Tag: israel strikes gaza

israel strikes gaza

  • Benjamin Netanyahu: ‘‘হামাস ইজরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করলে তবেই যুদ্ধ থামবে’’, সাফ জানালেন নেতানিয়াহু

    Benjamin Netanyahu: ‘‘হামাস ইজরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করলে তবেই যুদ্ধ থামবে’’, সাফ জানালেন নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ অক্টোবর শুরু হয়েছিল। সেই থেকে শুরু হয়েছিল ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel Hamas War)। মাস শেষ হতে চলল। এখনও যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ নেই। আর হামাসকে নির্মূল না করা পর্যন্ত যে এই লড়াই থামবে না, তা ফের একবার স্পষ্ট করে দিল ইজরায়েল। গাজায় সংঘর্ষবিরতির আবেদনের জবাবে এদিন বেঞ্জামিন নেতাহিয়াহু (Benjamin Netanyahu) সাফ জানিয়ে দিলেন, লড়াই থামানোর প্রশ্নই নেই। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর মতে, এখন যুদ্ধ থামানোর অর্থ হল হামাসের কাছে মাথা নত করা।

    হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার ডাক ইজরায়েলের

    প্রায় একমাস গড়াতে চলল ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel Hamas War)। ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস। প্যালেস্তেনীয় জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসের হামলায় অন্তত পক্ষে ১৪০০ ইজরায়েলির মৃত্যু হয়। এই হামলার পরই, হামাসকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার ডাক দেন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েল। সেই থেকে হামাসের ঘাঁটি গাজায় চলছে ইজরায়েলি প্রত্যাঘাত। অহরহ বোমাবর্ষণ করে চলেছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সেই সঙ্গে গাজায় ঢুকে যুদ্ধ শুরু করেছে ইজরায়েল বাহিনী। যুদ্ধট্যাঙ্ক দিয়ে স্থলাভিযান শুরু করেছে ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস বা সংক্ষেপে আইডিএফ। এই দুয়ের জেরে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত উত্তর গাজা। এখনও পর্যন্ত দুপক্ষের মিলিয়ে ৮ হাজার বেশি সংখ্যর মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আহতের সংখ্যাও হাজার হাজার। 

    ‘‘হামাস আত্মসমর্পণ করল তবেই যুদ্ধে ছেদ’’

    এই পরিস্থিতিতে, ইজরায়েলকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ সহ বিশ্বের একাধিক শান্তিকামী সংগঠন ও দেশ। কিন্তু, এর জবাবে, ইজরায়েল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে যুদ্ধ (Israel Hamas War) বন্ধ করার কোনও প্রশ্নই নেই। যুদ্ধবিরতির আবেদন পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। এদিন নেতানিয়াহু বলেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতি হবে না। এখন যুদ্ধবিরতি করার মানে হল হামাসের কাছে আত্মসমর্পণ করা। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলে মনে হবে হামাসের কাছে ইজরায়েলি শক্তি আত্মসমর্পণ করছে।” তাঁর আরও ঘোষণা, “সন্ত্রাসবাদের কাছে আত্মসমর্পণ করা হবে না। এই যুদ্ধে জয়ী না হওয়া পর্যন্ত লড়াই করবে। হামাস যদি ইজরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করে তবেই একমাত্র যুদ্ধবিরতি হতে পারে।”

    এখনও পণবন্দি ২৩০ ইজরায়েলি

    ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী (Benjamin Netanyahu) জানিয়েছেন, এখনও ২৩০ জন ইজরায়েলি পণবন্দি হামাসের কব্জায় রয়েছেন। ওই পণবন্দিদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে হামাস। তাঁদের মুক্তিই হল ইজরায়েলি বাহিনীর প্রাথমিক লক্ষ্য। এর পাশাপাশি, গাজা থেকে হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার দায়িত্বও রয়েছে তাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: প্যারাগ্লাইডারে চেপে জঙ্গি হামলার নেপথ্যে থাকা হামাস নেতা খতম ইজরায়েলি বায়ুসেনার বোমায়

    Israel Hamas War: প্যারাগ্লাইডারে চেপে জঙ্গি হামলার নেপথ্যে থাকা হামাস নেতা খতম ইজরায়েলি বায়ুসেনার বোমায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশপথে প্যারাগ্লাইডারে চাপিয়ে ইজরায়েলে জঙ্গি হামলা চালানোর নেপথ্যে থাকা মূল মাথাকে খতম করল ইজরায়েলি সেনা। শনিবার ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফ-এর তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার রাতে গাজায় নির্দিষ্ট জায়গায় আকাশপথে বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সেই হামলায় খতম হয়েছে প্যালেস্তেনীয় জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসের আকাশ-বিভাগের মাথা ইসাম আবু রাকবা। আইডিএফ-এর এই তথ্যকে মান্যতা দিয়েছে ইজরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থা শিনবেত। 

    কে এই আবু রাকবা?

