Tag: ISRO

ISRO

  • Aditya L1 Solar Mission: জানা যাবে সূর্যরহস্য! ইসরোর মুকুটে নয়া পালক, ‘হ্যালো’ পয়েন্টে আদিত্য

    Aditya L1 Solar Mission: জানা যাবে সূর্যরহস্য! ইসরোর মুকুটে নয়া পালক, ‘হ্যালো’ পয়েন্টে আদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেও ইতিহাস ইসরোর। সূর্যকে কাছ থেকে পরখ করতে আজ, শনিবার বিকেলে চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছে গেল ভারতের প্রথম সৌর মিশন আদিত্য এল ১ (Aditya-L1)। পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এদিন বিকেল ৪টে নাগাদ হ্যালো অরবিটের নির্দিষ্ট বিন্দুতে পৌঁছেছে আদিত্য এল ১। এই প্রথম সূর্যের এতটা কাছে পৌঁছতে পারল ভারত। 

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    ইসরোর এই সাফল্যে খুশি হয়ে ট্যুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বললেন, “আরও এক ইতিহাস সৃষ্টি করল ভারত। ভারতের প্রথম সৌর পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ আদিত্য এল ১ (Aditya L1 Solar Mission) তার গন্তব্যে পৌঁছল। সবচেয়ে কঠিন এবং জটিল মহাকাশ মিশনে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের নিরন্তর সাধনার প্রমাণ এই ঘটনা। এই অসাধারণ কীর্তিতে কুর্নিশ জানাতে গোটা দেশের সঙ্গী আমি। মানবতার সুবিধার্থে বিজ্ঞানের কঠিন বাধা পেরনো চালিয়ে যাব।”

    স্বপ্ন পূরণ ইসরোর

    সৌর গবেষণার জন্য ৪ মাস আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে সূর্যের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল ভারতের প্রথম সৌরযান আদিত্য এল ১। ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৫০০ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটি আজ ইসরোর (ISRO) স্বপ্নপূরণ করল। এখান থেকেই আদিত্য ৫ বছর ধরে সূর্যকে অধ্যয়ন করবে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করবে। তবে এই কাজ সহজ ছিল না। আদিত্য-এল১-কে ধাক্কা দিয়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়াই ছিল ইসরোর সামনে চ্যালেঞ্জ। নাসা আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ বা ‘এসা’) পর ভারতই প্রথম পাড়ি দিল সৌর-মুলুকে। 

    গত বছর, ২৩ অগাস্ট ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন ছিল। সেদিন চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছিল ইসরোর চন্দ্রযান ৩। আজ ৬ জানুয়ারি আরও এক ঐতিহাসিক দিন। এদিন আদিত্য এল ১ যে অবস্থানে বসল তাকে বলা হয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট ১ (Lagrange Point 1)। এই জায়গা থেকে নিরন্তর সূর্যের উপর নজর রাখা যাবে, এমনকী গ্রহণও অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Xposat Satellite Launch: ২০২৪ দুরন্ত শুরু ইসরোর, প্রথম দিনেই মহাকাশে পাড়ি দিল ‘এক্সপোস্যাট’

    Xposat Satellite Launch: ২০২৪ দুরন্ত শুরু ইসরোর, প্রথম দিনেই মহাকাশে পাড়ি দিল ‘এক্সপোস্যাট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সাল ছিল ঐতিহাসিক। ২০২৪ সালটাও দুরন্ত শুরু করল ইসরো। বছরের প্রথম দিনই মহাকাশে পাড়ি দিল দেশের প্রথম তথা বিশ্বের প্রথম এক্স-রে পোলারিমিটার স্যাটেলাইট, যাকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে এক্সপোস্যাট। 

    বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বিরল কৃতিত্ব

    সোমবার, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস রিসার্চ সেন্টার থেকে পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্‌ল বা পিএসএলভি সি-৫৮-এর পিঠে চেপে যাত্রা মহাকাশে পাড়ি দেয় এক্সপোস্যাট। এই বিশেষ উপগ্রহ উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে নাসার পর বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে এই এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করল ভারত। 

