Tag: isf

isf

  • Naushad Siddiqui: ভাঙড়ের পথে নওশাদকে আটকাল পুলিশ! গাড়িতেই বসে আইএসএফ বিধায়ক

    Naushad Siddiqui: ভাঙড়ের পথে নওশাদকে আটকাল পুলিশ! গাড়িতেই বসে আইএসএফ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়ন পর্ব থেকেই ভাঙড় খবরের শিরোনামে। মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি, তরতাজা প্রাণ লুটিয়ে পড়া, এসব কিছুই দেখেছে ভাঙড়বাসী। ভোট পর্বেও ছড়ায় ব্যাপক হিংসা। এবার ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত ভাঙড়ে যেতে বাধা দেওয়া হল সেখানকার বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভাঙড় যাওয়ার পথে নিউটাউনের হাতিশালার কাছে নওশাদের (Naushad Siddiqui) গাড়ি আটকায় কলকাতা পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ গাড়ি আটকানো হয় আইএসএফ বিধায়কের। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও গাড়িতে বসে রয়েছেন নওশাদ। প্রশাসন সূত্রে খবর, ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তাই ওই এলাকায় নওশাদকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

    কী বলছেন আইএসএফ বিধায়ক?

    স্থানীয় আইন প্রণেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন ভাঙড়ে তিনি প্রবেশ করতে পারবেন না? এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নওশাদ (Naushad Siddiqui)। তাঁর আরও অভিযোগ, শওকত মোল্লা কীভাবে বহিরাগত হয়ে ভাঙড়ে ঢুকে প্রেস কনফারেন্স করছে! এদিন এক পুলিশ আধিকারিককে নওশাদ বলেন, ‘‘আমি ভাঙড়ের জনপ্রতিনিধি। আমার পরিচয়পত্র রয়েছে। তা হলে কেন যেতে পারব না?’’ পাল্টা পুলিশের আধিকারিক বলেন, ‘‘১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাই সেখানে যাওয়ার তাঁর অনুমতি নেই।’’ পরে সংবাদমাধ্যমে নওশাদ বলেন, ‘‘তৃণমূলের নেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ আমি বিধায়ক, আর আমায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এভাবে আমায় আটকে রাখা যাবে না।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘কতক্ষণ আটকে রাখে দেখি।’’ নওশাদ (Naushad Siddiqui) আরও বলেন, ‘‘আমি শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছি। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরো ভাঙড়ে তল্লাশি চালানো হোক। নির্বাচন কমিশন সক্রিয় থাকলে এত মৃত্যু দেখতে হত না। মৃতদের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করতাম। মানুষকে বলব, কারও প্ররোচনায় পা দেবেন না।’’

    কী বলছে তৃণমূল?

