Tag: ISRO

ISRO

  • Luna-25 Crashed: চাঁদের দেশে ভেঙে পড়ল রুশ মহাকাশযান, ৪৭ বছর পরে অভিযান ব্যর্থ মস্কোর

    Luna-25 Crashed: চাঁদের দেশে ভেঙে পড়ল রুশ মহাকাশযান, ৪৭ বছর পরে অভিযান ব্যর্থ মস্কোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের মাটিতে আছাড় খেল রাশিয়ার মহাকাশযান (Luna-25 Crashed)। ব্যর্থ হল মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রশকসমসের সমস্ত প্রচেষ্টা। দিন কয়েক আগেই সফলভাবে উৎক্ষেপণ হয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশ যান ‘লুনা-২৫’ (Luna-25 Crashed) এর। রুশ মহাকাশ সংস্থার থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে , প্রায় ৪৭ বছর পরে ফের চন্দ্র অভিযানের সামিল হয়েছিল রাশিয়া। কিন্তু সফল হল না। যাবতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। শনিবার থেকেই খারাপ খবর মিলতে থাকে। সংশয় তৈরি হয় অভিযানকে নিয়ে। রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানায় যে জরুরী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের। শুধু তাই নয় নির্ধারিত গতিবেগের থেকে অনেক বেশি গতিতে ছুটতে থাকে সেটি (Luna-25 Crashed)। এবং অবশেষে ভেঙে পড়ে চাঁদের মাটিতে।

    চাঁদের দেশে ভেঙে পড়ল রাশিয়ার মহাকাশযান (Luna-25 Crashed)

    ১৪ জুলাই ভারতের মহাকাশযান চন্দ্রযান-৩, সফলভাবে উৎক্ষেপিত হয়েছিল। প্রায় একমাস পরে রাশিয়ার মহাকাশ যান ‘লুনা-২৫’ (Luna-25 Crashed) ১০ অগাস্ট চাঁদের দেশে পাড়ি দেয়। এবং সোমবারেই চাঁদের মাটিতে নামার কথা ছিল রুশ মহাকাশযানের (Luna-25 Crashed)। জানা গিয়েছে, চাঁদে নামার ঠিক আগের ধাপেই গন্ডগোল শুরু হয় রাশিয়ার মহাকাশযানের। যার নাম পোশাকি নাম ছিল প্রি-ল্যান্ডিং অর্বিট। সেখানেই যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় মহাকাশযান (Luna-25 Crashed)।

    চাঁদের মাটি ছোঁয়ার সময় সামান্য পিছল ল্যান্ডার বিক্রমের

    অন্যদিকে চাঁদের মাটিতে অবতরণের সময়সীমার সামান্য বদল হল ল্যান্ডার বিক্রমের। ২৩ অগাস্ট ৫টা ৪৭ মিনিটে ল্যান্ডিং হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে হল সন্ধ্যা ছ’টা বেজে চার মিনিটে। রবিবার দুপুরে ইসরোর তরফ থেকে এই সময় বদলের বিষয়টি নিয়ে ট্যুইট করা হয়। প্রসঙ্গত, চন্দ্র অভিযানের একেবারে শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে ভারত। চাঁদ থেকে চন্দ্রযানের দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৫ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদ থেকে দূরত্ব আর মাত্র ২৫ কিমি, শেষ ধাপে চন্দ্র-অভিযান

    Chandrayaan 3: চাঁদ থেকে দূরত্ব আর মাত্র ২৫ কিমি, শেষ ধাপে চন্দ্র-অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই দ্বিতীয় ও শেষ ডি-বুস্টিং অপারেশন সম্পন্ন করল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)। অর্থাৎ চাঁদের মাটিতে পা দিতে আর মাত্র এক ধাপ। ইতিমধ্যে এই খবর ট্যুইট করে জানানো হয়েছে ইসরোর তরফ থেকে। ল্যান্ডার বিক্রমের চাঁদের মাটিতে (Chandrayaan 3) অবতরণ করার কথা ২৩ অগাস্ট ঠিক বিকাল ৫টা ৪৭ মিনিটে। জানা গিয়েছে, শেষ ধাপের এই অপারেশনটাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    চাঁদ থেকে দূরত্ব মাত্র ২৫ কিমি

    শনিবারই ইসরোর তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, ‘‘চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) এর দ্বিতীয় ও শেষ ডি-বুস্টিং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছে। বর্তমানে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব কমে ২৫ কিলোমিটার হল চন্দ্রযানের।’’ প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার প্রোপালসন মডেল থেকে বিচ্ছিন্ন হয় ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। শুক্রবার, সম্পন্ন হয় প্রথম ডি-বুস্টিং অপারেশন। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করলেই নতুন ইতিহাস গড়বে ভারত এবং চতুর্থ দেশ হিসেবে ছোঁবে চাঁদের মাটি। ২০১৯ সালে শেষ পর্যায়ে এসেই ব্যর্থ হয়েছিল চন্দ্র-অভিযান (Chandrayaan 3)। তবে এবার তেমন কিছুই হবে না বলে জানাচ্ছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন যে সমস্ত সেন্সার সহ ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলেও বিক্রম সফলভাবেই চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে। বিক্রমের পেটের ভিতরে রয়েছে রোভার প্রজ্ঞান।

