Tag: J&K

J&K

  • Tehreek e Hurriyat: ভারত-বিরোধী প্রচার, নিষিদ্ধ করা হল ভূস্বর্গে সক্রিয় তেহরিক-ই-হুরিয়তকে

    Tehreek e Hurriyat: ভারত-বিরোধী প্রচার, নিষিদ্ধ করা হল ভূস্বর্গে সক্রিয় তেহরিক-ই-হুরিয়তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে লাগাতার করছিল ভারত-বিরোধী প্রচার। তাই এবার নিষিদ্ধ করা হল তেহরিক-ই-হুরিয়তকে (Tehreek e Hurriyat)। এক সময় এই সংগঠনের মাথায় ছিলেন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের নেতা সঈদ আলি শাহ গিলানি। এর ঠিক চার দিন আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে মুসলিম লিগ জম্মু ও কাশ্মীরকে।

    কী বললেন শাহ?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের কারণে এই সংগঠনকে ইউএপিএ-র অধীনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তেহরিক-ই-হুরিয়তকে ইউএপিএর অধীনে একটি বেআইনি সংগঠন ঘোষণা করা হয়েছে। এই সংগঠনটি জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করতে এবং ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডে জড়িত। এই দলটি জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিতে ভারত বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জিরো টলারেন্স নীতি যে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে ভারতবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে ব্যর্থ করা হবে।”

    নিষিদ্ধ কাজকর্ম

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, এই জঙ্গি গোষ্ঠী জম্মু-কাশ্মীরকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে নিষিদ্ধ কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে তারা ইসলামিক শাসন জারি করতে চায়। তিনি বলেন, “এই গোষ্ঠীটি ভারত বিরোধী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিতে এই গোষ্ঠী সন্ত্রাসী কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দুটি (Tehreek e Hurriyat) সংগঠনকে নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র। ২৭ ডিসেম্বর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল মুসলিম লিগ জম্মু কাশ্মীর (মাসরত আলম গ্রুপ)। আর বছরের শেষ দিনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল তেহরিক-ই-হুরিয়তকে। ইউএপিএ-র অধীনে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই সংগঠনকে।

    তেহরিক-ই-হুরিয়ত সম্পর্কে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারত সরকার। তাতে বলা হয়েছে, এটি জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী মতাদর্শ ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই সংগঠনের লোকজন সন্ত্রাসবাদীদের শ্রদ্ধা জানায় ও পাথর ছুড়তে উৎসাহিত করে। সংগঠনের লোকজন ভারতীয় আইন মানে না এবং কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা মনে করে (Tehreek e Hurriyat)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “সেনাকে খারাপ চোখে দেখা সহ্য করবে না কোনও ভারতীয়”, কাশ্মীরে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সেনাকে খারাপ চোখে দেখা সহ্য করবে না কোনও ভারতীয়”, কাশ্মীরে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গি কার্যকলাপ। সাম্প্রতিককালে, একের পর এক জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে উপত্যকা। জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণের বলি দিয়েছেন বহু সেনা জওয়ান। এই আবহে, সেনার মনোবল বাড়াতে কাশ্মীরে গেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। 

    ‘সেনারা আমাদের পরিবারের সদস্য’

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “প্রত্যেক সেনা সদস্যকে তাঁদের পরিবারের সদস্য বলে মনে করেন ভারতীয় নাগরিকরা। প্রত্যেক ভারতীয় এটি অনুভবও করেন। কেউ যদি আপনার দিকে খারাপ দৃষ্টি দেয়, তা কোনও ভারতীয় সহ্য করতে পারে না। এই ধরনের হামলা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। নজরদারি বাড়াতে যত রকমের সমর্থন প্রয়োজন, আমাদের সরকার তা দেবে।”

    তিনি বলেন, “আপনাদের জন্য সব সময় আমাদের কোষাগারের দরজা খোলা। আমি জানি, আপনারা সবাই সজাগ থাকেন। কিন্তু আমার মতে আরও সতর্কতা প্রয়োজন। আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করছি যে, সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনাদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে সবার ওপরে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে আপনারা কতটা মূল্যবান, তা আমায় আলাদা করে বলতে হবে না। কোনও জওয়ান শহিদ হলে তাঁর জন্য যত ভিড় হয়, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতেও তত লোক হয় না।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    ‘‘মানুষেরও মন জয় করুন…’’