    ২১ মিনিটেই কক্ষপথে উপগ্রহ

    ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, মাত্র ২১ মিনিট উড়েই এই রকেট পৌঁছে গিয়েছে ৬৫০ কিলোমিটার উচ্চতায়। তারপর এটি তার কক্ষপথে স্থির হবে। এই কৃত্রিম উপগ্রহটির আয়ু পাঁচ বছর। পৃথিবীর উপরে নীচু কক্ষপথেই প্রদক্ষিণ করবে এক্সপোস্যাট। ভূমি থেকে তার সর্বোচ্চ উচ্চতা হবে ৫০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার। 

    কী কাজ করবে এক্সপোস্যাট

    এক্সপোস্যাটে ২টি মূল পেলোড রয়েছে। সেগুলি হল— পোলিক্স (পোলারিমিটার ইনস্ট্রুমেন্ট ইন এক্স-রে) এবং এক্সস্পেক্ট (এক্স-রে স্পেকট্রোস্কোপি অ্যান্ড টাইমিং)। মহাকাশে এক্স-রে উৎসের সন্ধান চালাবে এক্সপোস্যাট। এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইসরো ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে গবেষণায় নতুন দিশা পেতে পারে। কৃষ্ণগহ্বরের উপস্থিতি, সন্ধান, উৎস প্রভৃতি নানা তথ্য জোগাড় করবে এই স্যাটেলাইট। এই উপগ্রহের আয়ু আনুমানিক ৫ বছর। অর্থাৎ, ২০২৮ পর্যন্ত কাজ করবে এক্সপোস্যাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: স্মরণীয় ২০২৩! ২০২৪ সালে কী কী অভিযান রয়েছে ইসরোর তালিকায়?

    ISRO: স্মরণীয় ২০২৩! ২০২৪ সালে কী কী অভিযান রয়েছে ইসরোর তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুরন্ত ২০২৩ অতিবাহিত করার পর কী অপেক্ষা করছে ২০২৪ সালে? 

    ২০২৩ কেমন গেল ইসরোর?

    ২০২৩ সালটা দুর্দান্ত কাটল ইসরোর। মুকুটে জুড়েছে একাধিক নতুন পালক। মহাকাশ গবেষণায় ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল কোনও মহাকাশযানকে অবতরণ করা— এই সাফল্য কোনও সাধারণ সাফল্য নয়। চিন, আমেরিকা সহ বিশ্বের তারড় তারড় দেশ আজ পর্যন্ত যা করে দেখাতে পারেনি। সেই অনন্য সাধন করে দেখিয়েছে ভারত। যে কারণে ইসরোকে সেলাম জানিয়েছে নাসাও। এর পাশাপাশি, এবছরই সৌরযান আদিত্য-এল১ উপগ্রহেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ইসরো। সব ঠিকঠাক চললে, জানুয়ারির গোড়ায় তা নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে। সব মিলিয়ে ২০২৩ সালটা ইসরোর কাছে স্মরণীয়।

    চলতি বছর সাফল্যের যে ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইসরো, যে নজির স্থাপন করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, তারা চাইছে, আগামী বছরও যাতে এই ধারা অব্যাহত থাকুক। আর সেই লক্ষ্যে প্রস্তুত ইসরো। নতুন বছরের কাউন্টডাউন শেষ হলেই, ইসরোর একের পর এক অভিযানের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যাবে। আগামী বছর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য উৎক্ষেপণ রয়েছে ইসরোর তালিকায়। — 

    নিসার উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে একটি যৌথ প্রকল্পে কাজ করছে ইসরো। সংক্ষেপে এই মিশনের নাম নাসা-ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার, সংক্ষেপে নিসার। আগামী বছর, মিশনের অংশ হিসেবে নিসার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। এটি প্রথম ডাবল-ব্যান্ড রেডার ইমেজিং স্যাটেলাইট। পৃথিবীর বাইরে থেকে পৃথিবীকে দেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠাবে এটি। এই উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্র, জলভাগ, বনবিভাগ, ভূ-পৃষ্ঠের উপর বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। এই রেডার স্যাটেলাইটটি যে তথ্য সংগ্রহ করবে তা পৃথিবীর ইকোসিস্টেম ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, সুনামি সম্পর্কে জানান দিতে পারবে। শোনা যাচ্ছে, জানুয়ারি মাসেই এই বিশেষ উপগ্রহকে মহাকাশে পাঠানো হবে। 

