Tag: ISRO

ISRO

  • Flight: ভারতে বিমানে ইন্টারনেট সংযোগে উদ্যোগী ইসরো, চালু হবে ‘ইন ফ্লাইট ওয়াইফাই সার্ভিস’

    Flight: ভারতে বিমানে ইন্টারনেট সংযোগে উদ্যোগী ইসরো, চালু হবে ‘ইন ফ্লাইট ওয়াইফাই সার্ভিস’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এরোপ্লেনে (Flight) যাতায়াতকারীদের নয়া সুখবর আছে। ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে ইন ফ্লাইট ওয়াইফাই সার্ভিস। এখনও পর্যন্ত ভারতের সমস্ত ডোমেস্টিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এটি চালু করা হয়নি এবং এয়ারলাইনের জন্য এটিকে একটি অন্যতম প্রধান অনবোর্ড সার্ভিস বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই সপ্তাহে ইন ফ্লাইট ওয়াইফাই ব্যাবহার সম্পর্কে নোটিশ জারি করেছে। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো) এলন মাস্কের স্পেস এক্সের ফ্যালকন ৭ রকেট ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার সর্বশেষ যোগাযোগ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে প্রস্তুত। GSAT-N2 নামে স্যাটেলাইট, যাকে GSAT-20ও বলা হয়, ফ্লাইটে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করবে।

    নতুন নিয়মে কী রয়েছে? (Flight)

    এনআরই নিয়মানুযায়ী, যাত্রীবাহী বিমানে (Flight) ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের অনুমতি থাকলে তবেই ওয়াইফাই সার্ভিস ব্যাবহার করা যাবে। এর জন্য বিমানের কমপক্ষে ৩০০০ মিটার উচ্চতায় উঠতে হবে। এই নির্দেশের ফলে ফ্লাইটের সময় নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে কানেক্টিভিটি বজায় রাখা সম্ভব হবে। এর নিয়মের মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রাউন্ড লেভেলের মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনও রকম হস্তক্ষেপ আটকানো। নতুন নিয়মে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বিমান ৩০০০ মিটার উচ্চতায় উচ্চতায় পৌঁছানোর পর ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। এবং এর জন্য বিমানে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অনুমতি থাকতে হবে।

    স্যাটেলাইট সেন্টারের ডিরেক্টর কী বললেন?

    GSAT-N2-এর ওজন ৪৭০০ কেজি। ইসরো (ISRO)-এর নিজস্ব রকেট দ্বারা উৎক্ষেপণ করা সমস্যার। তাই, সংস্থাটি SpaceX-এর ভারী লঞ্চ যান ব্যবহার করার জন্য বেছে নিয়েছে। যদিও স্যাটেলাইটটি ISRO তৈরি করেছে, এটি ISRO-এর বাণিজ্যিক শাখা নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (NSIL)-এর অধীনে একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম। এরোপ্লেনে (Flight) ইন্টারনেট সেবা ছাড়াও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট সেবা দেবে স্যাটেলাইট। এটি হবে স্পেসএক্স গাড়ি ব্যবহার করে ইসরোর প্রথম বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ। বেঙ্গালুরুতে ইউআর রাও স্যাটেলাইট সেন্টারের ডিরেক্টর ডাঃ এম শঙ্করণ বলেন, “এই স্যাটেলাইটটি যখন চালু হবে তখন বিশ্বের ইন্টারনেট মানচিত্রে ভারতে বিদ্যমান ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট সংযোগের যে শূন্যতা এতদিন ছিল তা পূরণ করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: টার্গেট ২০৪০, শুধুমাত্র চন্দ্রাভিযানের জন্য পৃথক চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন গড়বে ইসরো

    ISRO: টার্গেট ২০৪০, শুধুমাত্র চন্দ্রাভিযানের জন্য পৃথক চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন গড়বে ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪০ সালের মধ্যে চন্দ্র অভিযানের জন্য একটি চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন (Lunar Space Station) স্থাপন করবে ইসরো। ভারতের জন্য এটি একটি সাহসী পদক্ষেপ হতে চলেছে, যা মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

