Tag: Jadavpur University

Jadavpur University

  • JU: হস্টেলে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার! যাদবপুরে পরিদর্শনের পর কী ভাবছে ইসরো?

    JU: হস্টেলে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার! যাদবপুরে পরিদর্শনের পর কী ভাবছে ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল এবং ক্যাম্পাস পরিদর্শন করলেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। বুধবার দ্বিতীয় দিন তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়েছেন। হস্টেলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখার পর ক্যাম্পাসেও গিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দুই প্রতিনিধি। কোথায়, কী প্রযুক্তি ব্যবহার করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মানুবর্তিতা প্রয়োগ করায় সুবিধা হবে, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। 

    ‘জোন’ ভাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন 

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশকে আলাদা ‘জোন’ হিসাবে ভাগ করে পরিদর্শন করে ইসরোর প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার তাঁরা শুধু ক্যাম্পাসে ঘুরলেও এদিন তাঁরা মেন হস্টেলেও যান। এই হস্টেলের এ২ ব্লকের যেখানে প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছিল, সেই অংশ বিশেষ ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন তাঁরা। ইসরোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ।উপাচার্য আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কথা বলেছিলেন। যাদবপুরে ইসরোর সুপারিশে প্রযুক্তির প্রয়োগের কথা বলেছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সহায়তা প্রয়োজন। পরে রাজভবনের তরফ থেকে ইসরোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ইসরোর প্রতিনিধি দলের অনেক আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। অবশেষে মঙ্গলবার তাঁরা ক্যাম্পাসে আসেন।

    আরও পড়ুন: ‘সংবিধান বলছে যা ইন্ডিয়া, তাই ভারত’! নাম-বিতর্কে মন্তব্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের

    আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর ব্যবহার

    সূত্রের খবর, মূলত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা আরএফডিআই (RFDI)কে কাজে লাগিয়ে নিরাপত্তার কাজ এগোতে পারে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে ইসরো।  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকে জোরদার করতে উন্নত পর্যায়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন গেটে বসতে পারে উন্নত প্রযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা, সেই সমস্ত বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখে তারা।  এরপর চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করবে এই প্রতিনিধি দল। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: চার পড়ুয়াকে আজীবন বহিষ্কার! যাদবপুরকাণ্ডে উপাচার্যকে রিপোর্ট তদন্ত কমিটির

    Jadavpur University: চার পড়ুয়াকে আজীবন বহিষ্কার! যাদবপুরকাণ্ডে উপাচার্যকে রিপোর্ট তদন্ত কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরে পডুয়ামৃত্যুর ঘটনায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের কাছে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিল সেখানকার অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চারজন পড়ুয়াকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনার ২৬ দিনের মাথায় অবশেষে শাস্তির সুপারিশ করল অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় যুক্ত ৬ প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষকে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে ২৫ জন প্রাক্তনীকে হস্টেলের বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    তদন্ত কমিটির সুপারিশ

    যাদবপুরকাণ্ডে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট আগেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। সূত্রের খবর, এদিনের রিপোর্টে পাঁচজন বর্তমান পড়ুয়াকে চারটি সেমিস্টার, ১১ জনকে দুটি এবং ১৫ জন‌কে একটি সেমিস্টার থেকে বহিষ্কারে সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি গবেষণা শেষের পর এক ছাত্রনেতাকে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে না ঢুকতে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই রিপোর্টে র‌্যাগিং রুখতে আরও বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ অগস্ট, ওই ছাত্রের পড়ে যাওয়ার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের এ-২ ব্লকে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অনেকেই ঘটনার বিষয়ে সঠিক বর্ণনা দেননি। ঘটনার মোড় অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করেছেন তাঁরা। কেউ কেউ তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টাও করেছেন বলে ওই কমিটির অভিযোগ। তাঁদের সকলকে হস্টেল থেকে বার করে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, কমিটির রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়েছে, সেই রাতে হস্টেলে যে প্রাক্তনীরা ছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছ’জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হোক।

    আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হস্টেল ছাড়তে হবে প্রাক্তনীদের! যাদবপুরকে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    ইউজিসির নানা প্রশ্ন

    ইতিমধ্যেই ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবারেই ইউজিসি-র চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যাদবপুরে এসেছেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, সেখানেই ইউজিসি-র একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় কর্তৃপক্ষকে। যার কোনওটিরই সদুত্তর মেলেনি। ইউজিসি-র নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে র‌্যাগিং-বিরোধী কমিটি থাকা আবশ্যিক। যাদবপুরে সেই কমিটি ছিল কি না, থাকলে তার কী ভূমিকা, কমিটিতে কে কে ছিলেন, জানতে চাওয়া হয়েছে ইউজিসি-র তরফে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, র‌্যাগিং-বিরোধী কমিটি থাকলেও যাদবপুরে তা তেমন সক্রিয় নয়। কেন কমিটি অচল, সে বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: যাদবপুরে ইউজিসি-র প্রতিনিধিরা! রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠিকাণ্ডে ধৃত ‘অধ্যাপক’ রানা রায়

    Jadavpur University: যাদবপুরে ইউজিসি-র প্রতিনিধিরা! রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠিকাণ্ডে ধৃত ‘অধ্যাপক’ রানা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর প্রতিনিধি দল। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে। ইউজিসি-র প্রতিনিধিরা যেতে পারেন হস্টেলেও। সব পক্ষের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার সম্ভাবনা রয়েছে ইউজিসি-র সদস্যদের। অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি পাঠানোর দায়ে ‘অধ্যাপক’ রানা রায়কে গ্রেফতার করল পুলিশ। অন্য একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার রাতে ভুবনেশ্বরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ।

    যাদবপুর চার সদস্যের প্রতিনিধি দল

    সোমবার সকালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছয় ইউজিসি-র চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারে ইউজিসি। খতিয়ে দেখা হবে র‌্যাগিং সংক্রান্ত নিয়মকানুনও। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কয়েকটি রিপোর্টও চাইতে পারেন ইউজিসির প্রতিনিধিরা। যাদবপুরে প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি নির্ধারিত র‌্যাগিং-বিরোধী নির্দেশ মানা হয়নি বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে এর আগেও কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছিল ইউজিসি। 

    রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি দেওয়ার ঘটনায় শনিবারই মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। যাদবপুর থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬, ৫০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল রানার বিরুদ্ধে। চিঠিতে নিজের পরিচয়ে ‘অধ্যাপক’ লিখেছিলেন রানা। তার দু’দিনের মাথাতেই গ্রেফতার করা হল তাঁকে। যদিও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মামলায় রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার সঙ্গে যাদবপুরের ঘটনার কোনও যোগ নেই। বেলগাছিয়ার এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন রানা।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, ভারী বৃষ্টির ভ্রুকুটি কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে

    ধৃত রানা রায়

    বেলগাছিয়ার বাসিন্দা এক মহিলা রানা রায়ের বিরুদ্ধে গত ২ সেপ্টেম্বর টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই মহিলা জানিয়েছেন, গত চার বছর ধরে রানা তাঁকে উত্ত্যক্ত করছেন। মাঝে মাঝে কুপ্রস্তাব দিয়ে তাঁকে চিঠিও পাঠানো হতো। বর্তমানে কয়েক বছর ধরে বেলগাছিয়ায় থাকলেও তিনি আসলে কোচবিহারের বাসিন্দা। রানার কুকীর্তির এখানেই শেষ নয়। এলাকার দোকানদার এবং বাজার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকাও ধার করেছিলেন। সেই টাকা ফেরত দেননি। টাকার সব মিলিয়ে প্রায় ৬২ হাজার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ‘‘সৌরভ চৌধুরীর কিছু হলে…’’! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি

    Jadavpur University: ‘‘সৌরভ চৌধুরীর কিছু হলে…’’! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি দেওয়া হল। ‘সৌরভ চৌধুরীর কিছু হলে এক দানাই যথেষ্ট’, এই বয়ানে  হুমকি পোস্ট কার্ড পৌঁছল যাদবপুরের রেজিস্ট্রার-সহ রেজিস্ট্রারের কাছে। হুমকি পোস্ট কার্ডের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যাদবপুর থানায়। শনিবার যাদবপুর থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬, ৫০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    চিঠিতে প্রাণনাশের হুমকি

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ধৃত সৌরভ চৌধুরীকে প্রথম থেকেই মূল অভিযুক্ত বলে দাবি করে আসছে কলকাতা পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রের তথ্যও আদালতে পেশ করেছেন সরকারি আইনজীবীরা। এরই মধ্যে সৌরভের পক্ষ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছল হুমকি-চিঠি! তাতে বলা হয়েছে, সৌরভের কিছু হলে, ‘রিভলভরের দানা খরচ করতে বেশি সময় লাগবে না’। রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু, জয়েন্ট রেজিস্ট্রার সঞ্জয়গোপাল সরকারের কাছে এসেছে ওই চিঠি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, চিঠিতে প্রাণনাশের হুমকির পাশাপাশি ‘জুতোর মালা পরিয়ে বিদায়’ করার মতো কটূক্তিও করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই সূর্যে পাড়ি দেবে ‘আদিত্য-এল১’

    তদন্তে পুলিশ

    প্রসঙ্গত, যাদবপুরের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, টার্গেট করে ওই পড়ুয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। সৌরভ চৌধুরীর নেতৃত্বে এই নির্যাতন করা হয়।  সৌরভকে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ফের আলিপুর আদালতে হাজির করা হবে। আপাতত জেলে বন্দি অঙ্কের স্নাতকোত্তর ওই ছাত্র। এখন কে বা কারা সৌরভের পক্ষ নিয়ে ওই হুমকি পোস্ট কার্ড পাঠিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এর মধ্যে এই হুমকি চিঠি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওই চিঠি পেয়ে তিনি ভয় পেয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার। স্নেহমঞ্জুর দাবি, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিঠির বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় যাদবপুর থানায়। তার প্রেক্ষিতেই মামলরা রুজু করল পুলিশ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ইসরোর কাছে সময় চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কেন জানেন?

    Jadavpur University: ইসরোর কাছে সময় চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডে (Jadavpur University) মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর সঙ্গে কথা বলেছিলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছিলেন ইসরোর চেয়ারম্যানের সঙ্গে। তার পরেই যাদবপুরে প্রতিনিধি দল পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিলেন ইসরো কর্তা।

    সময় চাইল বিশ্ববিদ্যালয় 

    ঠিক হয়েছিল, ইসরোর এক প্রতিনিধি দল আসবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখার পাশাপাশি তাঁরা যাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলেও। তবে দু এক দিনের মধ্যেই যাদবপুরে আসছে না ইসরোর প্রতিনিধি দল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ তাঁদের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই যাদবপুরের অস্থায়ী উপাচার্য পদে বসেছেন গণিতের শিক্ষক বুদ্ধদেব সাউ। ছাত্রমৃত্যুর ব্যাপারে যে পরিমাণ নথি জোগাড় করা প্রয়োজন ছিল, তা এখনও করে উঠতে পারেননি তিনি। তাই সপ্তাহখানেক সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছে ইসরোর কাছে।

    অস্বাভাবিক মৃত্যু পড়ুয়ার 

    দিন কয়েক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় স্নাতক বাংলা প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার। নদিয়ার ওই ছাত্রমৃত্যুর জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তার পরেই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে কথা বলেন আনন্দ বোস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়রে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সাহায্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। ইসরোর প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই যাদবপুরে আসছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: একই ব্যাঙ্কে আলাদা নামে দুই অ্যাকাউন্ট রুজিরার! ফাঁসতে পারেন অভিষেকের স্ত্রী?

