Tag: Jalpaiguri

Jalpaiguri

  • Jalpaiguri: নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে পড়ল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স! ক্লোজ পুলিশ আধিকারিক

    Jalpaiguri: নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে পড়ল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স! ক্লোজ পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মা মাটি সরকারের শাসক দল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে থাকলো মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। তৃণমূল মানবিক! বার বার শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের ভাষণে শোনা যায়। কিন্তু কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়ল সারি সারি গাড়ি। আর এই গাড়ির ভিড়ের মধ্যে আটকে গেল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। ঘটনায় ক্লোজ করা হল এক পুলিশ আধিয়ারিককে। ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়িতে।  

    কিন্তু প্রশ্ন হল শাসক দলের নেতাদের ভূমিকা নিয়ে। নাগরিক সমাজের প্রতি যদি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা দায়িত্বশীল থাকেন, তাহলে এমন ঘটনার জন্য নেতা-মন্ত্রীদের কি কোনও শাস্তির বিধান রয়েছে? নাকি সব দায় আমলাদের? এই প্রশ্নই উঠছে ধূপগুড়িতে (Jalpaiguri) কালীপুজোর উদ্বোধন করতে আসা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের ভূমিকা নিয়ে।

    নেতা-মন্ত্রীর ভিড়ে আটকে যায় অ্যাম্বুল্যান্স (Jalpaiguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা উদয়ন গুহ কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন ধূপগুড়িতে। সঙ্গে ছিলেন জেলা শাসক এবং পুলিশ সুপার। গাড়ির ভিড়ে রাস্তা জ্যাম হয়ে যায়। এই অবস্থায় রাস্তায় আটকে পরে এক অসুস্থ মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। আধ ঘণ্টার সময়ের বেশি সময় ধরে আটকে ছিলেন রাস্তায়। এরপর রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ঘটনাস্থলে এলাকায় শতাধিক মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এরপরই ঘটনায় অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনায় ক্লোজ হন এক পুলিশ আধিয়ারিক।

    জেলা শাসকের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার জেলা শাসক উমেশ খান্ডবাহালে বলেন, “বিকল্প রাস্তা খোলা ছিল। ওই রাস্তা দিয়ে অনেক গাড়ি চালাচল করছিল। প্রাথমিক ভাবে একজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনায় কোনও চক্রান্ত হয়েছে কী না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: জেল থেকে বেরিয়েই যুব তৃণমূল নেতার ৫০ লক্ষ টাকার কালীপুজো! উৎস নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Jalpaiguri: জেল থেকে বেরিয়েই যুব তৃণমূল নেতার ৫০ লক্ষ টাকার কালীপুজো! উৎস নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডলের কালীপুজো এক সময় খবরের শিরোনামে থাকত। তিনি মাকে ৩০০ ভরি সোনার গয়না পরাতেন। এবার জেল ফেরত জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের কালীপুজো ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কেন তৃণমূল নেতার পুজো ঘিরে চর্চা? (Jalpaiguri)

