Tag: ISIS

ISIS

  • ISIS: ভারতে হামলার ছক কষার অভিযোগে গুজরাট থেকে গ্রেফতার ৩ আইসিস জঙ্গি

    ISIS: ভারতে হামলার ছক কষার অভিযোগে গুজরাট থেকে গ্রেফতার ৩ আইসিস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গুজরাট থেকে ৩ আইসিস জঙ্গিকে (ISIS) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  গুজরাট (Gujrat) এটিএস সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তিরা এক বছর ধরে তাদের রাডারে ছিল এবং অস্ত্র সরবরাহের প্রক্রিয়া চলাকালীন তাদের আটক করা হয়েছে। কাশ্মীরে পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই দেশজুড়ে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সক্রিয় অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। এই বছরের শুরুতেই ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার আরও ৫ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

    দু’টি পৃথক মডিউলের সদস্য (ISIS)

    রবিবার আমেদাবাদ থেকে আইসিসের (ISIS) সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে যে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সারা দেশে জঙ্গি হামলা চালানোর ষড়যন্ত্র করেছে তারা। এটিএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “জঙ্গিরা অস্ত্র বিনিময়ের জন্য গুজরাটে এসেছিল এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার পরিকল্পনাও করেছিল। আটক হওয়া তিন সন্দেহভাজন জঙ্গি দু’টি পৃথক মডিউলের সদস্য। তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু কী এবং তারা কোথায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছেন আধিকারিকরা। বিশদ অনুসন্ধানের জন্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ!

    এই বছরের শুরুতে গুজরাট (Gujrat) এটিএস ইসলামি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদার (AQIS) পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছিল। যার মধ্যে বেঙ্গালুরুর এক মহিলাও ছিল। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে একটি অনলাইন জঙ্গি মডিউল পরিচালনা করছিল সে। ধৃতদের নাম ফারদিন শেখ, সইফুল্লা কুরেশি, মহম্মদ ফাইক এবং জিশান আলি। গত ২২ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বিদ্বেষমূলক মতাদর্শ প্রচারের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রধান অভিযুক্ত জিশান আলির কাছ থেকে একটি পিস্তল এবং তাজা গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

    গুজরাট এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নয়ডায় জিশান আলির বাসভবনে একটি অভিযানের সময় অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। পুলিশ সুপার বীরজিৎ সিংহ পারমারের নেতৃত্বে পুলিশ অফিসার নিখিল ব্রহ্মভট্ট এবং এআর চৌধুরীর নেতৃত্বে এই অভিযান চলে।

    এই গোষ্ঠীর (ISIS) বিরুদ্ধে ‘গাজওয়া-ই-হিন্দে’র নামে হিংসাকে উস্কে দেওয়া, ভারতের নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের ডাক দেওয়া এবং অমুসলিমদের লক্ষ্য করে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে। ১৯৬৭ সালের বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (UAPA) এবং ২০২৩ সালের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারার অধীনে আইনি ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে।

  • ISIS Terrorists Arrested: দেশে আইএস-এর বড় চক্র ফাঁস, দিল্লি ও রাঁচি থেকে গ্রেফতার ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি

    ISIS Terrorists Arrested: দেশে আইএস-এর বড় চক্র ফাঁস, দিল্লি ও রাঁচি থেকে গ্রেফতার ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে নাশকতার জাল বিছাচ্ছে ইসলামিক স্টেট! ভারতে বসেই সন্ত্রাসের ছক কষছে ইসলামিক স্টেট! দিল্লি ও ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে দুই আইএস জঙ্গির গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

    বড় জঙ্গি-চক্র ফাঁস

    ভারতে বড়সড় নাশকতামূলক হামলা হওয়ার আগেই বড় জঙ্গি-চক্র ফাঁস করল দেশের গোয়েন্দাবাহিনী। খবরে প্রকাশে, বিশেষ সূত্রে গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে দেশের দুটি শহরের দুটি ডেরায় হানা দেয় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। একদিকে, ঝাড়খণ্ড সন্ত্রাসদমন স্কোয়াড (এটিএস) এবং রাঁচি পুলিশের যৌথ সহায়তায় রাঁচির ইসলামনগর এলাকা থেকে এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম আজহার দানিশ। আদতে সে বোকারো জেলার পেটওয়ারের বাসিন্দা। অন্যদিকে, রাজধানী অঞ্চল থেকে গ্রেফতার করা হয় আফতাব নামে আর এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে। দুজনকে জেরা করা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুমান, এই দুই যুবক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া, দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে আরও ৬ জনকে।

