Tag: Islamabad

Islamabad

  • Pak Airstrike on Hospital: ‘সামরিক অভিযানের নামে গণহত্যা’, কাবুলের হাসপাতালে পাক হামলার কড়া নিন্দা ভারতের

    Pak Airstrike on Hospital: ‘সামরিক অভিযানের নামে গণহত্যা’, কাবুলের হাসপাতালে পাক হামলার কড়া নিন্দা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বর্বরোচিত’ এবং ‘কাপুরুষোচিত’-র মতো কাজ করেছে পাকিস্তান (Pak Airstrike on Hospital)। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর হামলার কড়া নিন্দা করল ভারত। এই হামলায় অন্তত ৪০০ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই হামলার প্রতিবাদ করে ভারত বলেছে, ‘এই হামলা আদতে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের উপরে আঘাত যা আঞ্চলিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতাকে বিঘ্নিত করবে।’ নয়াদিল্লি জানিয়েছে, সোমবার রাতে পাকিস্তান যা করেছে, তা এক নৃশংস গণহত্যা। এখন সেই গণহত্যাকে ‘সামরিক অভিযান’ বলে চালানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

    কোনও যুক্তিতেই ‘সামরিক নিশানা’ নয়

    ভারতের বিবৃতিতে বলা হয়, রমজান মাসে শান্তি এবং দয়া প্রদর্শন করে থাকেন গোটা বিশ্বের মুসলিমরা। কিন্তু রমজান মাসেই যেভাবে হামলা হয়েছে সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। হাসপাতালকে নিশানা করে হামলা চালানোটা কোনওভাবেই ন্যায়সঙ্গত নয়। পাকিস্তান যেভাবে জঘন্য হামলা চালিয়েছে সেটা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বে আঘাত। অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতে বারবার এভাবেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। কাবুলের হাসপাতালে পাক হামলার তীব্র নিন্দা করে নয়াদিল্লির তোপ, পাকিস্তান সামরিক অভিযানের নামে আফগানিস্তানে গণহত্যা চালিয়েছে। যে হামলায় এত জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়, সেটিকে কোনও যুক্তিতেই ‘সামরিক নিশানা’ বলে দেখানো যায় না। এই হামলাকে পাকিস্তানের ‘আগ্রাসী’ মনোভাব বলে বর্ণনা করেছে ভারত।

    পাকিস্তানের ধারাবাহিক বেপরোয়া আচরণ

    সোমবার রাতে ২০০০ শয্যার এই হাসপাতালে পাকিস্তান আকাশপথে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আফগান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ্ ফিতরাত। তিনি জানান, স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতালটিতে হামলা হয়েছে। হামলার জেরে হাসপাতালের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ৪০০ জনের মৃত্যু এবং প্রায় ২৫০ জন জখম হওয়ার খবর মিলেছে বলেও প্রাথমিক ভাবে জানান ফিতরাত। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই হামলা শুধু আফগানিস্তানের উপর নয়, গোটা এলাকার শান্তি এবং স্থিতাবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। এটি পাকিস্তানের ধারাবাহিক বেপরোয়া আচরণকেই ফের এক বার প্রকট করল বলে মনে করছে দিল্লি। প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্কে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। গতবছর ভয়ানক ভূমিকম্পের পর আফগানিস্তানকে বিপুল ত্রাণ পাঠিয়েছে ভারত। কাবুলে পুরোপুরি সক্রিয় হয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। ভারতে প্রথমবার নিযুক্ত হয়েছেন তালিবান রাষ্ট্রদূত। নানা আন্তর্জাতিক মঞ্চেও আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। দুই দেশই একযোগে বারবার তুলোধোনা করেছে পাকিস্তানকে।

  • Pak Airstrike on Kabul: কাবুলের হাসপাতালে বিমান হানা পাকিস্তানের, ঝলসে মৃত্যু ৪০০ জনের, আহত ২৫০-র বেশি

    Pak Airstrike on Kabul: কাবুলের হাসপাতালে বিমান হানা পাকিস্তানের, ঝলসে মৃত্যু ৪০০ জনের, আহত ২৫০-র বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারবার প্রতিবেশী দেশের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে পেরে না উঠে সেই দেশের সাধারণ মানুষকে নিশানা করে পাকিস্তান (Pak Airstrike on Kabul)। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। কাবুলের হাসপাতালে ভয়ঙ্কর হামলা চালাল ইসলামাবাদ। তালিবান প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোররাতে আফগান রাজধানীর উপর ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই হামলায়। আহত আড়াইশো জন। যদিও পাকিস্তানের দাবি, আমজনতাকে লক্ষ্য করে হামলা হয়নি। কিন্তু তালিবান প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, পাক হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে হাসপাতাল। উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে ঘটনাস্থলে। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী।

