Tag: ISRO

ISRO

  • Nag Mark 2: পোখরানে সফল পরীক্ষা, নির্ভুল লক্ষ্যভেদ অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ‘নাগ মার্ক ২’ ক্ষেপণাস্ত্রের

    Nag Mark 2: পোখরানে সফল পরীক্ষা, নির্ভুল লক্ষ্যভেদ অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ‘নাগ মার্ক ২’ ক্ষেপণাস্ত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ফের সাফল্য ভারতের। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তৃতীয় প্রজন্মের অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল নাগ মার্ক-২ (Nag Mark 2) ক্ষেপণাস্ত্রের ফিল্ড ইভালুয়েশন ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি রাজস্থানের পোখরানে (Pokhran) একটি ফায়ারিং রেঞ্জে সেনা আধিকারিকদের (Indian Army) উপস্থিতিতে এই ট্রায়াল চালানো হয়। আত্মনির্ভর ভারতের প্রতীক ‘নাগ মার্ক ২’ যে কোনও জটিল অপারেশনে সাহায্য করতে সক্ষম, বলে মত বিশেষজ্ঞদের (DRDO)।

    ফিল্ড ট্রায়ালের সময় তিনবারই সফল 

    সোমবার ভারতের মাটিতে তৈরি ‘নাগ মার্ক ২’ মিসাইলের (Nag Mark 2) পরীক্ষা করে ডিআরডিও (Defence Research and Development Organisation)। ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এই পরীক্ষা চালানো হয়। নিশানা একেবারে নিখুঁত। ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনায়াসে টার্গেট ধ্বংস করে দিল ভারতের ‘নাগ’ মিসাইল। ফিল্ড ট্রায়ালের সময় তিনবারই সর্বাধিক ও সর্বনিম্ন দূরত্বের টার্গেট ধ্বংস করতে সফল হয়েছে এই মিসাইল।

    ডিআরডিও, ভারতীয় সেনাকে অভিনন্দন (DRDO)

    ‘নাগ মার্ক ২’ হল (Nag Mark 2)  একটি অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট গাইডেড মিসাইল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্রের সঙ্গে লড়তে সক্ষম এই মিসাইল। সঠিক নিশানায় যেন আঘাত হানতে পারে ক্ষেপণাস্ত্র, তার জন্য লঞ্চ করার আগেই টার্গেট নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়। যাতে কোনওভাবেই কোনও ভুল না হয়ে যায়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নাগ মার্ক ২ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের সফল ফিল্ড মূল্যায়নের জন্য ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও), ভারতীয় সেনাবাহিনীকে (Indian Army) অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেনায় অন্তর্ভুক্তি করতে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে প্রস্তুত করার জন্য সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন ডিআরডিও (DRDO) চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাত। এই ক্ষেপণাস্ত্র  ভারতের সামরিক শক্তি আরও বাড়াবে বলে অভিমত তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: মহাকাশে দুই উপগ্রহের হ্যান্ডশেক! ইসরোর ‘স্পেস ডকিং’ এগোল আরও একধাপ

    ISRO: মহাকাশে দুই উপগ্রহের হ্যান্ডশেক! ইসরোর ‘স্পেস ডকিং’ এগোল আরও একধাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে দুটি কৃত্রিম উপগ্রহকে (Satellite) হ্যান্ডশেক করাতে চায় ইসরো (ISRO)। এক্ষেত্রে ‘স্পেস ডকিং’ পরীক্ষা করানো হয়। আজ রবিবার ভোরে সেই পরীক্ষাতে আরও এক ধাপ এগিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। দুটি উপগ্রহকে তিন মিটার পর্যন্ত কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তার পর ফের আবার তাদের পিছিয়ে আনা হয়। ইসরো জানিয়েছে, রবিবারের তথ্য বিশ্লেষণের পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। ইসরোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, স্পেস ডকিংয়ের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টা ১৫ মিটার এবং তিন মিটার পর্যন্ত সফল হয়েছে। তারপর ফের আবার সেগুলিকে নিরাপদ দূরত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আরও তথ্য বিশ্লেষণের পর স্পেস ডকিং প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে নলে জানিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    শনিবার রাত ১২টার পর থেকেই ডকিং প্রক্রিয়া শুরু হয় (ISRO)
     
    জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ১২টার পর থেকেই ডকিং প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথমে দু’টি কৃত্রিম উপগ্রহকে (ISRO) নিয়ে যাওয়া হয় ১৫ মিটার ব্যবধান পর্যন্ত। তারপর আরও কাছাকাছি এগিয়ে যায় তারা। ইসরোর (Satellite)  তরফে জানানো হয়েছে, দু’টি উপগ্রহের মধ্যে যখন দূরত্ব তিন মিটার হয়, তখনই তাদের থামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী এই স্পেস ডকিং?

