Tag: Jalpaiguri

Jalpaiguri

  • North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে বেহাল সাধারণ জনজীবন। গোটা উত্তরবঙ্গের নদীগুলির জলে চাষের জমি, বাড়িঘর প্লাবিত। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিঙে আগামী দুই থেকে তিনদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। পাহাড় থেকে সমতল, উত্তরের বেশ কিছু  জেলায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের (North Bengal) তোর্সা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় প্রবল বৃষ্টির জলে প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। তুফানগঞ্জ, বালাভূত অঞ্চলর অনেক মানুষের বাড়িঘর অধিক বৃষ্টিপাতে জলামগ্ন হয়ে পড়েছে। মেখলিগঞ্জে ক্ষেতের জমি, সৌরসেচ প্রকল্প, বৈদ্যুতিক ল্যাম্প ঝাউকুঠি নদীর জলে ডুবে গেছে।

    আলিপুরদুয়ার

    আলিপুরদুয়ারের (North Bengal) মেচপাড়া এলাকয় জলমগ্ন হয়ে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, বায়ুসেনা একযোগে কাজ শুরু করেছে। বাঙরি নদীর জল ঢুকে ভেসে গেছে অঙ্গনঅওাড়ির এক কেন্দ্র। বৃষ্টির জলের স্তর এবং স্রোত এতটাই প্রবল ছিল যে লালো নাগাসিয়া নামক এক বৃদ্ধার রাস্তা পার হতে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    জলপাইগুড়ি

    জলপাইগুড়ির (North Bengal) বানারহাটে সবথেকে অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও মালবাজার, হাসিমারায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অপর দিকে তিস্তা, জলঢাকা, ডায়না নদীর জল বিপদ সঙ্কেতের উপর দিয়ে বইছে। অধিকাংশ নদীর জল ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রামে। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুকনো খাবার এবং রান্না করে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গতদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্যত অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

    পাশাপাশি পাহাড় অঞ্চলের ভূটান, সিকিম, দার্জিলিং (North Bengal) সর্বত্র ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে গেছে। ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতে জলের স্তর অনেক বেড়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বর্ষণ আগামী আরও ২ দিন হতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: টানা বৃষ্টিতে বন্যার পরিস্থিতি জলপাইগুড়িতে, কিছু জায়গায় জারি লাল সতর্কতা

    Jalpaiguri: টানা বৃষ্টিতে বন্যার পরিস্থিতি জলপাইগুড়িতে, কিছু জায়গায় জারি লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর চলা অবিরাম বৃষ্টির জেরে কার্যত বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বানারহাট ব্লকে। বানারহাটের বিভিন্ন এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। পাশাপাশি হাতিনালা এবং আংরাভাষা নদীর জল ঢুকেছে পার্শ্ববর্তী এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে তোতাপাড়া, বানারহাট, বিন্নাগুড়ির এসএম কলোনি, নেতাজিপাড়া। সাধারণ মানুষের জনজীবন বৃষ্টির কারণে বিপর্যস্ত। বেশ কিছু এলাকায় জারি লাল সঙ্কেত!

    বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন (Jalpaiguri)

    মূলত বৃষ্টিতে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন কার্যত ঘরবন্দি। বানাহাটের (Jalpaiguri) দুরামারির চানাডিপা এলাকায় ৪০ টির উপরে বাড়ি জলমগ্ন। আগামী দু’দিন আরও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    এদিকে দূর্গতদের উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার মানুষের জন্য খাবার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যায়নি প্রশাসন। বানারহাটের (Jalpaiguri) বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দাকে খাবারের ব্যবস্থা এবং উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয়ের জন্য রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। কিন্তু তারপরে বেলা গড়িয়ে গেলেও দূর্গতদের জন্য কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। গত বছরেও বর্ষায় এই এলাকাগুলি জলের তলায় ছিল। এই এলাকার মানুষ একপ্রকার নরক যন্ত্রণা ভোগ করেন বর্ষায় সময়। প্রতি বছর এলাকায় সঠিক ভাবে নিকাশি ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিলেও এলাকার বাসিন্দারা সেই তিমিরেই রয়ে যান।