    গত কয়েক বছর ধরে সৈকত ‘যুব ঐক্য’ নাম দিয়ে কালীপুজো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে আসছেন। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) এক দম্পতিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ায় অভিযুক্ত হয়ে গত ১৬ অক্টোবর থেকে সৈকত প্রথমে পুলিশ, তার পরে জেল হেফাজতে ছিলেন। এবার সৈকতের নির্দেশ ছিল, পুজো চালিয়ে যাওয়ার। তবে আড়ম্বর না করার কথা বলা হয়েছিল। ১ নভেম্বর সৈকত জামিন পেতেই পুরো সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বড় অনুষ্ঠানেরই পরিকল্পনা হয়। প্রায় একশোটি বিমান টিকিট কাটা হয়েছে শিল্পীদের আসা-যাওয়ার জন্য। কলকাতা থেকে নামী শিল্পীদের আনা হচ্ছে। ত্রিপুরা থেকে আসবে মেয়েদের একটি গানের দল। শিল্পী এবং সঙ্গীদের কয়েক জন আসবেন বিমানে। শুধু বিমান ভাড়াতেই লাখ পাঁচেক টাকা খরচ হচ্ছে বলে দাবি। সঙ্গে রয়েছে শিল্পীদের বাকি সঙ্গীদের জন্য ট্রেন ভাড়া। আগামী ১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর তিন দিন টানা সাত জন শিল্পীকে আনতেই প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে বলে দাবি। মণ্ডপ তৈরিতে পড়ছে প্রায় আট লক্ষ টাকা। চন্দননগর থেকে আসছে আলোকসজ্জা। মণ্ডপের ভিতরে এক রকম, বাইরে এক রকম এবং মঞ্চে আর এক রকম আলোর সাজসজ্জা থাকছে। জলপাইগুড়ি ফণীন্দ্রদেব স্কুলের মাঠে পুজো এবং সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে বাঁশের কাজ, আলো মিলিয়ে অন্তত পাঁচটি ডেকোরেটর সংস্থা এবং ইভেন্ট পরিচালনা সংস্থা কাজ করছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    জেল থেকে বেরিয়ে ৫০ লক্ষ টাকার পুজোর আয়োজন। এক তাড়াতাড়ি এতগুলো টাকা জোগাড় হল কী করে? অন্য পুজোর মতো রসিদ ছাপিয়ে বাড়ি-দোকান থেকে চাঁদা তোলা হয় না সৈকতের পুজোয়। টাকার উৎস নিয়ে তৃণমূল নেতা সৈকত বলেন, মানুষের ভালোবাসাতেই সব জোগাড় হচ্ছে। সদস্য চাঁদা রয়েছে। যাঁদের সঙ্গে মানুষ নেই, তাঁরা হিংসে থেকে অনেক কিছু বলতে পারেন। এটা নিয়ে বিতর্ক হওয়ার কিছু নেই।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী বলেন, তৃণমূল নেতার পুজোর আয়োজন দেখলেই বোঝা যাচ্ছে, চাঁদা তুলে এই পুজো করা সম্ভব নয়। এর পিছনে অর্থের জোগান রয়েছে। তৃণমূল নেতাদের কারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থের জোগান দিচ্ছেন তার তদন্ত করলেই সব কিছু বেরিয়ে আসবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: সিকিম বিপর্যয়ের জের! তিস্তায় মড়ক লেগেছে মাছের, উদ্বেগ

    Jalpaiguri: সিকিম বিপর্যয়ের জের! তিস্তায় মড়ক লেগেছে মাছের, উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম বিপর্যয়ের পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলায় তিস্তার পাড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পুলিশ-প্রশাসন। কারণ, সেনাবাহিনীর বহু মর্টার মজুত ছিল সেখানে। সেই মর্টার বিস্ফোরণে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেছিল। পরে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ-প্রশাসনের উদ্যোগে তিস্তার পাড় বিপদমুক্ত করা হয়। এরই মধ্যে তিস্তায় নতুন করে মাছের মড়ক শুরু হওয়ায় ব্যাপক আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

    প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে মৎস্য দফতর (Jalpaiguri)

    গত ৪ অক্টোবর সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তিস্তায়। পাহাড় থেকে নদীর জলে ভেসে আসে সেনাবাহিনীর অস্ত্রশস্ত্র। জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) মর্টার ফেটে একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন একাধিকজন। এবার মাছের মড়ক শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে তিস্তার পাড়ে। গত ৪ অক্টোবর বন্যার সময় যুদ্ধসামগ্রীর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নদীতে ভেসে আসে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল। তা থেকে জলদূষণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বাসিন্দারা। মৃত মাছ না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি মৎস্য দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। মরে ভেসে উঠছে শয়ে শয়ে নদীয়ালি মাছ। বোরোলি, দারাঙ্গি-সহ তিস্তার একাধিক প্রজাতির মাছের মড়ক লেগেছে। জলদূষণের কারণেই এই ঘটনা বলে অনুমান। ঘটনার কারণ খুঁজতে প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে মৎস্য দফতর। জেলা প্রশাসন সূত্রে তা জানা গিয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    এমনিতে বোরোলি-সহ নদীয়ালি মাছগুলি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) সহ উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত জনপ্রিয়, সুস্বাদু। পর্যটক ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছেও এর খুব চাহিদা। তাই মাছের মড়কের খবরে চিন্তিত স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীর পাড়ে বোরোলি সহ বিভিন্ন মাছ উঠে ছটফট করতে করতে মরে যাচ্ছে। তিস্তার পাড়ে গেলে দেখা যাবে, লাইন দিয়ে মাছ মরে পড়ে রয়েছে। এখন এই মাছ খাওয়া ঠিক নয়। সকলকে এই মাছ না খাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কবে আবার প্রাণভরে এসব মাছের স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন তাঁরা, তা নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছে সকলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: থানার নাকের ডগায় বাজারে দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট, পুলিশ কী করছে?