    আইডিএফ জানিয়েছে, হামাস বাহিনীর ড্রোন, ইউএভি, প্যারাগ্লাইডার, এরিয়াল ডিটেকশন সিস্টেম ও এয়ার ডিফেন্স পরিচালনার দায়িত্বে ছিল আবু রাকবা। আইডিএফ জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর, প্যারাগ্লাইডারে চেপে আকাশপথে জঙ্গিরা দক্ষিণ ইজরায়েলে ঢুকে যে নাশকতামূলক হামলা চালিয়েছিল, তার গোটা পরিকল্পনা করেছিল এই আবু রাকবা। একইসঙ্গে, আইডিএফ-এর বিভিন্ন নজরদারি পোস্টেও ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে আবু রাকবার ওপর। ফলে, তাকে খতম করাটা ইজরায়েলি বাহিনীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আবু রাকবা ছিল ইজরায়েলের অন্যতম টার্গেট। তাকে খতম করা একটা বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছে আইডিএফ। এর আগে, খান ইউনিস অঞ্চলে হামাসের রকেট ডিভিশনের কমান্ডার হাসান আল-আবদুল্লা ইজরায়েলি বায়ুসেনার বোমাবর্ষণে খতম হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছিল আইডিএফ।

    ধ্বংস হামাসের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো

    শুক্রবার রাতে উত্তর গাজায় ইজরায়েলি বায়ুসেনা মুহুর্মুহু অভিযান চালায়। গতকাল রাতে গাজায় আক্রমণ চালায় শতাধিক বোমারু বিমান। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, তাতে হামাসের তৈরি ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করা হয়েছে। সেই হামলায় বহু হামাস জঙ্গি যেমন একদিকে খতম হয়েছে, তেমনই তাদের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক, ভূগর্ভস্থ পরিকাঠামো, জঙ্গি-নেতাদের আত্মগোপনের ডেরা ধ্বংস হয়েছে। ইজরায়েলি হামলার জেরে গাজায় ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেরা বন্ধ। আকাশপথের পাশাপাশি, গাজায় স্থলাভিযানও শুরু করেছে ইজরায়েল। আইডিএফ-এর হাজার হাজার স্থলসেনা, বিশেষ বাহিনী ও যুদ্ধট্যাঙ্ক এখন গাজা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। গতকাল, হামাসের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করেছে ইজরায়েলি ট্যাঙ্কবাহিনী। পিছিয়ে নেই ইজরায়েলি নৌবাহিনীও। তারাও হামাসের ওপর প্রচণ্ড হামলা চালাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Israel Hamas War: উড়ে যাচ্ছে হামাসের ছোড়া রকেট, প্রত্যাঘাত ইজরায়েলি বোমার, গাজা-অভিযানের ভিডিও প্রকাশ্যে

    Israel Hamas War: উড়ে যাচ্ছে হামাসের ছোড়া রকেট, প্রত্যাঘাত ইজরায়েলি বোমার, গাজা-অভিযানের ভিডিও প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুটা হয়েছিল গত শনিবার। ৭ অক্টোবর, ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ (স্থানীয় সময়) ইজরায়েলের দিকে ধেয়ে আসে হাজার হাজার রকেট (Israel Hamas War)। সেগুলি ছোড়া হয়েছিল সীমান্তের ওপারে জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে। কাঁটাতার পেরিয়ে ইজরায়েলে ঢুকে পড়ে শয়ে শয়ে হামাস জঙ্গি। নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয় শয়ে শয়ে নিরীহ ইজরায়েলিকে। অপহরণ করে পণবন্দি করা হয় আরও শয়ে শয়ে সাধারণ নাগরিককে।

    অষ্টম দিনে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ

    সেই অতর্কিত জঙ্গি হামলার পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েল। সেই থেকে চলছে দুই যুযুধান পক্ষের রক্তক্ষয়ী লড়াই। মাঝে পেরিয়ে গিয়েছে ৭ দিন। আজ আরেক শনিবার। অষ্টম দিনে পড়ল ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel Hamas War)। দুপক্ষের এই তীব্র লড়াইয়ে মৃ্তের সংখ্যা ৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। আহতের সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি। সারাক্ষণ চলছে মুহুর্মুহু আক্রমণ। এরই মধ্যে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফ।