    আইএস-এর এজেন্ট আজহার-আফতাব

    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ধৃত আফতাব ও দানিশের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্রের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে পুরনো এক মামলায় দীর্ঘদিন ধরে দানিশকে খুঁজছিল পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সন্দেহভাজন কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল। সেই মতো, তদন্তে নামে পুলিশ। তাতেই আইএস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে স্পষ্ট যোগ পাওয়া যায় দানিশের। সঙ্গে আফতাবরও। দিল্লি পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভারতে আইএসআইএস-এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করত অভিযুক্তরা। ফলে, এই দুজনের গ্রেফতারি সন্ত্রাসদমন অভিযানে বড় সাফল্য। সন্দেহভাজন দুই জঙ্গিকে জেরা করে ভারতে আইসিস নেটওয়ার্কের খোঁজ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

    মাথাচাড়া দিচ্ছে আইএস

    ইরাক ও সিরিয়া থেকে কার্যত মুছে যাওয়ার পর ইসলামিক স্টেট মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এশিয়ার নানা প্রান্তে। তবে হারলেও এখনও যথেষ্ট শক্তি ধরে সংগঠনটি। সংগঠনটির লক্ষ্য ছিল বিশ্বজুড়ে ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গায় গোপনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। নেপাল, বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানের বহু সন্ত্রাসী ভারতে প্রবেশ করছে। পূর্বে ভারতের কেরল-সহ আরও একাধিক রাজ্যে এই সংগঠনের তৎপরতা নজরে এসেছে।
    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • Christians Massacred: চার্চে ঢুকে এলোপাথারি গুলি, কঙ্গোতে ভয়াবহ হামলা আইসিস-এর শাখা সংগঠনের, মৃত ৩৮

    Christians Massacred: চার্চে ঢুকে এলোপাথারি গুলি, কঙ্গোতে ভয়াবহ হামলা আইসিস-এর শাখা সংগঠনের, মৃত ৩৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কঙ্গোতে মধ্যরাতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Christians Massacred) ৩৮ জন খ্রিস্টানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে অ্যালায়েড ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (ADF), যা ইরাক-সিরিয়ার আইসিস (ISIS) জঙ্গি সংগঠনের একটি শাখা হিসেবে পরিচিত।

    রাত ১টায় অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা

    এই মর্মান্তিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের কোমান্ডা শহরে। জানা গেছে, রাত প্রায় ১টার দিকে ইসলামপন্থী জঙ্গিরা খ্রিস্টানদের লক্ষ্যবস্তু বানায় এবং এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করে (Christians Massacred)। প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গিরা প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসেছিল এবং চার্চের আশপাশে অবস্থান নেয়। এরপরই তারা গুলি চালাতে শুরু করে।

    চার্চের ভিতরে অন্তত ২১ জনকে হত্যা করা হয়েছে

    জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই প্রায় ২০ জন নিহত হন এবং আরও অনেক আহত অবস্থায় পরে মারা যান। কঙ্গোর সিভিল সোসাইটির কো-অর্ডিনেটর জানিয়েছেন, চার্চের ভিতরে অন্তত ২১ জনকে হত্যা করা হয়েছে এবং চার্চের বাইরে আরও অনেককে হত্যা করা হয়। হামলার সময় চার্চে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে। স্থানীয় চার্চের ফাদার জানিয়েছেন, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩১ জন নিহত হয়েছেন এবং শহরের অন্য প্রান্তে আরও সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে (Christians Massacred)। এছাড়া বেশ কয়েকজনকে অপহরণ করা হয়েছে এবং তারা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন (Church)।

    রাষ্ট্রসংঘের রেডিও চ্যানেল “ওকাপি” কী বলছে?

    রাষ্ট্রসংঘের রেডিও চ্যানেল “ওকাপি” জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৪৩ জনে পৌঁছেছে। পূর্ব কঙ্গোর এই ধরনের হামলা নতুন নয়—ADF পূর্বে বহুবার খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে, বিশেষ করে কোমান্ডা এলাকায়। জানা গিয়েছে, ADF তথা অ্যালায়েড ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (Allied Democratic Forces) নামক এই সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালের শুরুতে। মূলত এটি গঠিত হয়েছিল উগান্ডায়, যেখানে ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে একদল উগ্রপন্থী নেতা এই সংগঠনটি তৈরি করে।

  • Operation Spiderweb: ‘স্পাইডার ওয়েব’-এর ধাঁচে ভারতে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের! শক্ত হাতে রুখে দেয় এনআইএ

