Tag: ISRO

ISRO

  • Aditya-L1: শুরু হল ২৪-ঘণ্টার কাউন্টডাউন, শনিবারই মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে আদিত্য এল-১

    Aditya-L1: শুরু হল ২৪-ঘণ্টার কাউন্টডাউন, শনিবারই মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে আদিত্য এল-১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্টের ২৩ তারিখই চাঁদের মাটিতে অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। গড়েছে নতুন ইতিহাস। প্রথম কোনও দেশ হিসেবে দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করতে পেরেছে আমাদের ভারত। এবার তোড়জোড় শুরু হয়েছে সূর্য অভিযানের। শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ভারতের মাটি থেকে এই মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেবে আদিত্য এল-১ (Aditya-L1)। সৌর মিশনের প্রস্তুতিও তুঙ্গে চলছে ইসরোতে। জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকেই সূর্যকে নিরীক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা (Aditya-L1) চালাবেন অনুসন্ধান এবং গবেষণা।

     

     

    শনিবার সকাল ১১টা ৫০মিনিটে সূর্যের উদ্দেশে পাড়ি দেবে আদিত্য এল-১  

    শনিবার সকাল ১১টা ৫০মিনিট নাগাদ অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রী হরিকোটা সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যাল বা পিএসএলভি-এক্সএল রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেবে আদিত্য এল-১ (Aditya-L1)। নজরদারি চালাবে সূর্যের বায়ুমণ্ডলের বাইরের আবরণের। এর ফলে সৃষ্টির আদিতে সূর্য কেমন ছিল! সূর্য (Aditya-L1) ভবিষ্যতে কিরকম হতে পারে! তার অনেক কিছুই জানা যাবে। এই অভিযানের মাধ্যমে। এই আবহে ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘সফলভাবে উৎক্ষেপণের (Aditya-L1) মহড়া শেষ হয়েছে। এদিকে সব যন্ত্রাংশ সঠিক ভাবে কাজ করছে কি না, সেই পরীক্ষাও সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’’

    সৌরমিশনের আরও খুঁটিনাটি

    সূর্যের উপর গবেষণা চালানোর জন্য রয়েছে ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট। জানা যায়, গণিতবিদ জোসেফ লুইস ল্যাগ্রাঞ্জ এই পয়েন্টের আবিষ্কারক ছিলেন। এখান থেকে নিরাপদ ভাবে সূর্যকে নিরীক্ষণ (Aditya-L1) করা যায়। পর্যবেক্ষণ করা যায়। কোন রকমের বাধাবিঘ্ন ছাড়াই। সব তথ্য এখান থেকে হাতে পাওয়া সম্ভব। ইসরোর মহাকাশযান এই ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট থেকে এই সূর্যকে গবেষণা চালাবে। জানা গিয়েছে, এই মহাকাশযান আগামী পাঁচ বছর ধরে সূর্যকে নিরীক্ষণ করবে। প্রসঙ্গত, সূর্যকে পর্যবেক্ষণ (Aditya-L1) করতেই প্রথম কোনও উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। স্যাটেলাইটে রয়েছে মোট সাতটি যন্ত্র। এই উপগ্রহের মূল পেলোডটি তৈরি করেছেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্র ফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা। জানা গিয়েছে, আদিত্য এল-১ (Aditya-L1) তার গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় নেবে ১২৫ দিন। যেখানে এই স্যাটেলাইট পাঠানো হচ্ছে সেখান থেকে পৃথিবীর দূরত্ব ১৫ লাখ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3 Update: কেঁপে উঠল চাঁদ! চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম কী বার্তা দিল ইসরোকে?