    ভাঙড়ের অশান্তিতে নাম উঠে এসেছে বারবার ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার। নওশাদের ভাঙড় না যেতে পারা সম্পর্কে শওকত বলেন, ‘‘১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। আমরা কেউ ঢুকতে পারছি না। আবার উস্কানি দেওয়ার জন্য যাচ্ছেন নওশাদ (Naushad Siddiqui)? আবার খুনোখুনি চাইছেন? মায়ের কোল খালি করার চেষ্টা করছেন।’’ প্রসঙ্গত, মনোনয়ন পর্ব, ভোটের পর মঙ্গলবার গণনার দিনও প্রাণহানি হয়েছে ভাঙড়ে। সেখানকার কাঁঠালিয়ায় গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় তিন জনের। তাঁদের মধ্যে দু’জন আইএসএফ কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অন্য একজন এক জন গ্রামবাসী বলে জানা গিয়েছে। আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি ইতিমধ্যে সিবিআই তদন্তও চেয়েছেন এদিন। গণনার দিনের পর বৃহস্পতিবারও অশান্তি ছড়ায় ভাঙড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, গুলিতে মৃত ৩ আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    Panchayat Poll: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, গুলিতে মৃত ৩ আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন (Panchayat Poll) থেকেই উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। দফায় দফায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এবার গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল ভাঙড়। গণনা কেন্দ্রের বাইরে পুলিশ ও আইএসএফের মধ্যে ব্যাপক বোমা ও গুলির লড়াইকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। গণ্ডগোলে তিনজন আইএসএফ কর্মীর গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এক পুলিশ আধিকারিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম হাসান আলি মোল্লা, রাজু মোল্লা, রেজাউল গাজি। হাসান, রাজু এলাকায় চিনে পুকুর এলাকায় থাকত। আর রেজাউল থাকত ভোগালি-১ পঞ্চায়েত এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মঙ্গলবার রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অশান্তি বাড়তে থাকে এলাকায়। সূত্রের খবর, ভাঙড়ে ততক্ষণে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) জেলা পরিষদের একটি আসনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। বাকি দুটি আসনের ফল ঘোষণা বাকি রয়েছে। গণনা চলছিল জেলা পরিষদ আসনের। জানা গিয়েছে, একটি আসনে আইএসএফ এগিয়েছিল। সেই আসনে তৃণমূল জয়ী ঘোষণা করার পর পরই আইএসএফ কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আচমকাই ভাঙড়ের কাঁঠালিয়া স্কুলের বাইরে ঘিরে ফেলে আইএসএফরা। এই স্কুলেই গণনা চলছিল। সেই গণনা কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে থাকে তারা। পাল্টা তাদেরকে হটাতে পুলিশের পক্ষ থেকে টিয়ার গ্যাসের শেল, রাবার বুলেট ফাটানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ও আইএসএফের মধ্যে খণ্ড যুদ্ধে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। তিনজন আইএসএফ কর্মীর মৃত্যু হয়। এক পুলিশ কর্তাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি ভাঙড় ২ ব্লক জুড়ে। এই ব্লকের মোট ১৯ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে তৃণমূল ১৮ টি পঞ্চায়েত দখল করলেও ১ টি পঞ্চায়েত দখল করেছে আইএসএফ ও জমি কমিটির জোট।

    কী বললেন আইএসএফ নেত্রী?

    আইএসএফ নেত্রী রেশমা খাতুনের অভিযোগ, ভোটের দিন (Panchayat Poll) থেকেই তৃণমূলকে সাহায্য করছে প্রশাসন। আমাদের জেলা পরিষদের এক প্রার্থী জাহানারা খাতুন পাঁচ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু, রাত সাড়ে বারোটার সময় বিডিও জানিয়ে দেন সে ৩৬০ ভোটে হেরেছে। আইএসএফের দাবি, পুলিশ ও তৃণমূল সেটিং করে তাদেরকে হারিয়ে দিচ্ছে। তাঁরা এই সিটে পুনরায় গণ্নার দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিনে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস। ভোট কেন্দ্রে বুথ দখল, ছাপ্পা, বোমাবাজি এবং হত্যার ঘটনায় উত্তাল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসকদলের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব সর্বত্র। এই জেলার দেগঙ্গা, আমডাঙা, অশোকনগরে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। শাসক বনাম আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে চলে প্রত্যক্ষ লড়াই।

    দেগঙ্গায় বোমাবাজি

    বেড়াচাঁপা (North 24 Parganas) ১ নং পঞ্চায়েতের বেলপুর বেলডাঙা এফপি হাইস্কুলে দেগঙ্গা বেলডাঙা ১২৪ নম্বর বুথে ভোট চলাকালীন ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমনই হয় যে, ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি ব্যালট পেপার পুড়িয়ে জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এরপরই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স সহ ভোটের যাবতীয় কাগজপত্র ফেলে দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে বুথ ছেড়ে পালিয়ে যান ভোট কর্মীরা। ১৩৬ নম্বর বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো এক মহিলা ভোটার জানান, ভোটের লাইনে ছিলাম আমরা। হঠাৎই দেখতে পাই বোমাবাজি শুরু করে শাসক দলের বহিরাগতরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারিদিকে বোম মারে তারা। প্রাণ বাঁচাতে পালাই সবাই। আমডাঙার রাহানা ৮০, ৮১, ৮২, নম্বর বুথে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনার জেরে রাহানায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা।