    এদিকে, গত সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরিতে সেনাবাহিনীর এক কনভয়ে জঙ্গি হামলা হয়। ওই ঘটনায় শহিদ হন চার সেনাকর্মী। জখম হন দুজন। ঘটনার পরে পরেই স্থানীয় কয়েকজনকে আটক করে সেনা। পরে দেহ উদ্ধার হয় তিনজনের। মৃতদের পরিবারের অভিযোগ, সেনা হেফাজতেই মৃত্যু হয়েছে ওই তিনজনের। শুরু হয়েছে তদন্ত। সেনাকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আপনারা দেশের রক্ষক। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষের মন জয় করার দায়িত্বও রয়েছে আপনাদের। এমন কোনও ভুল করা উচিত নয়, যাতে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ক্ষতি হয়। আমাদের যুদ্ধে জিততে হবে ঠিকই, সন্ত্রাসবাদীদেরও নির্মূল করতে হবে। তবে তার চেয়েও বড় উদ্দেশ্য হল, মানুষের মন জয় করা। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষের মন জয় করার দায়িত্বও আপনাদের। আমরা যুদ্ধ জিতব, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হৃদয়ও জয় করতে হবে। আমি জানি, আপনারা এজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেন।”

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Courts Verdict: ৩৭০ ধারা নিয়ে ‘সুপ্রিম’ রায়, কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা?

    Supreme Courts Verdict: ৩৭০ ধারা নিয়ে ‘সুপ্রিম’ রায়, কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়। সোমবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Courts Verdict)। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান মেনেই উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনের নির্দেশও দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে খুশি বিজেপি নেতারা।

    কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা?

    তবে ভিন্ন সুর ভূস্বর্গের বিজেপি-বিরোধী নেতাদের কণ্ঠে। কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা? কাশ্মীরের রাজা হরি সিংহের ছেলে কংগ্রেস নেতা করণ সিংহ বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের একটি শ্রেণি এই রায়ে খুশি হননি। তাঁদের প্রতি আমার পরামর্শ, অনিবার্য রায় মেনে নিন। সুপ্রিম কোর্ট এই পদক্ষেপ বহাল রেখেছে। তাই এখন দেওয়ালে মাথা ঠোকা অর্থহীন।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা বলেন (Supreme Courts Verdict), “হতাশ হলেও লড়াই চলবে। এই জায়গায় পৌঁছতে বিজেপির কয়েক দশক লেগেছে। দীর্ঘ পথ চলার জন্য আমরাও প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, রবিবারই বারামুলার এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ওমর আবদুল্লা বলেছিলেন, জম্মু-কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা পুনরুদ্ধারের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে লড়াই চলবে।

    কী বলছেন মুফতি, আজাদ?

    কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতিও। তিনি বলেন, “কাশ্মীরের মানুষ হার মানবে না, আশাও ছাড়বে না। আমাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে। এখানেই সব শেষ হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্ত ভারত ভাবনার পরিপন্থী।” কংগ্রেস ছেড়ে ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ আজাদ পার্টি গড়েছেন গুলাম নবি আজাদ। কাশ্মীরের এই নেতা বলেন, “এই রায় দুঃখজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ এই রায়ে খুশি নন, কিন্তু আমাদের গ্রহণ করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে ভূস্বর্গে। জম্মু-কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতির দাবি, গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে তাঁদের। যদিও আবদুল্লা ও মুফতির দাবি ভিত্তিহীন বলে দাবি জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার। তিনি বলেন, “একেবারেই ভিত্তিহীন দাবি। কোনও নেতাকেই গৃহবন্দি করে রাখা হয়নি। গুজব ছড়ানোর জন্যই এসব বলা হচ্ছে (Supreme Courts Verdict)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Soldier Missing: ছুটিতে বাড়িতে এসে নিখোঁজ কাশ্মীরের তরুণ জওয়ান, গাড়িতে রক্তের দাগ কেন?

