Tag: ISIS Terrorist Musa

ISIS Terrorist Musa

  • Partha Chatterjee: সুদীপ্ত সেন থেকে গৌতম কুণ্ডু, আইসিস জঙ্গি মুসা, রইল জেলে পার্থর প্রতিবেশীর তালিকা…

    Partha Chatterjee: সুদীপ্ত সেন থেকে গৌতম কুণ্ডু, আইসিস জঙ্গি মুসা, রইল জেলে পার্থর প্রতিবেশীর তালিকা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্সি জেলের (Presidency Jail) যে ব্লকে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), সেখানেই রয়েছেন ‘এক-সে-বড়কর-এক’ বন্দিরা। এক কথায় ওই ব্লকে রয়েছে অপরাধীদের ‘হুজ হু’-রা। জেলের পরিভাষায় ওই সেলকে বলা হয় ‘পয়লা বাইশ’।

    প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেল ব্লকের ২ নম্বর ঘরে রাখা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে। পাশের সেলে রয়েছেন রোজভ্যালি কর্ণধার গৌতম কুণ্ডু (Rose Valley chairman Goutam Kundu), সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন (Saradha director Sudipta Sen)। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বর্তমানে জেলবন্দি গৌতম কুণ্ডু। এদিকে, পার্থর উপরেও রয়েছে এসএসসি দুর্নীতি (SSC scam) মামলার অভিযোগ। যা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। অর্থাৎ, এঁদের সকলকেই হাই-প্রোফাইল বন্দি (High profile inmates) বলা হয়ে থাকে। 

    আরও পড়ুন: প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে অর্পিতার! কী বিশেষ নির্দেশ দিলেন বিচারক?

    এখানেই শেষ নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিবেশীর তালিকায় সেলগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে ছত্রধর মাহাতো (Chhatradhar Mahato) সহ একাধিক মাওবাদী নেতা (Maoist leaders)। আরও আছে। পাশের সেলগুলোয় রয়েছে আইএস জঙ্গি মুসা (ISIS terrorist Musa), আফতাব আনসারি (dreaded criminal Aftab Ansari) ও তার ঘনিষ্ঠ জামালউদ্দিন আনসারি! এমনই প্রায় দেড়শোর অধিক দুষ্কৃতী এবং অপরাধীদের সঙ্গেই একই শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর। 

    এই প্রেক্ষিতেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর গলায় নাকি ধরা পড়েছে আক্ষেপের সুর! সূত্রের খবর, জেলে পৌঁছেই পার্থকে নাকি বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‌কেন যে বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদের চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এলাম!‌ হয়ত রাজনীতিতে না এলে এই দিন দেখতে হতো না। রাজনীতিতে না এলে এই দিন দেখতে হত না আমাকে।’‌ তাঁর প্রশ্ন, ‘‌এখানে থাকব কী করে?‌’‌ প্রসঙ্গত, রুটি-ডাল-সবজি খেয়ে মেঝেয় কম্বল বিছিয়ে প্রথম রাত কাটান তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মহাসচিব।

    আরও পড়ুন: ডাল-রুটি খেয়ে মেঝেয় কম্বল পেতে শুয়ে পড়লেন পার্থ, খাবার মুখেই তুললেন না অর্পিতা

    গতকাল এসএসসি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পার্থ–অর্পিতার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক।  ১৮ তারিখ পার্থ-অর্পিতা দু’জনকেই ফের আদালতে তোলা হবে। পার্থকে পাঠানো হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। অন্যদিকে, অর্পিতা থাকছেন আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে।

  • ISIS Terrorist Musa: আইএস জঙ্গি মুসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা এনআইএ আদালতের

    ISIS Terrorist Musa: আইএস জঙ্গি মুসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা এনআইএ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত আইএস (ISIS) জঙ্গি আবু মুসাকে (Abu Musa) গ্রেফতারের ছ’বছর পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Imprisonment) সাজা শোনালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) বিশেষ আদালত। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে সিআইডির (CID) হাতে গ্রেফতার হয়েছিল বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Burdwan blast case) অভিযুক্ত মহম্মদ মসিউদ্দিন ওরফে মুসা। দেশদ্রোহিতা (Treason) ও সন্ত্রাসবাদের (Terrorism) একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।  