    জানা গিয়েছে, ইসরোর প্রতিনিধি দল মূলত দেখবে স্যাটেলাইটকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ করা যায় কিনা। ক্যাম্পাসে মাদক সেবন ও মদ-মাদক নিয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে কোনও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের যন্ত্র বসানো রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে সিসি ক্যামেরাও বসানো হচ্ছে বলে খবর। এজন্য রাজ্যের তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা পাঠানো হচ্ছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। এদিকে, শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকেই যোগ দেবেন ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই যাদবপুরে আসছে ইসরোর প্রতিনিধি দল, কেন জানেন?

    Jadavpur University: সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই যাদবপুরে আসছে ইসরোর প্রতিনিধি দল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) আসছেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ডাকে সাড়া দিয়ে যাদবপুরে আসছেন তাঁরা। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেতে পারেন হস্টেল পরিদর্শনেও। যাদবপুরের পাশাপাশি রাজ্যের আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁরা যেতে পারেন বলেও খবর। যাদবপুরে ভিডিও অ্যানালিটিক্স, টার্গেট ফিক্সিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজ করবে কিনা, মূলত তা-ই দেখবেন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নিয়েও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তাঁরা।

    ইসরোর সঙ্গে কথা আনন্দ বোসের 

    দিন কয়েক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় স্নাতক বাংলা প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার। নদিয়ার ওই ছাত্রমৃত্যুর জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তার পরেই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়রে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সাহায্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ইসরোর প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই যাদবপুরে আসছেন তাঁরা।

    মদ-মাদক বন্ধে

    স্যাটেলাইটকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ক্যাম্পাসে মাদক সেবন ও মদ-মাদক নিয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে কোনও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের যন্ত্র বসানো রয়েছে। এদিকে, সিসি ক্যামেরা বসানোর খরচ নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষ। খরচ জোগাড় করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আবেদন করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছেও।

    আরও পড়ুুন: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    জানা গিয়েছে, শেষমেশ সেই বরাদ্দ মিলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৮ লক্ষ টাকা। শিক্ষা দফতর ওই টাকা মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে অচিরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে চলে আসবে ৩৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৮৪ টাকা। তবে টাকা বরাদ্দ হলেও, কবে থেকে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব পেয়েছে সরকারি সংস্থা ওয়েবেল। এদিকে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকেই যোগ দেবেন ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: এবার নার্কোটিক্স ডিটেকশনে প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তাভাবনা যাদবপুরে!

    Jadavpur University: এবার নার্কোটিক্স ডিটেকশনে প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তাভাবনা যাদবপুরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারকোটিক্স ডিটেকশনের সাহায্যে হস্টেল ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মাদক রোখার ভাবনাচিন্তা চলছে। সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে নজরদারিও, জানালেন যাদবপুরের উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। অ্যান্টি র‌্যাগিং যে স্কোয়াড আছে, তাতে কম করে ৪০ থেকে ৫০ জনকে রাখা হবে বলেও জানান উপাচার্য। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালেয়র ক্যাম্পাসের ভিতরে ওপেন এয়ার থিয়েটার পরিষ্কার করতে গিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বস্তা বস্তা মদের বোতল উদ্ধার করেন। এই খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে কী হয়েছে বলতে পারব না। তবে এবার থেকে পরিস্থিতি বদলাবে।’