    আমডাঙায় বোমাবাজি

    চন্ডীপুর (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের প্রভাকরহাটি গ্রামের ৬৩ নম্বর বুথে তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষ হয়। ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে খবর হয়। প্রথমে তৃণমূল বুথে ঢুকে ব্যালট ছিনতাই করে ছাপ্পা ভোট দেয়। এরপর প্রতিরোধ করে পাল্টা বোমাবাজি করে আইএসএফ। বুথের ভিতরে ব্যালট বক্সের সামনে বোম রেখে ছাপ্পা দেয় সশস্ত্র শাসক দল।

    অশোকনগরে ব্যাপক বোমাবাজি

    অশোকনগর (North 24 Parganas) থানার সুলেমানপুর এলাকায় এক বাই ৭৩ নম্বর বুথে আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। হাবড়া এসডিপিও রোহিত শেখের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী পাঁচজনকে অশোকনগর থানায় নিয়ে যায়। আপাতত সুলেমানপুর এলাকা থমথম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভাঙড়ে বোমা ফেটে আহত দুই শিশু, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটার

    South 24 Parganas: ভাঙড়ে বোমা ফেটে আহত দুই শিশু, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগণার (South 24 Parganas) ভাঙর এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ছিল। তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষ, বোমাবাজি এবং বন্দুকের গুলিতে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল। পরিস্থিতি এতাটাই খারপ ছিল যে রাজ্যপাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন পর্যন্ত করেছিলেন। আজ পঞ্চায়েত ভোটের দিনে ফের উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে ভাঙড় দু নম্বর ব্লকের কাশীপুর এলাকা। এলাকায় বোমা ফেটে দুই শিশু আহত হয়েছে। আইএসএফ প্রার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ভোট দানে বাধা দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদ করে এলাকার মানুষ রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভ করেন। সেই সঙ্গে চলে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে আইএসএফ কর্মীদের মারামারি

    বোমা ফেটে আহত দুই শিশু (South 24 Parganas)

    নির্বাচনের দিনে ভাঙড়ের (South 24 Parganas) ছয়ানিতে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে আহত দুই শিশু। আহত ৭ বছর ও ৪ বছরের দুই শিশুকে জিরানগাছা হসপিটালে নিয়ে আসা হয়েছে। দুজেই খুব গুরুতর আহত বলে জানা গেছে।

    ভোট দানে বাধা অভিযুক্ত তৃণমূল

    আইএসএফ প্রার্থীদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কাশীপুরে (South 24 Parganas)। সেই অভিযোগ তুলে দক্ষিণ কাশীপুরে রাস্তা অবরোধ করল আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা। মূলত তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা, এমনটাই অভিযোগ তুলে রাস্তা অবরোধ করে স্থানীয় গ্রামবাসীরা। যখন আইএসএফ কর্মীরা অবরোধ করছিল সেই সময় এক তৃণমূল কর্মী সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। আর তাকে ধরে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়।

    তিন কোম্পানি বাহিনী পৌঁছাল ভাঙড়ে

    ভাঙড় দু নম্বর ব্লকের কাশীপুর থানা (South 24 Parganas) এলাকায় মোট ১৬১টি বুথ রয়েছে। সেই বুথের নিরাপত্তার জন্য দু কোম্পানি বিএসএফ জওয়ান এসেছে বলে জানা গেছে। এর আগে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। আর আজ সকালে দু কোম্পানি মোট তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাদের কর্মীকে ছাদ থেকে ফেলেছে তৃণমূল, দাবি আইএসএফ-এর

