Tag: ISRO

ISRO

  • Indo US Space Mission: ফের মহাবিশ্বে ভারত! নাসার সঙ্গে মহাকাশে যাচ্ছেন উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্ল

    Indo US Space Mission: ফের মহাবিশ্বে ভারত! নাসার সঙ্গে মহাকাশে যাচ্ছেন উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্ল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহাবিশ্বে, মহাকাশে মহাকালো মাঝে” ফের পা পড়তে চলেছে কোনও ভারতীয় মহাকাশচারীর। আসন্ন ভারত-মার্কিন মহাকাশ অভিযানের (Indo US Space Mission) জন্য প্রধান মহাকাশ-চারী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্লকে ৷ শুক্রবার, ইসরোর (ISRO) তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা হিউম্যান স্পেস সেন্টার অক্সিওম ৪ মিশনের জন্য একটা মহাকাশ ফ্লাইট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷ এই মিশনের জন্য ন্যাশানাল মিশন অ্যসাইমেন্ট বোর্ড শুভাংশু শুক্লকে (Subhanshu Shukla) দেশের প্রথম প্রধান মহাকাশ যাত্রী রূপে নির্বাচিত করেছে৷ ক্যাপ্টেন বালকৃষ্ণান নায়ারকে মিশনের ব্যাকআপ রূপে সুপারিশ করা হয়েছে৷

    বাহিনীতে যোগদান

    লখনউয়ের বাসিন্দা গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্ল। প্রায় ১৮ বছর আগে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indo US Space Mission)  যোগ দিয়েছিলেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লর দিদি জানিয়েছেন, কার্গিল যুদ্ধই ছিল তাঁর বাহিনীতে যোগদানের অনুপ্রেরণা। ১৯৯৯ সালে, কার্গিল যুদ্ধের সময় গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লর (Subhanshu Shukla) বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। কিন্ত, ভারতীয় সেনাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের বীরগাথা পড়তে পড়তেই তিনি ঠিক করে নিয়েছিলেন সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেবেন। শুভাংশুর কথায় তাঁর কর্মজীবন ছিল ‘রোলারকোস্টার রাইড’৷ দীর্ঘ কর্মজীবনে তাঁর সু-৩০ এমকেআই, মিগ-২১, মিগ-২৯, জাগুয়ার-সহ একাধিক যুদ্ধবিমান চালানোর অভিজ্ঞতা লাভের মধ্যে দিয়ে তিনি একজন ফাইটার কমব্যাট লিডার এবং টেস্ট পাইলট হয়ে উঠেছেন৷

    ইসরোর স্পেস ফ্লাইট চুক্তি

    ভারতের মহাকাশে (Indo US Space Mission) প্রথম মানুষ পাঠানোর অভিযান, গগনযান মিশন হবে ২০২৬ সালে। তিন দিন ধরে পৃথিবীর কক্ষপথে ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবেন তিন ভারতীয় নভোশ্চর। তারপর, তাঁদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে। ভারতীয় জলসীমায় এসে ল্যান্ড করবে তাদের মহাকাশযান। তার আগেই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আসন্ন অক্সিওম-৪ (Axiom-4) অভিযানে যাচ্ছে নাসা এবং মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা অক্সিওম স্পেস (Axiom Space)। এই অভিযানে একজন ভারতীয় নভোশ্চরকে অংশ করার বিষয়ে অক্সিওম স্পেস এবং নাসার সঙ্গে, স্পেস ফ্লাইট চুক্তি করেছে ইসরো। সম্প্রতি সংসদে এই তথ্য জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন, তাঁর কাছে অনেক শেখার আছে’’, মোদিতে মুগ্ধ কামাথ

    কবে থেকে প্রশিক্ষণ

    এই অভিযানের (Indo US Space Mission) জন্য অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেই গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্ল (Subhanshu Shukla) এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন নায়ারের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এই অভিযানে, তাঁরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিরুবন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে গগনযান মিশনের জন্য অন্য তিন মহাকাশ-চারীর সঙ্গে শুভাংশুর নামও ঘোষণা করেছিলেন৷

    ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে

    ১৯৮৪ সালের ৩ এপ্রিল, ‘সোভিয়েত ইন্টারকসমস’ প্রোগ্রামের অধীনে, সয়ুজ টি-১১ মহাকাশযানে (Indo US Space Mission) চড়ে মহাকাশে গিয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন পাইলট, উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মা। এখনও পর্যন্ত তিনিই একমাত্র ভারতীয়, যিনি মহাকাশে পা রেখেছেন। আর তার ৪০ বছর পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে পা রাখতে চলেছেন শুভাংশু (Subhanshu Shukla)। শেষ মুহূর্তে কোনও কারণে গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্ল মহাকাশে যেতে না পারলে, গ্রুপ ক্যাপ্টেন নায়ার যাবেন নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অভিযানে অংশ নেবেন একজন ভারতীয় গগনযাত্রীও (Gaganyatri)। তিনি অবশ্য হবেন কোনও ভারতীয় নভশ্চর। লোকসভায় এ কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)।

    ইসরো, নাসার যৌথ উদ্যোগ (Jitendra Singh)

    এই মিশনটি হতে চলেছে ইসরো, নাসা এবং নাসা স্বীকৃত প্রাইভেট সংস্থা তথা অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ প্রয়াসে। সম্প্রতি মহাকাশ মিশনের অংশ হিসেবে, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাত্রার জন্য ইসরো অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। লিখিত জবাবে লোকসভায় মন্ত্রী জানান, নাসার সঙ্গে যৌথ মিশনে নেমেছে ইসরো। এই মিশনেরই অংশ হিসেবে ইসরোর তরফে এক গগনযাত্রীকে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

    বেসরকারি উদ্যোগ

    নাসার তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থবারের জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীদের নিয়ে যেতে অ্যাক্সিওমের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নাসা। এই চুক্তি মোতাবেক, চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পরে বেসরকারি উদ্যোগে নভশ্চরদের নিয়ে যাওয়া হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরোও (Jitendra Singh)।

    জানা গিয়েছে, এই মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই চার নভশ্চরকে বেছে নিয়েছে ইসরো। ইসরোর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। তার আগে এঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন রাশিয়ায়। তবে প্রশিক্ষণের শেষ ধাপ সম্পূর্ণ হবে ভারতেই। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গগনযাত্রীদের তিন ধাপ প্রশিক্ষণ পর্বের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুধাপ। এক ধাপের প্রশিক্ষণ এখনও বাকি।”

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    চারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তিনজন। তবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর আগে পাঠানো হবে যন্ত্রমানব। তার যাত্রাপথ মসৃণ হলে, তবেই মহাকাশে পাঠানো হবে রক্তমাংসের মানুষ। ইসরোর ওই মিশন হবে তিন দিনের। শুরু হতে পারে ২০২৫ সালে।

    যে যানটিতে করে নভশ্চরদের (Gaganyatri) মহাকাশে পাঠানো হবে, সেই যান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “মানব-রেটেড লঞ্চ ভেহিক্যালের কঠিন ও তরল প্রপালশন পর্যায়গুলি ফ্লাইট ইন্টিগ্রেশনের জন্য প্রস্তুত (Jitendra Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chandrayaan-3: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    Chandrayaan-3: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে অতিক্রান্ত এক বছর। ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। এই দিনে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছিল চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3)। সফল এই চন্দ্রাভিযান ভারতকে এক লহমায় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে এলিট ক্লাসে উঠিয়ে দিয়েছিল। এই অভিযান দেশের মুকুটে যোগ করেছে নতুন পালক। 

    পুরানো সেই দিনের কথা 

    কোটি কোটি ভারতবাসী আশা-স্বপ্নের এক উড়ান হয়ে চাঁদকে ছুঁয়ে দেখার নেশায় ঠিক এক বছর আগে চাঁদের উদ্দেশে ছুটে গিয়েছিল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। এরপর এক মাসের বেশি সময় পর পূরণ হয়েছিল আপামর ভারতবাসীর স্বপ্ন। ২৩ অগাস্ট সফল ভাবে চাঁদকে ছুঁয়ে দেখেছিল ভারতের চন্দ্রযান। বিশ্বের মধ্য়ে চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদ জয়ের খেতাব অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয়ের পালক জুড়েছিল ভারতের মুকুটে। চন্দ্রযানের সাফল্যের পর বিশ্বের দরবারে ভারতের মহাকাশ গবেষণার কদর বহুগুণ বেড়েছে।

    সফল অভিযান কী দিল (Chandrayaan-3)

    চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতার পর বেশ কয়েক বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছিলেন চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। ‘চাঁদের বাড়ি’ সব গল্প জানার জন্য তৈরি হয়েছিল ভারত।  চাঁদের বুকে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নানা অজানা তথ্যের সন্ধান দিয়েছে চন্দ্রযান-৩। চন্দ্রযান-৩ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আরও সমৃদ্ধ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ চাঁদের মাটি ছোঁয়ার পর কাজে নামে রোভার ‘প্রজ্ঞান’। চাঁদের মাটিতে শুরু হয় তার পথ চলা। পরবর্তী দুই সপ্তাহে চাঁদের মাটিতে ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করে সেটি। চাঁদের মাটিতে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি, পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠাতে শুরু করে। রোভার ‘প্রজ্ঞানে’র পাঠানো একাধিক তথ্য মহাকাশ গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটির মূল উপাদানগুলিকে শনাক্ত করতে সফল হয় সে। চাঁদের মাটিতে সালফারের খোঁজ পায়। 

    আরও পড়ুন: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    জলের অণুর সন্ধান

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে আবিষ্কারটি করে রোভার ‘প্রজ্ঞান’, তা হল, চাঁদের মাটিতে জলের অণুর উপস্থিতি। ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান তো বটেই, আগামী দিনে চাঁদে উপনিবেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখছেন বিজ্ঞানীরা, এই আবিষ্কার সেই কাজের সহায়ক হবে আগামী দিনে। চাঁদের ভৌগলিক ইতিহাস সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছে চন্দ্রযান-৩। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরুরু ভৌগলিক পরিবেশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গিয়েছে। চাঁদের মাটিতে শিলার গঠন সম্পর্কেও তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kakdwip: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    Kakdwip: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় নাসার (NASA) গবেষণাগারে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে যোগ দিতে চলেছেন কাকদ্বীপের (Kakdwip) সুভাষনগরের বাসিন্দা ঋত্বিকা মাইতি। বর্তমান তিনি কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। রসায়নবিদ্যা নিয়ে স্নাতকস্তরে পড়ছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর আলোচনা সভাতেও ঋত্বিকা ডাক পেয়েছিলেন। সেখানে তাঁর মৌলিক ভাবনা তুলে ধরেছিলেন।

    প্রবন্ধ লিখে পাঠিয়ে ছিলেন মার্কিন সংস্থায় (Kakdwip)

    এবার নাসার (NASA) বিজ্ঞানীদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সম্পর্কে ঋত্বিকা (Kakdwip) তাঁর মৌলিক ভাবনা তুলে ধরবেন। জানা গিয়েছে, মার্কিন সংস্থা এক্সা এ্যারোস্পেস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নাসার বিজ্ঞানীরা মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে তরুণ ছাত্রছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষাদান করবেন। পাশাপাশি মহাকাশ গবেষণার সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা তরুণ ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে মৌলিক ভাবনার কথাও শুনবেন। ইতিমধ্যেই ঋত্বিকা মহাকাশ গবেষণার বিষয় নিয়ে তাঁর মৌলিক ভাবনাকে তুলে ধরে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেই প্রবন্ধ মার্কিন সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছিল। প্রবন্ধটি পড়ে মার্কিন সংস্থার বিজ্ঞানীরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে মনোনীত করেছেন। এরপরই মার্কিন সংস্থা এক্সা এ্যারোস্পেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা অনলাইনে ঋত্বিকার ইন্টারভিউ নেন। সেই ইন্টারভিউতেও তিনি সাফল্য লাভ করেন। এরপরই তাঁকে মার্কিন মুলুকে নাসার গবেষণা কেন্দ্রের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।                  

    উচ্ছ্বসিত ঋত্বিকা

    এবিষয়ে ছাত্রী ঋত্বিকা মাইতি (Kakdwip) বলেছেন, “আমি খুব উচ্ছ্বসিত, এই বিষয়ে আমি পড়াশুনা করছি। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। ইন্টারনেট থেকে তথ্য নিয়ে নিজে নিজে যতটা পেরেছি কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে একটা সমস্যা হল আর্থিক সমস্যা। একসঙ্গে এত টাকা ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না। তবে সরকার বা কোনও সংস্থা সহযোগিতা করলে অ্যামেরিকা যেতে পারব। এটা যেমন বিরল সুযোগ, তেমনি যাতায়াতের খরচও অধিক। তাই আনন্দের মধ্যেও একটা বিষণ্ণতা রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    পরিবারের বক্তব্য

    তবে কীভাবে নাসার (NASA) এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ঋত্বিকা, তা নিয়ে চিন্তিত মাইতি পরিবারও (Kakdwip)। ঋত্বিকার বাবা বিশ্বজ্যোতি মাইতি বলেছেন, “এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে কমপক্ষে সাত লক্ষ টাকার প্রয়োজন রয়েছে। আমি পেশায় একজন শিক্ষক। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এই খরচ বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য। জানিনা কীভাবে ঋত্বিকার স্বপ্ন পূরণ হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nambi Narayanan: সাজানো চর-কাণ্ডে নির্দোষ নাম্বি নারায়ণন, কী বলছে সিবিআই-এর চার্জশিট?

