Tag: ISKCON

ISKCON

  • ISKCON: চিন্ময়কৃষ্ণের পরে শ্যামদাস প্রভু, আরও এক ইসকন সন্ন্যাসী গ্রেফতার বাংলাদেশে

    ISKCON: চিন্ময়কৃষ্ণের পরে শ্যামদাস প্রভু, আরও এক ইসকন সন্ন্যাসী গ্রেফতার বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর হয়রানি চলছেই। ইসকনের (ISKCON) সন্ন্যাসী চিন্মযকৃষ্ণ দাসের পরে তাদেরই আরও এক সন্ন্যাসী শ্যামদাস প্রভুকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে ইসকনের একটি কেন্দ্রে ভাঙচুরেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইসকনের ওই তরুণ সন্ন্যাসী (Hindu Priest) জেলে চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন এবং তখনই কোনও রকমের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই ইউনূস পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। গোটা ঘটনা কলকাতায় ইসকনের অন্যতম মুখপাত্র রাধারমণ দাস নিজের সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, ‘‘চট্টগ্রাম পুলিশ আর এক ব্রহ্মচারী শ্যামদাসকে গ্রেফতার করেছে। তিনি কি সন্ত্রাসী? নির্দোষদের গ্রেফতারে ইসকন গভীর ভাবে মর্মাহত।’’ একের পর এক হিন্দু সন্ন্যাসী গ্রেফতার হচ্ছে বাংলাদেশে। এই আবহে ফের একবার হিন্দু বিক্ষোভে উত্তাল হতে পারে বাংলাদেশ, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আজ ১৫০টির বেশি দেশে প্রার্থনার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাবে ইসকন (ISKCON)

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার ও ইসকনের (ISKCON) সন্ন্যাসীদের হয়রানি করার প্রতিবাদে আজ রবিবার ১ ডিসেম্বর, বিশ্বজুড়ে দেড়শোর বেশি দেশে লক্ষ লক্ষ ইসকন ভক্ত প্রার্থনা শুরু করবেন, এ কথা জানিয়েছেন ইসকনের অন্যতম রাধারমণ দাস। তিনি ভক্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রার্থনা-কীর্তন-ধর্মসভায় যোগদানের জন্য।

    ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার হন চিন্ময়কৃষ্ণ

    প্রসঙ্গত গত মাসের ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের (ISKCON) সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে। সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম এবং রংপুরে প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সংখ্যালঘু হিন্দুরা। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। সেই সময় বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়।

    শুক্রবারও হামলা চলেছে চট্টগ্রামে

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের ওপরে হামলা চলছেই। শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, মৌলবাদীদের একটি দল হামলা চালায় বাংলাদেশের চট্টগ্রামের তিনটি হিন্দু মন্দিরে। প্রত্যেকটি মন্দিরকেই ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চট্টগ্রামের হরিশচন্দ্র মুন্সি লেনে দুপুর আড়াইটে নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। শান্তনেশ্বরী মাতৃমন্দির ও তার নিকটবর্তী একটি শনি মন্দির এবং শান্তনেশ্বরী কালীবাড়িতে হামলা করা হয়। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমেও এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, একটি ভিড় থেকে স্লোগান দিতে দিতে ইট নিয়ে হামলা চালানো হয় মন্দিরগুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ওপার বাংলায় তেরঙার অসম্মান, বাংলাদেশের রোগী দেখবে না কলকাতার হাসপাতাল

    Bangladesh Crisis: ওপার বাংলায় তেরঙার অসম্মান, বাংলাদেশের রোগী দেখবে না কলকাতার হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের হাত ধরেই স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ। পদ্মা-পাড়ের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারতীয়দের অবদান অনস্বীকার্য। সেই বাংলাদেশেই এখন ভারতের জাতীয় পতাকা মাড়িয়ে চলছে যাতায়াত। তাও আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, পরিকল্পিত ভাবে। দ্বিধাহীনভাবে তার ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে পড়ুয়ারা। ছবি ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে। জনরোষ বাড়ছে এপার বাংলায়। এবার বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া বন্ধের ঘোষণা করল কলকাতার একটি হাসপাতাল। একই পথে হেঁটে বাংলাদেশি রোগী দেখা বন্ধ করলেন এক চিকিৎসকও।