    হয়নি নদীতে বাঁধ নির্মাণ

    এর পাশাপাশি আংড়াভাষা নদীতে বাঁধের প্রতিশ্রুতি দিয়েও আজ পর্যন্ত সেই কাজ হয়নি। যার ফলে বিঘার পর বিঘা জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। এদিকে ময়নাগুড়ি (Jalpaiguri) ব্লকের আমগুড়ি এলাকায় জলঢাকা নদীর বাঁধ উপচে গ্রামে জল ঢুকতে শুরু করেছে। এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, নদীর মূল বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। যার ফলে গ্রামে  জল ঢুকতে শুরু করেছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জলঢাকা নদীতে সংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা এবং অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলার আরেকটি নদী তিস্তার অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক (Jalpaiguri) মৌমিতা গোদারা বসুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, তিনি ফোন ধরেননি। তবে প্রশাসনের একটি সুত্রের খবর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জেলায় এনডিআরএফ এবং সিভিল ডিফেন্সের দল তৈরি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দিন’, কর্মীদের নির্দেশ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দিন’, কর্মীদের নির্দেশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য বিকল্প একমাত্র বিজেপি। জলপাইগুড়িকে তৃণমূল মুক্ত করতে হবে। তাই এবারের ভোটে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সব আসনেই বিজেপির প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে নির্বাচনী জনসভায় এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। এই সন্ত্রাসকে রুখতেই হবে, নিজেদেরকেই এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ তৃণমূল পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই কাজ করছে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    এদিন বক্তব্যের মাঝে কালিয়াগঞ্জের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে পুলিশ গুলি করে খুন করেছে। পুলিশ এখন রক্ষকের চাইতে ভক্ষকের ভূমিকা বেশি পালন করছে। বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রচুর মানুষ এসেছিলেন ধূপগুড়ির সভায়। বক্তব্যে ছিল তৃণমূলের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি। তিনি বলেন. যদি কারও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ হয় তাহলে সেই অ্যাকাউন্ট নম্বর আমার কাছে পাঠাবেন। সুদ সমেত সেই টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব। ২০২৪ শের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল সরকারের পতন নিশ্চিত। বিজেপি সরকার গড়বে, তখন লক্ষ্মীর ভান্ডারে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ব্যালট বাক্স নিয়ে বিজেপি কর্মীদের কী সতর্ক করলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে ৩৩ লক্ষ শূন্য পদ রয়েছে। মেধার ভিত্তিতে সেই পদে চাকরি দেওয়া হবে। প্রতি বছর এসএসসি হবে, সেখানেও স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, মানুষ এখন শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপিকে চেনে। রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করে পিছিয়ে পড়া মানুষদের খুন করেছে। শুধু তাই নয় উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি রাজ্য সরকার। তাই কোনওভাবেই তৃণমূলকে ভোট দেওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, নকল ব্যালট ছাপা হচ্ছে। স্ট্রং রুমে নিয়ে যাওয়ার সময় সেই ব্যালট পালটে দেওয়া হবে। তাই ব্যালট বাক্স স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত বিজেপি কর্মীদেরই পাহারা দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যালট বাক্সে পদ্মফুলের ছাপ দিয়ে দিতে হবে, যাতে কোনও ভাবেই ব্যালট বাক্স পাল্টানো না হয়। সব শেষে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, নো ভোট টু মমতা। ধূপগুড়ির সভা সেরে অন্য একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে নাগরাকাটা যান শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েত ভোটের আগে জলপাইগুড়িতে তৃণমূলে ফের ভাঙন, বিজেপিতে যোগদান বহু পরিবারের

    BJP: পঞ্চায়েত ভোটের আগে জলপাইগুড়িতে তৃণমূলে ফের ভাঙন, বিজেপিতে যোগদান বহু পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে একদমই পছন্দ নয়। সেই কারণে জলপাইগুড়ির বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলেন। বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ফাটাপাড়া এলাকায় এই যোগদান পর্ব হয়। অন্যদিকে, বুধবার ময়নাগুড়িতে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সহ বহু দলীয় কর্মী বিজেপিতে যোগ দেন। ভোটের আগে তৃণমূলের এই ভাঙনে শাসক দলের নিচুতলায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) কারা যোগদান করলেন?