    Operation Spiderweb: ‘স্পাইডার ওয়েব’-এর ধাঁচে ভারতে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের! শক্ত হাতে রুখে দেয় এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন মাকড়সার জাল’! সাঙ্কেতিক নাম এটাই। অভিযানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল আজ থেকে ঠিক এক বছর ছ’মাস আগে। তার পর থেকে দেড় বছর ধরে চলেছিল প্রস্তুতি। রবিবার রাশিয়ার ইরকুটস্ক অঞ্চলের স্রেডনি জনবসতির কাছে অবস্থিত ওলেনিয়া বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে বড়সড় ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। নিশানায় ছিল আরও তিনটি বিমানঘাঁটি। ঠিক এক বছর আগে ভারতেও অনুরূপ হামলার (Operation Spiderweb)পরিকল্পনা করেছিল ইসলামিক স্টেট। গত বছর, ভারতের মহারাষ্ট্রের প্যাডঘা গ্রামে আইসিসের একটি ঘাঁটি আবিষ্কৃত হয়েছিল, যেখানে ৪৪টি ড্রোন, বিস্ফোরক, অস্ত্র এবং বিভিন্ন নথি পাওয়া গিয়েছিল। এই ড্রোনগুলো মুম্বইয়ে হামলার পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছিল। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনআইএ-র তৎপরতায় এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। গোয়েন্দাদের দাবি, এই ছক কষতে আইএস-কে সাহায্য করেছিল পাকিস্তান।

    রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা

    রাশিয়ার একের পর এক বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে রবিবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্পাইডার ওয়েব’ (Operation Spiderweb), অর্থাৎ ‘মাকড়সার জাল’! ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে ৪০টিরও বেশি রুশ সামরিক বিমান। বেছে বেছে সামরিক বিমানগুলি লক্ষ্য করে নিখুঁত হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা (এসবিইউ)-এর দাবি, ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিমানগুলির মধ্যে ছিল টিইউ-৯৫ এবং টিইউ-২২। দু’টিই যুদ্ধে ব্যবহৃত বোমারু বিমান, যা সাধারণত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। হামলাকারী ড্রোনগুলিকে আগে থেকেই ট্রাকে করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাশিয়ার ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে। পরে দূর থেকে রিমোট নিয়ন্ত্রিত হামলা চালানো হয়। এ জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন ১১৭টি ড্রোন। আগে থেকেই ট্রাকে করে রাশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোনগুলি। যাতে কারও নজরে না পড়ে, সে জন্য ড্রোনগুলিকে বোঝাই করে রাখা হয়েছিল সারি সারি কাঠের বাক্সে। প্রতিটি বাক্সে কাঠের ঢাকনার বদলে ছিল ধাতব প্লেট। পরিকল্পনামাফিক ট্রাকগুলিকে রাশিয়ার চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির কাছাকাছি নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর পর সময়মতো রিমোটের সাহায্যে দূর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ধাতব প্লেটের আবরণ। কাজ শুরু করে দেয় ১১৭টি কোয়াড্রোকপ্টার ড্রোন।

    ভারতেও স্পাইডার-ওয়েব ধাঁচে হামলার ছক!

    গত বছর, ২০২৪ সালের জুন মাসেই মুম্বইয়ে এরকম হামলার ছক কষেছিল ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন আইসিস। মহারাষ্ট্রের গ্রামে মজুত করা হয়েছিল ড্রোন। আইএসআইএস-কে এই কাজে পরোক্ষে সাহায্য করেছিল পাক গুপ্তচর (India Pakistan) সংস্থা আইএসআই। ভারতের যে কোনও প্রান্তে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার আশঙ্কার খবর পেয়েই তখন সক্রিয় হয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। মহারাষ্ট্রের প্যাডঘা গ্রামে আইএসআইএসের একটি ঘাঁটি খুঁজে পায় তারা। জানা যায়, ওই এলাকার ত্রাস হয়ে উঠেছিল শাকিব নাচান নামে এক জঙ্গি। ওই গ্রামের নাম পাল্টে ‘আল-শাম’ করে দিয়েছিল নাচান। এমনকি, নিজেকে ওই অঞ্চলের শাসক হিসেবে ঘোষণা পর্যন্তকরে দিয়েছিল। স্থানীয় যুবকদের ব্রেনওয়াশ করে আইসিসের আদর্শ তাদের মধ্য ঢুকিয়ে নাশকতা হামলার জন্য প্রস্তুত করছিল। যুবকদের আইইডি বিস্ফোরণে পারদর্শী করা হচ্ছিল।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এখানে ৪৪টি ড্রোন, বিস্ফোরক, অস্ত্র এবং বিভিন্ন নথি পাওয়া গিয়েছিল। এই ড্রোনগুলো মুম্বইয়ে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। বড় জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা ছিল দিল্লি, ও গোয়াতেও। নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জঙ্গিদের এই পরিকল্পনা জানতে পেরেছিলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। সতর্কতা জারি হয় দিল্লি, মুম্বই গোয়া, দেশের এই তিন এলাকায়। ভারতীয় গোয়েন্দারা সেই সময় ইন্টারনেটে জঙ্গিদের কথোপকথনে আড়ি পাতে। সেখান থেকেই নানা তথ্য মেলে। গোয়েন্দাদের চেষ্টায় ব্যর্থ হয় জঙ্গিদের পরিকল্পনা। নাচান সহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে জেলে রয়েছে তারা।