    হাসাপাতালে নিষেধাজ্ঞা

    উত্তর কলকাতার মানিকতলা এলাকার জেএন রায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘‘আপাতত বাংলাদেশি রোগী দেখা বন্ধ। ভারতের চিকিৎসায় সুস্থ থেকে ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা, এটা হতে পারে না।’’ সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ডিরেক্টর শুভ্রাংশু ভক্তের কথায়, ‘‘কারণটা খুব স্পষ্ট। যারা আমাদের দেশের সাহায্য নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করল, সেখানকার বর্তমান প্রজন্ম ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করছে। এমনটা মেনে নেওয়া যায় না। তাদের জন্য আমাদের দরজা খোলা রাখার দরকার নেই বলেই মনে করি। গোটা বিশ্ব দেখছে বাংলাদেশে কী হচ্ছে। ওখানকার মানুষ এর পরও কোন মুখে এখানে আসছে?’’

    ‘ডক্টর্স ওথ’-এর অবমাননা 

    এই মুহূর্তে কোনও বাংলাদেশি রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি নেই। তবে নতুন করে আর ওপার বাংলার কোনও রোগী ভর্তি নিচ্ছে না জেএন রায় হাসপাতাল। কোনও রকম এনকোয়্যারি এলে স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে কোনওভাবেই ‘ডক্টর্স ওথ’-এর অবমাননা হচ্ছে, বলে মনে করেন না চিকিৎসক শুভ্রাংশু ভক্ত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সিদ্ধান্ত যদি অমানবিক হয় তাহলে ওখানে যা হচ্ছে তা কি মানবিক? আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ধীরে ধীরে আরও অনেকে এই সিদ্ধান্ত নেবেন।’’

    ভারত-বিরোধী স্লোগান বাংলাদেশে

    বাংলাদেশ না পাকিস্তান বোঝা দায়! পদ্মা-পাড়ে এখন ভারতবিরোধী স্লোগান উঠছে মুহুর্মুহু। অথচ নীরব ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সে দেশে প্রতিদিন লাঞ্ছিত, নিগৃহীত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ হিন্দু। তছনছ করা হচ্ছে একাধিক মঠ, মন্দির। সে দেখে সংখ্যালঘুদের অধিকার চেয়ে আন্দোলন করা সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ জেলবন্দি। এই ঘটনায় প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে ভারতে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে বহু রোগী চিকিৎসা করাতে আসেন। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে আসা রোগী দেখা বন্ধ রাখলেন স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইন্দ্রনীল সাহা। 

    চিকিৎসকের প্রতিবাদ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় চিকিৎসক ইন্দ্রনীল সাহা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ইঞ্জিনিয়ারিং অফ টেকনোলজি’র (বিইউইটি) ভারতীয় পতাকায় পা দিয়ে চলে যাওয়ার ছবিটি পোস্ট করেছেন।  দেশের পতাকার অসম্মানের প্রতিবাদে তিনি লিখেছেন, ‘‘বিইউইটি ইউনিভার্সিটির প্রবেশপথে ভারতীয় জাতীয় পতাকা বিছিয়ে রাখা! চেম্বারে বাংলাদেশের রোগী দেখা আপাতত বন্ধ রাখছি ৷ আগে দেশ, পরে রোজগার৷ আশা রাখব, সম্পর্ক স্বাভাবিক না হওয়া অবধি অন্য চিকিৎসকরাও তাই করবেন৷’’ তাঁর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নেটিজেনদের অনেকেই। বাংলাদেশ থেকে বিশাল সংখ্যায় মানুষ এদেশে বিশেষত কলকাতায় আসে চিকিৎসা করাতে। কলকাতা শহরের বিভিন্ন জায়গায় থেকে তাঁরা সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করান। কিন্তু তাঁরাই ফিরে গিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। যার প্রতিবাদ এবার ধরা পড়ল শহরের হাসপাতালে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি হিন্দ শূন্য হয়ে যাবে? সম্প্রতি দেশটিতে যেভাবে (ISKCON) হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, যেভাবে হিন্দু সন্ন্যাসীদের (ISKCON) মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তার পরে স্বভাবিকভাবেই উঠছে এই প্রশ্ন। দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশিষ্ট হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস মহারাজকে। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায় সমাবেশ করছে। তবে তারাও নির্মম দমন-পীড়ন ও হামলার মুখোমুখি হচ্ছে।