    Jalpaiguri: থানার নাকের ডগায় বাজারে দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থানার নাকের ডগায় দোকান। সেই দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট করে পালাল দুষ্কৃতীরা। দশমীর গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি থানা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার পর্যন্ত করতে পারেনি। ফলে চরম আতঙ্কে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    কীভাবে দোকানে লুটপাট চালাল দুষ্কৃতীরা? (Jalpaiguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দশমীর রাতে বিসর্জনে ব্যস্ত ছিল গোটা শহর। সেই সময়কেই কাজে লাগায় চোরের দল। ধূপগুড়ি থানা থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরে বাজার। থানার উল্টোদিকে বাজার হওয়ায় হামেশাই পুলিশ কর্মীদের আনাগোনা থাকে। ফলে, বাজারের ব্যবসায়ীরা অনেকটাই নিশ্চিন্তে থাকতেন। কিন্তু, তারপরও থানার উল্টোদিকের দোকান থেকে কয়েক লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি করে পালাল চোরের দল। এভাবে দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট করে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যাবে, তা ভাবতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার ব্যবসায়ী সুকুমার ঘোষের দোকান ভেঙে সমস্ত সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। যার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়িতে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এই এলাকায় চুরির ঘটনা নতুন নয়। এর আগে শলাপট্টি এলাকায় দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এই নিয়ে তিনবার একই ঘটনা ঘটল। বার বার চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশের কোনও হুঁশ নেই। তাঁদের আরও অভিযোগ, থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তা নিতে অস্বীকার করে পুলিশ। এমনকী তাদের রীতিমতো হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এখানে থানার এমন অবস্থা হয়ে গেছে কেউ কোনও কাজ করছে না। এই যে তিনবার চুরি হল, পুলিশ কোনও কিনারাই করছে না। আর এখানে তো অসামাজিক কাজ প্রচুর হচ্ছে। কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: আদালতে জামিন নামঞ্জুর, তৃণমূল যুব সভাপতির পুজো কাটবে জেলেই

    Jalpaiguri: আদালতে জামিন নামঞ্জুর, তৃণমূল যুব সভাপতির পুজো কাটবে জেলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো এবার হাজতেই কাটবে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের। দু’দিনের পুলিশি হেফাজত কাটিয়ে আদালতে তোলা হলে, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাশ তাঁর জামিন নাকচ করে, ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আগামী ১ নভেম্বর তাঁকে আবার আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। জামিন নামঞ্জুর হওয়ার ফলে পুজোর কয়েকটা টা দিন জেলেই কাটবে। অপর দিকে জামিন নাকচ হতেই জেলে যাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেই সঙ্গে বিচারকের সঙ্গে অভব্য আচরণের কথা বলে, তোপ দেগেছেন বিজেপি বিধায়ক।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য (Jalpaiguri)

    সরকারি আইনজীবী মৃন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পুলিশের তদন্তে বেশ কিছু নতুন তথ্য উঠে এসেছে। তাই আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে পুলিশ নতুন করে পুলিশি হেফাজতে রাখার আবেদন আদালতে জানায় নি।”

    অভিযোগ কী ছিল?