    Chandrayaan-3 Update: কেঁপে উঠল চাঁদ! চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম কী বার্তা দিল ইসরোকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদেও কি ভূমিকম্প হয়? বৃহস্পতিবার ইসরো চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3 Update) মিশন পরিচালিত আরেকটি ইন-সিটু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেছে। সেখানেই মিলেছে এই মহাজাগতিক ঘটনার প্রমাণ। লুনার সিসমিক অ্যাক্টিভিটি (ILSA) নতুন একটি তথ্য রেকর্ড করেছে। ঘটনাটিকে ‘স্বাভাবিক’ বলে মনে করছে ইসরো। তবে এবিষয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    ইসরোর ট্যুইট

    ইসরোর তরফে ট্যুইটে জানানো হয়েছে, চন্দ্রযান-৩ মিশন, ইন-সিটু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্র – চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডারে লুনার সিসমিক অ্যাক্টিভিটি (আইএলএসএ) পেলোড চাঁদে প্রথম মাইক্রো ইলেক্ট্রো মেকানিক্যাল সিস্টেম (এমইএমএস) প্রযুক্তি-ভিত্তিক যন্ত্র রোভারের ও অন্যান্য পেলোডের গতিবিধি রেকর্ড করেছে। উপরন্তু ২৬ অগাস্ট ২০২৩-এ এমন একটি ঘটনা রেকর্ড করেছে যা একটি ‘স্বাভাবিক’ ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তবে এবিষয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন।

    কী কী তথ্য পেল ইসরো

    চাঁদের মাটিতে নানান ধরনের বিষয় নিয়ে গবেষণা করছে ইসরো। চন্দ্রযান-৩ তাতে সাহায্য করছে। আর চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3 Update) এর খুঁজে বের করা জিনিসপত্রের ফলাফল থেকেই দেখা গিয়েছে, চাঁদের মাটিতে কম্পন খেলে যাওয়ার বিষয়টি ‘প্রাকৃতিক’। এছাড়াও, রোভার প্রজ্ঞান ও বাকি পেলোড চাঁদের মাটিতে চলাচলের ফলে যে কম্পন হচ্ছে, তাও রেকর্ড করা গিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরো। চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডারে ‘ইনসট্রুমেন্ট ফর লুনার সিসেমিক অ্যাক্টিভিটি পে লোড’ নিজের কাজ চালাচ্ছে। তার দৌলতেই চাঁদের মাটিতে কিছু ‘মুভমেন্ট’ রেকর্ড করতে পারা গিয়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: ফুরিয়ে আসছে আয়ু, হাতের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত প্রজ্ঞান

    চন্দ্রযান-৩ এর ‘ইনসট্রুমেন্ট ফর লুনার সিসেমিক অ্যাক্টিভিটি পে লোড’ -এর কাজ হল চাঁদের মাটিতে কোথায় স্বাভাবিক কম্পন হচ্ছে, কোথায় কম্পনের প্রভাব রয়েছে, আর্টিফিশিয়াল কোনও ঘটনা ঘটছে কি না, তার সম্পূর্ণটা রেকর্ড করা।  সামনে এসছে আরও একটি তথ্য। ইসরো বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, চাঁদের যে অংশে বিক্রম অবতরণ করেছে, সেখানকার তাপমাত্রা ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। কিন্তু সেই ভাবনা ছিল ভুল। ইসরোর বিজ্ঞানীদের মতে, সেখানকার তাপমাত্রা ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ইসরোর কাছে সময় চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কেন জানেন?

    Jadavpur University: ইসরোর কাছে সময় চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডে (Jadavpur University) মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর সঙ্গে কথা বলেছিলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছিলেন ইসরোর চেয়ারম্যানের সঙ্গে। তার পরেই যাদবপুরে প্রতিনিধি দল পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিলেন ইসরো কর্তা।

    সময় চাইল বিশ্ববিদ্যালয় 

    ঠিক হয়েছিল, ইসরোর এক প্রতিনিধি দল আসবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখার পাশাপাশি তাঁরা যাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলেও। তবে দু এক দিনের মধ্যেই যাদবপুরে আসছে না ইসরোর প্রতিনিধি দল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ তাঁদের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই যাদবপুরের অস্থায়ী উপাচার্য পদে বসেছেন গণিতের শিক্ষক বুদ্ধদেব সাউ। ছাত্রমৃত্যুর ব্যাপারে যে পরিমাণ নথি জোগাড় করা প্রয়োজন ছিল, তা এখনও করে উঠতে পারেননি তিনি। তাই সপ্তাহখানেক সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছে ইসরোর কাছে।

    অস্বাভাবিক মৃত্যু পড়ুয়ার 

    দিন কয়েক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় স্নাতক বাংলা প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার। নদিয়ার ওই ছাত্রমৃত্যুর জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তার পরেই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে কথা বলেন আনন্দ বোস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়রে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সাহায্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। ইসরোর প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই যাদবপুরে আসছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: একই ব্যাঙ্কে আলাদা নামে দুই অ্যাকাউন্ট রুজিরার! ফাঁসতে পারেন অভিষেকের স্ত্রী?