    Nambi Narayanan: সাজানো চর-কাণ্ডে নির্দোষ নাম্বি নারায়ণন, কী বলছে সিবিআই-এর চার্জশিট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দোষ ছিলেন ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন (Nambi Narayanan)। তাঁকে গুপ্তচরবৃত্তির মিথ্যা মামলায় (ISRO 1994 Espionage Case) ফাঁসানো হয়েছিল। সিবিআই-এর চার্জশিটই এর প্রমাণ। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকতেই নামের পাশে সেঁটে গিয়েছিল ‘দেশদ্রোহী’ তকমা। চরবৃত্তির অভিযোগে জেলও খাটতে হয়েছিল তাঁকে। সেই বদনাম কাটিয়ে উঠতে দু’দশকেরও বেশি সময় লেগে গিয়েছিল। তবে এত দিনে প্রকৃত অর্থে ‘সুবিচার’ পেলেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)-র প্রাক্তন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন। 

    সিবিআই-এর চার্জশিটে কী বলা হয়েছে

    ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টে চরবৃত্তির অভিযোগ (ISRO 1994 Espionage Case) থেকে রেহাই পান নাম্বি নারায়ণন (Nambi Narayanan)। শীর্ষ আদালত এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। সম্প্রতি এই মামলায় চার্জশিট দিল সিবিআই। সেই চার্জশিটে নাম রয়েছে পুলিশের দুই প্রাক্তন ডিজি সিবি ম্যাথুস (কেরলের) এবং গুজরাটের আর বি শ্রীকুমারের। এছাড়াও চার্জশিটে নাম রয়েছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তা এস বিজয়ন এবং থাম্পি এস দুর্গা দত্তের। তিরুবনন্তপুরমের মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারকের কাছে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। আদালত সূত্রের খবর, এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি করতে আঘাত করা, মিথ্যা নথি তৈরি করা, প্রমাণ জালিয়াতি করা সহ মহিলাদের উপর অত্যাচারের ধারায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সিবিআই এই মামলার তদন্তে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা ও আইবি সহ ১৮ জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখে।

    আরও পড়ুন: রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছল দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডার, জানেন এর প্রভাব

    কী ঘটেছিল নাম্বিদের সঙ্গে (Nambi Narayanan)

    ১৯৯৪ সালে ইসরোর গুপ্তচর বৃত্তির (ISRO 1994 Espionage Case) মামলায় বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণনকে (Nambi Narayanan) অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তিনি ভারতের সাইক্রোজেনিক ইঞ্জিন টেকনোলজিকে পাকিস্তানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। মলদ্বীপের কোনও নাগরিকের মাধ্যমে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তোলা হয়। এই অভিযোগে ইসরোর সহকর্মী ডি শশীকুমার সহ আরও চারজন অভিযুক্তের সঙ্গে নাম্বিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তিনি প্রায় ৫০ দিন জেলে কাটান। পরে কেরল পুলিশের হাত থেকে মামলা সিবিআইয়ের হাতে গেলে মুক্তি পান তাঁরা। সিবিআই জানিয়ে দেয়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই। পরবর্তী কালে নাম্বি নারায়ণন দাবি করেন, ইসরো চর-কাণ্ড আসলে একটি আন্তর্জাতিক ছক। যা ভারতে রকেটে তরল জ্বালানি ব্যবহারের প্রযুক্তিকে ১৫ বছর পিছিয়ে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO Chief: রাষ্ট্রপ্রধান মোদিকে মহাকাশ অভিযানে পাঠাতে চান ইসরো প্রধান

