Tag: IT

IT

  • Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাইবার ক্রাইমের (Cybercrime) কোনও সীমানা নেই। সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল কেন্দ্রের তরফে (Cyber Commandos)।

    সাইবার কমান্ডোদের প্রশিক্ষণ (Cybercrime)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পাঁচ হাজার সাইবার কমান্ডোকে প্রশিক্ষণ, ওয়েব ভিত্তিক ডেটা রেজিস্ট্রি স্থাপনের পাশাপাশি সাইবার অপরাধের তথ্য ভাগ করার জন্য একটি পোর্টাল এবং একটি জাতীয় রেজিস্ট্রি সহ বেশ কয়েকটি নয়া উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার

    বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড় ব্যাঙ্ক, আর্থিক মধ্যস্থতাকারী, পেমেন্ট এগ্রিগেটরদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার গঠন করা হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও থাকবেন এই সেন্টারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই সব সংস্থা অনলাইন আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার জন্য একযোগে কাজ করবে।” তিনি জানান, সিএফএমসি আইন প্রয়োগে সহযোগিতামূলক ফেডারেলিজমের উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    শাহ বলেন (Cybercrime), “জামতাড়া, আমেদাবাদ, মেওয়াত, হায়দরাবাদ, চণ্ডীগড়, বিশাখাপত্তনম ও গুয়াহাটিতে সাতটি যৌথ সাইবার সমন্বয় দল গঠন করায় ভালো ফল মিলেছে। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে একটি কার্যকর সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করতে হবে এবং একই দিকে, এক সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”

    সাইবার নিরাপত্তায় ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’

    জানা গিয়েছে, ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’টি আদতে একটি যৌথ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ফেসিলিটেশন সিস্টেম। এটা একটা ওয়েব-বেসড মডিউল। এটা ওয়ান স্টেপ পোর্টাল হিসেবে কাজ করবে, কাজ করবে সাইবার ক্রাইমের ডেটা রিপোজিটরি হিসেবে। ডেটা শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। ক্রাইম ম্যাপিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স কো-অপারেশন এবং কো-অর্ডিনেশনের কাজও করবে এই সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম। সাইবার কমান্ডোদের ট্রেনিংও দেওয়া হবে। তাঁরা (Cyber Commandos) রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিভিন্ন এজেন্সিগুলোকে সাহায্য করবেন (Cybercrime)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karnataka: আইটি সেক্টরে ১৪ ঘণ্টা কাজ! ফের বিতর্কে কর্নাটক সরকার

    Karnataka: আইটি সেক্টরে ১৪ ঘণ্টা কাজ! ফের বিতর্কে কর্নাটক সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইটি কর্মীদের কাজের সময়সীমা ছিল ১০ ঘণ্টা। এবার সেটাই বাড়িয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা করার কথা ভাবছে কর্নাটকের (Karnataka) সিদ্দারামাইয়ার সরকার। সম্ভাব্য প্রস্তাবের কথা প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে (Employees Union) বিতর্ক। 

    কী বলা হয়েছে নয়া প্রস্তাবে (Karnataka)

    চাকরির ক্ষেত্রে কন্নড়ভাষীদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে দিন কয়েক আগেই সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল কর্নাটকে। তার রেশ ফিকে হওয়ার আগেই ফের বিতর্কে সিদ্দারামাইয়ার সরকার। আইটি ক্ষেত্রে কাজের সময় বাড়ানোর জন্য ‘কর্নাটক দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৬১’ সংশোধন করার পরিকল্পনা করেছে কর্নাটক সরকার। নয়া এই প্রস্তাব অনুযায়ী, আইটি, আইটিইএস কিংবা বিপিও ক্ষেত্রে কর্মরতদের প্রয়োজনে দিনে ১২ ঘণ্টার বেশি অতিরিক্ত সময় কাজ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। তবে একটানা তিন মাসে ১২৫ ঘণ্টার বেশি নয়।

    প্রস্তাবকে ঘিরে শুরু বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, শ্রম আইন অনুযায়ী, বর্তমানে দৈনিক কাজের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা। ১৪ ঘণ্টার কর্মদিবসের প্রস্তাবটি (Karnataka) নিয়ে আলোচনার জন্য রাজ্যের তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে শ্রম বিভাগ বৈঠক করেছে বলে খবর। এর পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড, শ্রম বিভাগের প্রধান সচিব মহম্মদ মহসিন এবং আইটি-বিটি বিভাগের প্রধান সচিব একরূপ কৌরের সঙ্গে এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সদস্যরা দেখা করেছেন বলে খবর।

    নয়া প্রস্তাবকে ‘অমানবিক’ আখ্যা দিয়েছে ট্রেড ইউনিয়নগুলি। কেআইটিইউ-এর সম্পাদক সুরজ নিদিয়াঙ্গা বলেন, “দৈনিক আট ঘণ্টার হিসেবে এতদিন তিনটি শিফটে কাজ হত। এখন ১২ ঘণ্টার কর্মদিবস চালু হলে তিনটে শিফটের পরিবর্তে মাত্র দুটি শিফটই যথেষ্ট। এতে অনায়াসেই কর্মীদের এক তৃতীয়াংশকে ছাঁটাই করে দেওয়া যাবে। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী?”

