Tag: ISRO

ISRO

  • PSLV-C54: আরেক সফল অভিযান ইসরোর, পিএসএলভি-তে চেপে ৯টি উপগ্রহ গেল মহাকাশে

    PSLV-C54: আরেক সফল অভিযান ইসরোর, পিএসএলভি-তে চেপে ৯টি উপগ্রহ গেল মহাকাশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, শ্রীহরিকোটা থেকে সফল ভাবেই সম্পন্ন হল ইসরোর মিশন PSLV-C54, এই মিশনের দ্বারা  Earth Observation Satellite-6 (EOS-6) এর সঙ্গে আরও ৮টি স্যাটেলাইট কক্ষপথে স্থাপিত হল। ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ এদিন জানিয়েছেন, উপগ্রহগুলি সফল ভাবেই কক্ষপথে স্থাপিত হয়েছে। এটি ছিল PSLV-এর ৫৬তম মহাকাশ অভিযান। বেলা ১১:৫৬ মিনিটে, ৪৪.৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই রকেটটি যাত্রা করে ৩২১ টন ওজন সমেত। মোট ৯টি স্যাটেলাইটের মধ্যে ৮টি স্যাটেলাইট হল ন্যানো স্যাটেলাইট। অন্য Earth Observation Satellite-6 (EOS-6) স্যাটেলাইটটির ওজন ১,১১৭ কেজি, এটি তৈরি হয়েছে ইসরোর UR Rao Satellite Centre-এ।

    আরও পড়ুন:পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি সংশোধন বিলে স্বাক্ষর রাজ্যপালের

    ইসরো চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    Earth Observation Satellite-6 হল ওশেনস্যাট সিরিজের থার্ড জেনারেশন স্যাটেলাইট। এই মিশনের উদ্দেশ্য হল অবিরাম ভাবে Ocean Colour এবং Wind Vector ডেটা প্রাপ্তি। ইসরো চেয়ারম্যান মিশন কন্ট্রোল কেন্দ্রে তাঁর বক্তব্যে বলেন,”আমরা প্রত্যেকেই পর্যবেক্ষণ করেছি যে, এই রকেটটির কার্যক্ষমতা প্রতিটি ধাপেই সফল। PSLV এর সমস্ত টিমকে অভিনন্দন, সফল উৎক্ষেপণ এর জন্য। রকেটটির দ্বারা স্যাটেলাইটটি সফল ভাবেই কক্ষপথে স্থাপিত হয়েছে ৭৪২ কিমি উচ্চতায়, সময় লেগেছে ১,০৩৩ সেকেন্ড”।

    আরও পড়ুন: ভারতের ইতিহাস বীরত্বের, যোদ্ধাদের! নতুন করে তা লিখতে হবে অভিমত প্রধানমন্ত্রীর

    spacecraft separation সফল ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে, একথা লিখে ইসরো থেকে এদিন ট্যুইটও করা হয়েছে। ২০২২ সালে এটাই ইসরোর শেষ মিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Skyroot Aerospace: ইসরোর সহযোগীতায় ভারতে প্রথমবার বেসরকারি সংস্থার রকেট উৎক্ষেপণ 

    Skyroot Aerospace: ইসরোর সহযোগীতায় ভারতে প্রথমবার বেসরকারি সংস্থার রকেট উৎক্ষেপণ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেসরকারী রকেট নির্মাতা সংস্থা স্কাইরুট অ্যারোস্পেস আগামী ১২ থেকে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর শ্রীহরিকোটা মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে তিনটি পেলোড সহ বিক্রম-এস নামে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হবে।

    স্কাইরুট অ্যারোস্পেস (Skyroot Aerospace)

    গত ২০২০ সালের জুনে কেন্দ্রীয় সরকার বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণের জন্য মহাকাশ খাত উন্মুক্ত করে দেয়।তারপর থেকে এটিই প্রথম কোনও বেসরকারি সংস্থার রকেট উৎক্ষেপণ যা কিনা সম্পূর্ণভাবে একটি দেশীয় সংস্থার তৈরি ও পরিচালিত। হায়দ্রাবাদের এই স্পেস স্টার্টআপ কোম্পানিটি মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

    স্কাইরুটের অভিযান(Skyroot Space Launch)