    বৃহস্পতিবার বারোপাটিয়া অঞ্চলের পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের বিজেপি প্রার্থীরা বোদাগঞ্জের মা ভ্রামরী দেবী মন্দিরে পুজো দেন। সেখানেই এই যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এদিন মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর মন্দিরের মুখ্য পূজারি লালবাবার আশীর্বাদ গ্রহণ করেন তাঁরা। এরপর ফাটাপাড়া ১৮/১৭০ নম্বর বুথে বিজেপির যোগদান সভা হয়। সেখানেই স্থানীয় কুড়িটি পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দেন। অন্যদিকে, একই ইস্যুতে বুধবার ময়নাগুড়ি ব্লকেও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয় বেশ কিছু পরিবার। ময়নাগুড়ি ব্লকের দোমহনী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/৬০ নং বুথে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায়, ওই অঞ্চলের তৃণমূলের অঞ্চলের ছাত্র কমিটির সভাপতি ছিলেন শ্রীবাস চন্দ। কিন্তু তাঁদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ এবং দুর্নীতির প্রতিবাদে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ক্ষুব্ধ তৃণমূল যুবনেতারা বিজেপিতে (BJP) যোগদান করেন। এদিন প্রায় ২৩ টি পরিবারের সঙ্গে শতাধিক কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। যোগদানের পর শাসক দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন তাঁরা। যোগদানকারীদের একজন গৌতম রায় বলেন, গত পাঁচ বছরে তৃণমূল যা দুর্নীতি করেছে সেই দুর্নীতি আমরা কোনও ভাবেই মানতে পারছি না। তাই দুর্নীতিমুক্ত এলাকা গড়ে তুলতে বিজেপিতে যোগদান করেছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা জয়ন্ত রায় বলেন, যারা বিজেপিতে (BJP) যোগদান করেছেন, তাঁরা কেন করেছেন সেটা আমার জানা নেই। এতে আমাদের দলের কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ, তৃণমূল এলাকায় যা উন্নয়ন করেছে, সেই নিরিখে মানুষ তৃণমূলের পক্ষেই ভোট দেবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিষয়টি নিয়ে বিজেপির (BJP) রাজগঞ্জ ব্লকের ১১ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী পরিবহণ মণ্ডল বলেন, বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের দুর্নীতি, অত্যাচারের বিরুদ্ধে যোগদানকারীরা প্রতিবাদ জানালেন। দলে তাঁদের স্বাগত জানাই। তৃণমূল রাজ খতম করতে রাজ্যের সব জায়গাতেই এই ভাবে মানুষ তৃণমূলে যোগদান করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েতে বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল বিজেপি

    BJP: পঞ্চায়েতে বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন উলট পুরাণ। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন ব্লকে যখন তৃণমূলের ২৯ জন পঞ্চায়েত সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন, সেখানে মেটেলি ব্লকের সামসিং পঞ্চায়েতে উল্টো চিত্র ধরা পড়ল। মেটেলি ব্লকের মাটিয়ালি হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১/৮ নম্বর বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল। এই বুথে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত প্রার্থী ধনরাজ তামাং। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির এই জয়ের জন্য গেরুয়া আবির দিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বাস পালন করলেন বিজেপির নেতাকর্মীরা।

    বিজেপির বিরুদ্ধে কেউ প্রার্থী দেয়নি

    জানা যায়, সামসিং ইয়ংটং টিজির বড়ি লাইনের বাসিন্দা ধনরাজ তামাং। মাটিয়ালি হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর আসনে তিনি এবার বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করেন। এই আসনটি তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। কিন্তু এই আসনে তৃণমূল সহ অন্য কোনও দলেই আর মনোনয়ন জমা দেয়নি। তাই বিজেপি প্রার্থী ধনরাজ তামাং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। বিজেপির এই বিজয় উল্লাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মেটেলি আপার মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সার্কি, সহ-সভাপতি ঋতুরাজ শর্মা, নিলম প্রধান,পুনম রানা, বিজেপির শ্রমিক নেতা জমির ওরাও সহ বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা।