    Soldier Missing: ছুটিতে বাড়িতে এসে নিখোঁজ কাশ্মীরের তরুণ জওয়ান, গাড়িতে রক্তের দাগ কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইদের পর ছুটিতে বাড়িতে এসে নিখোঁজ কাশ্মীরের এক জওয়ান (Soldier Missing)। বছর পঁচিশের ওই যুবকের নাম জাভেদ আহমেদ। কুলগাম জেলার জাভেদ বর্তমানে পোস্টিং ছিলেন লাদাখে। চাকরি করতেন লাইট ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে, রাইফেলম্যান হিসেবে। সোমবার কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। শনিবার সন্ধে থেকে খোঁজ মিলছে না ওই জওয়ানের। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই জওয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তাঁর পরিবারের সদস্যরাও।

    নিখোঁজ জওয়ান

    জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ বাড়ির অদূরে একটি বাজারে কিছু কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন জাভেদ। নিজের অল্টো গাড়ি চালিয়েই গিয়েছিলেন। রাত্রি ৯টা পর্যন্তও বাড়ি না ফেরায় খোঁজ করতে শুরু করেন ওই জওয়ানের পরিবারের লোকজন (Soldier Missing)। শেষমেশ দেখা যায়, বাজারের কাছে পড়ে রয়েছে তাঁর গাড়িটি। তাতে লেগে রয়েছে রক্তের দাগ। জাভেদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার বিকেল ৩টে পর্যন্তও হদিশ মেলেনি তাঁর।

    পরিবারের আবেদন

    পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পবিবারের আশঙ্কা, ওই জওয়ানকে অপহরণ করতে পারে জঙ্গিরা। জাভেদকে ছেড়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে পরিবারের তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে তাঁর মাকে বলতে শোনা গিয়েছে, “দয়া করে আমাদের ক্ষমা কর। আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও, আমার জাভেদকে ছেড়ে দাও। তাকে আর আমি সেনাবাহিনীতে চাকরি করতে দেব না। দয়া করে তাকে ছেড়ে দাও।”

    ছেলেকে খুঁজে না পাওয়ায় ভেঙে পড়েছেন জাভেদের বাবা মহম্মদ আয়ুব ওয়ানিও। তিনি বলেন, “আমার (Soldier Missing) ছেলে লাদাখে পোস্টিং ছিল। ইদের পরে ছুটি পেয়ে বাড়িতে এসেছিল। আগামীকাল (সোমবার) ওর চাকরিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। শনিবার সন্ধেয় টুকিটাকি কয়েকটা জিনিস কিনতে বাজারে গিয়েছিল। পথে কয়েকজন তার পথ আগলায়। অপহরণ করে। আমি তাদের কাছে আবেদন করছি, দয়া করে আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও।”

    আরও পড়ুুন: “একশোরও বেশি প্রত্নসামগ্রী ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে”, ‘মন কি বাতে’ বললেন মোদি

    কাশ্মীরে এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার জঙ্গিদের টার্গেট হয়েছে কাশ্মীরের ভূমিপুত্র সেনা জওয়ানরাও। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁদের হত্যা করেছে জঙ্গিরা। গত বছরই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সদস্যরা অপহরণ করে হত্যা করে সমীর আহমেদ মাল্লা নামে এক জওয়ানকে। অপহরণের পরের দিন বদগামের একটি ফলের বাগান থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার পরে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। সেখানেই ফের জওয়ানকে অপহরণ করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা অশান্তি পাকাতে চাইছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G20: “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত”, বললেন জি২০-র প্রতিনিধিরা

    G20: “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত”, বললেন জি২০-র প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল জি২০-র (G20) তৃতীয় ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। মঙ্গলবার শেষ হয় ওই বৈঠক। বুধবার সকালে বৃষ্টির মধ্যেই ভূস্বর্গ ঘুরে দেখতে বেরিয়ে পড়েন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় ৬০ জন বিদেশি প্রতিনিধি। দিনের শুরুতেই জাবারওয়ান পর্বতমালাকে ব্যাকড্রপ করে যোগা করেন তাঁরা। তার পরেই চলে যান নিশাত গার্ডেন ঘুরে দেখতে। ডাল লেকের ধারে রয়েল স্পিং গল্ফ কোর্সও ঘুরে দেখেন ওই প্রতিনিধিরা। ট্যুইট-বার্তায় একথা জানান কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী স্বয়ং। 

    কাশ্মীর নিয়ে কী মত জি২০-র (G20) প্রতিনিধিদের?

