Tag: iss

iss

  • India: এবার শত্রুদেশের উপগ্রহের ওপর নজরদারি করতে পারবে ভারত, জানুন কীভাবে?

    India: এবার শত্রুদেশের উপগ্রহের ওপর নজরদারি করতে পারবে ভারত, জানুন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি মহাকাশ খাতে সৃষ্টি হল গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আহমেদাবাদভিত্তিক আজিস্তা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড তাদের এয়ারোস্পেস শাখার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ দেশীয় ক্ষমতা (Orbit Spying Capability) প্রদর্শন করল। তারা এক উপগ্রহ থেকে অন্য একটি কক্ষপথে থাকা বস্তুর ছবি তুলতে পেরেছে, যা ভারতের বেসরকারি খাতে এই প্রথম এবং ভারতের স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস (SSA) জোরদার করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ক্ষমতাকে সাধারণভাবে ‘ইন-অরবিট স্নুপিং’ বলা হয়।

    পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ (India)

    নিজেদের ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ এএফআর ব্যবহার করে আজিস্তা ৩ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিত দুটি পরীক্ষায় সফলভাবে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS)-এর ছবি তোলে। আইএসএস একটি বড় ও তুলনামূলকভাবে সহজে অনুসরণযোগ্য কক্ষপথীয় বস্তু। যদিও এটি লো-আর্থ অরবিটে (LEO) অন্যতম দৃশ্যমান ও সহযোগিতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু, তবুও এই সাফল্য ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাতের জন্য এক নতুন ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে। কঠিন পরিস্থিতিতে, দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান ও সূর্যালোকপূর্ণ পরিবেশে, আজিস্তা দুটি স্বতন্ত্র ইমেজিং প্রচেষ্টা চালায়। প্রথমবার আইএসএসের সঙ্গে দূরত্ব ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এবং দ্বিতীয়বার প্রায় ২৪৫ কিলোমিটার। উভয় ক্ষেত্রেই এএফআর উপগ্রহের সেন্সর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দ্রুতগতির আইএসএসকে অনুসরণ করে মোট ১৫টি আলাদা ফ্রেম ধারণ করে, যেখানে ইমেজিং স্যাম্পলিং ছিল প্রায় ২.২ মিটার। সংস্থার দাবি, দুটি প্রচেষ্টাই একশো ভাগ সফল হয়েছে, যা তাদের ট্র্যাকিং অ্যালগরিদম এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ইমেজিংয়ের নির্ভুলতাই প্রমাণ করে।

    আজিস্তার সাফল্য

    আজিস্তার কাছে এই সাফল্য শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে ভারতে সম্পূর্ণভাবে উন্নত দেশীয় অ্যালগরিদম, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সিস্টেম ও স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে কক্ষপথে থাকা বস্তু শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব। সফল পরীক্ষার পর আজিস্তার ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি জানান, এএফআর ইতিমধ্যেই একাধিক গ্রাহককে উন্নত ইমেজিং ও রিমোট সেন্সিং পরিষেবা দিচ্ছে এবং এবার সম্পূর্ণ দেশীয় ব্যবস্থায় নন-আর্থ ইমেজিং (NEI) ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। তাঁর কথায়, “এই প্রযুক্তিগুলিই আমাদের এনইআই এবং এসএসএ পেলোডের মূল ভিত্তি, যা কক্ষপথে থাকা বস্তু নিখুঁতভাবে ট্র্যাক ও চরিত্রায়িত করতে সাহায্য করে (India)।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আয়ত্তে এলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণেও তা ব্যবহার করা যেতে পারে (Orbit Spying Capability)। স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস, অর্থাৎ মহাকাশে থাকা বস্তু শনাক্ত করা, তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা ও আচরণ বোঝার ক্ষমতা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ বহু দেশ এখন এমন উপগ্রহ মোতায়েন করছে, যেগুলি অন্য মহাকাশ সম্পদের খুব কাছাকাছি গিয়ে হস্তক্ষেপ, জ্যামিং বা কৌশলগত ম্যানুভার করতে পারে। লো-আর্থ অরবিটে ভিড় ও প্রতিযোগিতা বাড়ায়, পৃথিবীপৃষ্ঠে কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণের মতোই এখন আকাশে কী ঘটছে, সেটিও জানা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    উপগ্রহের সংখ্যা

    বর্তমানে ভারতের হাতে যোগাযোগ, ন্যাভিগেশন, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত কাজে ব্যবহৃত ৫০টিরও বেশি উপগ্রহ রয়েছে, যাদের সম্মিলিত মূল্য ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই সম্পদগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে (India) কক্ষপথে থাকা অন্যান্য উপগ্রহ কী করছে, সে সম্পর্কে সময়মতো তথ্য পাওয়া অত্যন্ত জরুরি, বিশেষত ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ে। যদিও ইসরো (ISRO) আগেও এই ধরনের ক্ষমতা দেখিয়েছে, যেমন সাম্প্রতিক এসপিএডিইএক্স (SPADEX) ইন-অরবিট পরীক্ষায় নিখুঁত রেন্ডেভু ও ম্যানুভারিং দেখানো হয়েছে, আজিস্তার উদ্যোগটি বেসরকারি খাতনির্ভর এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে। আইএসএসের ছবি ধারণের মাধ্যমে এএফআর এমন একটি ভিত্তিমূলক সক্ষমতা দেখিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল বা কম সহযোগিতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর নজরদারিতে কাজে লাগতে পারে (Orbit Spying Capability)। আজিস্তার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার আদর্শ ভরদ্বাজ বলেন, “এই প্রদর্শন এমন একটা সময়ে ভারতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সক্ষমতা এনে দিয়েছে, যখন মহাকাশ প্ল্যাটফর্মগুলি ক্রমেই হস্তক্ষেপের ঝুঁকিতে পড়ছে।” আইএসএসের ছবিগুলিকে তিনি “ভবিষ্যতে কী অর্জন সম্ভব, তার প্রথম প্রমাণ” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, “ভারত এখন এমন এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে, যা মহাকাশে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হবে।”