    স্কাইরুটের তরফে এই অভিযানের নামকরণ করা হয়েছে প্রারম্ভ। এই প্রসঙ্গে স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের সিইও পবন কুমার চন্দানা বলেন, এক নতুন পথের সূচনা হতে চলেছে।সেহেতু এই অভিযানের নামকরণ করা হয়েছে প্রারম্ভ।
    তিনি আরও জানান, ১২ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে রকেটটিকে উৎক্ষেপণের সময় দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার দিকে নজর রেখে রকেট উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

    আরও পড়ুন: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২ 

    বিক্রম-এস(Vikram-S)

    স্কাইরুট অ্যারোস্পেস নির্মিত রকেটটি ভারতের স্বনামধন্য গবেষক তথা মহাকাশ অভিযানের প্রাণপুরুষ বিক্রম সারাভাইয়ের নাম অনুসারে নামকরণ করা হয়েছে। স্কাইরুট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,এটি একটি একক পর্যায়ের সাব-অরবিটাল রকেট। বিক্রম সিরিজ়ের অন্য রকেটগুলির প্রযুক্তিগত ক্ষমতা যাচাই করতে এই রকেট সাহায্য করবে। বিবৃতিতে আরও জানান, এই সাবঅরবিটাল স্পেস রকেটটি তিন গ্রাহকের বরাত অনুযায়ী পেলোড বহন করবে। সেগুলি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দিতে পারলেই কাজ হাসিল। তবে কোন কোন গ্রাহকের থেকে সেই বরাত মিলেছে, তা জানা যায়নি।রকেট প্রস্তুতিতে ইসরো ‘স্কাইরুট’-কে সাহায্য করায় ধন্যবাদও জানিয়েছেন কোম্পানির সিইও। এই প্রসঙ্গে স্কাইরুট অ্যারোস্পেসেই সিইও পবন কুমার চন্দনা সংবাদমাধ্যমে জানান, আমরা এত অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের বিক্রম-এস রকেট মিশন তৈরি করতে পেরেছি শুধুমাত্র ISRO এবং IN-SPACE-এর কাছ থেকে পাওয়া অমূল্য সমর্থনের কারণে।
    সাধারণত, একটি সাবঅরবিটাল স্পেস রকেটগুলি পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উচ্চতাকে মধ্যে যায়। এটি অরবিটাল ফ্লাইটের তুলনা অনেক কম হয়।
    এই ধরনের বেসরকারি রকেট সংস্থার মূল লক্ষ্য থাকে মুনাফা করা। রকেট নির্মাণ, সেটি প্রেরণ করার বিষয়ে সংস্থাগুলি বিনিয়োগ করে। এদিকে এদের গ্রাহক হন মহাকাশে বিভিন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণে ইচ্ছুক সংস্থা। টাকার বিনিময়ে তাদের থেকে বরাত নিয়ে মহাকাশে সেই কৃত্রিম উপগ্রহ পৌঁছে দেয় এই সংস্থাগুলি। 

     

    স্কাইরুট অ্যারোস্পেস(Skyroot Aerospace) তহবিল

    স্কাইরুট অ্যারোস্পেস(Skyroot Aerospace) এখনও পর্যন্ত ৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫৫৪ কোটি টাকা। এটি বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বেশি ফান্ডেড বাণিজ্যিক স্পেস স্টার্টআপ। ভারতেই সম্পূর্ণ 3D-প্রিন্টেড প্রযুক্তিতে রকেট ইঞ্জিন তৈরি করা প্রথম সংস্থাগুলি মধ্যেও এটি অন্যতম। গত বছরের নভেম্বরে সংস্থাটি সফলভাবে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ প্রদর্শন করেছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে, ১৯ মে, এই সংস্থা Kalam-100 নামের একটি ভারতে নির্মিত সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনও পরীক্ষা করেছে।

    প্রসঙ্গত,মহাকাশ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইনস্পেস (IN-SPACE) -এর কাছ থেকে প্রযুক্তিগত উৎক্ষেপণের অনুমোদন পাওয়ার পরই ISRO-এর চেয়ারম্যান ড. এস. সোমানাথ বেঙ্গালুরুতে ISRO-এর প্রথম মিশন চালু করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Mission Venus ISRO: শুক্রগ্রহে অভিযানের আগে ফের চাঁদে ও মঙ্গলে অভিযান চালাবে ইসরো