    ISRO Chief: রাষ্ট্রপ্রধান মোদিকে মহাকাশ অভিযানে পাঠাতে চান ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে প্রথম মানব পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরো। মিশন গগনযান শুরু হতে পারে আগামী বছরেই। এনিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরো প্রধান (ISRO Chief) এস সোমনাথ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সকলেই খুব গর্বিত হব, যদি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে (PM Modi) মহাকাশে পাঠাতে পারি।’’ কিন্তু তিনি এও বলেন, ‘‘দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের (PM Modi)  আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’’ এর পাশাপাশি ইসরো প্রধান (ISRO Chief) আরও জানিয়েছেন, প্রথম গগনযান মহাকাশে একদিন স্থায়ী হতে পারে এবং নভোচররা পৃথিবীর ১৬টি কক্ষপথই ঘুরবেন।

    গগনযানের তিন ধাপ

    গগনযান মিশন সম্পর্কে ইসরো প্রধান (ISRO Chief) আরও জানিয়েছেন, প্রথমে মনুষ্যবিহীন যান পাঠানো হবে। এরপরে সেই যানটিকে সাফল্যের সঙ্গে ফিরিয়ে আনা হবে। দ্বিতীয় ধাপে সরঞ্জামসহ অ্যালগরিদম সম্পর্কে একটি পরীক্ষা করা হবে। তৃতীয় ধাপে পরীক্ষামূলক অভিযান হবে। আগামী বছরের শেষের দিকে এই গগনযান মিশনের প্রথম পরীক্ষামূলক অভিযান সম্পূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কোন চার মহাকাশচারীকে বাছল ইসরো (ISRO Chief)

    প্রসঙ্গত, গগনযান মিশনের জন্য ইতিমধ্যে চারজন নভোচারীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এস সোমনাথ (ISRO Chief) জানিয়েছেন, নির্বাচিত চার জনের মধ্যে আপাতত একজনকে মহাকাশে পাঠানো হবে। তবে প্রত্যেককেই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। যে চার জন নভোচারীকে বাছা হয়েছে তাঁরা হলেন, প্রশান্ত নায়ার, অঙ্গদ প্রতাপ, অজিত কৃষ্ণান এবং শুভাংশু শুক্লা।

    মিশন সফল করার জন্য ইসরো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে

    জানা গিয়েছে, গগনযানের প্রথম অভিযান সফল হলে পরবর্তীকালে ওই তিন মহাকাশচারীকে একসঙ্গে মহাকাশে পাঠাবে ইসরো। তাঁদেরকে সাত দিন মহাকাশে রাখা হবে। তারপর সাফল্যের সঙ্গে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে। ইসরো প্রধান জানিয়েছেন, চলতি বছর গগনযান মিশনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। মিশনটি সফল করার জন্য ইসরো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: “সুনীতাদের ফেরা নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই”, বললেন ইসরো প্রধান

    ISRO: “সুনীতাদের ফেরা নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই”, বললেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা প্রত্যেকেই সুনীতা উইলিয়ামসকে নিয়ে গর্বিত। তাঁর ঝুলিতে অনেকগুলি অভিযানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নয়া মহাকাশযানে চড়ে প্রথম মহাকাশে যাওয়া খুবই সাহসিকতার কাজ।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) প্রধান এস সোমনাথ।

    ‘স্পেস স্টেশন অত্যন্ত নিরাপদ স্থান’ (ISRO)

    গত ৫ জুন সুনীতা এবং তাঁর অভিযানসঙ্গী বুচ উইলমারকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হয় ‘বোয়িং স্টারলাইনার’। গত ২৬ জুন তাঁদের ফেরার কথা ছিল। কিন্তু, মহাকাশযানে হিলিয়াম গ্যাস লিক সহ একাধিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কাছেই একটি রুশ উপগ্রহে বিস্ফোরণ ঘটায় তার ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে. নাসা জানিয়ে দিয়েছে, এখনই পৃথিবীতে ফেরা হচ্ছে না সুনীতাদের। মার্কিন মহাকাশ সংস্থার আশঙ্কা, ৪৫ থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে সুনীতাদের ঘরে ফেরা।

    এপ্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ইসরো প্রধান বলেন, “ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সুনীতাদের ফেরা নিয়ে এত গভীর আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থান। মহাকাশচারীরা দীর্ঘদিন সেখানে নিরাপদে ও সুস্থভাবে থাকতে পারেন। সমস্ত রকম বন্দোবস্ত রয়েছে সেখানে।” তিনি বলেন, “সুনীতা ছাড়াও সেখানে আরও ন’জন মহাকাশচারী রয়েছেন। তাঁরা কেউই আটকে নেই। এমন শব্দ প্রয়োগ অনুচিত।”

