Tag: islam

islam

  • Love Jihad: ফের লভ জিহাদের বলি হিন্দু কিশোরী, মুসলমান যুবক গ্রেফতার   

    Love Jihad: ফের লভ জিহাদের বলি হিন্দু কিশোরী, মুসলমান যুবক গ্রেফতার   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লভ জিহাদের (Love Jihad) বলি হিন্দু কিশোরী! এবার ঘটনাস্থল ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। কাঠগড়ায় বছর বাইশের গোলু আনসারি। ঘটনাটি ৩১ মে-র। তবে প্রকাশ্যে এসেছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডির মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ট্যুইট করার পর।

    প্রতারণার কাহিনি

    ফেরা যাক খবরে। রাঁচির কালাহারি থানা এলাকায় বাস দলিত ওই হিন্দু নাবালিকার। হিন্দু পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে আনসারি। গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে এলাকার একটি মন্দিরে গিয়ে বিয়েও করে দুজনে। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, এর পর নানা সময় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তারা। ইতিমধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। সামাজিক বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে আনসারিকে। তার পরেই বেরিয়ে আসে আনসারির আসল পরিচয়। ওই কিশোরীকে সে সাফ জানিয়ে দেয়, ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Love Jihad) হলে তবেই সে তাকে বিয়ে করবে। মুসলমান হওয়ার জন্য তাকে চাপও দিতে থাকে আনসারি। আনসারির কাছে প্রতারিত হয়ে হতাশ হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। অভিযোগ পেয়ে আনসারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    বাবুলালের ট্যুইট

    লভ জিহাদের এই কাহিনি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ট্যুইট করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বাবুলাল মারান্ডি। তিনি লেখেন, হেমন্ত সোরেনজি, আমি আপনাকে বারবার বলছি এ রাজ্যে লভ জিহাদের শেকড় অনেক গভীরে। ষড়যন্ত্রকারীরা দলিত এবং উপজাতির মেয়েদের টার্গেট করছে। টাকা জোগাচ্ছে আন্তর্জাতিক কোনও সংস্থা। তারা ঝাড়খণ্ডের পরিচয় এবং সামাজিক বুনন নষ্ট করতে চাইছে। বর্তমানে রাজ্যের রশি আপনার হাতে। কর্তব্য করুন। কড়া ব্যবস্থা নিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। খুঁজে বের করুন কারা একে তোল্লায় দিচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    সম্প্রতি এ রাজ্যে লভ জিহাদের (Love Jihad) বলি রয়েছে আরও কয়েকজন। এ নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, হেমন্ত-নেতৃত্বাধীন সরকার এ রকম ফাঁদ থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে ব্যর্থ। ঝাড়খণ্ডে অবৈধভাবে বসবাস করছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বিজেপির অভিযোগ, এঁদেরই অনেকে লভ জিহাদের ফাঁদে ফেলছে উপজাতি অধ্যুষিত রাজ্যের হিন্দু মেয়েদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    Love Jihad: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে হইচই হচ্ছে দেশজুড়ে। বাংলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এই ছবি প্রদর্শনে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দাবি, এই সিনেমা দেখানো হল অবনতি হতে পারে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার। সরকারি এই নিষেধাজ্ঞার জেরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ছবি নির্মাতারা। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র মূল (Love Jihad) গল্প হল, কীভাবে হিন্দু মহিলাদের বিয়ে করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। দেশ যখন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে উত্তাল, ঠিক সেই সময় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল। তবে ঘটনাস্থল কেরল নয়, মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh)।

    মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) এ কী গল্প?

    জানা গিয়েছে, মধ্য প্রদেশের কট্টর ইসলামিক সংগঠন হিজব-উত-তারিরের সন্দেহভাজন পাঁচ সদস্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করেছেন। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই দুজনকে ইসলামে দীক্ষিত করা হয়েছে। এই সংগঠনের ডেরায় হানা দিয়েছিল মধ্য প্রদেশ পুলিশ অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড। এই স্কোয়াডেরই সূত্রের খবর, এই জঙ্গি মডিউলের মূল দুই অভিযুক্ত হল ইয়াসির খান এবং মহম্মদ সালিম। ইয়াসির ভূপালের একটি জিমের প্রশিক্ষক। আর সালিম কয়েক বছর আগেও পরিচিত ছিল সৌরভ রাজবৈদ্য নামে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক অশোক জৈনের ছেলে। পাঁচ অভিযুক্তের মধ্যে হিন্দু ধর্ম থেকে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন আবদুর রহমানও। হিন্দু থাকার সময় তাঁর নাম ছিল দেবী নারায়ণ পান্ডা। ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বেণু কুমারও (Love Jihad)। বর্তমানে তাঁর নাম (Madhya Pradesh) মহম্মদ আব্বাস।

    আরও পড়ুুন: ফের একবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার, এবার কোন মামলা?