    পাকিস্তানের চেষ্টা বানচালে সক্রিয় ভারত

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, পাকিস্তান (India Pakistan) ইতিমধ্যেই চিন থেকে উন্নতমানের ড্রোন সংগ্রহ করেছে। যা অস্ত্র ও মাদক পাচারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ড্রোনগুলো ৮০০ মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এবং ১৫-২০ কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছতে পারে। এগুলি ব্যবহার করে আইএসআইএসের মতো গোষ্ঠীগুলো ভারতের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা ইতিমধ্যে এই ধরনের হামলার সতর্কবার্তা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি এবং সহজলভ্যতার কারণে, এই ধরনের হামলা প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধের ধরন পরিবর্তন করছে, এবং এটি শুধুমাত্র রাষ্ট্র নয়, বরং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্যও একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠছে।

     

     

     

  • ISIS Terror Plan: হায়দরাবাদে হামলার ছক! মজুত করা হচ্ছিল বিস্ফোরক, গ্রেফতার ২ আইসিস জঙ্গি

    ISIS Terror Plan: হায়দরাবাদে হামলার ছক! মজুত করা হচ্ছিল বিস্ফোরক, গ্রেফতার ২ আইসিস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্পের জন্য রক্ষা পেল হায়দরাবাদ (Bomb plot in Hyderabad)। দক্ষিণের এই শহরে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল আইসিস জঙ্গিদের (ISIS Terror Plan)। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে বড়সড় এই হামলার থেকে শহরকে রক্ষা করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে দুই সন্ত্রাসবাদীকে। উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরকও। তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের যৌথ অভিযানেই ওই দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম সিরাজউর রহমান (২৯) ও সঈদ সমীর (২৮)।

    সদা সতর্ক পুলিশ

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর দেশ জুড়ে আরও সতর্ক হয়েছে পুলিশ। সম্ভাব্য যে কোনও খবর পেলেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলছে তল্লাশি অভিযান। সন্ত্রাসের সঙ্গে কোনওরকম আপস নয়। মোদি সরকারের নীতি মেনেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করা হচ্ছে। দেশের নানা প্রান্তে জঙ্গিদের খোঁজে সক্রিয় রয়েছে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হায়দরাবাদের (Hyderabad) বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযুক্ত দুজনকে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হয়। সিরাজ ভিজিনগ্রামের বাসিন্দা, সমীর হায়দরাবাদেরই ছেলে। জানা গিয়েছে, এদের দুইজনেরই আইসিস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। আইসিসের (ISIS Terror Plan) নির্দেশেই হায়দরাবাদে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।

    বিস্ফোরণের ছক তৈরি ছিল

    জেরায় জানা গিয়েছে, সৌদি আরবের আইসিস মডিউল থেকে তাদের হামলা চালানোর যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল। হায়দরাবাদে কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ করতে হবে, সেই নির্দেশও দিচ্ছিল আইসিস জঙ্গিরা। আগে তাদের ‘ডামি’ বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল বলেই জানা গিয়েছে। ওই প্ল্যান সফল হলে, তারপর করা হত বড় হামলা। ভিজিনগ্রাম থেকে সিরাজ বিস্ফোরকের সামগ্রী নিয়ে এসেছিল। জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে, এই ২জন বড় সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিল দেশজুড়ে। সিরাজ ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছিল, সমীর একটি লিফট অপারেটিং সংস্থায় কর্মরত। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই ২ জন অল হিন্দ ইত্তেহাদুল মুসলিমিন সংগঠনের (ISIS Terror Plan) সঙ্গে যুক্ত ছিল।

  • Al Sham Padgha: মুম্বইয়ের অদূরের এই গ্রামেরই পরিচয় ভারতের জঙ্গি হাব হিসেবে, কেন জানেন?

