Tag: islampur

islampur

  • Manik Saha: ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে’, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

    Manik Saha: ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে’, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবারের তুলনায় এই রাজ্যে বিজেপি অনেক বেশি আসন পাবে। বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে এসে মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। তিনি বলেন, মোদি দেশে যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন তার থেকে আরও বেশি ভালো ফল হলে আমরা অবাক হব না। তাই, এই রাজ্যের বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। যারা ওই দলে রয়েছে, তারাও মনেপ্রাণে বিজেপিকে সমর্থন করছে।

    বাংলায় শান্তির পরিবেশ নেই (Manik Saha)

    মানিক সাহা (Manik Saha) বলেন, সন্দেশখালি হোক বা অন্য কিছু মানুষ সব বুঝতে পারছে। শান্তি সম্প্রীতি যদি না থাকে কোনও রাজ্যের উন্নতি হয় না। এই রাজ্যে সেই পরিবেশ নেই। তাই, দলে দলে মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এদিন উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরে ঝটিকা সফরে আসেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। মালদায় ভারতীয় জনতা পার্টির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে সড়কপথে মালদা যাওয়ার পথে তিনি ইসলামপুরে দাঁড়ান। ইসলামপুর শহরের জীবন মোড় এলাকায় এক বিজেপি কর্মী প্রবীর দাসের বাড়িতে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন করেন। মধ্যাহ্নভোজনের শেষে তিনি আবার মালদার  উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন বিশ্ববরেণ্য। তিনি সাধারণ মানুষের গ্যারান্টির কথা বলেন। তাই মানুষ বুঝতে পারছে যে বিজেপি ছাড়া উন্নয়ন কিছু হবে না। তিনি আরও বলেন,” মালদায় একটি মিটিং রয়েছে সেই মিটিংয়ে যাচ্ছি এবং আমাদের নিয়ম রয়েছে দলীয় কার্যকর্তার বাড়িতে আহার গ্রহণ করার। সেই মতো এদিন ইসলামপুরে মধ্যাহ্নভোজন করছি।”

    ত্রিপুরায় পাহাড়-সমতল আনন্দে আছে

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী (Manik Saha) বলেন, “ডেমোক্রেসি কাকে বলে সেটা ত্রিপুরায় না গেলে বুঝতে পারবেন না। সাধারণ মানুষ এখন শান্তিতে আছে। সাধারণ মানুষের অধিকার রয়েছে। ত্রিপুরায় যারা মথা আছে তারাও সরকারে এসে যোগদান করেছে। পাহাড়-সমতল এখন আনন্দে আছে। সন্দেশখালি হোক বা অন্য কিছুই মানুষ সব বুঝতে পারছেন, শান্তি সম্প্রীতি যদি না থাকে কোন রাজ্যের উন্নতি হয় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: বিজ্ঞানী ছেলের সঙ্গে কথা বলে আপ্লুত মা, কী বললেন ইসলামপুরের অনুজ নন্দী?

    Chandrayaan 3: বিজ্ঞানী ছেলের সঙ্গে কথা বলে আপ্লুত মা, কী বললেন ইসলামপুরের অনুজ নন্দী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) চাঁদের মাটিতে পা রাখার সাফল্যে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দারা একটু বেশি উচ্ছ্বসিত। কারণ, চন্দ্রযান-৩ এর ক্যামেরার ডিজাইন করেছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আশ্রমপাড়ার বাসিন্দা বিজ্ঞানী অনুজ নন্দী। অনুজ নন্দীর ক্যামেরার তোলা ছবি দেখল গোটা বিশ্ব। অনুজের এই সাফল্যে গর্বিত গোটা ইসলামপুর তথা জেলাবাসী।

    চন্দ্রযান-৩ চাঁদের মাটিতে পা রাখার পর ছেলের সঙ্গে কী কথা হল মায়ের? (Chandrayaan 3)