    এএফআর

    এএফআর নিজেই একটি মাইলফলক। মাত্র ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের এই উপগ্রহটি তার আকার ও কর্মক্ষমতা শ্রেণিতে (India) ভারতে প্রথম, যা সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি শিল্প দ্বারা নকশা, নির্মাণ ও পরিচালিত। ২০২৩ সালের ১৩ জুন স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে করে ট্রান্সপোর্টার-৮ মিশনের অংশ হিসেবে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কক্ষপথে ২.৫ বছর পূর্ণ করে এটি এখনও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে এবং আরও ২.৫ বছর মিশন আয়ু বাকি রয়েছে। এসএসএর বাইরে, এএফআর ইতিমধ্যেই নৌবাহিনীর ইমেজিং, নাইট ইমেজিং ও ভিডিও ইমেজিং মোডে বিশ্বজুড়ে বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা গ্রাহকদের পরিষেবা দিচ্ছে। আজিস্তা স্পেস জানিয়েছে, আহমেদাবাদে তাদের আসন্ন ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল পেলোড উৎপাদন কেন্দ্রে এমন পরবর্তী প্রজন্মের দেশীয় পেলোড তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আইএসএসের ছবি ২৫ সেন্টিমিটার রেজোলিউশনে তুলতে পারবে। আইএসএসের ছবি তোলা হয়তো মাত্র একটি সূচনা, কিন্তু এটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ শিল্প ধীরে ধীরে এমন এক কৌশলগত ক্ষেত্রে প্রবেশ করছে, যা এতদিন শুধুমাত্র সরকারের দখলে ছিল, নীরবে দেশের কক্ষপথ পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ (India) ও সুরক্ষার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে (Orbit Spying Capability)।

     

  • Subhanshu Sukla: ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা….’! মহাকাশ জয় করে ঘরে ফেরার আগে আপ্লুত শুভাংশু

    Subhanshu Sukla: ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা….’! মহাকাশ জয় করে ঘরে ফেরার আগে আপ্লুত শুভাংশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে তাকালে মনে হয়, ভারত ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা….’। আত্মবিশ্বাসী, ভয়ডরহীন, গর্বিত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষায় পরিপূর্ণ এই দেশ। মহাশূন্য থেকে ঘরে ফেরার আগে এমনই বললেন ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা (Subhanshu Sukla)। সব ঠিকঠাক থাকলে ১৫ জুলাই পৃথিবীতে ফিরবেন শুভাংশু। সঙ্গে অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানের আরও তিন সদস্য- পেগি হুইটসন, টিবর কাপু ও স্লাওস উজনানস্কি। আজ, সোমবার দুপুর দু’টো নাগাদ শুরু হবে শুভাংশুদের আনডকিং প্রক্রিয়া। আনডকিং শেষ হওয়ার পর পৃথিবীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন শুভাংশুরা। এই দু’টি প্রক্রিয়া সরাসরি দেখা যাবে নাসার ওয়েবসাইট এবং সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে।

    বিদায় সংবর্ধনা, মহাকাশে সংস্কৃতির আদান-প্রদান

    রবিবারই মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে তাঁদের ফেয়ারওয়েল জানানো হয়েছে। রবিবার, ভারতীয় সময় সন্ধে সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হয় ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠান। নাসার এক্সপিডিশন ৭৩-এর সাতজন সদস্য বিদায় সংবর্ধনা দেন শুভাংশু-সহ চার মহাকাশচারীকে। সেই সংবর্ধনা সরাসরি সম্প্রচার করে নাসা। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন শুভাংশুরা। গাজরের হালুয়া-আম রস অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেন শুভাংশু। পোল্যান্ডের স্লাওস উজনানস্কি ভাগ করেন পোলিশ স্যান্ডউইচ। ক্ষণিকের জন্য ঘরোষা উষ্ণতায় ভরে যায় আইএসএস।

    নাসার ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার

    ১৪ জুলাই ভারতীয় সময়ানুসারে বিকেল ৪টে ৩৫ মিনিটে (আমেরিকার সময় ভোর ৭টা বেজে ৫ মিনিটে) ড্রাগন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকে বিচ্ছিন্ন হবে। তারপর পৃথিবীর অভিমুখে যাত্রা করবে ড্রাগন। প্রায় ৩০ মিনিট এই যাত্রার সরাসরি সম্প্রচার করবে নাসা। তারপর নাসার সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে। শুভাংশুদের মহাকাশযান পৃথিবীতে প্রবেশের পর যখন সমুদ্রে অবতরণ করবে, তখন ফের শুরু হবে লাইভ টেলিকাস্ট। ভারতীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল তিনটের সময় পৃথিবীতে ফিরবেন শুভাংশুরা। সেই দৃশ্যও সম্প্রচারিত হবে নাসার ওয়েবসাইটে।