    ধাক্কা খেল রাশিয়ার চন্দ্র অভিযান 

    রাশিয়ার চন্দ্র অভিযান  ধাক্কা খেল। গত সপ্তাহতেই মহাকাশযানের সফল উৎক্ষেপণ করেছিল রাশিয়া। যার নাম লুনা-২৫। প্রসঙ্গত, ৪৭ বছর পরে ফের চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশযান পাঠিয়েছে রাশিয়া। এই মহাকাশযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখা। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথে শেষ ল্যাবে পৌঁছাতে গিয়ে বড়োসড় বিপদের মুখে পড়ল রুশ চন্দ্রযান লুনা-২৫।  সূত্রের খবর, রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমস জানিয়েছে, জরুরি পরিস্থিতির কারণে কক্ষপথে প্রবেশ করতে পারেনি চন্দ্রযান। রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya L-1: আদিত্য এল-১ পৌঁছল শ্রীহরিকোটায়, সূর্য মিশনের প্রস্তুতি তুঙ্গে ইসরোর

    Aditya L-1: আদিত্য এল-১ পৌঁছল শ্রীহরিকোটায়, সূর্য মিশনের প্রস্তুতি তুঙ্গে ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ অগাস্ট বিকাল ৫টা ৪৭ মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রমের। চন্দ্রযান ৩ মিশনের মাঝেই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো নামছে সূর্য অভিযানে। এই মিশনের নাম ‘আদিত্য এল-১’ (Aditya L-1)। ইতিমধ্যে ১৪ অগাস্ট ইসরোর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ছবিও প্রকাশ করেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। 

    শ্রীহরিকোটায় পৌঁছেছে ‘আদিত্য এল-১’

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে, সম্ভবত ২৬ অগাস্ট উৎক্ষেপণ হতে পারে ‘আদিত্য এল-১’। কৃত্রিম উপগ্রহটি ইতিমধ্যে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে এসে পৌঁছেছে এবং এটি যুক্ত করা হবে পিএসএলভি রকেটের সঙ্গে। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, ‘আদিত্য এল-১’ (Aditya L-1) মিশন হল সূর্য গবেষণার জন্য ভারতের প্রথম মহাকাশযান এবং তা উৎক্ষেপণের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। 

    ১৫ লক্ষ কিলোমিটার পাড়ি দেবে ‘আদিত্য এল-১’

    হিন্দু দেবতা সূর্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই নামকরণ করা হয়েছে মহাকাশযানটির। জ্বালানি-সহ প্রায় ১৫০০ কিলোগ্রাম ওজনের এই উপগ্রহ সাতটা সায়েন্স পে-লোড নিয়ে যাবে বলে ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে। মহাকাশযানটিকে সূর্য-পৃথিবী সিস্টেমের প্রথম ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট এল ১-এর চারপাশে একটি হ্যালো কক্ষপথে স্থাপন করা হবে। এই পয়েন্টের একটি বিশেষত্ব রয়েছে। তা হল, কোনও গ্রহণ ছাড়াই সূর্যকে অবিচ্ছিন্ন ভাবে দেখার। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার। এই পথটাই পাড়ি দেবে আদিত্য এল-১। আদিত্য এল-১ উপগ্রহকে তাই সে ভাবেই বানানো হচ্ছে। 

    কী কী কাজ করবে ‘আদিত্য এল-১’?

    আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) আদতে একটি করোনাগ্রাফি স্যাটেলাইট। এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য হল সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করা এবং বায়ুমণ্ডল ও চৌম্বক ক্ষেত্র সম্পর্কে তথ্য নেওয়া। জানা গিয়েছে, সূর্যের করোনা, সৌর নির্গমন, শিখা করোনাল এই সমস্ত কিছু অধ্যয়ন করবে কৃত্রিম উপগ্রহ। ২৪ ঘণ্টাই সূর্যের ছবিও তুলতে সক্ষম এই কৃত্রিম উপগ্রহ। জানা গিয়েছে, সমগ্র আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে সৌর আবহাওয়া। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মূল লক্ষ্য হলো এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য খোঁজা। এর পাশাপাশি সৌর ঝড় সম্পর্কে অধ্যয়ন করবে এই কৃত্রিম উপগ্রহ। পাশাপাশি মহাকাশে প্রয়োজনীয় জ্বালানি খরচ কমাতে কোনও পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় কিনা সেদিকেও নজর রাখছেন বিজ্ঞানীরা। সৌরমণ্ডল এবং পৃথিবীর পরিবেশের উপর সূর্যের ঠিক কী প্রভাব পড়ে সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সামনে আসতে পারে এই অভিযান সফল হলে। 