    ভিডিও প্রকাশ আইডিএফ-এর

    এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সমুদ্র তীরবর্তী একটি অংশে একের পর এক রকেট পড়ছে। ইজরায়েল সেনা জানিয়েছে, সমুদ্রসৈকতের কাছের ঘাঁটি থেকে ইজরায়েলি সেনার দিকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে হামাস বাহিনী (Israel Hamas War)। পাল্টা হামাস গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে মুহুর্মুহু বোমা বর্ষণ করে চলেছে ইজরায়েলি সেনাও। ইজরায়েলি সেনা লিখেছে, হামাসের ঘাঁটি ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী মিসাইল লঞ্চারগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রর হামলা ও পাল্টা হামলায় মুহূর্তের মধ্যে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা এলাকা। গুঁড়িয়ে যাচ্ছে ঘর-বাড়ি। এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ২৪-ঘণ্টার ডেডলাইন…

    এদিকে, গাজায় স্থলপথে অভিযানের প্রস্তুতি প্রায় পাকা করে ফেলেছে ইজরায়েলি সেনা (Israel Hamas War)। ৭ তারিখ থেকে আকাশপথে বোমাবর্ষণ চালাচ্ছিল ইজরায়েলি এয়ার ফোর্স। এবার, স্থলপথে গাজায় ঢোকার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। ইজরালেয়ের দাবি, পণবন্দিদের খুঁজে বের করতে সব তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে ইজরায়েল। তার আগে, উত্তর গাজায় বসবাসকারী প্রায় ১১ লক্ষ প্যালেস্তেনীয়কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজার দক্ষিণে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিয়েছে ইজরায়েল। এর পরই, গাজায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শয়ে শয়ে মানুষ বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে গাজা ছেড়ে পালাচ্ছেন।

     

    শের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Israel Hamas War: হামাসের ডেরায় হানা ইজরায়েলি ‘শায়েতেত ১৩’ কমান্ডোদের, মুক্ত ২৫০ পণবন্দি, খতম ৬০ জঙ্গি

    Israel Hamas War: হামাসের ডেরায় হানা ইজরায়েলি ‘শায়েতেত ১৩’ কমান্ডোদের, মুক্ত ২৫০ পণবন্দি, খতম ৬০ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সেরা কমান্ডো বাহিনী হল ইজরায়েলের ‘শায়েতেত মতকল’ (Shayetet Matkal)। এদের গঠন করা হয়েছে ব্রিটিশ স্যাস-এর ধাঁচে। এই ‘শায়েতেত মতকল’ বাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট হল ‘শায়েতেত ১৩’ (Shayetet 13)। সম্প্রতি, এই ইউনিট দুর্ধর্ষ একটি কমান্ডো অপারেশন চালিয়ে হামাসের হাতে বন্দি ২৫০ পণবন্দিকে উদ্ধার করে। শুধু তাই নয়, ওই গোপন ডেরায় লুকিয়ে যাকা অন্তত ৬০ হামাস জঙ্গিকে খতম করেছে তারা। অভিযানের সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফ ও সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। যদিও, সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    পর্দার অভিনয় নয়, বাস্তব অভিযান!

    এক ঝলক দেখে মনে হবে যেন কোনও হলিউডি বা হালের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া অ্যাকশন থ্রিলারের একটি দৃশ্য। আবার কখনও দেখে মনে হবে এ তো কোনও ভিডিও গেম। দেখা যাচ্ছে, একজন সৈনিক এগিয়ে যাচ্ছেন। যা ঘটে চলেছে, তাঁর চোখ দিয়েই দেখছে দুনিয়া। ওই সৈনিকের হাতে ধরা অত্যাধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেলের ভাইসর এদিক-ওদিক শত্রু খুঁজে বেড়াচ্ছে। আশে-পাশে রয়েছেন ওই সৈনিকের আরও কয়েকজন সহযোদ্ধা। তাঁরা সকলে মিলে একটি বাঙ্কারে অভিযান চালাচ্ছেন। এদিক-ওদিক দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চলার আওয়াজ আসছে। চিৎকার শোনা যাচ্ছে। এক ঝলকে মনে হবে একেবারে সিনেমার মতো। কিন্তু, গোটা ঘটনা একেবারে বাস্তব। যা ঘটেছে ইজরায়েল-গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায়।