    ক্রুড চন্দ্র মিশন রোডম্যাপ ভারতে

    ইসরো (ISRO) সূত্রে খবর, ভবিষ্যতের এই চন্দ্র মহাকাশ স্টেশনটি ভারতের মানব চন্দ্র মিশন (Manned Lunar Mission) রোডম্যাপের তৃতীয় পর্যায় হিসেবে স্থির করা হয়েছে। এই পদক্ষেপকে ভারতের মতো দেশের জন্য মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চন্দ্রযান-৩ মিশনের সাফল্যের পরই ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের জন্য পৃথক নিবেদিত চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন (Lunar Space Station) তৈরির উদ্যোগ পরিকল্পনার মধ্যে আসে। প্রসঙ্গত, বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং করার কৃতিত্ব অর্জন করেছে ভারত। শুধু তাই নয়, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার অনন্য নজির স্থাপন করেছে ভারত।

    চন্দ্র অন্বেষণ কর্মসূচিতে তিন-পর্যায়

    সম্প্রতি, ভারতের ভবিষ্যতের চন্দ্র অন্বেষণ কর্মসূচির তিন-পর্যায়ের রূপরেখা নির্ধারণ করেছে ইসরো (ISRO)। রোডম্যাপের ধাপগুলি হল—

    ১) প্রথম ধাপে আসন্ন চন্দ্রযান-৪ মিশনে চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফেরা সহ প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং রোবোটিক মিশনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।

    ২)দ্বিতীয় ধাপের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশ অনুসারে ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানব অবতরণ অর্জন করতে হবে।

    ৩) তৃতীয় পর্যায়ে চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন (Lunar Space Station) স্থাপনে সমাপ্ত করা। এতে ভারতকে মহাকাশ অনুসন্ধানের শীর্ষ স্থানে অবস্থান করবে।

    আরও পড়ুনঃ নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    স্টেশনে চাঁদের ভূতত্ত্ব অধ্যয়ন হবে (Lunar Space Station)

    ইসরোর (ISRO) চন্দ্র মহাকাশ স্টেশনের  ফলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সম্পদের ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে গভীর মহাকাশ অভিযানের জন্য একটি সোপান হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চন্দ্র স্টেশনটি (Lunar Space Station) চাঁদের ভূতত্ত্ব অধ্যয়ন, নতুন প্রযুক্তি পরীক্ষা এবং পৃথিবীর কক্ষপথে গবেষণার নানা প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পৃথিবীর কক্ষপথে ভারতের প্রথম মহাকাশ স্টেশন ২০৩৫ সালের মধ্যে স্থাপনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পৃথিবীর-কক্ষপথে স্টেশনটি প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং সিস্টেমগুলির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টেস্টবেড হিসাবে কাজ করবে।

    নেক্সট জেনারেশন লঞ্চ ভেহিকেল-এর লক্ষ্য

    ইসরোর (ISRO) এই পরিকল্পনা চাঁদ নিয়ে গবেষণার নানা দিককে উন্মোচন করবে। গোটা বিশ্ব এই মিশনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিও চাঁদের অভিযানের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। ইসরো নেক্সট জেনারেশন লঞ্চ ভেহিকল (এনজিএলভি) এবং উন্নত জীবন ব্যবস্থা সহ মূল প্রযুক্তিগুলিকে বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। এই গবেষণাগুলি শুধুমাত্র চাঁদের জন্যই নয়, ভারতের বৃহত্তর মহাকাশ অনুসন্ধানের (Lunar Space Station) ক্ষেত্রেও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: লাদাখে দেশের প্রথম অ্যানালগ স্পেস মিশন চালু করল ইসরো, কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই পদক্ষেপ?

    ISRO: লাদাখে দেশের প্রথম অ্যানালগ স্পেস মিশন চালু করল ইসরো, কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই পদক্ষেপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার লাদাখে প্রথম অ্যানালগ স্পেস মিশন চালু করার কথা ঘোষণা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো (ISRO)। ইসরোর এই হিউম্যান স্পেসফ্লাইট সেন্টার (Human Spaceflight Centre) মিশনের পেছনে এএকেএ স্পেস স্টুডিও, লাদাখ বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইটি বম্বে এবং লাদাখের স্বশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগ রয়েছে। তবে বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা এই মিশন নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে, ইসরোর চন্দ্রযান ৩, গগনযান, আদিত্য এল-১, মঙ্গলযান অভিযানের মাধ্যমে বিশ্বের নজর কেড়ে নিয়েছে ভারত। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডিং নাসাকেও চমক দিয়েছে। মহাকাশ গবেষণায় কেন্দ্রের মোদি সরকার যে সজাগ নজর রেখে চলেছে তাতেও অনেক বিজ্ঞানীরা উৎসাহী বলে জানিয়েছেন। নাসাও একাধিক গবেষণায় ইসরোকে পাশে চায় বলে অভিজ্ঞতার কথা বিনিময় করেছে। ফলে ভারত মহাকাশ গবেষণায় বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

