Tag: Jacqueline Fernandez

Jacqueline Fernandez

  • Jacqueline Fernandez: প্রমাণ লোপাট করে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকলিন! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    Jacqueline Fernandez: প্রমাণ লোপাট করে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকলিন! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০ কোটি টাকা তছরূপ-কাণ্ডে ইতিমধ্যে নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ-এর (Jacqueline Fernandez)। আর তারই মধ্যে বিস্ফোরক অভিযাগ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গতকাল, শনিবার, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি টাকা তছরূপ মামলা চলাকালীন অভিনেত্রী দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগও এনেছে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময়ের প্রথম থেকেই তিনি সহযোগিতা করছিলেন না।

    দিল্লির আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন জ্যাকলিন (Jacqueline Fernandez)। সেই মামলারই শুনানি চলছিল। সেসময় জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে বিস্ফোরক দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের বক্তব্য, অভিনেত্রী নাকি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু গত বছর লুক-আউট সার্কুলার (এলওসি) জারি করার কারণে তাতে সক্ষম হননি বলে ইডি-র অভিযোগ। জামিন আবেদনের শুনানি চলাকালীন ইডি অভিযোগ জানায়, জ্যাকলিন তাঁর মোবাইল ফোন থেকে প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করেছিলেন। ইডি আরও বলে, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ কখনওই তদন্তে সহযোগিতা করেননি, প্রমাণ পেশ করার পর কেবল মুখ খুলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার, ষড়যন্ত্রকারী নই”, আর্থিক তছরুপ মামলায় জেরার মুখে বললেন নোরা ফতেহি

    অন্যদিকে জ্যাকলিনের (Jacqueline Fernandez) আইনজীবী জানান, ইডির তরফে মামলা সংক্রান্ত কোনও নথি পাঠানো হয়নি। আদালতের তরফে এরপরই নির্দেশ দেওয়া হয় যে ইডি যেন মামলার যাবতীয় নথি অভিনেত্রীকে পাঠানো হয়। আগামী ১০ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। গতকাল ইডি আরও অভিযোগ করেছে যে, তদন্ত চলাকালীন প্রথম থেকেই জ্যাকলিন সহযোগিতা করতে চাননি। এমনকি আর্থিক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে তথ্য প্রমাণ পেশ করা হলেও, জ্যাকলিন তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন। অভিনেত্রীর আচরণ নিয়েও আদালতে অভিযোগ করা হয় ইডির তরফে।

    গতকাল দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে আদালত অভিনেত্রীর (Jacqueline Fernandez) সুরক্ষার মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়িয়েছে বলেই খবর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত আরও কয়েকদিন স্বস্তি পাবেন জ্যাকলিন। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী নোরা ফতেহি-এর নামও জড়িয়ে পড়েছিল। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু ইডির দাবি, নোরা এই তদন্তে সহযোগিতা করেছিলেন।  

  • Money Laundering Case: ৮-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ জ্যাকলিনকে, এবার দিল্লি পুলিশের জেরার মুখে নোরা

    Money Laundering Case: ৮-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ জ্যাকলিনকে, এবার দিল্লি পুলিশের জেরার মুখে নোরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে (Jacqueline Fernandez) ২০০ কোটি টাকা তছরুপের মামলায় টানা আট ঘণ্টা জেরা করার পর এবার অভিনেত্রী তথা জনপ্রিয় মডেল নোরা ফাতেহিকে (Nora Fatehi) সমন (summon) করেছে দিল্লি পুলিশ। এর আগেই তছরুপ (Money Laundering) মামলার চার্জশিটে ইডি জানায় যে, অভিযুক্ত অভিনেত্রী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। নোরাকে সমন করার পর ইতিমধ্যেই তিনি হাজির হয়েছেন দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং-এ।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW) শাখার আধিকারিকরা৷ এর আগেও সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকার তোলাবাজির মামলায় (Sukhesh ChandraShekhar Extortion Case) নোরা ফাতেহিকে ২ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দিল্লি পুলিশ৷ তখন নোরা জানিয়েছিলেন যে, এই মামলার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। নোরার পাশাপাশি এদিন ফের পিঙ্কি ইরানিকে দেখা যায়। তাঁকেও আজ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে জানা গিয়েছে। পিঙ্কি ইরানিই নোরা ফাতেহি ও জ্যাকলিনকে চন্দ্রশেখরের সঙ্গে দেখা করিয়েছিলেন বলে খবর শোনা যাচ্ছে। ফলে ইনিও এতে জড়িত রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    প্রসঙ্গত, গতকালও পিঙ্কি ইরানিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এছাড়াও জ্যাকলিনকে প্রায় ৮ ঘণ্টা জেরা করা হয় ও প্রায় ১০০ টির মত প্রশ্ন করা হয়। জানা গিয়েছে, তিনি গতকাল সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে দিল্লির তদন্ত সংস্থার মন্দির মার্গ অফিসে পৌঁছেছিলেন এবং রাত ৮ টার আগে চলে যান। তদন্তকারীদের দাবি,  শুধুমাত্র জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ নন, নোরা ফাতেহিও সুকেশ চন্দ্রশেখরের (Sukesh Chandrashekhar) সঙ্গে ২০০ কোটি টাকার তোলাবাজির মামলায় জড়িত৷ নোরা ফাতেহিও, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez) মতো সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে মূল্যবান উপহার নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Nora Fatehi: “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার, ষড়যন্ত্রকারী নই”, আর্থিক তছরুপ মামলায় জেরার মুখে বললেন নোরা ফতেহি