    Mission Venus ISRO: শুক্রগ্রহে অভিযানের আগে ফের চাঁদে ও মঙ্গলে অভিযান চালাবে ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে সফলতার সাথে চন্দ্রযান ও মঙ্গলযান পাঠানোর পর এবার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো শুক্রগ্রহে মহাকাশযান পাঠানোর প্রস্তুতি করছে। চলতি বছরের মে মাসেই ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ ঘোষণা করেছিলেন ইসরো শুক্রগ্রহে অভিযান শুরু করবে। সরকার এবং ইসরোর বৈজ্ঞানিকেরা এই প্রকল্পে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। তিনি জানান, ভারতের জন্য শুক্রগ্রহে অভিযান চালানো যথেষ্ট সহজ। ২০২৪ সালের মধ্যেই শুক্রগ্রহে শুক্রযান নামে মহাকাশযানটি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন । ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসকে বেছে নেওয়া হয়েছে কারণ এই সময় পৃথিবী এবং শুক্র এমনভাবে অ্যালাইন হবে যে সেই সময় পৃথিবী ও শুক্রগ্রহ প্রায় এক সরলরেখায় সারিবদ্ধ হবে। খুব সামান্য পরিমাণেই প্রপেল্যান্ট ব্যবহারের মাধ্যমেই মহাকাশযানটি প্রতিবেশী গ্রহের কক্ষপথে পাঠানো যাবে। যদি কোনো কারণে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে দীর্ঘ সাত বছর পর ২০৩১ সালে এমন সুযোগ আসবে।
    এই মিশনে শুক্র গ্রহে জীবকূল বেঁচে থাকার মতো পরিবেশ রয়েছে কি না তার খোঁজ করা হবে। এছাড়াও গ্রহটিতে কোন জীব রয়েছে কিনা, সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ করা হবে। ইসরো তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের এই রিসার্চ কোনও দেশের অনুকরণে হবে না। সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রিসার্চ করে নতুন কিছু বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হবে।

    অপরদিকে, শুক্রগ্রহ অভিযানের আগে মঙ্গল ও চাঁদে ফের অনুসন্ধান চালাবে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। তবে জাপানের সঙ্গে গাঁটছড়ায় এই প্রকল্পটি করা হবে বলে জানিয়েছে মহাকাশ সংস্থাটি।

    ইসরোর বৈজ্ঞানিক অনিল ভরদ্বাজ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, চাঁদের ছায়া অঞ্চলটি নিয়ে গবেষণার জন্য  জাপানিজ সংস্থা Japanese Aeroplane Exploitation Agency এর একটি রকেটে ইসরো নির্মিত চন্দ্র রোভারকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করানো হবে। 

    এছাড়াও তিনি জানান, আদিত্য এল-১ সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইসরো থেকে আরও একটি নতুন অভিযান হতে চলেছে। ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি উপগ্রহ সূর্যকে প্রদক্ষিণ করবে। যার সাহায্যে সৌর বায়ুত্ব্ররণ ও পৃথিবীর কাছাকাছি আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যাবে এছাড়াও নানা বিষয় সম্পর্কে জানা যাবে এই উপগ্রহ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ISRO OneWeb Satellite Launch: আজই প্রথম বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ইসরো

    ISRO OneWeb Satellite Launch: আজই প্রথম বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)  তাদের সবচেয়ে ভারী রকেট লঞ্চ ভেহিকেল LVM3-M2-তে ৩৬টি ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটের প্রথম বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ করতে প্রস্তুত। ৪৩.৫  মিটার লম্বা রকেটটি রবিবার ভারতীয় সময় রাত ১২টা বেজে ৭ মিনিটে  শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড থেকে লঞ্চ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। রকেটটিকে ৮ হাজার  কেজি পর্যন্ত স্যাটেলাইট বহন করার ক্ষমতার রয়েছে। এই কারণে রকেটটি সবচেয়ে ভারী হতে পারে বলে ইসরো সূত্রে খবর ।

    [tw]


    [/tw] 

    রবিবারের উৎক্ষেপণটি ইসরোর কাছে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ LVM3-M2 মিশনটি সফল হলেই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ পরিষেবার বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং ওয়ানওয়েব (One Web) নামে একটি ব্রিটিশ স্টার্ট আপ কোম্পানির এর মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে মিশনটি হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে  ইসরো।

    [tw]


    [/tw] 