    মূল লক্ষ্য হল আন্তঃগ্রহের আবাসস্থলে প্রাণের সন্ধান (ISRO)

    ইসরোর (ISRO) পক্ষ থেকে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলা হয়েছে, “লাদাখে এই হিউম্যান স্পেসফ্লাইট সেন্টারের (Human Spaceflight Centre) মিশনের মূল লক্ষ্য হল ভিন্গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের খোঁজ করা। একই ভাবে পৃথিবীর বাইরে একটি স্পেস স্টেশন নির্মাণের জন্য সমস্যাগুলিকে চিহ্নিত করার ভাবনা রয়েছে। এই মিশন ভারতের প্রথম অ্যানালগ স্পেস মিশন, যা লে-তে শুরু হয়েছে। একই কাজে এএকেএ স্পেস স্টুডিও, লাদাখ বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইটি বম্বে এবং লাদাখের স্বশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন কাউন্সিল বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করবে।”

    মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা

    ইসরো (ISRO) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মিশন হল মঙ্গল এবং চাঁদে অভিযানের মতো একটি বড় পদক্ষেপ। লাদাখের জলবায়ু, আবহাওয়া, ভূ-প্রকৃতি এবং আনুসঙ্গিক নানা উপকরণের প্রতিবন্ধকতা মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে। এই জায়গার সমস্যাকে সামনে রেখে মহাকাশের নানাবিধ প্রতিরোধ সম্পর্কে গবেষণা করতে অনেক সহজ হবে। যে কোনও গবেষণায় ভীষণ উপযোগী এই লাদাখের উচ্চ ভূ-মণ্ডল। এই মিশন ভারতের গগনযান এবং ভবিষ্যতের মহাকাশ গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। লাদাখের শুষ্ক জলবায়ু, ভৌগলিক উচ্চতা এবং অনুর্বর জমির সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে মঙ্গল এবং চাঁদের ভৌগলিক ও ভূতত্ত্বের। তাই এই ধরনের অ্যানালগ গবেষণা, ভারতে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানী ডক্টর আলোক কুমার প্রথম এই ধরনের গবেষণার জন্য বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ঠিক তারপর থেকেই একই ভাবনাকে প্রসারিত করা হয়।

    অ্যানালগ মিশন কী?

    নাসার মতে অ্যানালগ মিশন (Human Spaceflight Centre) হল, পৃথিবীর মধ্যেই পরিবেশের উপর পরীক্ষালব্ধ প্রমাণ সংগ্রহ করা। অর্থাৎ মহাকাশের অনুরূপ পরিবেশ এবং পরিস্থিতিকে অনুসরণ করে বিস্তর গবেষণা করা যায় মিশনে। এই মিশন ভূ-মণ্ডলের মধ্যে উপযুক্ত পরিবেশ নির্মাণ করে। যার মাধ্যমে মানুষ বা রোবট অথবা যন্ত্রাংশকে কীভাবে মহাকাশের মতো উপযুক্ত অনুকুল পরিবেশে রাখা যায় তা নির্ণয় করা যায়। এতে যে কোনও রকম মহাকাশ অভিযানের আগে থেকেই সমস্যা এবং সমস্যা থেকে মুক্তির পথকে অনুসন্ধান করা যায়। প্রযুক্তিবিদ এবং প্রকৌশলীরা নিজেদের অভিজ্ঞতাকে অনেকটাই আগে থেকে ভালো-মন্দ বা সাফল্যকে আন্দাজ করতে পারেন। নাসাও এই ধরনের একাধিক মিশনে কাজ করে থাকে। আগে থেকে উপযুক্ত পরিবেশ এবং জায়গা ঠিক করে একাধিক সংস্থা, প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করে থাকে। এবার ভারতের লাদাখেও এমন একটি পরিকল্পনা করেছে ইসরো (ISRO)। সেই সঙ্গে বিজ্ঞনীরাও এনিয়ে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে ভক্তরা মেতে উঠেছেন গোবর্ধন পুজোয়, জানুন এর মাহাত্ম্য

    পরীক্ষালব্ধ এলাকায় কী কী থাকে?