    ধ্বংসস্তূপে পরিণত হাসপাতাল

    গত দুই সপ্তাহ ধরে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ চলছে। সোমবারও দু’দেশের সীমান্তে গুলির লড়াই হয়েছে। গোলাগুলিতে আফগান তালিবান বাহিনীর চার সৈন্য নিহত হন। ওই গোলাগুলির কয়েক ঘণ্টা পরেই খবর ছড়ায়, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের এক হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলিতে হাসপাতালের কিছু ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়েছে (ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। ফুটেজগুলিতে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যেরা টর্চের আলো জ্বালিয়ে হাসপাতাল থেকে জখমদের উদ্বার করছেন। হাসপাতাল ভবনটির একটি বড় অংশ দৃশ্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চারদিকে আগুন জ্বলছে। সেই আগুন নেবানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন একদল দমকলকর্মী।

    রোজা ভাঙার সময় আক্রমণ

    সোমবার রাতে ২০০০ শয্যার এই হাসপাতালে পাকিস্তান আকাশপথে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, কাবুলের ওই হাসপাতালটি মূলত নেশামুক্তি কেন্দ্র। বরাবরই সেখানে রোগীদের ভিড় থাকে। ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আফগান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত। তিনি জানান, স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতালটিতে হামলা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, অনেকেই ওই সময় রোজা ভাঙার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সেসময়েই হামলা করেছে পাকিস্তান। হামলার জেরে হাসপাতালের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ৪০০ জনের মৃত্যু এবং প্রায় ২৫০ জন জখম হওয়ার খবর মিলেছে বলেও প্রাথমিক ভাবে জানান ফিতরাত। আকাশপথে হাসপাতালে হামলার ঘটনায় সরাসরি পাকিস্তানের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে আফগানিস্তান।

    ‘নীতিবিরুদ্ধ’ এবং ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’

    হাসপাতালে হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তাদের দাবি, হাসপাতাল নয়, সামরিক ঘাঁটি, যাকে তারা জঙ্গি ঘাঁটি বলে উল্লেখ করেছে, সেখানেই চালানো হয়েছে এই হামলা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশারফ জাইদি কাবুলের দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কান্দাহার বিমানবন্দর, পাক্তিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং রাজধানী কাবুলের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা চালানো হয়েছে কান্দাহার শহরের তালিবানের আল-বদর কর্পসের সদর দফতরেও। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ কাবুলের হাসপাতালে হামলার নিন্দা করে পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান নিজেদের ‘নৃশংস কর্মকাণ্ড’ চালিয়ে যাওয়ার জন্যই হাসপাতাল এবং অসামরিক ভবনগুলিকে নিশানা করছে। এই হামলা ‘নীতিবিরুদ্ধ’ এবং ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলেও মন্তব্য করেছেন তালিবান সরকারের মুখপাত্র।

  • India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপার সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতকে (India) জড়ানোর চেষ্টা পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি (Terrorism Link)। বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, এটি এমন একটি দেশের মরিয়া চেষ্টা, যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এমনই জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। পাকিস্তান একটি বিবৃতিতে সাম্প্রতিক কিছু জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তারই প্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। নিজেদের অপকর্মের দায় ভারতের ওপর চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কয়েক দশক ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। যত গল্পই বানানো হোক না কেন, বাস্তবতা বদলাবে না, আর পাকিস্তানের এই তথাকথিত ‘ভুক্তভোগী’ হওয়ার দাবিতে কেউ আর বিভ্রান্তও হবে না।”

    পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ (India)

    তিনি বলেন, “নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরতে পাকিস্তানের এই দীর্ঘ প্রয়াস আন্তর্জাতিক মহলে এখন আর কোনও গুরুত্ব পায় না। কারণ বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষিত বহু জঙ্গি এবং জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস পাকিস্তানের রয়েছে।” এদিনই জয়সওয়াল পাকিস্তানের আর একটি বিবৃতিরও জবাব দেন। ওই বিবৃতিতে পাকিস্তান ভারত এবং কানাডার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া পারমাণবিক ও রফতানি-নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তির সমালোচনা করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, এই চুক্তি পারমাণবিক বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

    কী বললেন জয়সওয়াল

    এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “এই বিষয়ে পাকিস্তানের দেওয়া বিবৃতি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিখুঁত এবং আন্তর্জাতিক মহলে তা সুপরিচিত। গোপনে পারমাণবিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার সুপরিচিত ইতিহাস রয়েছে যে দেশের, তাদের মুখে রফতানি নিয়ন্ত্রণ বা বিস্তার-ঝুঁকি নিয়ে নীতিকথা বড়ই হাস্যকর। এই ধরনের অবান্তর কথা আসলে পাকিস্তানের নিজেদের দুর্বল রেকর্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা (Terrorism Link)।”