    সাতদিন রিহ্যাবে শুভাংশুরা

    ক্যালিফোর্নিয়ায় উপকূলে অবতরণ করবেন শুভাংশুরা। এরপর সাতদিন রিহ্যাবে থাকবেন ভারতীয় নভশ্চর। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো একথা জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব নেই। যার ফলে হাড়ের ওজন কমে যায়। দুর্বল হয়ে পড়ে পেশি। এছাড়াও একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। পৃথিবীতে ফিরলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব পড়বে শরীরে। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। সেজন্যই এই রিহ্যাব। বিবৃতিতে ইসরো জানিয়েছে, ‘স্প্ল্যাসডাউনের পর ফ্লাইট সার্জনের পর্যবেক্ষণে সাতদিনের রিহ্যাবে থাকবেন গগনযাত্রী। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতেই এই পদক্ষেপ। যেমন হয়েছিল সুনীতা উইলিয়ামসের ক্ষেত্রেও। বর্তমানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়রে মাধ্যমে শুভাংশুর স্বাস্থ্যের খবর রাখছেন ইসরোর ফ্লাইট সার্জনরা।’

    সারে জাঁহা যে আচ্ছা

    ১৯৮৪ সালে প্রথম ভারতীয় মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা যে অবিস্মরণীয় মন্তব্য করেছিলেন, সেটার রেশ ধরেই ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু বলেন, ‘আজও এখান থেকে ভারতকে দেখে মনে হচ্ছে, সারে জাঁহা যে আচ্ছা….।’ সোমবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পৃথিবীর দিকে রওনা দিতে চলেছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন। তার আগে অ্যাক্সিওম-৪ মিশনের মহাকাশচারীদের জন্য বিদায়ী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছেন। আর তিনি যা শিখেছেন, সেই অভিজ্ঞতা দেশবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নেবেন। তাঁর কথায়, ‘এটা আমার কাছে মায়াবী মনে হচ্ছিল। আমার এই যাত্রাটা দুর্দান্ত কাটছে।’

    মহাকাশে ১৭ দিন, শুভাংশুদের জন্য ইসরোর কত খরচ

    মহাকাশে ১৭ দিনে শুভাংশু শুক্লা ৬০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ভারতের পক্ষ থেকে তিনি ৭টি বিশেষ পরীক্ষা করেছেন, যার মধ্যে ছিল— টার্ডিগ্রেডস, একটি ক্ষুদ্র জীব যা মহাকাশে কীভাবে বেঁচে থাকে এবং বংশবৃদ্ধি করে তা দেখার জন্য গবেষণা। মেথি ও মুগ চাষ, যা থেকে মহাকাশে খাদ্য উৎপাদনের সম্ভাবনা বাড়বে। সায়ানোব্যাকটেরিয়া, মহাশূন্যে অক্সিজেন ও জৈবজ্বালানির সম্ভাব্য উৎস খোঁজাও ছিল শুভাংশুর কাজ। মায়োজেনেসিস, মানুষের পেশীর উপর স্থানের সংস্পর্শের প্রভাব বোঝারও চেষ্টা করেন ভারতীয় মহাকাশচারী। বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশুকে যে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে, সেটার জন্য ইসরোর প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আসলে কয়েক মাস পরেই ভারতের গগনযান মহাকাশে পাড়ি দেবে। তার আগে যাতে আরও নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা করতে পারে ইসরো এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু মহাকাশের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন, সেটার জন্যই তাঁকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।

     

     

     

  • Shubhanshu Shukla: ‘‘পৃথিবীকে বাইরে থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়’’, মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছে বার্তা শুভাংশুর

    Shubhanshu Shukla: ‘‘পৃথিবীকে বাইরে থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়’’, মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছে বার্তা শুভাংশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে শুরু হয়ে গিয়েছে শুক্লা-পক্ষ। আঠাশ ঘণ্টার জার্নি শেষে ভারতীয় সময় সন্ধে ছটার কয়েক মিনিট আগে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছেছেন শুভাংশু শুক্লা, পেগি হুইটসন, স্লাওজ উজনানস্কি ও টিবর কাপু। আগামী চোদ্দদিন এটাই ওঁদের ঘর। মাধ্যাকর্ষণ-শূন্য পরিবেশে দিন কাটানো মুখের কথা নয়। বাইরে থেকে খুব সহজ মনে হলেও মাথা ঝিমঝিম করছে শুভাংশুর (Shubhanshu Shukla)। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছে নিজেই সে কথা জানালেন ভারতীয় মহাকাশচারী। তবে মহাবিশ্বের হাতছানির কাছে এ কিছুই নয়, দাবি ইতিহাস সৃষ্টি করা শুভাংশুর। ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, আগামী ১৪ দিন আইএসএস-এ বসে যে গবেষণা তাঁরা করবেন, তার তুলনায় এই অস্বস্তি কিছুই নয়।

    মহাকাশে আলাপচারিতা

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী বুধবার বেলা ১২টা ১ মিনিট নাগাদ আমেরিকার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটে চেপে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন শুভাংশুরা (Shubhanshu Shukla)। প্রতি ঘণ্টায় ২৬,৫০০ কিলোমিটার গতি ছিল মহাকাশযানের। ২৮ ঘণ্টা পরে বৃহস্পতিবার আইএসএস-এ পৌঁছেছেন শুভাংশু, তাঁর তিনি সঙ্গী পোল্যান্ডের স্লায়োস উজনানস্কি-উইসনিউস্কি এবং হাঙ্গেরির টিবর কাপু, আমেরিকার পেগি হুইটসন। তাঁদের অপেক্ষায় বসেছিলেন আইএসএস-এর সাত মহাকাশচারী। পৃথিবী থেকে রওনা হওয়া চার মহাকাশচারীকে নিয়ে তাঁদের উদ্বেগও ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ (ভারতীয় সময়) শুভাংশুরা আইএসএস-এ পৌঁছোতেই তাঁদের জড়িয়ে ধরেন সেখানকার মহাকাশচারীরা। তাঁরা সেখানে ইতিমধ্যেই গবেষণা চালাচ্ছেন। চার জনকে অভ্যর্থনা জানিয়ে পানীয় দেওয়া হয় হাতে। সেই মুহূর্তের কিছু ছবি, ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে সমাজমাধ্যমে। প্রকাশ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স। সেখানে দেখা গিয়েছে, আইএসএস-এ হাসতে হাসতে গল্প করছেন মহাকাশচারীরা।