    Nora Fatehi: “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার, ষড়যন্ত্রকারী নই”, আর্থিক তছরুপ মামলায় জেরার মুখে বললেন নোরা ফতেহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ (Jacqueline Fernandez)-এর পরে গতকাল নোরা ফতেহি (Nora Fatehi)-কে সমন করেছিল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। ফলে সময় মতো দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW) -এর অফিসে পৌঁছে গিয়েছিলেন নোরা। ২০০ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) মন্দির মার্গের সদর দফতরে নোরাকে টানা ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বলি সুন্দরীকে জেরা করার সময়ে অনেক তথ্যই উঠে এসেছে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    নোরা ফতেহি বলেছেন, ‘তিনি এই ষড়যন্ত্রের শিকার, ষড়যন্ত্রকারী নয়।’ গতকাল নোরার পাশাপাশি জেরা করা হয় পিঙ্কি ইরানিকেও। কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জ্যাকলিন ও নোরার সঙ্গে আলাপ করিয়েছিলেন এই পিঙ্কি। নোরা এদিন দাবি করেন যে, তাঁর সঙ্গে সুকেশের কখনও সাক্ষাৎ হয়নি, শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয়েছিল। এবং হোয়াটসঅ্যাপের সেই মেসেজের স্ক্রিনশটগুলিও দেখিয়েছেন নোরা।

    আরও পড়ুন: ৮-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ জ্যাকলিনকে, এবার দিল্লি পুলিশের জেরার মুখে নোরা

    তিনি তাঁর তামিলনাড়ুতে “চ্যারিটি” ইভেন্টে সফরের বিস্তারিত ঘটনাও বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি এক্সসিড এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের প্রোমোটার আফসার জাইদির আমন্ত্রণে সেই ইভেন্টে গিয়েছিলেন ও অনুষ্ঠানটি সুপার কার আর্টিস্ট্রি দ্বারা অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল। এরপর তদন্তকারীরা প্রশ্ন করেন যে, এই ইভেন্টে যাওয়ার জন্য কে তাঁর খরচের জন্য টাকা দিয়েছেন, তখন নোরা সুকেশের স্ত্রী লীনা পলের (Leena Paul) নাম উল্লেখ করেন। অফিসারদের আরও বলেছিলেন যে লীনা একটি ইভেন্টে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং তাঁকে একটি গুচি ব্যাগ এবং একটি আইফোন উপহার দিয়েছিলেন এবং তখনই তিনি জানতে পারেন যে তাঁকে একটি বিএমডব্লিউ উপহার দেওয়া হচ্ছে।