    মহাকাশ সংস্থার মতে, মিশনটি ওয়ানওয়েবের ৩৬ টি স্যাটেলাইটকে নিয়ে ৫৭৯৬  কেজি  ওজনের সবচেয়ে ভারী  ওজন বহন করবে। এলভিএম-থ্রি হল একটি তিন পর্যায়ের বাহন যেখানে দুটি সলিড মোটর স্ট্র্যাপ-অন, একটি লিকুইড প্রপেলান্ট কোর স্টেজ এবং একটি ক্রায়োজনিক স্টেজ রয়েছে।নতুন রকেটটি একটি জিওসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিটে চার টন বর্গের উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম।এই এনভিএম থ্রি রকেটকে আগে জিএসএলভি এমকে থ্রি বলা হত। ওয়ানওয়েব ইন্ডিয়া-১ মিশনের এলভিএম থ্রি-এম২ রকেট যাচ্ছে মহাকাশে।

    মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে ভারত প্রতিদিনই একাধিক নতুন মাত্রা তৈরি করছে। এই মিশন সফল হলে সরকারি, ব্যবসায়িক ও বিভিন্ন সংযোগের ক্ষেত্রে ‘জেন ওয়ান এলইও কনস্টেলেশন’ এর হাত ধরে আরও উচ্চ গতি সম্পন্ন সংযোগ পাওয়া যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chandrayaan 2 found Sodium On Moon: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২

    Chandrayaan 2 found Sodium On Moon: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের (Moon) পৃষ্ঠে থাকা প্রচুর সোডিয়ামের (Sodium) সন্ধান পেল ভারতের চন্দ্রযান ২। ২০১৯ সাল থেকে চাঁদের চারপাশে ঘোরাফেরা করছে চন্দ্রযান ২। এই প্রথমবারের মতো চাঁদে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ম্যাপ করেছে এটি। নতুন এই অনুসন্ধান চাঁদের উপরিভাগ-এক্সোস্ফিয়ারের (Exosphere) মিথস্ক্রিয়া গবেষণা আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, চন্দ্রযান-২ অরবিটারের এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার (X-ray spectrometer) এই প্রথম চাঁদে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়ামের অনুসন্ধান করেছে। যদিও চন্দ্রযান-১-এর এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স স্পেকট্রোমিটারের (C1XS) এক্স-রেতে এর সাহায্যে এর আগেও সোডিয়ামের উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে চন্দ্রযান-২-র লার্জ এরিয়া সফট এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার বা CLASS এর সাহায্যে সোডিয়ামের উপস্থিতি আরও ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে 

    চাঁদের উপর ভেসে বেড়ানো ধূলিকণার মধ্যে সোডিয়ামের কিছু পরমাণুর উপস্থিতিকে লক্ষ্য করার পরই বৈজ্ঞানিকেরা চাঁদে সোডিয়ামের উপস্থিতি থাকতে পারে বলে ধারণা করেছিলেন। সোডিয়াম পরমাণুগুলি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির বিকিরণের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে সহজে বেরিয়ে আসছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

    আরও পড়ুন: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’ 

    তাঁরা আরও জানিয়েছেন, চন্দ্রযান-২ চাঁদের পৃষ্ঠে থাকা সোডিয়ামের একটি বৈচিত্রও খুঁজে পেয়েছে,মহাকাশে পরমাণুর ক্রমাগত বেরিয়ে আসাকে ব্যাখ্যা করবে। এছাড়াও, যে অঞ্চলটিতে সোডিয়াম পাওয়া গিয়েছে সেটি চাঁদের বিশুদ্ধ বায়ুমণ্ডলে। এই অঞ্চলটি বায়ুর পরিমাণ এতটাই কম যে, সেখানে পরমাণুগুলি খুব কমই মিলিত হয়। ইসরো উল্লেখ করেছে, ‘এক্সোস্ফিয়ার’ নামে অভিহিত এই অঞ্চলটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে শুরু করে মহাকাশের কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

    [tw]


    [/tw] 