    ইসরোর (ISRO) তরফ থেকে জানানো হয়েছে দু’টি কৃত্রিম উপগ্রহ স্পেডেক্স ১ (চেজার) এবং স্পেডেক্স ২ (টার্গেট) একই গতিবেগে ছুটবে। দূরত্বও একই পাড়ি দেবে তারা। এরপর মহাকাশে একই উচ্চতায় পৌঁছবে তারা। ৪৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় একই বিন্দুতে একত্রিত হবে তারা। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার নাম স্পেস ডকিং।

    গত ৩০ ডিসেম্বর পিএসএলভি-সি৬০ রকেট উৎক্ষেপণ করে ইসরো

    ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই পরীক্ষার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের (ISRO) পিএসএলভি-সি৬০ রকেট উৎক্ষেপণ করে ইসরো। ওই রকেটের প্রধান পেলোড হিসেবেই পাঠানো হয়েছিল স্পেডেক্স ১ এবং ২-কে। জানা গিয়েছে, ২৪টি সেকেন্ডারি পেলোডও পাঠানো হয়েছিল সেসময়। পিএসএলভি-সি৬০ মিশনের প্রধান রয়েছেন জয়কুমার। তিনি জানিয়েছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করতে বদ্ধপরিকর ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। সেই লক্ষ্যপূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল এই স্পেস ডকিং। স্পেস ডকিং সফল হলে মহাকাশ স্টেশন স্থাপনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে ইসরো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • New ISRO Chief: ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী ভি নারায়ণ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    New ISRO Chief: ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী ভি নারায়ণ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান (New ISRO Chief) হতে চলেছেন ভি নারায়ণ (V Narayanan)। শুধু চেয়ারম্যান নন, তিনি সামলাবেন মহাকাশ দফতরের সচিবের দায়িত্বও। ইসরোর বর্তমান চেয়ারম্যান এস সোমনাথ দায়িত্ব ছাড়ছেন আগামী ১৪ জানুয়ারি। সে দিনই ইসরোর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেবেন ভি নারায়ণ। মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে এই ঘোষণা করা হয়।

    বহু অভিযানের নেপথ্যে নারায়ণ

    মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইসরোর নতুন চেয়ারম্যানের (New ISRO Chief) নাম ঘোষণা করা হয়। মন্ত্রিসভার নিয়োগ করা কমিটি জানিয়েছে, আগামী দু’বছরের জন্য ইসরো প্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন নারায়ণ। জানা গিয়েছে, লিক্যুইড প্রোপালশন সিস্টেম সেন্টারের প্রধান হিসাবে এতদিন দায়িত্ব পালন করেছেন ভি নারায়ণ। দেশে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন, যা রকেট ও মহাকাশযান উৎক্ষেপণ এবং স্যাটেলাইটের প্রপালশনের জন্য প্রয়োজন, তা তৈরিতে তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এবার ইসরোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার কাঁধে। দায়িত্ব পেয়ে আনন্দিত নারায়ণ বলেন, “আমাদের (ভারত) সামনে স্পষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে। সুদক্ষ ও প্রতিভাবান কর্মীদের সাহায্যে আশা করি ইসরোকে আমরা এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারব।”

    নারায়ণের বাংলা যোগ

    তামিলনাড়ুতে জন্ম নারায়ণের (V Narayanan)। সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গে। খড়্গপুর আইআইটি থেকে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে এখান থেকেই অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিইচডি করেন নারারণ। স্নাতকোত্তর পর্বে প্রথম স্থান অধিকারের জন্য রুপোর পদকও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। পিএইচডি শেষ করে তিনি যোগ দেন ইসরোতে। ১৯৮৪ সালে রকেট এবং মহাকাশ প্রপালশন বিশেষজ্ঞ হিসাবে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থায় যোগ দেন নারায়ণ। ২০১৮ সালে লিক্যুইড প্রোপালশন সিস্টেম সেন্টারের ডিরেক্টর হিসাবে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: মহাকাশে ফলবে বরবটি! অঙ্কুরোদ্গম করে বিশ্বকে তাক লাগাল ইসরো