    জানা গিয়েছে, ইসরোর প্রতিনিধি দল মূলত দেখবে স্যাটেলাইটকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ করা যায় কিনা। ক্যাম্পাসে মাদক সেবন ও মদ-মাদক নিয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে কোনও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের যন্ত্র বসানো রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে সিসি ক্যামেরাও বসানো হচ্ছে বলে খবর। এজন্য রাজ্যের তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা পাঠানো হচ্ছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। এদিকে, শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকেই যোগ দেবেন ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ‘‘যেন কোনও শিশু চাঁদমামার পিঠে খেলা করছে’’! চক্রাকারে ঘুরছে প্রজ্ঞান, দেখছে বিক্রম

    Chandrayaan 3: ‘‘যেন কোনও শিশু চাঁদমামার পিঠে খেলা করছে’’! চক্রাকারে ঘুরছে প্রজ্ঞান, দেখছে বিক্রম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের বুধবারই চাঁদের মাটিতে পা রেখেছে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। তার পেটের ভেতর থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে এসেছে রোভার প্রজ্ঞান। ইতিমধ্যে চন্দ্রপৃষ্ঠের (Chandrayaan 3) একাধিক ছবি ইসরোর সদর দফতরে পাঠিয়েছে প্রজ্ঞান। এর মধ্যে রয়েছে তার নিজের ক্যামেরায় তোলা বন্ধু বিক্রমের ছবি। যা ৩০ অগাস্ট নিজেদের এক হ্যান্ডেল থেকে পোস্টও করেছে ইসরো (Chandrayaan 3)। তবে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞানের চন্দ্র ভ্রমণের (Chandrayaan 3) একটি ভিডিও ইসরো প্রকাশ করেছে। এমন ভিডিও আগে অবশ্য দেখা যায়নি। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে চক্রাকারে ঘুরছে প্রজ্ঞান এবং অনবরত চালিয়ে যাচ্ছে তার অনুসন্ধান ও গবেষণা।

    ইসরোর ট্যুইট

    বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ ইসরো একটি ভিডিও টুইট করে। তাতেই চন্দ্রপৃষ্ঠে (Chandrayaan 3) প্রজ্ঞানকে চক্রাকারে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। প্রথমে দেখা যাচ্ছে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে সামনে এগোচ্ছে প্রজ্ঞান। তারপর আবার দাঁড়িয়ে থেকে ঘুরছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নিরাপদ পথ খুঁজতেই এভাবে চক্রাকারে ঘোরে প্রজ্ঞান।  ইসরো (Chandrayaan 3) তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখছে, ‘‘মনে হচ্ছে কোনও শিশু যেন চাঁদমামার পিঠে খেলা করছে আর দূরে দাঁড়িয়ে তার মা সেই খেলা দেখছে।’’