    থাকছে আরও কৃত্রিম উপগ্রহ

    ইসরোর উৎক্ষেপণ তালিকায় রয়েছে ইনস্যাট থ্রিডিস। এটি আবহাওয়ার গতি-প্রকৃতি এবং বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে কাজ করবে। এছাড়াও রয়েছে ইসরোর তালিকায় রিস্যাট-১বি, রিসোর্সস্যাট-৩ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ। ভারতের মধ্যে রিমোট সেন্সিং ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভাবে কাজ করবে এই উপগ্রহগুলি। একই ভাবে ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানে তথ্য পেতে সাহায্য করবে এমন দুটি প্রকল্পের কথাও জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি প্রকল্পের কথা জানা গিয়েছে যা হল ওশেনস্যাট-৩। এটি সমুদ্র বিষয়ক গবেষণা এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করবে। 

    পাখির চোখ গগনযান ১

    তবে, ইসরোর ২০২৪ সালে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হতে চলেছে গগনযান। এর মাধ্যমে মহাকাশে মহাকাশচারী পাঠাতে চলেছে ইসরো। ২০২৪-এর জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই গগনযান-১ মিশনের উৎক্ষেপণ হবে। এটি হতে চলেছে মূল গগনযান মিশেনর আগে একটি টেস্ট মিশন। মূল অভিযানে তিন ভারতীয় মহাকাশচারীকে পাঠানো হবে এবং ফিরিয়ে আনা হবে। এবারের এই টেস্ট মডিউলে মানুষের বদলে একটি রোবটকে পাঠানো হবে। 

    মঙ্গল, শুক্রে অভিযান

    এর পাশাপাশি, মঙ্গল ও শুক্র গ্রহেও মহাকাশযান পাঠাতে চলেছে ইসরো। আগামী বছরই মঙ্গলের উদ্দেশে পাড়ি দেবে মঙ্গলযান-২। প্রথমটির সাফল্যের পর এটি হতে চলেছে দেশের দ্বিতীয় মঙ্গলযান। এই আকাশযানটি মঙ্গল গ্রহের মাটি, আবহাওয়া এবং প্রকৃতি সম্পর্কে ধরনা দিতে সাহায্য করবে। ২০২৪ সালে হতে চলেছে শুক্রযান ১। ইসরো একটি বিশেষ মহাকাশযান পাঠাচ্ছে, যা ৫ বছরের জন্য গ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করবে এবং গ্রহটির আবহাওয়া সম্পর্কে তথ্য দিতে সাহায্য করবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’ কবে পৌঁছাবে তা জানিয়ে দিল ইসরো (ISRO)। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই সূর্যের বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে পাঠিয়েছিল আদিত্য-এল১। সেই ছবি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ একবার সফল ভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে আগামী ৫ বছরের জন্য সূর্যের বিভিন্ন অবস্থার সম্পর্কে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।” উল্লেখ্য পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রভাব কেমন হবে সেই সম্পর্কেও নানা তথ্য উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের জন্য মহাকাশ গবেষণার এই সময় পর্ব বেশ উল্লেখযোগ্য মনে করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশের মানুষ।

    কী বলেন ইসরো প্রধান (ISRO)?

    গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়েছিল সূর্যযান আদিত্য-এল১ সৌরযানকে। ইসরো (ISRO) মহানির্দেশক এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ নিজের নির্ধারিত গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ১১০ দিন। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকেই আদিত্য-এল১ নিজের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাবে। আগামী ৬ জানুয়ারি শুক্রবার এই সূর্যযান নিজের গন্তব্য স্থল ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবে এই সূর্যযান। ভারতের জন্য এই সময় অমৃত কাল, অত্যন্ত গর্বের সময়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ পর্যবেক্ষণেই সম্ভব হয়েছে সৌরযানের উৎক্ষেপণে।”