    Al Sham Padgha: মুম্বইয়ের অদূরের এই গ্রামেরই পরিচয় ভারতের জঙ্গি হাব হিসেবে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্য নগরী মুম্বই। দেশ তো বটেই, বিদেশেরও অনেকেই রয়েছেন এই টিনসেল টাউনে। নিত্যদিন যেখানে লেনদেন হয় কয়েকশো কোটি টাকা, জীবন যেখানে বর্ণিল, তারই অদূরে সবার অগোচরে গড়ে উঠেছিল আইএসআইএসের নার্ভ সেন্টার (Al Sham Padgha)। সম্প্রতি এমনই খবর প্রকাশ্যে এসেছে। মুম্বইয়ের ৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ব্যাকওয়াটার টাউন পাদঘা। সেখানকারই একটি গ্রামে তৈরি হয়েছে ভারতের ‘আইএসআইএসের হাব’।

    কুখ্যাত জঙ্গি শাকিব নাচান (Al Sham Padgha)

    এই গ্রামকে জঙ্গি হাবে পরিণত করার নেপথ্য কারিগর কুখ্যাত জঙ্গি শাকিব নাচান। তারই নির্দেশে পাদগার নাম বদলে হয়েছিল অল সাম (Al Sham Padgha)। এলাকায় লাগু হয়েছিল শরিয়া শাসন। চলছিল সমান্তরাল প্রশাসনও। এই শাকিবই পাদঘাকে জঙ্গিদের ঘাঁটিতে পরিণত করেছে। এক সময় শান্ত এই গ্রামেই একে একে ভিড় করতে থাকে অচেনা কিছু মুখ। তাদের কর্তাবার্তায়, চালচলনে সন্দেহও হয়েছিল স্থানীয়দের। তবে তাঁরা যতক্ষণে পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা করছিলেন, তার ঢের আগেই এলাকায় মাথাচাড়া দিয়েছে মৌলবাদ। ভয়ে আর মুখ খোলার সাহস দেখাননি স্থানীয়রা। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে আস্ত একটি গ্রাম পরিণত হয়েছিল ভারতে জঙ্গিদের নার্ভ সেন্টারে।

    এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান

    গত বছর পাদঘায় তল্লাশি অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। উদ্ধার হয় ৪৪টি ড্রোন, বাণিজ্য নগরীতে হামলা চালানোর জন্য মজুত করা হয়েছিল সেগুলি। এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, বাইরে থেকে সাহায্য পাচ্ছিল জঙ্গিরা। কেবল ড্রোন নয়, লুকানো কিছু অস্ত্রও সেই অভিযানে খুঁজে পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। জঙ্গিদের ডেরায় মিলেছিল ইজরায়েলি পতাকাও। তা থেকেই ইঙ্গিত মিলেছিল, কেবল মুম্বই নয়, জঙ্গিদের নজর আরও উঁচুতে। দেশের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি, বড় ধরণের কোনও অশান্তি পাকানোর ছক কষেছিল এই গ্রামে ডেরা বাঁধা সন্ত্রাসবাদীরা।

    আর পড়ুন: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    মুম্বইয়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের নেপথ্যে শাকিবের হাত ছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। মুম্বই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশনে বিস্ফরণেও অভিযুক্ত সে। ২০০২ সালের ডিসেম্বরের ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন ২৫ জন। ভিলে পার্লে এলাকায় বিস্ফোরণেও হাত ছিল তার। মুলুন্দ স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনায় উঠে এসেছিল শাকিবের নাম। ২০০৩ সালে গ্রেফতার হয়ে সাত বছর জেল খেটেছিল এই কুখ্যাত জঙ্গি। গত ডিসেম্বরের ওই অভিযানে ১৫ জন জঙ্গি গ্রেফতার হয় এই গ্রাম থেকে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে জঙ্গি ডেরার এই গাঁয়ের কথা (Al Sham Padgha)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISIS: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    ISIS: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস-এর নেতারা ছিল আইসিস (ISIS) জঙ্গিদের টার্গেটে। এমনটাই জানাল গুজরাট এটিএস। সম্প্রতি যে চারজন আইসিস জঙ্গিকে আহমেদাবাদ থেকে গ্রেফতার করে গুজরাট এটিএস তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