    ভিনদেশিদের দেখে খুশি কাশ্মীরে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরাও। তাঁদের অনেককেই এই বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায়। এঁদের অনেকেই কাশ্মীরের ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরেছিলেন। জি২০ শেরপা অমিতাভ কান্ত বলেন, “এটা একটা দারুন অভিজ্ঞতা। আন্তরিক (G20) আতিথেয়তা, উষ্ণ অভ্যর্থনা। আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তাই আমরা কাশ্মীর দর্শন উপভোগ করলাম। আমরা কাশ্মীর দেখেছি এবং কাশ্মীরবাসীর ভালবাসা উপভোগ করেছি।”

    অভ্যাগতরা যে কাশ্মীরের অ্যাম্বাসাডর হবেন সে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে রয়েছে সুফি সংস্কৃতি। যেটা জি২০-র দর্শনের সঙ্গে মেলে। কাশ্মীরের সুফি মতবাদের সার কথাই হল, আমরা সবাই একই পরিবারের। আমরা একটা পরিবারের মতো থেকে জি২০ উপভোগ করেছি। প্রত্যেক প্রতিনিধি একটা মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে গিয়েছেন এবং তাঁরা প্রচুর পর্যটক নিয়ে ফিরবেন।”

    কাশ্মীর দেখা উচিত, কেন বললেন এ কথা?

    এদিন ডাল লেকের পাশে বুলেভার্ড রোডও ঘুরে দেখেন বিদেশি প্রতিনিধিরা। কেনাকাটা করতে চলে যান লালচকের পোলো মার্কেটে। সেই কারণে কাশ্মীরের ওই বাজার আধ ঘণ্টার জন্য (G20) বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষের জন্য। ভারতে সিঙ্গাপুরের হাই কমিশনার সাইমন ওয়াং বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত।”

    প্রসঙ্গত, শ্রীনগরের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রিটেন, আমেরিকায় এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর জি২০ (G20) বৈঠকের আয়োজক দেশ ভারত। গত সেপ্টেম্বরে এই দায়িত্ব পাওয়ার পরে পরেই ভারতের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, দেশের নানা প্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে জি২০-র বৈঠক হবে জম্মু-কাশ্মীরেও। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই গোটা দেশের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরেও আয়োজন করা হয়েছে জি২০ বৈঠকের। চিন এবং পাকিস্তানের পর এবার এনিয়ে সমালোচনা করলেন রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিভাগের বিশেষ প্রতিবেদক কানাডার ফার্নান্ড ডি ভারেনেস। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভারত সরকার যা করে চলেছে, তা আন্তর্জাতিক অনুমোদনের জন্যই সেখানে জি২০ বৈঠক করতে চাইছে।

    জি২০ (G20) নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য…

    কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ওই বিশেষ প্রতিবেদক। তার পরেই জেনেভার ভারতীয় মিশনের তরফে তাঁর ওই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। ২২-২৪ মে শ্রীনগরে হওয়ার কথা জি২০-র (G20) পর্যটন সংক্রান্ত কার্যকরী গোষ্ঠীর বৈঠক। তার প্রস্তুতিও শেষের পথে। বৈঠক চলাকালীন ভূস্বর্গে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে বা নিরাপত্তা লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চলছে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান। ২৭০ কিলোমিটার ব্যাপী জম্মু-কাশ্মীরের জাতীয় সড়কে নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    জম্মুর সেনার হোয়াইট নাইট কর্পসের তরফে এক ট্যুইট-বার্তায় জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি যৌথভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে। জি২০ বৈঠকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, “সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। শ্রীনগর ও গুলমার্গের চারপাশে বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কারণ প্রতিনিধিরা এই জায়গাগুলি (G20) দিয়েই যাবেন।“ যৌথবাহিনীর পাশাপাশি তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ-ও। জাতীয় তদন্তকারী এই সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে কাশ্মীর উপত্যকায় যেসব সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠন ও তাদের শাখা সংগঠন রয়েছে, তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।“ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মার্চে কাশ্মীরে হয়েছিল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন। তাতে অংশ নিয়েছিলেন বিশ্বের ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: পুলিশ কর্তা ও এনআইএ-র অফিসে নাশকতার ছক জঙ্গিদের! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Jammu Kashmir: পুলিশ কর্তা ও এনআইএ-র অফিসে নাশকতার ছক জঙ্গিদের! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় ধরনের নাশকতার ছক লস্কর-ই-তইবা (LeT) এবং জইশ-ই-মহম্মদের (JEM)! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এ ব্যাপারে এনআইএ এবং জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সাবধান করে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যেসব আধিকারিক দিল্লিতে কর্মরত, তাঁদের বাসভবন এবং এনআইএর অফিসে হামলা করার ছক কষছে জঙ্গিরা। এর আগে কেন্দ্রীয় গেয়েন্দা সংস্থার তরফে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর যে হামলা হতে পারে, তা আগাম জানানো হয়েছিল। সেই মতো দিন কয়েক আগে বারমুলায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। তাই এবারও যে এমন কোনও ঘটনা ঘটতে পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে ওই সংস্থা।