    চিন্ময় মহারাজ (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল পর্যন্তও চিন্ময় মহারাজকে আটকে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সনাতনী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাঁর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করতে গিয়েও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন যেমন হিজবুত তাহরির, জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হরকা তুল জিহাদ (হুজি), আনসার আল ইসলাম এবং হেফাজতে ইসলাম (হেই)-এর মতো উগ্রপন্থী ইসলামী গোষ্ঠীর সাজাপ্রাপ্ত জিহাদিরা। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় মহারাজের প্রাণ সংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা সনাতনীদের। চিন্ময় মহারাজ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ করেছেন, তিনি বিএনপির নেতা। ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করার পর পরের দিনই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কারাগারে।

    হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার চেষ্টা

    চিন্ময় মহারাজ ছিলেন বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে গ্রেফতার করে হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিতে চেয়েছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। সোশ্যাল মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামপন্থী ও হিন্দু-বিরোধী এলিমেন্টরা চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে। ২৭ নভেম্বর ভোরের দিকে চট্টগ্রাম শহরের মেথরপট্টি এলাকায় মনসা মায়ের মন্দিরে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। হজারিগলিতে কালী মন্দিরেও আগুন লাগিয়ে দেয় ইসলামপন্থী জনতা। হরিজন সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বহু হিন্দু বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমানদের “ছুরি ধারালো করার” আহ্বান (ISKCON) জানাচ্ছে। তারা যাতে ইসকনের সদস্যদের হত্যা করতে পারে, তাই ছুরি ধারালো করার আহ্বান। চট্টগ্রাম শহরের হিন্দুরা এক অসহনীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর (Bangladesh Crisis)। এবারের অত্যাচার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

    আরও পড়ুন: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    চরমে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার যদি এই হিংসা বন্ধ করতে না পারে, তাহলে বহু হিন্দু খুন হতে পারেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন হিন্দু মহিলারা। চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে (পড়ুন প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর) বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তুঙ্গে। নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের বাড়ি এবং মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। হামলা চালনো হচ্ছে হিন্দুদের বাড়িতে। রাতের অন্ধকারে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুনও। স্থানীয় মিডিয়াকে এই ঘটনাগুলো প্রচার করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বেশিরভাগই কোনও এক অজানা কারণে নৃশংসতার এই ছবি তুলে ধরা থেকে বিরত থেকেছে।

    বিহারিদের অত্যাচার!

    ‘স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ’ কমিউনিটির সদস্যরা, যারা বিহারি নামেও পরিচিত, তারাও হিন্দুদের বিরুদ্ধে এই হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপরাধগুলো গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলি অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর কারণ সম্ভবত ইউনূসের প্রভাব এবং বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর কানেকশনের কারণে (ISKCON)।

    ক্লিন্টনের কারবার

    দেশে লাগাতার হিন্দু নিধন যজ্ঞ চললেও, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমেরিকা সফরের সময় ইউনূসকে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ দ্বারা সম্মানিত করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে, বিল ক্লিনটন নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠন হিজব-উত-তাহরির-এর নেতা মাহফুজ আলমের প্রশংসা করেন। এই সংগঠন খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে। সেই সংগঠনেরই হয়ে সাফাই গাইতে দেখা যায় বিল ক্লিনটনকে। হিন্দুদের (Bangladesh Crisis) পীড়ন করার পাশাপাশি বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করাও শুরু করে দিয়েছে ইউনূস সরকার। অক্টোবরে আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের গায়ে জঙ্গি সংগঠনের তকমা সেঁটে দিয়ে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে, সরকার আওয়ামি লিগকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে।

    এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে প্রতিষ্ঠিত হবে ইসলামি শক্তির আধিপত্য। হিন্দু ও খ্রিষ্টান-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য তেমন কোনও প্রতিনিধিত্ব থাকবে না। তাই সমালোচনাও হবে না। মৌলবাদীদের পাশাপাশি করেকম্মে (ISKCON) খাবে জঙ্গিরাও (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: আদালতে ধাক্কা খাওয়া ইউনূস সরকারের নয়া চক্রান্ত, ফ্রিজ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

    ISKCON: আদালতে ধাক্কা খাওয়া ইউনূস সরকারের নয়া চক্রান্ত, ফ্রিজ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকন (ISKCON) ইস্যুতে বাংলাদেশ কোর্টে জোর ধাক্কা খেয়ছে মৌলবাদীরা। কারণ, অনেক ইসলামপন্থি বাংলাদেশি তাঁদের দেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘ইসকন’কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিতে সরব হয়েছিল। এই মর্মে বাংলাদেশ হাইকোর্টে একটি পিটিশনও দাখিল করা হয়। তবে আদালতে সেই পিটিশন খারিজ হয়ে যায়। আদালত সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়েছে। আদালতে কাজ হাসিল না হওয়ায় ‘রাগে’ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দিল ইউনূস সরকার। অবশ্য ইউনূসকে সামনে রেখে পিছনে ছড়ি ঘোরানো মৌলবাদীরা ইসকনকে চাপে রাখতে সব রকমের কৌশল নেওয়া শুরু করেছে। এবার মূলত ইসকনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের দিকে ইউনূস সরকারের নজর রয়েছে!

    ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ! (ISKCON)

    বাংলাদেশের ইসকনের (ISKCON) ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দিল দেশের অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছেন ধৃত সনাতনী নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসও। প্রথম আলো সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এক মাস এই অ্যাকাউন্টগুলিতে কোনও রকম আর্থিক লেনদেন হবে না, কড়া নির্দেশে জানিয়েছে বিএফআইইউ। বিএফআইইউ ইসকনের ১৭ জনের অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য জানাতে বলেছে ওই ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে। তিনদিনের মধ্যে অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে বিএফআইইউ-কে।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    চিন্ময় প্রভু গ্রেফতারি নিয়ে সরব অসকন

    প্রসঙ্গত, ২৫ নভেম্বর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন সনাতনী নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। এই ঘটনার পরপরই বাংলাদেশের ইসকন (ISKCON) বিবৃতিতে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করেছে। বৃহস্পতিবারও এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘আমরা সবাই হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আর্জি জানাচ্ছি। ফের শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা হোক দেশে। চিন্ময়কৃষ্ণ দাস হিন্দুদের রক্ষার্থে এবং মন্দিরের সুরক্ষার জন্য লড়াই করছেন। অধিকার আদায় এবং স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের অধিকার তাঁর রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে সমর্থন করা থেকে বিরত হচ্ছি না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    ISKCON: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু ধর্মের মানুষের উপর ব্যাপক অত্যাচার করছে ওই দেশের উগ্র মুসলিম এবং ইউনূস প্রশাসন। এবার হিন্দুদের নিরাপত্তা চেয়ে ১ ডিসেম্বর, রবিবার বিশ্ব জুড়ে ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে শান্তি এবং সুরক্ষার দবিতে কীর্তন করে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন কলকাতা ইসকন কার্যালয়ের মুখপাত্র রাধারমণ দাস। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই বার্তা দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে ইউনূস প্রশাসন। এরপর থেকে ভারত সহ সারা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে মুখ পুড়েছে নোবেল জয়ী ইউনূসের।