    কী বললেন জয়ী বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে ধনরাজ তামাং জানান, গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের যে দুর্নীতি সামনে এসেছে, তার বিরুদ্ধে মানুষ সরব হয়েছে। তাছাড়া এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কোনও উন্নয়নই করেনি। মানুষ তেমনভাবে পরিষেবা শেবনি। এই সমস্ত কারণে এই বুথে তৃণমূল প্রার্থী দিতে আর সাহস করেনি। পাশাপাশি তিনি জানান, এই গ্রাম পঞ্চায়েত গতবার তৃণমূলের দখলে ছিল, কিন্তু এবার মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে নেই বুঝেই তারা প্রার্থী দেয়নি। যদিও বা দিত তাহলে তার জমানত বাজেয়াপ্ত হত।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা নেতৃত্ব?

    জেতার পর মেটেলি ব্লকের বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সার্কি জানান, তাঁরা একটি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন। মানুষের ভোটে তাঁরাই এবার ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতই দখল  করবেন। আগামী দিনে লোকসভা ভোটেও মানুষ বিজেপির সাথেই থাকবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের মেটেলি ব্লক সভাপতি জোসেফ মুন্ডা বলেন, দলীয় প্রার্থীকে আমরা মনোনয়ন জমা করার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু, কেন আমাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন জমা করেননি সেটা ভোটের পর আমরা দলগতভাবে দেখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দম্পতির মৃত্যুকাণ্ডে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ

    TMC: দম্পতির মৃত্যুকাণ্ডে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দম্পতিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ি পুরসভার উপ পুরপ্রধান তথা জেলার যুব তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং রাজা বসু চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী। তাই তদন্তকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণে তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করা হল।

    যুব তৃণমূলের (TMC) সভাপতির বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    গত ১ এপ্রিল জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়ার বাসিন্দা অপর্ণা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী সুবোধ ভট্টাচার্যের দেহ উদ্ধার হয়। তাঁরা কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন বলে পরিবারের দাবি। উদ্ধার হয় সুইসাইড নোট। তাতে সৈকত চট্টোপাধ্যায়, পুর প্রতিনিধি সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনের নাম ছিল। এদিন সৈকত সহ আরও এক অভিযুক্তের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। আত্মহত্যার ঘটনার পর অভিযুক্তদের দুজনকে গ্রেফতার করা হলেও সৈকতবাবু অন্তর্বর্তী জামিনে ছিলেন। শুক্রবার সেই মামলারই শুনানি ছিল। শুক্রবার সৈকতবাবুর জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় তাঁকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকল না পুলিশের। এই মামলায় অভিযুক্ত আরও দুজন জেলে রয়েছেন। উল্লেখ্য, মৃত দম্পতির মেয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে জলপাইগুড়ির ১৪ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার সন্দীপ ঘোষকে আগেই গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। জেলে যে দুজন রয়েছেন, তার মধ্যে তিনি একজন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) জেলা চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায় বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। আদালতের নির্দেশ দেখার পর ভালোভাবে বুঝে এই ব্যাপারে মন্তব্য করব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপির সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, অহংকার আর ঔদ্ধত্যের পতন হল। আদালতের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা আশা করি, পুলিশ নিশ্চয়ই আদালতের নির্দেশ মতো কাজ করবে। দোষীরা কড়া শাস্তি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: নিয়োগ-দুর্নীতির পর এবার পঞ্চায়েতের টিকিট-দুর্নীতি! ফের বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস

    Jalpaiguri: নিয়োগ-দুর্নীতির পর এবার পঞ্চায়েতের টিকিট-দুর্নীতি! ফের বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) নিয়োগ-দুর্নীতির পর এবার পঞ্চায়েতের টিকিট-দুর্নীতিতে ফের বিদ্ধ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জলপাইগুড়ির মেটেলু ব্লকে টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট বিক্রির অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্যা সীমা সরকার। অপর দিকে ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী বোর্ডের সভাপতি রীনা বরা দলের থেকে সুবিচার পাননি। এই অভিযোগে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা করেন তিনি। জেলা জুড়ে তীব্র উত্তেজনা।

    মেটেলু ব্লকে (Jalpaiguri) কী অভিযোগ ছিল?