    ইহুদি, খ্রিষ্টান, বিজেপি ও আরএসএস নেতারা টার্গেটে ছিল

    গুজরাতে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রীলংকা থেকে ভারতে ঢুকে পড়া ওই চার আইসিস (ISIS) জঙ্গির কাছ থেকে যে সমস্ত কাগজপত্র এবং তথ্য উদ্ধার হয়েছে তা থেকে জানা যায় আত্মঘাতী জিহাদি জঙ্গিতে পরিণত হয়েছিল তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একটি গোলাপি রঙের পার্সেল পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে থেকে পাকিস্তানের তৈরি তিনটি পিস্তল, ২০ রাউন্ড কারতুজ এবং কালো রঙের আইসিসের পতাকা মিলেছে। গুজরাটের ডিজিপি বিকাশ সহায় প্রেস কনফারেন্স করে জানান, “আমেদাবাদ থেকে তাঁদের গ্রেফতার করার পর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছে পাকিস্তানের এক জঙ্গির কাছ থেকে নির্দেশ আসত। নির্দেশ ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি এবং আরএসএসের নেতাদের টার্গেট করতে হবে। তাঁদের মগজ ধোলাই করে শেখানো হয়েছিল এরা নাকি মুসলিমদের উপর অত্যাচার করে।”  

    পাকিস্তানি পিস্তল ও গুলি বাজেয়াপ্ত

    গুজরাট এটিএস জানিয়েছে ধৃতরা হল মোহাম্মদ নুসরত, মোহাম্মদ ফারিস, মোহাম্মদ রাসদিন এবং মোহাম্মদ নাফরান। এরা সকলেই শ্রীলংকার নাগরিক। গোয়েন্দা সূত্রে আরও খবর মুহাম্মদ নুসরাতের কাছে পাকিস্তানি ভিসা ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত চার জঙ্গি পাকিস্তানের যেই হ্যান্ডলারের যোগাযোগে ছিল তাঁর নাম আবু। আবু একজন আইসিস জঙ্গি এবং পাকিস্তানে থাকে সামাজিক মাধ্যমে আবুর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল শ্রীলংকার জঙ্গিদের। তাঁদের একাধিক টার্গেটকে গুলি করা ও আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য মগজ ধোলাই করা হচ্ছিল। এদের এই কাজ করার জন্য প্রাথমিকভাবে ৪ লক্ষ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা দেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আইপিএল চলাকালীন হামলার ছক? চার সন্দেহভাজন আইসিস জঙ্গি গ্রেফতার

    ধৃতদের মোবাইল থেকে অনেকগুলি আইসিস (ISIS) জঙ্গিদের ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে এদের মোবাইল ফোনে আমেদাবাদের কাছে নানা চিরোদা বলে একটি এলাকার অনেকগুলি ছবি ছিল। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই এলাকায় হানা দিয়ে গোয়েন্দারা সেখান থেকে পাকিস্তানের তৈরি তিনটি পিস্তল, ২০ রাউন্ড কারতুজ ও আইসিস পতাকা বাজেয়াপ্ত করে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISIS: আইপিএল চলাকালীন হামলার ছক? চার সন্দেহভাজন আইসিস জঙ্গি গ্রেফতার

    ISIS: আইপিএল চলাকালীন হামলার ছক? চার সন্দেহভাজন আইসিস জঙ্গি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে চারজন সন্দেহভাজন আইসিস জঙ্গিকে (ISIS) গ্রেফতার করল গুজরাট এটিএস। সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে খবর ধৃতরা সকলেই শ্রীলংকার (Sri Lanka) বাসিন্দা। এরা চেন্নাই হয়ে ভারতে ঢুকে পড়ে। এরপর পরবর্তী আদেশের জন্য অপেক্ষা করছিল তাঁরা। বর্তমানে আইপিএল (IPL) চলছে গুজরাটের আহমেদাবাদের স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়ামে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে কলকাতার মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এর জন্য বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা ছিল।

    বড়সড় অঘটন ঘটাতে চেয়েছিল জঙ্গিরা

    বিমানবন্দরের এক আধিকারিক বলেন, এখন অবধি এই জঙ্গিদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুরোপুরি ভাবে জানা যায়নি। তবে নিরাপত্তার ফাঁক গলে বড়সড় অঘটন যে তাঁরা ঘটাতে চেয়েছিল, সে বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। গত বছর গুজরাটের (Gujrat)পোরবন্দর এলাকায় একজন আইসিস জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    আরও পড়ূন: পুড়ে ছাই ৪০ জাহাজ! বন্দরে কিভাবে লাগল আগুন?