    চাঁদে (Chandrayaan 3) গবেষণা চলছে প্রজ্ঞানের  

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই চাঁদের মাটিতে অষ্টম দিন পূর্ণ করল ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞান। দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো আর ৬ দিন থাকবে। তারপরে প্রজ্ঞানের কী হবে তা ভবিষ্যতই বলবে। এই সূর্যের আলো থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি সংগ্রহ করে ঘুরছে প্রজ্ঞান। প্রসঙ্গত, পৃথিবীর প্রথম কোনও দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে (Chandrayaan 3) অবতরণ করেছে ভারত। এতদিন পর্যন্ত দক্ষিণ মেরুতে কোনও দেশই অবতরণ করতে পারেনি। তাই মাত্র ১৪ দিনে যতটা সময় পাওয়া যাচ্ছে প্রজ্ঞান তত বেশি অনুসন্ধান এবং গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যে শিবশক্তি পয়েন্ট থেকে ১৫ ফুট দূরে এগিয়ে গিয়েছে প্রজ্ঞান (Chandrayaan 3)। আর তার গতিবিধি সম্পর্কে প্রতিমুহূর্তে ইসরোর সদর দফতরকে জানান দিচ্ছে বিক্রম। ইসরো সূত্রে আরও খবর, দক্ষিণ মেরুর পথে চলতে চলতে আচমকাযই কখনও কখনও চন্দ্রপৃষ্ঠে (Chandrayaan 3) বিপদের মুখে পড়ছে প্রজ্ঞান। বিক্রম সঙ্গে সঙ্গে তাকে সতর্ক করছে এবং নিজেই প্রজ্ঞান ঘুরে সঠিক রাস্তা বেছে নিচ্ছে। আর এই গোটাটাই ক্যামেরাবন্দি হচ্ছে চাঁদে। ইতিমধ্যে গবেষণায় মিলেছে অনেক কিছু তথ্য। আপাতত অক্সিজেন আবিষ্কার করে হাইড্রোজেনের রয়েছে কিনা তারই খোঁজ চালাচ্ছে রোভার। দক্ষিণ মেরুতে মিলেছে সালফারের উপস্থিতিও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই যাদবপুরে আসছে ইসরোর প্রতিনিধি দল, কেন জানেন?

    Jadavpur University: সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই যাদবপুরে আসছে ইসরোর প্রতিনিধি দল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) আসছেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ডাকে সাড়া দিয়ে যাদবপুরে আসছেন তাঁরা। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেতে পারেন হস্টেল পরিদর্শনেও। যাদবপুরের পাশাপাশি রাজ্যের আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁরা যেতে পারেন বলেও খবর। যাদবপুরে ভিডিও অ্যানালিটিক্স, টার্গেট ফিক্সিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজ করবে কিনা, মূলত তা-ই দেখবেন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নিয়েও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তাঁরা।

    ইসরোর সঙ্গে কথা আনন্দ বোসের 

    দিন কয়েক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় স্নাতক বাংলা প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার। নদিয়ার ওই ছাত্রমৃত্যুর জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তার পরেই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়রে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সাহায্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ইসরোর প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই যাদবপুরে আসছেন তাঁরা।

    মদ-মাদক বন্ধে

    স্যাটেলাইটকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ক্যাম্পাসে মাদক সেবন ও মদ-মাদক নিয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে কোনও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের যন্ত্র বসানো রয়েছে। এদিকে, সিসি ক্যামেরা বসানোর খরচ নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষ। খরচ জোগাড় করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আবেদন করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছেও।

    আরও পড়ুুন: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    জানা গিয়েছে, শেষমেশ সেই বরাদ্দ মিলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৮ লক্ষ টাকা। শিক্ষা দফতর ওই টাকা মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে অচিরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে চলে আসবে ৩৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৮৪ টাকা। তবে টাকা বরাদ্দ হলেও, কবে থেকে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব পেয়েছে সরকারি সংস্থা ওয়েবেল। এদিকে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকেই যোগ দেবেন ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদের মাটিতে বন্ধু বিক্রমের ছবি তুলল প্রজ্ঞান, ‘স্মাইল প্লিজ’ লিখে পোস্ট ইসরোর

    Chandrayaan 3: চাঁদের মাটিতে বন্ধু বিক্রমের ছবি তুলল প্রজ্ঞান, ‘স্মাইল প্লিজ’ লিখে পোস্ট ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের বুধবারই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। তার পেটের ভিতর থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে এসেছে রোভার প্রজ্ঞান। রোভার প্রজ্ঞানের তোলা একাধিক ছবি শেয়ার করেছে ইসরো। এবার প্রজ্ঞান রোভার তার সঙ্গী ল্যান্ডার বিক্রমের ছবি তুলল। বন্ধু প্রজ্ঞানের হাতে তোলা বিক্রমের সেই ছবি ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডেলে শেয়ার করতে দেখা গেল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে ইসরোকে।