    এবারের নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাতাবাড়ি দিঘির পাড়ে নিজের বাসভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন সীমা সরকার। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ হিসাবে অনেক কাজ করেছি। মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে অনেক কাজ করেছি। এত ভালো কাজ করার পরেও দল এবার আমাকে টিকিট দিল না। যেহেতু আমি টাকা দিতে পারিনি, তাই আমাকে টিকিট দেওয়া হয়নি। সীমাদেবী সাফ জানান, পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের কোনও কাজ করবেন না। প্রচারেরও কোনও কাজ করবেন না। তবে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার দায়িত্বে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যোগ্য ব্যক্তিদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি করা হয়নি।

    ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতে কী হয়েছে?

    ডামডিম (Jalpaiguri) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির ৯ নম্বর আসনে প্রার্থী হিসাবে নাম ছিল বিদায়ী বোর্ডের সভাপতি রীনা বরার। কিন্তু তিনি নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে নির্দল হিসাবেই লড়াই করবেন বলে সাফ জানিয়ে দেন। দলের থেকে সুবিচার না পেয়েই তিনি এই সিন্ধান্ত নিয়েছেন। অপর দিকে দলের তালিকায় নাম না থাকলেও মাল ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুশীলকুমার প্রসাদ, ১১ নম্বর আসনে প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছেন। রীনা বরা বলেন, দল তাঁর সাথে দ্বিচারিতা করেছে এবং তাঁকে অন্ধকারে রেখে, তাঁর প্রতি অন্যায় করেছে। আর সেই কারণেই নির্দল প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেতার ব্যাপারে তিনি ১০০% নিশ্চিত।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ

    মে মাসের প্রথম সপ্তাহে রীনা বরা ও সুশীল প্রসাদের দ্বৈরথে সরগরম হয়ে উঠেছিল মাল ব্লকের রাজনীতি। সুশীলবাবুর বিরুদ্ধে তাঁকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ করেছিলেন রীনা বরা। এদিকে সুশীল প্রসাদ বলেন, দল আমাকে দাঁড়াতে বলেছে, তাই আমি দাঁড়িয়েছি। শুধু আমি নয়, গোটা মাল (Jalpaiguri) ব্লকের ১৭৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ১৯ টি পঞ্চায়েত সমিতি ও ৩ জেলা পরিষদের আসনে আমাদের প্রার্থীরা জিতবেন। রীনা বরা যেহেতু দলের উপর আস্থা না রেখে নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, সেজন্য দল তো ওই আসন ফাঁকা রাখতে পারে না। তাই ওই আসনে দল অন্য জনকে দাঁড় করিয়েছে।

    শুধু রীনা বরাই নয়, তৃণমূল দলের টিকিট না পেয়ে পঞ্চায়েত সমিতির আরেক সদস্যা মঞ্জুলা লামা দলের স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে নির্দল হিসাবে দাঁড়িয়েছেন। মাল ব্লকের অধিকাংশ এলাকাই আদিবাসী অধ্যুষিত। এই অবস্থায় আদিবাসী ভোট এখন কোন দিকে যায়, সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শাসকদলে ফের ভাঙন, নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন উপপ্রধান!

    TMC: শাসকদলে ফের ভাঙন, নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন উপপ্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে শিলিগুড়ি লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা জুড়ে তৃণমূলের (TMC) ক্ষোভ-বিক্ষোভ চরমে উঠেছে। প্রার্থী তালিকায় নাম থাকবে না ধরে নিয়েই একাধিক তৃণমূলের নেতানেত্রী দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে স্থানীয় স্তরে দুই হেভিওয়েট নেতানেত্রী রয়েছেন। তাঁরা হলেন, ডাবগ্রাম-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী উপপ্রধান নির্মল বর্মন ও এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী পঞ্চায়েত সদস্য সন্ধ্যা রায়।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (TMC) নেতা?