    সালিমের বাবা-মায়ের অভিযোগ, তাঁর ছেলের সিনিয়র সহপাঠী ডঃ কমল তাঁর মগজ ধোলাই করেন। তার পরেই ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি সালিম হয়েছেন। সালিমের বাবা বলেন, “পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে সেই ছিল আমাদের একমাত্র পুত্র সন্তান। ডাঃ কমল সব সময় তার মগজধোলাই করে তাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছেন। ইসলাম ধর্মগুরু জাকির নায়েকের ভিডিও-ও তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে আকৃষ্ট করেছে।” তিনি বলেন, “আমরা ইসলাম বিরোধী নই। তবে আমাদের ধর্ম এবং সংস্কৃতি নিয়ে আমরা গর্বিত। ২০১০ সাল থেকে আমার ছেলে নবি সম্পর্কে কোনও কিছুই শুনতে রাজি হয়নি। সে আমাকে হেনস্থা করার হুমকিও দিয়েছে।”

    তিনি বলেন, “২০১১ কী ’১২ সালে বারাবাঁকি থেকে আসা এক ইসলাম ধর্মগুরু আমার মেয়ে এবং জামাইকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছেন।” মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান বলেন, “মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র পুনরাবৃত্তি হতে দেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Madhav: নিপীড়িতদের স্বাগত জানায় ভারত, ধর্মীয় সম্মেলনে বললেন আরএসএস নেতা

    Ram Madhav: নিপীড়িতদের স্বাগত জানায় ভারত, ধর্মীয় সম্মেলনে বললেন আরএসএস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) বৈচিত্র (Diversity) আছে। এর তীরে স্বাগত বিশ্বের নিপীড়িতদের। বৃহস্পতিবার একথা বলেন আরএসএস (RSS) নেতা রাম মাধব (Ram Madhav)। এদিন রিলিজিয়ন-২০তে একদল গ্লোবাল রিলিজিয়াস নেতার সঙ্গে কথা বলছিলেন রাম মাধব। তখনই তিনি বলেন এ কথা। অদূর ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হল ইন্দোনেশিয়া।

    এদিন ইন্দোনেশিয়ার বালিতে রিলিজিয়ন-২০তে ভাষণ দিচ্ছিলেন রাম মাধব (Ram Madhav)। বিশ্বের ধর্মীয় নেতাদের সম্মেলন এটি। জি-২০ সম্মেলনের মতোই। এবার এই সম্মেলন হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়। দিন কয়েক পরে এখানেই হবে জি-২০ সম্মেলন। আগামী বছর জি-২০ সম্মেলন হবে ভারতে। রাম মাধব বলেন, আগামী বছর আমরা রিলিজিয়ন-২০-র আয়োজক দেশ হতে চাই।

    এদিনের সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাম মাধব (Ram Madhav) বলেন, আমাদের ভারতে ১৮০ মিলিয়ন মুসলমান রয়েছেন। খ্রিস্টান রয়েছেন ২৫ মিলিয়ন। বাস্তব চিত্র বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের দেশে মুসলিম জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার সমান হয়ে যাবে। আর ২০৫০ সালে আমরা বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হয়ে যাব। সেই সময় আমদের দেশে মুসলিম জনসংখ্যা হবে ৩১০ মিলিয়ন।

    রাম মাধব (Ram Madhav) বলেন, ভারত কেবল বৈচিত্রকে শ্রদ্ধা করে তাই নয়, একে উদযাপনও করে। এদেশেই রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতির পদ অলঙ্কৃত করেছেন মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। ভারত সব ধর্ম ও বৈচিত্রকে শ্রদ্ধা করে। তিনি বলেন, ভারত আধ্যাত্মিকতার মাতৃভূমি। ভারত এমন একটা দেশ, যেখানে বসবাস করেন বিশ্বের সব ধর্মের মানুষ। নিপীড়ন ছাড়াই তাঁরা রয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্যাতিতরা ভারতে আসেন, আসতেই থাকেন এবং ভারতে আশ্রয়ও নেন।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ

    এটি যে কেবল ধর্মীয় সম্মেলন নয়, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রাম মাধব (Ram Madhav)। বলেন, এটা কেবল মাত্র ধর্ম কেন্দ্রিক একটি সম্মেলন নয়, বরং মানবতাকেন্দ্রিক সম্মেলন। আমাদের সামনে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধ, অনৈক্য, ক্ষুধা এবং দারিদ্রের মতো জ্বলন্ত সমস্যা। এই ইস্যুগুলির প্রতি আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জোর করে ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) অভিযোগ। এক হিন্দু (Hindu) যুবককে জোর করে ইসলাম (Islam) ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কর্নাটকের ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বেঙ্গালুরুর  কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা, তাঁর ভাই নয়জ পাশা, জনৈক হাজি সাব, আতাউর রহমান এবং সোয়েব। এঁদের মধ্যে দুজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় বাকি তিনজনকে। নয়জ পাশাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কর্নাটকের মান্ড্য এলাকার বাসিন্দা দলিত যুবক জনৈক শ্রীধর গঙ্গাধর প্রথমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Religious Conversion) হতে চেয়েছিলেন। কারণ তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখানো হয়েছিল। পরে মুসলমান করতে শ্রীধরের সুন্নতও করানো হয়। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ ৫০ হাজার টাকাও। পুলিশের দাবি, এর পর আর ইসলামের দিকে ঝুঁকতে চাননি শ্রীধর। যদিও অভিযুক্তরা তাঁকে বাধ্য করেছিল বলে অভিযোগ। এর পরেই বছর পঁচিশের শ্রীধর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা তাঁর সম্মতি ছাড়াই তাঁর নাম বদলে করে দেন মহঃ সালমান। শ্রীধরের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ জনের নামে দায়ের হয় মামলা। যার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজনকে। এর মধ্যেই রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা। তিনি স্থানীয় বিধায়কের ঘনিষ্ঠও।

    আরও পড়ুন: হিজাব-বিতর্ক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অঙ্গ! সুপ্রিম কোর্টে কী বলল কর্নাটক সরকার?

    শ্রীধরের দাবি, অভিযুক্তরা নব মুসলিম নামে একটি গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন। এই গ্রুপের সদস্যদের দেখিয়ে ইরাক-ইরান থেকে অর্থ সংগ্রহ করতেন। ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টাও চালাচ্ছিল এই গোষ্ঠী। শ্রীধর বলেন, অভিযুক্তরা আমাকে অচৈতন্য করতে কালো রংয়ের কোনও তরল খাইয়ে দেন। পরে করা হয় সুন্নত। জোর করে গো-মাংসও খাওয়ানো হয় আমাকে। শ্রীধরের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁকে একটি রিভলভার দেখিয়ে ভয় দেখান। তাঁর হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও তুলে দেওয়া হয়। সেই ছবি মোবাইল বন্দি করে অভিযুক্তরা ভয় দেখান, ঘটনার কথা কাউকে বললে তাঁর ছবি ভাইরাল করে দেওয়া হবে। দেগে দেওয়া হবে সন্ত্রাসবাদী বলে। ভয়ে প্রথমে থানায় অভিযোগ দায়ের না করলেও, পরে অবশ্য করেন। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের কয়েকজনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Taliban: ইসলাম-বিরোধী না হলে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গেও যুক্ত হতে দ্বিধা নেই, বলছে তালিবান

    Taliban: ইসলাম-বিরোধী না হলে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গেও যুক্ত হতে দ্বিধা নেই, বলছে তালিবান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলাম (Islam) বিরোধী না হলে তারা আন্তর্জাতিক মহলের (International Community) সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। সম্প্রতি একথা জানিয়ে দিল আফগানিস্তানের (Afghanistan) তালিবান (Taliban) শাসক। সে দেশের পাপ-পুণ্যের মন্ত্রী মহম্মদ খালিদ হানাফি বলেন, আমরা কেবল অনুসরণ করি আল্লাহ, পয়গম্বর মহম্মদ, রাশিদানের খলিফা এবং আমাদের আইন প্রণয়নকারীদের। যা কিছু ইসলামের বিরুদ্ধে, আমরা তা গ্রহণ করব না। সম্প্রতি গজনি সফরে গিয়েছিলেন হানাফি। সেখানেই একথা জানান তিনি। সরকারি কর্মচারীদের শাহরিয়া অনুসারে কাজ করার নির্দেশও দেন তিনি।আফগানিস্তানের মন্ত্রী মহম্মদ খালিদ হানাফি জানান, ইসলামিক মূল্যবোধের কথা মাথায় রেখে কাজ করা উচিত সমস্ত প্রদেশ, জেলা এবং মন্ত্রিসভায় যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের। তিনি বলেন, তালিবান ক্ষমতায় আসার পর একশো শতাংশ মহিলাকে হিজাব পরতে দেখা যাচ্ছে। আগে যা হত না।

    আরও পড়ুন : প্রমাণ ছাড়া সরকারের সমালোচনা নয়, নতুন ফতোয়া তালিবান সরকারের

    সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধি দল আফগানিস্তানের ওপর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাতে তুলে ধরা হয়েছে, গত দশ মাসে কীভাবে আফগানিস্তানে লঙ্ঘিত হয়েছে মানবাধিকার। নির্বাচিত সরকারকে হঠিয়ে এই দশ মাস ধরে আফগানিস্তান শাসন করছে তালিবান শাসক। সেই সময়ই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধি দলের রিপোর্টে প্রকাশ।