    সূর্যের স্তর ‘সোলার করোনা’ নিয়েই গবেষণা করবে আদিত্য এল-১। সূর্যের বহিস্তরের তাপমাত্রা প্রায় ১ কোটি কেলভিন, নিম্নস্তরের প্রায় ৬০০০ কেলভিন। সূর্যের পৃষ্ঠদেশে ও করোনার তাপমাত্রার ফারাক এবং করোনা থেকে ছিটকে আসা আগুনে রশ্মি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কীভাবে প্রভাব ফেলে সেটাই খুঁজে বার করবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)। ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন, সূর্যের করোনার তাপমাত্রা গড়ে ১০ লক্ষ বা তার কিছু বেশি ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা সব সময় একরকমের থাকে না। কখনও বৃদ্ধি হয় কখনও কমে। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে আদিত্য এল-১। প্রসঙ্গত, সোলার প্রোবের উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরেই জল্পনা চলছিল। ২০২০ সালেই এই মিশন লঞ্চ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, করোনা অতিমারির জন্য তা পিছিয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করল চন্দ্রযান-৩, এবার চাঁদের দেশে পা রাখার অপেক্ষা

    Chandrayaan-3: চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করল চন্দ্রযান-৩, এবার চাঁদের দেশে পা রাখার অপেক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) চাঁদের সীমানায় ঢুকল। শনিবার সন্ধ্যায় কোনওরকম সমস্যা ছাড়াই চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে চন্দ্রযান-৩, ইসরোর তরফ থেকে তা জানানো হয়েছে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে আগেই চন্দ্রযান-৩ বেরিয়ে গিয়েছিল। এবার শনিবার চাঁদের কক্ষপথে ঢুকে পড়ল। ধীরে ধীরে চাঁদের দিকে এগিয়ে চলেছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3), জানা গিয়েছে, চাঁদের কক্ষপথে ঘোরার সময় চন্দ্রযান-৩ এর গতি ক্রমশ কমে আসবে। প্রসঙ্গত, চাঁদের আকর্ষণ বল পৃথিবীর চেয়ে ৬ গুণ কম।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে?”, উলুবেড়িয়া ধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    ২৩ অগাস্ট চাঁদের দেশে পা রাখবে প্রজ্ঞান

    জানা গিয়েছে,  চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রাথমিক গন্তব্য হল চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার উপরে এবং তারপরেই সব থেকে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করবে ইসরোর জন্য। এখনও পর্যন্ত যা ঠিক রয়েছে চলতি মাসের ২৩ তারিখ ঠিক সন্ধ্যা ৫টা ৪৭মিনিটে রোভার প্রজ্ঞানকে নিয়ে সফট ল্যান্ডিং করার কথা ল্যান্ডার বিক্রমের। ২০১৯ সালে ঠিক এই জায়গাতেই ব্যর্থ হয়ে গেছিল ইসরোর চন্দ্রযান-২।

    চন্দ্রযান-৩ মিশন সফল হলে, চাঁদের দেশে চতুর্থ নাম হবে ভারতের

    চন্দ্রযান-৩ মিশন যদি সফল হয় তাহলে তা নিঃসন্দেহে ভারতের মহাকাশ গবেষণার মুকুটে নতুন পালক জুড়বে। এবং আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে অবতরণ করার তালিকায় উঠে আসবে আমাদের দেশের নাম। প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রী হরিকোটা সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছিল চন্দ্রযান-৩ এর। যাত্রা শুরুর ২২ দিন পরে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করল।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে অশান্তির আঁচ! ৩৭০ ধারা রদের চতুর্থ বার্ষিকীতে ফের গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ৭টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাড়ি দিল ইসরোর রকেটে চড়ে

    ISRO: ৭টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাড়ি দিল ইসরোর রকেটে চড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান-৩-এর সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে কয়েকদিন আগেই। ফের ইসরোর (ISRO) মুকুটে জুড়লো নয়া পালক।  শুরু হল পিএসএলভি-সি৫৬/ ডিএস-সার (PSLV-C56/ DS-SAR) মিশন। পিএসএলভি-সি৫৬ রকেটে পাঠানো হল সিঙ্গাপুরের সাতটি স্যাটেলাইট। রবিবার সকাল ৬.৩০টায় উৎক্ষেপণের সময় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলানো হয় উৎক্ষেপণের সময়। ৪ মিনিট পিছিয়ে যায় উৎক্ষেপণের সময়। ৬টা ৩৪ মিনিটে উৎক্ষেপণ হয়। ইসরোর (ISRO) তরফে জানানো হয়েছে প্রতিট কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৫৩৫ কিমি উপরে স্থাপিত হবে।