    লস্কর-ই-তইবার (LET) ছক…

    গত মাসেই কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুঞ্চ জেলার ভীম্বার এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষীদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। তার জেরে শহিদ হন পাঁচ জওয়ান। জইশ-ই-মহম্মদ এই ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতিও দেয়। গোয়েন্দারা এও জেনেছেন, পাকিস্তান (LET) ভিত্তিক লস্কর কমান্ডার রফিক নাই এবং তার ভাই শামসের নাই পুঞ্চের বালাকোট এলাকায় ডেরা বেঁধেছে। চলতি মাসের শেষের দিকে শ্রীনগরে হতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন। সেই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। তার আগে ভূস্বর্গকে অশান্ত করে তোলাই পাখির চোখ জঙ্গিদের।

    বিস্ফোরক সহ ধৃত ১

    এদিকে, জঙ্গি দমনে প্রাণপণ করেছে সেনা। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) রাজৌরি এবং বারামুল্লায় গত কয়েকদিন ধরেই চলছে জঙ্গি দমন অভিযান। অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসবাদী এবং সেনার গুলির লড়াইয়ে একাধিক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ দাবি করেছে, জঙ্গিদের এক সহযোগীকে দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। তার কাছ থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা ৫ কেজি (LET) ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস উদ্ধার হয়েছে। ধৃতের নাম ইশফাক আহমেদ ওয়ানি।

    আরও পড়ুুন: পটাশপুরে শুভেন্দুর সভা বাতিল প্রশাসনের! রবিবার ফের জনসভার ডাক বিরোধী দলনেতার

    তার বাড়ি বদগামের আরিগাম এলাকায়। ট্যুইট-বার্তায় কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামা পুলিশ সন্ত্রাসবাদে এক সহযোগী ইশফাক আহমেদ ওয়ানিকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে একটি আইইডি উদ্ধার করে একটি বড় দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হয়েছে। মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে, শনিবারও চলে জঙ্গি দমন অভিযান। সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় এক জঙ্গির। তার পরেই আইইডি সহ গ্রেফতার জঙ্গির সহকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Perfume Bomb: ধৃত জঙ্গি আগে স্কুলশিক্ষক ছিল! প্রথমবার ‘পারফিউম বম্ব’ উদ্ধার কাশ্মীরে

    Perfume Bomb: ধৃত জঙ্গি আগে স্কুলশিক্ষক ছিল! প্রথমবার ‘পারফিউম বম্ব’ উদ্ধার কাশ্মীরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুগন্ধির বোতলে ভরে রাখা হয় বিস্ফোরক। সেটি বসিয়ে রাখা হয় রাস্তায়। কৌতূহল বশে সুগন্ধীর বোতল কুড়িয়ে নিয়ে খুলতে গেলেই ঘটবে বিস্ফোরণ। যার জেরে হয় মৃত্যু নয় চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়া। কাশ্মীরের সরকারি স্কুল শিক্ষক থেকে জঙ্গি বনে যাওয়া আরিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকেই মিলেছে পারফিউম বম্ব (Perfume Bomb)। জানা গিয়েছে, ধৃত আরিফ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই তৈবার সদস্য। এই ধরনের বিস্ফোরক এর আগে কোনওদিন জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) দেখা যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

