Tag: Jagadhatri Puja 2023

Jagadhatri Puja 2023

  • Tarapith: তারাপীঠের মা তারাকেই পুজো করা হল জগদ্ধাত্রী রূপে, ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Tarapith: তারাপীঠের মা তারাকেই পুজো করা হল জগদ্ধাত্রী রূপে, ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠে (Tarapith) সব দেবীর মূর্তিকে পুজো করা হয় মা তারাকে সামনে রেখেই। ব্যতিক্রম হয়নি জগদ্ধাত্রী পুজোতেও। মঙ্গলবার হল জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী। আর তাই এই দিন মা তারাকে জগদ্ধাত্রী রূপে পুজো করা হয়। মন্দিরে পুজো দিতে এসেছেন প্রচুর ভক্ত। 

    সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর একসঙ্গে পুজো (Tarapith)

    চন্দননগরে মা জগদ্ধাত্রী, দেবী দুর্গা রূপের মতোই ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর তিথিতে পূজিত হন। আবার কৃষ্ণনগরে নবমীর দিনেই মা জগদ্ধাত্রীর একদিনে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়। ঠিক একই ভাবে তারাপীঠে (Tarapith) নবমীর দিন বিকেলে মা তারাকে জগদ্ধাত্রী রূপে সাজানো হয়েছে। মাকে একদিনেই সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর পুজো করা হবে। মা তারার জগদ্ধাত্রী রূপে সাজ দেখতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ তারাপীঠ মন্দিরে ভিড় জমান। মাকে নানান ব্যঞ্জনে ভোগ নিবেদন করাও হয়।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য

    তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘নবমীর দিন মা তারাকে জগদ্ধাত্রী রূপে পুজো করা হচ্ছে। এদিন সন্ধ্যায় মায়ের জন্য বিশেষ শীতলভোগ এবং অন্নভোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বলির পাঁঠার মাংস, মাছ, পোলাও, পাঁচ রকম সবজি, পোলাও, খিচুড়ি দিয়ে মায়ের ভোগ দেওয়া হবে। মায়ের বিশেষ আরতি করা হবে। জগদ্ধাত্রীপুজো উপলক্ষে মন্দিরে রকমারি আলোয় সাজানো হয়েছে। দূর দূরান্ত থেকে এসেছেন অনেক ভক্ত। মায়ের কাছে জগতের কল্যাণের প্রার্থনা জানায় ভক্তরা।”

    মায়ের সতীপীঠের কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “সতীপীঠের তারা মাকে একঅঙ্গে বহুরূপে সাধনা করা হয়। মা তারার মূর্তি ছাড়া এখানে আর কোনও চিন্ময়ীমূর্তি নির্মাণ করা হয় না। মা তারা সর্বত্র রূপে দেবী হিসাবে পূজিত হন। ডাকের সাজে মাকে জগদ্ধাত্রী রূপে পুজো করা হচ্ছে আজ। একই সঙ্গে মা তারাকে কুমারী রূপে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। চলবে যজ্ঞ এবং হোম। পুজোর দেওয়ার জন্য এবং মাকে দর্শন করার জন্য মন্দিরের তরফ থেকে ব্যবস্থা করা হয়েছে। থাকবে ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থাও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: একটি গ্রামেই ২৭টি জগদ্ধাত্রী পুজো! ভোররাত পর্যন্ত চলে বিসর্জন

    Jagadhatri Puja 2023: একটি গ্রামেই ২৭টি জগদ্ধাত্রী পুজো! ভোররাত পর্যন্ত চলে বিসর্জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্ধাত্রী পুজোর কথা শুনলেই আমাদের সবার মনে আসে কৃষ্ণনগর এবং চন্দননগরের নাম। কিন্তু জানেন কি, মুর্শিদাবাদ জেলার কাগ্রামে অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব এই জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagadhatri Puja 2023)? কাগ্রাম কান্দি মহকুমার সালার থানায় অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাচীন গ্রাম। এই গ্রামে বসবাস করেন ব্রাহ্মণ, শাক্ত এবং বৈষ্ণব পরিবার। শোনা যায়, গ্রাম্য দেবী কংকচণ্ডীর নাম অনুসারে এই গ্রামের নাম কাগ্রাম। এই গ্রামে দুর্গাপুজো এবং কালীপুজো হলেও শ্রেষ্ঠ উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। ২২ টি পাড়ায় এই পুজো হচ্ছে। গত বছর পুজোর সংখ্যা ছিল ২৬ টি। এবার একটি বেড়ে হয়েছে ২৭ টি। তার মধ্যে নটি পারিবারিক পুজো এবং ১৮টি সর্বজনীন। মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে শুরু হয় পুজো। পুজোর ভোগে থাকে বৈচিত্র। সপ্তমীতে ভাত, শাক ভাজা, মাছ, তরকারি, চাটনি। অষ্টমীতে খিচুড়ি, পোলাও, ভাজা, তরকারি। আর নবমীতে লুচি ও সুজি। আগে পশু বলি হলেও এখন চালকুমড়ো বলি হয় বলে জানান উদ্যোক্তারা।