    বন্দি উদ্ধারে ডাক ডাক পড়ে ‘শায়েতেত ১৩’ ইউনিটের

    সম্প্রতি, ইজরায়েলি সেনা আইডিএফ এবং সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ একটি ভিডিও পোস্ট করে নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে। সেখানে ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি লাইভ অপারেশনের ফুটেজ। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে, এটা ইজরায়েলি কমান্ডো (Israeli Commandos) অপারেশন। আইডিএফ স্বীকার করে যে, ওই ভিডিওটি আদতে গত ৭ তারিখের। ঘটনাস্থল গাজা সীমান্ত সংলগ্ন সুফা আউটপোস্ট। খবর ছিল, সীমান্তবর্তী জায়গা থেকে ইজরায়েলিদের অপহরণ করে সেখানেই পণবন্দি করে রেখেছে হামাস বাহিনী। কালক্ষেপ না করে, জঙ্গি নিধন ও বন্দিদের মুক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় কমান্ডো বাহিনী ‘শায়েতেত মতকল’-কে। এই অভিযানে পাঠানো হয় বাহিনীর ‘শায়েতেত ১৩’ ইউনিটকে। 

    বিশ্বের অন্যতম সেরা কমান্ডো-ইউনিট

    ‘শায়েতেত ১৩’ (Shayetet 13) হল ইজরায়েলি কমাান্ডোদের অন্যতম ক্ষিপ্র, ক্ষুরধার ও তীক্ষ্ণ। এক কথায়, স্পেশাল অপারেশন্সের জন্য বাহিনীর অন্যতম সেরা এই এলিট ইউনিট। পণবন্দি পরিস্থিতি মোকাবিলা এই ইউনিট অত্যন্ত দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ। অতীতের একাধিক এমনই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই ইউনিটের (Israeli Commandos)। ফলে, এমন বাহিনীর সঙ্গে এঁটে উঠকে পারেনি হামাস জঙ্গিরা। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর বাঙ্কার থেকে অপহৃত ২৫০ বন্দিকে উদ্ধার করে ইজরায়েলের এই এলিট বাহিনী। শুধু তাই-ই নয়, হামাসের ৬০ সদস্যকে খতমও করেছে তারা।

    খতম ৬০ জঙ্গি, আটক আরও ২৬

    ভিডিও পোস্ট করে ইজরায়েলি সেনা জানিয়েছে, সুফা আউটপোস্টের কাছে বাঙ্কারে অভিযান চালিয়ে বন্দিদের মুক্তির পাশাপাশি জঙ্গি নিধন অভিযানও সম্পন্ন করেছে ‘শায়েতেত ১৩’ (Shayetet 13)। এছাড়া, হামাসের সাদার্ন নেভাল ডিভিশনের ডেপুটি কমান্ডার মহম্মদ আবু আলি সহ ২৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই অভিযান অবশ্য ঠিক কবে হয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে, ৭ অক্টোবর হামাস এই সুফা সামরিক ঘাঁটি দখল করে নিয়েছিল। ওই দিনই ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে কমান্ডোদের (Israeli Commandos) নামিয়েছিল ইজরায়েল। একই ভিডিও নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছে মোসাদও। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে অতর্কিত জঙ্গি-হামলার নেপথ্যে ছিল এরাই! বদলা স্বরূপ, হামাসের সেই কুখ্যাত কমান্ডোদের সদর দফতর বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল (Israel Hamas War)। 

    ‘নুখবা’-র ডেরায় বোমাবর্ষণ ইজরায়েলের

    ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)-এর তরফে জানানো হয়েছে, গাজার প্রাণকেন্দ্রে হামাসের কুখ্যাত স্পেশাল ফোর্সের ইউনিট ‘নুখবা’-র ডেরায় অভিযান চালায় ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে আকাশপথে বোমাবর্ষণ করে হামাসের কমান্ডো-বাহিনীর ঘাঁটি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা (Israel Hamas War)। আইডিএফ-এর আরও দাবি, রাতে গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সেই অভিযানে হামাসের রাফা নৌবাহিনীর প্রধান আবু শামলা খতম হয়েছে। জানা গিয়েছে, হামাসের নৌ-অস্ত্রাগারের পাশে একটি ডেরায় ছিলেন আবু শামলা। সেখানেই বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    ইজরায়েলে হামলার নেপথ্যে কুখ্যাত ‘নুখবা’!

    ‘নুখবা’ হল সিরিয়ার বাছাই করা জঙ্গিদের নিয়ে গঠিত একটি এলিট ফোর্স। শীর্ষস্থানীয় হামাস নেতারা নিজের হাতে ‘নুখবা’-র সদস্যদের বেছে নেয়। অতর্কিত হামলা থেকে শুরু করে খুনজখম, সুড়ঙ্গ খুঁড়ে অনুপ্রবেশ— এরা সিদ্ধহস্ত। শুধু তাই নয়, ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চালানো থেকে শুরু করে রকেট হানা এবং নিখুঁত লক্ষ্যভেদকারী স্নাইপার— এরা বিভিন্ন অস্ত্র চালনায় পারদর্শী। বর্তমানে এই কমান্ডোরাই হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বলে ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের দাবি।

