Tag: Israel

Israel

  • S Jaishankar: “ভারত-ইজরায়েলের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ভারত-ইজরায়েলের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে উচ্চ মাত্রার বিশ্বাস এবং নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর-এর সঙ্গে বৈঠকে গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ভারতের সমর্থনের কথাও জানান তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    এই প্রথম সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন সা’আর। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আপনাকে এবং আপনার প্রতিনিধিদলকে ভারতে স্বাগত জানাই। বিশেষ করে আপনাকে – কারণ আমি এখনই জানলাম এটি আপনার প্রথম ভারত সফর। তাই আন্তরিক ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।” দু’জনের আগের সাক্ষাতের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি এও বলেন, “আমাদের এর আগে মিউনিখে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং আমরা টেলিফোনে যোগাযোগ রেখেছি। তবে আজ মুখোমুখি আলোচনার জন্য আমি সত্যিই আগ্রহী।” দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং আমাদের ক্ষেত্রে এই শব্দটির প্রকৃত অর্থ আছে। কঠিন সময়ে আমরা একে অন্যের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলেছি যা উচ্চ মাত্রার বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।”

    সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ

    বিশ্ব নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিন্ন উদ্বেগের ওপর জোর দিয়ে তিনি (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ আমাদের দুই দেশের জন্যই একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসবাদের সকল রূপ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক পর্যায়ে জিরো-টলারেন্স (zero tolerance) নীতি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।” পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত আপনাদের অঞ্চলের ঘটনাপ্রবাহ খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “আমরা বন্দিদের প্রত্যাবর্তন এবং যাঁরা দুর্ভাগ্যবশত প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের দেহাবশেষ ফেরত আসাকে স্বাগত জানাই। ভারত গাজা শান্তি–পরিকল্পনাকে সমর্থন করে এবং আশা করে যে এটি একটি স্থায়ী ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের পথ প্রশস্ত করবে।”

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করার সুযোগ

    তিনি বলেন, “আপনার এই সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। একে আরও গভীর করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা যাবে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি সম্প্রতি স্বাক্ষরিত হওয়া এই দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এটিও লক্ষণীয় যে কৃষি, অর্থনীতি, পর্যটন ও অর্থ–বিষয়ক দায়িত্বে থাকা আপনার মন্ত্রিসভার সহকর্মীরা সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন।” ভারতের উন্নয়ন–অগ্রগতির ফিরিস্তি দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে ভারত বহু নতুন সক্ষমতা অর্জন করেছে, বিশেষ করে রেল, সড়ক ও বন্দর–পরিকাঠামো, পুনর্নবীকরণ জ্বালানি এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। আমাদের ব্যবসায়ী–সমাজ ইজরায়েলে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে অত্যন্ত আগ্রহী, এবং আমরা অবশ্যই এই বিষয়ে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাই (S Jaishankar)।”

    আমাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা

    জয়শঙ্কর বর্তমানে চলা সহযোগিতার সাফল্যের দিকটির ওপর জোর দিয়ে বলেন, “কৃষি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড তৈরি করেছি। এই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের দুই দেশেরই স্বার্থেই।” তিনি বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর ও সাইবার ক্ষেত্রেও আমাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা রয়েছে। আজ এটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আমরা আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে ভারতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের আয়োজন করছি। সেখানে ইজরায়েলের উপস্থিতির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।”

    ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে

    ইজরায়েলে ভারতীয় শ্রমিকদের উপস্থিতি সম্পর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বোঝাপড়ার ফলে আজ ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তাঁদের কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আশা করি, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই দিকটিকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব (S Jaishankar)।” বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনা প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলেও, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয়গুলিতে মতবিনিময় অত্যন্ত মূল্যবান। এমন কিছু বহুপাক্ষিক উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলিতে আমাদের উভয় দেশেরই গভীর আগ্রহ রয়েছে। আমাদের আলোচনার সেই অংশটির দিকেও আমি অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছি।”

    ‘গ্লোবাল সুপারপাওয়ার’

    এদিকে, ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সব চেয়ে মজবুত জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে দাবি করলেন ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি ভারতকে ‘গ্লোবাল সুপারপাওয়ার’ আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। ভারতের বন্ধুত্বের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” সা’আর বলেন, “দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়াতে শীঘ্রই একটি মউ সই হবে। প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমরা ভালো অগ্রগতি করছি। তবে সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে আমাদের আগ্রহ আগের মতোই অটুট (S Jaishankar)।”

  • IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল ইজরায়েল ও হামাসের সঙ্গে। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচার করেছিলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি। তাঁর সেই অগ্রগতির বেলুন ফেঁসে গেল চুক্তির সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র জঙ্গিরা (Hamas) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর (IDF) ওপর হামলা চালায়। আইডিএফ এই ঘটনাকে চুক্তি লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। হামলায় আরপিজি ও স্নাইপার গুলি ব্যবহার করা হয়। এগুলি চালানো হয় তথাকথিত ইয়েলো লাইনের পূর্ব দিকে মোতায়েন করা সেনাদের লক্ষ্য করে। জানা গিয়েছে, শান্তি চুক্তি অনুযায়ী এই এলাকাটি ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে গিয়েছে।

    জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক হামলা আইডিএফের (IDF)

    জঙ্গি হামলার পর অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি ইজরায়েল। জঙ্গিদের জবাব দিতে দক্ষিণ গাজায় হামাসের জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে আইডিএফ। ২০টিরও বেশি জায়গায় হামলা হয়। এর মধ্যে সুড়ঙ্গপথ ও জঙ্গিদের ডেরাগুলিও ছিল। এই সংঘর্ষ এমন একটা সময়ে হল যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামাসের আসন্ন আক্রমণের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিল। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে যখন এই হামলার ঘটনা ঘটে, তখন জঙ্গিরা পূর্ব রাফাহ অঞ্চলে থাকা আইডিএফ সেনাদের লক্ষ্য করে আরপিজি এবং স্নাইপার গুলি চালায়। আইডিএফ জানিয়েছে, যে সব সেনা হামলার শিকার হয়েছেন, তাঁরা ইয়োলো লাইনের পূর্ব পাশে হামাসের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী ওই এলাকায় জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসের অভিযান চালাচ্ছিলেন।

    আইডিএফের উপযুক্ত জবাব

    ইজরায়েলি পক্ষে হতাহতের কোনও (IDF) খবর মেলেনি। তবে এই ঘটনা শুক্রবারের হামলার মতোই। সেদিনও রাফাহর একটি টানেল থেকে গুলিবর্ষণ এবং খান ইউনিস এলাকায় জঙ্গিদের এগিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছিল। দুটি ক্ষেত্রেই বিমান হামলা চালিয়ে জবাব দেয় আইডিএফ।যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে হামাস। প্যালেস্তাইনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর দাবি, ঘটনাটি ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে আটকে থাকা তাদের সদস্যদের সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগই নেই (Hamas)। হামাসের প্রবীণ কর্তা ইজ্জাত আল-রিশেক ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর জোটের চাপের মুখে পড়ে প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে যাচ্ছেন। হামাস-ঘনিষ্ঠ কিছু গণমাধ্যমের দাবি, এই হামলার লক্ষ্য ছিলেন ইয়াসির আবু শাবাব — যিনি কথিতভাবে ইজরায়েল-সমর্থিত একটি মিলিশিয়ার নেতা এবং নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ছিলেন।

    সিভিল ডিফেন্স সংস্থার দাবি

    দক্ষিণ কমান্ডের নেতৃত্বে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ গাজায় হামাসের ঘাঁটিগুলিতে পাল্টা বিমান হামলা চালায়। রাফাহ অঞ্চলে হুমকি দূরীকরণে ফোকাস করে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং তা দেইর আল-বালাহ সংলগ্ন এলাকায়ও সম্প্রসারিত হয়। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গ ও জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত ভবন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। ইজরায়েল ২০টিরও বেশি টার্গেটে আঘাত হানে (IDF)। গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে, রবিবার সারা দিনে ইজরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে, এর মধ্যে ছ’জন উত্তরাঞ্চলে। নেতানিয়াহু জঙ্গি টার্গেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ সতর্ক করে বলেন, “হামাস কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনে এর জবাবে ধাপে ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Hamas)।”

    ইয়েলো লাইন চিহ্নিতকরণ শুরু

    একই সময়ে কাটজের নির্দেশ, আইডিএফ ইয়েলো লাইন চিহ্নিত করা শুরু করেছে, হলুদ কংক্রিটের ব্লক ও সাইনবোর্ড স্থাপন করে, যাতে সীমানা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে এবং কেউ যেন সীমা অতিক্রম না করে সেই সতর্কবার্তা দেওয়া যায়। গত কয়েক দিনে আইডিএফ বাহিনী এই রেখা অতিক্রম করে হুমকি সৃষ্টির অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্যালেস্তাইনিকে হত্যা করে (IDF)। সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা ইঙ্গিত দেয়, যদিও হামাস শান্তিচুক্তির পর বন্দিদের ফিরিয়ে দিয়েছে, তবুও এ অঞ্চলে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনও অনেক দূর (Hamas)। হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি ফর্মুলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ধারা, যেমন, সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও গাজায় রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে থাকা প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে, ইজরায়েল সাফ জানিয়েছে, হামাস যদি চুক্তির সব ধারা মেনে না চলে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাবে (IDF)।