    ‘কোনও সমস্যাই নেই’

    ইসরো কর্তা বলেন, “কোনও না কোনওদিন সকলকেই ফিরে আসতে হবে। নয়া মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনকারের কর্মক্ষমতা যাচাই করতেই গিয়েছেন তাঁরা। কীভাবে সেটি মহাকাশে ঘুরপাক খেতে পারে, কীভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে, এগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” এই মহাকাশবিজ্ঞানী বলেন (ISRO), “মহাকাশচারীদের ফেরানোর নানারকম প্রযুক্তি রয়েছে ওই মহাকাশযানে। তাই কোনও সমস্যাই নেই। তাছাড়া মহাকাশচারীদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে অনেকদিন থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে।”

    আর পড়ুন: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    বোয়িং স্টারলাইনারের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ইসরো কর্তা বলেন, “যখন আমরা বোয়িং স্টারলাইনারের মতো কোনও মহাকাশযান তৈরি করি, আমাদের মূল লক্ষ্য থাকে সেটি অভিযান সেরে সফলভাবে পৃথিবীতে পৃথিবীতে ফিরতে পারবে কিনা, তা যাচাই করে নেওয়া।” তিনি বলেন, “বোয়িং স্টারলাইনারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামানো হয়েছে বলেই আমার অনুমান।” সোমনাথ জানান, সুনীতা নিজেও ওই মহাকাশযানের ডিজাইন টিমে ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “আমরাও একটি নয়া মডেল তৈরি করছি। তাই বুঝতে পারছি সুনীতার ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল।” তিনি বলেন, “আমাদের থেকে অনেক বেশি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন সুনীতা। আমি কামনা করি, তিনি যেন সুস্থভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। পরে তাঁর এই অভিজ্ঞতার সাহায্যে নয়া মহাকাশযান তৈরিতে সাহায্য করুন।” ইসরো কর্তা বলেন, “মহকাশ অভিযান মানুষের জন্যই। বলা তো যায় না, হয়তো অন্য কোনও দেশের জন্য উদ্ধার কাজে যাবে ভারতের মহাকাশযান।”

    সোমনাথের কণ্ঠে ঝরে পড়ে প্রত্যয়। স্বাভাবিক। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে যে তামাম বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে ইসরোই (ISRO)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ২৩ জুন তৃতীয়বার সফল অবতরণ করল ইসরোর (ISRO) পুষ্পক। এটি আদতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য একটি মহাকাশযান। মহাকাশ বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল’। ইসরোর বিজ্ঞানীরা এর নাম রেখেছেন ‘পুষ্পক’। পৌরাণিক আখ্যানে যে পুষ্পক রথের কথা বলা হয়েছে, তার নামেই নামকরণ করা হয়েছে এই রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যালের।

    ‘পুষ্পকে’র অবতরণ (ISRO)

    ‘আরএলভি এলইএক্স-০৩’ নামে পরিচিত এই মিশনটি কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জ থেকে পরিচালনা করা হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুক হেলিকপ্টার থেকে ৪. কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় পুষ্পককে। ইসরোর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এলইএক্স-০৩ সিরিজের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়েছিল ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭টা ১০ মিনিটে। কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জে পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। দ্রাঘিমা ও পার্শ্বীয় সমতল ত্রুটি সংশোধনের জন্য মিশনটিতে উন্নত নির্দেশিকা যুক্ত অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়েছে।

    এক ঢিলে মরবে একাধিক পাখি

    এই মিশনে আগেরবারের মিশন আরএলভি এলইএক্স-০২-র উইং বডি এবং ফ্লাইট সিস্টেমগুলি ব্যবহার করা হয়েছে। এই মিশনটি ইসরো (ISRO), ভারতীয় বিমান বাহিনী ও অন্য কয়েকটি সংস্থার একটি যৌথ প্রচেষ্টা। ইসরোর এই মিশন সফল হওয়ায় এক ঢিলে অনেকগুলি পাখি মরবে। প্রথমত, পুনর্ব্যবহারযোগ্য যান হওয়ায় মহাকাশে দূষণ কমবে। সর্বোপরি, মহাকাশ অভিযানের খরচ একলপ্তে কমে যাবে অনেকখানি। ইসরো সূত্রের দাবি, ‘পুষ্পকে’র মতো আরএলভিকে মহাকাশ থেকে মাটিতে ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি ভারতের হাতে এসে গিয়েছে। পরে সেটিকে আবারও মহাকাশে ফেরত পাঠানো যাবে।