    আইডিএফ জানিয়েছে, ২০০৭ সালে গাজার দখল নেয় হামাস। তার পর থেকে নিজেদের ‘সেফ প্যাসেজ’ তৈরি করতে গোপনে গাজায় গোপন সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। দায়িত্ব দেওয়া হয় সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় পারদর্শী ‘নুখবা’ বাহিনীকেই (Israel Hamas War)। এবার এই বাহিনীকে দিয়েই সীমান্তে গোপনে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সেখান দিয়ে আচমকা ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করায় হামাস। ইজরায়েলি গোয়েন্দার দাবি, গাজায় হামাসের সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক এমনভাবে বিস্তৃত যে, প্রত্যেকটি স্কুল বা মসজিদ অথবা কোনও হামাস দফতর— সবার ভেতর দিয়ে একটি সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    নিরীহ অপহৃতদের ঢাল বানাচ্ছে হামাস

    গত শনিবার সকালে, ইজরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট এসে আছড়ে পড়ে ইজরায়েলে। আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মিনিটে প্রায় ৫ হাজার রকেট নিক্ষেপ করা হয়ে ইজরায়েলে। আয়রন ডোম-এর ফলে, অধিকাংশ মাঝ-আকাশেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাও, অনেকগুলো আছড়ে পড়ে মাটিতে। এর পাশাপাশি, প্যারাগ্লাইডারে চেপে ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করে হামাস জঙ্গিরা (Israel Hamas War)। এছাড়া, সীমান্তে সুড়ঙ্গ কেটে এবং সুমুদ্রপথেও ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামাসের হামলায় ১২০০-র বেশি ইজরায়েলির মৃত্যু হয়। জখম হল ৩ হাজারের বেশি। হত্যালীলা চালানোর পর বহু ইজরায়েলিকে এপার থেকে অপহরণ করে সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় পণবন্দি করে রেখেছে হামাস। তাঁদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি আইডিএফ-এর।

    গাজায় ঢোকার অপেক্ষায় ৩ লক্ষ ইজরায়েলি ফৌজ

    এর পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে চলে মুহুর্মুহু আক্রমণ।  ইজরায়েলি সেনার হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। হামাস তাদের হামলার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’। ইজরায়েলের জবাবি অভিযানের কোডনেম হল ‘অপারেশন সোর্ডস অফ আয়রন’। হামাসের হত্যালীলা রুখতে ইজরায়েলের তরফে ৩ লক্ষ শক্তিশালী বাহিনীকে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে (Israel Hamas War)। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা স্থলপথে গাজায় ঢুকতে তৈরি। কিন্তু, রাজনৈতিক সবুজ সঙ্কেত না মেলায় তারা অপেক্ষায় রয়েছে। যদিও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, পৃথিবীর বুকে একটিও হামাস জঙ্গিকে রাখা হবে না। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, বায়ুসেনাকেও হামাসের উপরে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: হামাসকে আইসিসের সঙ্গে তুলনা বাইডেনের, ইজরায়েল যাচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব

    Israel Hamas War: হামাসকে আইসিসের সঙ্গে তুলনা বাইডেনের, ইজরায়েল যাচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে (Israel Hamas War) এখন তোলপাড় পশ্চিম এশিয়া। সেখানকার আকাশে-বাতাসে এখন বারুদের গন্ধ। চারদিকে ধ্বংসের ছবি। এবার কি সেই যুদ্ধে যোগ দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? এই প্রশ্নটা উঠছে, কারণ সোমবারই ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। আর বুধবার, ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভে পৌঁছল অস্ত্রবোঝাই মার্কিন সামরিক বিমান। জানা যাচ্ছে, এই বিমানে অত্যাধুনিক সামরাস্ত্র রয়েছে, যা হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলকে দিচ্ছে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি, হামাসের তথাকথিত মিত্র বলে পরিচিত— লেবানন, সিরিয়া, ইরানের ওপর নজর রাখতে ভূমধ্যসাগরে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর একটি আস্ত ফ্লিট। যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী। অন্যদিকে, এদিনই ইজরায়েলে পৌঁছচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। সব মিলিয়ে যুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা কী হতে চলেছে, সেই নিয়ে তুমুল জল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে।