    প্রসঙ্গত, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হামাস জীবিত সব বন্দিকে মুক্তি দেয় এবং নিহত বন্দিদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে শুরু করে। এর বিনিময়ে ইজরায়েল প্রায় ২ হাজার প্যালেস্তাইন বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়। এর মধ্যে ২৫০ জন সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অপরাধে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। শনিবার ১৮ অক্টোবরের (Hamas) শেষ নাগাদ ২৮ জন নিহত বন্দির মধ্যে ১০ জনের দেহাবশেষ ফেরত এসেছে। ওই দিন আরও দু’জনের দেহাবশেষ পাওয়া গিয়েছে, যেগুলির আনুষ্ঠানিক শনাক্তকরণ বাকি ছিল (IDF)।

  • Israel: হামাস নির্মূলে অভিযানের পরিসর বাড়াল ইজরায়েল, খতম কমান্ডার মাহমুদ ইউসূফ আবু আল-খায়ের

    Israel: হামাস নির্মূলে অভিযানের পরিসর বাড়াল ইজরায়েল, খতম কমান্ডার মাহমুদ ইউসূফ আবু আল-খায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও প্রবল সংঘর্ষ চলছে প্যালেস্তাইনের গাজা শহরে। হামাস নির্মূল করতে অভিযানের পরিসর আরও বাড়াল ইজরায়েল (Israel) ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ)। লক্ষ্যভিত্তিক বিমান হামলার পাশাপাশি ইজরায়েলি ট্যাঙ্কগুলি সশস্ত্র ঘাঁটি ধ্বংস করতে ভারী গোলাবর্ষণ করছে। এখনও গাজা শহরে প্রায় ৬ লাখ মানুষ রয়েছেন। নিরাপদ স্থানে সরে গিয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ।

    সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য (Israel)

    এদিকে, ইজরায়েল তাদের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেল। তারা জানিয়ে দিয়েছে, একটি সুনির্দিষ্ট বিমান হামলায় হত্যা করা হয়েছে হামাস নেতা (Hamas Commander) মাহমুদ ইউসূফ আবু আল-খায়েরকে। এই আবু আল-খায়েরকে হামাসের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের উপ-প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তিনি ইজরায়েলি নাগরিক ও সৈন্যদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর মৃত্যু হামাসের সামরিক নেতৃত্ব কাঠামোর পক্ষে এক বিরাট ক্ষতি বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আইডিএফের সাফ কথা

    আইডিএফ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের প্রধান লক্ষ্য হল হামাসের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া, একই সঙ্গে অসামরিক মানুষের ক্ষতি যতটা সম্ভব কমানো। এই উদ্দেশ্যেই ইজরায়েল গাজা শহরের বাসিন্দাদের দক্ষিণ দিকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাঁদের আল-রাশিদ রোড ব্যবহার করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এটিই একমাত্র নিরাপদ পথ হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার জন্য খোলা একটি অস্থায়ী মানবিক করিডর দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে সফলভাবে সরিয়ে নেওয়ার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সেটি (Israel)।

    অন্যদিকে, ওয়াশিংটনে ইজরায়েলের প্রতি সমর্থন রয়েই গিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজের জন্য কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চেয়েছেন। প্রস্তাবিত চুক্তির মধ্যে রয়েছে ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৩০টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আধুনিক যানবাহন এবং ইজরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য অতিরিক্ত ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য। ট্রাম্প প্রশাসনের এই প্যাকেজ সাহায্য প্রমাণ করে যে, ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে থাকা অবস্থায়ও ইজরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার অটল (Hamas Commander)। ইজরায়েলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যাঁরা সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে সরে যেতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য নিরাপদ পথ এখনও খোলা রয়েছে (Israel)।

  • Israel: লক্ষ্য হামাসের বিনাশ! গাজা শহরে স্থল অভিযান ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর

    Israel: লক্ষ্য হামাসের বিনাশ! গাজা শহরে স্থল অভিযান ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার গাজা শহরে (Gaza City) স্থল অভিযান চালাল ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইজরায়েলের (Israel) নেতানিয়াহু সরকারের দাবি, গাজা শহর থেকে হামাসকে একেবারে নির্মূল করতে চালানো হচ্ছে এই অভিযান। সূত্রের খবর, ইজরায়েলের ভারী ট্যাংকগুলি গাজা শহরে ঢুকে পড়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে ব্যাপক বিমান হামলা। এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর রেসিডেন্সিয়াল ও সিভিলিয়ন টাওয়ার। এই টাওয়ারগুলিতেই হামাস জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছিল বলে খবর। যুদ্ধে যাতে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি না হয়, তাই গাজার সাধারণ মানুষকে শহরের দক্ষিণ দিকে সরে গিয়ে নির্দিষ্ট একটি এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইডিএফ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “হামাসের কোনও নিরাপত্তা নেই। তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের রক্ষে নেই।”