    প্রজ্ঞানের ক্যামেরায় তোলা বিক্রমের ছবি পোস্ট ইসরোর

    ইসরোর পোস্ট করা ওই ছবির ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘‘স্মাইল প্লিজ! আজ সকালেই বিক্রম ল্যান্ডারের ছবি তুলেছে রোভার প্রজ্ঞান। ‘image of the mission’ তুলেছে রোভার প্রজ্ঞানে থাকা নেভিগেশন ক্যামেরা ন্যাভক্যাম।’’ 

    কী দেখা গেল ছবিতে

    প্রসঙ্গত, চন্দ্রযান (Chandrayaan 3) উৎক্ষেপণের পরপরই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছিল যে রোভার প্রজ্ঞান ও ল্যান্ডার বিক্রম একে অপরের ছবি তুলবে চাঁদের মাটিতে। আর সেই মতো এর আগে দেখা গিয়েছে বিক্রম ল্যান্ডারের ক্যামেরায় তোলা রোভারের ছবি এবং বুধবার সকালে দেখা গেল রোভার প্রজ্ঞানের ক্যামেরায় তোলা ল্যান্ডার বিক্রমের ছবি। ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে চাঁদের মাটিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতীয় সময় সকাল ৭টা ৩৫ মিনিট নাগাদ এই ছবি তুলেছে রোভার প্রজ্ঞান। 

    দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো থাকবে আর ৮দিন

    মঙ্গলবারই রোভার প্রজ্ঞান চাঁদের মাটিতে (Chandrayaan 3) অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্রোমিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন এবং অক্সিজেনের হদিশ পেয়েছে। বিজ্ঞানীদের আশা রোভার প্রজ্ঞানের কাছ থেকে মিলবে আরও অনেক কিছু তথ্য। প্রসঙ্গত, আর ৮ দিন চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো থাকবে। তারপরে রোভার প্রজ্ঞানের কী হবে তা ভবিষ্যতে বলবে! তবে এরই মধ্যে অনেক কিছুর হদিশ মিলতে পারে চাঁদের মাটিতে। জানা গিয়েছে চাঁদের মাটিতে এখন হাইড্রোজেনের সন্ধানে রয়েছে রোভার প্রজ্ঞান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মিলল সালফার! রয়েছে অক্সিজেনও, জলের খোঁজে প্রজ্ঞান

    Chandrayaan-3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মিলল সালফার! রয়েছে অক্সিজেনও, জলের খোঁজে প্রজ্ঞান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সালফার, অক্সিজেন, ক্যালসিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো ধাতু ও মৌল খুঁজে পেল চন্দ্রযান ৩-র (Chandrayaan-3) রোভার প্রজ্ঞান (Pragyan)। সেইসঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠে আরও একাধিক যৌগের হদিশ মিলেছে বলে জানিয়েছে ইসরো। ট্যুইটার হ্যান্ডলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই খবর জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO)।

    কী কী খনিজের খোঁজ মিলল

    ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, চাঁদের (Chandrayaan-3) দক্ষিণ মেরুর কাছে রয়েছে সালফার। নিশ্চিত করেছে রোভার প্রজ্ঞান (Pragyan)। তারা আরও জানিয়েছে, সালফারের পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, ক্রোমিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, অক্সিজেনের অস্তিত্বও মিলেছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। হাইড্রোজেনের খোঁজ চলছে। হাইড্রোজনের যদি সন্ধান পাওয়া যায়, তাহলে জলের উপস্থিতির বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে। মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, চন্দ্রযান ৩-র রোভার প্রজ্ঞানে ‘লেসার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কপি’ (সংক্ষেপে LIBS) আছে। যা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে চন্দ্রপৃষ্ঠে কী কী যৌগ আছে, সেটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে ‘লেজার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কপি’।

    আরও পড়ুন: ফুরিয়ে আসছে আয়ু, হাতের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত প্রজ্ঞান

