Tag: Islamic State

Islamic State

  • Islamic State: দুই বাংলা, উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে ‘আইএস বেঙ্গল প্রভিন্স’ গড়ার ভয়াবহ ছক করছে আইসিস!

    Islamic State: দুই বাংলা, উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে ‘আইএস বেঙ্গল প্রভিন্স’ গড়ার ভয়াবহ ছক করছে আইসিস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিস জঙ্গি সংগঠনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল খিলাফতকে প্রতিষ্ঠা এবং সারা বিশ্বব্যাপী ইসলামের রাজত্ব কায়েম করা। কিন্তু বর্তমানে বেশ কোনঠাসা এই জঙ্গি সংগঠন (Islamic State)। তারা সেই অবস্থায় নেই যে সারা পৃথিবীর জুড়ে খিলাফত ঘোষণা করতে পারে। সেই জন্য তারা চিহ্নিত করেছে পৃথিবীজুড়ে বেশ কিছু অঞ্চল, যেগুলিতে তারা প্রবেশ করতে পারবে, সংগঠনের জাল ছড়াতে পারবে এবং নিজেদের খিলাফতের আদর্শকে তারা স্থাপন করতে পারবে। প্রসঙ্গত, আগেই এই জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করেছিল যে তারা খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেছে ইরাক এবং তার প্রতিবেশী অঞ্চলগুলিতে। এর পাশাপাশি, তারা আফ্রিকা মহাদেশের বেশ কিছু দেশেও খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা বলে।

    বাংলাদেশ হয়ে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর-পূর্ব ভারত টার্গেট আইসিসের!

    ২০২৫ সালের জানুয়ারির শুরুতেই খবর ভেসে আসে অল বেঙ্গলি মিডিয়া থেকে। এখানেই বার্তা দেওয়া হয় যে তারা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুতি চালাচ্ছে ‘ইসলামিক স্টেট বেঙ্গল প্রভিন্স’ গড়ে তোলার জন্য। যে বার্তা দিয়েছে এই জঙ্গি সংগঠন তা হালকা ভাবে নিচ্ছেন না গোয়েন্দারা। কারণ এই ধরনের যে পরিকল্পনা অল বেঙ্গলি মিডিয়া প্রচার করেছে, তা নতুন বা প্রথম কিছু নয়। এখানে প্রতিফলিত হচ্ছে তাদের দীর্ঘদিনের যে উদ্দেশ্য সেটাই। ইসলামিক স্টেট বেঙ্গল প্রভিন্সে কোন কোন অঞ্চল থাকবে তাও তারা ঘোষণা করে দিয়েছে। এখানে থাকবে সম্পূর্ণ বাংলাদেশ (Bangladesh), পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি। অল বেঙ্গলি মিডিয়ার মতে, এই সমস্ত অঞ্চলগুলিতে আগামী দিনে খিলাফত প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে। খিলাফতের পথে যে কোন ধরনের বাধা এলে তা প্রতিরোধ করতেও প্রস্তুত তারা বলে দাবিও করা হয়েছে অল বেঙ্গলি মিডিয়ায়।

    কী বলছেন গোয়েন্দা কর্তা (Islamic State)

    ভারতের গোয়েন্দা দফতরের এক শীর্ষ আধিকারিক (Islamic State) অর্গানাইজার পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, এদের পরিকল্পনাই হল বিভিন্ন মডিউল গড়ে তোলা। এই জঙ্গি মডিউলগুলির মাধ্যমে তারা কাজ চালাতে চায়। এরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অঞ্চলকে তাদের ইসলামিক স্টেট বেঙ্গল প্রভিন্স-এর অংশও বানাচ্ছে। তবে এদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশকে তাদের ইসলামিক স্টেট প্রভিন্স গড়ে তোলা। ইতিমধ্যে তারা এই বার্তাও দিতে শুরু করেছে যে যদি বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম জনগোষ্ঠী এক হয়ে যায়, তাহলে তারা এটা করতে পারবে।