    আরও পড়ুন: “রামদেবের সমস্যা না থাকলে, রহমানের কেন?”, কানওয়ার বিতর্কে প্রশ্ন যোগগুরুর

    কেআইটিইউ-র তরফে জোরালো প্রতিবাদ করা হয়েছে প্রস্তাবের। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, এরকম নিয়ম লাগু হলে চাকরি ছেড়ে দেবে এক তৃতীয়াংশ মানুষ। কিটু জানিয়েছে, আইটি সেক্টরের ৪৫ শতাংশ অবসাদে ভুগছেন। শারীরিক সমস্যা রয়েছে ৫৫ শতাংশের। তাই কাজের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও (Employees Union) খারাপ হবে। তাদের আর্জি, যন্ত্র নয়, মানুষ হিসেবে দেখা হোক কর্মীদের (Karnataka)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh: আয়কর দিতে হবে মন্ত্রীদেরই, বড় সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রদেশ সরকারের

    Madhya Pradesh: আয়কর দিতে হবে মন্ত্রীদেরই, বড় সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রদেশ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয় করেন মন্ত্রীরা। আর আয়কর দেয় সরকার। এতদিন এটাই দস্তুর ছিল মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh)। তবে ১৯৭২ সালের এই আইন বাতিল করতে চলেছে সে রাজ্যের বিজেপি সরকার। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যিনি আয় করবেন, ট্যাক্সের বোঝাও বইতে হবে তাঁকেই। মঙ্গলবার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বেতন ও ভাতা বাবদ যে অর্থ মন্ত্রীরা রোজগার করবেন, তার ওপর আয়কর দিতে হবে তাঁদেরই।

    কী বললেন বিজয়বর্গীয়? (Madhya Pradesh)

    আরবান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মন্ত্রী বিজেপির কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এই পদক্ষেপের পরামর্শ দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে এই করগুলি রাজ্য সরকারের দেওয়ার বদলে মন্ত্রীদেরই উচিত তাঁদের বেতন ও ভাতার ওপর আয়কর দেওয়া। রাজ্যকে এই কর দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার নিয়মটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা (Madhya Pradesh)।”

    মধ্যপ্রদেশ মিনিস্টার অ্যাক্ট

    মধ্যপ্রদেশ মিনিস্টার অ্যাক্টের ৯ কে ধারা অনুযায়ী, ‘কোনও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা সংসদীয় সচিবের ওপর তাঁদের প্রদেয় সমস্ত ভাতার জন্য একটি সাজানো গোছানো সুবিধার জন্য কোনও আয়কর ধার্য করা হবে না। ভাড়া দিতে হবে না এই শর্তেই বাসস্থান দেওয়া হয়েছে। এবং এই আইনের অধীনে তাঁরা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও পাবেন। একজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা সংসদীয় সচিব কর্তৃক প্রদেয় সর্বোচ্চ হারে কর প্রদান করবে রাজ্য সরকার।’

    আর পড়ুন: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ! এনকাউন্টারে খতম দুই জঙ্গি

    এই আইনের বিলোপ ঘটলে উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ, বলছেন আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, মন্ত্রীদের আয়কর বাবদ যে টাকা সরকারকে দিতে হয়, তা বাঁচলে উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও জনসেবাগুলির জন্য আরও বেশি করে অর্থ বরাদ্দ করা যাবে। মধ্যপ্রদেশ সরকারের এক আধিকারিক বলেন, “মন্ত্রীরা আয়কর প্রদান করে একজন দায়িত্ববান নাগরিকের কর্তব্যের সংস্কৃতি গড়ে তুলবেন। যা সরকারের স্বচ্ছতার সঙ্গে মেলে। এটি রাজ্যের বাজেট থেকে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ও হ্রাস করবে। অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলিতে আরও বেশি করে অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে রাজ্য আর্থিক বোঝার মধ্যে রয়েছে।”

    ২০১৯ সালে পথ দেখিয়েছিল উত্তরপ্রদেশ। ২০২২ সালের একই পথে হাঁটে হিমাচলপ্রদেশের মন্ত্রিসভাও। এবার এই দুই রাজ্যের পদাঙ্ক অনুসরণ করল পদ্ম-শাসিত মধ্যপ্রদেশও (Madhya Pradesh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IT Raid: তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি, কারখানায় আয়কর হানায় উদ্ধার কোটি কোটি টাকা

    IT Raid: তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি, কারখানায় আয়কর হানায় উদ্ধার কোটি কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি এবং কারখানা থেকে মিলল ১১ কোটি টাকা।  বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জাকিরের বিড়ি কারখানা এবং তাঁর দফতরে চলছিল আয়কর তল্লাশি। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, সেই তল্লাশিতে মিলেছে ১১ কোটি টাকা। আয়কর দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১১ কোটি টাকার মধ্যে কেবলমাত্র একটি জায়গা থেকেই মিলেছে ৯ কোটি টাকা।