    শস্য ফলানোই প্রধান কাজ

    ১৯৮৪ সালে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন রাকেশ শর্মা। তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন। ৪১ বছর পর ফের ইতিহাস গড়ার সুযোগ পেল ভারত। অ্যাক্সিওম-৪ মিশনের নেতৃত্বেই রয়েছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। আগামী ১৪ দিন তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা অনেক কাজ করবেন। শুভাংশুর (Shubhanshu Shukla) সঙ্গে রয়েছে ৬ ধরনের ভারতীয় শস্যবীজ। সেই শস্য ফলানোই প্রধান কাজ। আগামীদিনে মহাকাশ অভিযানে এটা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হবে কারণ মহাকাশেই ফল-মূল উৎপাদন করা সম্ভব হলে কষ্ট করে পৃথিবী থেকে খাবার বয়ে নিয়ে যেতে হবে না। মহাকাশে উৎপাদন হলে তার জিনগত বা পুষ্টিগত কোনও পার্থক্য তৈরি হয় কি না, তাও গবেষণা করে দেখা হবে। এছাড়াও শুভাংশু শুক্লা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবেন। মাইক্রোঅ্যালগি বা “ক্ষুদ্র শৈবাল” নিয়ে গবেষণা। মহাকাশে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানবদেহের পেশি। মহাকাশে রেডিয়েশন ও মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব এই অ্যালগির উপরে কী হয়, এর পুষ্টিগুণে কোনও পার্থক্য তৈরি হয় কি না, তা গবেষণা করে দেখা হবে।

    গর্ব এবং উত্তেজনার মুহূর্ত

    আইএসএস-এ বসেই লখনউয়ের ছেলে শুভাংশু বলেন, ‘‘এটা গর্ব এবং উত্তেজনার মুহূর্ত, মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে আমাদের ব়ড় পদক্ষেপ।’’ সেই সঙ্গে তিনি আবার মনে করিয়ে দেন তাঁর কাঁধে থাকা ভারতীয় পতাকার কথা। তাঁর কথায়, ‘‘গর্বের সঙ্গে কাঁধে তেরঙা পরেছি।’’ বুধবার যাত্রা শুরুর আগেও এই কথাই শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর কাঁধে লাগানো জাতীয় পতাকা মনে করাচ্ছে যে তিনি একা নন। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে প্রবেশ করে সেখানকার বন্ধুদেরও ধন্যবাদ জানান শুভাংশু। তিনি বলেন, ‘‘পৃথিবীর বাইরে থেকে পৃথিবীকে দেখার সুযোগ পাওয়াটা একটা সৌভাগ্যের বিষয়। যাত্রাটা অসাধারণ ছিল। অসাধারণ! মহাকাশে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু যে মুহূর্তে আমি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রবেশ করলাম, এই ক্রু সদস্যরা আমাকে এমন স্বাগত জানাল! তোমরা আক্ষরিক অর্থেই আমাদের জন্য তোমাদের ঘরের দরজা খুলে দিলে। আমি আরও ভালো বোধ করছি। এখানে আসার আগে আমার যা প্রত্যাশা ছিল তা অবশ্যই ছাপিয়ে গেছে। তাই তোমাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে আগামী ১৪ দিন বিজ্ঞান এবং গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা অসাধারণ হবে। অনেক ধন্যবাদ।’’

    মহাকাশে বসেই গাজরের হালুয়া, আমের রস

    ১৪ দিনের এই অভিযানের গোটা সময়টা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেই থাকবেন চার নভশ্চর। সেখানে অন্তত ৬০টি পরীক্ষানিরীক্ষা চালাবেন তাঁরা। তবে, শুধু তো কাজ করলেই হল না, মহাকাশে খাবার খেতেও হবে শুভাংশুদের। এই খাবার খাওয়াও এক কষ্টসাধ্য কাজ, কারণ সাধারণ খাবার খাওয়া যায় না। বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি প্রক্রিয়াজাত খাবারই খেতে হয়। তবে ওই প্যাকেটজাত খাবার, শুকনো ফলের পাশাপাশি গাজরের হালুয়া, আমের রস ও মুগ ডালের হালুয়াও খাবেন শুভাংশু (Shubhanshu Shukla)। তাঁর জন্য এই খাবার বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি করে দিয়েছে ইসরোর ডিফেন্স ইন্সটিটিউশন অব বায়ো ডিফেন্স টেকনোলজি। এই খাবারে কোনও প্রিজারভেটিভ দেওয়া নেই। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ১ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকবে এই খাবারগুলি। শুভাংশুর অভিযানের লাইভ সম্প্রচার লখনউয়ে তাঁর স্কুলে বসে দেখেন বাবা, মা, আত্মীয়, বন্ধুরা। ১৪ দিনের এই অভিযান আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের বৈজ্ঞানিক কৃতিত্বকে আরও মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Mahakumbh 2025: মহাকাশ থেকে কতটা উজ্জ্বল রাতের মহাকুম্ভ? আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন পাঠাল ছবি