    একনজরে দেখে নেব সাতটি স্যাটেলাইট

    ১. ডিএস-সার (DS-SAR)

    ২. ভেলোক্স-এএম (VELOX-AM ), এটি একধরনের টেকনোলজি ডেমনস্ট্রেশন মাইক্রোস্যাটেলাইট

    ৩. আর্কেড (ARCADE)-এটি একটি পরীক্ষামূলক উপগ্রহ

    ৪. স্কুব-২- এটি হল একটি থ্রি ইউ (3U) ন্যানো স্যাটেলাইট

    ৫. নুলিয়ন (NuLIon) স্যাটেলাইট- এটি খুবই উন্নত থ্রি ইউ (3U) ন্যানোস্যাটেলাইট। জানা গিয়েছে এই কৃত্রিম উপগ্রহ শহুরে এবং দূরবর্তী উভয় স্থানেই নিরবিচ্ছিন্নভাবে আইওটি ( IoT-Internet Of Things) সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম।

    ৬. গালাসিয়া-২ (Galassia-2), এটি একটি থ্রি ইউ (3U) ন্য়ানোস্য়াটেলাইট।

    ৭. ওআরবি-১২ স্ট্রিডার (ORB-12 STRIDER)- এই স্যাটেলাইটটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২৬ অগাস্ট ভারতের প্রথম সৌর মিশন আদিত্য এল-১ উৎক্ষেপণ হবে

    ২০২০ সালেই সৌর মিশনের পরিকল্পনা করেছিল ভারত (ISRO)। সেবছর আদিত্য এল-১ মিশনের প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছিল ভারত। কিন্তু সেসময় করোনা পরিস্থিতির কারণে এই মিশন পিছিয়ে যায়। ২০২৩ সালে ফের সেই সূর্য মিশনে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসরো (ISRO)। চন্দ্রযান-৩ এর উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোভার চাঁদের মাটিতে পা রাখবে ২৩-২৪ অগাস্ট। এবং দেশের সৌর মিশনের দিন ইসরো (ISRO) ঠিক করেছে ২৬ অগাস্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমের বাঙালি সন্তানের যোগ মিলল চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণে, উচ্ছ্বসিত রাজ্যবাসী

    Birbhum: বীরভূমের বাঙালি সন্তানের যোগ মিলল চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণে, উচ্ছ্বসিত রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদে যান পাঠানোর কর্মযজ্ঞে বিশেষ যোগ মিলল বীরভূমের প্রত্যন্ত গ্রামের বাঙালি সন্তান বিজয়কুমার দাই-এর। ইসরোর গবেষণাগারে বসে চন্দ্রযান-৩ সফল উৎক্ষেপণে অংশ নিয়েছেন বীরভূমের (Birbhum) মল্লারপুর থানার দক্ষিণগ্রামের দাই পাড়ার এই সন্তান। তফশিলি দরিদ্র চাষি পরিবারে জন্ম নেওয়া বিজয় কুমার দারিদ্রতাকে জয় করে চাঁদে যান পাঠালেন। বিশ্বজোড়া কর্মকাণ্ডে ছেলের অংশগ্রহণে গর্বিত বিজয়ের বাবা-মা ও তাঁর গ্রামের মানুষজন। চন্দ্রযান-২ সফল না হলেও চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবে বলে আশা তাঁর বাবা ও মায়ের। এই যোগদানে বিজয় কুমারের জন্য রাজ্যবাসীও আপ্লুত।

    কোথায় পড়াশুনা করেছেন বিজয়কুমার দাই (Birbhum)?

    ২০০০ সালে বীরভূমের (Birbhum) মল্লারপুর থানার দক্ষিণগ্রাম জগত্তারিণী বিদ্যায়তন থেকে ৮৯ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন বিজয়কুমার দাই। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠ থেকে। তারপর কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার ডিগ্রি লাভ করেন। তারপরেই চাকরি পেয়ে যান ইসরোর গবেষণা কেন্দ্রে। এরপর সেখানেই চন্দ্রযান-২ এবং চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণে অংশগ্রহণ করেন তিনি। বিজয়কুমার দাই-এর এই সাফল্যে খুশি দক্ষিণগ্রামের মানুষজন। দক্ষিণগ্রাম জগত্তারিণী বিদ্যায়তনের শিক্ষককরাও ভীষণ উচ্ছ্বসিত।