    ISRO: মহাকাশে ফলবে বরবটি! অঙ্কুরোদ্গম করে বিশ্বকে তাক লাগাল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ফলবে বরবটি (Cowpea Seeds Germinate)! অন্তত এমনই আশা ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীদের। আশার কারণ, অঙ্কুরিত হয়েছে বরবটির বীজ। দিন কয়েকের মধ্যে গজাবে নতুন পাতাও। তাতেই আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশে প্রাণের সন্ধান চলছে বহু দিন ধরেই। মহাকাশে কীভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীরা বেঁচে থাকতে পারে, তার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টাও চলছে। সেই চেষ্টায়ই মিলল সাফল্য। অঙ্কুরোদ্গম হল বরবটির বীজে।

    মহাকাশে বরবটির বীজ (ISRO)

    জানা গিয়েছে, গত ৩০ ডিসেম্বর পিএসএলভি সি-৬০ রকেটে করে স্পেডেক্স মহাকাশযানের সঙ্গে আটটি বরবটির বীজ মহাকাশে পাঠিয়েছিলেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বিজ্ঞানীরা। সেই বীজই অঙ্কুরিত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে ইসরো জানিয়েছে, বরবটির বীজ অঙ্কুরিত হতে চার দিন সময় লাগে। সেই হিসেবে শনিবার অঙ্কুর বেরিয়েছে ওই বীজগুলির। শীঘ্রই কচি পাতাও ফুটবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, সংস্থার এই সাফল্য তাঁদের কমপ্যাক্ট রিসার্চ মডিউল ফর অরবাইটাল প্ল্যান্ট স্টাডিজ মিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের আশা, এর ফলে মহাকাশের মাইক্রোগ্র্যাভিটি পরিস্থিতিতে উদ্ভিদের অঙ্কুরোদ্গম ও বৃদ্ধি সংক্রান্ত গবেষণা আরও সমৃদ্ধ হবে।

    ইসরোর সাফল্য

    জানা গিয়েছে, বরবটির বীজ (ISRO) পাঠানোর পর থেকে প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। হাই রেজলিউশন সম্পন্ন ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল নজরদারির জন্য। অক্সিজেনের মাত্রা, কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ এবং তাপমাত্রার ওঠাপড়ার হিসেব রাখতেও পেলোডে বসানো হয়েছিল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। তাতেই দেখা গিয়েছে বীজের অঙ্কুরোদ্গম। 

    আরও পড়ুন: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ইসরোর এই সাফল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর বাইরে অন্যত্র উপনিবেশ গড়ার ক্ষেত্রে এটি যেমন সহায়ক হবে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের ক্ষেত্রে খাদ্যের জোগান অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রেও এই গবেষণা ফলদায়ক হয়ে উঠবে। মহাকাশ অভিযানে আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের মতো দেশকে ভারত যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিতে পারে, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ইসরো। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে (Cowpea Seeds Germinate) মহাকাশ যান পাঠিয়ে তামাম বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল ইসরো (ISRO)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ইসরোর ব্যস্ততম বছর হতে চলেছে ২০২৫! তালিকায় রয়েছে ছ’টি বড় অভিযান, কী কী?

    ISRO: ইসরোর ব্যস্ততম বছর হতে চলেছে ২০২৫! তালিকায় রয়েছে ছ’টি বড় অভিযান, কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সাল। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে তামাম বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)। তার পরের বছরও একাধিক সফল অভিযান করেছে এই গবেষণা সংস্থা। দেশ পৌঁছেছে ২০২৫-এ। এ বারটাই হতে চলেছে ইসরোর জন্য ব্যস্ততম বছর। জানা গিয়েছে, এ বছরও পরিকল্পনায় রয়েছে একাধিক প্রকল্প। জোর কদমে চলছে কাজও।

    কী বললেন মহাকাশ মন্ত্রী? (ISRO)