    এই অ্যানালগ মিশনের (Human Spaceflight Centre) মধ্যে পরীক্ষা করতে যে সব উপকরণ লাগে তার মধ্যে রয়েছে, নতুন প্রযুক্তি, রবোটিক সরঞ্জাম, যানবাহন, পরিবহণ, বাসস্থান, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা, উৎপাদন, গতিশীলতা, পরিকাঠামো, মানবশ্রম এবং স্টোরেজ। এই মিশনের কাজ এবং প্রশিক্ষণ মূল গবেষণার কাজের গতিকে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। একই ভাবে উদ্ভূত সমস্যার কথা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের বিষয়েও প্রস্তুতি নিতে সহায়ক হয়। গভীর মহাকাশে গিয়ে কী ধরনের মুহূর্ত হবে, সেই দিকগুলির উপর পুঙ্খানুপুঙ্খ নজর রাখা হয় মিশনে। এই রকম মিশনের আরও পরীক্ষালব্ধ এলাকা হতে পারে, যেমন-মহাসাগর, মরুভূমি, আগ্নেয়গিরি ইত্যাদি। তবে ইসরো (ISRO) গবেষণার জন্য লাদাখকেই বেছে নিয়ে কাজ শুরু করছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ছাব্বিশে ‘গগনযান মিশন’, আঠাশে ‘চন্দ্রযান ৪’, ভারতের মহাকাশ সূচি ঘোষণা ইসরোর

    ISRO: ছাব্বিশে ‘গগনযান মিশন’, আঠাশে ‘চন্দ্রযান ৪’, ভারতের মহাকাশ সূচি ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সাফল্যের পর, জোর কদমে কাজ চলছে ‘চন্দ্রযান ৪’ এবং ‘গগনযান’ নিয়ে। সব ঠিক থাকলে ২০২৮ সালেই চন্দ্রযান ৪ অভিযান চালানো হতে পারে, বলে জানালেন ইসরো (ISRO) প্রধান এস সোমনাথ। একই সঙ্গে তিনি জানালেন, নিরাপত্তার কারণে চলতি বছর ‘গগনযান’ অভিযান ২০২৫ সালে হচ্ছে না। পরিবর্তে ২০২৬ সালে হবে ওই অভিযান। সোমনাথ বলেছেন, ‘‘আগামী কয়েক দশকে বিশ্বের মহাকাশ গবেষণায় ভারতের বর্তমান অবদান ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করতে ইসরো বদ্ধপরিকর।’’ সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে ইসরো।

    কবে হবে চন্দ্রযান ৪-এর উৎক্ষেপণ 

    ১৮ জুলাই ২০২৩ উৎক্ষেপণের পর, ২৩ আগস্ট সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছিল চন্দ্রযান ৩। চাঁদের বাড়িতে চন্দ্রযান (ISRO) পৌঁছে যাওযার পর, নতুন উদ্যমে চন্দ্রযান ৪-এর কথা ভাবা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরেই চন্দ্রযান ৪-এর অভিযানে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। আগেই জানা গিয়েছিল, এই প্রজেক্টের সম্ভাব্য বাজেট। মনে করা হচ্ছে ২১০৪.০৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে চন্দ্রযান ৪-এর অভিযানে। এবার, সর্দার প্যাটেল মেমোরিয়াল বক্তৃতায় সোমনাথ জানান, ২০২৮ সালে রওনা হবে ‘চন্দ্রযান ৪’।

    গগনযান অভিযান কবে

    এদিন ইসরো (ISRO) প্রধান গগনযান মিশন সম্পর্কেও বিস্তারিত জানান। ইসরো জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে ২০২৫ সালে ‘গগনযান’ অভিযান করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবর্তে ২০২৬ সালে এই অভিযান করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৫ সালে হতে চলেছে ভারত-আমেরিকার যৌথ অভিযান ‘নিসার’। ‘গগনযান’ অভিযান হল ভারতের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান। ২০১৮ সালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথম এই অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কথা ছিল ২০২২ সালেই এই অভিযান হবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তা পিছিয়ে ২০২৫ করা হয়। এখন সেই অভিযানও পিছিয়ে গেল। আসল অভিযানের আগে একাধিকবার মহড়া দেবে ইসরো। খালি মহাকাশযানকে পাঠিয়ে তা নিরাপদে ফিরিয়ে আনার পরীক্ষা করা হবে। সব পরীক্ষায় সফল হয়েই এই অভিযান শুরু করতে চাইছে ইসরো। অভিযান সফল হলে রাশিয়া, আমেরিকা ও চিনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে মহাকাশে গবেষণার উদ্দেশে নভশ্চর পাঠাবে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    ISRO: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। শনিবার তিনি বলেছিলেন, “বর্তমানে গ্লোবাল স্পেস অর্থনীতিতে ভারতের অবদান (Gaganyaan) ২ শতাংশ হলেও, আগামী এক দশকের মধ্যেই তা বাড়িয়ে অন্তত ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।”