    বুধবার চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) চাঁদের মাটিতে পা রাখার আগে কোথাও দেখা গিয়েছে মানুষ প্রার্থণা করছেন, কোথাও বা হয়েছে হোম-যজ্ঞ। আবার কোথাও দেখা গেছে মানুষ টিভির পর্দায় নজর রেখেছেন। তবে, চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের সাথে চাঁদে অবতরণ দেখতে সকাল থেকেই টিভির পর্দায় নজর রেখেছিলেন অনুজের পরিবারও। ভারতের এই ঐতিহাসিক সাফল্যকে সরাসরি দেখে এবং এই সাফল্যের পিছনে যারা রয়েছেন তাদের একজন যে তাঁদের পরিবারের ছেলে তা ভেবেই আনন্দাশ্রু গোটা নন্দী পরিবারের চোখে। চন্দ্রযান চাঁদের মাটিতে পা রাখার পর শুধু অনুজের পরিবারই নয়, পাড়া-প্রতিবেশী থেকে শুরু করে গোটা ইসলামপুরবাসীর কাছেই এটা গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরোর বিজ্ঞানী অনুজ নন্দীর মা শোভারানি নন্দী বলেন,’অনেকদিন পর ছেলের সঙ্গে কথা হল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। সৌজন্য বিনিময়ের পরই চন্দ্রযান-৩ নিয়ে কথা হল। চাঁদের মাটিতে পা রাখল চন্দ্রযান। আর এই সাফল্য তার কথাতে বার বার ফুটে উঠছিল।’

    প্রতিবেশীদের কী বক্তব্য?

    পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুর হাইস্কুলে পড়াশুনা শেষ করার পর রায়গঞ্জ কলেজে বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক হন অনুজ। এরপরই আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে। বেঙ্গালুরুর ইসরোতে গত আট বছর ধরে কাজ করছেন এই বাঙালি বিজ্ঞানী। সঞ্জয় দত্ত নামে এক প্রতিবেশী  বলেন, ‘এটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। অনুজ নন্দী একজন সাধারণ ঘরের ছেলে হয়ে আজ এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছে, যা কিনা গোটা ইসলামপুর তথা পশ্চিমবঙ্গের নাম গোটা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছে। আমরা খুবই আনন্দিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Islampur: ফের ইসলামপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১৫, এলাকায় উত্তেজনা

    Islampur: ফের ইসলামপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১৫, এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত ইসলামপুর (Islampur)। এবারে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে চলল গুলিও। গুলিবিদ্ধ প্রায় ১৫ জন। তাদের ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের চোতরাগছ গ্রামের আতালডাঙ্গী-হাট এলাকায়। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে গোটা এলাকাজুড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। বুধবার সকাল থেকে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Islampur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  স্থানীয় আতালডাঙ্গী-হাট এলাকায় হঠাৎই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের জেরে চলে গুলি ও ব্যাপক বোমাবাজি হয়। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন প্রায় ১৫ জন। আহতদের অভিযোগ, আমরা তৃণমূল কর্মী। জেলা পরিষদ আসনে নির্দল প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার কারণে আমাদের ওপরে গুলি চালানো হয়েছে। ইসলামপুরের (Islampur) সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আব্দুল হক ও তার লোকজন এই হামলার ঘটনায় জড়িত। উল্লেখ্য, উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ৪নং আসনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন মৌসুমী খাতুন। তৃণমূলের টিকিট না পাওয়ায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নেমেছিলেন চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের মেয়ে আরজুনা বেগম। নির্বাচনে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী খাতুন। এই প্রার্থী পদ নিয়ে শুরু থেকেই সেখানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব লেগেই ছিল। তারই অঙ্গ হিসেবে মঙ্গলবার এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন আহতরা। সংঘর্ষে আহত মহঃ সারোয়ার নামে এক তৃণমূল কর্মী জানিয়েছেন, আমরা মহঃ জাহিদুলের অনুগামী। আমরা তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছি। চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের মেয়ে নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাঁকে আমরা ভোট দিইনি। তাই তাঁর লোকজনেরা আমাদের ওপরে গুলি চালিয়েছে। অপর এক গুলিবিদ্ধ খলিল মহম্মদ জানিয়েছেন, আমি তৃণমূল দল করি। আমি হাটে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে নির্দল প্রার্থীর লোকজনেরা গুলি চালাতে আরম্ভ করে। আমারও পায়ে গুলি লেগেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    ঘটনার খবর পেয়ে ইসলামপুর (Islampur) হাসপাতালে ছুটে আসেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল, ইসলামপুরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন, ইসলামপুরের যুব তৃণমূল নেতা কৌশিক গুণ সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। তাঁরা অবশ্য এই গোষ্ঠীকোন্দলের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এই ঘটনায় জেলা পরিষদের বিজয়ী তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী খাতুনের স্বামী মহঃ জাহিদুল বলেন, আতালডাঙ্গী এলাকায় আমাদের কিছু লোক বাজার করতে গিয়েছিল। সেখানে তাদের উপরে নির্দল সমর্থিত কিছু দুষ্কৃতী হামলা চালায় ও গুলি করে। ওই এলাকা বিরোধীশূন্য হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেখানে দুটি গোষ্ঠী হয়ে গিয়েছিল। বেশ কিছুদিন ধরেই নির্দল সমর্থিত দুষ্কৃতীরা আমাদের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের হুমকি দিচ্ছিল। সুজালি অঞ্চলে কোনও অশান্তি হোক আমরা তা চাইনি। তাই আমাদের লোকজনদের শান্ত থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু, আজ অশান্তি হয়েই গেল। এ বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগারওয়াল বলেন, ২০-২২ জনের মতো আহত হয়েছে। তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনা পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করবে। তারপরই বিস্তারিত জানা যাবে।” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, শরীর ক্ষতবিক্ষত!

    Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, শরীর ক্ষতবিক্ষত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ইসলামপুরে ছুরিকাহত হয়ে অসীম সাহার মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার চোপড়ায় বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সেই যুবক। তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকা জুড়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আহত ওই যুবকের নাম রবিউল হাবিব (৩২)। তার পিতা মোকলেশ্বর রহমান এলাকার প্রভাবশালী বাম নেতা। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় দলুয়া এলাকায় এক অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন রবিউল। গভীর রাতে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আখতার আলি নামে এক ব্যক্তি তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর শরীরের বেশ কিছু জায়গায় ক্ষত রয়েছে।

    শাসক দলের (Uttar Dinajpur) বিরুদ্ধেই অভিযোগ

    এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক হিংসা রয়েছে বলে অনুমান করছেন স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। তাদের অনুমান, শাসক দল তৃণমূলের মদতেই ঘটনাটি ঘটেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আহত রবিউলের পিতা মোকলেশ্বর রহমান বলেন, “আমি বাড়িতেই ছিলাম। হঠাৎ দেখি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে আসে। আমি কোনওদিক না দেখে গাড়ি করে ছেলেকে নিয়ে সোজা ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আসি। ওর শরীরের বেশ কিছু জায়গায় ক্ষত রয়েছে। কী কারণে ওর উপরে হামলা হল, তা এখনই বুঝতে পারছি না।” অপরদিকে, সিপিআইএমের জেলা কমিটির সদস্য বিকাশ দাস বলেন,” আমরা খবর পাই যে আমাদেরই সদস্য মোকলেশ্বর রহমানের ছেলেকে কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা চালিয়েছে। আমরা তড়িঘড়ি ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে (Uttar Dinajpur) ছুটে আসি। ওর অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। চা গাছ কাটার যে ‘হাসুয়া’ রয়েছে সেই অস্ত্র দিয়েই তার ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেই আমাদের অনুমান।”

    কী বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি (Uttar Dinajpur)?

    অপরদিকে, তৃণমূলের জেলা সভাপতি (Uttar Dinajpur) কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “এ ঘটনার সাথে তৃণমূল জড়িত নয়। অভিযুক্ত যাতে দ্রুত গ্রেফতার হয় এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যাতে না হয় তা পুলিশকে জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: দলীয় নেতা খুনে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি, কেমন প্রভাব পড়ল?

    BJP: দলীয় নেতা খুনে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি, কেমন প্রভাব পড়ল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় শনিবার দুষ্কৃতীদের হামলায় খুন হন বিজেপি যুব মোর্চার নগর মণ্ডল কমিটির সম্পাদক অসীম সাহা। এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, অসীম সাহাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতেই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার?