    কেন্দ্রীয় মহাকাশ প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, “২০২৫ সালে ইসরোর পরিকল্পনায় রয়েছে ছ’টি বড় বড় প্রকল্প। বছরের প্রথম দিকেই হবে এই অভিযান। এর মধ্যে যেমন রয়েছে মহাকাশে মহিলা রোবট পাঠানোর পরিকল্পনা, তেমনি রয়েছে গগনযান (Gaganyaan Vyommitra) ও ভারত-আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে আর্থ ইমেজিং স্যাটেলাইট নিসার পাঠানোর পরিকল্পনাও। এটিই হতে চলেছে বিশ্বের সব চেয়ে দামী স্যাটেলাইট।” মন্ত্রী বলেন, “জানুয়ারি মাসে ইসরো (ISRO) অ্যাডভান্সড নেভিগেশন স্যাটেলাইট এনভিএস-০২ উৎক্ষেপণ করবে। জিএসএলভি উৎক্ষেপণ হবে ইসরোর শততম মিশন। এরপর ইসরো (ISRO) মহাকাশে পাঠানো হবে মহিলা রোবট ‘ব্যোমমিত্র’-কে (Gaganyaan Vyommitra)। এটি গগনযানেরই একটি অংশ। ব্যোমমিত্র অভিযান সফল হলে মহাকাশে পাঠানো হবে মহাকাশচারী।”

    আরও পড়ুন: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    নিসার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

    জানা গিয়েছে, ভারত-আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে নিসার (NISAR) স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হবে মার্চ মাসে। এটি প্রতি ১২ দিনে প্রায় সমস্ত ভূমি ও বরফ স্ক্যান করবে। পাঠাবে হাই রেজোলিউশনের ছবি। এলভিএম৩-এম৫ মিশন রূপায়ণ হবে প্রথম ত্রৈমাসিকে। এই মিশনটি একটি আন্তর্জাতিক গ্রাহকের জন্য স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবে। এটি মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা প্রদর্শন করবে। এর পর রয়েছে গগনযান মানব মিশন। এই অভিযানের নির্দিষ্ট কোনও তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে ব্যোমমিত্র মিশনের (Gaganyaan Vyommitra) সাফল্য প্রশস্ত করবে ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযাত্রার পথ।

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, “২০২৫ সাল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি বছর হতে চলেছে। ইসরো চারটি জিএসএলভি রকেট লঞ্চ করবে। এছাড়াও তিনটি পিএসএলভি এবং একটি এসএসএলভি রকেট লঞ্চ করবে (ISRO)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: ‘মহাকাশ ডকিং’ মিশনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ইসরোর,  সফল উৎক্ষেপণ পিএসএলভি-সি৬০-র

    ISRO: ‘মহাকাশ ডকিং’ মিশনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ইসরোর, সফল উৎক্ষেপণ পিএসএলভি-সি৬০-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও এক বার অন্তরীক্ষে নয়া ইতিহাস তৈরি করল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। পৃথিবীর কক্ষপথে ঘূর্ণায়মাণ দু’টি কৃত্রিম উপগ্রহকে জুড়ে একটি মহাকাশযান তৈরি করল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরোর এই পরীক্ষার পোশাকি নাম ‘স্পেস ডকিং এক্সপেরিমেন্ট মিশন’ (স্পাডেক্স)। মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’-র (ISRO) তৈরি করা পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যাল (পিএসএলভি)-সি৬০। পাড়ি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবীর কক্ষপথে পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যাল-এর পেলোডগুলো সফল ভাবে স্থাপন করা হয়।

    সফল উৎক্ষেপণ

    অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় সোমবার রাতে সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে পিএসএলভি-সি৬০ (PSLV-C60) রকেটটির সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। ইসরো এ ব্যাপারে বলেছে, পিএসএলভি-সি৬০-র প্রধান পেলোড হিসাবে রয়েছে দু’খানা মহাকাশযান। একটি স্পাডেক্স ১ এবং অন্যটি স্পাডেক্স ২। এ ছাড়াও ২৪টি সেকেন্ডারি পেলোড রয়েছে। যা ইসরোর বিজ্ঞানীদের ‘মহাকাশ ডকিং’ মিশনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মিশনের প্রধান জয়কুমার জানিয়েছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করতে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এই ‘মহাকাশ ডকিং’ পরীক্ষা।

    বুলেটের চেয়ে ১০ গুণ গতি

    মহাকাশ বিজ্ঞানীদের দাবি, পৃথিবীর কক্ষপথে বুলেটের চেয়ে ১০ গুণ গতিতে ঘুরে চলা দু’টি কৃত্রিম উপগ্রহকে জুড়ে একটি মহাকাশযান তৈরি করা যেমন কঠিন, তেমনই চ্যালেঞ্জিং। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে এই বিষয়ে নিরন্তর গবেষণা চলছে। বর্তমানে কেবলমাত্র আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার কাছে রয়েছে এই প্রযুক্তি। ৩০ ডিসেম্বরের মিশনের পর চতুর্থ দেশ হিসাবে এই ক্লাবে যোগ দিতে চলেছে ভারত। মহাকাশ স্টেশন তৈরির ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি অত্যাবশ্যক। 