    কী বললেন ইসরো কর্তা (ISRO)

    এদিন অল ইন্ডিয়া রেডিওয় সর্দার প্যাটেল স্মৃতি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন সোমনাথ। সেই সময় তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন্ন মিশনের নতুন তারিখও জানান। এগুলি হল, মানববাহী মহাকাশ মিশন গগনযান সম্ভবত ২০২৬ সালে, চন্দ্রযান-৪ মিশনের স্যাম্পল রিটার্ন মিশন ২০২৮ সালে, এবং ভারত-মার্কিন যৌথ নিসার মিশনও হবে আগামী বছরে। ইসরোর চেয়ারম্যান জানান, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জাক্সার সঙ্গে যৌথভাবে চাঁদে অবতরণের মিশনটি এখন চন্দ্রযান-৫ মিশন হিসাবে পরিকল্পিত। তবে মিশনটি কবে হবে, তার কোনও সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি। জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান-৫ মিশন শুরু হতে পারে ২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ মিশনের পরে।

    গুরুত্বপূর্ণ মিশন

    সোমনাথ বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিশন হবে, যেখানে ভারতের পক্ষ থেকে ল্যান্ডার এবং জাপানের পক্ষ থেকে রোভার সরবরাহ করা হবে। চন্দ্রযান-৩-এর রোভারটির ওজন ছিল প্রায় ২৭ কেজি। কিন্তু এই মিশনে ৩৫০ কেজির একটি রোভার থাকবে।” তিনি বলেন, “এটি একটি বিজ্ঞানসমৃদ্ধ মিশন, যা আমাদের চাঁদে মানব অবতরণের এক ধাপ কাছাকাছি নিয়ে যাবে।” তিনি জানান, ভারত ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একটি মানব মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে। ইসরো (ISRO) কর্তা বলেন, “মহাকাশ খাতটি বেসরকারি উদ্যোগের জন্য উন্মুক্ত করা, নয়া সহায়ক নীতিমালা এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের দেখানো উদ্দীপনা ভারতে একটি প্রাণবন্ত মহাকাশ ইকোসিস্টেম সৃষ্টি করেছে।”

    আরও পড়ুন: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    তিনি বলেন, “আমাদের বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে অবদান এখনও প্রায় ২ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যে এটি প্রায় ১০ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ইসরো একা এটা অর্জন করতে পারবে না। আমাদের অন্যান্য অংশীদারদের অংশগ্রহণও প্রয়োজন। স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে বড় কোম্পানিগুলি, সবাইকেই (Gaganyaan) এগিয়ে আসতে হবে এবং ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করতে হবে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chandrayaan 4: চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র, অনুমোদন শুক্র অভিযানেও

    Chandrayaan 4: চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র, অনুমোদন শুক্র অভিযানেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩ সাফল্যের মুখ দেখেছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ভারত। এবার শুরু হয়ে গেল চন্দ্রযান ৪ এর প্রস্তুতি (Chandrayaan 4)। এ ব্যাপারে গত মার্চেই বার্তা দিয়েছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। বুধবার (Venus Mission) সেই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে চন্দ্রযান ৪ কর্মসূচিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শুক্রে মহাকাশযান পাঠানো এবং মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

    চন্দ্রযান ৪ উৎক্ষেপণ (Chandrayaan 4)

    ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান ৪ উৎক্ষেপণ করা হবে দুটি ধাপে। প্রথমবার উৎক্ষেপণ করা হবে এলভিএম-৩, দ্বিতীয় দফায় পিএসএলভি। এতে পাঁচটি আলাদা আলাদা যান থাকবে। ভারতের এই মিশন সফল হলে আমেরিকা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চিনের সঙ্গে এক পঙতিতে বসে যাবে ভারত। ইতিমধ্যেই জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা করেছে ইসরো।