    হামাস-হামলাকে ‘‘শয়তানের কাজ’’ উল্লেখ বাইডেনের

    শনিবার ভোরবেলা ইজরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস বাহিনী। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে ইজরায়েলে উড়ে আসে হাজার হাজার রকেট। ইজরায়েলে ঢুকে শতাধিক মানুষকে পণবন্দি করে হামাস জঙ্গিরা। নির্বিচারে হত্যালীলা চালানো হয়। যাতে ১২০০ ইজরায়েলিদের পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৪ মার্কিন নাগরিকেরও। এর পরই হামাসের বিরুদ্ধে ইজরায়েলকে (Israel Hamas War) পূর্ণ সহযোগিতার ঘোষণা করে মার্কিন প্রশাসন। হামাস বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে যে তারা যে ইজরায়েলের পাশে আছে সেই কথা পরিষ্কার করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার হামাসকে জঙ্গি-গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে একাসনে বসান জো বাইডেন। হোয়াইট হাউস থেকে ইজরায়েল যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘এটা সম্পূর্ণরূপে শয়তানের কাজ। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাসের রক্তাক্ত হাত, যাদের লক্ষ্যই হল ইহুদিদের হত্যা করা। ইজরায়েলের পাশে আমাদের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে।’’

     

    ইজরায়েল পৌঁছল মার্কিন সামরিক বিমান, সাগরে রণতরী 

    এটাই নয়। ইজরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথাও জানিয়ে দেন বাইডেন। তিনি বলেন, ‘‘আয়রন ডোম যাতে ফের পূর্ণ শক্তি ফিরে পায়, তার জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছি। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে নিজেদের শহর ও শহরবাসীকে রক্ষা করার কাজে ইজরায়েলের অস্ত্রাগারে কোনও টান না পড়ে।’’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের কিছু পরই ইজরায়েলে পৌঁছে যায় অস্ত্রভর্তি তেল আভিভে পৌঁছে যায় (Israel Hamas War)। বুধবার ভোরে আমেরিকার বিমান দেশের দক্ষিণ প্রান্তে নেভাটিম বিমানঘাঁটিতে নামে। তাতে প্রচুর পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে বলে খবর। ইজরায়েলের সহায়তায় পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন রয়েছে মার্কিন রণতরী। জানা যাচ্ছে, গোটা ফ্লিট নিয়ে মোতায়েন রয়েছে বিমানবাহী রণরতী ইউএসএস জেরাল্ড এস ফোর্ড। রয়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমানও। 

    কূটনৈতিক সমর্থন দিতে ইজরায়েলের পথে ব্লিঙ্কেন

    সামরিক সাহায্যের পাশাপাশি, ইজরায়েলকে কূটনৈতিক সমর্থনও জানাচ্ছে আমেরিকা। বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার ইজরায়েলে যেতে পারেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিনকিন। ইজরায়েলি প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা তাঁর। ব্লিঙ্কেন জানিয়েছেন, তিনি ইজরায়েলের পক্ষে মার্কিন সমর্থনের বার্তা নিয়ে আসবেন। নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে ট্যুইট করে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, ‘‘কাল আমি ইজরায়েলে যাব। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব। একইসঙ্গে এই জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে (Israel Hamas War) কীভাবে ইজরায়েলকে সহায়তা করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হবে। ইজরায়েলের প্রতি আমাদের সমর্থনে কোনও হেরফের হবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার ইজরায়েলি সেনার, এবার ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্ততি?

    Israel Hamas War: গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার ইজরায়েলি সেনার, এবার ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্ততি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজা সীমান্তের কাঁটাতার কেটে গত শনিবার ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করেছিল হামাস বাহিনী। ৪ দিনের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর গাজা সীমান্ত জঙ্গি-মুক্ত করে পুনরুদ্ধার করল ইজরায়েলি সেনা। যুদ্ধে এখনও অবধি ৩ হাজার নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১২০০ জন ইজরায়েলি। ৯০০ জন মারা গিয়েছেন গাজায়। তবে, লড়াই (Israel Hamas War) এখনও শেষ হয়নি। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত থামবে না সেনা। সেই মতো, বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। 

    ইজরায়েলকে বাঁচিয়েছে ‘আয়রন-ডোম’

    শনিবার দক্ষিঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অতর্কিত হামলা চালায় হামাস। গাজা স্ট্রিপ থেকেই ইজরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। ইজরায়েলের দিকে ধেয়ে এসেছিল ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট। ইজরায়েলের দাবি, ২০ মিনিটে প্রায় ৫ হাজার রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছিল ইজরায়েলের ওপর। কিন্তু, বেশিরভাগ রকেটকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করে দেয় ইজরায়েলের ‘আয়রন-ডোম’। কিন্তু, ঝাঁকের মধ্যে থেকে বহু রকেটগুলি আছড়ে পড়ে ইজরায়েলের বুকে (Israel Hamas War)। 