    সুগন্ধির বোতলে…

    চলতি মাসের ২১ তারিখে জম্মু-কাশ্মীরের নারওয়ালে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। ওই ঘটনায় গুরুতর জখম হন ৯ জন। বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে আরিফের হদিশ পায় পুলিশ। তদন্ত করে দেখা যায়, সুগন্ধির বোতলে আইইডি ভরে ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ।

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি দিলবাগ সিং বলেন, ধৃত আরিফের কাছে ডিসেম্বরের শেষ দিকে তিনটি আইইডি আসে। এর মধ্যে দুটি ২০ জানুয়ারি মারওয়াল এলাকায় পুঁতে রেখেছিল আরিফ। ২১ তারিখ ২০ মিনিটের ব্যবধানে ওই দুটি আইইডি (Perfume Bomb) বিস্ফোরণ হয়। প্রথমটির বিস্ফোরণের ফলে ৯ জন জখম হয়েছিলেন। তদন্তে নেমে আরিফকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আরিফ কাসিম নামে পাকিস্তানের এক লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গির সঙ্গে গত তিন বছর ধরে যোগাযোগ রেখে চলছিল। জেরায় নিজের কাছে থাকা পারফিউম আইইডি-র কথা জানায় আরিফ।

    আরও পড়ুুন: গরু পাচারকাণ্ডে এবার সিবিআই নজরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা, জানেন তাঁরা কারা?

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের প্রধান বলেন, পাকিস্তান তার মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদ প্রচার করার জন্য এবং সারা বিশ্বে হাজার হাজার প্রাণ কেড়ে নেওয়ার জন্য কুখ্যাত। জম্মু-কাশ্মীর বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের টার্গেটে রয়েছে। পাকিস্তানিরা জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করতে চায়। দিলবাগ জানান, এই ধরনের সুগন্ধির বোতলে (Perfume Bomb) বিস্ফোরক ভরে নাশকতা চালানোর ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। তিনি জানান, জেরায় আরিফ স্বীকার করেছে গত বছর ২৪ মে বৈষ্ণোদেবীগামী তীর্থযাত্রীদের বাসের ওপর হামলার ঘটনায়ও হাত ছিল তার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Terrorists: চার দিনে দুই গোষ্ঠী এবং ৪ জঙ্গিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র

    Terrorists: চার দিনে দুই গোষ্ঠী এবং ৪ জঙ্গিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের মদত দেওয়া সন্ত্রাস বন্ধে ফের কড়া পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার। লস্কর-ই-তৈবা (LeK) এবং জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) দুই ছায়া সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। গত চারদিনে চারজনকে জঙ্গিও (Terrorists) ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। সন্ত্রাসবাদ বন্ধে কেন্দ্রের মোদি (PM Modi) সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, তা বারংবার জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে…

    জানুয়ারির ৪ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইজাজ আহমেদ আহাঙ্গার ওরফে আবু উসমান আল-কাশ্মীরির জন্ম কাশ্মীরে। সে সন্ত্রাসবাদী। আল কায়দার সঙ্গে যোগ রয়েছে তার। অন্যান্য গ্লোবাল টেররিস্ট গ্রুপের সঙ্গেও যোগ রয়েছে তার। সে ভারতে ইসলামিক স্টেট (IS) শুরু করার কাজে নিয়োজিত। তাকে ইনডিভিজ্যুয়াল টেররিস্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আইজাজ আহমেদ বর্তমানে রয়েছে আফগানিস্তানে। সে জম্মু-কাশ্মীরে ইসলামিক স্টেটের প্রধান নিয়োগ কর্তা। ১৯৭৪ সালে কাশ্মীরের শ্রীনগরে জন্ম আইজাজের। দু দশকেরও বেশি সময় ধরে জম্মু-কাশ্মীরে সে ওয়ান্টেড টেররিস্ট। কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলে সে টেরর রিলেটেড স্ট্র্যাটেজি তৈরির পরিকল্পনা করতে শুরু করেছিল। বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় সাধন করার চেষ্টা করেছিল সে।

    আরও পড়ুুন: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে হাওড়ায় এসটিএফের জালে দুই, আইএসআইএসের সঙ্গে যোগ ধৃতদের?