    সমাজসেবী দম্পতিকে আত্মহাত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অভিযুক্ত তৃণমূল যুব নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায়। আবার এই মৃত দম্পতি, বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের নিকট আত্মীয়। গতকাল শুনানির সময় আদালতে উপাস্থিত ছিলেন এই বিধায়ক। তিনি বলেন, “শাসক দলের এই তৃণমূল নেতা এতদিন জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) প্রভাব খাটিয়েছেন। মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিজের প্রভুত্বকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন সৈকত। এমনকী বিচারকের সঙ্গে ধমকের সুরে চোখ রাঙ্গিয়ে কথা বলেন এই যুব নেতা। আমাদের আইনের উপর বিশ্বাস রয়েছে, বিচারক বিচক্ষণ ব্যক্তি। এই তৃণমূল নেতা দোষী, তাই শাস্তি হোক এটা আমরা চাই।”

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    যুব তৃণমূল নেতা অভিযুক্ত সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি আদালতের উপর ভরসা রেখেছি। বিজেপি বিধায়ক আদালতে সিন ক্রিয়েট করার চেষ্টা করছেন।” সেই সঙ্গে তাঁর আইনজীবী সঞ্জীব দত্ত জানিয়েছে যে সুপ্রিমকোর্টে আগে আবেদন করা হইয়েছিল, কিন্তু তা আগেই খারিজ হয়ে গিয়েছিল। আর সেই জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে জামিন খারিজ হয়ে যায়। আগামীকাল আমরা আবার জাজেস কোর্টে (Jalpaiguri) আবেদন করব।

    পাশাপাশি জেল হেফাজতে যাওয়ার পর সৈকত চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশ্য বিজেপির দাবি, জামিন না পেয়ে নাটক করছেন তৃণমূল যুব নেতা।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পে চালের মধ্যে পোকা! তুমুল বিক্ষোভ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Jalpaiguri: ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পে চালের মধ্যে পোকা! তুমুল বিক্ষোভ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চালের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে পোকা। ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পে চালের মধ্যে রয়েছে পোকা। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বানারহাট তেলিপাড়া এলাকায়। চোখের সামনে দেখে হতবাক এলাকাবাসী। রেশনের চালে এরকম অবস্থা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রেশন বন্টনের কাজ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বানারহাট তেলিপাড়া এলাকায় রেশন ডিলার কৃষ্ণকুমার দাস দীর্ঘদিন ধরেই নিম্নমানের চাল বণ্টন করে আসছেন। সেই চালের মধ্যে রয়েছে অসংখ্য পোকা। শুধু তাই নয়, সেই চাল খাওয়ার অযোগ্য। চাল সেদ্ধ হতেও অনেক সময় লাগছে। এরপরই অভিযুক্ত রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। বিক্ষোভের মুখ পড়ে রেশন সামগ্রী বণ্টন বন্ধ হয়ে যায়।প্রসঙ্গত, এর আগেও এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। একাধিকবার বলার পরেও নিম্নমানের রেশন বারংবার দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সাহিরুল ইসলাম। তিনি নিজেও স্বীকার করে নেন, রেশনে নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী বণ্টন করার কথা। গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়ান। এমনকী ডিলারের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। ফুড ইন্সপেক্টরকে ফোন করেন এবং সমস্যার কথা জানান। বন্ধ রয়েছে রেশন বণ্টন পরিষেবা। যদিও এই বিষয়ে রেশন ডিলার কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রেশন সামগ্রী নিয়ে বহুদিন ধরেই অভিযোগ ছিল। তবে, এত নিম্নমানের চাল দেওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এর সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    বানারহাট পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ কী বললেন?

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বানারহাট পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ প্রভা কুজুর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে ফুড ইন্সপেক্টরের সঙ্গে কথা বলব। নিম্নমানের চাল দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ৪ মাস ধরে নিখোঁজ, অবশেষে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ তৃণমূল যুব নেতার

    Jalpaiguri: ৪ মাস ধরে নিখোঁজ, অবশেষে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ তৃণমূল যুব নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব তৃণমূল (TMC) নেতার অবশেষে দেখা মিলল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। প্রায় চারমাস পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার। যাঁরা আত্মহত্যা করেছেন তাঁরা হলেন, ডাবগ্রামের ফুলবাড়ি বিধানসভার বিজেপি বিধায়কের ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী। বিজেপির অভিযোগ ছিল, আত্মহত্যার ঘটনায় ইন্ধন যুগিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। 

    Jalpaiguri জেলা বিচারক কি বললেন (TMC)?