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel)

    ক্রমেই গভীরতর হচ্ছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে প্রায় প্রতিদিনই চলছে যুদ্ধ। মাঝে অবশ্য কিছুদিনের জন্য যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পরে তা উঠে গিয়ে ফের শুরু হয় সংঘাত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় একাধিকবার আলোচনার পরেও ক্রমশই ঘোর হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ (Israel)। গত ৯ সেপ্টেম্বর ইজরায়েল কাতারে হামাসের একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালায়। খতম হয় পাঁচজন হামাস জঙ্গি। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী গাজার পশ্চিম অংশে একটি ১৬ তলা ভবনও আক্রমণ করে। এটি গাজার সবচেয়ে উঁচু ভবন। ইজরায়েলের দাবি, এটি একটি জঙ্গি ঘাঁটি। এক ইজরায়েলি সেনাকর্তার দাবি, গাজা সিটিতে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ হাজার হামাস জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল ক্যাটজ-এর কথায়, ‘জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অপহৃতদের মুক্তি এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।’

    কী বলছেন ট্রাম্প

    এদিকে, মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও বলেন, “হামাস সমস্ত বন্দিকে মুক্তি দিয়ে এবং আত্মসমর্পণ করে যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তবে এটাও ঠিক যে ওরা এটা করবে না।” প্রসঙ্গত, বন্দিদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইজরায়েলের স্থলভাগে অভিযান চালানোর খবরে হামাসের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি একটি সংবাদ প্রতিবেদন পড়েছি যে ইসরায়েলের স্থল আক্রমণের বিরুদ্ধে হামাস বন্দিদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। আমি আশা করি, হামাসের নেতারা বুঝতে পারবে তারা কী বিপদে পড়ছে যদি তারা এমন কাজ করে। এটি একটি (Gaza City) মানবতাবিরোধী অপরাধ। এখনই সব বন্দিকে মুক্তি দাও (Israel)!”

  • Israeli Hostage: হামাসের হাতে পণবন্দি ইজরায়েলি নাগরিক বলছেন, “নিজেই নিজের কবর খুঁড়ছি”, সামনে এল ভিডিও

    Israeli Hostage: হামাসের হাতে পণবন্দি ইজরায়েলি নাগরিক বলছেন, “নিজেই নিজের কবর খুঁড়ছি”, সামনে এল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যালেস্তাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাস (Hamas) সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—একজন ইজরায়েলি পণবন্দি (Israeli Hostage) ভূগর্ভস্থ একটি সুড়ঙ্গে নিজেই নিজের কবর খুঁড়ছেন। ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে অত্যন্ত ক্ষীণকায় ও দুর্বল দেখাচ্ছে এবং তাঁকে এক হাতে একটি বেলচা ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

    কী বললেন ওই পণবন্দি? (Israeli Hostage)

    জানা গেছে, ওই পণবন্দির (Israeli Hostage) নাম এভিয়াতার ডেভিড, বয়স ২৪ বছর। ভিডিওতে তিনি ধীরে ধীরে হিব্রু ভাষায় কথা বলেন, এবং বলেন “আমি এখন যা করছি, তা হলো আমার নিজের কবর খুঁড়ছি। প্রতিদিন আমার শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আমি যেন সরাসরি কবরের দিকেই হেঁটে যাচ্ছি। আমি সেই কবর খুঁড়ছি, যেখানে আমাকে কবর দেওয়া হবে। ঘুমানোর সময় শেষ হয়ে আসছে, পরিবারের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো শেষ হয়ে আসছে।” নিজের বক্তব্য শেষ করার পরেই তাকে ভেঙে পড়তে দেখা যায়।

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর পণবন্দি (Israeli Hostage) হন ডেভিড

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, হামাস জঙ্গিরা ইজরায়েলের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। সেদিনই ৪৯ জনকে পণবন্দি করা হয়, যাঁদের মধ্যে এভিয়াতার ডেভিডও ছিলেন। ওই দিনের হামলায় হামাস ১,২১৯ জন ইজরায়েলি নাগরিককে হত্যা করে বলে অভিযোগ, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন অসামরিক নাগরিক। এই ঘটনার পর শুরু হওয়া সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে খবর।

    বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কী বললেন?

    ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ভিডিওটি দেখার পর প্রধানমন্ত্রী ডেভিডের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পণবন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ইজরায়েল সরকার সমস্ত রকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “হামাস (Hamas) ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের পণবন্দিদের অনাহারে রেখে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছে।”

    ইজরায়েলি নাগরিকদের সমাবেশ

    এই ভিডিও ছাড়াও হামাস ও ইসলামিক জিহাদীরা আরও একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে ২১ বছর বয়সি আরেক পণবন্দী, রম ব্রাস্লাভস্কিকে দেখা যাচ্ছে। তিনি একজন জার্মান-ইজরায়েলি নাগরিক এবং তাঁকেও একইভাবে দুর্বল অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। এই ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর, শনিবার সন্ধ্যায় ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। তাঁরা একটি সমাবেশে অংশ নেন এবং পণবন্দীদের মুক্তির দাবিতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

  • Israel: ইজরায়েলে মিসাইল হামলা হুথি জঙ্গিদের, ক্ষয়ক্ষতি কিছুই হয়নি জানাল ইহুদি দেশ

    Israel: ইজরায়েলে মিসাইল হামলা হুথি জঙ্গিদের, ক্ষয়ক্ষতি কিছুই হয়নি জানাল ইহুদি দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী শনিবার সকালে ইসরায়েলের (Israel) দক্ষিণ অংশের দিকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (IDF) এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি, ইসরায়েলের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইজরায়েলে এ নিয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আইডিএফ-এর বিবৃতি অনুযায়ী, হুথিদের ছোড়া এই মিসাইল সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনও প্রাণহানি বা গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। হামলার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে। বিরসেবা, দিমোনা, আরাদ প্রভৃতি দক্ষিণ ইসরায়েলের শহরগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাইরেন বেজে ওঠার চার মিনিট আগেই সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। এই দ্রুত পদক্ষেপেই সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে সক্ষম হন।

    হুথিদের দায় স্বীকার

    হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী (Houthis) মিসাইল ছোড়ার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল বিরসেবা অঞ্চল। তারা দাবি করেছে, “অপারেশন সফল হয়েছে।” যদিও ইজরায়েলের (Israel) তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই হামলায় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। টাইমস অফ ইসরায়েল জানাচ্ছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হুথিরা হামাসের পক্ষ নিয়েছে। ওই সময় থেকেই হুথি জঙ্গিরা ইজরায়েলের ভূখণ্ড ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলির উপর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে।

    ইজরায়েলের (Israel) ওপর হুথি জঙ্গিদের হামলা

    ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ওই সময় হুথিরাও সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখে। তবে যুদ্ধ চলাকালীন সময়, বিশেষ করে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত, হুতিরা প্রায় ৪০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং অসংখ্য ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে ইজরায়েলের দিকে। টাইমস অফ ইজরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে হুতিদের ছোড়া একটি মিসাইল হামলায় ইজরায়েলের (Israel) একজন নাগরিক নিহত হন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।

  • Iran: ড্যাডি ট্রাম্প! চাপে পড়লেই ইজরায়েলকে বাবার শরণ নিতে হয়, কটাক্ষ ইরানের

    Iran: ড্যাডি ট্রাম্প! চাপে পড়লেই ইজরায়েলকে বাবার শরণ নিতে হয়, কটাক্ষ ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল ও ইরানের (Iran) টানাপড়েনের আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে সরব হলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। তাঁর কটাক্ষ, “চাপে পড়লেই ইজরায়েলকে আমেরিকার শরণ নিতে হয়। ট্রাম্পই ইজরায়েলের ‘বাবা’, তার ছায়া ছাড়া ওরা অচল।”

    তোপ ইজরায়েলকে (Iran)

    শনিবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আরাকচি লেখেন, “ইজরায়েল বুঝে গেছে আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের ভয় থেকে বাঁচতে গেলে তাদের ‘বাবা’র শরণ নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, “যদি কেউ এখনও আমাদের সামরিক ক্ষমতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তায় থাকে, তাহলে আমরা সেই বিভ্রান্তি দূর করতে জানি (Iran)।” আরাকচি স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তেল আভিভ যেন বুঝে নেয় তেহরান প্রয়োজনে তার প্রকৃত শক্তি দেখাতে একটুও পিছপা হবে না।”

    ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেলও একই মন্তব্য করেন

    আরাকচির এই ‘বাবা’ বা ‘ড্যাডি’ মন্তব্য অবশ্য প্রথম নয়। কিছুদিন আগেই ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুট ট্রাম্পকে ‘ড্যাডি’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন। সেই টার্মই এবার ব্যবহার করলেন আরাকচি, আরও তীব্র সুরে। তাঁর মতে, “ইজরায়েলের সীমাবদ্ধতা এতটাই, যে ওদের বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত বাবার কাছেই ছুটে যেতে হয়।”

    ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ (Iran)

    ট্রাম্পের দিকেও আক্রমণের তির ছুড়েছেন আরাকচি। তাঁর মন্তব্য, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-কে অপমান করলে কোটি কোটি ইরানির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে। যদি সত্যিই শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান, তাহলে ভাষা ও মনোভাব দুটোই পাল্টাতে হবে।”

    চাইলে খামেনেই-কে হত্যা করতে পারতেন, দাবি ট্রাম্পের

    উল্টো দিকে, ট্রাম্প দাবি (US Strikes) করেছেন, তিনি চাইলে খামেনেই-কে হত্যা করতে পারতেন, কারণ তাঁর অবস্থান সম্পর্কে আমেরিকার কাছে পরিষ্কার তথ্য ছিল। ট্রাম্পের ভাষায়, “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম না মারার।” ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার কথাও একসময় বিবেচনা করেছিলেন (US Strikes)। কিন্তু ইরানের ‘ঘৃণা ও আক্রোশ’ দেখে তিনি মত বদলান। তবে ইরানও জানিয়ে দিয়েছে, তারা আপাতত কোনও পরমাণু আলোচনায় আগ্রহী নয়। আগামী সপ্তাহে ট্রাম্প আলোচনা শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তেহরান সেই প্রস্তাব স্পষ্টভাবে খারিজ করে দিয়েছে।

  • Operation Sindhu: ইরান ও ইজরায়েল থেকে এখনও ফিরছেন ভারতীয়রা, অপারেশন সিন্ধু চলবে কতদিন?

    Operation Sindhu: ইরান ও ইজরায়েল থেকে এখনও ফিরছেন ভারতীয়রা, অপারেশন সিন্ধু চলবে কতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিন্ধুর (Operation Sindhu) আওতায় ইরান থেকে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় নাগরিকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩,১৫৪ জন। মঙ্গলবার ভারত ইরান ও ইজরায়েল থেকে ১,১০০-র বেশি ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করেছে। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে ‘অপারেশন সিন্ধু’ শুরু করে ভারত। ইজরায়েল থেকে ৫৯৪ জন ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বুধবার ২৯৬ জন ভারতীয় নাগরিক এবং ৪ জন নেপালের নাগরিককে ইরান থেকে সরিয়ে নিয়েছে ভারত। তবে ধীরে ধীরে অপারেশন সিন্ধুর গতি কমানো হচ্ছে। কারণ এখন ইরান ও ইজরায়েল দুই দেশের মধ্যেই সংঘর্ষ বিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ইজরায়েল থেকে কীভাবে ফেরানো হল

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ ভারী পরিবহণকারী বিমান ব্যবহার করে ৪০০ জনের বেশি মানুষকে জর্ডান ও মিশরের স্থলপথ দিয়ে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে বিমানযোগে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। ১৬১ জন ভারতীয় প্রথমে স্থলপথে ইজরায়েল থেকে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে পৌঁছান। সেখান থেকে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে মঙ্গলবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে দিল্লি নিয়ে আসা হয় তাঁদের। বিমানবন্দরে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা। ইজরায়েল থেকে জর্ডানে যাওয়া আরও ১৬৫ জন ভারতীয়কে ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ বিমানে দিল্লি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাঁদের অভ্যর্থনা করেন প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান। এছাড়াও, ইজরায়েল থেকে মিশরে যাওয়া ২৬৮ জন ভারতীয়কে শারম-এল-শেখ শহর থেকে সি-১৭ বিমানে তুলে দিল্লি আনা হয়েছে।

    ইরান থেকে এল কতজন

    বিদেশ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুটি চার্টার্ড বিমানে মোট ৫৭৩ জন ভারতীয়, তিনজন শ্রীলঙ্কান এবং দু’জন নেপালিকে ইরান থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গত কয়েকদিনে ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরে আরও বেশ কয়েকটি বিমান ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইজরায়েল ও ইরান একে অপরের শহর, সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। রবিবার সকালে ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে মার্কিন বোমা হামলার পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। গত ১৮ জুন থেকে ইরানের মাশহাদ শহর, আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান ও তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদ থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে নাগরিকদের সরিয়ে নিয়েছে ভারত। ইরান মাশহাদ থেকে তিনটি চার্টার্ড ফ্লাইট সুবিধার্থে ২০ জুন আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। প্রথম বিমানটি গত সপ্তাহের শুক্রবার গভীর রাতে ২৯০ জন ভারতীয়কে নিয়ে নয়াদিল্লিতে অবতরণ করেছিল এবং দ্বিতীয় বিমানটি শনিবার বিকেলে ৩১০ জন ভারতীয়কে নিয়ে দিল্লিতে অবতরণ করেছিল। বৃহস্পতিবার আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান থেকে আরেকটি বিমান দেশে পৌঁছায়।

  • Iran: ইরানে চলছে ষড়যন্ত্র! নিজের দেশেই ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন খামেনি?