    ১৫০টিরও বেশি দেশের অগুনিত শহরে ধর্ম সভা (ISKCON)

    এদিন ইসকনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “সারা বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশের অগুনিত শহরে লক্ষ লক্ষ ইসকন ভক্ত এই প্রতিবাদ প্রার্থনা সভায় যোগদান করবেন। এই সভার একটাই দাবি, বাংলাদেশের হিন্দুদের ধর্ম পালনের নিরাপত্তা চাই। তাই সকল ভক্তদের আবেদন করা হচ্ছে সকলে আসুন। নিজ নিজ ইসকন (ISKCON) মন্দিরে বা ধর্মসভায় যোগদান করে সম্মিলিত ভাবে সংকীর্তনে যোগদান করুন।” আবার ইসকন সম্প্রতি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সম্পর্কে বলেছে, “বাংলাদেশে হিন্দুদের অধিকার এবং তাঁদের ধর্মীয় স্থানগুলি রক্ষার জন্য চিন্ময় কৃষ্ণের প্রচেষ্টাকে ইসকন সমর্থন করে। তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করা হয়নি।”

    আরও পড়ুনঃ ১১৫ বছরের কলেজ ওয়াকফ সম্পত্তি! বারাণসীতে উত্তেজনা, বসল পুলিশ ক্যাম্প

    শুক্রবার ৩টি মন্দির ভেঙেছে জামাত-বিএনপি

    অপরদিকে, শুক্রবারও বাংলাদেশের চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করা হয়। এরপর আতঙ্কিত হিন্দুরা বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র পালাতে শুরু করেন। শুধু মন্দির নয়, একই ভাবে হিন্দু জনতার দোকান এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলিকেও ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় হিন্দু জনতার অভিযোগ, জামাতে-ইসলামি এবং বিএনপির মিছিল থেকে আচমকা মন্দিরে হামলা চালানো হয়। ইসকনকে (ISKCON) নিষিদ্ধ করার জন্য দাবিও তোলা হয় ওই মিছিলে। এই এলাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ হিন্দু। হিন্দু জনতাকে ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই প্রাণের ভয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পাশে থাকার বার্তা দিতে কীর্তনের আয়োজন কলকাতা ইসকনের

    ISKCON: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পাশে থাকার বার্তা দিতে কীর্তনের আয়োজন কলকাতা ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের ঘটনায় ভারতের একের পর এক ধর্মগুরু নিন্দায় সরব হয়েছেন। ভারত সরকার বাংলাদেশকে কড়়া বার্তা দিয়েছে। কলকাতা ইসকন (ISKCON) কর্তৃপক্ষ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইসকন স্বেচ্ছাসেবকরা একটি কীর্তন সভার আয়োজন করেছে।

    ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট কী বললেন? (ISKCON)

    ইসকন (ISKCON) কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা হয়ত মনে করছেন যে, বিশ্ব তাঁদের ভুলে গিয়েছে এবং কেউ তাঁদের যত্ন নিচ্ছে না। আমরা তাঁদের জানাতে চাই যে, তাঁরা সবাই আমাদের হৃদয়ে এবং প্রার্থনায় বাস করেন এবং আমরা তাঁদের জন্য প্রার্থনা করছি। আর তাই কীর্তন সভার আয়োজন করেছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা চিন্তিত ছিলাম। কারণ, আলোচনা চলছিল– যেমন বাংলাদেশ ইসকনকে নিষিদ্ধ করবে। কিন্তু, সেখানকার হাইকোর্ট বলেছে যে এই বিষয়টি তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। তাই আমরা এর থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    প্রতিবাদে সরব হাসিনা