    অভিযানের লক্ষ্য

    এই অভিযানের লক্ষ্য হবে চাঁদের মেরু অঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকায় জল ও বিভিন্ন খনিজ অনুসন্ধান করা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন, চন্দ্রযান ৪ এর মাধ্যমে শুধু চাঁদের মাটিতে অবতরণই নয়, ইসরো সেখান থেকে মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে দেশে নিয়ে আসতে চায়। সেই পরিকল্পনাই করা হচ্ছে। ইসরো শুক্র অভিযানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল সেই ২০১৮ সালে (Chandrayaan 4)। চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় হয়নি শুক্র অভিযান। এদিন সেই ‘ভেনাস অরবিটার’ কর্মসূচিও ছাড়পত্র পেয়েছে মন্ত্রিসভার। ছাড়পত্র পেয়েছে প্রথম দেশে তৈরি মহাকাশ যানে ভারতীয় নভঃচর পাঠানোর গগনযান প্রকল্পও।

    আরও পড়ুন: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় যে কক্ষপথ রয়েছে ২০৩৫ সালের মধ্যে সেখানে তৈরি হয়ে যাবে ভারতের স্পেস স্টেশন। এই স্পেস স্টেশনে অ্যাস্ট্রোবায়োলজি ও মাইক্রোগ্র্যাভিটি সংক্রান্ত নানা গবেষণা করা হবে। চন্দ্রযান ৪ অভিযান ইসরোর কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারত কতটা এগিয়েছে, যা জানা যাবে এই অভিযানেই। চাঁদের কক্ষপক্ষে নোঙর করা, চাঁদে ল্যান্ড করে নমুনা সংগ্রহ করা, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা এবং ফের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে (Venus Mission) এই গ্রহের মাটি ছোঁয়া, প্রতিটি পদক্ষেপই গুরুত্বপূর্ণ (Chandrayaan 4)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক মহকাশ স্টেশনে (International Space Station) যাচ্ছেন এক ভারতীয় (Indian Astronaut)। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে ওই মহাকাশচারীকে। এ খবর জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    এএক্স-৪ মিশন (Indian Astronaut)

    নাসা এবং ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাকাশ অভিযানের নাম এক্সিওম স্পেস এএক্স-৪ মিশন। এই অভিযানে ভারত থেকে পাঠানো হবে দুই নভশ্চরকে। এঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ও প্রশান্ত বালকৃষ্ণণ নায়ার। বর্তমানে নাসায় চলছে এঁদের প্রশিক্ষণ। জানা গিয়েছে, এএক্স-৪ মিশনের জন্য ইসরো বেছে নিয়েছেন শুক্লাকে। আর নায়ার হবেন ব্যাকআপ ক্যান্ডিডেট। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, “একজন ভারতীয় মহাকাশচারী আগামী এপ্রিলের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাবেন।” এবার আজ ২৩ অগাস্ট পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। গত বছর এই দিনে চাঁদে ল্যান্ড করেছিলেন বিক্রম ল্যান্ডার। তারই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। তার আগেই এক ভারতীয় মহাকাশচারীর (Indian Astronaut) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিমও জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার থিম হল, ‘টাচিং লাইভস হোয়াইল টাচিং দ্য মুন: ইন্ডিয়াজ স্পেস সাগা।’ এ উপলক্ষে এদিন ইসরোর তরফে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সায়েন্টিফিক ডেটা প্রকাশ করবে ইসরো। গবেষকরা যাতে এই ডেটা ব্যবহার করতে পারেন, তা-ই এই ব্যবস্থা। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের বর্ষপূর্তিতে গত দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজারো অনুষ্ঠান হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় মহাকাশ ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ হ্যাকাথন’ ও ‘ইসরো রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ’ জয়ীদের পুরস্কারও দেবেন তিনি। আসন্ন স্পেস মিশনের বিষয়ে বলতে গিয়ে ইসরোর সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি সান্ত্বনু ভাটাদেকর বলেন, “ইসরো-নাসার (International Space Station) যৌথ অভিযান এনআইএসএআর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির পরেই লঞ্চ করা হবে (Indian Astronaut)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Gaganyaan Mission: ডিসেম্বরেই মানবহীন গগনযান-এর মহাকাশ যাত্রা! জানেন ইসরোর পরিকল্পনা?