    কেমন হল গবেষণা

    ইসরো সূত্রে খবর, দু’টি বিশেষ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহকে পৃথিবীর কক্ষপথে নিয়ে যাবে ‘পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল’ (পিএসএলভি) নামের রকেট। উপগ্রহগুলির প্রতিটির ওজন ২২০ কেজি। মহাশূন্যে সেগুলিকে ‘ডকিং’ এবং ‘আনডকিং’ করবেন এ দেশের মহাকাশ গবেষকেরা। মহাশূন্যে তীব্র গতিতে ঘূর্ণায়মান দু’টি বস্তুকে কাছাকাছি এনে জুড়ে দেওয়াকেই বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় ‘ডকিং’। সেই কাজটাই করতে চলেছে ইসরো। পরীক্ষা সফল হলে ফের ওই দুই উপগ্রহকে আলাদা করা হবে। যাকে ‘আনডকিং’ বলে চিহ্নিত করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

    পৃথিবীর ৪৭০ কিলোমিটার উপরে পরীক্ষা

    ইসরো জানিয়েছে, পৃথিবীর ৪৭০ কিলোমিটার উপরে চলে এই পরীক্ষা। এর জন্য বিশেষ একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ভারতীয় গবেষণা সংস্থা। এর নাম ‘ভারতীয় ডকিং সিস্টেম’। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই কাজে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার নাম ‘ইন্টারন্যাশনাল ডকিং সিস্টেম স্ট্যান্ডার্ড’ (আইডিএসএস)। ভারতীয় প্রযুক্তিটি সমমানের বলে দাবি করা হয়েছে ইসরোর তরফে। এই প্রসঙ্গে ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘ভারত নিজস্ব ডকিং প্রযুক্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এই ধরনের জটিল এবং সুক্ষ্ম প্রযুক্তি কখনওই কোনও দেশ হস্তান্তর করে না। এটা সত্যিই গর্বের।’’ ইসরো ইতিমধ্যেই এই ডকিং প্রযুক্তির স্বত্ব নিয়েছে। ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেছেন, ‘‘ডকিং হল একটা অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। পদার্থবিদ্যার বহু হিসাব-নিকাশ মাথায় রাখতে হয়েছে। ওই সময়ে দু’টি উপগ্রহকে একই কক্ষপথে থাকতে হবে। জুড়ে যাওয়ার পর তারা যেন রাস্তা হারিয়ে না ফেলে সে দিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখব আমরা।’’

    ডকিং সিস্টেম-এর গুরুত্ব

    মহাকাশ বিজ্ঞানীদের দাবি, অন্তরীক্ষে স্টেশন তৈরির ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি সবচেয়ে জরুরি। কারণ, ওই স্টেশন কখনওই একবারে নির্মাণ করা সম্ভব নয়। পৃথিবী থেকে ধাপে ধাপে মহাশূন্যে নিয়ে যাওয়া হয় এর এক একটি অংশ। এর পর ভাসমান অবস্থাতেই সেগুলি জুড়ে গিয়ে আত্মপ্রকাশ করে আস্ত একটা মহাকাশ স্টেশন। সোমনাথ জানিয়েছেন, পরবর্তী ‘চন্দ্রযান-৪’ মিশনেও ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হবে এই ডকিং প্রযুক্তি। আগামী দিনে চাঁদে নভচারী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর। মহাকাশযান নিয়ে পৃথিবীর উপগ্রহে নামতে প্রয়োজন হবে এই ডকিং প্রযুক্তির। স্পাডেক্স মিশনে এই প্রযুক্তির পরীক্ষার জন্য যে মোটর ব্যবহার হচ্ছে, তার ব্যাস ৪৫০ মিলিমিটার। তবে আগামী দিনে ৮০০ মিলিমিটারের ডকিং সরঞ্জাম তৈরির লক্ষ্য রয়েছে ইসরোর। গগনযান মিশনের মহাকাশচারীরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে ভারতীয় নভোচারীকে অবতরণ করাবে ইসরো!