    নিরাপত্তার স্বার্থে পদক্ষেপ

    বিবার উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, “নিরাপত্তার জন্য এক্স সার্ভিসম্যানদের কথা যেমন ভাবা হয়েছে। সিসিটিভিও বসানো হচ্ছে। পরে আরও দু’টো প্রযুক্তি নিয়ে ভাবছি। অ্যালকোহল ডিটেক্ট করবে বা নার্কোটিক্স ডিটেক্ট করার জন্য যদি কিছু ব্যবস্থা থেকে থাকে। তবে সেটাও আমাদের দেশের আইনের মধ্যে থেকেই করতে হবে। নার্কোটিক্স কন্ট্রোল করেন যারা তাদের থেকে সাজেশন নিতে হবে। প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কী কী নির্ণয় করা যায় সেটাও দেখার বিষয়। সবই ভাবনাচিন্তার পর্যায়ে এখন।” সিসিটিভি বসানো প্রসঙ্গেও এদিন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, “আমরা ওয়েবেলকে অর্ডার পাঠিয়ে দিয়েছি। আমি দু’দিনের মধ্যে কাজ শুরু করতে বলেছি। ওয়েবলের লজিস্টিক এবং পরিকাঠামো কী আছে আমি জানি না। কী নিয়ম তাও জানি না। তবে যে কোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। নিরাপত্তায় একটা গাফিলতি তো ছিল। না হলে এত বড় ঘটনা ঘটতে পারে না। সরকারও নিশ্চয়ই চাইছে ইউজিসির সমস্ত নিয়ম যেন মেনে চলা হয়। আমাদের আচার্যও বলেছেন, নিরাপত্তা ও অ্যান্টি র‌্যাগিং যে নিয়ম তা মেনে এগোতে হবে। এখন ওয়েবল বরাত দেওয়ার পরও যদি দেরি করে, এটা তো কোনও সাধারণ সংস্থা নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রাণ হাতে করে গ্রামে বাস করছি’’, দত্তপুকুরে রাজ্যপালকে নালিশ মহিলাদের

    দিলীপের অভিযোগ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে সেখানে (Jadavpur University) ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় বাম সমর্থকদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। অভিযোগের কাঠগড়ায় তুলেছেন ডিন এবং অধ্যাপকদেরও। তাঁর কথায়, “যাদবপুরে কিছু বাম এবং অতি বাম সমর্থক পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে নষ্ট করছে। এদের মদত দিচ্ছেন ডিন এবং কিছু অধ্যাপক।” রবিবার বিকালে মহেশতলার মোল্লার গেটের দলীয় জনসভায় যান বিজেপি সাংসদ। সেখানেই নিজের বক্তব্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চন্দ্রযানের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মান তুলে ধরে দিলীপ ঘোষ একদিকে যেমন বাম ও অতি বাম সমর্থকদের কটাক্ষ করেন, তেমনই শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “ঐতিহ্যশালী ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কত প্রতিভাবান ছেলে-মেয়ে পড়েন। গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েরা পড়েন। সেই বিশ্ববিদ্যালয়কে নষ্ট করতে সাহায্য করছে তৃণমূলও।” দিলীপের প্রশ্ন, যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর পর প্রশাসনের সক্রিয়তা বেড়েছে এতদিন সরকার কোথায় ছিল?

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জবাবে সন্তুষ্ট নয় শিশু সুরক্ষা কমিশন, পাঠানো হল তৃতীয় চিঠি

    JU Student Death: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জবাবে সন্তুষ্ট নয় শিশু সুরক্ষা কমিশন, পাঠানো হল তৃতীয় চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যু (JU Student Death) নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এর আগে দুটি চিঠি পাঠিয়েছিল শিশু সুরক্ষা কমিশন। কোনও সন্তোষজনক উত্তর কর্তৃপক্ষ দিতে পারেনি, এই যুক্তিতে তাই ফের তৃতীয় চিঠি পাঠাল শিশু সুরক্ষা কমিশন। প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র শিশু সুরক্ষা কমিশনই নয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনও দুটি চিঠি পাঠিয়েছিল এবং কর্তৃপক্ষের জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তৃতীয় চিঠি পাঠানোর  ব্যাপারে প্রস্তুতি শুরু করে।

    কর্তৃপক্ষের জবাবে সন্তুষ্ট নয় শিশু সুরক্ষা কমিশন (Ju Student Death)

    গত ৯ অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের তৃতীয় তল থেকে পড়ে মৃত্যু হয় স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর (Ju Student Death)। সদ্য উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা স্বপ্নদীপ এখনও ১৮ পেরোয়নি। সেই অর্থে সে নাবালক। তাই সক্রিয় হয়েছে শিশু সুরক্ষা কমিশন (JU Student Death)। জানা গিয়েছে, হস্টেলে আবাসিকদের প্রকৃত সংখ্যা অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটির ভূমিকা, এ সমস্ত নানা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর চেয়ে পাঠিয়েছিল কমিশন। কিন্তু তার কোনও সন্তোষজনক উত্তর কর্তৃপক্ষ দিতে পারেনি। আবার শিশু সুরক্ষা কমিশন এ নিয়ে চিঠি করতে পারে নাকি, সেই এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সনকে।

    কী বলছেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান?