    পারিবারিক থেকে সর্বজনীন (Jagadhatri Puja 2023)

    জানা যায়, এখানকার রায়পাড়ার জগদ্ধাত্রী পুজো প্রাচীন পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম। এটা পারিবারিক পুজো হলেও পরবর্তীতে কিছু ঘটনা ঘটায় তা সর্বজনীন হয়ে ওঠে। এই পুজোকে কেন্দ্র করে এক কাহিনী শোনা যায়। এখানকার পুজো শুরু করেন শম্ভুনাথ রায়। সেই পরিবারের এক সদস্য বলেন, রায়বাড়িতে আগে দুর্গাপুজো, কালীপুজোর সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়। কিন্তু এই পুজো শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর কোনও না কোনও দুর্ঘটনা ঘটত। সেই সময় পুজোর উদ্যোক্তারা নবদ্বীপের পণ্ডিত সমাজের কাছে গিয়ে এই ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, একই বাড়িতে তিনটে শক্তির পুজো করা উচিত নয়। যদি করতে হয়, তাহলে চাঁদা তুলে করতে হবে। সেই থেকে এই পুজো সর্বজনীন (Jagadhatri Puja 2023) হয়ে থাকে।

    ভোররাত পর্যন্ত বিসর্জন (Jagadhatri Puja 2023)

    এই পুজোর সংকল্প হয় মহিলাদের নামে। প্রহর ভাগ করে সকালেই ষষ্ঠী পুজো করা হয় এবং সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমী- এই চারটি তিথিতে ভাগ করে পুজো করা হয় বলে জানান উদ্যোক্তারা। আজ বুধবার গ্রামের সমস্ত প্রতিমা ভোররাত পর্যন্ত বিসর্জন চলবে বলে জানা যায়। এখানকার সমস্ত প্রতিমা সাবেকি। পুজোর প্রধান আকর্ষণ হল বিভিন্ন ধরনের বাজনা। পুজোমণ্ডপে ঢাকের বাদ্যি বাজলেও অনেকে ব্যান্ডের দল, সানাই সহ বহু ধরনের বাজনার আয়োজন করে। বেশ কিছু পুজো কমিটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে। এর সঙ্গে বাউল গানও থাকে বলে জানান পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা (Jagadhatri Puja 2023)। পুজোর দিন প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। সেই জন্য পুজো কমিটি দর্শনার্থীদের বিশ্রাম নেওয়ারও ব্যবস্থা করেন। কিছু পুজো কমিটি আহারেরও ব্যবস্থা রাখেন। এই পুজোকে কেন্দ্র করে গ্রামে বসেছে বিরাট মেলা। সেখানে নাগরদোলা থেকে আরম্ভ করে নানা ধরনের জিনিস এবং খাবারের দোকান বসেছে। এছাড়া গ্রামে পুলিশ ও একাধিক মেডিকেল ক্যাম্প বসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: মা জগদ্ধাত্রীর পুজোয় ছেলেরাই শাড়ি আর কপালে টিপ পরে যান জল ভরতে!