    বাংলাদেশের অচলাবস্থায় সুযোগ নিতে চাইছে জঙ্গি গোষ্ঠী

    এই আবহে ইসলামিক স্টেট (Islamic State) জঙ্গিগোষ্ঠী মনে করছে যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো সময় চলছে তাদের। কারণ বাংলাদেশের এই অচলাবস্থা। এই অচলাবস্থাকেই তারা কাজে লাগাতে চাইছে। সবার আগে, বাংলাদেশে ফিলাফত কায়েম করা। তার পর সেখান থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে তারা মৌলবাদকে সর্বদাই ছড়িয়ে দেওয়া। বাংলাদেশ যে ধীরে ধীরে ইসলামি মৌলবাদ এবং জিহাদিদের আয়ত্তে চলে যাচ্ছে, তার প্রমাণ মিলেছে সাম্প্রতিককালে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে পাকিস্তানিদের জন্য ফ্রি ভিসা পাস চালু করেছে। এর ফলে বাংলাদেশে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কাজ আরও সহজ হয়েছে। ধরা যাক, কোন জঙ্গি বা মৌলবাদী সংগঠনের কেউ ভারতে অপরাধ সংঘঠিত করল। তারপরে চোরা পথে তারা বাংলাদেশে চলে গেল। সেখানে গিয়ে তারা শান্তিতে ঘুমাল এবং পরবর্তীকালে ভিসা নিয়ে তারা পাকিস্তান বেরিয়ে গেল। অর্থাৎ জঙ্গিগোষ্ঠীদের ভারতে প্রবেশের জন্য আন্তর্জাতিক দিক থেকে একটি সেফ করিডোরে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসেন ডোভাল

    ইতিমধ্যে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলি এ নিয়ে যথেষ্ট ভাবনা চিন্তা করছেন। কারণ গত অগাস্ট মাসে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই জিহাদিদের মুক্তাঞ্চলে (Islamic State) পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। সেখানে একের পর এক উৎসব বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। হামলার খবর আসছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফর করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। উচ্চ পর্যায়ের একটি মিটিংয়ে তিনি অংশগ্রহণ করেন। তাঁর ওই মিটিংয়ে মালদা, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু মাদ্রাসাকে নিয়ে তারা আলোচনা করেন। এই মাদ্রাসাগুলির গতিবিধির সন্দেহজনক এবং এগুলি দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট বিপজ্জনক।

    আইসিসের কাজ দেখার দায়িত্বে কে?

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি (Islamic State) সংগঠনের কাজ চালানোর জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে মহম্মদ সাইফুল্লাহ উজাকি ওরফে আবু ইব্রাহিম আল হানিফকে। সূত্রের খবর, এই ব্যক্তি একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম। প্রথম জীবনে তাঁর নাম ছিল সজীবচন্দ্র দেবনাথ এবং তিনি একজন অর্থনীতিবিদ ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাস রাখতেন ইসলামিক স্টেট-এর আদর্শে। ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার পরে তিনি বেশ কয়েকমাস সিরিয়াতে চলে যান এবং সেখানেই প্রশিক্ষণ নেন। পরবর্তীকালে তাঁকে বাংলাদেশের কাজ দেখার দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি ফিরে আসেন। ২০১৬ সালের ঢাকা হামলার অন্যতম চক্রান্তকারী বলে মনে করা হয় তাঁকে।

  • ISIS Love: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    ISIS Love: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিস-প্রীতির (ISIS Love) জেরে ফের গ্রেফতার কেরলের এক বাসিন্দা। বর্তমানে সে আফগানিস্তানে ছিল। আফগান গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেফতার করে তাকে। আফগানিস্তানে বসেই সানাউল ইসলাম নামের ওই যুবক ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক এবং সিরিয়া (আইসিস) নিয়ন্ত্রণ করত।

    কেরলের আইসিস যোগ…

    আফগানিস্তান প্রশাসনের তরফে সানাউলের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। আইসিসে (ISIS Love) যোগ দিতে তাজিকিস্তান হয়ে সে আফগানিস্তানে গিয়েছিল বলেও দাবি তালিব প্রশাসনের। এর ঠিক এক মাসে আগেই কেরল থেকে এনআইএ আদালত রিয়াজ আবু বক্করকে ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে ষড়যন্ত্র করার দায়ে অভিযুক্ত করেছিল। এবার প্রকাশ্যে এল আরেক কেরল যুবকের আইসিস-প্রীতির উদাহরণ। গত বছর জুলাইয়েও এনআইএ কেরলে আইসিস মডিউলের একজনকে গ্রেফতার করেছিল। ভারতের ধর্মীয় স্থানে নাশকতার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে।  

    কেরলের যুবাদের আইএস-প্রীতি কেন?