    চন্দ্রযান-২ এর আগে আবিষ্কার করেছিল যে চাঁদের আয়নোস্ফিয়ারের প্লাজমা ঘনত্ব (Plasma Density) রয়েছে। ২০১৯ সালের ২২ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ করেছিল ইসরো। ৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অরবিটার থেকে বিক্রমের ল্যান্ড করার কথা ছিল। কিন্তু অবতরণের শেষ ধাপে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল বিক্রম। হার্ড ল্যান্ডিং করেছিল বিক্রম। যদিও অরবিটারটি এখনও প্রদক্ষিণ করে চলেছে চাঁদকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chandrayaan 4: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    Chandrayaan 4: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ইতিহাস রচনা করেছে ভারত। ফের চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর বেশ কয়েক মাস কেটে গিয়েছে, এখন ‘চন্দ্রযান ৪’ (Chandrayaan 4) অভিযান নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে। তবে চতুর্থ চন্দ্রযান অভিযান আগের সব অভিযানের থেকে একেবারে আলাদা হতে চলেছে, বলে দাবি করল ইসরো। কারণ চাঁদের মাটি ছোঁয়া এবং সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফিরে আসার জন্য পৃথক ভাবে দু’দফায় মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হবে। 

    ‘চন্দ্রযান ৪অভিযানের লক্ষ্য

    চাঁদের বুক থেকে চাঁদের মাটি এবং পাথর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে চলেছে ইসরো। এর আগে একমাত্র, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চিন চাঁদ থেকে চাঁদের মাটি ও পাথরের নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সফল হয়েছে। ন্যাশনাল স্পেস সায়েন্স সিম্পোসিয়ামে ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, এই অভিযানের একমাত্র লক্ষ্য, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য চাঁদের মাটি-পাথর সংগ্রহ করে পৃথিবীতে নিয়ে আসা। চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) অভিযান হওয়ার কথা ২০২৮ সালে। এই অভিযান সফল হলে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিক খুলে যাবে।

    চন্দ্রযান ৪ জটিল অভিযান

    এবার আর একটা রকেট নয়, পর্যায়ক্রমে দুই ধাপে দুই রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৪ (Chandrayaan 4)। চন্দ্রযান ৪-এর পেলোডগুলি দুই ধাপে পাঠানো হবে চাঁদে। দুই ধাপে সেই পেলোডগুলি বয়ে নিয়ে যাবে দুই রকেট। ইসরো প্রধান জানিয়েছেন, এই প্রথমবার ইসরো একটি মিশনের জন্য দু’বার রকেট উৎক্ষেপণ করবে। চাঁদের পাথর ও মাটি (রেগোলিথ) নিয়ে ফিরবে পৃথিবীর বুকে চন্দ্রযান ৪। এলভিএম-৩ (সাবেক জিএসএলভি) এবং পিএসএলভি রকেট দু’টি চন্দ্র মিশনের পেলোডগুলি বহন করবে। আলাদা আলাদা দিনে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটগুলি। আগের তুলনায় অনেক জটিল প্রক্রিয়া বলেই দু’-দফায় উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। সবচেয়ে ভারী যে উৎক্ষেপণযান, এলভিএম-৩ ব্যবহার করে প্রথমে তিনটি উপাদান একত্রে রওনা দেবে, যেগুলি হল, প্রপালসন মডিউল, ডিসেন্ডার মডিউল এবং অ্যাসেন্ডার মডিউল। এই উৎক্ষেপণ চন্দ্রযান ৩ অভিযানের মতোই হবে। এর পর, পিএসএলভি উৎক্ষেপণযানে চাপিয়ে মহাকাশে পাঠানো হবে ট্রান্সফার মডিউল এবং রি-এন্ট্রি মডিউল। তবে কোনটির উৎক্ষেপণ আগে এবং কোনটির পরে, তা এখনও জানা যায়নি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘এটা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে’’, গুজরাটে মোদি

    কীভাবে কাজ করবে মডিউলগুলি

    আগের চন্দ্র মিশনগুলিতে ২-৩টি পেলোড থাকলেও চন্দ্রযান ৪-এ (Chandrayaan-4) থাকবে পাঁচটি পেলোড। পেলোডগুলি হল প্রপালশন মডিউল, যা চন্দ্রযান ৪-কে পথ দেখিয়ে চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে। ডিসেন্ডার মডিউল, চাঁদে অবতরণ করবে এই পেলোডটি। এর কাজ চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডারকে নামানো। অ্যাসেন্ডার মডিউল, চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ট্রান্সফার মডিউলে ফিরে আসতে সাহায্য করবে। ট্রান্সফার মডিউল এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে যাবে এই অংশ। সব শেষে রি-এন্ট্রি মডিউল, এই অংশ চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করবে ভারত, চলছে প্রস্তুতি, চূড়ান্ত নামও