    এছাড়াও চলতি বছরের মার্চ মাসে অসমের ধুবরি এলাকা থেকে দুই আইসিস জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই আইসিস নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। ভারতে কী ভাবে আইসিস নেটওয়ার্কের মাথা ও তাঁদের সহযোগীদের বিষয়েও গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছেন।

    সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে

    আমেদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে শ্রীলংকা থেকে ভারতে এসে এরা একটা বড়সড় জঙ্গি হানার ছক কষেছিল। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে এরা চেন্নাই থেকে আমেদাবাদে এসেছিল। এদের সম্পর্কে ইন্টেলিজেন্স ইনপুট ছিল। কিন্তু এরা হাতিয়ার হাতে পাওয়ার আগেই এদের গ্রেফতার করে ফেলা হয়। ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গিদের (ISIS) নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। তাঁদের অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে এই চারজন আলাদা আলাদা ভাবে বিভিন্ন জনবহুল স্থানে ছড়িয়ে পড়ে ২৬/১১-র কায়দায় খুন-খারাপি করার পরিকল্পনা করেছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Blast: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    Bengaluru Blast: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর ক্যাফে বিস্ফোরণে (Bengaluru Cafe Blast) অভিযুক্ত দুই জঙ্গিকে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার এক হোটেল থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। ২৮ দিন ধরে তারা বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিচয় গোপন করে ঘুরে বেরিয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তারা নাকি বাংলায় দু’ঘণ্টার ‘অতিথি’ ছিল। এ কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মমতার দাবির যৌক্তিকতা

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বেঙ্গালুরু রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bengaluru Cafe Blast) জড়িত ধৃত ২ আইএস জঙ্গি রাজ্যে নাকি ২ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিল। তিনি বলেন, “লোকগুলো কর্নাটকের। এখানকার নয়। আমাদের বাংলায় দু’ঘণ্টা লুকিয়ে ছিল। দু’ঘণ্টার মধ্যে আমরা ধরে দিয়েছি।” কিন্তু, এনআইএ গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে, ২ জঙ্গি বাংলায় ২৮ দিন অর্থাৎ, প্রায় এক মাস আত্মগোপন করেছিল। এই সময় বিভিন্ন সময়ে তারা ডেরা পাল্টে পাল্টে লুকিয়ে ছিল। এনআইএ-র দাবি, কলকাতার ৮টি হোটেলে ১৮ দিন কাটিয়েছে ধৃত জঙ্গিরা। প্রথমে ধর্মতলা, তারপর লেনিন সরণি, সেখান থেকে খিদিরপুর, তারপর একবালপুর এবং সেখান থেকে নিউ দিঘার হোটেলে। ডেরা পাল্টে পাল্টে ২৮ দিন ধরে বাংলায় ঘুরে বেরিয়েছে জঙ্গিরা। শুধু কলকাতা-দিঘা নয়, পুরুলিয়া-দার্জিলিঙেও মিলেছে ধৃত জঙ্গিদের ডেরার খোঁজ। বাংলা জুড়ে তাদের অবাধ বিচরণে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা। 

    রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গিদের বিচরণ 

    এনআইএ সূত্রে খবর,  বিগত ২৮ দিন ধরে পশ্চিমবঙ্গেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই দুই জঙ্গি। খাস কলকাতায় একের পর এক হোটেলে তারা রাত কাটিয়েছে। হোটেলের রেজিস্টারে নাম নথিভুক্ত করানোর সময় ভুয়ো পরিচয় দিয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষকে নাকি দেখিয়েছিল ‘ভুয়ো’ আধার কার্ড। এরই মধ্যে এবার একবালপুরের এক হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে এই দুই জঙ্গির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভাইরাল হওয়ৈা ভিডিও অনুযায়ী, সেই হোটেলে নাকি তারা ২৫ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ছিল।  শহরে মোট ১৮ দিন ছিল তারা। 

    আরও পড়ুন: অজয়ের চোখের যাদুতে গোলে বল! ফুটবল প্রেমীদের মন ভরাল ‘ময়দান’

    দার্জিলিং-পুরুলিয়ায় দিন যাপন

    এর আগে, ১৪ মার্চ থেকে ২১ মার্চ দার্জিলিং এবং পুরুলিয়ায় সময় কাটিয়েছিল এই দুই জঙ্গি। দার্জিলিঙে তারা ৩ দিন ছিল এবং পুরুলিয়ায় ছিল ২ দিন। শেষমেশ গত পরশু গভীর রাতে নিউ দিঘার (New Digha) একটি হোটেল থেকে বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণে দুই চক্রী আবদুল মতিন আহমেদ ত্বহা এবং মুসাভির হোসেন শাজিবকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ।