    Panchayat Vote: পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাদের কর্মীকে ছাদ থেকে ফেলেছে তৃণমূল, দাবি আইএসএফ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Vote) ঘিরে আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল কুলপি থানার হটুগঞ্জের হেলেগাছি এলাকা। আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ওই অঞ্চল। এলাকায় মুড়ি মুড়কির মতো বোম পড়তে থাকে। শুধু তাই নয়, পুলিশের মদতে ছাদ থেকে ২ আইএসএফ কর্মীকে ফেলে খুনের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত ২ আইএসএফ কর্মী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে।

    ঠিক কী ঘটনা

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে হটুগঞ্জে বাজার করতে যান কয়েকজন আইএসএফ কর্মী। সেসময় তৃণমূল কর্মীরা তাদের কটূক্তি করে। এর ফলে শুরু হয় দু পক্ষের মধ্যে বচসা। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই তৃণমূল কর্মীরা একত্রিত হয়ে আইএসএফের ওপর চড়াও হয়। ব্যাপক বোমাবাজি করতে থাকে তৃণমূল। পাল্টা আইএসএফ কর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সকালের এই ঘটনার পরে রাতে আবার আইএসএফ কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। আবারও সন্ধ্যা নামতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হটুগঞ্জের হেলেগাছিয়া। আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, সন্ধ্যা নাগাদ কুলপি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা আইএসএফ কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়। এমনকী পুলিশের উপস্থিতিতে আরমান খান নামের এক যুবককে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে খুনের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়েছেন মেহেবুব মির নামের আরেক আইএসএফ কর্মী। একাধিক বাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উত্তেজনা রয়েছে এলাকায়। বাড়ি ছাড়া রয়েছেন আইএসএফ কর্মীরা।  

    কী বলছে আইএসএফ?

    আইএসফ সমর্থকদের দাবি, ভোটের (Panchayat Vote) সময় তৃণমূলের সন্ত্রাসে এলাকায় টেকা দায়। ঘরছাড়া হতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও সরব নওশাদ সিদ্দিকির দল। অভিযোগ, তৃণমূলের সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে পুলিশ।

    কী বলছে তৃণমূল? 

    এই ঘটনায় সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তৃণমূল কংগ্রেস কুলপির বিধায়ক যোগ রঞ্জন হালদার। তিনি বলেন, ‘‘হটুগঞ্জের এমন কোনও ঘটনা আমার জানা নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: দেগঙ্গায় মিছিল লক্ষ্য করে বোমা-গুলি, বাবার সামনেই খুন স্কুলপড়ুয়া

    Panchayat Vote: দেগঙ্গায় মিছিল লক্ষ্য করে বোমা-গুলি, বাবার সামনেই খুন স্কুলপড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের হিংসার বলি এবার স্কুলপড়ুয়া। তৃণমূল সমর্থক বাবার সামনেই বোমা মেরে স্কুলপড়ুয়া নাবালক ছেলেকে খুনের অভিযোগ উঠল। কাঠগড়ায় আইএসএফ ও সিপিএম। মঙ্গলবার রাতে সিপিএম-আইএসএফ সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর অনুগামীরাই বাড়ি ফেরার পথে একাদশ শ্রেণির ছাত্র ইমরান হাসান (১৭)-কে বোমা ছুড়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার জেরে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার সোহাই শ্বেতপুর অঞ্চল। অভিযুক্ত আইএসএফ সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সোহাই শ্বেতপুর অঞ্চলের গাঙগাটি গ্রামে এখনও পরিস্থিতি থমথমে হয়ে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ইতিমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ দেগঙ্গার সোহাই শ্বেতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat Vote) গাঙার্টি গ্রামে মিছিল করে যাচ্ছিলেন তৃণমূল সমর্থকেরা। সেই মিছিলেই ছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্র ইমরান। একই সময়ে মিছিল চলছিল বাম ও আইএসএফ সমর্থিত নির্দলদের। অভিযোগ, বামেদের মিছিল থেকেই তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। তা গিয়ে লাগে ওই ছাত্রের গায়ে। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে বিশ্বনাথপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হন তৃণমূলের কর্মী–সমর্থকরা। তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গেছে মৃত ছাত্র এক তৃণমূল কর্মীর ভাইপো। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখনও পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার অভিযুক্তদের বারাসত আদালতে তোলা হবে। 