    ISRO: মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করবে ভারত, চলছে প্রস্তুতি, চূড়ান্ত নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক বছরের মধ্যেই মহাকাশ গবেষণায় ফের বড় সাফল্য পেতে চলেছে ভারত। রাশিয়া, আমেরিকা এবং চিনের পরে মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করবে ইসরো (ISRO)। সারা বিশ্বের নিরিখে চতুর্থ দেশ হিসেবে এই শিরোপা আসবে কয়েক বছরের মধ্যেই। এনিয়ে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যেই স্পেস স্টেশনটিকে মহাকাশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। এর প্রস্তুতি পর্ব ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান এস সোমনাথ।

    ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’-এর খুঁটিনাটি

    ইসরো (ISRO) সূত্রে খবর, ওই স্পেস স্টেশনের নাম রাখা হবে ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’। স্টেশনের ভিতরে দুই থেকে চার জন মহাকাশচারীর থাকার বন্দোবস্তও করা হবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের ডিরেক্টর উন্নিকৃষ্ণণ নায়ার জানিয়েছেন, ভারতের রকেট ‘বাহুবলী’ এবং লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩ (এলভিএম ৩)-এর মাধ্যমে স্পেস স্টেশনের অংশগুলি মহাকাশে পাঠানো হবে। পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্থাপিত হবে ভারতের স্পেস স্টেশন। মহাকাশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা চালানো হবে এই স্পেস স্টেশনটি থেকে।

    ২০ হাজার কিলোগ্রাম থেকে ৪ লাখ কিলোগ্রাম ওজন হতে পারে স্টেশনটির

    জানা গিয়েছে, এই স্পেস স্টেশনের (ISRO) ওজন ২০ হাজার কিলোগ্রাম থেকে চার লক্ষ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। চারটি মডিউল এবং অন্তত ৮টি সোলার প্যানেল থাকতে পারে স্পেস স্টেশনটিতে। স্পেস স্টেশনটি অক্সিজেন প্রস্তুতির পাশাপাশি কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনও করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে ইসরোকে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত বেশকিছু লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। যারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- স্পেস স্টেশন তৈরি এবং ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানো। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে ইসরো।

    আরও পড়ুুন: লালুর কটাক্ষকে মুখের মতো জবাব বিজেপির, স্বয়ং মোদি কী বললেন জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ‘দুষ্টু ছেলে’র পিঠে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর উপগ্রহ

    ISRO: ‘দুষ্টু ছেলে’র পিঠে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর উপগ্রহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উপগ্রহ নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর (ISRO) রকেট। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, যে রকেটে চড়ে উপগ্রহটি মহাকাশে পাড়ি দেবে তার নাম ‘নটি বয় (দুষ্টু ছেলে)’।  জানা গিয়েছে, আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস আরও নিখুঁত ভাবে দেবে ‘নটি বয়’। এর পাশাপাশি নতুন উপগ্রহটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েও পৃথিবীপৃষ্ঠে আগাম সতর্কতা পৌঁছে দেবে। মহাকাশ থেকেই ‘নটি বয়’ মাটি এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উপর নজরদারি চালাবে।

    কেন এমন নামকরণ?

    ‘নটি বয়’-এর ভালো নাম (ISRO) অবশ্য জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (GSLV)। শনিবারই ঠিক বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ইনস্যাট-থ্রিডিএস-কে পিঠে বসিয়ে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেবে রকেটটি। ‘নটি বয়’ ডাকনামটি দিয়েছেন সংস্থার (ইসরো) প্রাক্তন চেয়ারম্যান। হঠাৎ কেন এমন আজব নাম নির্বাচন করা হল? কারণ হল, এই রকেটটির মতিগতি বোঝা খুব শক্ত। রকেটটির মতিগতি বুঝতে হিমশিমও খেতে হয়েছে ইসরোর বিজ্ঞানীদের। ঠিক যেন মুডের ওপর নির্ভর করে। ভালো থাকলে সফল, অন্যথায় ব্যর্থ। তাই আদর করে সেটির নাম রাখা হয়েছে ‘নটি বয়’। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৫ বার উৎক্ষেপণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে রকেটটি (ISRO) যার মধ্যে ৬বার ব্যর্থ হয়েছে এটি। শেষবারের জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়, ২৯ মে ২০২৩। তখন উৎক্ষেপণ সফল হয়। কিন্তু তার আগে ২০২১ সালের ১২ অগাস্ট রকেটটির উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছিল।

    কী বলছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানী?