    সময় যত গড়াচ্ছে, প্রার্থী তালিকা নিয়ে তৃণমূলের (TMC) মধ্যে বিদ্রোহ ততই ছড়িয়ে পড়ছে। মনোনয়ন পর্ব মেটার পর তৃণমূলের করুণ দশা আরও প্রকট হয়ে উঠবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেন। তার পরও কেন দিকে দিকে এত বিক্ষোভ, বিদ্রোহ? এ প্রশ্ন করছেন দলের নেতাকর্মীরা। ডাবগ্রামের তৃণমূলের উপ প্রধান নির্মল বর্মন বলেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভোটাভুটি করে পঞ্চায়েতের প্রার্থী তালিকা তৈরি হল। কিন্তু প্রক্রিয়ার পুরোটাই প্রহসন ছিল। কেননা ভোটাভুটিতে যাঁদের নাম প্রার্থী তালিকায় ছিল, তাঁদের প্রায় কেউই সেই তালিকা মতো টিকিট পাননি। যারা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করে আসছে তাদের চক্রান্ত করে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। কিছু নেতাদের পছন্দ মতো প্রার্থী তালিকা হয়েছে। এ কারণেই দলের একটা বড় অংশ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। দলের মধ্যে ভাঙন শুরু হয়েছে।

    কী বল তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতৃত্ব?

    জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের (TMC) মুখপাত্র দুলাল দেবনাথ বলেন, যাঁরা দলের থেকে নিজের স্বার্থকেই বড় করে দেখেন, তাঁরাই দলবদল করছেন বা নির্দল হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। এতে ভোটে তৃণমূলের কোনও ক্ষতি হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ঘর ওয়াপসি, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক  

    Jalpaiguri: ঘর ওয়াপসি, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাল (Jalpaiguri), রাজগঞ্জ এবং ধূপগুড়ি ব্লকের অনেকেই তৃণমূল ছাড়লেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনগুলিতে বড় চমকের ঘটনা ঘটল জলপাইগুড়ি জেলায়। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত মাল পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সভাপতি রীনা বরা নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন। আবার খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ বিবেকানন্দ পল্লি এলাকার বিদায়ী পঞ্চায়েত সদস্যা অঞ্জলি সরকার সহ শতাধিক তৃণমূলকর্মী বিজেপিতে ফিরলেন। একই সঙ্গে ধূপগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে প্রায় ৩৫ টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করল। জলপাইগুড়ি জেলায় সব মিলিয়ে একদিকে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক এবং অপরদিকে বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জেলার রাজনীতি বেশ সরগরম।

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) মাল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কেন তৃণমূল ছাড়লেন?

    তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত মাল পঞ্চায়েত (Jalpaiguri) সমিতির জন্য দলের প্রার্থী তালিকা এখনও ঘোষণা হয়নি। অথচ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দলের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ব্যক্ত করে গত সোমবার সরাসরি এসে বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দেন। মনোনয়ন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রীনা বরা বলেন, আমি একজন মহিলা। দলের ব্লক সভাপতি সুশীল প্রসাদের অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি, অনশন-ধর্নায় বসেছিলাম, দলের নেতৃত্বের কাছেও জানিয়েছি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সাময়িক ভাবে সুশীল প্রসাদকে সরিয়ে দিলেও আবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে তাঁকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে! বিচার না পেয়ে আমি তৃণমূল ছেড়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছি।

