Tag: Jal Jeevan Mission

Jal Jeevan Mission

  • Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের ২০৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে প্রায় ৮০টি আসন। বিজেপির (BJP) এই বিপুল জয় এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বহু গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক প্রকল্পের (Central Welfare Schemes) অর্থ বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের পথ খুলে দিতে পারে। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে। জানা গিয়েছে, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর অন্তত সাতটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat)

    এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY)। এবার পশ্চিমবঙ্গে চালু হতে চলেছে এই যোজনা। এই প্রকল্পে পরিবার পিছু বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে বিজয় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প চালুর (Central Welfare Schemes) কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় মহিলারা নিরাপত্তার পরিবেশ পাবেন, যুবসমাজ কর্মসংস্থান পাবে। রাজ্য থেকে কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে যাওয়া বন্ধ হবে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হবে।” পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু রয়েছে। যদিও এটি কেন্দ্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প, এর ব্যয় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বহন করে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কেন্দ্রের ৪.৫৬ মিলিয়ন বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে উপভোক্তা নির্বাচনে অনিয়ম ও প্রকল্পের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে তদন্তও হয়েছে। গ্রামীণ ও শহুরে আবাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সারা দেশে প্রকল্পটির নাম ‘আয়ুষ্মান ভারত’। যদিও পশ্চিমবঙ্গে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামেই চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনার কাজ। ২০১৮ সালে কেন্দ্রের এই প্রকল্পে যোগ দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার। সেই সময় স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছিল,  ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পে সারা দেশে যে দশ কোটি পরিবারকে চিকিৎসা ভাতার অধীনে আনা হচ্ছিল, তার মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি ১২ লক্ষ পরিবারও। আর্থ-সামাজিক জাতি গণনা অনুযায়ী এই এক কোটি ১২ লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে দেড় লাখ টাকার বিমার সুবিধা পায় লাখ চল্লিশেক পরিবার। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পটি ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ায় রাজ্যে দেড় কোটিরও বেশি পরিবার চিকিৎসা বিমার সুবিধা পাবে বলে সেই সময় (BJP) জানিয়েছিল রাজ্য।

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানিয়েছিলেন, মূলত ‘হাইব্রিড’ পদ্ধতিতে এই প্রকল্পটি পরিচালনা করা হবে। স্বাস্থ্য দফতর নিজেরাই ট্রাস্ট তৈরি করে চিকিৎসা বিমার খরচ মেটাবে (Central Welfare Schemes)। বেসরকারি বিমা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তাদের মাধ্যমেও একাংশের বিমার প্রিমিয়াম মেটানো হবে। পরে সকলের চিকিৎসা খরচই মেটানো হবে রাজ্যের ট্রাস্ট থেকে। এত দিন ৪০ লাখের কিছু বেশি পরিবারের বার্ষিক প্রিমিয়ামের পুরো টাকাটাই রাজ্য সরকারকে মেটাতে হত। গড়ে এক-এক জনের প্রিমিয়াম বাবদ দিতে হত ৫৮০ টাকা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যোগ দেওয়ায় প্রায় সওয়া কোটি পরিবারের স্বাস্থ্য বিমার ৬০ শতাংশ টাকা (Central Welfare Schemes) দেবে কেন্দ্র। রাজ্য সরকার দেবে বাকি ৪০ শতাংশ। ফলে রাজ্যেও অনেক কম খরচে জেলা হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে বেশি মানুষকে চিকিৎসা বিমার সুবিধা দেওয়া যাবে। বেসরকারি ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে। যদিও বাংলায় এই প্রকল্পের নাম ছিল স্বাস্থ্যসাথী। সর্বত্র সুবিধা মিলত না বলেও অভিযোগ। বিজেপি (BJP) জমানায় এবার ফের শুরু হবে থমকে থাকা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কাজ।

    প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা

    পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জন্য কার্যকর হতে পারে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা। এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, বিমা এবং আধুনিক সরঞ্জাম দেওয়া হবে (Central Welfare Schemes)। পশ্চিমবঙ্গে জল জীবন মিশনের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য নয়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণ এলাকার ৫৬.৪৬ শতাংশ পরিবার পাইপলাইনের পানীয় জলের সংযোগ পেয়েছে। সংসদে দেওয়া এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ ২৪,৬৪৫ কোটি টাকার মধ্যে রাজ্য মাত্র ৫৩ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাব জমা ও নথিপত্র সংক্রান্ত দেরিকে।

    পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্প

    পশ্চিমবঙ্গে স্থগিত রয়েছে পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্পের কাজ। কেন্দ্রের পয়সায় চলা এই মডেল স্কুলগুলি এবার চালু হতে পারে। এতে উন্নত হবে শিক্ষার পরিকাঠামো। পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় ফসল বিমা প্রকল্প থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির বিরুদ্ধে কৃষকরা সুরক্ষা পাবেন এবং সময়মতো ক্ষতিপূরণও পাবেন (Central Welfare Schemes)। প্রথাগত কারিগর ও শিল্পীদের সাহায্যের উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁতি, কুমোর, কামার-সহ দক্ষ শ্রমিকরা প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম এবং জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টেও ঋণের সুবিধা পাবেন, যা তাঁরা আগে পেতেন না (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। রাজ্যের ২০৬টি আসন জিতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে পদ্মশিবির। উৎখাত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকে। যে শাসনের গেরোয় (Central Welfare Schemes) গত ১৫ বছর ধরে হাঁসফাঁস করছিলেন বঙ্গবাসী!