    ইসলামপুরে বিজেপির বনধ ডাকার পরই শনিবার রাতে তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দেয় ইসলামপুর জেলার পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে ইসলামপুর থানায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল থানার আইসি সন্দীপ চক্রবর্তীকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইসলামপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে টাকা-পয়সা লেনদেনের ঘটনা থেকেই তর্ক শুরু হয়, তারপরেই এই ঘটনা ঘটে। যদিও এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। ঘটনা ঘটার প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই অভিযুক্ত মহঃ সাহিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাকে ইসলামপুর আদালতে পেশ করা হবে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। অপরদিকে, বিজেপির আনা তোলাবাজি ও তৃণমূলের মদতের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ। এই ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কোনও ব্যাপার নেই। টাকাপয়সা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় থাকতে পারে। তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। পাশাপাশি, এদিন বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টা ইসলামপুর বনধের বিষয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জোরপূর্বক বনধ কোথাও করতে দেওয়া হবে না।”

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    ইসলামপুর শহরের বীজহাট্টি এলাকায় রতন সাহা নামে এক বস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছে দীর্ঘদিন ধরে মহঃ তফিক নামে এক যুবক মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বকেয়া টাকার নাম করে ওই ব্যবসায়ীকে চাপ দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ। ওই যুবক কিছুদিন আগে তার কিছু বন্ধুবান্ধবকে নিয়ে ওই বস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আদায়ের জন্য দোকানে এসে ঝামেলা সৃষ্টি করে। ওই বস্ত্র  ব্যবসায়ীকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা। শনিবার  সকালে ওই বস্ত্র ব্যবসায়ীর দোকানে মহঃ সাহিল নামে অপর এক যুবক তোলা চাইতে আসে। তোলা নিয়ে ঝামেলার সৃষ্টি করে। তখন দোকান মালিকের ভাগ্নে তথা বিজেপি নেতা অসীম সাহা সেখানেই ছিলেন। তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে চাকু দিয়ে একাধিক জায়গায় আঘাত করে বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গেলে এই ঘটনায় স্থানীয় অপর এক যুবক আহত হয়। এরপর ওই অভিযুক্ত ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। আহতদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আহত অসীমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় অসীম সাহার। শনিবার বিজেপির পক্ষ থেকে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির সহ-সভাপতি সুরজিৎ সেন জানিয়েছেন, যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে দলীয় নেতাকে খুন হতে হল তা অত্যন্ত দুঃখের। আমরা সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছিলাম বনধ সফল করার জন্য। মানুষ আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে। গভীর রাতে বনধের নোটিশ দেওয়ার কারণে অনেকেই হয়তো বনধের খবর জানে না। তাই তারা রাস্তায় নেমেছে। আমরা সাধারণ মানুষের দাবিতে ও তাদের সুরক্ষার দাবিতে শান্তিপূর্ণ বনধ ডেকেছি। আমরা রাস্তা অবরোধ করে পিকেটিং করে বনধ আরও জোরালো করতে পারতাম। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আমরা তা করছি না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: ২১ জুলাই শহিদ দিবসে কেন যাবেন না তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী?

    TMC: ২১ জুলাই শহিদ দিবসে কেন যাবেন না তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১শে জুলাই শহিদ দিবসে অংশ নিচ্ছেন না ইসলামপুরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তিনি ইসলামপুর ছেড়ে গেলে তাঁর অনুগামীদের উপর নতুন করে হামলা হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। অনুগামীদের রক্ষা করতেই তিনি ২১শে জুলাই শহিদ দিবসে অংশ নেবেন না বলে জানিয়ে দিলেন আব্দুল করিম চৌধুরী। মমতা ব্যানার্জী ২১শে জুলাই শহিদ দিবস যতবার পালন করেছেন ততবার তিনি সেই সভায় হাজির ছিলেন। এই প্রথমবার তিনি শহিদ দিবসের সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    কেন শহিদ দিবসে যাবেন না করিমসাহেব?

     করিম সাহেব বলেন, ২১শে জুলাই শহিদ দিবসের সভায় আমি যেতে পারি এই আশঙ্কা করে আমার কাছে অনুগামীরা বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করছেন। কারণ, আমি ইসলামপুরে না থাকলে তাদের উপর আরও অত্যাচার নেমে আসবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় তার অনুগামীদের উপর তৃণমূলের (TMC) চরম অত্যাচার নেমে আসছে। কারও যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। কাউকে মারধর করে বাড়ি ঘরের জিনিসপত্র নষ্ট করে দিয়েছে। অনুগামীদের পরিস্থিতির কথা বিচার করেই আমি শহিদ দিবসের সভায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে একী বললেন করিমসাহেব?