    ২০১৩ সালের অক্টোবরে বর্ধমানের খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের (Khagragarh blast) সঙ্গে যুক্ত ছিল এই জঙ্গি। ২০১৩ সাল থেকেই তাকে ধরতে ওৎ পেতে ছিল তদন্তকারী সংস্থা। অবশেষে ২০১৬ সালে হাওড়া-বিশ্বভারতী প্যাসেঞ্জার ট্রেন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং ধারালো অস্ত্র। পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে বীরভূমে নাশকতার ছক কষেছিল সে।  

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বসেই ভাইবোনদের প্রতিমাসে ১০ লক্ষ টাকা পাঠায় দাউদ! দাবি ইডি-র

    ২০১৪ সালে এই জঙ্গি আইএসের খাতায় নাম লেখায়। আইএসের এক জঙ্গির সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ হয় তার। সেও বেশ কয়েকজনকে ওই জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত করে। পরবর্তীতে ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় এনআইএ।

    তদন্ত এগোলে গোয়েন্দারা জানতে পারেন রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল মুসার। দেশদ্রোহিতা ও  সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে আগেই দোষী সাব্যস্ত হয় মুসা। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ (বি), ১২১(এ), ১২২, ১২৩ ধারায়, ইউএপিএ আইনের ১৮, ২০ ও ৩৮ ধারায় এবং অস্ত্র আইনের মামলা চলে। তার জেরেই শুক্রবার কলকাতায় এনআইএ-র বিশেষ আদালতে মুসার সাজা ঘোষণা করা হল।    

    আরও পড়ুন: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    এই প্রথম এই রাজ্যে কোনও আইএস জঙ্গির সাজা ঘোষণা করা হল। গ্রেফতার হওয়ার ছ’বছর পর যাবজ্জীবনের সাজা দেওয়া হল মুসাকে। জেলবন্দি এই ছ’বছরেও একটুও বদলায়নি মুসা। ভাটা পড়েনি তেজে। জেলেও একাধিকবার  খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে এই জঙ্গির বিরুদ্ধে। এমনকি ২০১৮ সালে শুনানি চলাকালীন আদালত কক্ষের মধ্যে ক্ষেপে ওঠে মুসা। বিচারক প্রসেনজিৎ বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়ে সে। যদিও লক্ষ্য ব্যর্থ হয় এবং তা এক আইনজীবীর গা ঘেঁষে চলে যায়। এই ঘটনার জেরে ভিডিও কনফারেন্সে তার শুনানির আবেদন জানানো হয়।   

    এছাড়াও জেলের ভিতরে অন্য বন্দিদের আক্রমণ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে মুসার বিরুদ্ধে। জানুয়ারিতে মুসা পিভিসি পাইপ নিয়ে আক্রমণ করেছিল হেড ওয়ার্ডেন অমল কর্মকারকে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন ওয়ার্ডেন। ২০১৭ সালে গ্রেফতার হওয়ার পরেও মুসা আলিপুর সংশোধনাগারের এক ওয়ার্ডেনকে আক্রমণ করেছিল। 

    আন্তর্জাতি জঙ্গিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত মুসা। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, হায়দ্রাবাদ, এমনকি জম্মু-কাশ্মীরের আইএস জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুসার৷ খাগড়াগড় বিস্ফোরণে ধৃত বীরভূমের আবদুল্লার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার ৷ মুসা ও আবদুল্লা একসঙ্গে তামিলনাড়ুতে থাকত বলে পরবর্তীতে জানতে পারেন গোয়েন্দারা৷ গোটা দেশের আইএস জঙ্গিদের লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করত সে।

    মুসাকে জেরা করে আইএস সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য আদায় করেন গোয়েন্দারা। যেমন মুসা জানিয়েছিল আইএস মডিউলে সবাইকে কোড নামে ডাকা হয়৷ জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার পর মুসার নাম হয়েছিল আবু আল মুসা আল বাঙালি৷ সিরিয়া ও আফগানিস্তান থেকে নিয়মিত ফোন আসত মুসার কাছে। নাশকতা নিয়ে চলত দীর্ঘ শলা পরামর্শ। ২০১৫ সালে বেশ কয়েক মাস দিল্লি ও কাশ্মীরে কাটিয়েছিল মুসা৷ এহেন জঙ্গিকে এদিন সাজা দিল আদালত। 

     

     

     

     

LinkedIn
Share