    Krishnanagar: মা জগদ্ধাত্রীর পুজোয় ছেলেরাই শাড়ি আর কপালে টিপ পরে যান জল ভরতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাড়ার ছেলেরাই শাড়ি আর কপালে টিপ পরে ঢাক-ঢোল সহকারে বাজনা বাজিয়ে যান জল ভরতে। মালোপাড়া বারোয়ারির জগদ্ধাত্রী পুজোয় এই বিশেষ নিয়ম চলে আসছে বহু যুগ ধরে। পুজোর আগের দিন মাঝ রাতে মেয়েরাই পাড়ার ছেলেদের পরিয়ে দেন শাড়ি। এরপর ঢাকের বাজনা সহযোগে সেই শাড়ি পরিহিত ছেলেরাই মা জলেশ্বরীর পুজোর জন্য যান জল ভরতে। জল ভরার সময় রাস্তায় তিন দেবতার মন্দিরে এসে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়ে যান এবং সেই আমন্ত্রণের মধ্যে দিয়েই করা হয় জগদ্ধাত্রী (মা জলেশ্বরী) পুজোর সূচনা। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে যাবতীয় নিয়ম মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে হয়ে আসছে মা জলেশ্বরীর পুজো (Krishnanagar)।

    বিশেষ আকর্ষণ ধুনো পোড়ানো (Krishnanagar)

    রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজবাড়ির পুজোর পর কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) সব থেকে পুরনো পুজো হল এই মালোপাড়া বারোয়ারির মা জলেশ্বরীর পুজো। এই পুজোর বিশেষত্ব অনেক। রাজার থেকে অনুদান পেয়ে শুরু হয় এই পুজো এবং এখনও অনুদান আসে। মা জলেশ্বরী মালোপাড়ার দেবী। এখানে একটা বিশেষ আকর্ষণ হল, ধুনো পোড়ানো। একজন মানুষের মাথায় ও দুই হাতে ধুনো পোড়ানো হয়। লেলিহান শিখা ছুঁয়ে যায় মন্দিরের ছাদ। মালোপাড়ার মা জলেশ্বরীর বিসর্জন কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যশালী সাঙ-এর দ্বারা হয় না। অর্থাৎ, কাঁধে হয় না, গাড়িতে হয় এবং একমাত্র ওনার সামনে এখনও জ্বলে কার্বাইট গ্যাসের বাতি।

    ভক্তদের মনে পাকাপাকি জায়গা (Krishnanagar)

    উল্লেখ্য, বঙ্গের তখতে তখন নবাব আলিবর্দি খাঁ। তাঁর রাজত্বকালে নদীয়ার রাজার কাছ থেকে ১২ লক্ষ টাকা নজরানা দাবি করা হয়। কৃষ্ণচন্দ্র রায় তা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয় মুর্শিদাবাদে। ছাড়া পেয়ে রাজা যখন নদীপথে কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) ফিরছেন, শুনতে পেলেন মা দুর্গার বিসর্জনের বাজনা। সেই বছর দুর্গাপুজো করতে না পারায় অত্যন্ত দুঃখ পান তিনি এবং তার পরেই দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু করেন জগদ্ধাত্রী পুজো। এই গল্প বহু প্রচলিত। কিন্তু তার মাঝে পুরনো পুজো হিসেবে অনেকের মনেই পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছে মা জলেশ্বরীর পুজো। কারণ, রাজবাড়ির প্রতিমা বিসর্জন করে আসছেন এই মালোপাড়ার লোকজন। তাই মহারাজা বিশেষ অনুদান দিয়ে এখানে পুজোটি চালু করেছিলেন। অনেকে আবার বলেন, মহারাজ নয়, আসলে এটি রানির পুজো। ফলে রাজ পরিবারের সঙ্গে এই পুজোর একটা যোগসূত্র রয়েইছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: চন্দননগরের ‘আদিমা’র পুজোয় সাড়ে তিনশো কেজি চালের পোলাওভোগ

    Jagadhatri Puja 2023: চন্দননগরের ‘আদিমা’র পুজোয় সাড়ে তিনশো কেজি চালের পোলাওভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০-৮০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারে সাজানো হয় মাকে। ভক্তি, শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস-এই তিনের মেলবন্ধনে মাকে জড়িয়ে রাখেন ভক্তরা। মা যে সবার মনস্কামনা পূরণ করেন! চন্দননগর নিচুপটি চাউলপট্টির জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) মা। যা ‘আদিমা’ নামে সারা বিশ্বে সমাদৃত।

    আদিমা-র শুরুর ইতিহাস (Jagaddhatri Puja 2023)