    ইসকনের (ISKCON) পাশপাশি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের নিন্দা করেছেন এবং তাঁর অবিলম্বে মুক্তর দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংখ্যালঘু এবং তাঁদের উপাসনালয়ে হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের একজন সিনিয়র নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আমি তার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি। চট্টগ্রামে মন্দিরে আগুন দেওয়া হয়েছে। এর আগে, মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমদিয়া সম্প্রদায়ের বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সকল সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করে তাঁকে হেফাজতে পাঠিয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: ‘‘ইসকন জঙ্গি গোষ্ঠী নয়, কেন নিষিদ্ধ করার কথা উঠছে?’’ প্রশ্ন সন্ন্যাসী রাধারমণের

    ISKCON: ‘‘ইসকন জঙ্গি গোষ্ঠী নয়, কেন নিষিদ্ধ করার কথা উঠছে?’’ প্রশ্ন সন্ন্যাসী রাধারমণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের চরমে উঠেছে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা। এই আবহে ইসকন (ISKCON) প্রতিবাদ জানাতেই সেই সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি তুলছে জামাত ও বিএনপি সদস্যরা। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার অনৈতিকভাবে গ্রেফতার করেছে ইসকন সন্ন্যাসী চিন্ময় দাসকে। এই ইস্যুতে উপমহাদেশের রাজনীতি সরগরম। এমন সময় কলকাতার ইসকনের অন্যতম কর্মকর্তা রাধারমন দাস একাধিক প্রশ্ন তুললেন। কেন হঠাৎ করে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হচ্ছে? কেনই বা জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইসকনের তুলনা হবে? বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস তো শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন, তাহলে তাঁর আমলে বাংলাদেশের এহেন অবস্থা কেন? এই সমস্ত প্রশ্নই বৃহস্পতিবার তুলললেন কলকাতার ইসকনের এই কর্মকর্তা।

    আতঙ্কে গত দুই দিন ঘুমোতে পারিনি

    বর্তমানে বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন রাধারমন দাস (Radharaman)। বৃহস্পতিবারই তিনি একটি নিউজ পোর্টালকে সাক্ষাৎকার দেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে যে ধরনের অত্যাচার চলছে, তাতে তিনি উদ্বিগ্ন ও ব্যথিত। তিনি বলেন, ‘‘ইসকনকে (ISKCON) বেছে বেছে টার্গেট করা হচ্ছে। অত্যাচার করা হচ্ছে। আতঙ্কে গত দুই দিন ঘুমোতে পারিনি। শরীরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে আমার।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    আতঙ্কিত বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা

    রাধারমণ (Radharaman) বলেন, ‘‘এর আগেও ২০২১ সালে বাংলাদেশে হিন্দুদের মন্দিরে আক্রমণ করা হয়েছিল। তখনও আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম, কীর্তনের মাধ্যমে। এখনও একইভাবে আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তারপরও আমরা নাকি টেররিস্ট?’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হাসিনা দেশ ছাড়ার পর শেষ ১০০ দিনে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বেড়েছে। সংখ্যালঘুরা আতঙ্কিত। ওরা হামলার পর আতঙ্ক ছড়াতে সগর্বে সেই ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। কতটা নৃশংস হলে এমনটা হয়!’’ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে ইসকনের (ISKCON) অন্যতম কর্মকর্তার প্রশ্ন, ‘‘ইউনূস তো শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন? এই তাঁর আচরণ?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Attacks On Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলা চলছেই! জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    Attacks On Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলা চলছেই! জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলা চলছেই। ঠিক এই আবহে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করেন। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ ইস্যুতে দুজনের মধ্যে অনেকক্ষণ আলোচনা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতনের (Attacks On Hindus) বিষয়টি সংসদে উঠতে পারে। এবিষয়ে শীঘ্রই বিবৃতিও দিতে পারেন বিদেশমন্ত্রী।

    ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার হন ইসকনের সন্ন্যাসী

    প্রসঙ্গত, গত ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দরে ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করে ইউনূস সরকার (Attacks On Hindus)। বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের প্রাণ ভোমরা রয়েছে জামাত ও বিএনপি’র মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলির হাতে। এই মৌলবাদী সংগঠনগুলি প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ (Attacks On Hindus) করার দাবি জানিয়ে আসছে। ইসকনের একাধিক মন্দিরে হামলা চলছেই। প্রসঙ্গত, হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় দাস প্রভুকে যখন চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়, তখন তাঁর সমর্থনে হাজার হাজার হিন্দুকে আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হতেও দেখা যায়।