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় ভারতের

    উল্লেখ্য, গত বছর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মাটিতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল বিক্রম ল্যান্ডার ও প্রজ্ঞান রোভার। সেই ঘটনায় সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ইসরো। দেশের মধ্যে চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা ও উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মাধ্যমেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত পা রেখেছিল। ইসরোর সেই সাফল্যের সুখ্যাতি নাসাও করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের বায়ুসেনার সহযোগিতায় ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর কথাও কয়েকদিন আগে জানিয়েছে ইসরো। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, নাসার সঙ্গে ইসরো যৌথ উদ্যোগে পৃথিবীর ভূ-প্রকৃতি, জলভাগ এবং বনাঞ্চলগুলিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ‘নিসার’ উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠাবে। সম্প্রতি এবিষয়ে নাসার এক বিজ্ঞানী ভারতে এসেছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে ইতিহাস নির্মাণ করেছে ইসরো (ISRO)। এই সাফল্যে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ভারত। এরপর সূর্যের উপর নজর রাখতে সাফল্যের সঙ্গে আদিত্য-এল ১ উৎক্ষেপণ সম্পূর্ণ করেছে ইসরো। তাতেও বিরাট সাফল্য বলে দেখছেন বিশ্বের মহাকশ বিজ্ঞানীরা। এবার ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ জানালেন, ভারতের গগনযান মিশনের চার মহাকাশচারী– ভারতীয় বায়ুসেনার চারজন পাইলটকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে তাঁদের। একইসঙ্গে তাঁর ঘোষণা, “২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের মহাকাশচারীরা চাঁদের বুকে পদার্পণ করবেন।”

    কী বলা হয়েছে ইসরোর পক্ষ থেকে (ISRO)?

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, “ভারতীয় চারজন বায়ুসেনা অফিসারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দুই থেকে তিনজন মহাকাশচারীকে ‘লো আর্থ অরবিট’ বা পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে পাঠানো হবে। সেখানে দুই-তিন দিন কাটানোর পর আবার তাঁদের সুরক্ষিত ভাবে ফিরিয়ে আনা হবে। এটা হবে ভারতের জন্য প্রথম মহাকাশে মানুষ পাঠানোর অভিযান। ইতিমধ্যে বেঙ্গালুরুতে অ্যাস্ট্রোনট ট্রেনিং ফেসিলিটিতে প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ আরও বলেন, “গগনযান অভিযানের জন্য ভারত এখন প্রস্তুত। পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে প্রথমে মহাকাশচারীদের পাঠানো হবে, এরপর নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে আনার কাজ করা হবে।”

    আর কী জানা গিয়েছে?

    ইসরোর (ISRO) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এলভিএমথ্রি লঞ্চ ভেহিক্যলের উপর একটি অরবিটাল মডিউল নির্মাণ করা হবে। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই মহাকাশচারীরা মহাকাশে যাত্রা করবেন। এই লঞ্চ ভেহিক্যলকে অত্যন্ত নিরপাদ এবং সুরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিটাল মডিউলটিতে একটি ক্রু মডিউল এবং একটি সার্ভিস মডিউল থাকবে। মহাকাশের শূন্যে যাত্রা করার জন্য থাকবে সবরকম ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্টের ব্যবস্থাও থাকবে।

    ক্রু মডিউলটির ভিতরের পরিবেশ থাকবে পৃথিবীর মতো। আর তাতে করেই নিরাপদে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারবেন মহাকাশযাত্রীরা। সেই সঙ্গে থাকবে একটি ক্রু এসকেপ সিস্টেম, বিপদ বুঝে তার মাধ্যমে দ্রুত অবতরণ করতে পারবেন মহাকাশচারীরা। মূল অভিযানের আগে আরও দুটি পরীক্ষা হবে, তবে সেখানে মানুষ থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Somanath Autobiography: দিনের আলো দেখছে না ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গলে’, জানুন নেপথ্যের কারণ

    S Somanath Autobiography: দিনের আলো দেখছে না ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গলে’, জানুন নেপথ্যের কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর আত্মজীবনীতে পূর্বতনের সমালোচনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। চন্দ্রযান ২-এর ব্যর্থতার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ভূতপূর্ব ইসরো কর্তা কে শিবনের কিছু নীতির সমালোচনা করা হয়েছে তাঁর আত্মজীবনী ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গলে’ (S Somanath Autobiography)। বাংলায় তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘যে সিংহরা জ্যোৎস্না পান করেছিল’।

    ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গল’

    এই বিতর্কের মাঝে তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশ করবেন না বলেই জানিয়ে দিলেন ইসরোর বর্তমান কর্তা এস সোমনাথ। শনিবার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আপাতত দিনের আলো দেখছে না ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গল’। তাঁর আত্মজীবনীতে যে চন্দ্রযান ২ অভিযান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন সোমনাথ। সেই অভিযান কেন ব্যর্থ হয়েছিল, তাও তিনি লিখেছেন তাঁর আত্মজীবনীতে। যেহেতু আত্মজীবনীটিকে নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক, তাই বইটি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান।

    ‘চ্যালেঞ্জ প্রত্যেকের জীবনের অঙ্গ’

