Tag: Jagdeep dhankar

Jagdeep dhankar

  • Delhi IAS Coaching Centre: “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে”, রাজ্যসভায় তোপ জগদীপ ধনখড়ের

    Delhi IAS Coaching Centre: “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে”, রাজ্যসভায় তোপ জগদীপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আইএএস কোচিং সেন্টারের (Delhi IAS Coaching Centre) বেসমেন্টে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চর্চা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। রাজেন্দ্রনগরের এই সেন্টারে  জমা জলে ডুবে তিন পড়ুয়ার শনিবার মৃত্যু হয়েছিল। এই মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar) ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “কোচিং পুরোপুরি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।” আজ সংসদের রাজ্যসভা এবং লোকসভা উভয়েই কক্ষেই এই বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আর তাতেই শাসক-বিরোধীদের বাক্যবাণে দিল্লির পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে শোরগোল পড়ে যায়।

    উপরাষ্ট্রপতি কী বলেন (Delhi IAS Coaching Centre)?

    রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar) কোচিং সেন্টারগুলির (Delhi IAS Coaching Centre) বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংসদের উচ্চকক্ষে স্বল্প সময়ের জন্য আলোচনার অনুমতি দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম খুললেই প্রথম, দ্বিতীয় পাতাগুলিতে কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞাপনে ভরা থাকে। আমি মনে করি স্বল্প সময়ের জন্য পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সকল সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত।”

    লোকসভায় আলোচনা

    একই ভাবে সংসদের লোকসভায় ‘জিরো আওয়ার’-এ পড়ুয়া মৃত্যুর (Delhi IAS Coaching Centre) বিষয়টি উত্থাপিত হয়। বিজেপি সাংসদ বাঁশুরী স্বরাজ এই ছাত্র মৃত্যুর জন্য দিল্লির আপ সরকারকে অপরাধী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে আপ সরকারকে চূড়ান্ত দায়িত্ব জ্ঞানহীন বলে অবহেলার দায় চাপিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর দিল্লির আরএমএল হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিত্সা কেমন চলছে, তার খোঁজ খবর নেন। একই সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথাও জানিয়েছেন। আবার সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং বিহারের পূর্ণিয়ার সাংসদ পাপ্পু যাদবও বিষয়টির তদন্তের দাবি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ কোচিং সেন্টারে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ্যে, গ্রেফতারি বেড়ে ৭

    বুলডোজার অ্যাকশন করালবাগে

    দিল্লির মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (এমসিডি) কমিশনার অশ্বনি কুমার, পড়ুয়াদের মৃত্যু (Delhi IAS Coaching Centre) প্রসঙ্গে চাপে পড়ে বলেছেন, “একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একজন সহকারী এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বলে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।” একই ভাবে সোমবার সকালেই পুরনিগমের পক্ষ থেকে করালবাগে বুলডোজার অ্যাকশন চালাতে দেখা গিয়েছে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ধনখড়ের করা নিয়োগ বহাল থাকল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

    Calcutta High Court: ধনখড়ের করা নিয়োগ বহাল থাকল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল থাকাকালীন জগদীপ ধনখড়ের একটি নিয়োগ খারিজ করেছিল হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গল বেঞ্চ। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশকে খারিজ করে ধনখড়ের নিয়োগকে পুনরায় সিলমোহর দিল। বহাল থাকল পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা দেশের বর্তমান উপরাষ্ট্রপতির করা নিয়োগ।

    ইজেডসিসি-তে ধনখড় নিয়োগ করেন আশিস গিরিকে

    ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারের (ইজেডসিসি) ডিরেক্টর পদে আশিস গিরি নামে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনখড়। নির্ধারিত নিয়োগ প্রক্রিয়া মেনেই ওই পদের জন্য তিন জনকে বাছাই করেছিল রাজভবন। সেই তিন জনের নাম কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে পাঠান জগদীপ ধনখড়। সেখান থেকে আশিস গিরি নিয়োগ পান। তৎকালীন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জল গড়ায় হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলা হয় বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। একক বেঞ্চ সেই নিয়োগ খারিজ করে দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আজ শুরু উচ্চমাধ্যমিক, জেনে নিন কী কী নিয়ম আছে?

    চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে চারটি আবেদন জমা পড়েছিল

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে চারটি আবেদন জমা পড়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও আবেদন করা হয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court)। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ভিএম ভেলুমানির ডিভিশন বেঞ্চ, সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে। এদিন আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩(২) ধারা অনুযায়ী, রাজ্যপালের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না। সেই নিয়োগ খারিজও করা যায় না। প্রসঙ্গত, ইজেডসিসি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই সংস্থার কাজ রয়েছে অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মণিপুর, ত্রিপুরা, সিকিম, ওড়িশা এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদাধিকার বলে এই সংস্থার চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

     

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    Jagdeep Dhankhar: কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল এবং এনডিএ মনোনীত প্রার্থী জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সদ্যনির্বাচিত উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনগড়ের জয়ের পরেই শুভেচ্ছা বার্তা জানান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্ত্রীরা। তিনি ভারতের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) নির্বাচিত হলেন। ধনখড় পেয়েছেন ৫২৮টি ভোট যা মোট ভোটের ৭০ শতাংশ। শনিবার তিনি ইউপিএ প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। এদিন বিকেলে ফল ঘোষণার পর থেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নায়ডু (M Venkaiah Naidu), কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi), দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (rahul Gandhi)-সহ বহু নেতানেত্রী।

    রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) টুইট করে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেন ও তাঁকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। মোদি টুইট করে বলেছেন, “আমি সেই সমস্ত সাংসদদের ধন্যবাদ জানাই যাঁরা শ্রী জগদীপ ধনখড়কে ভোট দিয়েছেন ৷  যখন ভারত আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করছে, তখন আমরা একজন কৃষক পুত্রকে উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে পেয়ে গর্বিত।“

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা টুইট করে লিখেছেন যে, একজন কৃষক পুত্রকে উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়ে দেশ গর্বিত।

    [tw]


    [/tw]

    জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করেন, “আমি নিশ্চিত যে উপরাষ্ট্রপতি এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসাবে ধনখড়জি সংবিধানের একজন আদর্শ অভিভাবক হিসেবে প্রমাণিত হবেন। আমি তাঁকে এই বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই।“  

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীও এদিন জগদীপ ধনখড়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাহুল ধনকড়কে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আলভাকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলের হয়ে লড়াই করার জন্য।

    [tw]


    [/tw]

    দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    আবার বিরোধীদের উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মার্গারেট আলভা (Margarate Alva) ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং যারা তাঁকে নির্বাচনে ভোট  দিয়েছেন তাঁদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    এছাড়াও এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন টুইটে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

     

  • Vice President Election 2022:  উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    Vice President Election 2022: উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী নির্বাচনে বিজেপির মেজর ট্যুইস্ট। উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শনিবার বিজেপির সংসদীয় কমিটির বৈঠকের শেষে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একথা ঘোষণা করে বলেন, “ধনখড় একজন কিষাণ পুত্র এবং জনগণের রাজ্যপাল।”

    বিজেপির কেন্দ্রীয় দফতরে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, নীতিন গডকরি, রাজনাথ সিং ও বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ। 

    বাংলার মানুষ জগদীপ ধনখড়কে একজন সতর্ক রাজ্যপাল হিসেবে চিনলেও, দীর্ঘ তিরিশ বছরের রাজনৈতিক জীবন জগদীপ ধনখড়ের। প্রথমবার ১৯৮৯ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুনু থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন এই কিষান পুত্র। ঝুনঝুনু সংসদীয় কেন্দ্রে মূলত জাঠরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।  এই আসন থেকে চিরকালই জাঠ কৃষক পরিবারের প্রার্থীরাই জিতে এসেছেন সংসদে। 

    গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠকের পর আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়ে গেছিল কানাঘুষো রাজ্যে। তাহলে কি রাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ জানাতেই দিল্লি গেছেন রাজ্যপাল? কিন্তু বিজেপির পক্ষ থেকে ধনখড়কে উপরাষ্ট্রপতি বেছে নেওয়ার চাল বুঝতে পারেনি কেউই। 

    বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে নিয়মিত রাজ্যের মানুষের বার্তা উঠে এসেছে  জগদীপ ধনখড়ের ট্যুইট বার্তায় বক্তব্যে। বিতর্কিত রাজ্যপাল হিসেবে যতবার রাজ্যের শাসকদল জগদীপ ধনখড়কে ঘিরতে চেয়েছেন, ততবারই তাঁর আইনি বক্তব্যের সামনে শাসকদলকে থামতে হয়েছে। বোধহয় দেশের সবচেয়ে সক্রিয় রাজ্যপাল হিসেবে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামেই থাকতেন জগদীপ ধনখড়।

    কিন্তু কেন জগদীপ ধনখড়কে বেছে নিল বিজেপি? 

    এই প্রশ্নের উত্তর প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। দুটি বিশেষণ ব্যবহার করেছেন তিনি। ‘কিষাণ পুত্র’ ও ‘জনগণের রাজ্যপাল’। প্রশ্নের দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে আরও গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ। দীর্ঘদিন বাদে একজন জাঠ নেতাকে উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখবে দেশ। রাজধানীতে কিষাণ আন্দোলনে ক্ষুব্ধ কৃষক সমাজের ক্ষতে উপশম দিতেই কি বেছে নেওয়া হল ‘কিষাণ পুত্র’ জগদীপ ধনখড়কে? দ্বিতীয় যে প্রসঙ্গ সামনে আসছে তা হল দিল্লিতে কৃষক বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন জাঠেরা। সেই জাঠ পরিবারের একজনকে উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য এনডিএ প্রতিনিধি বেছে নিয়ে দ্বিতীয় মাস্টার স্ট্রোক বিজেপির। 

    কেন এই মাস্টার স্ট্রোক?

    দেশের জাঠ অধ্যুষিত এলাকায় আগামী দিনে নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে বিজেপি আর এনডিএ-কে। ২০২২ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে চার বড় রাজ্য,হরিয়ানা (২০২৪), রাজস্থান (২০২৩), গুজরাট (২০২২), মধ্যপ্রদেশে (২০২৩) বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে জাঠ প্রতিনিধি বেছে নিয়ে বিজেপির বার্তা, পাশে থাকার। ইতিমধ্যেই কৃষকের মন পেতে একাধিক ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার তাঁদের প্রতিনিধিকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে বেছে নিয়ে আরেক মাস্টার স্ট্রোক দিলেন মোদি-শাহ জুটি। উপরাষ্ট্রপতি হলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করতে পারবেন দক্ষ আইনজীবী জগদীপ ধনখড়।

  • Jagdeep Dhankar: সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?  

    Jagdeep Dhankar: সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) পদে প্রার্থী হয়েছেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar)। প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার দিন কয়েক আগেই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) তাঁর নামে চেম্বার বরাদ্দ হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যেহেতু তিনি উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন এবং জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী, তাই সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সেই চেম্বার ফিরিয়ে দিলেন ধনখড়। জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর নামে বরাদ্দ হওয়া চেম্বারটি যেন অন্য কোনও আইনজীবীকে দিয়ে দেওয়া হয়, যাঁর চেম্বারের আশু প্রয়োজন।

    এক সময় সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন জগদীপ ধনখড়। পরে বাংলার রাজ্যপাল হয়ে আসেন তিনি। সেই সময় তিনি আর সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করতে পারেননি। তবে রাজ্যপাল হয়ে এ রাজ্যে আসারও বছর দুয়েক আগে নিজস্ব একটি চেম্বারের জন্য আবেদন করেছিলেন ধনখড়। সুপ্রিম কোর্টে এই চেম্বার পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় আইনজীবীদের। এ বছর ৪৬৮ জনকে চেম্বার দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন ধনখড়ও। শেষমেশ আবেদন করার বছর পাঁচেক পরে এই সেদিন চেম্বার বরাদ্দ হয় ধনখড়ের নামে। ডি ব্লকে নিউ ল’ ইয়ার্স চেম্বারের একটি ঘর বরাদ্দ হয় তাঁর নামে।