    বর্বর, নির্মম হত্যালীলার সাক্ষী বিশ্ব

    শুধু আকাশপথে নয়, হামাস বাহিনী হামলা চালানো হয় সমুদ্রপথ ও স্থলপথেও। গাজা সীমান্ত জুড়ে ৪০ কিমি লম্বা কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। বিভিন্ন জায়গা দিয়ে সেই বেড়া কেটেই অনুপ্রবেশ করেছিল হামাস জঙ্গিরা। সীমান্ত পেরিয়ে গাড়ি নিয়ে ইজরায়েলের গাজা-সীমান্তবর্তী শহরে ঢুকে পড়ে শয়ে-শয়ে সশস্ত্র জঙ্গি। পাশাপাশি, প্যারাগ্লাইড করে আকাশপথে ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। ইজরায়েলি সেনা ছাড়াও শয়ে শয়ে অসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্মম হত্যালীলা চালায় জঙ্গিরা। বিরি নামক একটি জায়গাতেই হামাসের যোদ্ধারা শতাধিক নাগরিককে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে বলে জানা গিয়েছে (Israel Hamas War)। আর শুধু হত্যা করাই নয়। হত্যার সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। কোথাও তরুণীকে হত্যা করে তাঁর নগ্ন দেহ শহরজুড়ে ঘোরানো হয়। আবার কোথাও অপহরণ করে পণবন্দি করা হয় শতাধিক ইজরায়েলবাসীকে। জঙ্গি হামলায় মোট ১২০০-র বেশি ইজরায়েলির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯০০-রও বেশি সাধারণ ইজরায়েলি নাগরিকই রয়েছেন। 

    ইজরায়েলি জবাবে খতম হামাসের দুই শীর্ষ কর্তা

    হামাসের এই অতর্কিত হামলার জবাব দিতে যুদ্ধ ঘোষণা (Israel Hamas War) করে ইজরায়েল। হামাস-অধ্যূষিত ও নিয়ন্ত্রিত গাজা স্ট্রিপে মুহুর্মুহু আছড়ে পড়ে ইজরায়েলি বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র। ইজরায়েলি সেনার জবাবি হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। গাজাতেই হামাসের মূলকেন্দ্র বা ঘাঁটি। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফের দাবি, হামাসের ৫০০টি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েলের বায়ুসেনা আইএএফ দাবি করেছে, তারা হামাসের অর্থনীতি-বিষয়ক মন্ত্রী জাওয়াদ আবু শামলাকে খতম করেছে। পাশাপাশি, জঙ্গি সংগঠনের রাজনৈতিক ব্যুরোর অন্যতম সিনিয়র সদস্য জাকারিয়া আবু মামারকেও খতম করা হয়েছে বলে দাবি ইজরায়েলি সেনার। ১৫০০ হামাস জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে গাজা স্ট্রিপ ও তার আশেপাশের এলাকাগুলি থেকে। অন্যদিকে, গাজা প্রশাসনের তরফে এখনও অবধি ৭৬৫ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

    গাজায় জরুরি পরিষেবা বন্ধ করল ইজরায়েল

    শুধু হাতে মারা নয়, হামাসকে ভাতে মারার ব্যবস্থাও করেছে ইজরায়েল (Israel Hamas War)। সোমবার গাজাকে চারদিক থেকে ঘিরতে ট্যাঙ্ক বাহিনীকে নামায় আইডিএফ। বন্ধ করে দেওয়া হয় জল, খাবার ও বিদ্যুতের লাইন। গাজার এই সমস্ত জরুরি পরিষেবা ইজরায়েলের উপর নির্ভরশীল। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের তরফে বলা হয়, গাজায় ইজরায়েলি বিমান হানায় ৭৯০টি আবাসন ধ্বংস হয়েছে। এছাড়াও ৫৩৩০টি আবাসন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাজায় বর্তমানে গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫০০ জন। এদের সিংহভাগই স্থানীয় একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন। 

    ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্তুতি ইজরায়েলের

    মঙ্গলবার ইজরায়েলের তরফে জানানো হয়, তারা গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার করেছে। গাজার সীমান্ত ফের এখন ইজরায়েলি সেনার নিয়ন্ত্রণে। সে দেশের সেনার তরফেও বিবৃতিত জানানো হয়েছে, গাজার সীমান্ত ও দক্ষিণ অংশের অধিকাংশ অঞ্চলই পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ১২টিরও বেশি শহর থেকে উৎখাত করা হয়েছে হামাস বাহিনীকে। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধিনতা দেওয়া হয়েছে। হামাসের ঘাঁটি ধ্বংস করতে এবার পূর্ণ শক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে চলেছে তাদের সেনা (Israel Hamas War)। এর জন্য প্রস্তুতি সারা হয়েছে। খুব শীঘ্রই ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’ শুরু হবে। অর্থাৎ, এবার গাজায় নেমে হামাস-নিধন অভিযান চালাবে আইডিএফ। তাঁর হুমকি, গাজা আর পুরনো দিনে ফিরবে না। ফলে, এটা সহজেই অনুমেয় যে, আগামী কয়েকদিন যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel At War: ‘‘মধ্যপ্রাচ্যের নকশা বদলানোর সময় এসেছে’’! হামাসকে শেষ করার পণ নেতানিয়াহুর