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সোমনাথ (S Somanath Autobiography) বলেছিলেন, “আমার জীবনের কাহিনি বর্ণনা করা এই বইয়ের উদ্দেশ্য নয়। যাঁরা জীবনের চ্যালেঞ্জগুলিকে অতিক্রম করে স্বপ্ন ছুঁতে চান, তাঁদের অনুপ্রাণিত করাই এই বইয়ের একমাত্র উদ্দেশ্যে।” তবে শনিবার ফের সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ইসরো কর্তা বলেন, “কোনও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে পৌঁছানোর রাস্তায় সকলকেই কিছু না কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এই চ্যালেঞ্জ প্রত্যেকের জীবনের অঙ্গ। আমি নিজের জীবনের সব চ্যালেঞ্জগুলিই এই বইতে লিপিবদ্ধ করেছি। কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করিনি। কোনও একজন ব্যক্তিকে আলাদা করে আক্রমণ করা আমার উদ্দেশ্যও ছিল না। আমি একটা নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীকে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম মাত্র। কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে অভিযোগ তুলিনি।”

    আরও পড়ুুন: থানায় গিয়ে আইসিকে ‘উপহার’ দিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    প্রসঙ্গত, তৃতীয়বারের চেষ্টায় শেষমেশ সফল হয় ভারতের চন্দ্রযান মিশন। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখে ল্যান্ডর বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্য আসে তখন, যখন ইসরোর কর্তা সোমনাথ (S Somanath Autobiography)। মিশন চন্দ্রযান ২ যখন ব্যর্থ হয়, তখন ইসরোর চেয়ারম্যান পদে ছিলেন শিবন। সেই অভিযান ব্যর্থ হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে সোমনাথ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, “তাড়াহুড়োর কারণেই ব্যর্থ হয়েছিল চন্দ্রযান ২ মিশন। চন্দ্রযান ২ উৎক্ষেপণের আগে যতবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন ছিল, তা করা হয়নি। মিশন ব্যর্থ হওয়ার ঘোষণা করার সময় ব্যর্থতাগুলি, গাফিলতিগুলিও লুকিয়ে যাওয়া হয়েছিল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত আগেই পা রেখেছে। সূর্যকে নিরীক্ষণ এবং গবেষণার জন্য পাঠানো হয়েছে মহাকাশযান আদিত্য-এল১। এবার ইসরোর পরের মিশন হতে পারে শুক্র গ্রহ (Venus Mission)। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ একথা ঘোষণা করেছেন। প্রসঙ্গত সৌরজগতের সব থেকে উজ্জ্বলতম গ্রহ শুক্র গ্রহ, যাকে আমরা শুকতারাও বলে থাকি। মঙ্গলবার দিল্লির ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমিতে বক্তব্য রাখেন ইসরো প্রধান এবং সেখানে তিনি জানিয়েছেন, একাধিক মহাকাশ অভিযান পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে এবং শুক্র গ্রহ অভিযান নিয়েও পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জানা গিয়েছে শুক্র অভিযানে যে সমস্ত পেলোডগুলি ইসরো ব্যবহার করবে সেগুলি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। ইসরোর শুক্র অভিযান মূলত শুক্র গ্রহের মাটি এবং বায়ুমণ্ডলকে নিরীক্ষণ করার উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হবে।

    এবিষয়ে কী বললেন ইসরো প্রধান?

    দিল্লির সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরো (ISRO) প্রধান বলেন, ‘‘শুক্র অভিযানে যাবে ইসরোর ‘শুক্রযান’। এই অভিযানের (Venus Mission) নামও তা-ই দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে শুক্রগ্রহের মাটি এবং বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ করা।’’ এস সোমনাথের মতে, শুক্র খুব আকর্ষণীয় গ্রহ। শুক্রের বায়ুমণ্ডলের চাপ পৃথিবীর তুলনায় ১০০ গুণ বেশি এটা এতটাই ভারী যে, তা ভেদ করা যায় না। তাই আমরা জানি না, শুক্রের ভূপৃষ্ঠ আদৌ কঠিন কি না। এই গ্রহে অভিযান থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অজানা তথ্য আমাদের হাতে আসতে পারে। তা আগামী দিনে আমাদের গ্রহের ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘পৃথিবী এক দিন শুক্র হয়ে উঠতে পারে। আমরা কেউ জানি না কী হবে। হয়তো ১০ হাজার বছর পরে পৃথিবীর অবস্থাও শুক্রের মতো হয়ে যাবে। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী তার চরিত্র বদলায়। কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবী এখনকার মতো ছিল না।’’ 