    Gaganyaan Mission: ডিসেম্বরেই মানবহীন গগনযান-এর মহাকাশ যাত্রা! জানেন ইসরোর পরিকল্পনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ডিসেম্বরেই গগনযান প্রকল্পের প্রথম মিশন (Gaganyaan Mission) মহাকাশে পাড়ি দিতে পারে বলে আশা ইসরোর। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ (S Somanath) সম্প্রতি জানান, গগনযানের মানববিহীন প্রথম মিশন (জি১)-এর শেষপর্যায়ের কাজ চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এর উৎক্ষেপণ করার কথা ভাবা হচ্ছে।

    গগনযান-এর কাজ কোন পর্যায়

    গগনযান (Gaganyaan Mission) প্রথম মিশন মহাকাশে পাঠানোর তোড়জোড় চলছে। একাধিক আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ এগিয়ে চলেছে। চেষ্টা চলছে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম মিশনটি শুরু করে দেওয়ার। সম্প্রতি ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘বর্তমানে মহাকাশাভিযান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত রকেট ও হার্ডওয়ার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে পৌঁছেছে এবং ক্রু মডিউলের সংযোজন প্রক্রিয়া তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে আমরা গগনযানের মানববিহীন প্রথম মিশন (জি১)-এর শেষপর্যায়ের কাজ করছি। আমরা পুরো তারের ওয়ারিং এবং টেস্টিং-এর কাজ সম্পন্ন করে ফেলেছি। আশা করছি, নভেম্বরের মধ্যেই পুরো সিস্টেম উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে। ফলে খুব সহজেই আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হব।’’

    আরও পড়ুন: রাখি পূর্ণিমায় রাতের আকাশে সুপার-ব্লু মুন! ভারতে কখন দেখা যাবে?

    মহাকাশে মানুষ পাঠানোই লক্ষ্য

    চন্দ্রযান-৩ প্রকল্পে সাফল্যের পর গগনযান প্রকল্প সফল করতে জোরদার প্রস্তুতি শুরু করে ইসরো (ISRO)। প্রথমে পৃথিবীর অক্ষে এই মানববিহীন যান প্রদক্ষিণ করবে। মহাকাশযানে করে মানুষের পরিবর্তে পাঠানো হবে মানবীয় (মানুষের মতো দেখতে) রোবট ‘ব্যোমিত্র’-কে। পরবর্তীতে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। ইতিমধ্যেই রকেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ছাড়াও মানববাহী মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র সতীশ ধবন স্পেস সেন্টারে আনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারেও শুরু হয়েছে মহাকাশ গবেষণার নানান পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ। ইসরো আগে এই ধরনের অভিযান (Gaganyaan Mission) করেনি ফলে এটা সর্বাত্মক ভাবে সফল করা ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার কাছে একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে গেল ইসরোর ক্ষুদ্রতম রকেট

    ISRO: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে গেল ইসরোর ক্ষুদ্রতম রকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনই ইসরোর নয়া সাফল্য। শুক্রবার সকালে শ্রীহরিকোটার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে ইসরোর (ISRO) নতুন মিশন ইওএস-০৮ (EOS-08)। তবে, এই অভিযানে এই স্যাটেলাইটটি নয়, বরং সকলের চোখ ছিল এর বাহক, ‘স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল ডি৩’-এর (SSLV D3) দিকে। কারণ, এটিই হল ইসরোর তৈরি সবথেকে ছোট রকেট। অতি সম্প্রতি, ইসরো এই রকেটটি তৈরি করেছে। 

    এই বেবি রকেটের কিছু বিশেষত্ব (SSLV launch) 

    গত বেশ কয়েকবছর ধরেই ছোট আকারের রকেট তৈরি নিয়ে কাজ করছে ইসরো (ISRO)। এই অভিযান ইসরোর মিশন স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলের চূড়ান্ত সংস্করণের প্রথম উড়ান। ৩৪ মিটার এই রকেটটি ৫০০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ছোট উপগ্রহগুলি বহন করতে পারে। ছোট আকারের স্যাটেলাইটগুলিকে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করার জন্যই এই রকেটটির নকশা করা হয়েছে।  

    ইওএস-০৮ স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য

    ইওএস-০৮ স্যাটেলাইটটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৭৫ কিলোমিটার উচ্চতায় লো-আর্থ অরবিটে স্থাপন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এটি এক বছরের জন্য কাজ করবে। ১৭৫.৫ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটি প্রায় ৪২০ ওয়াট শক্তি উৎপাদন করতে পারে। যে পেলোডগুলি রয়েছে স্যাটেলাইটটিতে, সেগুলি আসন্ন গগনযান মিশনে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে। এই স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য হল পরিবেশ এবং দুর্যোগ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রদান করা। 
    যদিও স্বাধীনতা দিবসের সকালেই এই রকেট (SSLV launch) উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু, কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্য তা করা যায়নি। তার বদলে, স্বাধীনতা দিবসের পরের দিন অর্থাৎ ১৬ অগাস্ট অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের প্রথম লঞ্চ প্যাড থেকে, সকাল ৯টা বেজে ১৯ মিনিটে যাত্রা শুরু করে রকেটটি। ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, এই উৎক্ষেপণ একেবারে সফল। ইসরো সফলভাবে ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি ডি৩-কে কক্ষপথে স্থাপন করেছে। পাশাপাশি ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ‘উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। পুরো দলকে অভিযানের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাই।’