    সরব স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী 

    এদিকে মোদি সরকারের একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাংলাদেশ হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় সরব হয়েছেন। স্বরাষ্ট্র দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং ইতিমধ্যে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে, যাতে সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দুদের (Attacks On Hindus) উপাসনালয় এবং মন্দিরগুলিকে রক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে সারা বিশ্বব্যাপী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আমেরিকা শাখার নেতা অজয় শাহ হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনার বিচার চেয়ে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

    সরব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ

    প্রসঙ্গত, গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের হাসিনা সরকারের পতনের পরে ২০০টিরও বেশি হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং গতকালই বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা প্রমাণ করছে যে সে দেশের সরকার আসলে মৌলবাদীদের খপ্পরে (Attacks On Hindus) রয়েছে। হিন্দুদের ওপর হামলা মানবতাবাদ বিরোধী বলেও তোপ দাগেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশের বন্যায় খাদ্য বিতরণ করেছিল ইসকন, সেদেশেই ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

    ISKCON: বাংলাদেশের বন্যায় খাদ্য বিতরণ করেছিল ইসকন, সেদেশেই ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকনকে (ISKCON) জঙ্গি সংগঠনের তকমা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে বাংলাদেশের ইসলামি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। ইউনূস সরকারকে সামনে রেখে তারা এই নোংরা খেলায় নেমেছে। কিন্তু, মৌলবাদীরা ভুলে গিয়েছে বাংলাদেশের প্রতি ইসকনের দেশপ্রেমের কথা। চলতি বছরের অগাস্টেই ক্ষমতাচ্যুত হন হাসিনা। ক্ষমতায় আসেন মহম্মদ ইউনূস। আর সেই অগাস্টেই ভয়ঙ্কর বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদশ। সেই সময় বন্যা কবলিত অসহায় মুসলিমদের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছিল এই ইসকন। আর সেটা তখন বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছিল। ফলে, দেশবাসী ইসকনের বন্যা কবলিত বাংলাদেশবাসীর প্রতি তার ভূমিকা কী তা জেনেছিলেন। আর এখন সেই ইসকনকে মৌলবাদী সংগঠনের তকমা দেওয়া হচ্ছে।

    বন্যার সময় ঠিক কী কাজ করেছিল ইসকন? (ISKCON)

    অগাস্ট মাসে বন্যার সময় ইসকন (ISKCON) করেছিল তার একটু উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘‘কালবেলা’’। সকলেই এই পত্রিকার নাম জানেন। সেই সংবাদ পত্রে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, ‘‘দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছে ইসকন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকার কথা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শনিবার ২৪ অগাস্ট থেকে এ কার্যক্রম শুরুর কথা জানান ইসকনের পাবলিক জনসংযোগ সহ-পরিচালক বিমলা প্রসাদ দাস। ২৫ অগাস্ট কুমিল্লার বুড়িচং থানার বন্যায় আক্রান্ত বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করেন ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস। দুই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। একই দিন আরও দুটি টিম নোয়াখালী সদর, ফেনী, চৌমুহনী এলাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করে। এছাড়া খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পৃথক পৃথক টিম বন্যার্তদের মধ্যে চিড়া, মুড়ি, অষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, বোতলজাত পানি ইসকনের পক্ষ থেকে বিতরণ করেছে।’’

    ফলে, বোঝা যাচ্ছে ইসকন শুধু একটি এলাকায় এই শিবির করেছে তা নয়, সমগ্র বাংলাদেশের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ইসকনের টিম অসহায় হিন্দু-মুসলিমসহ সমস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মুখে অন্ন তুলে দিয়েছে। আর তিন মাসের মধ্যে সমাজসেবা করা একটি প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আর্জি কোর্টে

    বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ইসকন? বুধবার এক আইনজীবী সেই আর্জি জানান। তা নিয়ে হাইকোর্টে নিজের মতামত জানান বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উত্থাপিত হয়। সেখানে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আর্জি খারিজ করে দেয় বাংলাদেশের হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বাংলাদেশের একটি মহল থেকে হিন্দু সন্ন্যাসী তথা বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং ইসকনকে (ISKCON)  ‘জঙ্গি’ সংগঠন বলে দাবি করা হচ্ছে।

    ইসকনের সভাপতি কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে ইসকনের (ISKCON) সভাপতি মধু পণ্ডিত দাস বলেন, ‘‘ইসকনের তরফে আর্জি জানানো হচ্ছে যে ভারত সরকার যেন অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে। বাংলাদেশ সরকারের কাছে যেন এই বার্তাটা পৌঁছে দেয় যে আমরা শান্তিপ্রিয় ভক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশে বন্যার সময় ইসকন যেভাবে মানুষকে সহায়তা করেছিল, তা সকলেই জানেন। বিশ্বের কোনও প্রান্তে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসকন কোনওভাবে জড়িত থাকার ভিত্তিহীন অভিযোগ করার বিষয়টি সাংঘাতিক।’’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি

    গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে ২০০টির বেশি হামলা ঘটনা ঘটেছে। হামলা চালানো হয়েছে মন্দিরেও। এর মধ্যে নতুন করে চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারি এবং তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। ভারতে তো প্রতিবাদ হচ্ছেই, প্রভাবশালী ইন্দো-মার্কিন সংস্থা ‘ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ডায়াসপোরা স্টাডিজ’-এর তরফে বিষয়টি নিয়ে জো বাইডেন এবং ভাবী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয় ইসকন, আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সেদেশের হাইকোর্ট

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয় ইসকন, আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সেদেশের হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেস্তে গেল ইসকনকে (ISKCON) নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা! বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) আর নিষিদ্ধ নয় ইসকন। সে দেশের হাইকোর্টে খারিজ হয়ে গেল রিট পিটিশন। বৃহস্পতিবার আদালতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ইসকন নিষিদ্ধ হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

    কী বলল আদালত? (Bangladesh Crisis)

    রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, শান্তিরক্ষায় সরকার যাবতীয় পদক্ষেপ করবে। কিন্তু কোনওভাবেই ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার শুনানি চলাকালীন আইনজীবী মনিরউদ্দিন ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানান। তার পরেই আদালত জানিয়ে দেয়, ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে না। হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশিস রায় চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ইসকন নিষিদ্ধ করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এ নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।

    গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

    দিন কয়েক আগেই ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ ইসকনের অন্যতম কর্তা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। তার পর থেকেই ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জোরালো হয় বাংলাদেশে। চিন্ময়কে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীনই মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়। তার পরেই ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম-সহ বাংলাদেশের একাধিক ইসলামি সংগঠন।

    প্রসঙ্গত, ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) হাইকোর্টে একটি পিটিশন জমা দেন মনিরউজ্জামান নামের এক আইনজীবী। একই সঙ্গে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে চট্টগ্রাম ও রংপুরে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশও দেওয়ার দাবি জানান ওই আইনজীবী। এ নিয়ে সেখানকার সরকার কী পদক্ষেপ করছে, আদালতে তা জানানোর আবেদনও করেন ওই আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    সূত্রের খবর, এদিন এই বিষয়ে সরকারের মনোভাব ও পদক্ষেপ করার কথা আদালতকে জানান অ্যার্টনি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, চট্টগ্রামের ওই আইনজীবী হত্যার ঘটনায় দায়ের হয়েছে তিনটি মামলা। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩৩ জনকে। ওই মামলায় আরও যাদের নাম রয়েছে, তাদেরও গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ইসকন (ISKCON) নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share