    চন্দননগরের প্রথম জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) পুজো শুরু হয়েছিল এই চাউলপট্টিকে ঘিরে। কথিত আছে, ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী প্রথম এই জগদ্ধাত্রী পুজো চালু করেছিলেন। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগের কথা। তৎকালীন ফরাসি অধ্যুষিত চন্দননগরে ফরাসি সরকারের দেওয়ান ছিলেন তিনি। জনশ্রুতি হল, কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো দেখে অনুপ্রাণিত হন তিনি। এরপর ফরাসি প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে এই চাউলপট্টি এলাকায় তিনি জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন করেন। এই আদিমা হচ্ছে প্রথম বারোয়ারি পুজো। এদিন সকাল থেকেই এই আদিমার মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে।

    পুজো কমিটির কর্মকর্তারা কী বললেন?

    চাউলপট্টি আদি জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) মা বারোয়ারির সাধারণ সম্পাদক চন্দন ঘোষ বলেন, এই পুজো খুব নিষ্ঠাভাবে করা হয়। এখানে মাকে দেবী দুর্গা হিসেবে দেখা হয়। তাই দুর্গাপুজোর মতোই চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে, অন্যান্য প্রতিমার সঙ্গে আদিমার প্রতিমার বেশ কিছু পার্থক্য আছে। যেমন অন্যান্য জগদ্ধাত্রী প্রতিমার ডানদিকে হাতি থাকলেও এখানে বাঁদিকে হাতি থাকে। এছাড়াও দেবীর বাহন সিংহের রং এখানে সাদা। অন্যান্য জায়গায় হলুদ থাকে। পুজোর দিনগুলোতে বলি হয়। ছাগবলি। এছাড়া আমাদের বিশ্বাস, প্রতি পুজোতে মা কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটান। ভক্তদের মনোবাসনা পূর্ণ করেন।

    অষ্টমীর দিন ৩০০ কেজি চালের খিচুড়ি

    এখানে ধুনোপোড়া, দণ্ডিকাটা, ভোগ বিতরণ সবই হয়। ষষ্ঠীর দিন ২০০ কেজি চালের পায়েস ভোগ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয় (Jagadhatri Puja 2023)। এছাড়া অষ্টমীর দিন ৩০০ কেজি চালের খিচুড়ি এবং নবমীতে সাড়ে তিনশো কেজি চালের পোলাও ভোগ হয়, যা বিনামূল্যে সবাইকে বিতরণ করা হয়। এছাড়া মাকে ভক্তরা যেসব শাড়ি উপহার দেন, তা গরিবদের বিলিয়ে দেওয়া হয়। মায়ের বেনারসিগুলি দুঃস্থ কোনও মেয়ের বিয়েতে দেওয়া হয়। এছাড়া দশমীতে পাওয়া প্রায় ১ কুইন্টাল ফল চন্দননগর হাসপাতালে রোগীদের দান করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর এক ঝলকে জেনে নিন খুঁটিনাটি

    Jagadhatri Puja 2023: চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর এক ঝলকে জেনে নিন খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রস্তুতি তুঙ্গে। মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টিতে দমেনি পুজো নির্মাতারা। আগামীকাল ১৭ নভেম্বর চতুর্থীর দিন বিকেলেই  চন্দননগরের  উর্দিবাজার, বোরো, দৈবক পাড়া সহ ৬ টি পুজোর উদ্বোধন হতে চলেছে। বাকী পুজোগুলি পরে উদ্বোধন হবে। আসলে চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja 2023) ঐতিহ্য হল সুবিশাল প্রতিমা(সবই প্রায় উচ্চতায় ২০ ফুটের ওপরে), নয়নাভিরাম আলোর জাদু এবং অবশ্যই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এই তিন জাদুকাঠির জেরে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর নাম জগৎজোড়া। এই কদিনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় করবেন জগতের ধাত্রীকে দর্শন করতে। চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর শুরু থেকে শেষ সবটাই জাঁকজমকপূর্ণ। বৃহস্পতিবার চন্দননগরে নিজেদের  কার্যালয়ে প্রেস মিট করে এবিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন  চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির কর্মকর্তারা।

    কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক কী বললেন? (Jagadhatri Puja 2023)