    কী বলছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই দু’টি বিবৃতি আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা এবং পারমাণবিক বিস্তার সংক্রান্ত অতীত থেকে সরিয়ে নেওয়ার একটি যৌথ প্রচেষ্টার অংশ (India)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইসলামাবাদ জঙ্গি পরিকাঠামো ভেঙে না ফেলা পর্যন্ত এবং রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার বন্ধ না করা পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযোগে কান দেবে না ভারত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনাগুলি ঘটছে নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতি নিয়ে (Terrorism Link) আন্তর্জাতিক মহলের নতুন করে নজরদারির মধ্যেই (India)।

     

  • Iran: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনির হত্যাকাণ্ডের জেরে ব্যাপক হিংসা পাকিস্তানে, হত ৪৪

    Iran: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনির হত্যাকাণ্ডের জেরে ব্যাপক হিংসা পাকিস্তানে, হত ৪৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনির হত্যাকাণ্ডের জেরে হিংসার ঘটনায় পাকিস্তানে (Pakistan) অন্তত ৪৪ জন নিহত এবং ১৩৭ জনেরও বেশি জখম হয়েছেন। তার পরেই রবিবার পাকিস্তানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিক ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া গিয়েছে হতাহতের এই সংখ্যা। সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধের আশঙ্কায় গিলগিট-বালটিস্তানের স্কার্দু ও গিলগিটে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অঞ্চলটির কিছু অংশে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

    ১৪৪ ধারা জারি (Iran)

    পাঞ্জাব, সিন্ধ, বালুচিস্তান এবং খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক সরকার ১ মার্চ থেকে এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এই ধারায় সব ধরনের বিক্ষোভ, সমাবেশ, অবস্থান ধর্মঘট, মিছিল এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে (Iran)। রাজধানী ইসলামাবাদে বিক্ষোভকারীরা সরকারি দফতর ও বিদেশি মিশনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে প্রশাসন ‘রেড জোন’ ও কূটনৈতিক এনক্লেভের সব প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ বন্ধ করে দেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কার্দু ও গিলগিটে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৭ জন শিয়া বিক্ষোভকারী নিহত হন। ইসলামাবাদে বিক্ষোভ চলাকালে গুলিতে নিহত হন আরও ১২ জন। পেশাওয়ারে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। করাচিতে বিক্ষোভকারীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা চালালে মার্কিন মেরিন প্রহরীরা গুলি চালায়। এতে ১১ জন নিহত হন বলে খবর।

    নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত

    শিয়া বিক্ষোভকারীরা করাচি ও লাহোরে আমেরিকার কূটনৈতিক দফতরগুলিকেও টার্গেট করে এবং গিলগিট-বালটিস্তানে রাষ্ট্রসংঘ মিশনের কাছাকাছি সমাবেশ করে। ইসলামাবাদ, স্কার্দু ও করাচির হাসপাতালগুলি জানিয়েছে, অন্তত ১৮ জন গুরুতর জখম বিক্ষোভকারী চিকিৎসাধীন রয়েছেন (Iran)। খামেইনির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভের জেরে এই অস্থিরতা শুরু হয়। একাধিক শহরে বিক্ষোভ দ্রুত সংঘর্ষের আকার নেয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত বাঁধে জনতার। দক্ষিণের করাচি থেকে উত্তরের গিলগিট-বালটিস্তান পর্যন্ত পরিকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া গিয়েছে (Pakistan)। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে তাদের কনস্যুলার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ২ মার্চ ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস এবং করাচি ও লাহোরের কনস্যুলেটগুলিতে সব ভিসা সাক্ষাৎকার ও আমেরিকান সিটিজেন সার্ভিস বাতিল করা হয়েছে (Iran)।

  • Pakistan Afghanistan War: ডুরান্ড লাইনে বিস্ফোরণ-এয়ারস্ট্রাইক! রাতভর হামলা, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ পাকিস্তানের

    Pakistan Afghanistan War: ডুরান্ড লাইনে বিস্ফোরণ-এয়ারস্ট্রাইক! রাতভর হামলা, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘সরাসরি যুদ্ধে’ নামল পাকিস্তান (Pakistan Afghanistan War)। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দহার, পাকতিকায় পাকিস্তান আকাশপথে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে কাবুল। পাল্টা হানায় পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। যদিও এই পরিসংখ্যান মানতে রাজি নয় ইসলামাবাদ। তাদের পাল্টা দাবি, দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। উল্টো দিকে মারা গিয়েছেন ৩৬ জন আফগান সেনা। শুক্রবার ভোর থেকেই কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা যায়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তালিবান সরকার জানায়, তারা বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি এবং পোস্ট দখল করে ফেলেছে। তবে পাকিস্তান এসব দাবি অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, আফগান যোদ্ধাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    পাকিস্তানের অপারেশন ঘাজাব লিল হক

    ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ঘাজাব লিল হক’ নামের সামরিক অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, “যে কোনও আগ্রাসী বাসনাকে ধ্বংস করতে সক্ষম আমাদের সামরিক বাহিনী।” ইসলামাবাদের দাবি, পাক-আফগান সীমান্ত বরাবর আফগানিস্তানের আগ্রাসী আচরণের মোকাবিলা করতেই তাদের এই পদক্ষেপ। শুক্রবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ডুরান্ড লাইন (পাক-আফগান আন্তর্জাতিক সীমান্ত) বরাবর ইসলামাবাদ হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তালিবানের। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ্ তারারের পাল্টা দাবি, আফগান হানায় দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন জন। পাকিস্তানের হানায় ৩৬ জন তালিব যোদ্ধা মারা গিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

    পাক সেনার এফ-১৬ ভেঙে পড়ার ভিডিও ভাইরাল

    যুদ্ধ ঘোষণার পরেই পাক সেনার এফ ১৬ ভেঙে পড়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। আফগান প্রশাসনের দাবি, তারাই গুলি করে নামিয়েছে ওই যুদ্ধবিমান। সেই দাবি অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে, একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, ভিডিওটি ভুয়ো। এআই-এর সহায়তায় তৈরি। ভিডিওতে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে বলেও দাবি। তবে, সীমান্তে রক্তক্ষয়ী  সংঘাতের জন্য পাকিস্তানকেই দায়ী করেছে আফগানিস্তান। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লাহ্ মুজাহিদ সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, “ভীরু পাক সেনা কাবুল, কান্দাহার, পাকতিকার কিছু এলাকায় বিমানহানা চালিয়েছে। ভাগ্যক্রমে কোনও মৃত্যুর খবর নেই।” কাবুলের দাবি, পাকিস্তানই প্রথমে আফগান সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানো শুরু করে। একাধিক আফগান শহরে এয়ারস্ট্রাইক করে পাকিস্তান। এরপরই দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    পাক সামরিক ঘাঁটি দখল, দাবি আফগানিস্তানের

    আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে ৪ ঘণ্টা ধরে পাল্টা অভিযানে পাকতিয়া, পাকতিকা, খোস্ত, নানগারহার, কুমার ও নুরিস্তান সীমান্ত এলাকায় অভিযান চলেছে। তাদের দাবি, ২টি পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি ও ১৯টি পোস্ট দখল করা হয়েছে এবং ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া কিছু সেনাকে জীবিত আটক এবং অস্ত্র-গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আফগান কর্তৃপক্ষ এ-ও স্বীকার করেছে, তাদের ৮ জন তালেব যোদ্ধা নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে। নানগারহারের একটি শরণার্থী শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নারী ও শিশু সহ ১৩ জন সাধারণ নাগরিক আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

    টোরখাম সীমান্ত এলাকাতেও সংঘর্ষ

    প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মশাররফ আলি জাইদি বলেন, ‘‘কোনও পাকিস্তানি সেনাকে আটক করা হয়নি।’’ পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রকের দাবি, আফগান তালিবান বাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে ইচ্ছাকৃত এবং উস্কানিমূলক হামলা চালায়। যার জবাবে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি বলেন, ‘‘পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিয়ে কোনও আপস করবে না।’’ সংঘর্ষ টোরখাম সীমান্ত এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে, যা দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পারাপার পয়েন্ট।

    কোন দিকে এগোচ্ছে পরিস্থিতি

    ২ হাজার ৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ডুরান্ড লাইন, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। গত কয়েক মাস ধরেই সীমান্তে সংঘর্ষ চলছে। যদিও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি শান্ত রেখেছিল। বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন নিয়ে এবার সরাসরি যুদ্ধে নামল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ৷ গত কয়েক মাসে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে সীমান্ত সংঘর্ষে দু’পক্ষের ৭০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। সেনা জওয়ানদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে। ফের দুই দেশের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি (Iran’s Foreign Minister Seyed Abbas Araghchi) জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আলোচনার বিষয়ে সাহায্য করতে তৈরি ইরান।

    ভারতকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার পাকিস্তানের

    অন্যদিকে, নিজেদের স্বভাববশত যে কোনও বিষয়ে ভারতকে টেনে আনার পুরনো রীতি ছাড়েনি পাকিস্তান। পাক-আফগান দ্বন্দ্ব নিয়েও পাকিস্কতান প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, ‘‘ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর, আফগানিস্তানে শান্তির প্রত্যাশা ছিল ৷ তালিবানরা আফগান জনগণের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর মনোযোগ দিচ্ছে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তালিবানরা আফগানিস্তানকে কার্যত ভারতের উপনিবেশে পরিণত করেছে। তারা সারা বিশ্ব থেকে সন্ত্রাসবাদীদের আফগানিস্তানে জড়ো করছে ৷ সন্ত্রাসবাদকে রফতানি করাও শুরু করেছিল ৷’’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার জন্য পাকিস্তান সরাসরি এবং বন্ধু দেশগুলির মাধ্যমে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল । তবে, তালিবানরা ভারতের মতো প্রতিশোধের মানসিকতাই দেখিয়েছে বলে দাবি পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ৷

    নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা কেন, প্রশ্ন কাবুলের

    অন্যদিকে, কাবুলের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান দুই দেশের মধ্যে ২৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তকে আফগানিস্তান কখনওই সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। এক বিবৃতিতে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রমজানের মধ্যেই রাত আটটায় এই অভিযান শুরু হয়েছিল ৷ কয়েকদিন আগে পাকিস্তান বাহিনী আফগান ভূখণ্ড দখলের প্রতিক্রিয়ায় শুরু করেছিল তার বিরুদ্ধেই এই অভিযান বলে দাবি তালিবানের। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘কয়েক দিন আগে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগান ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ৷ আমাদের সীমান্ত লঙ্ঘন করে এসে নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করেছে ৷ তাই পাক হামলার প্রত্যুত্তর দেওয়া হয়েছে।’’

  • PIA Airline Privatisation: দুর্দশার শেষ নেই পাকিস্তানিদের, এবার নিলামে তুলছে আস্ত এয়ারলাইন্সও

    PIA Airline Privatisation: দুর্দশার শেষ নেই পাকিস্তানিদের, এবার নিলামে তুলছে আস্ত এয়ারলাইন্সও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্দশার সীমা নেই পাক অর্থনীতির। তাই এবার জাতীয় বিমান সংস্থা পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সকে (PIA Airline Privatisation) ২৩ ডিসেম্বর নিলামে তুলতে চলেছে ঋণে জর্জরিত শাহবাজ শরিফের দেশ। এই নিলাম সরাসরি সম্প্রচারিত বিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে (IMF)। একে সরকার তাদের ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আইএমএফ বেলআউট প্যাকেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণের শেষ ধাপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

    পিআইএ (PIA Airline Privatisation)

    জানা গিয়েছে, পিআইএ (পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স)-এর ৫১ থেকে ১০০ শতাংশ শেয়ারই পূর্ণ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ-সহ বিক্রি করা হবে। এটি এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফেসিলিটির অধীনে একটি আনুষ্ঠানিক পরিকাঠামোগত মানদণ্ড। আইএমএফের এক্সিকিউটিভ বোর্ড আগামী ৮ ডিসেম্বর বৈঠকে বসবে পরবর্তী ১.২ বিলিয়ন ডলার কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি অনুমোদনের জন্য। প্রসঙ্গত, বছর শেষের আগেই পিআইএর বিডিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ভবিষ্যৎ অর্থ ছাড়ের জন্য বাধ্যতামূলক বলেই খবর। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের সরকারি ওই বিমানসংস্থা কেনার বিষয়ে যে সংস্থাগুলি আগ্রহ দেখিয়েছে, তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে চারটি সংস্থা। এই চারটি সংস্থার মধ্যে রয়েছে পাক সেনার নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা ফৌজি ফাউন্ডশনও। গত মাসে পাকিস্তানের বেসরকারিকরণ মন্ত্রী মহম্মদ আলি সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন, “এ বছর আমরা বেসরকারীকরণ থেকে ৮৬ বিলিয়ন (পাকিস্তানি) রুপি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। পিআইএর ক্ষেত্রে, শেষ দফা বিডিংয়ে পাওয়া মোট অর্থের ১৫ শতাংশ সরকার পেত এবং বাকিটা কোম্পানির ভেতরেই থাকত (PIA Airline Privatisation)।”

    পাকিস্তানের সংবাদপত্রের খবর

    পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিআইএর শেয়ার বিক্রি পাকিস্তানের গত দু’দশকের মধ্যে প্রথম বড় বেসরকারীকরণের চেষ্টা। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বিক্রির জন্য চারজন বিডারকে প্রাক-যোগ্যতা দেওয়া হয়েছে: লাকি সিমেন্ট কনসোর্টিয়াম, আরিফ হাবিব কর্পোরেশন কনসোর্টিয়াম, ফৌজি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড এবং এয়ার ব্লু লিমিটেড।” উল্লেখ্য, ফৌজি ফার্টিলাইজার হল ফৌজি ফাউন্ডেশনের একটি অংশ, যা পাকিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম কর্পোরেট শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মনে রাখতে হবে, পাকিস্তান এমন একটি দেশ যেখানে সামরিক বাহিনীর প্রভাব সর্বত্র (IMF)।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে পাকিস্তানের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তিনি ফৌজি ফাউন্ডেশনের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সরাসরি কোনও পদে নেই। তিনি কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল নিয়োগ করেন, যিনি ফৌজি ফাউন্ডেশনের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সদস্য (PIA Airline Privatisation)।

  • Pakistan Afghanistan Peace Talks: ভেস্তে গিয়েছে পাক-আফগান শান্তি আলোচনা, ভারতকে দুষছে ইসলামাবাদ