    করিম চৌধুরী আরও বলেন, “আমি এখন তৃণমূলের (TMC) অজানা লোক। মমতা ব্যানার্জি কথা দিয়েছিল যে করিম দা আপনি ইসলামপুরের, আর ইসলামপুরটা আপনারই। এখন মমতা ব্যানার্জি দলটাকে অন্য কাউকে দিয়ে চালাচ্ছে। তাই দলে আমার কদর এবং ওজন কিছুই নেই।  এক সময় মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন, করিম দা আপনি সম্মানীয় ব্যক্তি। আপনি দলে এলে দলের সম্মান বাড়বে, ওজন বাড়বে।  আজ এমন অবস্থা করে দিয়েছে যে করিম চৌধুরীর নিজেরই কোন ওজন নেই।”

    অন্য দলে যাওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন করিমসাহেব?

    অন্য দলে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,” আমি তৃণমূলের (TMC)  বিদ্রোহী এমএলএ। এরপরে ওরা আমাকে বহিষ্কৃত করবে। আমি বহিষ্কৃত এমএলএ থাকব অন্য দলে যাব না। কারণ, এই তৃণমূল দলটা তৈরির সময় মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে আমিও ছিলাম। উত্তরবঙ্গের আমি প্রথম এমএলএ হই তৃণমূলের। আজকের না, ফ্রম লাস্ট ৫৫ বছরের আগে আমার দাদা ২০ বছর, তার আগে আমার বাবা ৪০ বছর এবং তারও আগে আমার দাদু ৫৬ বছর। সবমিলিয়ে ১৮০ বছর ধরে আমাদের পরিবার ইসলামপুর কে টেনে চলেছে। ছেড়ে দেব? তাও এই সমস্ত ব্যক্তির জন্য? কখনওই না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের সন্ত্রাসে পুরুষশূন্য গ্রাম, আক্রান্ত নির্দলদের পাশে আব্দুল করিম চৌধুরী

    TMC: তৃণমূলের সন্ত্রাসে পুরুষশূন্য গ্রাম, আক্রান্ত নির্দলদের পাশে আব্দুল করিম চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত ইসলামপুরে। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সন্ত্রাসের জেরে এলাকা পুরুষশূন্য রয়েছে। আক্রান্তরা সকলেই নির্দল প্রার্থী এবং তাঁর অনুগামী হিসেবে পরিচিত। তাদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। লুটপাট চালানো হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের আগডিমটিখুন্তি অঞ্চলের বুধাগছ, দিঘিরপাড় সহ অন্যান্য গ্রামের সন্ত্রাস বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখলেন ইসলামপুরের বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী।

    কী বললেন আক্রান্ত নির্দল কর্মীরা?

    উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর সঙ্গে জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বিরোধ ‘ওপেন সিক্রেট’। দুজনের মধ্যে বিরোধিতা আরও বাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে। জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বিধায়ক করিম অনুগামীদের প্রার্থী করেননি বলে অভিযোগ। তার জন্য পঞ্চায়েত ভোটে করিম চৌধুরীর অনুগামীরা নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা করিম অনুগামীদের বাড়ি ভাঙচুর, মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের সন্ত্রাসের ভয়ে মহিলারা আতঙ্কিত। এদিকে বিধায়ক করিম চৌধুরী ভুজাগছ গ্রামে পার্শ্ববর্তী গ্রামে যেতে চাইলে জাকির হোসেনের অনুগামীরা বাধা দিলে বিধায়ক সেখান থেকে ফিরে আসেন।  বিধায়ক অনুগামী নির্দল কর্মী সালমা খাতুন, ফরিদা বানুদের বক্তব্য, আমরা সকলেই তৃণমূল কর্মী ছিলাম। এবার টিকিট না পাওয়ার কারণে নির্দল প্রার্থীদের সমর্থন করেছিলাম। আর তার জন্যই ভোট হওয়ার পর থেকেই লাগাতার বাড়িতে এসে তৃণমূলের লোকজন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে বারবার বলা সত্বেও তিনি কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এই অত্যাচার বন্ধ না হলে তিনি সরকারের কাজকর্মের বিরোধিতা চালিয়ে যাবেন। ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসবাদী জাকির হোসেনের লোকেরা আমার অনুগামীদের মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এই অত্যাচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সন্ত্রাস বিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের সঙ্গে দেখা করবেন।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি?

    তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, যারা বাড়িঘর ছেড়ে বাইরে আছে ভোটের দিন তারা এলাকায় গুলি চালিয়ে ভোট বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই অভিযোগে পুলিশ তাদের খুঁজছে। গ্রেফতার এড়াতেই তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। বিধায়ক না জেনে এলাকায় অশান্তি তৈরি করতেই মিথ্যা অভিযোগ করছেন। শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দলীয় ফতোয়াকে ফুৎকারে উড়িয়ে নির্দল প্রার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক

    TMC: দলীয় ফতোয়াকে ফুৎকারে উড়িয়ে নির্দল প্রার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নির্দল প্রার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্দল প্রার্থীদের নিয়ে তৃণমূলের সুপ্রিমো যতই চাপ সৃষ্টি করুক তাতে চিন্তিত নন করিমসাহেব। দলীয় নেতা কর্মীরা দলের অফিসিয়াল প্রার্থী হতে না পেরে নির্দল প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাঁদের প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের আবেদন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। শনিবার দলের বৈঠকে নির্দল প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কী বললেন বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী?

     উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও বহু তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) নেতা কর্মীরা প্রার্থী হতে না পেরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে ইসলামপুর তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর অনুগামীরা দলের প্রার্থী হতে না পেরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত,স্বচ্ছ পঞ্চায়েত গঠন করতে দলনেত্রীর কাছে স্বচ্ছভাবমূর্তি থাকা মানুষদের তালিকা পাঠিয়েছিলেন। দল সেই তালিকা অনুমোদন করেনি। দলের এই ভূমিকায় হতাশ হয়ে পড়েন কর্মীরা। ২০১৯ বিধানসভা নির্বাচনে যারা আমার হয়ে নির্বাচনে পরিশ্রম করেছেন তাঁদের দলে রাখতেই আমি নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁদের হয়ে আমি প্রচারেও যাবে। দলের বিধায়ক হয়েও দলের কোনও প্রার্থীর হয়ে প্রচার বা বিরুদ্ধে কিছুই করব না। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন ইসলামপুর ব্লক নিয়ে যেন কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন তিনি। পুলিশকে লেলিয়ে দিয়ে নির্দল প্রার্থীদের যাতে হেনস্থা না করেন তাঁর আবেদন করেছেন বিদ্রোহী এই বিধায়ক।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, তৃণমূল (TMC)  কংগ্রেসের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা দলবিরোধী কাজ। কোনও নেতা বা বিধায়কের মদতে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করানোর উপযুক্ত প্রমাণ পেলে দল ওই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দল না মানলে পঞ্চায়েতে “গোঁজ” প্রার্থী দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    TMC: দল না মানলে পঞ্চায়েতে “গোঁজ” প্রার্থী দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়ন জমা দেওয়ার শুরু থেকেই প্রস্তুত বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলি। তৃণমূলীদের (TMC) বাধার মুখে পড়লেও জেলায় জেলায় বিজেপি সহ বিরোধী দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু করেছেন। কিন্তু, তৃণমূল এখনও মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু করেনি। দল কাকে প্রার্থী করবে বা কে টিকিট পাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন নীচু তলার তৃণমূলের (TMC) কর্মী সমর্থকরা। আর এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোটের মুখে দলের বিরুদ্ধে ফের বিদ্রোহী হয়ে উঠলেন উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    করিম সাহেব বলেন, “আমি ইসলামপুরে তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক। এই ব্লকে পঞ্চায়েত ভোটে কারা প্রার্থী হবেন তা আমি নির্ধারণ করব। এখানে অন‍্য কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। আমার পছন্দের প্রার্থী তালিকা তৈরি করে আজ‌ই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠিয়ে দেব। তিনি যদি আমার বাছাই করা প্রার্থীদের অনুমোদন করেন তো ভালো, না করলেও কোনও সমস্যা নেই। ওরা আমার সমর্থনে আমার প্রতিনিধি হিসেবে নির্দল থেকে পঞ্চায়েত ভোট লড়বে। ইসলামপুর ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতে প্রার্থী দেওয়া হবে। তাদের জিতিয়ে পঞ্চায়েতগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করে গড়ে তোলার আমার লক্ষ্য।” দলের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনকে ‘আদমখোর’ বলে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “অতীতে ইসলামপুরে অনেক অত্যাচার করেছেন জাকির। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। স্বাভাবিকভাবেই বিধায়কের এই হুঁশিয়ারিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।”