    আর পড়ুন: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    ‘পুষ্পক’ মিশন সফল হওয়ায় টিম ইসরোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “পুষ্পকের সফল অবতরণ হ্যাটট্রিক করেছে। এটা ইসরোর বড় সাফল্য। পুষ্পকের অরবিটাল টেস্ট চলছে। মহাকাশে এটিকে একটি রকেটে লঞ্চ করা হবে। তাহলেই এটি নিরাপদে ফিরে আসবে পৃথিবীতে।” তিনি বলেন, “এটি প্রকৃতই একটি গেম চেঞ্জার প্রযুক্তি। এতে মহাকাশে যান পাঠানো অনেক সস্তা হয়ে যাবে। এটি ইসরোর আত্মনির্ভর প্রচেষ্টার সুফল। একবিংশ শতাব্দীতে সম্পূর্ণ স্বদেশি পথে লঞ্চ করা হল রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল পুষ্পকের।” ভিএসএসসির ডিরেক্টর এস উন্নীকৃষ্ণণ নায়ার বলেন, “এই ধারাবাহিক সাফল্য ভবিষ্যতের অরবিটাল রি-এন্ট্রি মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির প্রতি ইসরোর আস্থা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NISAR: “মহাকাশ স্টেশনে ভারতীয় মহাকাশচারী এবং নিসার প্রকল্প লঞ্চের জন্য প্রস্তুত” জানালেন মার্কিন দূত

    NISAR: “মহাকাশ স্টেশনে ভারতীয় মহাকাশচারী এবং নিসার প্রকল্প লঞ্চের জন্য প্রস্তুত” জানালেন মার্কিন দূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই দুটি মিশনে মার্কিন সহযগিতা পাবে ভারত। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি বলেছেন, “আমেরিকা এই বছরের শেষ নাগাদ একজন ভারতীয় মহাকাশচারীকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠাবে। এছাড়াও মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মধ্যে একটি যৌথ পৃথিবী-পর্যবেক্ষণ মিশন হবে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিসার’ (NISAR) প্রকল্প। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই মিশন চালু হবে।”

    কী বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা এ বছর একজন ভারতীয় মহাকাশচারীকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছতে যাচ্ছি। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন তখন আমরা বলেছিলাম যে, ২০২৪-এর শেষ নাগাদ, আমরা এটি সম্পন্ন করব।” 

    ট্র্যাকে রয়েছে মিশন

    দুটি মিশনই ট্র্যাকে রয়েছে। ভারতবাসীর জন্য এ খবর খুবই গর্বের। ইসরো মহাকাশ গবেষণার নয়া দিগন্ত তুলে ধরেছে। গারসেটি জানিয়েছেন যে, নিসার (NISAR) প্রকল্প একটি যৌথ পৃথিবী-পর্যবেক্ষক মিশন। এর পুরো নাম— NASA ISRO Synthetic Aperture Radar। এটি একটি স্যাটেলাইট যা নাসা এবং ইসরো মিলে তৈরি করছে। এই পর্যবেক্ষক মিশন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উৎক্ষেপণের তারিখ দ্রুত নির্ধারণ করা হবে। মহাকাশযানটি ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করবে।

    নিসার ভারতের অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট (NISAR)

    ইসরো সূত্রে খবর, উৎক্ষেপণের আগে কাজ শেষ করার মধ্যে রয়েছে স্যাটেলাইটের ৩৯-ফুট-ব্যাস (১২-মিটার) রেডার অ্যান্টেনা, প্রতিফলকের (Reflector) হার্ডওয়্যার উপাদানগুলিতে একটি বিশেষ আবরণ প্রয়োগ করা, যা মিশনে নাসার প্রাথমিক অবদানগুলির মধ্যে একটি। এই বিশেষ আবরণ তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রশমিত করতে পারে।

    আরও পড়ুন: চাঁদের মাটিতে আরও জলের সন্ধান! গবেষণায় বড় দাবি ইসরোর

    এর বিশাল প্রতিফলক পৃথিবীর পৃষ্ঠে মাইক্রোওয়েভ সংকেত প্রেরণ করবে এবং গ্রহণ করবে। প্রতি ১২ দিনে দুবার প্রায় সমস্ত গ্রহের ভূমি এবং বরফের পৃষ্ঠ স্ক্যান করতে সক্ষম করবে এই স্যাটেলাইট।