    আরও পড়ুন: ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর ষষ্ঠ প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ইসরোর প্রশংসা করলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী (ISRO) 

    কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি-ডি৩ (SSLV launch) মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো দলের প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘‘ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি ডি৩ মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো টিমকে ধন্যবাদ জানাই৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় টিম ইসরো ধারাবাহিকভাবে একের পর এক সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shubhanshu Shukla: ছেলে যাচ্ছে মহাকাশে, ভীত নয়, গর্বিত শুভাংশুর পরিবার

    Shubhanshu Shukla: ছেলে যাচ্ছে মহাকাশে, ভীত নয়, গর্বিত শুভাংশুর পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে মহাকাশ অভিযানের (Space Mission) দলের নেতৃত্ব দিতে চলেছেন। ভয়ে বুক দুরুদুরু করার কথা পরিবারের। আর তাঁদের কিনা ভয় করছে না! বরং বলছেন, ছেলে মহাকাশে যাচ্ছেন বলে তাঁরা গর্বিত, ভীত নন।

    গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)

    আজ্ঞে, হ্যাঁ। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লর (Shubhanshu Shukla) পরিবারের কথাই বলছি। কিছুদিন পরেই হবে ভারত-মার্কিন যৌথ উদ্যোগে মহাকাশ অভিযান। নভশ্চররা রওনা দেবেন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের (ISS) উদ্দেশে। এই অভিযাত্রী দলের ক্যাপ্টেন মনোনীত হয়েছেন শুভাংশু। ছেলের এই সাফল্যে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে শুভাংশুর বাড়িতে খুশির হাওয়া।

    কী বলছে শুভাংশুর পরিবার?

    শুভাংশুর বাবা শম্ভু দয়াল শুক্ল অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী। তিনি বলেন, “এই অভিযান নিয়ে আমরা মোটেই নার্ভাস হচ্ছি না। বরং ছেলের সাফল্যে গর্ব অনুভব করছি।” শুভাংশুর মা আশা শুক্লা। বলেন, “ছোট ছেলে শুভাংশু ঠান্ডা মাথার ছেলে। ও প্রতিটি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে মেজাজ না হারিয়েই।” শুক্রবারই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে ঘোষণা করা হয় শুভাংশুর (Shubhanshu Shukla) নাম। জানানো হয়েছে, অভিযাত্রী দলে থাকবেন প্রশান্ত বালাকৃষ্ণাণ নায়ারও।

    আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে নাকি ‘স্মরণীয় দিন’ কাটিয়েছেন শশী! তুলোধনা করল বিজেপি

    ইসরো জানিয়েছে, শুক্ল প্রাইমারি অ্যাস্ট্রোনট। নায়ার তাঁর ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করবেন। শুক্লকে অভিযাত্রী দলের নেতা বেছে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা চিহ্নিত সার্ভিস প্রোভাইডার এক্সিওম স্পেস আইএনসি। ইসরোর ঘোষণার পরেই অকাল উৎসবে মেতে ওঠেন লখনউয়ের ত্রিবেণী নগর এলাকার লোকজন। শুভাংশুর বাবা বলেন, “আমরা খুব খুশি। ওর সাফল্যে গর্বিত। আমরা ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি যেন ওদের অভিযান সফল হয়। এ ব্যাপারে আমাদের আত্মবিশ্বাসও রয়েছে। দেশবাসীও তাদের আশীর্বাদ করছেন।”

    তিনি বলেন, “আমি সেক্রেটারিয়েটে চাকরি করতাম। চাইতাম, ছেলে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিক কিংবা ডাক্তার হোক। কিন্তু ভগবান যে ওর জন্য অন্যরকম গন্তব্য লিখে রেখেছেন।” শুভাংশুর গর্বিত বাবা বলছেন, “আমার চার ছেলেমেয়ের মধ্যে ও ছোট। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ও সাফল্য পেয়েছে। ও এয়ারফোর্সে নির্বাচিত হয়েছিল। ইসরোয়ও হয়েছিল। এখন নির্বাচিত হল মহাকাশ অভিযানের (Space Mission) জন্য (Shubhanshu Shukla)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share