    ধূপগুড়ি ব্লকে ৩৫ টি পরিবারের বিজেপিতে যোগদান

    ধূপগুড়ি ব্লকের (Jalpaiguri) ঝাড় আলতা ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মমতা রায়ের বুথে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে প্রায় ৩৫ টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। এদিনই তৃণমূল দল ছাড়লেন রাজগঞ্জের শিকারপুর অঞ্চলের প্রধান রঞ্জিতা রায়। তাঁর সঙ্গে শতাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে জয়লাভ করে শিকারপুর অঞ্চলের প্রধান হিসেবে রঞ্জিতা রায় কাজ করেছেন। কিন্তু তাঁকে শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়নি, একের পর এক দুর্নীতি হয়েছে শিকারপুর অঞ্চলে। আর যার কারণে সোমবার তিনি তৃণমূল দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন।

    মেটেলি বাজার এলাকায় তৃণমূলে ভাঙন

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে মেটেলি বাজার এলাকায় তৃণমূলে ভাঙন। বিজেপিতে যোগ দিলেন মেটেলি (Jalpaiguri) বাজারের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সহ একাধিক তৃণমূল নেতা। মেটেলি বাজার হাটখোলায় ওই যোগদান সভা হয়। মেটেলি বাজারের শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় মাহাতো, ইনডং মাটিয়ালি অঞ্চলের তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি মনোজ মন্ডল, তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা রাজেন লোহার সহ একাধিক তৃণমূল নেতা এদিন বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নেন বলে জানা গেছে।

    খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ বিবেকানন্দ পল্লিতে শতাধিক ‘ঘর ওয়াপসি’

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ বিবেকানন্দ পল্লি এলাকার বিদায়ী পঞ্চায়েত সদস্যা অঞ্জলি সরকার, তাঁর স্বামী প্রশান্ত সরকার সহ শতাধিক মানুষ বিজেপিতে ফিরলেন। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন অঞ্জলি সরকার। পরে তিনি ও তাঁর স্বামী তৃণমূলে যোগ দেন। অভিযোগ, চাপ দিয়ে তাঁদের তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছিল। আজ সেই চাপ দূরে সরিয়ে রেখে অনুগামীদের নিয়ে ঘর ওয়াপসি করলেন তাঁরা। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগত জানান বিজেপি নেতা সৌজিৎ সিংহ, জীবেশ দাস, অলীক দত্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই অভূতপূর্ব যোগদানে এই জেলা থেকে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: “টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হচ্ছে,” সরব তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    Panchayat Election: “টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হচ্ছে,” সরব তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হয়েছে। শাসক দলের প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা করা শুরু করেছেন। আর তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই জেলার মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লকে গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্য চলে এসেছে। শনিবার বিডিও অফিসের সামনে তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মেহেবুব আলমের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে বিক্ষোভ সামাল দেয়।

    ঠিক কী অভিযোগ তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতির?

    তৃণমূলের ক্রান্তি ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি মেহবুব আলম বলেন, যোগ্য প্রার্থীদের পরিবর্তে পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। আর এসবই করছেন বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মহাদেব রায়। তিনি বৈষম্যের রাজনীতি করছেন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন যোগ্য প্রার্থীদের টিকিট দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। আর সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বর্তমান ব্লক সভাপতি প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের ব্রাত্য করে রেখে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের টিকিট দিচ্ছেন। দলের কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই তিনি একাই সিদ্ধান্ত নিয়ে এসব কিছু করছেন। বিরোধীদের সুবিধা করে দেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি এসব করছেন। এসব বন্ধ না হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবি হবে।

    কী বললেন তৃণমূলের বর্তমান ব্লক সভাপতি?

    এবিষয়ে বর্তমান ব্লক সভাপতি মহাদেব রায় বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে, তাঁর যদি কোনও বক্তব্য থাকে সেটা আমাদের কাছে বলতে পারতেন। এভাবে সংবাদ মাধ্যমের কাছে খোলাখুলি এসব কিছু বলে তিনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন। টিকিট দেওয়ার বিষয়ে আমার কোনও হাত নেই। ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব এটা ঠিক করবেন। এদিকে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) মুখে  প্রাক্তন ও বর্তমান ব্লক সভাপতির একে অপরকে আক্রমণের  ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছেন দলের সাধারণ কর্মীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share