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে ভারতীয় নভোচারীকে অবতরণ করাবে ইসরো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ISRO)-এর চেয়ারম্যান এস সোমানাথের (S Somanath) মতে, “ভারত একটি উচ্চাকাঙ্খী মহাকাশ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করেছে। যার লক্ষ্য হল ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একজন নভোচারীকে অবতরণ কারনো।” উল্লেখ্য, ভারতই একমাত্র দেশ যা চন্দ্রযান ৩কে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে ল্যান্ডিং করাতে পেরেছে। অত্যন্ত কম খরচে এই অভিযান চালিয়ে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ইসরো।

    দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গিতে বাজেট অনুমোদন মোদির (ISRO)

    ইসরো কর্ণধারের এই ঘোষণায় যারপরনাই খুশি বিভিন্ন মহল। ভারতের মহাকাশ সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য চলতি বছরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ইসরো (ISRO)-র প্রকল্পের জন্য ৩১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন করেছে। ফলে আগামী ২৫ বছর ধরে দেশের মহাকাশ প্রচেষ্টার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির রোডম্যাপকে বাস্তবায়নের কাজ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুরা চলে যাচ্ছেন, মিনি পাকিস্তানে পরিণত হচ্ছে আলিগড়ের বানিয়াপাড়া!

    ২৫ বছরের জন্য একটি রোড ম্যাপের পরিকল্পনা

    ইসরো (ISRO) প্রধান সোমনাথ (S Somanath) একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আমরা যে মিশনগুলি সম্পন্ন করেছি তাতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির রোডম্যাপ বিরাট সহযোগী হয়েছে। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই বছরটি আমাদের জন্য একটি দুর্দান্ত বছর ছিল। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মহাকাশ কর্মসূচির বিষয়ে আমাদের আগামী ২৫ বছরের জন্য একটি রোড ম্যাপ পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। এই রোডম্যাপের অংশ হিসাবে, ভারত ২০৩৫ সালের মধ্যে তার নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন, ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন স্থাপন করবে। এর একটি পর্যায় সম্পন্ন করে করা হবে ২০২৮ সালের মধ্যে একটি স্পেস স্টেশন মডিউল চালু করার মাধ্যমে। আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ রূপে অপারেশনের মঞ্চ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গির যদি চূড়ান্ত পরিণতি হয় তাহলে ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একজন ভারতীয় মহাকাশচারীকে সফল ভাবে অবতরণ করানো যাবে।”

    ২৫০টির বেশি মহাকাশ স্টার্টআপ কাজ করছে

    ইসরো (ISRO) প্রধান সোমনাথ (S Somanath) আরও বলেন, “যখন আমরা দেশের স্বাধীনতার শততম বর্ষ উদযাপন করব, তখন একটি ভারতীয় পতাকা চাঁদে উড়বে এবং সেই সঙ্গে আমাদের দেশের মানুষও চাঁদে পৌঁছে যাবেন। একই ভাবে তাঁকে নিরাপদে আবার দেশের মাটিতে ফিরিয়েও আনাও হবে, আর এটাই আমাদের বিরাট কর্মযজ্ঞ হবে। তাই আমাদের লক্ষ্য হল ২০৪০ সাল। আগামী দিনে চন্দ্রযান ৪-সহ একাধিক প্রস্তুতিমূলক মিশন পরিচালিত হবে ইসরোর তরফ থেকে। স্পেস প্রোগ্রামে বৈজ্ঞানিক সাফল্য ব্যাপক ভাবে এসেছে। ২৫০টির বেশি মহাকাশ স্টার্টআপগুলি বর্তমানে উদ্ভাবনী শক্তির জোগানে কাজ করছে। ইতিমধ্যে অগ্নিকুল কসমস একটি তরল-চালিত সাব-অরবিটাল রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। মহাকাশে ব্যয় করা প্রতি টাকার খরচ বাড়িয়ে ২.৫২ টাকা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে বিশেষ করে নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও মণিপুরের জনসংখ্যার তথ্যের ম্যাপিং করা উচিত। এটি সীমান্তে বেড়া দিতে ও অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সহায়তা করতে পারে (Demographic Data)।

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    আগরতলায় নর্থ ইস্টার্ন স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার সোসাইটির দ্বাদশতম সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক সমীক্ষা চালানো দরকার।” উত্তর-পূর্বের চারটি রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং মিজোরামের সঙ্গে মায়ানমারের সীমানা রয়েছে। এই সীমানা দিয়েই ভারতে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক চোরাচালানও চলছে অবাধে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই সীমান্তেই বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    মহাকাশ খাতে বিশাল লাফ