    Iran: ইরানে চলছে ষড়যন্ত্র! নিজের দেশেই ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন খামেনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমা বিশ্বের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা চলছে। সেদেশের প্রশাসনিক মহলেই শুরু হয়েছে এই গোপন প্রক্রিয়া। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, যুদ্ধকালীন এই অস্থির সময়ে ইরানের ভিতরে চলছে এই ষড়যন্ত্র, যেখানে সরাসরি লক্ষ্য করা হয়েছে খামেনিকে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ইরানের এক প্রশাসনিক আধিকারিক জানিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়ি খামেনির সময় ফুরিয়ে আসছে। তিনি যদি অফিসে থেকে যান, তবুও আর তাঁর হাতে প্রকৃত ক্ষমতা থাকবে না। কারণ ক্ষমতা তাঁর হাত থেকে অনেকটাই সরে গিয়েছে।

    চলছে ষড়যন্ত্র (Iran)

    একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের উচ্চ পদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিকরা ইতিমধ্যে তাঁকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। তাঁর বয়স (৮৫ বছর) এবং শারীরিক অসুস্থতাকেই এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আমেরিকা ইরানের একাধিক পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে, তখন ইরানও পাল্টা জবাব দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের (Iran) সেনাবাহিনীর দক্ষতার অভাব আছে, যা ইজরায়েল ও আমেরিকার মতো রাষ্ট্রের আধুনিক সামরিক আক্রমণ প্রতিহত করতে যথেষ্ট নয়।

    ইরানের পাশে রাশিয়া

    এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে প্রবেশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাশিয়া ইরানের পাশে থাকবে। পুতিন আমেরিকার সামরিক আক্রমণের তীব্র নিন্দাও করেছেন। তিনি ওয়াশিংটনকে অভিযুক্ত করে বলেন, “এই আগ্রাসন মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।” এই প্রেক্ষাপটে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Iran) সম্প্রতি মস্কো সফর করেন এবং সেখানে পুতিনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন।

    উত্তরসূরি বেছেছেন খামেইনি (Iran)

    গত বুধবার আয়াতুল্লাহ খামেনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলির দাবি, তিনি বর্তমানে আন্ডারগ্রাউন্ড (Khamenei) অবস্থায় রয়েছেন এবং একটি সুরক্ষিত বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে খামেনি ইতিমধ্যেই তাঁর উত্তরসূরি বাছাই শুরু করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর তিনজন সম্ভাব্য উত্তরাধিকারীর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর ৫৬ বছর বয়সি ছেলে মোস্তফা খামেনি।

  • Iran-Israel Ceasefire: ফের আগেভাগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের! দাবি ওড়াল ইরান, কী বলল তেহরান?

    Iran-Israel Ceasefire: ফের আগেভাগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের! দাবি ওড়াল ইরান, কী বলল তেহরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও আগবাড়িয়ে যুদ্ধবিরতি (Iran-Israel Ceasefire) ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ১২ দিন ব্যাপী যুদ্ধপরিস্থিতি শেষে, ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেলন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান এবং ইজরায়েলের তরফে বিবৃতি আসার আগেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করে দুই দেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু সম্মুখ সমরে থাকা ইরান এবং ইজরায়েল কী বলছে? তারা কি যুদ্ধবিরতিতে রাজি? উঠছে প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের দাবিকে ফুৎকার মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এদিন তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্য়মগুলিকে জানান, ‘ইরানের সঙ্গে কোনও প্রকারের সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি হয়নি।’ এর আগে, মে মাসে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত চলাকালীনও, সাত তাড়াতাড়ি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ভারত বরাবরই ট্রাম্পের সেই দাবিকে অস্বীকার করে।

    ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

    মঙ্গলবার ভোররাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষবিরতিতে (Iran-Israel Ceasefire) রাজি হয়েছে। সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প (Donald Trump) লেখেন, ‘আগামী ছ’ঘণ্টার মধ্যে ইরান-ইজরায়েল দু’পক্ষই সম্পূর্ণ সংঘর্ষবিরতিতে যাবে। এর শুরুটা করবে ইরান (প্রথম ১২ ঘণ্টা)। তাকে অনুসরণ করবে ইজরায়েল (পরের ১২ ঘণ্টা)। একপক্ষের সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করলে অপর পক্ষও শান্তি বজায় রাখবে। ২৪ ঘণ্টা পর বারো দিন ব্যাপী যুদ্ধের ইতি।’ সিএনএন জানিয়েছে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, দেশের বিদেশ সচিব তথা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ তৃতীয় পক্ষ মারফত ইরানের সঙ্গে কথাবার্তা চালান। হোয়াইট হাউসের তরফে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়, যাতে সম্মত হয় ইজরায়েল। তবে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকারের তরফে শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, ইরান যদি হামলা না চালায়, তারাও আর আঘাত হানবে না।