    শুক্র অভিযানে বিভিন্ন দেশ

    প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সিগুলি শুক্র অভিযান (Venus Mission) চালিয়েছিল। ২০০৬ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই ভেনাস বা শুক্র অভিযান চলেছিল। এর আগে নাসাও একাধিকবার শুক্র অভিযানে নেমেছে। নাসার পরবর্তী শুক্র অভিযান হতে চলেছে ২০২৯ এবং ২০৩০ এবং ২০৩১ সালে।

    ইসরোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    শুধুমাত্র শুক্রগ্রহই (Venus Mission) নয়, মহাশূন্যে মৃত নক্ষত্রগুলির উপর নজরদারি চালাতে চলেছে ইসরো (ISRO)। এর জন্য চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই রওনা দেবে ইসরোর এক্সপোস্যাট (XPoSat) মহাকাশযান। কৃষ্ণগহ্বরের উৎস নিয়ে গবেষণা চালাবে সেটি। পাশাপাশি, সৌরজগতের বাইরে যে সমস্ত গ্রহ রয়েছে, যারা সূর্যেরই মতো অন্য কোনও নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তাদের নিয়েও পরিকল্পনা চালাচ্ছে ইয়রো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ইসরোর ডাকে সাড়া দিচ্ছে না ঘুমন্ত বিক্রম ও প্রজ্ঞান, চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা

    Chandrayaan 3: ইসরোর ডাকে সাড়া দিচ্ছে না ঘুমন্ত বিক্রম ও প্রজ্ঞান, চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্টের ২৩ তারিখে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল ল্যান্ডার বিক্রম। তারপর চালিয়েছে একাধিক খোঁজ। বিক্রমের পেট থেকে গুটিগুটি পায়ে বের হয়েছিল প্রজ্ঞান (Chandrayaan 3)। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্য অস্ত গেলে ঘুমিয়ে পড়ে প্রজ্ঞান ও বিক্রম। এরপরে জানা গিয়েছিল, দক্ষিণ মেরুতে সূর্যোদয় হলে পুনরায় বিক্রম এবং প্রজ্ঞানের ঘুম ভাঙানোর চেষ্টা করা হবে। তবে শুক্রবার ইসরোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, চন্দ্রপৃষ্ঠের ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এখনও পর্যন্ত সফল হতে পারেননি।

    বিক্রম-প্রজ্ঞানের কাছ থেকে কোনও সিগন্যাল আসছে না

    ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিক্রম বা প্রজ্ঞানের কাছ থেকে কোনও সিগন্যাল আসছে না পৃথিবীতে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিট নাগাদ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে ইসরো। তাতে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা লিখেছ, ‘‘চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) অভিযানের খবর: বিক্রম ল্যান্ডার এবং প্রজ্ঞান রোভারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে কোনও সিগন্যাল এসে পৌঁছয়নি। তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা জারি থাকবে।’’

    সূর্যের আলো থেকেই শক্তি সংগ্রহ করত বিক্রম ও প্রজ্ঞান

    প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর স্লিপ মোডে পাঠানো হয়েছিল ল্যান্ডার এবং রোভারকে (Chandrayaan 3)।কারণ তখনই চন্দ্রপৃষ্ঠের সূর্য অস্ত যায়। সূর্যের আলো না থাকলে চন্দ্রপৃষ্ঠে কাজ করা বিক্রম বা রোভারের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ প্রয়োজনীয় শক্তি তারা সূর্য থেকেই সংগ্রহ করে। চাঁদে (Chandrayaan 3) সূর্যের আলো থাকতেই প্রয়োজনীয় গবেষণা এবং অনুসন্ধানের কাজ শেষ করে নেই ইসরো, কারণ চন্দ্রপৃষ্ঠে সূর্য অস্ত গেলে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে নেমে যায় আর এত বিপুল ঠান্ডায় যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে যেতে পারে। তবে এখনও হাল ছাড়তে নারাজ ইসরো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্যোদয়! বিক্রম, প্রজ্ঞানকে কবে জাগানোর চেষ্টা করবে ইসরো?