    চাঁদ নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ

    গত ২৪ অগাস্ট ভোরে ল্যান্ডার বিক্রম থেকে নেমে এসেছিল রোভার প্রজ্ঞান (Pragyan)। তার পর থেকে ছ’চাকা বিশিষ্ট এই যান চাঁদে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার গতি প্রজ্ঞানের। তাতেই বাজিমাত করে চলেছে সে। প্রজ্ঞানে রয়েছে ‘লেজার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কপি’ প্রযুক্তি। এটি হল একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। যা লেজার পালসের মাধ্যমে বিভিন্ন উপকরণের গঠন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে। বেঙ্গালুরুর ইসরোতে ইলেক্ট্রো-অপটিকস সিস্টেমের গবেষণাগারে এই প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। চাঁদের মাটিতে ছ’দিন কাটিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদের (Chandrayaan-3) দক্ষিণ মেরুর কাছে যে অংশে ল্যান্ডার বিক্রম অবতরণ করেছে, আগে অন্য কোনও দেশ সেখানে মহাকাশযান পাঠাতে পারেনি। ফলে ওই এলাকাটি পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। প্রজ্ঞান যে তথ্য পাঠাচ্ছে, তা চাঁদ নিয়ে গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বলে জানিয়েছে ইসরো (ISRO)। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ‘‘কংগ্রেস টাকা বরাদ্দ করত না, বিশ্বাস করত না ইসরোকে’’, দাবি প্রাক্তন বিজ্ঞানীর

    ISRO: ‘‘কংগ্রেস টাকা বরাদ্দ করত না, বিশ্বাস করত না ইসরোকে’’, দাবি প্রাক্তন বিজ্ঞানীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণার কাজে কংগ্রেস সরকার টাকা বরাদ্দ করত না, বিশ্বাস করত না ইসরোকেও (ISRO), ঠিক এমনই অভিযোগ তুললেন ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রাক্তন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণ। একটি ভিডিও বার্তায় ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীকে (ISRO) এই কথাগুলো বলতে শোনা যাচ্ছে। নাম্বি নারায়ণের এই ভিডিও বার্তা ইতিমধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টও করা হয়েছে। ইসরোর (ISRO) প্রাক্তন বিজ্ঞানীর আরও দাবি, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন পূর্ববর্তী সরকার ইসরোকে (ISRO) বিশ্বাস করত না। কোনও রকম বাজেট বরাদ্দ করত না।

    কী বললেন নাম্বি নারায়ণ? 

    ইসরোর (ISRO) প্রাক্তন বিজ্ঞানী ‘দ্য নিউ ইন্ডিয়ান’ নামের একটি সংবাদ সংস্থায় সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে ল্যান্ডার বিক্রমের অবতরণ স্থানকে ‘শিবশক্তি’ নাম দেওয়া নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত, অবতরণ স্থানের এমন নামকরণ নিয়ে কংগ্রেস কটাক্ষ করেছে বিজেপিকে। এ প্রসঙ্গে নাম্বি নারায়ণ বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীকে পছন্দ নাই হতে পারে, এটা তাদের সমস্যা। তবে কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর। এটা মানতেই হবে। এর জন্য আর কে কৃতিত্ব পাবে! আগের কংগ্রেস সরকার আমাদের (ISRO) জন্য পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ করেনি। ইসরোর ওপর তাদের কোনও আস্থা, বিশ্বাস কিছুই ছিল না।’’ প্রসঙ্গত, মিথ্যা মামলায় নাম্বি নারাযণকে দীর্ঘদিন ধরে জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি নাকি বিদেশিদের তথ্য পাচার করেন। যদিও শেষ পর্যন্ত কিছুই পাওয়া যায়নি। বেকসুর খালাস দেওয়া হয় তাঁকে। ইতিমধ্যে তাঁর জীবনীর ওপর একটি ছবিও বানিয়েছেন মাধবন, যার নাম ‘রকেট্রি-দ্য নাম্বি এফেক্ট’।