    ইকোনমিক উইং-এর বিশেষ কমিশনার রবীন্দ্র যাদব সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তদন্তে সাহায্য করেছেন নোরা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বুধবার জ্যাকলিন ও পিঙ্কিকে দিল্লি পুলিশের জেরা করার সময়ে তাঁরা বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। আরও জানা গিয়েছে যে, সুকেশ প্রথমে নোরাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে সুকেশ ব্যর্থ হয় ও পরে জ্যাকলিনকে তাঁর জালে ফাঁসিয়ে নেয়। ফলে জ্যাকলিন চন্দ্রশেখরের দ্বারা এতটাই প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলেন যে, তিনি তাকে “তার স্বপ্নের মানুষ” বলে ভাবতেন। এমনকি তাঁকে বিয়ে করার কথাও ভাবতেন। পুলিশের বিশেষ কমিশনার (ইওডব্লিউ) রবিন্দর যাদব জানিয়েছেন, তবে জ্যাকলিন সুকেশের বিষয়ে জানার পরেও তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙেনি। অন্যদিকে কিন্তু কিছু সন্দেহ করতে পারায় আগেই সুকেশ ও লীনার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে নেয় নোরা। ফলে গতকাল তিনি বলেছেন, ‘তিনি কোনও অপরাধমূলক কাজকর্মের সম্পর্কে জানতেন না’।

  • Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez) বিরুদ্ধে চার্জশিট (Charge sheet) জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তছরুপ (Money Laundering) মামলার চার্জশিটে ইডি জানায়, এখন পর্যন্ত তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্ত অভিনেত্রী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত। 

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে যে, তিনি শুধু নিজেই না। ভারত এবং বিদেশে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সব সদস্যই তছরুপের টাকায় উপহার পেয়েছেন। এর ফলে তছরুপ প্রতিরোধ আইন ২০০২-এর ধারা ৩-এর অধীনে তছরুপের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যা PMLA, ২০২২-এর ধারা ৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমনই বলা হয়েছে চার্জশিটে।

    চার্জশিটে এছাড়াও বলা হয়, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ সুকেশ চন্দ্রশেখর (Sukesh Chandrashekhar) অতীতের অপরাধমূলক কাজের অবগত ছিলেন এবং সচেতনভাবে সেগুলি উপেক্ষা করে গিয়েছেন। এবং তাঁর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে লিপ্ত থেকেছেন। শুধু জ্যাকলিন নয়, এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরাও সুকেশে দ্বারা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    ইডির দাবি, বিভিন্নসময় বিভিন্ন গল্প বানিয়েছেন জ্যাকলিন, সত্যি কথা বলেননি।  

    আরও পড়ুন: নৌসেনা পাচ্ছে নতুন নিশান! শুক্রবারই উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  

    গত সপ্তাহে এই মামলায় এই মামলায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছিল ইডি। যদিও অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হয়েছে জ্যাকলিনকে। সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এই মামলার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন জ্যাকলিন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যতবার তাঁকে ডাকা হয়েছে, প্রতিবার হাজিরা দিয়েছেন তিনি। আর্থিক তছরুপ মামলার তদন্তের স্বার্থে সবধরনের তথ্য তদন্তকারীদের জানিয়েছেন জ্যাকলিন। কিন্তু তিনি যে প্রতারিত, তা মানতে চাইছেন না আধিকারিকরা। জ্যাকলিন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।”   

    গত ১৭ অগাস্ট দিল্লি হাইকোর্টে দাখিল করা অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছিল, সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের তোলাবাজির প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে ৭ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি  ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।  

    আপাতত অস্বস্তিতে বলিউড সুন্দরী। ২১৫ কোটি টাকার তছরুপ মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। প্রধান অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে এই মামলার চার্জশিট জমা হয়েছিল আগেই। তাঁর সঙ্গে জ্যাকলিনের প্রেমের গুঞ্জনও ছিল। দুজনের ঘনিষ্ঠ ছবিও ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে। সন্দেহভাজনদের তালিকায় আগেই সামিল হয়েছিল জ্যাকলিনের নাম। এবার চার্জশিট জুড়েও তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Jacqueline Fernandez: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    Jacqueline Fernandez: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুকেশ চন্দ্রশেখরের অর্থ তছরুপ মামলায় নাম জড়াল অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez)। ইডির দায়ের করা অভিযোগপত্রে রয়েছে অভিনেত্রীর নাম। দিল্লির একটি আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)। এর আগেও অর্থ তছরুপ (extortion) মামলায় অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের (Conman Sukesh Chandrashekar) সঙ্গে সম্পর্কে থাকার কারণে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডি জ্যাকলিনকে তলব করেছে। অভিনেত্রীর কনম্যানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি বেশ কিছুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এই বিষয়ে কখনই নিজের মুখে কিছু স্বীকার করেননি জ্যাকলিন।