    Mahakumbh 2025: মহাকাশ থেকে কতটা উজ্জ্বল রাতের মহাকুম্ভ? আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন পাঠাল ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) কারণে কোটি কোটি মানুষের সমাগম চলছে প্রয়াগরাজে। মহাকুম্ভ পরিণত হওয়ার ফলে এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ। মহাকাশ (Mahakumbh 2025) থেকে কেমন লাগছে প্রয়াগরাজকে? সেই ছবিই প্রকাশ করল নাসা (NASA)। দুনিয়াজুড়ে ইতিমধ্যেই সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (International Space Station) থেকে নাসার মহাকাশচারী ডন পেটিট মহাকুম্ভের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘রাতের আইএসএস থেকে মহাকুম্ভের ছবি। সত্যিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানুষের জমায়েত।’’

     

    বিভিন্ন মত উঠে এসেছে (Mahakumbh 2025)

    এমন ছবি দেখার পর স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। নানা মন্তব্য ভেসে এসেছে, এক ব্যবহারকারী লিখছেন, মনে হচ্ছে মহাকাশে বড় কোনও তারার বিস্ফোরণ ঘটেছে। কেউ আবার এত আলো দেখে মুগ্ধ হয়ে এটিকে কোনও গ্যালাক্সির সঙ্গে তুলনা করছেন। প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেই মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) একাধিক উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করা হয়েছিল ইসরোর তরফ থেকে। হায়দরাবাদের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারও পরপর ছবি নিয়েছে এই মহাকুম্ভ মেলার। সেই ছবিতেই ফুটে উঠেছে মেলার একাধিক তাঁবু, পার্কিং লট এবং অন্য একাধিক প্রস্তুতির ছবি। এবার ছবি এল নাসার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (International Space Station) থেকে।

     

    ৪ হাজার হেক্টর জমির ওপর আয়োজন করা হয়েছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025)

    প্রসঙ্গত, ১২টা পূর্ণ কুম্ভে হয় একটা মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025)। ১৪৪ বছর পর মহাযোগ। ৪৫ দিনের এই মেলায় ৪০ কোটি বা তার বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে বলেই অনুমান করা হয়েছে প্রশাসনেরক তরফ থেকে। এখনও পর্যন্ত হিসেব করে দেখা গিয়েছে, কুম্ভমেলা থেকে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের লাভ হতে পারে অন্তত ২ লক্ষ কোটি টাকা! এই সংখ্যাটা ৪ লক্ষ কোটিও হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ৪ হাজার হেক্টর জমির ওপর আয়োজন করা হয়েছে মহাকুম্ভ। শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি থেকে চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ৪৫ দিনের এই মেলার জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকারের বাজেট ৭ হাজার কোটি টাকা।

  • Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক মহকাশ স্টেশনে (International Space Station) যাচ্ছেন এক ভারতীয় (Indian Astronaut)। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে ওই মহাকাশচারীকে। এ খবর জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    এএক্স-৪ মিশন (Indian Astronaut)

    নাসা এবং ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাকাশ অভিযানের নাম এক্সিওম স্পেস এএক্স-৪ মিশন। এই অভিযানে ভারত থেকে পাঠানো হবে দুই নভশ্চরকে। এঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ও প্রশান্ত বালকৃষ্ণণ নায়ার। বর্তমানে নাসায় চলছে এঁদের প্রশিক্ষণ। জানা গিয়েছে, এএক্স-৪ মিশনের জন্য ইসরো বেছে নিয়েছেন শুক্লাকে। আর নায়ার হবেন ব্যাকআপ ক্যান্ডিডেট। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, “একজন ভারতীয় মহাকাশচারী আগামী এপ্রিলের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাবেন।” এবার আজ ২৩ অগাস্ট পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। গত বছর এই দিনে চাঁদে ল্যান্ড করেছিলেন বিক্রম ল্যান্ডার। তারই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। তার আগেই এক ভারতীয় মহাকাশচারীর (Indian Astronaut) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিমও জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার থিম হল, ‘টাচিং লাইভস হোয়াইল টাচিং দ্য মুন: ইন্ডিয়াজ স্পেস সাগা।’ এ উপলক্ষে এদিন ইসরোর তরফে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সায়েন্টিফিক ডেটা প্রকাশ করবে ইসরো। গবেষকরা যাতে এই ডেটা ব্যবহার করতে পারেন, তা-ই এই ব্যবস্থা। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের বর্ষপূর্তিতে গত দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজারো অনুষ্ঠান হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় মহাকাশ ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ হ্যাকাথন’ ও ‘ইসরো রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ’ জয়ীদের পুরস্কারও দেবেন তিনি। আসন্ন স্পেস মিশনের বিষয়ে বলতে গিয়ে ইসরোর সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি সান্ত্বনু ভাটাদেকর বলেন, “ইসরো-নাসার (International Space Station) যৌথ অভিযান এনআইএসএআর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির পরেই লঞ্চ করা হবে (Indian Astronaut)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Shubhanshu Shukla: ছেলে যাচ্ছে মহাকাশে, ভীত নয়, গর্বিত শুভাংশুর পরিবার

    Shubhanshu Shukla: ছেলে যাচ্ছে মহাকাশে, ভীত নয়, গর্বিত শুভাংশুর পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে মহাকাশ অভিযানের (Space Mission) দলের নেতৃত্ব দিতে চলেছেন। ভয়ে বুক দুরুদুরু করার কথা পরিবারের। আর তাঁদের কিনা ভয় করছে না! বরং বলছেন, ছেলে মহাকাশে যাচ্ছেন বলে তাঁরা গর্বিত, ভীত নন।

    গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)

    আজ্ঞে, হ্যাঁ। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লর (Shubhanshu Shukla) পরিবারের কথাই বলছি। কিছুদিন পরেই হবে ভারত-মার্কিন যৌথ উদ্যোগে মহাকাশ অভিযান। নভশ্চররা রওনা দেবেন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের (ISS) উদ্দেশে। এই অভিযাত্রী দলের ক্যাপ্টেন মনোনীত হয়েছেন শুভাংশু। ছেলের এই সাফল্যে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে শুভাংশুর বাড়িতে খুশির হাওয়া।

    কী বলছে শুভাংশুর পরিবার?