    ২০১৭ সালে কেরল পুলিশ জানিয়েছিল, সে রাজ্যের প্রায় ১০০ জন যোগ দিয়েছে আইসিসে। প্রশ্ন হল, কী কারণে আইসিস-প্রীতি বাড়ছে কেরলের যুবকদের? জানা গিয়েছে, কেরলের যে তরুণরা আইসিসে যোগ দিয়েছে, তাদের সিংহভাগই মপলা মুসলমান, যারা বিশ্বাস করে তারা আরব ব্যবসায়ীদের বংশধর কিংবা উচ্চবর্ণের ধর্মান্তরিত হিন্দু। এই মুসলমানদের বাস মূলত মালাপূরম, কালিকট এবং কান্নুরে।

    আরও পড়ুুন: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    অর্থের টোপ দিয়ে মগজধোলাই!

    সাতের দশক থেকে কেরলের বহু মানুষ মধ্য প্রাচ্যে চলে যাচ্ছেন রোজগারের ধান্ধায়। সেখান থেকেই তাঁরা যোগাযোগ রাখছেন ভরতে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। তাছাড়া, এই অঞ্চলে সৌদি আরব থেকেও প্রচুর মুদ্রা ঢোকে। সেই মুদ্রার টোপ গিলে এ রাজ্যের তরুণদের একাংশ সৌদি এবং সালাফি পণ্ডিতদের কাছ থেকে ধর্মীয় নীতিকথা শিখছে। কেরলে আইসিসের (ISIS Love) মাথারা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সফল। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তারা নিয়োগ করছে তরুণদের। করছে মগজধোলাই।

    কেরলে একাধিক আইএস মডিউল সক্রিয়

    কেরলে আইসিসের অনেকগুলি মডিউল রয়েছে। এর মধ্যে আবদুল রশিদের কাসারগড় মডিউল এ রাজ্যের ২৪ জনকে আফগানিস্তানের মতো আইএসআইএস কলোনিগুলিতে পাঠিয়ে দিতে সফল হয়েছে। এই মডিউলে রয়েছে ধর্মান্তরিত যুবতী সোনিয়া সেবাস্টিয়ান এবং তার মুসলমান স্বামীও। তারাও পালিয়েছে আফগানিস্তানে। কান্নুরের আরও একটি মডিউল কেরলের ৪০-৫০ জন তরুণকে মৌলবাদে দীক্ষিত করেছে। এরাও পরে যোগ দিয়েছে আইসিসে (ISIS Love)। এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (পিএফআই) মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IS Module in Gujarat: সুরাটে মিলল আইএস মডিউলের সন্ধান! ধৃত ১ মহিলা-সহ ৪

    IS Module in Gujarat: সুরাটে মিলল আইএস মডিউলের সন্ধান! ধৃত ১ মহিলা-সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের সুরাটে মিলল আইএস (ISIS) মডিউলের সন্ধান! এক মহিলা-সহ চার অভিযুক্তকে পোরবন্দর থেকে গ্রেফতার করল গুজরাট (GUjarat) পুলিশের সন্ত্রাস-বিরোধী স্কোয়াড এটিএস। অভিযুক্তদের মধ্যে ওই মহিলা ছাড়া বাকিরা নাবালক। অভিযুক্তদের থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আইএসের গোপন নথি ও পতাকা।

    আফগানিস্তানে যাওয়ার পরিকল্পনা

    সূত্রের খবর, এনআইএ-এর থেকে তথ্য পেয়ে এটিএস আইজি-র নেতৃত্বে একটি দল সুরাট সংলগ্ন পোরবন্দরে যায়। সেখান থেকেই সুমেরা নামে ওই মহিলাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত তিন নাবালক শ্রীনগরের বাসিন্দা। মহিলা এসেছিল সুরাট থেকে। তারা পোরবন্দর থেকে বোট ভাড়া করে আফগানিস্তানে যাওয়ার মতলব কষছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। এও জানা যাচ্ছে, সেখানে গিয়ে আইএস-খোরাসানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাদের।

    এটিএস সূত্রে খবর, টানা ৬ ঘণ্টা ওই মহিলাকে জেরা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের থেকে আইএসের নথি ও পতাকা ছাড়াও পাওয়া গিয়েছে ভিডিও ও অডিও ক্লিপ। সেখানে সন্ত্রাসের উসকানিমূলক ভাষণ দিতে দেখা যাচ্ছে কাশ্মীরের তরুণদের উদ্দেশে।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে না, অথচ পঞ্চায়েতে ভিন্ রাজ্যের পুলিশে আগ্রহ নবান্নর