    Pakistan Afghanistan Peace Talks: ভেস্তে গিয়েছে পাক-আফগান শান্তি আলোচনা, ভারতকে দুষছে ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রফাসূত্র না বেরনোয় তুরস্কে ভেস্তে গিয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের শান্তি আলোচনা (Pakistan Afghanistan Peace Talks)। এজন্য ভারতকে দুষছে শাহবাজ শরিফের দেশ। শান্তি আলোচনা (Ceasefire) বিশ বাঁও জলে চলে যাওয়ায় ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। যদিও, আলোচনার আগে অচলাবস্থায় পৌঁছানোর আসল কারণ ছিল পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা রোধে ইসলামাবাদের অসহায়তা।

    কী বলছে কাবুলের সংবাদমাধ্যম (Pakistan Afghanistan Peace Talks)

    টোলো নিউজের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আলোচনায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেছিলেন যে আফগানিস্তান কেবল তখনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য আফগান মাটি ব্যবহার রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে যদি ইসলামাবাদ আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন বন্ধ করে এবং মার্কিন ড্রোন ওড়ানো বন্ধ করে। সূত্রের খবর, আফগানিস্তানের ওই সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে যে পাকিস্তান এই শর্ত মানতে রাজি হয়নি। টোলো নিউজের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আলোচনা বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে পাঠান ও পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল ইস্তাম্বুলে ফের আলোচনা শুরু করেছে। তুরস্কে শান্তি আলোচনার পর জানা গিয়েছিল যে একটি বিদেশি দেশ আফগান ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করছে।

    টোলো নিউজের রিপোর্ট

    টোটো নিউজের ওই রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই পাকিস্তান থেকে ড্রোন পরিচালনা করছে।’ কাবুলের (আফগানিস্তানের রাজধানী) সাংবাদিক তামিম বাহিস এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আফগানিস্তানের সংবাদ চ্যানেলগুলির মতে, পাকিস্তান একটি ‘বিদেশি দেশের’ সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা স্বীকার করেছে যা আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে নজরদারি এবং সম্ভাব্য হামলার জন্য তার আকাশসীমায় ড্রোন পরিচালনার অনুমতি দেয়।”  এক্স হ্যান্ডেলেই টোলো নিউজের পোস্ট (Pakistan Afghanistan Peace Talks), “প্রথমবারের মতো, পাকিস্তান এই আলোচনার সময় স্বীকার করেছে যে ড্রোন হামলার অনুমতি দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি রয়েছে এবং দাবি করেছে যে তারা সেই চুক্তি ভঙ্গ করতে পারবে (Ceasefire) না।”

    ভারতের দোষ!

    সূত্রের উল্লেখ করে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, “শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা প্রাথমিকভাবে কিছু শর্ত মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সম্ভবত পাকিস্তানের হাইকমান্ডের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তাঁরা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেন। তাঁরা বলেন, মার্কিন ড্রোনের ওপর তাঁদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আইসিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না।” রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “কাতার এবং তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীরাও পাক প্রতিনিধিদলের আচরণে অবাক হয়েছিলেন।” তার পরেও আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার দায় চাপানো হচ্ছে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন এবং ভারতের ঘাড়ে।

    পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, “কাবুলের লোকেরা যাঁরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং পুতুলের নাটক করছেন, তাঁরা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। যখনই আমরা কোনও চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছি (Pakistan Afghanistan Peace Talks), তখনই প্রতিনিধিরা কাবুলকে রিপোর্ট করেছেন, হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং চুক্তিটি প্রত্যাহার করা হয়েছে (Ceasefire)।” আসিফ যা বলেননি, তা হল পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলার বিষয়ে ফোনে কথা বলার পর পাক প্রতিনিধি দলের আচরণ কীভাবে দ্রুত বদলে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, খাজা আসিফ ২০০১ সালের মার্কিন নেতৃত্বাধীন তোরা বোরা যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তালিবানদের হুমকিও দিয়েছিলেন।

    তালিবান শাসনকে নির্মূলের হুমকি!

    সংবাদমাধ্যমে আসিফ বলেন, “আমি তাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, তালিবান শাসনকে নির্মূল করতে এবং তাদের গুহায় ফেরাতে সম্পূর্ণ অস্ত্রাগারের একাংশও ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই পাকিস্তানের। যদি তারা তা চায়, তাহলে তোরা বোরায় তাদের (তালিবানদের) পরাজয়ের দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হবে। তাদের লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য এই অঞ্চলের মানুষের কাছে দেখার মতো একটি দৃশ্য হবে (Pakistan Afghanistan Peace Talks)।” প্রসঙ্গত, ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে ইসলামাবাদ আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা এবং কৌশলগত সংযোগ জোরদার করেছে (Ceasefire)। এনিয়ে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তড়িঘড়ি ওভাল অফিসে দৌড়ানোও। এই সফরে শরিফের সঙ্গে ছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও।

    ট্রাম্পের হুমকি!