    কমিটির পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, এবারে শাস্ত্র মতে ১৯ নভেম্বর জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja 2023) ষষ্ঠী ও সপ্তমী একইদিনে পড়েছে। ২০ নভেম্বর অষ্টমী। তাই দশমীর দিন পর্যন্ত প্রতিমা থাকবে মণ্ডপে। প্রতিমা নিরঞ্জনের ঐতিহাসিক শোভাযাত্রা হবে আগামী ২৩ তারিখে। ওই দিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে পরদিন ভোরবেলা অবধি শোভাযাত্রা চলবে।  চন্দননগর কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে চন্দননগর, ভদ্রেশ্বর জুড়ে মোট ১৭৭ টি পুজো হচ্ছে এবারে। এর মধ্যে ৬ টি পুজো বারোয়ারির জুবিলী আছে। এদের মধ্যে কারও ২৫, কারও ৫০, কারও ৬০, আবার কেউ ৭৫ বছরে পদার্পণ করছে। এবারে পুজোর পরিবেশ হবে পরিবেশ বান্ধব। ঠাকুরের ভোগ দেওয়া হবে মাটির ভাঁড়ে। একান্ত প্রয়োজন না হলে প্লাস্টিক ব্যবহার করব না আমরা। প্রতিবছরের ঐতিহ্য মেনে ডিজে বা শব্দবাজির প্রবেশ নিষেধ চন্দননগর এলাকাতে।

    বিসর্জনের শোভাযাত্রা কত পুজো কমিটি অংশগ্রহণ করতে চলেছে?

    বিশেষ করে বিসর্জনের যে শোভাযাত্রা (Jagadhatri Puja 2023)  বের হয় তা দেখতে রাস্তার দুধারে কাতারে কাতারে লোক আসে দূর দূরান্ত থেকে। তবে, সব পুজো বারোয়ারি শোভাযাত্রায় সুযোগ পায় না। গতবারের মতো এবারও ৬২ টি পুজো কমিটি শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহন করবে। প্রতিটি কমিটির সর্বাধিক ৪ টি করে লরি থাকবে। এবার শোভাযাত্রায় মোট ২৩০ টি লরি থাকছে। এবারে কমিটি থেকে নতুন নিয়ম করা হয়েছে , যে লরিগুলিতে প্রতিমা থাকবে অর্থাৎ ৬২ টি লরিতেই  অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র বহন করা বাধ্যতামূলক। এদিন সেন্ট্রাল কমিটি থেকে আরও জানানো হয়, চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বর মিলিয়ে মোট ১৭ টি ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা থাকবে। অগ্নিনির্বাপক দফতরের পক্ষ থেকেও পুজোর কটা দিন গোটা চারেক বড় ভ্যান চন্দননগরের বিভিন্ন জায়গায় রাখা থাকবে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। পাশাপাশি মোবাইল (বাইক বাহিনী) টিমও থাকছে দমকলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন বাংলায় কীভাবে? জানুন ইতিহাস

    Jagadhatri Puja 2023: জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন বাংলায় কীভাবে? জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজো, ভাইফোঁটার পর এবার জগদ্ধাত্রী পুজো। জগদ্ধাত্রী পুজোকে (Jagadhatri Puja 2023) ঘিরে উৎসবমুখর বাঙালির নজর এবং গন্তব্য থাকে দুটি জায়গায়–একটি কৃষ্ণনগর এবং অপরটি চন্দননগর। রাজনৈতিক দলগুলির সমাবেশ ‘ব্রিগেড চলো’, ‘কলকাতা চলো’ ইত্যাদি নামে পরিচিত। জগদ্ধাত্রী পুজোর দিন কোনও রাজনৈতিক দল ডাক না দিলেও ‘কৃষ্ণনগর চলো’ এবং ‘চন্দননগর চলো’ ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয় রাজ্যের বড় অংশের মানুষ। সুসজ্জিত মণ্ডপ, দুর্দান্ত আলোকসজ্জা, মাতা জগদ্ধাত্রীর প্রতিমা দেখতে লক্ষ মানুষের সমাগম হয় এই দুই শহরে। জমজমাট জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja 2023) জন্য ভারতীয় রেল বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করে। রাত বাড়লে মানুষের ঢল নামতে দেখা যায়। কিন্তু জানেন কেন এই দুই শহরের জগদ্ধাত্রী পুজো এত জনপ্রিয়? এর নেপথ্যে ইতিহাস কী? কারা শুরু করেছিল এই পুজো?

    জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন কীভাবে হল?

    উত্তর জানতে আমাদের যেতে হবে নবাব আলিবর্দী খাঁ-এর আমলে। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে ১২ লক্ষ টাকা নজরানা দাবি করেন নবাব‌। কৃষ্ণচন্দ্র রায় দিতে অপারগ হলে, তাঁকে বন্দি করে নবাবের বাহিনী। মুর্শিদাবাদ অথবা বিহারের মুঙ্গেরে রাজাকে রাখা হয় বলে জানা যায়। মুক্তির পর নদীপথে নিজের রাজ্যে ফিরছিলেন রাজা। এমন সময় বিজয়া দশমীর প্রতিমা নিরঞ্জনের বাজনা শুনে তাঁর অন্তরে আকুলতা তৈরি হয়। দুর্গাপুজোয় অংশ না নিতে পারার আকুলতা। প্রাসাদে ফিরে রাজা মনের দুঃখে ঘুমোতে যান। কথিত আছে, ওই রাতে মাতা দুর্গা রাজাকে স্বপ্ন দেন, শুক্লা নবমী তিথিতে জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) রূপে তাঁকে পুজো করতে হবে। তখন থেকেই নাকি কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা।

    অন্য একটি মতে, ১৭৬৬ সালে কৃষ্ণনগরের রাজবাড়িতে জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা হয়। আবার অনেকে কৃষ্ণচন্দ্রের প্রপৌত্র গিরিশচন্দ্রকে কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রবর্তক মনে করেন। কৃষ্ণনগরের প্রাচীন জগদ্ধাত্রী পুজোগুলোর মধ্যে চাষা পাড়াতে বুড়িমার পুজো অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। ৭৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার দ্বারা মাতা জগদ্ধাত্রীকে (Jagadhatri Puja 2023) সাজানো হয় এখানে। এই দেবী অত্যন্ত জাগ্রত বলে এলাকার মানুষ মনে করেন এবং দেবী তাঁর ভক্তদের সমস্ত মনস্কামনাও পূর্ণ করেন বলেই বিশ্বাস। এই পুজো শুরু হয় ১৭৯০ সালে। জগদ্ধাত্রী পুজোর দিন কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির দরজা খুলে রাখার রীতি আজও চোখে পড়ে। তৎকালীন কৃষ্ণনগরের রানিমা রাজবাড়িতে বসেই প্রতিমা দর্শন করতেন। নিরঞ্জনের পূর্বে প্রতিমা রাজবাড়ির সামনে থেকে একবার ঘুরিয়ে আনতে হয়, এটাই এখানকার রীতি।

    চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর ইতিহাস

    অন্যদিকে ফরাসি ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল চন্দননগর। এখানকার জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) পুজোর সূচনা করেন ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের অত্যন্ত  ঘনিষ্ঠ ছিলেন ইন্দ্রনারায়ণ। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন চন্দননগরের ফরাসি সরকারের দেওয়ান। কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির পুজো দেখে মুগ্ধ হয়ে ইন্দ্রনারায়ণ চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন। তাঁর প্রচলিত পুজো চন্দননগরে আদি পুজো নামে বিখ্যাত। জনশ্রুতি আছে, আদি প্রতিমাকে জলে নিরঞ্জন করা মাত্রই শুশুক বা সাপের দেখা পাওয়া যায়। স্থানীয় বিশ্বাসে এই দেবী অত্যন্ত জাগ্রত এবং ভক্তদের সকল মনস্কামনা পূর্ণ করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: মা জগদ্ধাত্রী ত্রিনয়না, চতুর্ভুজা…, জানুন দেবীর পৌরাণিক আখ্যান

    Jagadhatri Puja 2023: মা জগদ্ধাত্রী ত্রিনয়না, চতুর্ভুজা…, জানুন দেবীর পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরসুমে দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজোর পরেই আসে জগদ্ধাত্রী পুজো। মা জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) ত্রিনয়না, চতুর্ভুজা ও সিংহের উপর আসীন। তাঁর হাতে শঙ্খ, চক্র, ধনুক ও বাণ; গলায় নাগযজ্ঞোপবীত। দেবীর গাত্রবর্ণ উদীয়মান সূর্যের মতো। রাজসিক দেবী দুর্গা, তামসিক দেবী কালীর পরে সত্ত্বগুণের দেবী জগদ্ধাত্রীর পুজো হয়। দেবী জগদ্ধাত্রীর পুজো অনুষ্ঠিত হয় দুর্গাপুজোর ঠিক একমাস পর, কার্তিক মাসের শুক্লা নবমী তিথিতে।

    ধর্মশাস্ত্রগুলি কী বলছে?