    সূত্রে জানা গেছে, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা বিচারক অরুণকিরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে, জেলার তৃণমূল (TMC) যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আদলাতে উপস্থিত হন। সৈকত বলেন যে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন আর তাই তিনি বিচারকের কাছে গ্রফতার না করার জন্য বিশেষ রক্ষাকবচ চান। কিন্তু বিচারক স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে এই মামলা শোনার কোনও এক্তিয়ার বিচারকের নেই। জেলার সিজিএম আদালতে এই তৃণমূল নেতাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। কিন্তু বারংবার তৃণমূলের এই যুব সভাপতি আবেদন করলেও, বিচারক তাঁর আবেদনকে নাকচ করে দেন। উল্লেখ্য সিজিএম আদালত তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

    মামলা কী ছিল

    সূত্রে জানা গেছে, এই বছরে এপ্রিল মাসের প্রথম দিনেই জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়ার বাসিন্দা অপর্ণা ভট্টাচার্য এবং স্বামী সুবোধ ভট্টাচার্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এই দম্পতি আবার ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী। মৃত্যুর ঘটনার পর, জলপাইগুড়ি (jalpaiguri) কোতোয়ালি থানায়, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সৈকত চট্টোপাধ্যায় এবং আরও কিছু তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। উল্লেখ্য অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু ঘটনার পর থেকে সৈকতকে খুঁজে না পাওয়ায় গ্রেফতার পরোয়ানা জারি হয়।

    মামলা গড়ায় হাইকোর্টে-সুপ্রিমকোর্টে

    গত বেশ কয়েকমাস এই তৃণমূল (TMC) নেতার খোঁজ না মেলায়, মামলা গড়ায় হাইকোর্টে। এই যুবনেতা নিজে হাইকোর্টে আগাম জামিন জানিয়ে আবেদন করলে, আদলাত তা বাতিল করে দেন। পুলিশ নানান জায়গায় হানা দিয়েও সৈকতের কোনও খোঁজ খবর পায়নি। অবশেষে তাঁর নামে হুলিয়া জারি হয়। অপর দিকে যুবনেতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চে বিফল হলে, আবার আবেদন করেন সুপ্রিমকোর্টে। কিন্তু সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। অবশেষে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন। জলপাইগুড়ি (jalpaiguri) জেলা আদালতে আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিমকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: বিপর্যয়ের পর খোঁজ নেই স্বামীর, সিকিমের পথে জলপাইগুড়ির বধূ

    Sikkim Disaster: বিপর্যয়ের পর খোঁজ নেই স্বামীর, সিকিমের পথে জলপাইগুড়ির বধূ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমের লোনাক লেক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) পর বিপন্ন সেখানকার জনজীবন। মঙ্গলবার পর্যন্ত যা খবর পাওয়া গিয়েছে, তাতে সব মিলিয়ে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যু হয়েছে ৭৬ জনের। এখনও নিখোঁজ বহু মানুষ। সেই সংখ্যাটা ঠিক কত, তা নির্দিষ্ট ভাবে বলতে পারছে না প্রশাসন। তবে আবহাওয়ার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ চলছে জোরকদমে। নিখোঁজের তালিকায় নাম রয়েছে জলপাইগুড়ির রাঙালির বাসিন্দা ঋষিকেশ রায়ের। তিনি সিকিমে কর্মরত। সিকিমে বিপর্যয়ের পর থেকে স্বামীর সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযাগ করতে পারছেন না স্ত্রী খুশি রায়। স্বামীর খোঁজে রওনা দিয়েছেন সিকিমের পথে।

    শেষ কথা ৩ অক্টোবর, সাতদিন ধরে নিখোঁজ (Sikkim Disaster)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খুশির স্বামী ঋষিকেশ থাকেন মঙ্গানে। গত পাঁচ বছর ধরে তাঁর স্বামী সিকিমে অবস্থিত ওই সংস্থায় কর্মরত। তিস্তা উর্জা লিমিটেড নামে সংস্থায় কর্মরত তিনি। রোজ দিন পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হত তাঁর। সিকিমে বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) আগে শেষ বার কথা হয়েছে তাঁদের। কিন্তু ঋষিকেশের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওদের কোম্পানির ১৪ জন এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ বলে জানতে পেরেছে পরিবারের লোকজন। তবে, ঋষির কোনও খোঁজ নেই। শেষ কথা হয়েছিল ৩ অক্টোবর, রাত ১২টা ১৫ মিনিটে। তার পর সাত সাতটি দিন পেরিয়ে গিয়েছে। বার বার ফোন করে গিয়েছেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু সিকিমে কর্মরত ঋষিকেশ রায়ের কোনও খোঁজ পাননি তাঁরা। নানা ভাবে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

    কী বললেন নিখোঁজ যুবকের স্ত্রী?