    ট্রাম্পের দাবি অসত্য

    যুদ্ধবিরতি (Iran-Israel Ceasefire) সংক্রান্ত ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনও সমঝোতাই হয়নি। তবে ইজরায়েল নতুন করে হামলা না-করলে, তারাও আর সংঘাতে জড়াতে চায় না। এমনটাই জানিয়েছে ইরান। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলি ট্রাম্পের ঘোষণার পর থেকেই, ওই দাবিকে অস্বীকার করে আসছিল। বিভিন্ন সরকারি সূত্র মারফত তেহরানের সংবাদমাধ্যমগুলি ট্রাম্পের ঘোষণাকে ‘অসত্য’ বলে দাবি করছিলেন। শেষে মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১৬ মিনিটে তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি লেখেন ‘আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি ইজরায়েল এই হামলা শুরু করেছে। ইরান নয়। ইজরায়েল যদি আক্রমণ বন্ধ করে, তাহলে ইরানও সামরিক অভিযান বন্ধ রাখবে। আমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।’ এর পর ইরানের সরকারি সংবাদ মাধ্যম জানিয়ে দেয় ভোর চারটেের পর থেকে  ইরান সংঘর্ষ বিরতিতে রয়েছে। তবে তার আগে ইজরায়েলে ৫টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।

    সংঘর্ষ বিরতির আভাস!

    আরাগচি সমাজমাধ্যমে লেখেন, এখনও পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি (Iran-Israel Ceasefire) বা সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনও স্থির সমঝোতা হয়নি। তবে স্থানীয় সময় অনুসারে ভোর ৪টের (ভারতীয় সময়ে সকাল ৬টা) পর থেকে ইজরায়েল হামলা বন্ধ করলে ইরানও নতুন করে সংঘর্ষে জড়াতে অনিচ্ছুক। একই সঙ্গে তিনি এ-ও দাবি করেছেন, ইরান কোনও সংঘর্ষ শুরু করেনি। ইজরায়েলই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল। ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত ট্রাম্প যে দাবি করেছিলেন, তা এই পোস্টে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। তবে ওই পোস্টটির কিছু ক্ষণ পরেই সমাজমাধ্যমে আরও একটি পোস্ট করেন আরাগচি। সেখানে তিনি লেখেন, ভোর ৪টে (স্থানীয় সময়) বাজার আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইরানের সামরিক বাহিনী ইজরায়েলি আক্রমণের জবাব দিয়ে গিয়েছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শত্রুপক্ষের হামলার জবাব দেওয়ার জন্য ইরানের সেনাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় এই পোস্টের মাধ্যমে সংঘর্ষবিরতি শুরু হওয়ার আভাস দিয়েছেন আরাগচি? তবে,  ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির পরও তেহরানে ইজরােলি হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে।

    ট্রাম্পের দাদাগিরি!

    হোয়াইট হাউসের দাবি, আমেরিকার জন্যই এই যুদ্ধবিরতি (Iran-Israel Ceasefire) সম্ভব হয়েছে। আমেরিকা তাদের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে হামলা চালানোর পরই সুর নরম করেছে ইরান। সূত্রের খবর এই যুদ্ধবিরতিতে কাতার মধ্যস্থতা করেছে। সিএনএন-এর খবর অনুযায়ী, কাতারে আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে ইরান হামলা চালানোর পর, দেশের এমিরকে মধ্যস্থতা করতে অনুরোধ জানান খোদ ট্রাম্প। সেই মতো কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মহম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল-থানি ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করান। এর পর ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত চলাকালীন একইভাবে সংঘর্ষবিরতির কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। জানান, তাঁর জন্যই বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। পাকিস্তান সেই নিয়ে কোনও আপত্তি না করলেও, ট্রাম্পের সেই দাবি বারবার নস্যাৎ করেছে ভারত। দিল্লি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতিতে তৃতীয় কোনও পক্ষের ভূমিকা ছিল না। ভারত এবং পাকিস্তান পারস্পরিক সম্মতিতেই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছয়। ঠিক একইভাবে এবার ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করলেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের সংঘর্যবিরতির দাবি সরাসরি খণ্ডন করেছে তেহরান। এমনকি ইজরায়েলও সরকারিভাবে এখনও কোনও বিবৃতি দেয়নি।

LinkedIn
Share