রিটের পার্টি অফিস তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেচ দফতরের যে জমিতে পার্টি অফিস তৈরির অভিযোগ উঠেছে, সেখানে ইতিমধ্যেই কংক্রিটের থাম বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুধু বামনঘাটা বাজারেই তৃণমূলের সাতটি পার্টি অফিস রয়েছে। তারপরও নিজের ক্ষমতা দেখাতে কি নতুন পার্টি অফিস তৈরি করেছেন আরাবুল, তা নিয়ে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। সরকারি জমিতে পার্টি অফিস তৈরি করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    কী বললেন আরাবুল?

    তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম বলেন, বাম আমলে এই জেলায় (South 24 Parganas) এরকম বহু পার্টি অফিস সরকারি জমিতে ওরা করেছিল। তাছাড়া ওই জায়গায় আগে থেকেই পার্টি অফিস ছিল। কিন্তু, জায়গাটি কর্মীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। তাই, আমরা সেখানে নতুন পার্টি অফিস করছি। আর সেচ দফতরের প্রয়োজন হলে তখন ওই জায়গা ছেড়়ে দেব।

    ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী কী বললেন?

    আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, এলাকায় সিন্ডিকেট চালানোর জন্য আরাবুল এবং তাঁর বাহিনী ওই পার্টি অফিস তৈরি করাচ্ছে। বামনঘাটার প্রধান ও উপপ্রধানও এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করব এই অনৈতিক কাজ বন্ধ করার জন্য। না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share