    তাছাড়া, ট্রাম্প প্রকাশ্যে তালিবান-নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তান থেকে বাগরাম বিমানঘাঁটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন। আফগানিস্তানকে তিনি এই বলে সতর্কও করেন যে, আমেরিকা যদি এটি পুনরুদ্ধার না করে তবে খারাপ ঘটনা ঘটবে। কূটনীতিকদের মতে, পাক-আফগান সংঘাত বন্ধ হবে তখনই, যখন আফগানিস্তান ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের দ্বারা টানা ডুরান্ড লাইনকে স্বীকৃতি দেবে। এই লাইনই পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে পশতুন এলাকাকে বিভক্ত করেছে। যেহেতু পাঠানরা এই লাইনকে মান্যতা দেয় না, তাই চলতেই থাকে পাক-আফগান যুদ্ধ (Pakistan Afghanistan Peace Talks)। যদিও এক্স হ্যান্ডেলে কাবুলের সাংবাদিক আলি এম লতিফি লেখেন, “পাকিস্তান স্বীকার করেছে যে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। আসলে পাকিস্তান যে (Ceasefire) এক সময় বারাক ওবামার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছিল।”

  • Pakistan TLP: টিএলপি কর্মীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন পাক পুলিশের, গুলিতে হত ১১

    Pakistan TLP: টিএলপি কর্মীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন পাক পুলিশের, গুলিতে হত ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেহরিক-ই-লাবাইক পাকিস্তান (টিএলপি) কর্মীদের (Pakistan TLP) ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালাল পাকিস্তানের পাঞ্জাব পুলিশ।  মুরিদকেতে (Islamabad Violence) পাকিস্তানি পুলিশের এই অভিযানে মৃত্যু হয় ১১ জনের, জখম হন ৫০ জনেরও বেশি। জানা গিয়েছে, ইজরায়েল-গাজা সংঘাতের জেরে গাজার সপক্ষে মিছিল করে ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দেন টিএলপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। পার্টির প্রধান সাদ হুসাইন রিজভির নেতৃত্বে লাহোর থেকে ওই মিছিল শুরু হয়। অভিযোগ, মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের রুখতে নিরাপত্তা বাহিনী লাঠিচার্জ করে, ছোড়ে টিয়ার গ্যাসের সেলও। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পাকিস্তান রেঞ্জার্সও। এর পরেই বিক্ষোভকারীরা ইসলামাবাদের পথে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে মুরিদকে শিবির করে। জানা গিয়েছে, টিএলপি নেতৃত্ব ‘রণাঙ্গন’ থেকে পিছু হটার কোনও ইঙ্গিত দেয়নি।

    গুলিতে হত ১১ (Pakistan TLP)

    পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর এই অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। গত সপ্তাহে পুলিশ যখন প্যালেস্তাইনপন্থীদের পূর্বনির্ধারিত সমাবেশের জন্য রাজধানীর দিকে টিএলপির মিছিল রোধ করার চেষ্টা করছিল, তখন লাহোরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। টিএলপির অভিযোগ, পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। তাতে তাদের ১১ জন কর্মী নিহত হয়, জখম হয় ৫০ জনেরও বেশি (Pakistan TLP)।

    কী বললেন টিএলপি নেতা

    প্রতিবাদের একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে গুলির শব্দ শোনা গিয়েছে। এক টিএলপি নেতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আজ সকাল থেকে টিএলপির ১১ জন নিহত হয়েছে। অবিরাম শেলিং ও গুলিবর্ষণ চলছে।” প্রসঙ্গত, ৯ অক্টোবর গাজায় ইজরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, ১১ অক্টোবর তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে, লাঠিচার্জ করে। পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা। শুক্রবার জুম্মার নমাজের সময় লাহোরে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে টিএলপির প্রধান বলেন, “গ্রেফতার কোনও সমস্যা নয়, গুলি কোনও সমস্যা নয়, শেলও কোনও সমস্যা নয় – শহিদ হওয়া আমাদের নিয়তি (Islamabad Violence)।” পাকিস্তানের মন্ত্রী তালাল চৌধুরী টিএলপির নিন্দে করে বলেন, “গোষ্ঠীটি গাজা সঙ্কটকে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য ব্যবহার করছে।” তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সরকার কোনও সংগঠনের (Pakistan TLP) হিংসা বা জবরদস্তি সহ্য করবে না।

  • Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় প্রেস ক্লাবে হানা দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালাল ইসলামাবাদ পুলিশ (Pakistan Police)। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার জেরে বন্ধ ইন্টারনেট। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগেও তপ্ত পাকিস্তান। এহেন আবহে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বিশ্বজুড়ে।

    সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা (Pakistan Police)