    শুভাংশুর বাবা শম্ভু দয়াল শুক্ল অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী। তিনি বলেন, “এই অভিযান নিয়ে আমরা মোটেই নার্ভাস হচ্ছি না। বরং ছেলের সাফল্যে গর্ব অনুভব করছি।” শুভাংশুর মা আশা শুক্লা। বলেন, “ছোট ছেলে শুভাংশু ঠান্ডা মাথার ছেলে। ও প্রতিটি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে মেজাজ না হারিয়েই।” শুক্রবারই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে ঘোষণা করা হয় শুভাংশুর (Shubhanshu Shukla) নাম। জানানো হয়েছে, অভিযাত্রী দলে থাকবেন প্রশান্ত বালাকৃষ্ণাণ নায়ারও।

    আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে নাকি ‘স্মরণীয় দিন’ কাটিয়েছেন শশী! তুলোধনা করল বিজেপি

    ইসরো জানিয়েছে, শুক্ল প্রাইমারি অ্যাস্ট্রোনট। নায়ার তাঁর ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করবেন। শুক্লকে অভিযাত্রী দলের নেতা বেছে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা চিহ্নিত সার্ভিস প্রোভাইডার এক্সিওম স্পেস আইএনসি। ইসরোর ঘোষণার পরেই অকাল উৎসবে মেতে ওঠেন লখনউয়ের ত্রিবেণী নগর এলাকার লোকজন। শুভাংশুর বাবা বলেন, “আমরা খুব খুশি। ওর সাফল্যে গর্বিত। আমরা ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি যেন ওদের অভিযান সফল হয়। এ ব্যাপারে আমাদের আত্মবিশ্বাসও রয়েছে। দেশবাসীও তাদের আশীর্বাদ করছেন।”

    তিনি বলেন, “আমি সেক্রেটারিয়েটে চাকরি করতাম। চাইতাম, ছেলে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিক কিংবা ডাক্তার হোক। কিন্তু ভগবান যে ওর জন্য অন্যরকম গন্তব্য লিখে রেখেছেন।” শুভাংশুর গর্বিত বাবা বলছেন, “আমার চার ছেলেমেয়ের মধ্যে ও ছোট। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ও সাফল্য পেয়েছে। ও এয়ারফোর্সে নির্বাচিত হয়েছিল। ইসরোয়ও হয়েছিল। এখন নির্বাচিত হল মহাকাশ অভিযানের (Space Mission) জন্য (Shubhanshu Shukla)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অভিযানে অংশ নেবেন একজন ভারতীয় গগনযাত্রীও (Gaganyatri)। তিনি অবশ্য হবেন কোনও ভারতীয় নভশ্চর। লোকসভায় এ কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)।

    ইসরো, নাসার যৌথ উদ্যোগ (Jitendra Singh)

    এই মিশনটি হতে চলেছে ইসরো, নাসা এবং নাসা স্বীকৃত প্রাইভেট সংস্থা তথা অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ প্রয়াসে। সম্প্রতি মহাকাশ মিশনের অংশ হিসেবে, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাত্রার জন্য ইসরো অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। লিখিত জবাবে লোকসভায় মন্ত্রী জানান, নাসার সঙ্গে যৌথ মিশনে নেমেছে ইসরো। এই মিশনেরই অংশ হিসেবে ইসরোর তরফে এক গগনযাত্রীকে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

    বেসরকারি উদ্যোগ

    নাসার তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থবারের জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীদের নিয়ে যেতে অ্যাক্সিওমের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নাসা। এই চুক্তি মোতাবেক, চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পরে বেসরকারি উদ্যোগে নভশ্চরদের নিয়ে যাওয়া হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরোও (Jitendra Singh)।

    জানা গিয়েছে, এই মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই চার নভশ্চরকে বেছে নিয়েছে ইসরো। ইসরোর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। তার আগে এঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন রাশিয়ায়। তবে প্রশিক্ষণের শেষ ধাপ সম্পূর্ণ হবে ভারতেই। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গগনযাত্রীদের তিন ধাপ প্রশিক্ষণ পর্বের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুধাপ। এক ধাপের প্রশিক্ষণ এখনও বাকি।”

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    চারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তিনজন। তবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর আগে পাঠানো হবে যন্ত্রমানব। তার যাত্রাপথ মসৃণ হলে, তবেই মহাকাশে পাঠানো হবে রক্তমাংসের মানুষ। ইসরোর ওই মিশন হবে তিন দিনের। শুরু হতে পারে ২০২৫ সালে।

    যে যানটিতে করে নভশ্চরদের (Gaganyatri) মহাকাশে পাঠানো হবে, সেই যান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “মানব-রেটেড লঞ্চ ভেহিক্যালের কঠিন ও তরল প্রপালশন পর্যায়গুলি ফ্লাইট ইন্টিগ্রেশনের জন্য প্রস্তুত (Jitendra Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sunita Williams: ৫০ দিন ধরে মহাকাশেই আটকে, বিপত্তির মধ্যেই ‘বাগান’ নিয়ে গবেষণা সুনীতার

