Tag: islam

islam

  • Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জোর করে ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) অভিযোগ। এক হিন্দু (Hindu) যুবককে জোর করে ইসলাম (Islam) ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কর্নাটকের ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বেঙ্গালুরুর  কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা, তাঁর ভাই নয়জ পাশা, জনৈক হাজি সাব, আতাউর রহমান এবং সোয়েব। এঁদের মধ্যে দুজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় বাকি তিনজনকে। নয়জ পাশাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কর্নাটকের মান্ড্য এলাকার বাসিন্দা দলিত যুবক জনৈক শ্রীধর গঙ্গাধর প্রথমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Religious Conversion) হতে চেয়েছিলেন। কারণ তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখানো হয়েছিল। পরে মুসলমান করতে শ্রীধরের সুন্নতও করানো হয়। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ ৫০ হাজার টাকাও। পুলিশের দাবি, এর পর আর ইসলামের দিকে ঝুঁকতে চাননি শ্রীধর। যদিও অভিযুক্তরা তাঁকে বাধ্য করেছিল বলে অভিযোগ। এর পরেই বছর পঁচিশের শ্রীধর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা তাঁর সম্মতি ছাড়াই তাঁর নাম বদলে করে দেন মহঃ সালমান। শ্রীধরের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ জনের নামে দায়ের হয় মামলা। যার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজনকে। এর মধ্যেই রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা। তিনি স্থানীয় বিধায়কের ঘনিষ্ঠও।

    আরও পড়ুন: হিজাব-বিতর্ক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অঙ্গ! সুপ্রিম কোর্টে কী বলল কর্নাটক সরকার?

    শ্রীধরের দাবি, অভিযুক্তরা নব মুসলিম নামে একটি গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন। এই গ্রুপের সদস্যদের দেখিয়ে ইরাক-ইরান থেকে অর্থ সংগ্রহ করতেন। ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টাও চালাচ্ছিল এই গোষ্ঠী। শ্রীধর বলেন, অভিযুক্তরা আমাকে অচৈতন্য করতে কালো রংয়ের কোনও তরল খাইয়ে দেন। পরে করা হয় সুন্নত। জোর করে গো-মাংসও খাওয়ানো হয় আমাকে। শ্রীধরের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁকে একটি রিভলভার দেখিয়ে ভয় দেখান। তাঁর হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও তুলে দেওয়া হয়। সেই ছবি মোবাইল বন্দি করে অভিযুক্তরা ভয় দেখান, ঘটনার কথা কাউকে বললে তাঁর ছবি ভাইরাল করে দেওয়া হবে। দেগে দেওয়া হবে সন্ত্রাসবাদী বলে। ভয়ে প্রথমে থানায় অভিযোগ দায়ের না করলেও, পরে অবশ্য করেন। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের কয়েকজনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Taliban: ইসলাম-বিরোধী না হলে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গেও যুক্ত হতে দ্বিধা নেই, বলছে তালিবান

    Taliban: ইসলাম-বিরোধী না হলে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গেও যুক্ত হতে দ্বিধা নেই, বলছে তালিবান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলাম (Islam) বিরোধী না হলে তারা আন্তর্জাতিক মহলের (International Community) সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। সম্প্রতি একথা জানিয়ে দিল আফগানিস্তানের (Afghanistan) তালিবান (Taliban) শাসক। সে দেশের পাপ-পুণ্যের মন্ত্রী মহম্মদ খালিদ হানাফি বলেন, আমরা কেবল অনুসরণ করি আল্লাহ, পয়গম্বর মহম্মদ, রাশিদানের খলিফা এবং আমাদের আইন প্রণয়নকারীদের। যা কিছু ইসলামের বিরুদ্ধে, আমরা তা গ্রহণ করব না। সম্প্রতি গজনি সফরে গিয়েছিলেন হানাফি। সেখানেই একথা জানান তিনি। সরকারি কর্মচারীদের শাহরিয়া অনুসারে কাজ করার নির্দেশও দেন তিনি।আফগানিস্তানের মন্ত্রী মহম্মদ খালিদ হানাফি জানান, ইসলামিক মূল্যবোধের কথা মাথায় রেখে কাজ করা উচিত সমস্ত প্রদেশ, জেলা এবং মন্ত্রিসভায় যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের। তিনি বলেন, তালিবান ক্ষমতায় আসার পর একশো শতাংশ মহিলাকে হিজাব পরতে দেখা যাচ্ছে। আগে যা হত না।

    আরও পড়ুন : প্রমাণ ছাড়া সরকারের সমালোচনা নয়, নতুন ফতোয়া তালিবান সরকারের

    সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধি দল আফগানিস্তানের ওপর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাতে তুলে ধরা হয়েছে, গত দশ মাসে কীভাবে আফগানিস্তানে লঙ্ঘিত হয়েছে মানবাধিকার। নির্বাচিত সরকারকে হঠিয়ে এই দশ মাস ধরে আফগানিস্তান শাসন করছে তালিবান শাসক। সেই সময়ই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধি দলের রিপোর্টে প্রকাশ।