    কী কাজে লাগবে এই স্যাটেলাইট

    এই মিশনের মাধ্যমে (NISAR)  নাসা এবং ইসরোর মধ্যে প্রথম সম্পূর্ণ সহযোগিতা হচ্ছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি ট্রেলব্লেজিং স্যাটেলাইট। দুই ধরনের সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডারকে একত্রিত করে, এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠের পরিমাপ পর্যবেক্ষণ করবে। বিশেষত মেরু অঞ্চলের বরফের চাদর এবং হিমালয়ের হিমবাহ, জলাভূমি এবং বনভূমি এবং আগ্নেয়গিরির পরিবর্তন লক্ষ করা ছাড়াও ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবে এই স্যাটেলাইট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO:  নতুন মাইলফলক ইসরোর, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

    ISRO:  নতুন মাইলফলক ইসরোর, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরোর (ISRO) মুকুটে নয়া পালক ৷ অ্যাডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং (এএম) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করলেন দেশের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ৷  পিএসএলভি (পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যাল) এর পিএস4 ইঞ্জিনে এই নতুন তরলটি পরীক্ষা করা হয় ৷ মাত্র ৬৬৫ সেকেন্ডের মধ্যে এই পরীক্ষাটি শেষ করেন বিজ্ঞানীরা ৷ সম্পূর্ণ দেশীয় ভাবে তৈরি এই ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করা হয় ওড়িশার মহেন্দ্রগিড়িতে অবস্থিত ইসরো-র প্রোপালসন কমপ্লেক্সে ৷ 

    এই ইঞ্জিনে নতুন কী

    প্রচলিত পদ্ধতিতে নির্মিত এই পিএস৪ ইঞ্জিনটি পিএসএলভি-এর চতুর্থ পর্যায়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ৷ বায়ুশূন্য অবস্থায় এই ইঞ্জিনের বলপ্রয়োগের ক্ষমতা ৭.৩৩ কিলোনিউটন ৷ পিএসএলভি-র প্রথম পর্যায়ের বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাতেও (রিঅ্যাকশন কন্ট্রোল সিস্টেম) এই ইঞ্জিনটিকে ব্যবহার করা হয় ৷ ইসরোর (ISRO) তরফে জানানো হয়েছে, লিকুইড প্রোপালসন সিস্টেম সেন্টার (এলপিএসসি) দ্বারা নির্মিত এই ইঞ্জিনে অক্সিডাইজার হিসেবে নাইট্রোজেন টেট্রোক্সাইড ব্যবহার করা হয় ৷ সেইসঙ্গে প্রেসার-ফেড অবস্থায় জ্বালানী হিসেবে মোনো মিথাইল হাইচড্রেজিন ব্যবহার করা হয়েছে ৷ অ্যাডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য এই ইঞ্জিনটিকে পুনর্গঠন করেছে এলপিএসসি ৷ যার ফলে তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষার ক্ষেত্রে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি ইসরোর বিজ্ঞানীদের ৷ 

    দেশেই তৈরি

    ইসরো (ISRO) সূত্রে খবর, এই নতুন ইঞ্জিনটি সম্পূর্ণ রূপে ভারতে তৈরি করা হয়েছে। উইপ্রো ৩ডি এই ইঞ্জিন তৈরি করেছে। এই ইঞ্জিনে রয়েছে লেজার পাউডার বেড ফিউশন ৷ নয়া এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রকেটে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের সংখ্যা কমানো যাবে ৷ ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশের সংখ্যা ১৪ থেকে একক-পিসে কমিয়ে আনা হয়েছে। অতিরিক্তভাবে, নতুন ডিজাইনে ১৯ টি জোড় জয়েন্ট বাদ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রকেট ইঞ্জিন থেকে ওয়েল্ড জয়েন্টগুলির সংখ্যা কমানো সম্ভব হয়েছে ৷ ফলে প্রতি ইঞ্জিনে কাঁচামাল ব্যবহার কম করতে হবে ৷ অন্যদিকে নয়া এই প্রযুক্তির সাহায্যে সামগ্রিক উৎপাদনের সময় কমেছে ৬০ শতাংশ ৷ উল্লেখ্য, নয়া এই এম পিএস৪ ইঞ্জিনটিকে খুব শীঘ্রই পিএসএলভি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে ইসরো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share