    পাক সংবাদমাধ্যমের খবর, রাজধানী ইসলামাবাদের কেন্দ্রে অবস্থিত এই প্রেস ক্লাবে কাশ্মীরি সাংবাদিকদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ অভিযান চালায়। ওই সাংবাদিকরা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (JAAC) ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচি কভার করছিলেন। এই জেএএসি-ই শাহবাজ শরিফ সরকারের বিরুদ্ধে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাঠি হাতে পুলিশ কর্মীরা প্রেস ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করছে এবং সেখানে বসা লোকজনের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আরও কিছু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কয়েকজন পুলিশকর্মী কিছু প্রতিবাদকারীকে বাইরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছেন সাংবাদিকরা

    আর একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, এক সাংবাদিক এক হাতে তাঁর ক্যামেরা ধরে রয়েছেন। আর অন্য হাতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার আঁকড়ে ধরা কলার থেকে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছেন (Pakistan Police)। এশিয়া ওয়ান টিভি চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিক আনাস মালিক সংবাদপত্রকে জানান, পুলিশ ক্লাবে এসেছিল কাশ্মীর থেকে আসা সেই সাংবাদিকদের গ্রেফতার করতে, যারা জেএএসির প্রতিবাদের ডাক কভার করছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশ কর্মীরা গুণ্ডাদের মতো আচরণ করছিল।”

    আর এক সাংবাদিক হামিদ মির জানান, পুলিশ জেএএসি সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছিল এবং ক্যাফেটেরিয়ায় উপস্থিত সাংবাদিকদের টার্গেটে পরিণত করেছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই অভিযান চালানো হয় যখন পাক অধিকৃত থেকে আসা লোকজন প্রেস ক্লাবের বাইরে ওই নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা করে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছে পাকিস্তান হিউম্যান রাইটস কমিশন (এইচআরসিপি)।

    পুলিশি অভিযানের ঘটনায় পাকিস্তান জুড়ে তীব্র নিন্দা শুরু হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে নকভি জানান, তিনি এই দুঃখজনক ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং ইসলামাবাদের ইনসপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন (Pakistan Police)।

  • PoK Protest: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার বার্তা?

    PoK Protest: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার বার্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আক্রমণ করার প্রয়োজনও পড়বে না। ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি তুলছেন সেখানকার মানুষই।’ গত সপ্তাগেই এই কথাগুলি মরক্কোয় গিয়ে বলেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর কথা যে কতটা সত্য, তার প্রমাণ মিলল হাতেনাতে। গণআন্দোলনের সুর এবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও! পাক সরকারের (PoK Protest) বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তাঁরা। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটা সবথেকে বড় বিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি আজ, সোমবার এলাকা জুড়ে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছে। ‘শাটার ডাউন’ ও ‘হুইল জ্যাম’-র ডাক দিয়েছে। অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে বলেই জানিয়েছে তারা।

    সাধারণ মানুষের অধিকারের লড়াই

    সোমবার পিওকে জুড়ে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছে। মোট ৩৮টি দাবি রয়েছে তাদের। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সাধারণ মানুষদের সংগঠন ‘আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’র। এর মধ্যে অন্যতম পাকিস্তানে বসবাসকারী কাশ্মিরী রিফিউজিদের জন্য কাশ্মীর (PoK Protest) বিধানসভায় সংরক্ষিত ১২টি আসনের অবলুপ্তি। পাশাপাশি ময়দার দাম কমানো, বিদ্যুতের উপরে ন্যায্য ট্যারিফ বসানোর দাবিও করা হয়েছে। সেখানকার মানুষজনের অভিযোগ, পিওকে-তে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। একাধিকবার সরকারকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। চরমে দুর্নীতিও। বাধ্য হয়েই তাই ধর্মঘট, চাক্কা জ্যামের মতো পদক্ষেপ করতে হয়েছে। আন্দোলনকারীদের নেতা শওকত নওয়াজ মীর বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন প্রতিষ্ঠানবিরোধী নয়। তা শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের জন্য অধিকার আদায়ের লড়াই।’

    পাকিস্তানের হাত থেকে নিষ্কৃতির দাবি

    উত্তেজনার আশঙ্কায় ইসলামাবাদ ইতিমধ্যেই বিপুল নিরাপত্তা মোতায়েন করেছে। মধ্য রাত থেকেই ইন্টারনেট কেটে দিয়েছে পাক প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের রুখতে সেনার গাড়ি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের শহরগুলিতে টহল দিচ্ছে। পাঞ্জাব প্রদেশ থেকেও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। উল্লেখ্য, গত বছর থেকেই পাকিস্তানের হাত থেকে নিষ্কৃতি চেয়ে সরব হয়েছে পিওকে। চলতি মাসেই মরোক্কোতে গিয়ে পিওকে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেছিলেন, ‘পিওকে ভারতের। পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিজের অংশ করতে কোনও আগ্রাসনের প্রয়োজন নেই। সেই অংশ একদিন নিজেই বলবে, আমরা ভারতের অংশ। স্থানীয়রাই স্বাধীনতার দাবি তুলেছে।’ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে রাজনাথের কথা মিলে যাচ্ছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

LinkedIn
Share