    সূত্রের খবর ওই মহিলা বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে। তার স্বামী দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। আড়াই বছর আগে ওই মহিলার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তরা মাছধরার বোটে ক্যাপ্টেন ও জিপিএস কোঅর্ডিনেটরের দায়িত্বে কাজ করত। গত এক বছর ধরেই আইএসের মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছিল তারা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Abdul Raquib Qureshi: দোকানের আড়ালে চালাত জঙ্গি কার্যকলাপ! আইএসের স্লিপার সেলের দায়িত্বে ছিল কুরেশি!

    Abdul Raquib Qureshi: দোকানের আড়ালে চালাত জঙ্গি কার্যকলাপ! আইএসের স্লিপার সেলের দায়িত্বে ছিল কুরেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি যোগের অভিযোগে দিন কয়েক আগেই কলকাতা পুলিশের এসটিএফ (STF) গ্রেফতার করেছিল মহম্মদ সাদ্দাম ও মহম্মদ সঈদকে। সেই সূত্রে ৯ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয় আবদুল রাকিব কুরেশিকে (Abdul Raquib Qureshi)। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    কুরেশি…

    জানা গিয়েছে, কুরেশির নিজের একটি দোকান রয়েছে। সেই দোকানের আড়ালেই চালাত জঙ্গি কার্যকলাপ। সরকারি আইনজীবীর দাবি, কুরেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে জঙ্গিদের ফিনান্স করত, সংগঠনের প্ল্যানিং করত, টেররিস্টদের লজিস্টিক সাপোর্টও দিত। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জেহাদি বই, মোবাইল, চিপ, মানি ব্যাগ, টাকা এবং পেন ড্রাইভ। সে যে দেশদ্রোহী কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল, তারও প্রমাণ মিলেছে। জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসবাদী হামলার ছকও কষেছিল কুরেশি। গোটা দেশে জাল বিস্তার করেছিল এই জঙ্গিরা। কুরেশির কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া নোটবুক থেকে জেহাদি চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণও মিলেছে। যুবকদের মগজধোলাই করে স্লিপার সেল চালানোর চেষ্টাও করছিল সে। ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রানজিট রিমান্ডে পাওয়ায় কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে কুরেশিকে। তাকে আরও জেরা করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ! কর্নাটকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও দুই

    প্রসঙ্গত, তদন্তকারীরা আগেই জানিয়েছিলেন, জঙ্গি সংগঠন আইএসের (IS) নামে শপথ নিয়েছিল হাওড়ার বাসিন্দা মহম্মদ সাদ্দাম। তাকে গ্রেফতার করার সময় তার কাছ থেকে যে ডায়েরি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল, সেখান থেকেই এই তথ্য মিলেছে। ওই ডায়েরিতে যা লেখা হয়েছে, তা আরবিতে। এই ডায়েরির এক জায়গায় ধৃত সাদ্দাম লিখেছে, আইএসের প্রতি তার আনুগত্য বজায় রাখবে সে। সংগঠনের হয়ে কাজ করবে। এ ব্যাপারে শপথও নিয়েছে সে। এই ডায়েরি থেকেই জঙ্গি সংগঠনে কুরেশির (Abdul Raquib Qureshi) যুক্ত থাকার ইঙ্গিত মেলে। শেষমেশ মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। পরে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • NIA: ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ! কর্নাটকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও দুই

    NIA: ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ! কর্নাটকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী সংস্থা ইসলামিক স্টেটের (IS) সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে গ্রেফতার আরও দুই। মঙ্গলবার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA) তাদের গ্রেফতার করেছে। শিবমগ্গা ইসলামিক স্টেট ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই দুজনকে।  