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবারের (Birbhum) পক্ষে বাবা নারায়ণচন্দ্র দাই বলেন, এই চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের সাফল্য কামনা করি। অনেক পরিশ্রম করে ইসরোতে চাকরি পেয়েছে আমার ছেলে। পড়াশুনায় কোনও খামতি রাখেনি বিজয়। দিনরাত পরিশ্রম এবং পড়াশুনা করে আজ এই জায়গাতে পৌঁছেছে। ওর মঙ্গল কামনা করি। তবে ছেলে কাজের জন্য খুব ব্যস্ত থাকে, তাই রাতের দিকেই মূলত ওর সঙ্গে কথা হয়। মা শ্যামলী দাই বলেন, টিভিতে দেখলাম চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের ছবি, খুব ভালো লাগেছে। ছেলের জন্য বেশ গর্ব অনুভব করি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমার বড় ছেলে ওকে এই পড়াশুনার জন্য উৎসাহ ও প্রেরণা যুগিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা তো চাষাবাস করি অত বুঝি না। বড় ছেলে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। বড় ছেলেই মেজ ছেলেকে যে পথ দেখিয়েছে তারপর থেকে সেই পথেই চলছে বিজয়। ভগবান ওর মঙ্গল কামনা করুক, ওঁদের অভিযান যেন সর্বাত্মক সাফল্য লাভ করে, ঈশ্বরের কাছে সেই কামনাই করি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ‘‘চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ক্ষেত্রে ভারত হতে চলেছে চতুর্থ দেশ’’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Chandrayaan 3: ‘‘চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ক্ষেত্রে ভারত হতে চলেছে চতুর্থ দেশ’’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি সপ্তাহের শুক্রবারই চাঁদের দেশে পাড়ি দিতে চলেছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)। চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ক্ষেত্রে ভারত হতে চলেছে চতুর্থ দেশ (আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর)। রবিবার এমনই বিবৃতি দিলেন মহাকাশ মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। চাঁদের মাটিতে অবতরণের পরে ৬ চাকার রোভারটি ১৪ দিন ধরে অনুসন্ধান ও গবেষণা চালাবে বলে জানা গিয়েছে। রোভারটিতে রয়েছে একাধিক ক্যামেরা, যা চন্দ্রপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশের ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাবে।

    আরও পড়ুন: ১৪ জুলাই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! ল্যান্ডিং কবে, জানিয়ে দিল ইসরো

    মিশনের ৩ উদ্দেশ্য

    মহাকাশ মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) মিশনের তিনটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত, এই মিশনের দ্বারা চাঁদের মাটি ছোঁয়া, দ্বিতীয়ত, রোভারটিকে চাঁদের মাটিতে সক্রিয়ভাবে চালানো এবং তৃতীয়ত চাঁদের বিভিন্ন অজানা দিকগুলি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান চালানো। রবিবার কেন্দ্রীয় মহাকাশ মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মোদি জমানায় মহাকাশ গবেষণায় ভারত এগিয়েছে অনেকটা বেশি। ইসরোর পরিকাঠামোগত অনেক উন্নয়নই হয়েছে মোদি জমানায়। প্রসঙ্গত নরেন্দ্র মোদির জমানায় মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বেসরকারি দরজাও খুলে দেওয়া হয়েছে। মহাকাশ মন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘‘নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক মার্কিন সফর মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। আমেরিকার মতো দেশ যারা আমাদের অনেক আগে মহাকাশ গবেষণা চালাচ্ছে, তারাও আজ ভারতের দিকে তাকিয়ে। আমাদের দেশের সঙ্গে তারা বেশ কয়েকটি মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।’’

    মিশনের খুঁটিনাটি

    ২০১৯ সালে ভারত ‘চন্দ্রযান ২’ উৎক্ষেপণ করেছিল। ল্যান্ডিংয়ের আগে, মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযানের। চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ ও রোভার ‘প্রজ্ঞান’। তারপর চার-চারটে বছর কেটে গিয়েছে। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পুরোদস্তুর প্রস্তুতি নিয়ে নামছে ইসরো। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে। এস সোমনাথ বলেন, “আমরা চাঁদে সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সক্ষম হব।” ইতিমধ্যেই, ‘চন্দ্রযান ৩’-কে (Chandrayaan 3) মহাকাশে বহনকারী রকেটের সাথে সংযুক্ত করেছে। প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরে ‘জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’ বা ‘জিএসএলভি মার্ক ৩’ (GSLV Mark 3) রকেটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’। বুধবার, এই রকেটের মাথায় পেলোড সংযুক্ত করা হয়। এই পেলোডের মধ্যে রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল। মূলত তিনটি জিনিস রয়েছে এই মডিউলে। একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালসন মডিউল। বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে এই পেলোড ফেয়ারিংয়ে ভর করে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল চাঁদের উপরে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। সেখান থেকে চাঁদের বুকে অবতরণ-পর্ব শুরু করবে ল্যান্ডার ও রোভার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে কত? আগের থেকে তফাৎ কোথায়?