    Sunita Williams: ৫০ দিন ধরে মহাকাশেই আটকে, বিপত্তির মধ্যেই ‘বাগান’ নিয়ে গবেষণা সুনীতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) মহাকাশে আটকে পড়ে ৫০ দিন অতিক্রম করেছেন। কিন্তু এই বিপত্তির মধ্যেই মহাকাশে বাগান নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি নাসার একটি সুপরিকল্পিত ১০ দিনের মিশনের জন্য বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশযানে (Space) যাত্রা করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকাশে আটকে রয়েছেন। তবে অ্যামেরিকা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, হিলিয়াম গ্যাস ফাঁস হওয়ার কারণে বোয়িং স্টারলাইনারটি প্রপালশন সিস্টেম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তবে সুনীতা এবং তাঁর সহযোগী নভশ্চর ব্যারি বুচ উইলমোর এই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS)-এ নিরাপদে রয়েছেন।

    গাছের বৃদ্ধি নিয়ে গবেষণা (Sunita Williams)

    গত ৬ জুন থেকে এক্সপিডিশন ৭১ ক্রুদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কাজ চলছে। নাসা জানিয়েছে, সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এই তৃতীয় মহাকাশ মিশনের একজন অভিজ্ঞ মানুষ। মহাকাশের মাধ্যাকর্ষণজনিত আকর্ষণ বা মাইক্রোগ্রাভিটিতে গাছকে জল দেওয়া, বৃদ্ধি এবং পুষ্টি সাধন করে সুপরিপক্ক করার মতো সমস্যাকে দূর করতে তরল পদার্থ অন্বেষণ করার কাজ করছেন তাঁরা। ভবিষ্যতে মহাকাশে বাগান করার জন্য এটি একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ হবে। তাঁদের সফলতা একটি বিরাট নতুন সম্ভাবনার জন্ম দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

    ভূ-মণ্ডলের রিয়েল-টাইম নিয়ে গবেষণা

    সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং উইলমোর একটি আল্ট্রাসাউন্ড ডিভাইস ব্যবহার করে শিরা বা নাড়ী স্ক্যান করার পরিচালনা করছেন। একই ভাবে ভূ-মণ্ডলের ডাক্তারদের দ্বারা রিয়েল-টাইম বিষয়েও পর্যবেক্ষণের কাজ করছেন। তাঁরা নিজেরা একে অপরের ঘাড়, কাঁধ এবং পায়ে শিরাগুলিকে ছবি তুলেছেন। সুনীতা, মহাকাশচারী ম্যাথিউ ডমিনিকের শিরাগুলি স্ক্যান করেছে। এই গবেষণা মানবদেহে মাধ্যাকর্ষণজনিত আকর্ষণ বা মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব বুঝতে সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুনঃ মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস! কী সমস্যা, কীভাবে ফিরবেন পৃথিবীতে?

    জীববিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞান নিয়ে চলছে গবেষণা

    আইএসএস এখন উন্নত জীববিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণার কাজ করে চলেছে। মহাকাশ (Space) কীভাবে মানব জীববিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানকে প্রভাবিত করে তা অনুসন্ধান চলছে। সুনীতারা আইএসএস জল ব্যবস্থা থেকে জীবাণু শনাক্ত করতে ডিএনএ বের করেছেন, যা ভবিষ্যতের মিশনে ক্রু স্বাস্থ্য এবং মহাকাশযানের পরিচ্ছন্নতা উন্নত করতে পারে। ইতিমধ্যে, ইঞ্জিনিয়ররা বোয়িং স্টারলাইনারের সমস্যাগুলি ঠিক করছেন। নাসা আরও জানিয়েছে, বিজ্ঞানীদের দলগুলি সম্প্রতি নিউ মেক্সিকোতে হোয়াইট স্যান্ডস টেস্ট ফ্যাসিলিটিতে একটি স্টারলাইনার থ্রাস্টারের গ্রাউন্ড হট ফায়ার পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তবে কবে সুনীতাদের (Sunita Williams)  ফিরিয়ে আনা হবে এই নিয়ে খুব দ্রুত ঘোষণা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস, কবে ফিরতে পারেন জানালেন নিজেই

    Sunita Williams: মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস, কবে ফিরতে পারেন জানালেন নিজেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মাসেরও বেশি সময় হতে যায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) আটকে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস, বুচ উইলমোর সহ ৯জন মহাকাশচারী। বুধবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে সরাসরি বার্তা পাঠালেন সুনীতা। সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) বলেন, ‘‘আমরা হার মানছি না। সব রকম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মহাকাশযানটিকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে আমাদের। সে রকম হলে মহাকাশ স্টেশন থেকে নিজেদের ‘আনডক’ করে নিজেরাই ঘরে ফেরার রাস্তা বের করতে পারব।’’

    স্টারলাইনার রকেটে নানান সমস্যা

    প্রসঙ্গত মহাকাশযান বোয়িং সিএসটি-১০০ স্টারলাইনার ক্যাপসুলে চড়ে ৫ জুন মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ওই দুই নভশ্চর পাড়ি দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের উদ্দেশ্যে। অভিযান ঘিরে উত্তেজনাও ছিল তুঙ্গে। দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রস্তুতির পর এটিই বোয়িং-এর প্রথম মহাকাশচারী নিয়ে যাত্রা। দ্বিতীয়ত, এই ‘ক্রু ফ্লাইট টেস্ট’ অভিযানের উদ্দেশ্য বেসরকারি উদ্যোগে সাধারণের জন্য বাণিজ্যিক ভাবে মহাকাশ সফরের রাস্তা সুগম করা। শুরুতে কথা ছিল, একুশ দিন পরেই ফিরছেন সুনীতারা। কিন্তু হঠাৎই বেঁকে বসে বোয়িং। স্টারলাইনার ওড়ার আগেও রকেটে হিলিয়াম লিকেজের সমস্যা ধরা পড়ে। যাত্রাপথে আরও নানা যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। রকেটের পাঁচটি ‘ম্যানুভারিং থ্রাস্টার’ খারাপ হয়ে যায়। সমস্যা দেখা দেয় একটি ধীর গতির ‘প্রপেল্যান্ট ভালভ্’-এও। সব মিলিয়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে সুনীতাদের (Sunita Williams) ফেরা। একদা এহেন সমস্যার ফলে ফেরার সময় প্রাণ হারান কল্পনা চাওলা সহ আরও অনেকে। তাই এবার আর কেউ ঝুঁকি নিতে চাইছে না। নাসার ইঞ্জিনিয়ারেরা বোয়িং ক্যাপসুলের যান্ত্রিক ত্রুটি সমাধানের জন্য কাজ করছেন। নাসার কমার্শিয়াল ক্রু প্রোগ্রাম ম্যানেজার স্টিভ স্টিচ আগেই জানিয়েছিলেন, মহাকাশচারীদের ফেরানো নিয়ে কোনও তাড়া নেই, নেই দুশ্চিন্তাও।