    বাড়িতে বসে থেকে ফোনে এ ভাবে আর পারছেন না। চোখেমুখে উদ্বেগ নিয়ে সিকিম রওনা দিলেন জলপাইগুড়ির রাঙালির বাসিন্দা খুশি। বাসে করে সিকিমের পথে রওনা দেন। তিনি বলেন,  ৩ অক্টোবর প্রায় মাঝ রাত পর্যন্ত স্বামীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তখনও টের পাইনি সিকিমের এই বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) কথা। তাই রাস্তা একটু ঠিকঠাক হয়েছে শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছি। আমার বিশ্বাস, ও ভাল আছে। ওখানে তাঁকে ঠিক খুঁজে বের করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Forest Man: “প্রকৃতির স্বভাবকে না মানলে উত্তর-পূর্ব ভারতও সিকিম হবে”, সতর্কবার্তা ‘ফরেস্ট ম্যানের’

    Forest Man: “প্রকৃতির স্বভাবকে না মানলে উত্তর-পূর্ব ভারতও সিকিম হবে”, সতর্কবার্তা ‘ফরেস্ট ম্যানের’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব ভারতও হতে পারে সিকিমের মতন হড়পা বানের শিকার। সময়ে যদি সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে সামনে ঘটতে পারে বড় বিপদ। প্রকৃতির স্বভাবকে না মানলে বিপর্যয়, বন্যা, হড়পা বান ইত্যাদি হতে পারে। উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রকৃতির ভারসাম্যের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। জলপাইগুড়িতে এসে সতর্ক করলেন পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত ‘ফরেস্ট ম্যান’ যাদব পায়েং (Forest Man)।

    কী বললেন ফরেস্ট ম্যান (Forest Man)?

    প্রকৃতির স্বভাবকে অমান্য করলে প্রকৃতিক বিপর্যয় ঘটবেই। নদীর জলে প্রকৃতি সুলভ ধারাকে বাঁধ দিয়ে বাধা প্রদান করলে, সিকিমের মত ঘটনা ঘটবেই। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্যে প্রশাসনকে সতর্ক করলেন ফরেস্ট ম্যান (Forest Man)। জলপাইগুড়িতে পরিবেশ কর্মীদের এক অনুষ্ঠানে যোগদান করে ‘ফরেস্ট ম্যান’ যাদব পায়েং বলেন, “ সিকিম হল প্রত্যক্ষ উদাহরণ, যেখনে প্রকৃতিকে ধ্বংস করে বাঁধ নির্মাণ করেছে। অপরিকল্পিত ভাবে বাঁধ নির্মাণ করায় সিকিমে বন্যা বিপর্যয় ঘটেছে। এমন ঘটনা আগে হিমাচল প্রদেশেও ঘটেছে। এইরকম চলতে থাকলে উত্তর-পূর্ব ভারতে এমন বিপর্যয় ফের নামতে পারে। অসমের হাফলং স্টেশন তৈরি করতে গিয়ে প্রচুর বৃক্ষ কাটা হয়েছিল। আজ তার ফল ভোগ করছে অসম।”

    প্রকৃতিপ্রেমী ফরেস্ট ম্যান

    জলপাইগুড়িতে পরিবেশ ভাবনার উপর কাজ করেন ফরেস্ট ম্যান যাদব পায়েং। ২০১১ সালে ভয়াবহ বিষক্রিয়ায় করলা নদীর মাছ ক্রমশ কমে যাচ্ছিল। এই সময় থেকেই প্রকৃতিপ্রেমী নামক এক সংগঠন জলপাইগুড়িতে পরিবেশ রক্ষার কাজ শুরু করেছে। এই সংস্থার ডাকেই ‘ফরেস্ট ম্যান’, আজ বিশেষ অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সেই সঙ্গে নদীতে মাছ ছাড়লেন এবং বৃক্ষরোপণ করলেন। ১৯৮০ সাল থেকে অসমের কলিকামুখের ঔনামুখ চাপরিতে অরণ্য গড়ে তোলেন তিনি। তাঁর সৃষ্ট সেই জঙ্গলে বর্তমানে শতাধিক হাতি, গণ্ডার সহ বেশ কিছু বন্যপ্রাণী রয়েছে। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ উপাধিতে ভূষিত করে। পরবর্তী কালে তাঁকে ভারত সরকার পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে।