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর সুবিধাই আগে! জানুন রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে কী মত বিদেশমন্ত্রীর

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে, তাঁর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল একটি প্রকাশ্য বিবৃতি জারি করেছেন। সেখানে উল্লেখ করা রয়েছে যে জ্যাকলিন এখনও অভিযোগের কোনও অফিসিয়াল কপি পাননি। তিনি বলেন, “ইডি যে অভিযোগ ফাইল করেছেন সেই ব্যাপারে তথ্য আমরা কেবল মিডিয়ার মাধ্যমেই পেয়েছি। আদালত বা ইডি, কারও তরফেই কোনও অফিসিয়াল যোগাযোগ করা হয়নি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের করা কোনও অভিযোগের অফিসিয়াল কপি পাননি আমার মক্কেল। তবে যদি মিডিয়ার রিপোর্ট সত্যি হয়, তাহলে এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আমার মক্কেলকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপোশ করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও  

    এখনই জ্যাকলিনকে গ্রেফতার করতে পারবে না ইডি। তবে দেশের বাইরে যেতে পারবেন না অভিনেত্রী। জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের হেয়ার ড্রেসারের মাধ্যমেই যোগাযোগ হয় দুজনের। প্রথমে কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরের পাঠানো মেসেজের উত্তর দেননি জ্যাকলিন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর হেয়ারড্রেসারের মাধ্যমে অভিনেত্রীর কাছে পৌঁছন। নিজের পরিচয় দিয়ে সুকেশ বলেছিলেন যে, তিনি একটি টিভি নেটওয়ার্ক এবং একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ডের মালিক। ইডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিনেত্রী তখনও জানতেন যে তিহার জেল থেকে ফোনগুলি করতেন সুকেশ। 

    অভিনেত্রী নিজের বয়ানে জানিয়েছেন, সুকেশ চন্দ্রশেখর প্যারোলে বের হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর মাত্র দুবার দেখা হয়েছিল। ভিডিও কলের মাধ্যমেই কথা হত তাঁদের। এই ভিডিও কল করা হল তিহার জেল থেকেই। 

    এর আগে একাধিকবার অভিনেত্রীকে তলব করেছে ইডি। চলতি বছরের জুন মাসে শেষবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। অভিনেত্রীর সাত কোটি ২৭ লক্ষের সম্পত্তি এবং ১৫ লক্ষ নগদ টাকার সঙ্গে আর্থিক তছরুপ মামলার যোগ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। একটি বিবৃতিতে ইডি জানায়, “জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে পাঁচ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার উপহার দিয়েছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। প্রতারণার টাকা দিয়েই ওই উপহার কেনা হয়েছিল।” পাশাপাশি, এও জানানো হয়েছিল যে সুকেশের দীর্ঘদিনের সহযোগী পিঙ্কি ইরানির মাধ্যমেই অভিনেত্রীকে উপহার পাঠাতেন সুকেশ। এই উপহারের তালিকায় ৫২ লক্ষ টাকার ঘোড়া, নয় লক্ষ টাকার পার্সিয়ান ক্যাট সহ আরও অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র রয়েছে। এছাড়াও সুকেশ Gucci এবং Chanel -এর একাধিক ব্যাগ ও পোশাক দিয়েছিলেন জ্যাকলিনকে। পাশাপাশি, এক চিত্রনাট্যকারকে ওয়েব সিরিজ লেখার জন্য জ্যাকলিনের হয়ে ১৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া জ্যাকলিন নিজে জানিয়েছেন লুই ভিতন, ডিওর – এর মতো বহুমূল্য সামগ্রী, মিনি কুপার গাড়ি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন তিনি। 

    দিল্লির এক ব্যবসায়ী চেন্নাই-এর বাসিন্দা সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, এক বছরে তাঁর থেকে ২০০ কোটি টাকা প্রতারণা করেছে সুকেশ চন্দ্রশেখর। সেই মামলাতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। গত ৩০ অগাস্ট ইডির দফতরে প্রায় ৫ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল জ্যাকলিনকে। জ্যাকলিনের সঙ্গে কথা বলে ইডি-র হাতে আসে বহু জরুরি তথ্য। সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ২০০ কোটি টাকার প্রতারণায় গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, এই ব্যক্তির কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকার বহুমূল্য উপহার পেয়েছিলেন জ্যাকলিন।  

LinkedIn
Share