    আরও পড়ুন : প্রতীক্ষার অবসান, শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে চেম্বার পেলেন ধনখড়

    এদিকে, ধনখড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে এনডিএ। বিজেপি বিরোধী জোটের প্রার্থী কংগ্রেসের মার্গারেট আলভা। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় বিজেপির যা শক্তি, তাতে ৬ আগস্ট ধনখড়ের জয় একপ্রকার নিশ্চিত। নিয়ম অনুযায়ী, উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হলে আদালতে প্র্যাকটিস করা যাবে না। তাই উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী হলে পাঁচ বছরের জন্য তিনি আর আইনজীবী হিসেবে লড়তে পারবেন না। তাই আপাতত পাঁচ বছর তাঁর চেম্বারও প্রয়োজন হবে না। সেই কারণেই চেম্বারটি সারেন্ডার করলেন ধনখড়।

    আরও পড়ুন : “বাংলায় আইনের শাসন নেই, শাসকের আইন চলছে”, রাজস্থানে ধনখড়

    সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিকাশ সিং বলেন, ধনখড়জি স্বেচ্ছায় তাঁর চেম্বারটি ছেড়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, তাঁর জন্য বরাদ্দ চেম্বারটি যেন অন্য কোনও আইনজীবীকে দিয়ে দেওয়া হয়, যাঁর এখনই চেম্বার প্রয়োজন। বিকাশ বলেন, ধনখড় তাঁর জন্য বরাদ্দ চেম্বারটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রাখতেই পারতেন, কিন্তু তিনি সেটি ছেড়ে দিয়েছেন স্বেচ্ছায়।

     

  • Howrah Violence: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    Howrah Violence: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নূপুর শর্মা (Nupur Sharma) বিতর্কে অগ্নিগর্ভ হাওড়া (Howrah)। সেনা নামিয়ে মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার আবেদন জানিয়ে রাজ্যপালকে মেল করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। শুভেন্দুর সেই চিঠি ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সহ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)।

    হজরত (Prophet) মহম্মদকে নিয়ে দিনকয়েক আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা। ঘটনার পরে পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে দল। কেড়ে নেওয়া হয় প্রাথমিক সদস্যপদও। তার পরেও শান্ত হয়নি বাংলার হাওড়া (Howrah)। জেলার উলুবেড়িয়া, ধুলোগড়, ডোমজুড়, শলপ সহ বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের গাড়ি, কিয়স্কে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। পাঁচলায় বিজেপির পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। হাওড়ার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। শলপে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। রেল লাইনে অবরোধের জেরে হাওড়া দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল।

    আরও পড়ুন : অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির প্রতিবাদে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে উলুবেড়িয়ার নিমদিঘি থেকে পাঁচলা পর্যন্ত কয়েকশো গাড়ি ভাঙা হচ্ছে, পোড়ানো হচ্ছে। তাতে নিরপরাধ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ আছেন। গোটা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে সকাল থেকে রাজ্যপালকে একাধিক ভিডিও, ট্যুইট করেছি। মেলেও সেনা নামিয়ে মানুষের জীবন সম্পত্তি রক্ষার আবেদন জানিয়েছি রাজ্যপালকে।

    [tw]


    [/tw]

    তাঁকে লেখা চিঠির কপি ট্যুইট করেছেন রাজ্যপাল। সেই সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে (Chief Secretary) তিনি লেখেন, পূর্ব নির্ধারিত আলোচনার সময় সশস্ত্র বাহিনী বা আধা সেনা মোতায়েনের বিষয়ে যেন রাজ্য সরকারের অবস্থান তাঁর কাছে স্পষ্ট করা হয়। রাজ্য প্রশাসনের বক্তব্য, পুলিশ ওই এলাকায় আগে থেকেই সক্রিয়। প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা (Internet cut off)।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    এদিকে, রাজ্যের অশান্তির এই খণ্ডচিত্রের ছবি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। রাজ্যের পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

LinkedIn
Share