    বানভাসি সিকিম

    কয়েকদিন আগেই সিকেমে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি হয় তিস্তানদী। জলের প্রবল গতির স্রোতে ভেসে গেছে নদীর পাড়ের এলাকা। মানুষের বাড়ি ঘর, দোকান, হোটেল, বাজার সব কিছু নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মারা গেছেন অনেক মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে তিস্তা সংলগ্ন জলপাইগুড়ি জেলাতেও। রোজ ভেসে আসছে মৃতদেহ। বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন এখনও। নিখোঁজ অনেকেই। জাতীয় সড়ক ভেঙে পড়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতি যাতে না ঘটে, তাই প্রকৃতি নিয়ে সতর্ক করলেন ফরেস্ট ম্যান (Forest Man)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: পুলিশে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, অভিযুক্ত কনস্টেবল, হোমগার্ড

    Jalpaiguri: পুলিশে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, অভিযুক্ত কনস্টেবল, হোমগার্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাইমারি স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় কোটি টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছিল মালদার তৃণমূল নেতা তথা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। প্রতারিত এক ব্যক্তি চাকরি না পেয়ে ওই তৃণমূল নেতাকে মারধর করতে দেখা গিয়েছে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে পুলিশে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা রাজগঞ্জ থানায় কর্মরত কনস্টেবল সুশান্ত চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। একই অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক হোমগার্ডের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম দেবাশিস দেবনাথ। বিভাগীয় কমিশনারের বাংলোয় কর্মরত তিনি। অভিযুক্ত হোমগার্ড দেবাশিসের বাড়ি ময়নাগুড়ির পানবাড়িতে এবং শ্বশুরবাড়ি কোচবিহার জেলার ঘোষকাডাঙা এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) কোতোয়ালি থানায় দিনকয়েকআগে অভিযোগ দায়ের করেন কয়েক জন প্রতারিত যুবক। শুক্রবার অভিযোগকারীদের থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। অভিযোগকারীরা কোন কোন মাধ্যমে হোমগার্ডকে টাকা দিয়েছিলেন, সে সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশের বড় কর্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে নিজেকে প্রভাবশালী প্রমাণ করে দেবাশিস টাকা তুলত। গত আড়াই বছর ধরে এই কাজ করে আসছে। মূলত, প্রতারিতরা টাকা দিয়ে এতদিন অপেক্ষা করছিলেন। চাকরি না হওয়ায় তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন।  এ দিন ময়নাগুড়ি থেকে দেবাশিসের স্ত্রী দীপা দেবনাথ বলেন, তাঁর স্বামীর এই সব ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। কিছু দিন ধরে তিনি বাড়ি আসছেন না এবং বাড়িতে বেশকিছু লোকজন যাওয়া-আসা করায় তাঁরও সন্দেহ হয়েছিল, কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। একই অভিযোগ রয়েছে রাজগঞ্জ থানায় কর্মরত কনস্টেবল সুশান্ত চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেও।  চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে তাঁর নামে।

    প্রতারিতরা কী বললেন?

    প্রতারিতদের বক্তব্য, কেউ পাঁচ লক্ষ, কেউ আবার ৮ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। সুশান্ত, দেবাশিসকে আলাদাভাবে সকলেই টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু, প্রতিশ্রুতি মতো তারা কথা রাখেনি। তাই, বাধ্য হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি। আমাদের দাবি, অবিলম্বে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    দু’জনকেই পুলিশ লাইনে ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার চক্র জেলাজুড়ে রয়েছে কি না পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। আর দেবাশিস আর সুশান্তের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খাণ্ডবহালে বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share