    কাত্যায়নীতন্ত্র অনুসারে কার্তিকী শুক্লা নবমীতে দেবী জগদ্ধাত্রীর আবির্ভূত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। আবার দুর্গাকল্প অনুযায়ী,

    কার্তিকে শুক্লপক্ষেঽহনি ভৌমবারে জগৎপ্রসূঃ। 
    সর্বদেবহিতার্থায় দুর্বৃত্তশমনায় চ।।
    আবিরাসীৎ জগচ্ছান্ত্যৈ যুগাদৌ পরমেশ্বরী।।

    যার বাংলা অনুবাদ হল, দেবতাদের হিত, দুর্বত্তের দমন এবং জগতের কল্যাণের জন্য যুগের প্রারম্ভে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের মঙ্গলবারে পরমেশ্বরী অর্থাৎ মাতা জগদ্ধাত্রী আবির্ভূতা হলেন। চলতি বছরের জগদ্ধাত্রী পুজো অবশ্য অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হচ্ছে।

    জগদ্ধাত্রী পুজোর পৌরাণিক আখ্যান

    সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী–এই তিনদিন মাতা জগদ্ধাত্রীর (Jagadhatri Puja 2023) আরাধনা করে থাকেন ভক্তরা। তবে অনেকে নবমীর দিন তিনবার পুজো করে সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পুজো সম্পন্ন করেন। কোথাও কোথাও প্রথম বা দ্বিতীয় পুজোর পর কুমারী পুজোরও আয়োজন করা হয়। পুষ্পাঞ্জলি ও প্রণাম মন্ত্রসহ জগদ্ধাত্রী পুজোর অনেক মন্ত্রও দুর্গাপুজোর অনুরূপ। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, একবার দেবতা ও অসুরদের সংগ্রামে দেবগণ অসুরদের পরাস্ত করলেন। কিন্তু তাঁরা বিস্মৃত হলেন যে নিজ শক্তিতে নয়, বরং ব্রহ্মার বলে বলীয়ান হয়েই তাঁদের এই বিজয়। ফলে তাঁরা হয়ে উঠলেন অহংকার-প্রমত্ত। তখন দেবী লক্ষ্মী এক কুমারী বালিকার রূপ ধারণ করে তাঁদের সম্মুখে আবির্ভূত হলেন। তিনি একটি তৃণখণ্ড দেবতাদের সামনে রাখলেন। অগ্নি ও বায়ু তাদের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করেও সেই তৃণখণ্ডটিকে দগ্ধ করতে বা উড়িয়ে দিতে পারলেন না। তখন দেবতারা ইন্দ্রকে বালিকার পরিচয় জানবার জন্য পাঠালেন। ইন্দ্র আত্মঅহংকার নিয়ে দেবীর সামনে আসেননি, এসেছিলেন জিজ্ঞাসু মন নিয়ে। তাই ব্রহ্মরূপী দেবী মহালক্ষ্মী তাঁর সম্মুখ হতে তিরোহিত হলেন এবং নিমেষে তাঁর সম্মুখের আকাশে দিব্য স্ত্রীমূর্তিতে আবির্ভূত হলেন হৈমবতী রমা। রমা, ব্রহ্মের স্বরূপ ব্যাখ্যা করে ইন্দ্রের জ্ঞানপিপাসা নিবৃত্ত করলেন। এই দেবী পুরাণে মাতা জগদ্ধাত্রী নামে প্রসিদ্ধ। জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) অর্থাৎ জগতকে ধারণ যিনি করেন। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, মাতা জগদ্ধাত্রী সমগ্র জগতে কল্যাণকারী। তাঁর আরাধনায় ভক্তের জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি বিরাজ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share