    শাহ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতের মহাকাশ খাত গত ১০ বছরে একটি বিশাল লাফ দিয়েছে।” তিনি বলেন, “এনইএসএসি সোসাইটি প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পর সোসাইটি যে কাজ করছে, তার ইতিবাচক দিকগুলো এখন দৃশ্যমান।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এনইএসএসি সোসাইটির উচিত উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে তার কাজের পরিধি আরও প্রসারিত করা। এ জন্য রাজ্য সরকারগুলিরও উদ্যোগ নেওয়া উচিত।” তিনি এনইএসএসি সোসাইটিকে অনুরোধ করেছেন যে, তারা যেন প্রত্যেকে একশো জন শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞানের পটভূমি-সহ উত্তর-পূর্বের সমস্ত রাজ্য থেকে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) সদর দফতরে সফরে নিয়ে যায় যাতে তারা মহাকাশ এবং সম্পর্কিত প্রযুক্তিতে আগ্রহ তৈরি করতে পারে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    তিনি এই প্রকল্পের জন্য ৬০ শতাংশ অবদান রাখার জন্য উত্তর পূর্ব অঞ্চলের উন্নয়ন মন্ত্রককে আহ্বান জানান। তিনি উত্তর-পূর্বের রাজ্য সরকারগুলিকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে মহাকাশ প্রযুক্তি সম্পর্কিত নতুন কোর্স চালু করার অনুরোধও করেন। তিনি বলেন, “এনইএসএসির সহায়তায় এ পর্যন্ত ২০টি জলপথ তৈরি করা হয়েছে। আরও জলপথ নির্মাণের সম্ভাবনাও খোঁজা উচিত।” শাহ (Amit Shah) বলেন, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে খনিজ সম্পদ, তেল এবং কয়লা মজুত রয়েছে কিনা, তা জানতে ব্যাপক ম্যাপিংয়ের প্রয়োজন। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি এই খনিজগুলির জন্য (Demographic Data) প্রাপ্ত রয়্যালটি থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হবে (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: নজর গগনযান মিশনের দিকে, আরও শক্তিশালী ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা ইসরোর

    ISRO: নজর গগনযান মিশনের দিকে, আরও শক্তিশালী ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিশন গগনযান বাস্তবায়নের পথে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে ‘এলভিএম-৩’ রকেটের ‘সিই২০’ ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের (LVM3 CE20 Cryogenic Engine) ‘সি-লেভেল হট টেস্ট’ পরীক্ষা করল ইসরো (ISRO)। এই ইঞ্জিন গগনযান মিশনকে অনেক শক্তি প্রদান করবে। জানা গিয়েছে, প্রোপালশন কমপ্লেক্সে পরিচালিত পরীক্ষাটি ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে চলেছে। এর আগে, গত ২৯ নভেম্বর ইসরো এই ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছিল। এবার তার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফের পরীক্ষা করল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    ধারণ ক্ষমতা ১৯ টন থেকে বাড়িয়ে ২২ টন করা হয়েছে (ISRO)

    ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, সিই২০ ইঞ্জিনটি ইসরো এলভিএম-৩ লঞ্চ ভেহিক্যালকে (LVM3 CE20 Cryogenic Engine) বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে ওঠার ক্ষেত্রে শক্তি প্রদান করবে। চন্দ্রযান-২, চন্দ্রযান-৩ মিশনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এই ‘সিই২০’। আগামী গগনযান মিশনেও এই ইঞ্জিনের ওপরই আস্থা রাখছে ইসরো। ইতিমধ্যে ইঞ্জিনটি ছয়টি সফল এলভিএম ৩ মিশন পার করেছে এই ইঞ্জিন। এবার ভবিষ্যতের মিশনগুলির জন্য এর শক্তি ১৯ টন থেকে বাড়িয়ে ২২ টন করা হয়েছে। এর জন্য ইঞ্জিনের নকশায় একটি বড় বদল করা হয়েছে।

    নতুন ডিজাইনের ইঞ্জিনের কার্যকারিতা পরখ করতেই করা হল ‘সি-লেভেল হট টেস্ট’। ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার মধ্যে একটি মাল্টি-এলিমেন্ট ইগনিটারের প্রদর্শন করা হয়েছে, যা ইঞ্জিনকে পুনঃরায় চালু করতে সহযোগিতা করবে। উৎক্ষেপণের জন্য এই ইঞ্জিন এখন বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী। ইসরোর আরও নানা মিশনে এই ইঞ্জিনের ব্যবহার করা হবে। ইসরো জানিয়েছে, ভারতের ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই নতুন বেশি শক্তিশালী ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন। 