    কমিশনের চেয়ারপার্সেন সুদেষ্ণা রায়ের কথায়, ‘‘আমরা দ্বিতীয় যে চিঠি পাঠিয়েছিলাম তার জবাব সন্তোষজনক নয় (Ju Student Death)। তাই আমরা আবার চিঠি পাঠিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে তাদের কাছে রেকর্ড বজায় আছে। কিন্তু তারা হস্টেলে আবাসিকদের সংখ্যা, র‍্যাগিং বিরোধী কমিটি সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি (Ju Student Death)। ওদের অবগতির জন্য জানাই যে মৃত পড়ুয়া এখনও আঠারো বছরের হয়নি। তাই ওই পড়ুয়া (JU Student Death) শিশু সুরক্ষা কমিশনের এক্তিয়ারর মধ্যে পড়ে।

    শনিবারই যাদবপুরের ওপেন থিয়েটারে উদ্ধার অসংখ্য মদের বোতল

    অন্যদিকে ১০ অগাস্ট যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুর (JU Student Death) পর ক্যাম্পাসে মেলে প্রচুর মদের বোতল। পাশাপাশি পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে যে হস্টেলের টবে চলতো গাঁজা চাষ। শনিবারই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস পরিষ্কার করতে আসেন সাফাই কর্মীরা। এবং সেখানকার ওপেন থিয়েটার থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর খালি মোদের বোতল এবং নেশা সামগ্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: ‘পিক অ্যান্ড চুজ করে মারা হয়েছে’! যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভের জেল হেফাজত

    JU Student Death: ‘পিক অ্যান্ড চুজ করে মারা হয়েছে’! যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের (JU Student Death) রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ধৃত সৌরভ চৌধুরীকে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করতে পারবে পুলিশ। শুক্রবার সৌরভকে আদালতে হাজির করানো হয়। আদালতে সরকারি আইনজীবী গোপাল হালদার বলেন, ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ করে প্রথম বর্ষের সেই ছাত্রকে মারা হয়েছে।

    প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা

    সরকারি আইনজীবী জানান, একটি গামছা উদ্ধার হয়েছে। যেটা দিয়েই মৃত ছাত্রের মুখ চাপা দেওয়া হয়েছিল। সেই রক্ত মাখা গামছা ও ২ টো ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মেসেজ চালাচালি হত। আইনজীবীর দাবি, সেখানে তদন্ত প্রভাবিত করার প্রমাণ হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ফোনে ‘জেইউএমএইচ’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল। সৌরভের সেই গ্রুপে ‘ইনস্ট্রাকশন’ দিতেন। মাঝেমধ্যে সেই গ্রুপে অ্যাক্টিভ হতেন নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

    র‌্যাগিংয়ের প্রমাণ

    আদালতে সৌরভের আইনজীবীর সঙ্গে সরকার পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল পাল্টা সওয়াল চলে। সৌরভের আইনজীবী জানান, তদন্তে সৌরভ সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে অগ্রগতি হয়নি। যদিও পুলিশ দাবি করেছে, এই মামলায় অনেক অগ্রগতি হচ্ছে। দাগী বন্দিদের সঙ্গে যাতে জেলে সৌরভকে না রাখা হয়, সেই আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। এই প্রসঙ্গে সরকার পক্ষের আইনজীবী জানান, এই নিয়ে যা নিয়ম রয়েছে, তা মেনে চলা উচিত। গত ৯ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের তিন তলার বারান্দা থেকে এক ছাত্র নীচে পড়ে যান বলে অভিযোগ। পরের দিন ভোরে বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রের মৃত্যু (JU Student Death) হয়। র‌্যাগিংয়ের জেরে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় প্রাক্তনী এবং পড়ুয়া মিলিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: মালদায় রাজ্যপাল, দেখা করলেন নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে

    সৌরভই ‘কিংপিন’

    ছাত্রমৃত্যুর (JU Student Death) ঘটনায় প্রথম সৌরভকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। সৌরভকেই ‘কিংপিন’ বলে দাবি করেছে পুলিশ। যদিও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন সৌরভ।  লালবাজার সূত্রে খবর, হস্টেলের ৭০ নম্বর ঘরে ওই ছাত্রকে বিবস্ত্র করানো হয়েছিল। তার পর তাঁকে বারান্দায় বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয়। কী ভাবে র‌্যাগিং হয়েছে, তার নথি মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে জমা করেছে পুলিশ। গত ৯ অগস্ট রাতে ওই ছাত্রকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল বলে দাবি। এই ঘটনায় শুক্রবার যাদবপুরকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের আরও চার আবাসিক ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কলকাতা পুলিশের অপরাধ দমন শাখার যুগ্ম কমিশনার শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তী। যাদবপুর থানায় বৃহস্পতিবারও টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করেন কলকাতা পুলিশের ডিসি এসএসডি বিদিশা কলিতাও। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যুগ্ম কমিশনার জানান, চার পড়ুয়াকে আটক করা হয়নি। তবে তাঁরা ঘটনার দিন উপস্থিত ছিলেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে জোড়া মিছিল, পথে শুভেন্দু সহ এক ঝাঁক বিজেপি নেতা

    Jadavpur University: যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে জোড়া মিছিল, পথে শুভেন্দু সহ এক ঝাঁক বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডে (Jadavpur University) প্রতিবাদের সুর চড়াল বিজেপি (BJP)। ঘটনার পরে পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপির যুব মোর্চা। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার জোড়া প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পদ্ম শিবির। এদিন প্রথমে হয় এবিভিপির মিছিল। পরে মিছিল হয় বিজেপির যুব মোর্চার ব্যানারে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে গিং মুক্ত ও মাদক মুক্ত করার দাবিতে গোলপার্ক থেকে এইট বি পর্যন্ত মিছিল করে যুব মোর্চা। মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, ইন্দ্রনীল খাঁ, অগ্নিমিত্রা পাল, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সহ বিজেপির (Jadavpur University) প্রথম সারির প্রায় সব নেতা। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে বৈঠক থাকায় প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিতে পারেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    প্রতিবাদ মিছিলে ব্যাপক ভিড়

    যুব মোর্চা আয়োজিত এই প্রতিবাদ মিছিলে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর এইট বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) চার নম্বর গেট। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যাদবপুরের ক্যাম্পাস দখলের কোনও অভিপ্রায় বিজেপির নেই। আমরা রাস্তা দিয়ে মিছিল নিয়ে যাচ্ছি। ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢোকার কোনও ইচ্ছে নেই। আমরা রাষ্ট্রবাদের পক্ষে। মাওবাদ, নকশালবাদ ও দেশবিরোধী শক্তিকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছি। আমরা কোর্টের অনুমতি নিয়েই মিছিল করছি। দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনের।”

    মিছিলে বাধা পুলিশের

    এদিন প্রথমে মিছিল শুরু করার তোড়জোড় করে এবিভিপি। মিছিল শুরু হতেই তা আটকে দেয় পুলিশ। শুরু হয় পুলিশ এবং এবিভিপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তি। পরে মিছিলে অংশগ্রহণকারী এবিভিপি কর্মী-সমর্থকদের আটক করে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ভয়ে এসব করছে। কারণ ওরা বুঝতে পারছে এই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যর্থ। পুলিশমন্ত্রীর ব্যর্থতা সামনে এসে যাবে, তাই গণতান্ত্রিক শক্তি ও বাকস্বাধীনতা হরণ করার জন্য এটা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘নাম মমতা, কিন্তু অন্তরে এত পাপ?’’, তীব্র কটাক্ষ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share