    Chandrayaan-3: ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে কত? আগের থেকে তফাৎ কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিস্থিতি সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের ১৪ তারিখ মহাকাশের উদ্দেশে রওনা হবে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। এখনও পর্যন্ত ইসরোর তরফ থেকে এই দিনটিকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাই প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী থাকতে চলেছে ভারত তথা সমগ্র বিশ্ব। চন্দ্রযান বহনকারী হেভিয়েস্ট স্পেস ক্র্যাফ্ট লঞ্চ হবে সেইদিন। এটিই ভারতের প্রথম হেভিয়েস্ট জিএসএলভি। এটি তৈরি করা হয়েছে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে। জানা গিয়েছে, যে রকেটের মাধ্যমে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে, ইতিমধ্যে সেটি অ্যাসেম্বল করা হয়ে গিয়েছে।

    ভারতের ইতিহাসে পূর্বের কিছু চন্দ্র অভিযান

    ২০০৮ সালে ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান শুরু হয় চন্দ্রযান-১ এর মাধ্যমে। সেই বছর চাঁদের কক্ষপথে এটিকে স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিল ইসরো। এর পর ২০১৯ সালের চন্দ্রযান ২ উৎক্ষেপণ করা হয়। কিন্তু উৎক্ষেপণের পর যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্দিষ্ট কক্ষপথ থেকে সরে গিয়ে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ে সেটি। ফলে এটি অসফল থেকে যায়। আর এই অসফল প্রজেক্টকে সফল করার লক্ষ্যেই এখন পাখির চোখ চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)।

    এবারের চন্দ্রযানে (Chandrayaan-3) কী কী নতুন জিনিস যোগ করা হয়েছে?

    চাঁদের মাটিতে দক্ষিণ প্রান্তে সফলভাবে ল্যান্ড করানোর উদ্দেশ্যে চন্দ্রযান-৩ তে (Chandrayaan-3) থাকবে একটি ল্যান্ডার ও রোভার এবং একটি প্রোপালশান মডিউল। লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক ৩-এর সঙ্গে ইতিমধ্যে জুড়ে দেওয়া হয়েছে চন্দ্রযান-৩ কে। এই চন্দ্রযানটির মোট ওজন চার হাজার কিলোগ্রামের কাছাকাছি। এর মধ্যে বিশেষভাবে প্রোপালশান মডিউলটিকে গবেষণার শীর্ষে রাখা হয়েছিল। কারণ চাঁদের কক্ষপথে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ল্যান্ডার ও রোভারটিকে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্য একমাত্র এই প্রোপালশান মডিউলের। এটির ওজন ২ হাজার ১৪৮ কিলোগ্রাম। রোভারটিকে সফলভাবে চাঁদের মাটিতে নামানোর কাজ করবে ল্যান্ডারটি। একটি ফর্মারের ভিতরে যুক্ত রয়েছে এই রোভারটি, যার ওজন ১ হাজার ৭৫২ কিলোগ্রাম।

    পূর্বের চন্দ্রযান ২ এর রোভারের সাথে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর রোভারের কী পার্থক্য রয়েছে?

    চন্দ্রযান-২ এর রোভারের সাথে বিশেষ কিছু পার্থক্য না থাকলেও এর কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোনও রকম যান্ত্রিক গোলযোগ এবং সমস্যার যাতে সম্মুখীন না হয়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আগের থেকে রোভারটির কিছু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। প্রোপালশান মডিউলটির ৭৫৮ ওয়াট, ল্যান্ডার মডিউলটির ৭৩৮ ওয়াট এবং রোভারটির ৫০ ওয়াট শক্তি উৎপাদন করার মতো ক্ষমতা রয়েছে এবার (Chandrayaan-3)।

    কী উদ্দেশ্য এই চন্দ্রযান-৩ এর (Chandrayaan-3)?

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর তরফ থেকে জানা গেছে, চাঁদের মাটিতে বিনা সমস্যায় নির্বিঘ্নে এই চন্দ্রযানটিকে অবতরণ করিয়ে চাঁদ নিয়ে গবেষণার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। যেটি হতে চলেছে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে চাঁদের অজানা তথ্যকে সংগ্রহ করে পৃথিবীতে পাঠাবে এই চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)।

    সমগ্র প্রকল্পটিতে কত খরচ হয়েছে এখনও পর্যন্ত?