    দেগঙ্গাতে সংঘর্ষ চলছেই

    মঙ্গলবার তৃণমূল এবং আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছিল দেগঙ্গার চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাও। পঞ্চায়েতের (Panchayat Vote) ২৩০ এবং ২০৯ নম্বর বুথ এলাকায় দুই দলের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন বলে জানা গিয়েছে। তারপর মঙ্গলবার রাতে বোমাবাজির ঘটনায় প্রাণ গেল ১৭ বছরের এক পড়ুয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থী ভোটে লড়তে পারবেন না, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Vote: ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থী ভোটে লড়তে পারবেন না, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Vote) লড়াই করার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, এই প্রার্থীদের এর আগে ভোটে লড়তে দেওয়ার নির্দেশ কমিশনকে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ। কিন্তু মঙ্গলবার সেই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ১৫ দিন পর এই মামলার নিষ্পত্তি করার কথাও বলা হয়েছে এদিনের নির্দেশে। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোট হল শনিবার। তাই এবারের পঞ্চায়েত ভোটে ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থী লড়তে পারবেন না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে হঠাৎ করেই নাম মুছে যায় আইএসএফ প্রার্থীদের

    জানা গিয়েছে, এঁরা প্রত্যেকেই মনোনয়ন জমা করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের নাম হঠাৎ মুছে গিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে। এই মর্মে সোমবার তাঁরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।সোমবারের এই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে। একই সঙ্গে বিচারপতি বলেছিলেন, ‘‘আইএসএফ প্রার্থীদের অভিযোগ সত্য হলে তাঁদের নির্বাচনে (Panchayat Vote) অংশ নেওয়ার সুযোগও করে দিতে হবে কমিশনকে।’’ আইএসএফের অভিযোগ, এরপরেও কমিশন কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। মঙ্গলবার একই আর্জি নিয়ে আইএসএফ দ্বারস্থ হয় ডিভিশন বেঞ্চে। মামলা ওঠে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চ এদিন বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।

    কী বলল ডিভিশন বেঞ্চ?

    মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এই ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থী এখনই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একক বেঞ্চ মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে যে নির্দেশ দিয়েছিল আপাতত তা স্থগিত থাকবে। ১৫ দিন পরে মামলাটির আবার শুনানি হবে।’’ তবে শুধু আইএসএফ নয় এদিন ভোটে (Panchayat Vote) লড়ার ওপর স্থগিতাদেশ চলে এল ১৯ জন সিপিএম প্রার্থীর ক্ষেত্রেও। ভাঙড়ের সিপিএম প্রার্থীরা একই অভিযোগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ডায়মন্ডহারবারের (South 24 Parganas) হটুগঞ্জ এলাকায়। আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের বোমা মেরেছে। অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে হিংসা ছাড়ানোর চেষ্টা করছে আইএসএফ। পরিস্থিতি সামাল দিলে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    কী ঘটেছে (South 24 Parganas)?

    পঞ্চায়েত ভোটের মাত্র চার দিন বাকি! এর মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার (South 24 Parganas)। রাস্তায় নেমে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ দেখতে গেলে আইএসএফ এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মূলত এলাকায় আইএসএফ দল করার জন্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে বলে জানা গেছে। দুষ্কৃতীরা, এলাকায় ঢুকে আইএসএফ করার জন্য কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ করে। এছাড়াও রড, বাঁশ, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিযোগ কী?