    আরও পড়ুনঃ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল, মুম্বইয়ে চাঞ্চল্য

    খরচের বোঝাও কমিয়ে দেবে ইঞ্জিন

    ইসরো (ISRO) আরও জানিয়েছে, সমুদ্র স্তরের পরীক্ষার সময় কম্পন এবং হিট প্রেসার-এর মতো কঠিন সমস্যাকে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে এলভিএম-৩ ক্রিয়োজনিক ইঞ্জিন (LVM3 CE20 Cryogenic Engine)। এই ইঞ্জিনের ব্যবহারে উৎক্ষেপণে নিরাপত্তা যেমন বৃদ্ধি পায়, ঠিক তেমনি খরচের বোঝাও কমিয়ে দেবে। সিই ২০ ইঞ্জিন হল ভারতের এখন সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ইঞ্জিন। আগামী দিনে গগনযান মিশনে তিনজন মহাকাশচারীকে পাঠাতে সাহায্য করবে এই ইঞ্জিন। এই উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তির বিকাশ বিশ্বব্যাপী মহাকাশ অনুসন্ধানে ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। এই সিই২০ ইঞ্জিন ভবিষ্যতের মিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। মহাকাশে আরও বৃহত্তর সাফল্য অর্জন করতে পথকে প্রশস্থ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: বড় খবর! ইসরো গগনযানের মানবহীন ফ্লাইট চলতি বছরের শেষেই, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    ISRO: বড় খবর! ইসরো গগনযানের মানবহীন ফ্লাইট চলতি বছরের শেষেই, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উচ্চাভিলাষী গণনযান (Gaganyaan) মিশন নিয়ে বড় খবর সামনে এল। চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথম আনক্রুড বা মানববিহীন ফ্লাইট মহাকাশে পাঠাবে ইসরো ইসরো (ISRO)। ২০২৬ সালের মধ্যে মানুষ পাঠিয়ে নিরাপদে মহাকাশ ভ্রমণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। একই ভাবে গগনযান মিশনের অধীনে প্রোপালশন সিস্টেম, ক্রু এস্কেপ মেকানিজম এবং অরবিটাল মডিউল ইন্টিগ্রেশনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানা গিয়েছে।

    প্রশিক্ষণের তিনটি স্তরের মধ্যে দুটি পর্ব সম্পন্ন (ISRO)

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, প্রথম ক্রুড বা মানব মিশন (Gaganyaan) ২০২৬-এর চতুর্থ মাসে সম্পন্ন হবে (ISRO)। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রথম আনক্রুড মিশনটি ২০২৪ সালের শেষে সম্পন্ন করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। পরবর্তী মিশনগুলি ২০২৫ সালের তৃতীয় মাসে এবং ২০২৬ সালের প্রথম মাসে লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, “মানব যাত্রার লঞ্চ ভেহিকলের সমস্ত প্রোপালশন সিস্টেম শ্রীহরিকোটায় পৌঁছেছে। একই ভাবে মিশনের জন্য ক্রু এস্কেপ সিস্টেম লঞ্চ কমপ্লেক্সে পৌঁছেছে। এই মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের তিনটি স্তরের মধ্যে দুটি পর্ব সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ধরা পড়বে না শত্রু-রেডারে, ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হল ‘খড়্গ’ আত্মঘাতী ড্রোন

    মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার পরীক্ষণের কাজ শেষ

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) তার এলভিএম-৩ লঞ্চ ভেহিকলে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার পরীক্ষণের কাজ শেষ করেছে। এই পরীক্ষা এবং পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল নিরাপদে মানুষের যাত্রাকে নিশ্চিত করা। এই কাজে মূলত তিনটি ধাপ রয়েছে। কঠিন, তরল এবং ক্রায়োজেনিক জ্বালানি ব্যবহার করে। ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের ফ্লাইট মক-আপ ফিলিং ট্রায়ালও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    আবার ক্রু এস্কেপ সিস্টেম হল জরুরি পরিস্থিতিতে মডিউল থেকে মহাকাশচারীদের (Gaganyaan) বের হওয়ার বিশেষ পদ্ধতি। এর আগে, এককভাবে ১৭ কিমি উচ্চতায় পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রথম মানববিহীন রকেট প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া, মানব অভিযানের আরবিট মডিউল, ক্রু-মডিউল, সার্ভিস মডিউলের কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। একই ভাবে স্থলভাগের সহায়তার জন্য ইসরো ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)-এর সঙ্গেও যৌথ ভাবে কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share