    এনআইএ… 

    এর আগে ওই মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের সঙ্গে যোগ ছিল মহম্মদ শারিকের। সম্প্রতি তাকে গ্রেফতার করা হয়। মেঙ্গালুরুতে একটি অটোরিক্সায় করে কুকার বম্ব নিয়ে যাচ্ছিল সে।  তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। জখম হন সে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি না জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নবান্নে বসতে পারবেন না’’! বেফাঁস হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যে দুজনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA) তারা হল মাজিন আবদুল রহমান এবং নাদিম আহমেদ কেএ। মাজিনকে গ্রেফতার করা হয় মেঙ্গালুরুর পারমান্নুরের হীরা কলেজের কাছ থেকে। এই মেঙ্গালুরু দক্ষিণাখণ্ড জেলার হেডকোয়াটার্স টাউন। নাদিমকে গ্রেফতার করা হয় দাভানাজেরে জেলার হোন্নালি তালুক থেকে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত মাজিন আবদুল রহমান ও নাদিম আহমেদ সরাসরি নাশকতামূলক কার্যকলাপে যুক্ত ছিল। এর আগে কর্নাটক থেকে সন্দেহভাজন ৪ আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। তাদের জেরা করেই খোঁজ মেলে মাজিন ও নাদিমের।

    তদন্তে প্রকাশ, অভিযুক্ত মাজ মুনির এবং সঈদ ইয়াসিন মাজিন ও নাদিমকে ভারতে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিয়োগ করেছিল। এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা অন্তর্ঘাত এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছিল। এগুলি ইসলামিক স্টেটের ষড়যন্ত্র। প্রসঙ্গত, গত বছর শিবামগ্গা টেরর মডিউল তুঙ্গা নদীর তীরে ট্রায়াল ব্লাস্ট করেছিল বলে অভিযোগ। গত বছর ১৯ সেপ্টেম্বর কর্নাটকের শিবামগ্গা জেলার শিবামগ্গা রুরাল থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। ওই বছরেরই ৪ নভেম্বর তদন্ত শুরু করে এনআইএ (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Lal Bazar Attack: শ্রীনগরে হামলার দায় নিল আইএস! জঙ্গিদের নিশানায় নিরাপত্তারক্ষীরা

    Lal Bazar Attack: শ্রীনগরে হামলার দায় নিল আইএস! জঙ্গিদের নিশানায় নিরাপত্তারক্ষীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীনগরের লালবাজার এলাকায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করল ইসলামিক স্টেট ( Islamic State) হিন্দ প্রভিন্স। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফের জঙ্গি হামলার সাক্ষী থেকেছে উপত্যকাবাসী। শ্রীনগরের (Srinagar) লাল বাজারে (Lal Bazar) জি ডি গোয়েঙ্কা স্কুলের (G D Goenka School) বাইরে নাকা তল্লাশির দায়িত্বে থাকা পুলিশের উপরে অতর্কিতে আক্রমণ চালায় জঙ্গিরা (Terrorist)। ওই হামলায় মুস্তাক আহমেদ (Mustaque Ahamed) নামে পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর (ASI) প্রাণ হারিয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও দুই পুলিশ কর্মী। হত্যালীলা চালিয়ে নিরাপদেই চম্পট দিয়েছে জঙ্গিরা।

    বুধবার ওই হামলার দায় নিয়ে, আক্রমণের ভিডিও প্রকাশ করে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠন। ভিডিওয় দাবি করা হয়েছে, লুকিয়ে পুলিশের উপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। আক্রমণের পর পুলিশের একটি একে ৪৭ রাইফেলও ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। উপত্যকায় ক্রমে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বাড়ছে। গত জানুয়ারি মাস থেকে এ নিয়ে ১১জন পুলিশকর্মী জঙ্গিদের গুলির শিকার হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ৬ জন সেনা, ৫ জন আধাসেনা-সহ নিরাপত্তা বাহিনীর মোট ২২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। গত বছর উপত্যকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪২ জন সদস্য নিহত হন। 

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জামাত অনুমোদিত স্কুল বন্ধ করল সরকার, কেন জানেন?

    উল্লেখ্য,জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বেড়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে উপত্যকায় ১৪১ জন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। এরই মধ্যে উপত্যকা ফের একবার অশান্ত হওয়ার ঘটনায় রীতিমতো চিন্তা বাড়ছে। এই মুহূর্তে কাশ্মীরে সুরক্ষা অনেক জোরদার করা হয়েছে। তারই মধ্যে এই আক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ৬৯ জন কাশ্মীরি তরুণকে জঙ্গি সংগঠন নিযুক্ত করেছে। এই সংগঠনটি পাক মদতপুষ্ট। লস্কর, জইশের পাশাপাশি হিজবুল মুজাহিদিন ও রেজিস্ট্যান্ট ফ্রন্টও উপত্যকায় বড়সড় নাশকতার ছক কষছে বলে কিছুদিন আগে প্রকাশিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়।

LinkedIn
Share