    Chandrayaan 3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্যোদয়! বিক্রম, প্রজ্ঞানকে কবে জাগানোর চেষ্টা করবে ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভোর হলো, দোর খোলো’ বিক্রম! কাতর আর্জি ভারতবাসীর। কাজ শুরু করেছে ইসরোর বিজ্ঞানীরাও। চলছে চন্দ্রযান-৩-এর (Chandrayaan-3 Update) ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞানকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্য উঠে গিয়েছে বুধবার। সূর্যের ক্ষীণ আলো এসে পড়েছে শিবশক্তি পয়েন্টেও। তবে সঙ্গে সঙ্গে বিক্রম বা প্রজ্ঞান কাউকেই জাগানো সম্ভব নয়। গত ১৫ দিন ধরে যে শীতল আবহাওয়ায় যন্ত্রগুলি অকেজো হয়ে পড়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার জন্য কিছুটা তাপের প্রয়োজন। এখনই সূর্য থেকে সেই তাপ মিলবে না। ইসরো জানিয়েছে, সূর্যালোকে বিক্রম এবং প্রজ্ঞানের ব্যাটারি রিচার্জ হবে। তার জন্যই অপেক্ষা করে আছেন ইসরোর আধিকারিকেরা। ব্যাটারি রিচার্জ সম্পূর্ণ হলেই আবার ল্যান্ডার এবং রোভারকে সক্রিয় করে তোলা যাবে বলে আশাবাদী ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    প্রাণ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ

    পৃথিবীতে যেমন ২৪ ঘণ্টায় একদিন হয়, এক চন্দ্রদিবস (Chandrayaan-3 Update) বলতে পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিনকে বোঝায়। পৃথিবীর হিসেবে ধরলে, ১৪ দিন চাঁদের উপর সূর্যের আলো পড়ে, তখন হয় দিন। তার পরের ১৪ দিন আবার ঘুটঘুটে অন্ধকার। তখন হয় রাত। পৃথিবীর হিসেবে ল্যান্ডার ‘বিক্রম'(Lander Vikram) এবং রোভার ‘প্রজ্ঞানে’ (Rover Pragyan) চন্দ্রপৃষ্ঠে পা রাখার ১২ দিন পর চাঁদে রাত্রি নামে। গোড়াতে ১৪ দিনের মাথায় ঘুম পাড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু সূর্যের অবস্থানের নিরিখে সময়ের আগে ঘুম পাড়ানো হয় তাদের। ইসরোর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চাঁদের পিঠে সূর্যালোক পড়লেই শুক্রবার থেকে ইসরোর গ্রাউন্ড স্টেশনগুলি ল্যান্ডার ও রোভারের মডিউলগুলির এবং অন-বোর্ড যন্ত্রগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবে। তবে প্রাণ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবুও দমতে নারাজ বিজ্ঞানীরা। আশার আলোর নিভু নিভু হলেও একেবারে নিভে কিন্তু যায়নি। এমনটাও হতে পারে, হয়তো বা জেগেও উঠল ল্য়ান্ডার ও রোভার, তবে কর্মক্ষম রইল না।

    আরও পড়ুন: আজ রাজ্যে আসছে প্রায় ৪ হাজার টন পদ্মার ইলিশ! বাজারে মিলবে কবে থেকে?

    প্রত্যাশার থেকে বেশি কাজ করেছে চন্দ্রযান-৩

    যদিও আশা করতে বাধা নেই। চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3 Update) প্রত্যাশার থেকে বেশি কাজ করেছে চাঁদের বুকে। মূল পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ইসরো সিদ্ধান্ত নেয় ল্যান্ডার ও রোভারের আয়ু বাড়ানো যেতে পারে। তাই চাঁদের বুকে সমস্ত যন্ত্রের ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করে দেয় এবং সেগুলিকে স্লিপ মোডে রেখে দেয়। স্লিপ মোডের আগে ব্যাটারিগুলি ফুল চার্জ অবস্থায় ছিল। যেহেতু চার্জড আপ অবস্থাতেই স্লিপ মোডে পাঠানো হয়েছে চন্দ্রযান-৩-কে, তাই রাতের কঠিন ঠান্ডাতেও নিজেদের কিছুটা হলেও গরম রাখতে পারবে যন্ত্রগুলি, এমনটাই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদি কোনও ভাবে জেগে উঠতে পারে চন্দ্রযান-৩ তবে ল্যান্ডার এবং রোভার কমপক্ষে আরও ১৪ দিনের জন্য (পৃথিবীর হিসেবে) চাঁদের বুকে একই ভাবে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। ফের গুটি গুটি পায়ে চাঁদের বুকে হেঁটে বেড়াচ্ছে প্রজ্ঞান, স্বপ্ন সকল ভারতবাসীর।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya L1: গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ‘ডেটা কালেক্ট’ শুরু ! আজ গভীর রাতে ‘সব থেকে বড়’ পরীক্ষায় আদিত্য