    ১০ বার সিম বদল

    এই সময়ে ১০ বার সিম পাল্টেছে তারা। এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক তদন্তে এনআইএ জানতে পেরেছে, সম্ভবত কর্নাটক (Karnataka) থেকেই একাধিক ভুয়ো আধার কার্ড বানিয়েছিল জঙ্গিরা। কমপক্ষে ১০টি ফোন নম্বর ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল ওই ভুয়ো আধার কার্ড। বেঙ্গালুরুর ক্যাফেতে বিস্ফোরণের পরপর দু’জন চেন্নাইয়ে (Chennai) চলে যায়। সেখান থেকে সড়ক-রেলপথে তারা পৌঁছোয় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISIS Love: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    ISIS Love: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিস-প্রীতির (ISIS Love) জেরে ফের গ্রেফতার কেরলের এক বাসিন্দা। বর্তমানে সে আফগানিস্তানে ছিল। আফগান গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেফতার করে তাকে। আফগানিস্তানে বসেই সানাউল ইসলাম নামের ওই যুবক ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক এবং সিরিয়া (আইসিস) নিয়ন্ত্রণ করত।

    কেরলের আইসিস যোগ…

    আফগানিস্তান প্রশাসনের তরফে সানাউলের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। আইসিসে (ISIS Love) যোগ দিতে তাজিকিস্তান হয়ে সে আফগানিস্তানে গিয়েছিল বলেও দাবি তালিব প্রশাসনের। এর ঠিক এক মাসে আগেই কেরল থেকে এনআইএ আদালত রিয়াজ আবু বক্করকে ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে ষড়যন্ত্র করার দায়ে অভিযুক্ত করেছিল। এবার প্রকাশ্যে এল আরেক কেরল যুবকের আইসিস-প্রীতির উদাহরণ। গত বছর জুলাইয়েও এনআইএ কেরলে আইসিস মডিউলের একজনকে গ্রেফতার করেছিল। ভারতের ধর্মীয় স্থানে নাশকতার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে।  

    কেরলের যুবাদের আইএস-প্রীতি কেন?

    ২০১৭ সালে কেরল পুলিশ জানিয়েছিল, সে রাজ্যের প্রায় ১০০ জন যোগ দিয়েছে আইসিসে। প্রশ্ন হল, কী কারণে আইসিস-প্রীতি বাড়ছে কেরলের যুবকদের? জানা গিয়েছে, কেরলের যে তরুণরা আইসিসে যোগ দিয়েছে, তাদের সিংহভাগই মপলা মুসলমান, যারা বিশ্বাস করে তারা আরব ব্যবসায়ীদের বংশধর কিংবা উচ্চবর্ণের ধর্মান্তরিত হিন্দু। এই মুসলমানদের বাস মূলত মালাপূরম, কালিকট এবং কান্নুরে।

    আরও পড়ুুন: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    অর্থের টোপ দিয়ে মগজধোলাই!

    সাতের দশক থেকে কেরলের বহু মানুষ মধ্য প্রাচ্যে চলে যাচ্ছেন রোজগারের ধান্ধায়। সেখান থেকেই তাঁরা যোগাযোগ রাখছেন ভরতে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। তাছাড়া, এই অঞ্চলে সৌদি আরব থেকেও প্রচুর মুদ্রা ঢোকে। সেই মুদ্রার টোপ গিলে এ রাজ্যের তরুণদের একাংশ সৌদি এবং সালাফি পণ্ডিতদের কাছ থেকে ধর্মীয় নীতিকথা শিখছে। কেরলে আইসিসের (ISIS Love) মাথারা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সফল। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তারা নিয়োগ করছে তরুণদের। করছে মগজধোলাই।

    কেরলে একাধিক আইএস মডিউল সক্রিয়

    কেরলে আইসিসের অনেকগুলি মডিউল রয়েছে। এর মধ্যে আবদুল রশিদের কাসারগড় মডিউল এ রাজ্যের ২৪ জনকে আফগানিস্তানের মতো আইএসআইএস কলোনিগুলিতে পাঠিয়ে দিতে সফল হয়েছে। এই মডিউলে রয়েছে ধর্মান্তরিত যুবতী সোনিয়া সেবাস্টিয়ান এবং তার মুসলমান স্বামীও। তারাও পালিয়েছে আফগানিস্তানে। কান্নুরের আরও একটি মডিউল কেরলের ৪০-৫০ জন তরুণকে মৌলবাদে দীক্ষিত করেছে। এরাও পরে যোগ দিয়েছে আইসিসে (ISIS Love)। এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (পিএফআই) মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share