    এক জায়গায় মেলে ৯ কোটি টাকা

    আয়কর দফতর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলার এগারোটা জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। জাকির হোসেনের চালকল তেলকল সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ১১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। একটি অফিস থেকে ৯ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যদিও জাকির হোসেনের দাবি, তেল মিল ও চাল মিলে নগদ টাকায় শস্য কিনতে হয়। বিড়ি শ্রমিকদের সপ্তাহান্তে মজুরি প্রদান করতে হয়। সেই টাকাই রাখা ছিল বিভিন্ন জায়গায়। মুর্শিদাবাদের সুতির একাধিক বিড়ি ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন আয়কর আধিকারিকরা। আয়কর দফতরের আধিকারিকরা জানান, মুর্শিদাবাদে জাকির হোসেনের একটি অফিস থেকে নগদ ন’কোটি টাকা মিলেছে। একটি কার্টনের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ওই টাকা। কেন এত বিপুল পরিমাণ টাকা লুকিয়ে রাখা হল তা ভাবাচ্ছে আয়কর কর্তাদের। কোথা থেকে এই টাকা এল বা কেন তা লুকিয়ে রাখা হল তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে বুধবার আচমকাই হানা দেয় কেন্দ্রীয় আয়কর দফতর। সামসেরগঞ্জের গোবিন্দপুরে জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের (Zakhir Hossain) বিড়ির কারখানা। বেলা ১১টা নাগাদ ওই কারখানার সামনে এসে পৌঁছয় আয়কর দফতরের তিনটি গাড়ি। বেশ কয়েকজন আধিকারিক কাউকে কিছু না বলেই ভিতরে ঢুকে যান। দীর্ঘক্ষণ সেখানে থাকার পর বেরিয়ে অন্যত্র চলে যান তাঁরা। পরে তল্লাশি চালানো হয় জাকির হোসেনের চালকল-তেলকল ও বাড়িতেও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • ITR Filing: সরল হচ্ছে আয়কর রিটার্ন প্রক্রিয়া! সকল করদাতাদের জন্য একটিই ফর্মের প্রস্তাব

    ITR Filing: সরল হচ্ছে আয়কর রিটার্ন প্রক্রিয়া! সকল করদাতাদের জন্য একটিই ফর্মের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ধরনের করদাতাদের জন্য একটিই মাত্র ফর্মের প্রস্তাব দিল আয়কর দফতর। এখন যত ধরনের ফর্ম রয়েছে, সেগুলিকে জুড়ে দিয়ে একটিই মাত্র ফর্ম করার প্রস্তাব দিয়েছে আয়কর দফতর। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল (ITR Filing) করতে গিয়ে জনগণকে যাতে অযথা হয়রান হতে না হয়, করদান প্রক্রিয়া যাতে অনায়াস হয় তাই এই প্রস্তাব বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT)।

    বর্তমানে যে ইনকাম ট্যাক্স (Income Tax) রিটার্ন-১ এবং ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন-৪ রয়েছে, তা থাকবে। করদাতা যখন ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করবেন, তখন কোন ফর্ম পূরণ করবেন, তা বেছে নেওয়ার অপশন করদাতাদের দেওয়া হবে। ১ নভেম্বর থেকেই এই সুবিধা মিলবে। 

    বর্তমানে করদাতাদের ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করতে হয় আইটিআর-১ থেকে আইটিআর-৭ ফর্মের মধ্যে একটি বা একাধিক পূরণ করে। তাঁরা কোন শ্রেণির করদাতা, তার ভিত্তিতেই পূরণ করতে হয় আলাদা আলাদা ফর্ম। সিবিডিটি জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নয়া ফর্মে তাঁরা যে শিডিউলে পড়েন না, তাঁদের তা দেখার প্রয়োজন হবে না। সিবিডিটিতে এও বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী আয়কর জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটিকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সাযুজ্য করে তৈরি করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: ৮ বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    ১) করদাতাদের (Tax Payers) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বেসিক ইনফর্মেশন, টোটাল ইনকামের কম্পিউটেশনের শিডিউল, ট্যাক্সের কম্পউটেশনের শিডিউল, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেইলস এবং ট্যাক্স পেমেন্টের শিডিউল।
    ২) ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে শিডিউলগুলিতে গিয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে করদাতাদের।
    ৩) প্রশ্নগুলি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, যেসব প্রশ্নের উত্তর ‘না’ হবে, সেসব প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা প্রশ্নগুলি আর দেখাবেই না।
    ৪) ট্যাক্স ফাইল রিটার্নে সহায়তা করতে বেশ কিছু নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশাবলী অ্যাপ্লিকেবল শিডিউলের ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।
    ৫) প্রস্তাবিত ইনকাম ট্যাক্স রিটার্নের খসড়াটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে প্রতিটি সারির আলাদা আলাদা মূল্য রয়েছে। এটা রিটার্ন ফাইলিং পদ্ধতিকে অনায়াস করে তুলবে। 
    সুতরাং, করদাতাদের প্রয়োজন কেবল সেই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যেগুলির উত্তর ‘হ্যাঁ’ হবে। এরকম একটি প্রশ্নের উত্তর দিলে, তার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রশ্নগুলির উত্তরও হ্যাঁ হয়ে যাবে আপনা থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share