    আবহাওয়া বিজ্ঞানী এম রবিচন্দ্রনের কথায়, ‘‘ভারতীয় আবহাওয়া উপগ্রহগুলি আরও উন্নত ভাবে তৈরি করা হয়েছে৷ এই উপগ্রহগুলি (ISRO) আকাশের চোখ হিসাবে কাজ করে। যা ভারতকে ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য দুর্যোগ সম্পর্কে নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।’’ জিএসএলভি একটি ত্রিস্তরীয় রকেট যা ৫১.৭ মিটার দীর্ঘ। এর ওজন ৪ লাখ কেজিরও বেশি।

     

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Artificial Intelligence: “ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে”, কেন বললেন ইসরো প্রধান?

    Artificial Intelligence: “ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে”, কেন বললেন ইসরো প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভবিষ্যতে বিভিন্ন জিনিসের উপর শাসন-নিয়ন্ত্রণ থাকবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (Artificial Intelligence)। আপনার ব্যবহার করা প্রত্যেকটি ডিভাইস প্রতিনিয়ত আপনাকে একটু একটু করে শিখে চলেছে।” এই কথাগুলি ইসরো প্রধান এস সোমনাথের। অসমের গুয়াহাটির প্রাগজ্যোতিষপুর বিশ্ববিদ্যাল্যয়ের একটি আলোচনাচক্রে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্য ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ইসরো প্রধান (Artificial Intelligence)?

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রভাব নিয়ে কথা বলছিলেন ইসরো প্রধান। তিনি বলেন, “আজকাল আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা এআই-এর কথা বলছি। এই এআই আমাদের চারপাশেই রয়েছে। যে সব মোবাইল বা স্মার্টফোন ব্যবহার করি তার মধ্যে থাকা সিস্টেম, ডিভাইস, সফটওয়্যার, অ্যাপগুলি অজান্তেই আমাদের ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নিচ্ছে। যা ব্যবহার করছি সেগুলিই আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে, আপনি কে? আপনার পছন্দ কেমন? সব কিছুই কম্পিউটার আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। আমরা যতটা নিজেকে জানি না, তার থেকে অনেক বেশি পারিমাণে কম্পিউটার আপনার ওপর নজর রাখছে। এমনকী, বন্ধু-বান্ধবরা যা জানে না তার থেকে অনেক বেশি জানে এই সিস্টেম। আগামী দিনে এমন একটি সময় আসবে যখন দেখা যাবে এই সিস্টেম এআই একাধিক বিষয়ের উপর শাসন চালাবে। এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আরও উন্নত প্রযুক্তি আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে।”

    স্যাটেলাইট তৈরির ভূমিকা নেবে এআই

    গত দুই সপ্তাহ আগেও ইসরো প্রধান জানিয়েছিলেন, মহাকাশ গবেষণায় ৫০টি সার্ভেল্যান্স স্যাটেলাইটের একটি সমূহ তৈরি করা হবে। গোটা গবেষণার কাজ করা হবে এআইকে (Artificial Intelligence) কেন্দ্র করেই। এই স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহগুলি একে অপরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। ফলে জিও-ইন্টেলিজেন্সের উপর নানান তথ্য সংগ্রহ করবে। ২০২৩ সাল থেকেই এই অভিনব প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিজ্ঞানীরা সংশয়ও প্রকাশ করেছেন। আগামী দিনে মানুষের হাতে-কলমে কাজের পরিসর অনেক কমে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: প্রত্যেক রাম নবমীতে রামলালার কপালে পড়বে ‘সূর্য তিলক’, কীভাবে জানেন?