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    দলের বিরুদ্ধে গোঁজ দাঁড় করানোর এই হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপত্তি জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “প্রার্থী কে হবে তা দল ঠিক করবে। তবে যে কেউ দলের নিজের পছন্দ মতো প্রার্থী তালিকা জমা দিতেই পারেন।” অপরদিকে এ বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “বিধায়ক হিসেবে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার অধিকার তাঁর আছে, তিনি তালিকা দিতেই পারেন। দল ঠিক করবে কাকে প্রার্থী করবে, কাকে করবে না”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: সরকারি অনুষ্ঠানেই ব্রাত্য, ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী

    Uttar Dinajpur: সরকারি অনুষ্ঠানেই ব্রাত্য, ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) সরকারি অনুষ্ঠানে ইসলামপুরের বিধায়ককে ব্রাত্য করে রাখার অভিযোগ উঠল। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ তৃণমূলের ওই বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁকে ব্রাত্য রেখে শুধুমাত্র ইসলামপুর পুরসভার পুরপিতাকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর এই ঘটনায় জেলার রাজনীতিতে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কী ঘটেছিল উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইসলামপুরে?

    বুধবার ইসলামপুর মহকুমা (Uttar Dinajpur) প্রশাসনের উদ্যোগে স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। আমন্ত্রিত ছিলেন উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক, ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার, পুরপিতা, বিডিও এবং মহকুমা যুব আধিকারিক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকরা। তবে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাঁকে আমন্ত্রণই জানাননি মহকুমা প্রশাসক, এমনটাই অভিযোগ করেন ইসলামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়ককে আমন্ত্রণ না জানানোর ঘটনায় জোর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

    তৃণমূলের বিধায়ক বনাম উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) জেলা সভাপতি

    বেশ কিছু দিন ধরে ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা (Uttar Dinajpur) সভাপতির বিবাদ চরমে উঠেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ডের নবজোয়ার যাত্রায় যাননি বিধায়ক। বিধায়কের এই ভূমিকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে আসার পর দলের নেতাদের মধ্যে বিবাদ মিটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। বিধায়কের অভিযোগ ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশের পর কেবলমাত্র নামেই বিধায়কের বাড়িতে গিয়েছিলেন জেলা সভাপতি। আবার সূত্রে জানা যায়, বিধায়ক জেলা সভাপতির উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছিলেন। বিধায়কের সেই শর্তের মান্যতা দেওয়া জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের পক্ষে কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের দুই নেতার বিবাদ এবার প্রশাসনের কাজের উপর পড়ল বলে মনে করছে রাজনীতিকদের একাংশ।

    মহকুমা শাসকের বিরুদ্ধে ইসলামপুর বিধায়কের ক্ষোভ

    বুধবার বিধায়ককে বাইরে রেখেই ইসলামপুর স্টেডিয়ামে খেলার উদ্বোধন হল। মহকুমা (Uttar Dinajpur) প্রশাসনের এহেন ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তিনি জানান, মহকুমা শাসক একজন আইএএস অফিসার। উন্নয়নের কথা বললেই, তিনি আইন দেখান। সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়ককে আমন্ত্রণ না জানানো কোন আইনে আছে? তাঁকে চক্রান্ত করেই সরকারি অনুষ্ঠানে ব্রাত্য রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন এই তৃণমূলের বিধায়ক।

    মহকুমা শাসকের বক্তব্য

    অন্যদিকে, ইসলামপুরের মহকুমা (Uttar Dinajpur) শাসক মহঃ আব্দুল শাহিদ বলেন, স্টেডিয়ামের উদ্বোধন আগেই হয়েছিল। আজ একটি মাত্র ফুটবল খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরপর বড় কোনও খেলার প্রতিযোগিতা হলে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েই করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share