     

  • Jal Jeevan Mission: কল আছে, জল নেই, ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পে পিছনের সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    Jal Jeevan Mission: কল আছে, জল নেই, ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পে পিছনের সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের সমস্ত বাড়ি বাড়ি নলবাহিত বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ‘জল জীবন মিশন প্রকল্প’- এর সূচনা করেছিল। ২০২৪ সালের মধ্যে এই প্রকল্প কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘জল জীবন মিশন প্রকল্প’-এ (Jal Jeevan Mission) সব থেকে পিছিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের এক রিপোর্টেই এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

    প্রকল্পের অর্ধেক কাজ এখনও বাকি! (Jal Jeevan Mission)

    এই প্রকল্পে (Jal Jeevan Mission) পশ্চিমবঙ্গের পিছিয়ে পড়ার কারণ হিসেবে রাজ্যের গাফিলতিকে দায়ী করছে জলশক্তি মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের অর্ধেক বাড়িতে এখনও পৌঁছায়নি নলবাহিত পানীয় জল। এখানেই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে কবে পশ্চিমবঙ্গবাসী এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হিসেবে বাড়ি বাড়ি জল পাবে? জল জীবন মিশন ড্যাশবোর্ডে এক নজরে দেখা যায় যে পশ্চিমবঙ্গ এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের রাজ্যের মাত্র ৫৪ শতাংশ কভার করেছে। আর বাস্তবে যেখানে পাইপ লাইন বসানো হয়েছে, সেখানে জল পর্যন্ত পড়ছে না। কোথাও আবার সেই পাইপ লাইন পর্যন্ত খুলে নেওয়া হয়েছে। যেমন, হুগলির বেরাবেড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গোরডিহি গ্রামের বাসিন্দা বেদানা ধাড়া। তাঁর বয়স ৬৪ বছর। তাঁর বাড়ির কাছে একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে একটি জং ধরা পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। তিন বছর আগে জাতীয় ‘জল জীবন মিশন’-এর অধীনে ভারতজুড়ে পরিবারগুলিতে নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য এই পাইপ বসানো হয়েছিল। পাইপটি এখন অকেজো।

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    ২০১৯-এর ১৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘জল জীবন মিশন প্রকল্প’ ঘোষণা করেছিলেন। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের (Jal Jeevan Mission) তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের হাত ধরে সমগ্র দেশের প্রায় ১৩ কোটি গ্রামীণ পরিবারের কাছে এই নলবাহিত বিশুদ্ধ পানীয় জলের পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ক্ষেত্রে এই পরিসংখ্যান বেশ খারাপ। বলা যেতে পারে, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পিছনের সারিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এই প্রকল্পে বাস্তবায়িত করতে পশ্চিমবঙ্গের চাহিদা মতোই অর্থ জোগানো হচ্ছে। কিন্তু, কাজের গতির নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jal Jeevan Mission: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    Jal Jeevan Mission: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল জীবন মিশন (Jal Jeevan Mission) প্রকল্পে নলের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছচ্ছে ঘরে ঘরে। তাই কাজ কমেছে ভারতীয় মহিলাদের (PM Modi Viksit Bharat)। জল আনতে যাওয়ার বদলে তাঁরা এখন সেই সময়টা ব্যয় করছেন অন্য কাজে। প্রত্যাশিতভাবেই বাড়ছে রোজগার। বিকশিত ভারতের পথে এগোচ্ছে নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    জল জীবন মিশন প্রকল্প (Jal Jeevan Mission)

    বিষয়টা তাহলে খুলেই বলা যাক। জল জীবন মিশন প্রকল্পে নলবাহিত জল বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার আগে ভারতীয় মহিলাদের সিংহভাগকেই বেশ কয়েক মাইল উজিয়ে গিয়ে জল আনতে হত। তাই ঘরের কাজেই সময় ব্যয় হত বিস্তর। অন্য কাজ করার সময় পেতেন না তাঁরা। জল জীবন মিশন প্রকল্পে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে জল। তাই এখন আর তাঁদের জল আনতে ছুটতে হয় না। সেই সময়টা তাঁরা ব্যয় করছেন নানা কাজে। যার জেরে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জল জীবন মিশন, যার লক্ষ্য প্রত্যেক গ্রামীণ পরিবারের জন্য ট্যাপের মাধ্যমে জল সরবরাহ নিশ্চিত করা, মহিলাদের কৃষি ও সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে।

    মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত আর একটি ওয়ার্কিং পেপারও জানিয়েছে যে, প্রায় সব রাজ্যে মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এসবিআইয়ের রিপোর্টে উপস্থাপিত তথ্যের সঙ্গে একমত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের ওয়ার্কিং পেপারও দেখিয়েছে যে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২২-২৩ সময়কালে গ্রামীণ এলাকার মহিলারা কর্মক্ষেত্রে (Jal Jeevan Mission) যোগদানের ক্ষেত্রে শহুরে এলাকার মহিলাদের তুলনায় বেশি এগিয়ে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডিভোর্স মামলায় খোরপোশ নির্ধারণে ৮ দফা গাইডলাইন, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    ২০১৯ সালে জল জীবন মিশন চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রকল্পই বদলে দিয়েছে গ্রামীণ ভারতের মহিলাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি। প্রকল্পটি চালু হওয়ার সময় ট্যাপ ওয়াটার সংযোগ পেয়েছিল মাত্র ১ শতাংশ পরিবার। তবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত এই মিশনের মাধ্যমে এই পরিসর বেড়ে হয়েছে (PM Modi Viksit Bharat) ৭৮.৬২ শতাংশ। এসবিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ট্যাপ ওয়াটার সংযোগ প্রদান করা হয়েছে ১৫.২০ কোটিরও বেশি গ্রামীণ পরিবারে (Jal Jeevan Mission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Suvendu Adhikari: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টেন্ডার দুর্নীতি! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টেন্ডার দুর্নীতি! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন্দ্রের জল জীবন মিশন (Jal Jeeban Mission) নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তিনি। এই প্রকল্পের আওতায় কাজের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৮৬ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। প্রায় ৫০০ কোটি টাকার কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

    শুভেন্দু যা বললেন

    শুভেন্দুর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, ‘‘রাজ্য সরকার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি নলের মধ্য দিয়ে জল পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্পে বড়সড় দুর্নীতি করেছে।’’ শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, নলের মুখে যে ফেরুল লাগানো হয় তাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতারা ৫০০ কোটি টাকার ‘কাটমানি’ নিয়েছে হাওড়া সদর ও সাঁকরাইলের নির্দিষ্ট চারটে এজেন্সির কাছ থেকে। এদিন নিজাম প্যালেসে সাংবাদিক সম্মেলন করে শুভেন্দু বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন সব ঘরে পরিশ্রুত জল যাবে। জল জীবন মিশন নামে কেন্দ্রের যোজনা আছে। কিন্তু রাজ্য এটা কোথাও উল্লেখ করে না। এই নিয়ে আমি আগের রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছিলাম। এদিকে জল জীবন মিশনে ১০০ শতাংশ ফান্ড দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এতে রাজ্য সরকারের কোনও ফান্ড থাকে না।” 

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর চিঠি! রাতারাতি ৬টি মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধন বাতিল রাজ্যের

    হাওড়া জেলার একাধিক সংস্থা ফেরুল সাপ্লাইয়ের ক্ষেত্রে একচ্ছত্র আধিপত্য খাটিয়েছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। তালিকায় রয়েছে বালাজি ট্রেডার্স, এ কে ইন্ডাস্ট্রিজ, ইলেকো এন্টারপ্রাইজ, সাইবাবা এন্টারপ্রাইজ, প্রীতি এন্টারপ্রাইজ নামে কয়েকটি সংস্থাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, টেন্ডার দেওয়ার যে নিয়ম তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। সেখানে কিছু গোলযোগের অভিযোগ করেছেন তিনি। 

    নলবাহিত জলের ট্যাপের মুখে ফেরুল লাগানো হয়। এই ফেরল কেনার সময়েই বড় দুর্নীতি হয়ে গিয়েছে বলে দাবি শুভেন্দুর। রীতিমতো একাধিক ডকুমেন্ট হাতে নিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ফেরুলের এক একটির বাজারের দাম ২১৩ টাকা। কিন্তু, নথিতে দেখা যাচ্ছে কেনা হয়েছে ৫৭০ টাকায়। একাধিক টেন্ডারের তথ্য হাতের সামনে এনে শুভেন্দুর দাবি, ৩২ টা টেন্ডারে কোথাও ২৭ হাজার ইউনিট, কোথাও ৩২ টেন্ডারে ২৪ হাজার ইউনিট, ৩২টি টেন্ডারে ৭৩ হাজার ইউনিট ফেরুল কেনা হয়েছে। প্রতিটাই কেনা হয়েছে ৫৭০ টাকা দরে। এভাবে তৃণমূল নেতারা প্রায় ৫০০ কোটি টাকা দলের শীর্ষস্তরে পৌঁছে দিয়েছে। তিনি বলেন, গরু, কয়লা, পাথর পাচারের টাকা যেখানে পৌঁছয়, সেখানেই পৌঁছেছে এই টাকাও।

    শুভেন্দু দাবি করেন, ২জি স্পেকট্রাম, কমনওয়েলথ গেমসের মতো দুর্নীতি হয়েছে। আমি আজই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র শেখাওয়তকে চিঠি লিখব। এই দুর্নীতির তদন্তের অনুরোধ করব তাঁকে। ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শুরু না হলে আদালতে জনস্বার্থ মামলা করব।

LinkedIn
Share