    এই এলাকায় (South 24 Parganas) যারা বর্তমানে আইএসএফ করে, তারা প্রায় ১২ বছর ধরে এলাকায় থাকতে পারছে না বলে জানা গেছে। দোষ একটাই, কেন তৃণমূল বিরোধী দল করে তারা! রাস্তায় বের হলে বাড়ির মহিলাদের হাত ধরে টানাটানি করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদ করতে গেলেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে এলাকায়। আজকের ঘটনায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী সামশুল ঘড়ামী, সিরাজুল ঘড়ামী, আলি আব্দুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। এলাকার আইএসএফ কর্মী এবং সাধারণ মানুষ জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ গিয়ে পৌঁছায়। ভোটের আগে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে আসেন উস্তি, কুলপি থানার পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মন্দির বাজারের এসডিপিও। তাঁদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় দোকানপাট সব বন্ধ এবং পথচলতি মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhangar: সন্ত্রাস কবলিত ভাঙড়ে রাজ্যপাল, কথা শুনলেন এলাকাবাসীর

    Bhangar: সন্ত্রাস কবলিত ভাঙড়ে রাজ্যপাল, কথা শুনলেন এলাকাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে তুমুল অশান্তি ছড়ায় ভাঙড়ে (Bhangar)। কার্যত দুষ্কৃতীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে সমস্ত হিংসাকে ছাপিয়ে গেল ভাঙড়। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমা-গুলির লড়াইয়ে তিনজন রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হয়। এরপরই ভাঙড় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পূর্ব নির্ধারিত সব কর্মসূচি বাতিল করে শুক্রবার ভাঙড়ে যান তিনি। এরই মধ্যে এদিন ভাঙড় থানার পিছনে এক পুরনো বাড়ির কাছ থেকে সাতটি ব্যাগের মধ্যে প্রচুর বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। কে বা কারা সেই বোমা মজুত করে রেখেছিল, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

    ভাঙড়ের (Bhangar) হিংসা নিয়ে কী বলেছিলেন রাজ্যপাল?

    মনোনয়ন জমার শেষ বেলার হিংসা নিয়ে গতকালই কড়া বিবৃতি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর বার্তা ছিল, ‘নির্বাচনে জয় মৃতদেহ গণনার উপর নয়। ভোট গণনার উপর নির্ভর করা উচিত। আমাদের সংবিধান আক্রমণের মুখে। শয়তানের এই খেলা শেষ হওয়া উচিত। শেষের শুরুটা হবে পশ্চিমবঙ্গে। গণতন্ত্রে জনগণই প্ৰভু। নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ অবিচ্ছেদ্য অধিকার। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হিংসার কোনও অবস্থান নেই। যে কোনও মূল্যে হিংসা নির্মূল করা হবে।’ এদিন রাজ্যপাল আসছেন বলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। সাধারণ মানুষ গিয়ে রাজ্যপালের কাছে নালিশও জানিয়েছেন।

    ভাঙড়ে (Bhangar) রাজ্যপালকে পেয়ে কী বললেন আইএসএফ কর্মীরা?

    বৃহস্পতিবারই ভাঙড়ের (Bhangar) কাঁঠালিয়ার বিজয়গঞ্জ বাজারে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। একের পর এক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমাবাজি হয়। চলে গুলি। খুন হন রাজনৈতিক কর্মী। শুক্রবার ভাঙড়ে ঢুকে বিজয়গঞ্জ বাজারে গাড়ি থেকে নামেন রাজ্যপাল। ঘুরে দেখেন এলাকা। কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে। রাজ্যপালকে দেখেই এগিয়ে যান স্থানীয়রা। রাজ্যপাল আসবেন বলে এদিন বহু আইএসএফ কর্মী-সমর্থক সেখানে জমায়েত হন। এরই মধ্যে কয়েকজন আইএসএফ প্রার্থী রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলেন।রাজ্যপালের কাছে নালিশ জানিয়ে তাঁরা বলেন, ভয় দেখিয়ে, পথ আটকে তাঁদের মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। ক্যানিং থেকে গাড়ি করে দুষ্কৃতীরা ভাঙড়ে ঢুকেছিল। ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকাত মোল্লার নেতৃত্বে দুষ্কৃতীদের ওই বাহিনী ভাঙড়ে ঢুকে দাপিয়ে বেড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

    কী বললেন রাজ্যপাল?