    ইসরোর তরফ থেকে ২০১৯ এর তথ্য অনুযায়ী এই সমগ্র প্রকল্পটির (Chandrayaan-3) জন্য যে অর্থায়নের অনুরোধ করা হয়েছিল, সেখানে উল্লেখ ছিল ৭৫ কোটি টাকা। যার মধ্যে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬০ কোটি টাকা বা ৮.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বাকি ১৫ কোটি রাজস্ব বহন বাবদ ধার্য করা হয়েছিল। ইসরোর সভাপতি কে সিভান জানিয়েছিলেন, এই সমগ্র অভিযানে খরচ হবে প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা, যা মার্কিন ৮৬ মিলিয়ন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ১৩ জুলাই চাঁদের দেশে পাড়ি দিচ্ছে চন্দ্রযান-৩, ঘোষণা ইসরোর

    Chandrayaan 3: ১৩ জুলাই চাঁদের দেশে পাড়ি দিচ্ছে চন্দ্রযান-৩, ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। চন্দ্রযান-২ মিশনে অবতরণের ঠিক প্রাক মুহূর্তে ভেঙে পড়ে ল্যান্ডার বিক্রম। প্রধানমন্ত্রীর সামনে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন ইসরো চেয়ারম্যান কে শিবন। ৪ বছরের অপেক্ষা ও ইসরোর পরিশ্রমের পর ফের একবার চাঁদের মাটি ছোঁয়ার স্পর্ধা দেখাতে চলেছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)।  একবার ব্যর্থ হলেও এবার প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না ইসরো। বুধবারই চন্দ্রযান-৩-এর উৎক্ষেপণের দিন ঘোষণা করে দিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: নিউমোনিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচতে শিশুদের মতো বয়স্কদেরও কি টিকা জরুরি?

    চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) কবে পাড়ি দিচ্ছে

    জানা গিয়েছে, আগামী ১৩ জুলাই দুপুর আড়াইটে নাগাদ চাঁদের দেশে রওনা দেবে চন্দ্রযান-৩। মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হবে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রের সবচেয়ে ভারী লঞ্চ ভেহিকেল থেকে। এই লঞ্চ ভেহিকেলের নাম মার্ক-৩। এই মিশনটির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৬১৫ কোটি টাকা।

    চাঁদের মাটিতে নেমে দু সপ্তাহ গবেষণা চালাবে

    ইসরো সূত্রে খবর, চন্দ্রযান-২ অভিযানে পাঠানো অরবিটরটি এখনও ভালোভাবেই চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। তাই এবারের অভিযানে ইসরো আর কোনও অরবিটার পাঠাবে না চাঁদের কক্ষপথে। চাঁদের মাটিতে নামতে কক্ষপথে থাকা চন্দ্রযান-২ এর অরবিটারেরই সাহায্য নেওয়া হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) এর সঙ্গে যাওয়া ল্যান্ডার আর তার ভিতরে থাকা রোভার চাঁদের মাটি স্পর্শ করবে।

    চাঁদের দেশে রোভারের কাজ

    চাঁদের মাটিতে নেমে রোভারটি গবেষণা চালাবে দু’সপ্তাহ। যার জন্য এসা-র পাশাপাশি নাসার ডিপ স্পেস নেটওয়ার্কেরও সাহায্য নেবে ইসরো। কী কারণে চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার বিক্রমের সফ্ট ল্যান্ডিং সফল হয়নি, তা নিয়েও একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে ইসরো। সেখানে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন আসল কারণ।

    আরও পড়ুন: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা

    চন্দ্রযান ২-এর সময় যা ঘটেছিল

    এর আগে, ২০১৯ সালে চাঁদের বুকে অবতরণের চেষ্টা চালিয়েছিল ইসরো। সেটিই ছিল চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম প্রয়াস। চন্দ্রযান ২-কে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিল জিএসএলভি রকেট। তাতে ছিল একটি ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ ও একটি রোভার ‘প্রজ্ঞান’। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের কথা ছিল চন্দ্রযান ২-এর। মূলত, চাঁদে জলের অস্তিত্বর প্রমাণের খোঁজ করা এবং পৃথিবীর উপগ্রহের মাটি ও তার তলায় থাকা খনিজের সন্ধান করাই ছিল প্রজ্ঞানের লক্ষ্য।

    কিন্ত, অবতরণের ঠিক আগে মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযান ২-এর। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্দিষ্ট কক্ষপথ ও অবতরণ স্থল থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়ে অবশেষে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে (বিজ্ঞানের পরিভাষায় হার্ড ল্যান্ডিং) চন্দ্রযান ২।

    চন্দ্রযান ৩ নিয়ে সতর্ক ইসরো

    চার বছর আগের সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে নারাজ ইসরো। তা থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে চন্দ্রযান ৩-এ (Chandrayaan 3)। যেমন প্রথমেই অবতরণের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। পাশাপাশি, ল্যান্ডার ও রোভার নামানোর ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • ISRO NVS-01: ইসরোর মুকুটে নয়া পালক! মহাকাশে প্রতিস্থাপিত এনএভিএস-০১ উপগ্রহ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    ISRO NVS-01: ইসরোর মুকুটে নয়া পালক! মহাকাশে প্রতিস্থাপিত এনএভিএস-০১ উপগ্রহ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মুকুটে জুড়ল নতুন পালক। সোমবার মহাকাশে সফলভাবে প্রতিস্থাপিত হল দেশীয় অত্যাধুনিক নতুন প্রজন্মের নেভিগেশন স্যাটেলাইট এনএভিএস-০১ (ISRO NVS-01)। নাবিক শ্রেণির এই উপগ্রহের ফলে দেশে যোগাযোগ ও ম্যাপিং ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে, ভীষণভাবে উপকৃত হবে দেশের সামরিক বাহিনী বলেও ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের।