    Aditya L1: গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ‘ডেটা কালেক্ট’ শুরু ! আজ গভীর রাতে ‘সব থেকে বড়’ পরীক্ষায় আদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই পৃথিবীর চতুর্থ কক্ষপথ পেরিয়ে গিয়েছে সৌরযান আদিত্য-এল১ (Aditya L1)। পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজও শুরু করে দিয়েছে ইসরোর (ISRO) এই মহাকাশযান। সোমবার ইসরোর এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করা হয়, বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা শুরু করেছে আদিত্য-এল১। উৎক্ষেপণের পর এখনও পর্যন্ত চারবার অনায়াসেই কক্ষপথ পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় সফল ভাবে উতরে গিয়েছে আদিত্য-এল১। ১৮ সেপ্টম্বর মধ্যরাতে ২টোর সময় (ইংরেজি মতে ১৯ সেপ্টেম্বর ভোররাত ২টো) পরবর্তী পরীক্ষায় বসতে চলেছে আদিত্য।

    শেষবারের মতো কক্ষপথ বদল

    সোমবার মধ্যরাতে শেষবারের মতো কক্ষপথ বদলে নিজের গন্তব্যের দিকে ছুটবে আদিত্য (Aditya L1)। রাত ২টোর সময় সম্পাদিত হবে এই প্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে পৃথিবীর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে সৌরযান। ইসরো এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, “ল্যাগরেজিনায় পয়েন্ট ইনসারশন (TL1) সম্পন্ন হবে ১৯ সেপ্টেম্বর ভোররাত ২টোর সময়। সম্পূর্ণ ভাবে পৃথিবীর বাইরে বেরিয়ে যাবে এই মহাকাশযান।”

    ইসরোর এই সৌরযান কক্ষপথ বদলের প্রথম পরীক্ষায় বসে ৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে। এর আগে গত শনিবার রাতে পৃথিবীর কক্ষপথে নিজের তৃতীয় পরীক্ষায় বসেছিল ইসরোর সৌরযান আদিত্য এল১।  তার আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর, দ্বিতীয়বার কক্ষপথ পরিবর্তন করেছিল ইসরোর সৌরযান আদিত্য (Aditya L1)। 

    এখন কোথায় আদিত্য-এল১

    বর্তমানে ২৫৬ কিমি X ১,২১,৯৭৩ কিমি কক্ষপথে অবস্থান করছে আদিত্য (Aditya L1)। এরপর ফের আজ (ইংরেজি মতে ১৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাত ২টোর সময় কক্ষপথ বদল করবে আদিত্য। বেঙ্গালুরুর ইসট্র্যাক, মরিশাস ও আন্দামানে নিজেদের গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে কক্ষপথ বদলের বিষয়টির ওপর নজর রাখবে ইসরো। নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাড়ি দিতে ইসরোর সৌরযানটিকে পাড়ি দিতে হবে ১৫ লাখ কিলোমিটার পথ। চাঁদে পৌঁছতে যেখানে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়েছিল, সেই জায়গায় সূর্যের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য এই পথ অনেকটাই বেশি। এই প্রজেক্টের জন্য় ইসরোর খরচ হচ্ছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: চতুর্থ কক্ষপথ বদল সফলভাবে করল আদিত্য-এল১, এর পর কী?

    কী কাজ করল আদিত্য

    গন্তব্যের যাওয়ার পথে নিজের লক্ষ্য়ে অবিচল আদিত্য। কাজ সারতে সারতে অগ্রসর হচ্ছে গন্তব্য়ের দিকে। ইতিমধ্যে স্টেপস যন্ত্রের সেন্সরগুলি পৃথিবী থেকে ৫০,০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে সুপার-থার্মাল এবং শক্তিশালী আয়ন এবং ইলেকট্রন পরিমাপ করা শুরু করেছে। পৃথিবীর চারপাশের কণার আচরণ বিশ্লেষণে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে এই তথ্য।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share