    কংগ্রেস-বিজেপি চাপানউতোর

    প্রসঙ্গত চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদের মাটি স্পর্শ করার পর থেকেই কংগ্রেস-বিজেপি চাপানউতোর চলছে। চন্দ্রযান ১, ২০০৮ সালে যে জায়গায় ভেঙে পড়েছিল সেই স্থানের নামকরণ কংগ্রেস করেছিল ‘জওহর’। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নামে। এই নিয়ে বিজেপি বলে, ‘‘কংগ্রেসের আমলে চন্দ্রমিশন হলে চাঁদের বিভিন্ন জায়গার নামকরণ হতো ইন্দিরা পয়েন্ট, রাজীব পয়েন্ট ইত্যাদি।’’ কংগ্রেস আবার দাবি করেছে, জওহরলাল নেহরু ইসরোর প্রতিষ্ঠাতা। সে দাবিকেও নস্যাৎ করেছে বিজেপি। তাদের মতে, ইসরো (ISRO) প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৬৯ সালে, অন্যদিকে জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু হয়েছে ১৯৬৪ সালে। তাহলে কীভাবে তিনি ইসরোর প্রতিষ্ঠাতা হতে পারেন?

    আরও পড়ুুন: ‘‘দত্তপুকুর বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল আরডিএক্স,’’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চাঁদে নামার পর ৮ মিটার গড়ালো প্রজ্ঞানের চাকা! আপডেট দিল ইসরো

    Chandrayaan-3: চাঁদে নামার পর ৮ মিটার গড়ালো প্রজ্ঞানের চাকা! আপডেট দিল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের পৃষ্ঠে গুটি গুটি পায়ে হাঁটছে রোভার ‘প্রজ্ঞান’। চাঁদের অচেনা দিকগুলিকে চিনতে চেষ্টা চালাচ্ছে সে। এখনও পর্যন্ত চাঁদের বুকে হাঁটাহাঁটি করে কতটা পথ অতিক্রম করল চন্দ্রযান-৩, সে সম্বন্ধে আপডেট দিল ইসরো। ইসরোর তরফে ট্যুইটে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনা মাফিকই এগোচ্ছে রোভারের কার্যকলাপ। রোভারটি সফলভাবে প্রায় ৮ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে। 

    কীভাবে নামল প্রজ্ঞান

    ল্যান্ডার থেকে রোভার প্রজ্ঞান (Rover Pragyan) নেমেছে একটি ব়্যাম্পের সাহায্যে। মেট্রো স্টেশনে, কোনও শপিং মলে অনেকটা এমন ধরনের ব়্যাম্প আমরা দেখতে পাই। প্রায় ওই রকমই দেখতে কিন্তু আরও আধুনিক এবং সূক্ষ প্রযুক্তি নির্ভর ব়্যাম্প (Ramp) ব্যবহার হয়েছে রোভারটিকে নামাতে। ওই ব়্যাম্পটি ২টি সেগমেন্টের,আগে সেটি ল্যান্ডার বিক্রম থেকে নেমে চাঁদের মাটি ছোঁয়। তারপর সেটা বেয়ে নেমে আসে রোভার প্রজ্ঞান। তারপরেই একটি সোলার প্যানেল খুলে যায়, এটি লাগানো রয়েছে রোভার প্রজ্ঞানের গায়ে। এই সোলার প্যানেলের মাধ্যমেই শক্তি জোগাড় করবে প্রজ্ঞান। তারপরেই ধীরে ধীরে চাঁদের মাটিতে চাকা গড়ায় প্রজ্ঞানের। 

    আরও পড়ুন: দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী গেলেন ইসরোয়! বিক্রমের অবতরণ ক্ষেত্রের নাম দিলেন ‘শিবশক্তি’