    আরও পড়ুন: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    এর মধ্যেই সুনীতারা বুধবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ৮ টায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) থেকে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে জানালেন, সব কিছু সুষ্ঠু ভাবে চললে জুলাই মাস শেষের আগেই ফিরছেন তাঁরা। স্টারলাইনারের ফেরা নিয়ে দুই মহাকাশচারীর গলায় আত্মবিশ্বাসের সুর।

    আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে চলছে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা  

    আপাতত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) নানান বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই সময় কাটছে (Sunita Williams) তাঁদের। যেমন মাইক্রো-গ্র্যাভিটি পরিস্থিতিতে জিন সিকোয়েন্সিং। এ ছাড়া অবসর সময়ে বদলাচ্ছেন মূত্র থেকে পানীয় জল তৈরি করার মেশিনের পাম্প। অন্য দিকে, উইলমোর মহাকাশ থেকে হ্যারিকেন বেরিল-এর আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল পেরিয়ে টেক্সাসে আছড়ে পড়ার দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করেছেন। ফেরা নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নেই তাঁদের। যে কাজের জন্য এসেছেন, সেটি নিয়েই ব্যস্ত তাঁরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    Sunita Williams: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ দেস্ক: দশ দিনের মহাকাশ সফরে গিয়েছিলেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং তাঁর সহযাত্রী বুচ ইউলমোর। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁরা মহাকাশেই আটকে রয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভুত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এখন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনেই (ISS) আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানেই আছেন তাঁর সহযাত্রী বুচ উইলমোর। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ফেরার খবর না থাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

    কবে ফিরবেন সুনীতা ইউলিয়ামস (Sunita Williams)

    এমতাবস্থায় নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক স্টেশনে স্পেস স্টেশনে তাঁরা নিরাপদেই আছেন। ১০ জুলাই পৃথিবীবাসীর উদ্দেশে বার্তা পাঠাবেন সুনীতা। শোনা যাবে তাঁর কথা। সুনীতার বার্তা নাসার ওয়েবসাইটেও তুলে ধরা হবে। ১০ দিনের মিশনে গিয়ে ইতিমধ্যেই ১ মাসের বেশি সময় মহাকাশে (ISS) কাটিয়ে ফেলেছেন সুনীতা (Sunita Williams) ও বুচ। এই মুহূর্তে সুনীতা ও বুচ সহ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মোট ৯ জন মহাকাশচারী রয়েছেন।

    সুনীতার কাজকর্ম

    নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, দৈনন্দিন গবেষণার কাজকর্ম ছাড়াও সাফাইয়ের কাজেও হাত লাগাতে হচ্ছে সুনীতাদের(Sunita Williams)। তাঁরা সিগনস মহাকাশযানের কাছে আবর্জনা ভর্তি ব্যাগও ফেলে এসেছেন। ইতিমধ্যেই চলতি মাসের শেষেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (ISS) সিগনসকে বিচ্ছিন্ন করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়ে আসা হবে।

    মহাকাশের মেনু (ISS)

    মহাকাশচারীরা মহাকাশে কী ধরনের খাবার খান, তা নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে জিজ্ঞাসা রয়েছে। নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (ISS) মেনুতে থাকে শাকসবজি, ফল, মিষ্টি জাতীয় খাবার। এছাড়াও একশোর বেশি ধরনের খাবার থাকে প্রতিটি মহাকাশ মিশনের জন্য। সেই মিশন শুরু হওয়ার আগে থেকেই মহাকাশচারীদের খাবারের তালিকা তৈরি হয়ে যায়। অনেকদিন মহাকাশে থাকার কারণে খাবার নষ্ট হয় না। যাতে কোনওভাবে খাবার নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যে বিজ্ঞানীদের হালকা সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। মহাকাশচারীদের খাবার প্রায়ই ডিহাইড্রেটেড এবং ভ্যাকিউম সিল পাউচে প্যাকেট করা থাকে। খাবারে অনেক সময় স্যান্ডউইচ বা স্যুপ জাতীয় খাবারও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ূন: অস্ট্রিয়ায় পৌছলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চ্যান্সেলরের সঙ্গে নৈশভোজ, আজ কূটনৈতিক বৈঠক

    কেচাপ বা মশলা মহাকাশের গুরুত্ব আকর্ষণ না থাকার ফলে ভেসে বেড়াতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখে এগুলিকে বিশেষ ধরনের প্যাকেটে রাখা হয়। মাংসের স্টু, চিকেন কারি এবং পাস্তা এবং পুডিং জাতীয় সুস্বাদু খাবারও দেওয়া হয় মহাকাশচারীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share