    গত বছর অগাস্ট মাসে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসে তালিবান। এই সময়সীমার মধ্যে ঠিক কতগুলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি ওই রিপোর্টে। তবে সে দেশে তালিবানি শাসন কায়েম হওয়ার পরেই যে সামগ্রিকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে নানা ভাবে। সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার, দুর্ব্যবহার, আইন বিরুদ্ধভাবে হত্যা, কোনও কারণ ছাড়াই কাউকে গ্রেফতার এবং আটক করার ঘটনা ঘটছে আকছার।

    আরও পড়ুন : আফগান ছাত্রদের ভারতে পড়ার ছাড়পত্র দিতে আর্জি জানানোর পথে তালিবান

    এদিকে, তালিবান শাসকদের দেশবাসীকে শ্রদ্ধা করার পরামর্শ দিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর মহম্মদ ইশাক আখুন্দাজা। তিনি বলেন, যাঁরা সরকারে রয়েছেন কিংবা জেলা অফিসে চাকরি করেন কিংবা অন্য কোনও দফতরে কর্মরত, তাঁদের উচিত জনগণের সমস্যার সমাধান করা।

     

  • Nupur Sharma: বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    Nupur Sharma: বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হজরত মহম্মদের (Prophet) বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দলের জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে (Nupur Sharma) সাসপেন্ড করল বিজেপি (BJP)। বহিষ্কার করা হয়েছে মিডিয়ার প্রধান নবীন কুমার জিন্দালকে (Naveen kumar Jindal)। সোশ্যাল মিডিয়ায় নবীনের বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (communal harmony) নষ্ট করেছে। এই যুক্তিতেই বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে।

    বিজেপির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে নূপুরকে দল থেকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, এমন মন্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে। আঘাত করে ধর্মীয় ভাবাবেগেও। তাই বিজেপি কোনও নেতা বা নেত্রীর এহেন মন্তব্য কখনওই সমর্থন করে না।  

    সম্প্রতি বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা একটি নিউজ চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। এর ফলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজ্যে দায়ের হয়েছে মামলা। কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইসলামিক দেশগুলি।

    আরও পড়ুন :কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

     

    বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং এক বিবৃতিতে জানান, ভারতের হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে প্রতিটি ধর্মই প্রস্ফুটিত এবং বিকাশ লাভ করেছে। বিজেপি সব ধর্মকে সম্মান করে। যে কোনও ধর্মের কোনও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের অবমাননার তীব্র নিন্দাও করে বিজেপি। বিজেপি এমন কোনও মতাদর্শেরও বিরোধী যা কোনও সম্প্রদায় বা ধর্মকে অপমান করে বা হেয় করে। বিজেপি এই ধরনের লোক বা দর্শনকে প্রচার করে না।

    তিনি বলেন, ভারত তার স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ উদযাপন করছে। আমরা ভারতকে একটি মহান দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই দেশে সবাই সমান এবং সবাই মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করে। এখানে সকলেই ভারতের একতা ও অখণ্ডতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের সুফল ভোগ করে সবাই। সিং বলেন, ভারতীয় সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে তাঁর পছন্দের যে কোনও ধর্ম পালন করার ও প্রতিটি ধর্মকে সম্মান করার অধিকার দেয়।

    আরও পড়ুন : “বিজেপি জানে, দেশের সংস্কৃতি…”, আঞ্চলিক ভাষা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য মোদির

    প্রসঙ্গত, হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন নূপুর। একজন ফ্যাক্টচেকার তাঁর সেই মন্তব্যের একটি ভিডিও টুইট করার পর থেকেই গোলমাল বাঁধে। নূপুরের দাবি, তাঁর ভিডিওটি এডিট করা হয়েছে। তিনি অভিযোগের আঙুল তোলেন ফ্যাক্টচেকিং ওয়েবসাইট ‘অল্ট নিউজ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ জুবায়েরের দিকে।

    এদিকে, নবীকে নিয়ে বিজেপি নেত্রীর মন্তব্যের কড়া নিন্দা করে কাতার, কুয়েত, ইরানের পর এবার সৌদি আরব সহ উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ। বিষয়টিকে তারা ইসলামফোবিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছে। কুয়েত আবার ভারতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে কাতার সফরে রয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। এদিকে, ভারত সরকারের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নূপুর শর্মার মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে সরকারের মতামত প্রতিফলিত হয়নি। আরও বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছে। ভারতের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব এবং বাহরিন।

     

LinkedIn
Share