    কতটা পথ অতিক্রম

    ইতিমধ্যেই চাঁদের পাথুরে মাটিতে ৮ মিটার পথ অতিক্রমও করে ফেলেছে রোভার প্রজ্ঞান। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই খবর জানাল ইসরো। প্রজ্ঞানের এই হাঁটা সাধারণ হাঁটা নয়, হাঁটার পাশাপাশি খুঁটিয়ে দেখা চাঁদের মাটির বৈশিষ্ট্য। খতিয়ে দেখা পৃথিবীর উপগ্রহের ভূপ্রকৃতিও। সেই ইঙ্গিত মিলেছে ইসরোর বার্তাতেও। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, ‘এলআইবিএস’ এবং ‘এপিএক্সএস’— প্রজ্ঞানের ভিতরে দু’টি পে-লোড চালু হয়ে গিয়েছে। প্রজ্ঞান তো হেঁটে বেড়াবে চাঁদের মাটিতে, তা হলে পে-লোডের কাজ কী? বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ‘এপিএক্সএস’ বা ‘আলফা পার্টিকল এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার’, যার কাজ হল চাঁদের মাটির রাসায়নিক গঠন এবং মাটির নীচে লুকিয়ে থাকা খনিজ ভান্ডারের গঠনের বিজ্ঞানসম্মত অনুমান। আপাতত সেই কাজও করতে শুরু দিয়েছে এপিএক্সএস। এপিএক্সএস ছাড়াও আরও একটি পে-লোড কাজ করছে। তা হল, ‘এলআইবিএস’ বা ‘লেসার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ’। এই পে-লোডটি চাঁদের মাটি এবং শিলার মৌলিক গঠন অর্থাৎ ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, টাইটেনিয়াম প্রভূতি রাসায়নিক কী রূপে মিশে রয়েছে, তা নিরুপণ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi at ISRO: দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী গেলেন ইসরোয়! বিক্রমের অবতরণ ক্ষেত্রের নাম  দিলেন ‘শিবশক্তি’

    Narendra Modi at ISRO: দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী গেলেন ইসরোয়! বিক্রমের অবতরণ ক্ষেত্রের নাম দিলেন ‘শিবশক্তি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফিরেই শনিবার সকালে ইসরোয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চন্দ্রযান-৩-এর অবতরণস্থলের নাম রাখলেন ‘শিবশক্তি’। পাশাপাশি, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ চাঁদের যে জায়গায় ভেঙে পড়েছিল, সে জায়গারও নামকরণ করলেন তিনি। নাম দিলেন ‘তেরঙা’। চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যের জন্য ২৩ অগাস্ট দিনটিকে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ হিসাবেও ঘোষণা করেন মোদি। 

    ইসরোয় প্রধানমন্ত্রী

    দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভারতের সাফল্যের সাক্ষী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও গ্রিস সফর সেরে আজ শনিবার সকালে সোজা বেঙ্গালুরুতে পৌঁছন মোদি। বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে পৌঁছেই ট্যুইট করে তিনি লেখেন, “ইসরোর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমি উন্মুখ, যাঁরা দেশকে গর্বিত করেছে।” শনিবার সকালে বিমানবন্দরের বাইরে ছিল সাধারণ মানুষের ভিড়। তাঁদের উদ্দেশে কথা বলার সময় ‘জয় বিজ্ঞান’ স্লোগান শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। 

    আবেগপ্রবণ মোদি

    সাফল্যের জন্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসরোর বিজ্ঞানীদের ধৈর্য্য, পরিশ্রম দেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে, তা সাধারণ নয়। ভারতীয় বিজ্ঞানের অগ্রগতির শঙ্খনাদ শোনা যাচ্ছে।’’ চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সাফল্য নিয়ে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মোদি।

    চোখে জল নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ভারত চাঁদে পৌঁছে গিয়েছে। ইসরো আমাদের দেশকে গর্বিত করেছে। আমরা চাঁদের যে জায়গায় পৌঁছেছি, সেখানে আগে কেউ পৌঁছয়নি। সারা বিশ্ব ভারতীয় প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের প্রশংসা করছে। চন্দ্রযান-৩ ভারতের না, মানবতার সাফল্য। এই অভিযান দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন রাস্তা খুলে দেবে। পৃথিবীর সমস্যা সমাধানের কাজও করবে। আমি ইসরোর সব বিজ্ঞানী, কৌশলী এবং চন্দ্রযান-৩-এর সঙ্গে যুক্ত সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’

    ১ সেপ্টেম্বর থেকে চন্দ্রযান নিয়ে বড় কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে কেন্দ্র। গোটা দেশের পড়ুয়াদের তাতে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানালেন মোদি। নেক্সট জেনারেশন কম্পিউটার বানানোর কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, যে দেশ প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকবে, সেই দেশ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকবে। গ্রহণের ব্যাখ্যা, অন্য গ্রহের আকার সম্পর্কে তথ্য, উপগ্রহের গতি সহ বিভিন্ন বিষয় লেখা রয়েছে ভারতেরই প্রাচীন গ্রন্থে। সে সব নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share