    আইএসএফ কর্মীদের কাছে নালিশ পেয়ে রাজ্যপাল নিজের অফিসারদের কাছে জানতে চান, ‘কে এই শওকত মোল্লা?” তাঁরা সিভি আনন্দ বোসকে জানান, শওকাত মোল্লা ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক। এরপরই রাজ্যপাল ভাঙড় ২ নং বিডিও অফিসে ঢুকে যান। সেখানে কর্তব্যরত আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই এই ভাঙড় (Bhangar) ২ বিডিও অফিস কার্যত দুষ্কৃতীদের দখলে চলে গিয়েছিল। বিডিও অফিসের গেট আটকে রেখে ভিতরে চলে মনোনয়ন জমার পর্ব। মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বিরোধীরা। সেই হিংসা কবলিত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি এদিন ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: রণক্ষেত্র ভাঙড়, ব্যাপক বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ আইএসএফ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Election: রণক্ষেত্র ভাঙড়, ব্যাপক বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ আইএসএফ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। ভাঙড়-২ নম্বর ব্লকের বিজয়গঞ্জ বাজারে আইএসএফ কর্মীদের রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিডিও অফিসের কাছে  পুলিশের সামনেই মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হন এক আইএসএফ কর্মী। তৃণমূলীদের হামলায় বেশ কয়েকজন আইএসএফ কর্মী জখম হন। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটান। অন্যদিকে, এদিন ক্যানিং-১ নম্বর ব্লকেও মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূলীদের তাণ্ডবে রক্ত ঝরল বিজেপি প্রার্থীদের। বিডিও অফিসের ভিতরে পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূলীদের বাধায় বিজেপি প্রার্থীরা কেউ মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) নেত্রী?

    আক্রান্ত দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল, সজল ঘোষ সহ একাধিক নেতৃত্ব। বিডিও অফিসে  জমায়েত হওয়ার পরই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল বলেন, তৃণমূল এখানে পুলিশের সামনেই তাণ্ডব চালাল। কাউকে ওরা মনোনয়ন জমা দিতে দিল না। এখানে আমরা আর মনোনয়ন জমা দেব না। বিরোধীদের কাউকে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। তাই, এখানকার নির্বাচন (Panchayat Election) বাতিল করার জন্য প্রশাসনকে বলব। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ রক্তাক্ত এক বিজেপি প্রার্থীকে দেখিয়ে বলেন, দলীয় প্রার্থীর অবস্থা দেখুন। ভাইপো (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) গণতন্ত্রের কথা বলেছিলেন না, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে।

    কী বললেন আইএসএফ কর্মীরা?

    আইএসএফ কর্মী নাসির আলি মোল্লা বলেন, দলীয় প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election)  মনোনয়ন জমা দিতে  আমরা বিডিও অফিসের দিকে যাচ্ছিলাম। পায়ের তলায় মাটি সরে গিয়েছে তৃণমূলের। ওই চোরগুলো কুকুরের মতো করে বিডিও অফিসের রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে যেতেই ওরা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। লাঠি, লোহার রড দিয়ে পেটানোর পাশাপাশি বোমাবাজি করে গুলিও চালায়। আমাদের বহু কর্মী জখম হয়েছে। একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, এদিন অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচি রয়েছে। সেটা বানচাল করতেই আইএসএফ দুষ্কৃতীদের জমায়েত করে এই তাণ্ডব চালিয়েছে। এখন আমাদের নামে মিথ্যা অফিযোগ করছে। নির্বাচনে (Panchayat Election) মানুষ ওদের যোগ্য জবাব দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share