    ৫ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন দ্য রেসিস্ট্যান্স ফ্রন্টকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ওই দিনই ওই মন্ত্রক মহম্মদ আমিন খুবাইব ওরফে আবু খুবাইবকেও ইন্ডিভিজ্যুয়াল টেরিরিস্ট (Terrorists) ঘোষণা করেছে। জন্মু-কাশ্মীরে বেড়ে ওঠা খুবাইব বর্তমানে রয়েছে পাকিস্তানে। সে বর্তমানে লস্কর-ই-তৈবার লঞ্চিং কমান্ডার। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জইশ-ই-মহম্মদের ছায়া সংগঠন পিপলসস অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্টকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসের কাজে যুক্ত ছিল এই সংগঠন। ওই রাতেই আলাদা একটি নোটিশ জারি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরবাজ আহমেদ মিরকে ইন্ডিভিজ্যুয়াল জঙ্গি ঘোষণা করে। জম্মু-কাশ্মীরে বেড়ে উঠলেও, বর্তমানে সে থাকে পাকিস্তানে। ৭ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আশিফ মকবুল দারকে ইন্ডিভিজ্যুয়াল জঙ্গি (Terrorists) ঘোষণা করে। আশিফ সৌদি আরবে থাকে। কাশ্মীরি তরুণদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে উৎসাহিত করে সে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit Shah: সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতাদেরও নির্মূল করতে হবে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে অমিত শাহ  

    Amit Shah: সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতাদেরও নির্মূল করতে হবে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে অমিত শাহ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা সন্ত্রাসবাদী-বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাহায্য করছে, মদত দিচ্ছে এবং টিকিয়ে রাখতে চাইছে, তাদের নির্মূল করতে হবে। সম্প্রতি উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir) নিয়ে ওই বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই ওই কথা বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরে ভোট (Election) হতে পারে শীতের পরে পরেই। তাই সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৈঠকে বসেছিলেন অমিত শাহ। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভল্লা ছাড়াও ছিলেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান, আধা সামরিক বাহিনীর কর্তারা এবং জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা। জম্মু-কাশ্মীরের পদস্থ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন ওই বৈঠকে।

    শাহ উবাচ…

    এদিনের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শাহ। বৈঠক হয় দিল্লিতে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের একটা ইকো-সিস্টেম চলছে। এতে সাহায্য করছে, মদত দিচ্ছে এবং টিকিয়ে রাখতে চাইছে সন্ত্রাসবাদী-বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সাধারণ মানুষের স্বার্থেই এদের নির্মূল করতে হবে। এদিনের বৈঠকে জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে কেন্দ্র, তার যেন অন্যথা না হয়। জিরো টলারেন্স নীতি সফল করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেন তিনি। জম্মু-কাশ্মীরে পরিকাঠামোগত যেসব উন্নয়ন হচ্ছে, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নেন শাহ। সমস্ত প্রকল্প যাতে সময়ের মধ্যেই শেষ হয়, সে ব্যাপারও জোর দেন তিনি। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে কেবল যোগ্য প্রাপকরাই পান, সে ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন শাহ। উন্নয়নের সুফল যাতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ পান, সেই দিকটিও দেখার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

    আরও পড়ুন: আজ না হয় কাল, জম্মু ও কাশ্মীর ফের রাজ্যের তকমা পাবে! ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই জম্মু-কাশ্মীরের ১৬টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। যেসব সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী বেছে বেছে সংখ্যালঘু এবং নিরাপত্তা রক্ষীদের টার্গেট করছে, তাদের খোঁজেই হানা দিয়েছিল এনআইএ। চলতি সপ্তাহে নিরাপত্তা রক্ষীরা সির্দা এলাকায় নিকেশ করেছেন চার সন্ত্রাসবাদীকে। একটি ট্রাকে করে এই সন্ত্রাসবাদীরা উপত্যকায় ঢোকার চেষ্টা করেছিল। মৃত সন্ত্রাসবাদীদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর আগ্নেয়ান্ত্র এবং গোলাবারুদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share