    জিওসিনক্রোনাস কক্ষপথে স্থাপিত

    এদিন ১০টা ৪২ মিনিট নাগাদ অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধবন স্পেস সেন্টারের দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড থেকে ২ হাজার ৪২০ টন ওজনের বিশাল জিএসএলভি এফ-১২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় নতুন প্রজন্মের ২৩২ কেজির উপগ্রহটি। ১৯ মিনিট পর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় লোয়ার আর্থ অরবিট বা নিম্ন কক্ষপথে উপগ্রহটিকে পৌঁছে দেয় রকেটটি। এর পর সেখান থেকে নিজে যাত্রা করে ৩৬ হাজার ৫৬৮ কিলোমিটার উচ্চতায় পৃথিবীর জিওসিনক্রোনাস কক্ষপথে স্থাপিত হয় এনভিএস-১ (ISRO NVS-01)। উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরবে এই স্যাটেলাইট। 

    কতটা উন্নত হবে নেভিগেশন ব্যবস্থা?

    ইসরোর এই পদক্ষেপ দেশীয় নেভিগেশন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করবে। এটি আদতে ভারতের নিজস্ব নেভিগেশন ব্যবস্থা (ISRO NVS-01)। এতদিন সকলে যেমন মার্কিন গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস ব্যবহার করে এসেছেন, এবার তার পরিবর্তে ভারতে তৈরি ভারতের নিজস্ব নেভিগেশন ব্যবস্থায় বজায় থাকবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, এটি সাতটি উপগ্রহের একটি নক্ষত্রপুঞ্জের অংশ, যা সশস্ত্র বাহিনী-সহ অসামরিক যানকে নেভিগেশন পরিষেবা প্রদান করবে। 

    এর আগে ভারতীয় আঞ্চলিক ন্যাভিগেশন সিস্টেম (IRNSS)-এর অধীনে সাতটি NavIC উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সেগুলি ছিল আইআরএনএস-১এ, আইআরএনএস-১বি, আইআরএনএস-১সি, আইআরএনএস-১ডি, আইআরএনএস-১ই, আইআরএনএস-১এফ ও আইআরএনএস-১জি স্যাটেলাইট। এদিন ইসরো প্রধান এস সোমনাথ জানান, পুরনো সাতটির মধ্যে তিনটে অকেজো হয়ে গিয়েছে। যে কারণে, এবার নতুন পাঁচটি পরবর্তী প্রজন্মের নাবিক স্যাটেলাইট তৈরি করা হয়। 

    আরও পড়ুন: ইতিহাসে প্রথম! নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে অখণ্ড ভারতের ভাস্কর্য

    উপগ্রহে রয়েছে পারমাণবিক ঘড়ি

    ইসরোর দাবি, নতুন প্রজন্মের এই উপগ্রহের কাজ হল মোবাইলে অবস্থান ভিত্তিক পরিষেবা করা। স্যাটেলাইটের জন্য কক্ষপথ নির্ধারণ করা। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, পাওয়ার গ্রিড এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলির জন্য সময় পরিষেবা করা। রিয়েল টাইম পজিশনিং বা ঠিক সেই মুহূর্তের অবস্থান বলতে সক্ষম এনভিএস-১ (ISRO NVS-01)। এটি সম্ভব হয়েছে কারণ, এই উপগ্রহে ব্যবহার করা হয়েছে রুবিডিয়াম পারমাণবিক ঘড়ি। বিশ্বের হাতে গোনা দেশ রয়েছে, যারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে। 

    কতটা লাভবান হবে সেনা?

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপগ্রহের ফলে সামরিক বাহিনী ভীষণভাবে উপকৃত হবে। তাঁরা জানান, এবার জঙ্গিদের সঠিক পজিশন জানতে কষ্ট করতে হবে না বাহিনীকে। জঙ্গিদের সেই মুহূর্তের সঠিক অবস্থান একেবারে হাতের মুঠোয় থাকবে। ফলে, যে কোনও অভিযানে এটি দারুন কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, কার্গিল যুদ্ধের সময়, পাক অনুপ্রবেশকারীদের তথ্য জানতে জিপিএস পজিশনিং ব্যবহারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাহায্য চেয়েছিল ভারত। ওয়াশিংটন তা দিতে অস্বীকার করেছিল। তখন থেকেই নিজস্ব নেভিগেশন ব্যবস্থা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

LinkedIn
Share