    Israel At War: ‘‘মধ্যপ্রাচ্যের নকশা বদলানোর সময় এসেছে’’! হামাসকে শেষ করার পণ নেতানিয়াহুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাসকে শেষ করার ডাক দিলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। ‘‘মধ্যপ্রাচ্যের নকশা বদলানোর সময় এসেছে’’, হুঙ্কার ইজরায়েল প্রধাননমন্ত্রীর (Israel At War)।

    শনিবার ভোরে ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ সহ একাধিক শহরে একযোগে আকাশ-জল-স্থলপথে নাশকতা হামলা চালায় হামাস। গাজা থেকে উড়ে আসে হাজার হাজার রকেট। এই হামলায় সঙ্গী হয় হেজবোল্লা। একইসঙ্গে, গাড়ি নিয়ে বা প্যারাগ্লাইডিং করে শতাধিক হামাস জঙ্গি ঢুকে পড়ে ইজরায়েলে। নির্বিচারে হত্যা করা হয় শয়ে-শয়ে নিরীহ ইজরায়েলিকে। অপহরণ করে পণবন্দি করা হয় আরও শতাধিকজনকে। সেই বর্বরতার ও পাশবিক হামলার ছবি ও ভিডিও তারা নিজেরাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়।

    ইজরায়েলের জবাবি হামলায় বিধ্বস্ত গাজা

    এর পরই, যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েল (Israel At War)। রবিবার থেকে ইজরায়েলি বায়ুসেনার লাগাতার জবাবি হামলায় বিধ্বস্ত হয় গাজা (Israel Attacks Gaza)। প্রথমে গাজার সাপ্লাই লাইন অবরুদ্ধ করে ইজরায়েলি বাহিনী। বন্ধ করে দেওয়া হয় জল ও বিদ্যুৎ। গাজা সীমান্ত ঘিরে রেখেছে ইজরায়েলি যুদ্ধট্যাঙ্ক। এর পর, বিমান থেকে শুরু হয় লাগাতার বোমাবর্ষণ (Israel Gaza Bombing)। সোমবার, দিনভর গাজা স্ট্রিপে বোমাবর্ষণ করেছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। প্যালেস্তেনীয় জঙ্গিদের গোপন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আছড়ে পড়ে মুহুর্মুহু বোমা। নিমেষে গুঁড়িয়ে যায় একের পর এক বাড়ি-বহুতল। সামরিক অভিযানের সেই ছবি ও ভিডিও নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে শেয়ার করেন নেতানিয়াহু। 

    হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

    এদিন গাজা সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলগুলোর মেয়র এবং সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। এই জায়গাগুলোই হামাসের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানেই তাঁকে রণহুঙ্কার (Israel At War) দিতে শোনা যায়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গাজাকে পুরোপুরি ধুলোয় মিশিয়ে দেব আমরা। নৃশংস হামলাকারীদের কাউকে ছাড়া হবে না। এবার মধ্য প্রাচ্যের নকশা বলদানোর সময় এসেছে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।’’ হামাস জঙ্গি গোষ্ঠীর সমস্ত ডেরা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) বলেছেন, ‘‘ইজরায়েল যুদ্ধটা (Israel Hamas War) শুরু করেনি, তবে শেষ করবে ইজরায়েল।’’

    দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইজরায়েল?

    দীর্ঘ যুদ্ধের (Israel At War) প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ইজরায়েল। সোমবার, দেশবাসীর জন্য বিশেষ অ্যাডভাইসরি জারি করে নেতানিয়াহু সরকার। তাতে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে প্রয়োজনীয় খাবার, ওষুধ ও জল সংগ্রহ করে রাখতে বলেছে প্রশাসন। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওভ গ্যালান্ট বলেন, ‘‘আমরা দীর্ঘকালীন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। সেনাবাহিনীকে সেই মতো আক্রমণ শানাতে বলা হয়েছে।’’ বিশেষজ্ঞদের দাবি, মঙ্গলবার থেকে গাজায় আক্রমণের ধার আরও বাড়াবে ইজরায়েলি ফৌজ। যে কারণে, গাজার আম জনতাকে অন্যত্র সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share