    Ram Mandir: প্রত্যেক রাম নবমীতে রামলালার কপালে পড়বে ‘সূর্য তিলক’, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) শুভ উদ্বোধন হবে। দেশজুড়ে এখন রাম ভক্তদের তীব্র উন্মাদনা। সেই সঙ্গে এই মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার (Ramlala) মূর্তি স্থাপন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। গর্ভগৃহের নির্মাণ এবং মূর্তিকে এমন ভাবে বসানো হবে, যাতে প্রত্যেক রাম নবমীর দিনে সূর্যের আলো রামলালার কপালে বর্ষিত হয়। এই সূর্যের আলো দিয়ে হবে রামের ‘সূর্য তিলক’। এর জন্য মন্দিরের নির্মাণ করার সময় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের প্রযুক্তির সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে।

    ‘রঘুকুল তিলক’ হবে ‘সূর্য তিলক’

    রাম নবমীতে শ্রী রামের (Ramlala) কপালে সূর্যের আলো দিয়ে তিলক কাটা হবে। তুলসীদাস তাঁর ‘রামচরিত মানস’ কাব্যে বলেছেন, “রঘুকুল তিলক সুজন সুখ দাতা/আয়ু কুসল দেব মুনি ত্রতা”। রঘু রামের এই তিলক হবে রামের মহিমান্বিত তিলক। ধার্মিক মানুষকে এই তিলক আনন্দ দেবে। জগৎ সংসারকে মঙ্গলময়, সুস্থ রাখবে। দেব, মুনিঋষিদের একমাত্র ত্রাতা হবেন শ্রীরাম। তাই তাঁর তিলক ভীষণ তাৎপর্যবাহী। রাম নবমীতে রামলালার ‘রঘুকুল তিলক’ হবে ‘সূর্য তিলক’। মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহকে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের পরামর্শে অষ্টভুজাকৃতির ডিজাইন করা হয়েছে। ফলে এই অষ্টভুজে সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রাম লালার কপালে তিলক কাটবে। একই ভাবে গর্ভগৃহকে আলোকিত করবে সূর্যরশ্মি। সূর্যের আলো ‘সূর্য তিলক’ হিসাবে শ্রী রামের কপালকে উজ্জ্বল করবে।

    কোনারকের সূর্য মন্দিরের আদলে নকশা

    কর্ণাটকের কষ্টি পাথর থেকে ৫১ ইঞ্চির একটি লম্বা রামলালার (Ramlala) মূর্তি নির্মাণ করেছেন মহীশূরের ভাষ্কর অরুণ যোগীরাজ। রামলালার কপালে সূর্যের আলো বর্ষণের গোটা নকশাকে পরিকল্পনা করা হয়েছে ত্রয়োদশ শতকের ওড়িশার কোনারকের সূর্য মন্দিরের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে। প্রত্যেক রাম নবমীতে সূর্যের আলো রামলালার মূর্তিতে কীভাবে পড়বে সেই বিষয়ে সূর্যের আলো নিয়ে গাণিতিক হিসাব করে মতামত দিয়েছে সিএসআইআর, সিবিআইআর রুরকি এবং আইআইএ বেঙ্গালুরুর বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের একটি দল। হিসেব করে বলা হয়েছে, সূর্য যখন মধ্যে গগনে থাকবে সেই সময় সূর্যের আলোক রশ্মি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেন্সের মাধ্যমে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে। এরপর সেই রশ্মি গিয়ে পড়বে সোজা রামলালার কপালে (Ram Mandir) ।

    বিশেষজ্ঞদের মতামত

    সিবিআরআই রুরকির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এসকে পানিগ্রাহি বলেছেন, “ছোট একটি যন্ত্রের প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে ভগবান রামের (Ramlala) কপালে তিলক প্রদান করা হবে। একটি ৭৫ মিমি পরিমাপের বৃত্তাকার রশ্মির ‘তিলক’ দিয়ে শ্রী রাম সেজে উঠবেন। এটা চৈত্র মাসের রাম নবমীতেই রামলালার উপর তিন থেকে চার মিনিট স্থায়ী হবে। পিতলের পাইপের মধ্যে দিয়ে সূর্যের আলোক রশ্মিকে মন্দিরের (Ram Mandir) তিনতলা থেকে পরপর চারটি লেন্সের মাধ্যমে ঘুরিয়ে ফেলা হবে রামলালার কপালে।” আবার বিশিষ্ট স্থাপত্য শিল্পী আশিস সোমপুরা বলেছেন, “সূর্য দেবের জন্মের সময় রামলালার সূর্যাভিষেক করার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য আছে। সূর্যের সঙ্গে ঐশ্বরিক সংযোগকে তুলে ধরার একটা ভাবনা এখনে স্থাপন করা হয়েছে।”   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share