    গত বছর অগাস্ট মাসে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসে তালিবান। এই সময়সীমার মধ্যে ঠিক কতগুলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি ওই রিপোর্টে। তবে সে দেশে তালিবানি শাসন কায়েম হওয়ার পরেই যে সামগ্রিকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে নানা ভাবে। সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার, দুর্ব্যবহার, আইন বিরুদ্ধভাবে হত্যা, কোনও কারণ ছাড়াই কাউকে গ্রেফতার এবং আটক করার ঘটনা ঘটছে আকছার।

    আরও পড়ুন : আফগান ছাত্রদের ভারতে পড়ার ছাড়পত্র দিতে আর্জি জানানোর পথে তালিবান

    এদিকে, তালিবান শাসকদের দেশবাসীকে শ্রদ্ধা করার পরামর্শ দিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর মহম্মদ ইশাক আখুন্দাজা। তিনি বলেন, যাঁরা সরকারে রয়েছেন কিংবা জেলা অফিসে চাকরি করেন কিংবা অন্য কোনও দফতরে কর্মরত, তাঁদের উচিত জনগণের সমস্যার সমাধান করা।

     

  • Nupur Sharma: বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    Nupur Sharma: বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হজরত মহম্মদের (Prophet) বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দলের জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে (Nupur Sharma) সাসপেন্ড করল বিজেপি (BJP)। বহিষ্কার করা হয়েছে মিডিয়ার প্রধান নবীন কুমার জিন্দালকে (Naveen kumar Jindal)। সোশ্যাল মিডিয়ায় নবীনের বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (communal harmony) নষ্ট করেছে। এই যুক্তিতেই বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে।

    বিজেপির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে নূপুরকে দল থেকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, এমন মন্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে। আঘাত করে ধর্মীয় ভাবাবেগেও। তাই বিজেপি কোনও নেতা বা নেত্রীর এহেন মন্তব্য কখনওই সমর্থন করে না।  

    সম্প্রতি বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা একটি নিউজ চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। এর ফলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজ্যে দায়ের হয়েছে মামলা। কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইসলামিক দেশগুলি।

    আরও পড়ুন :কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

     

    বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং এক বিবৃতিতে জানান, ভারতের হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে প্রতিটি ধর্মই প্রস্ফুটিত এবং বিকাশ লাভ করেছে। বিজেপি সব ধর্মকে সম্মান করে। যে কোনও ধর্মের কোনও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের অবমাননার তীব্র নিন্দাও করে বিজেপি। বিজেপি এমন কোনও মতাদর্শেরও বিরোধী যা কোনও সম্প্রদায় বা ধর্মকে অপমান করে বা হেয় করে। বিজেপি এই ধরনের লোক বা দর্শনকে প্রচার করে না।

    তিনি বলেন, ভারত তার স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ উদযাপন করছে। আমরা ভারতকে একটি মহান দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই দেশে সবাই সমান এবং সবাই মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করে। এখানে সকলেই ভারতের একতা ও অখণ্ডতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের সুফল ভোগ করে সবাই। সিং বলেন, ভারতীয় সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে তাঁর পছন্দের যে কোনও ধর্ম পালন করার ও প্রতিটি ধর্মকে সম্মান করার অধিকার দেয়।

    আরও পড়ুন : “বিজেপি জানে, দেশের সংস্কৃতি…”, আঞ্চলিক ভাষা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য মোদির

    প্রসঙ্গত, হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন নূপুর। একজন ফ্যাক্টচেকার তাঁর সেই মন্তব্যের একটি ভিডিও টুইট করার পর থেকেই গোলমাল বাঁধে। নূপুরের দাবি, তাঁর ভিডিওটি এডিট করা হয়েছে। তিনি অভিযোগের আঙুল তোলেন ফ্যাক্টচেকিং ওয়েবসাইট ‘অল্ট নিউজ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ জুবায়েরের দিকে।

    এদিকে, নবীকে নিয়ে বিজেপি নেত্রীর মন্তব্যের কড়া নিন্দা করে কাতার, কুয়েত, ইরানের পর এবার সৌদি আরব সহ উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ। বিষয়টিকে তারা ইসলামফোবিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছে। কুয়েত আবার ভারতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে কাতার সফরে রয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। এদিকে, ভারত সরকারের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নূপুর শর্মার মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে সরকারের মতামত প্রতিফলিত হয়নি। আরও বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছে। ভারতের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব এবং বাহরিন।

     

LinkedIn
Share