Tag: Jamaat

Jamaat

  • Bangladesh Crisis: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    Bangladesh Crisis: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) জামাত-ই-ইসলামির (Jamaat E Islami) যোগ। গোয়েন্দা বিভাগ এ খবর আগেই দিয়েছিল। এবার ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের আচরণে গোয়েন্দাদের সেই দাবি আরও জোরালো হল। কারণ সম্প্রতি জামাতকে সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। জামাতের আমির সফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন চিনা রাষ্ট্রদূত। সেখানে জামাত প্রশস্তি শোনা যায় ওয়েনের মুখে।

    বাংলাদেশ আছে সেই তিমিরেই (Bangladesh Crisis)

    বর্তমানে বাংলাদেশের রাশ রয়েছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পরেই দায়িত্ব দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারকে। হাসিনার জমানায় জামাতের বাড়বাড়ন্তে রাশ টানতে নানা পদক্ষেপ করেছিল বাংলাদেশ সরকার। দেশে পালাবদল ঘটতেই পোয়া বারো জামাতের। এই জামাতকেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল হাসিনা সরকার। হাসিনা-উত্তর জমানায় ব-কলমে তারাই রাজ করছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই দেশে পালাবদল হলেও, সোনার বাংলার দৃশ্যপট বদলায়নি এতটুকুও।

    জামাত-চিন বৈঠক

    বিভিন্ন রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে আলোচনা হয়েছে জামাত নেতা ও চিনা রাষ্ট্রদূতের মধ্যে। দুই নেতাই নিজের নিজের দেশের জনগণ ও সরকারের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার অঙ্গীকার করেছেন (Bangladesh Crisis)। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের পর জামাত-ই-ইসলামির কার্যালয়ে প্রথম বিদেশি কোনও কূটনীতিকের সফর ছিল এটা। জামাত-ই-ইসলামির আমিরের সঙ্গে বৈঠকের পর চিনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে একটি সুন্দর দেশ হিসেবে প্রশংসা করেছেন। জমাতের গায়ে সাঁটিয়ে দিয়েছেন সুসংগঠিত দলের তকমা। চিনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশবাসীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে চিনের ইচ্ছের কথা জানান। দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছে মণিপুরে, বললেন ভাগবত

    বৈঠক শেষে ইয়াও বলেন, “চিনের অন্তবর্তী সরকার সব রাজনৈতিক দল এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের সঙ্গে মত বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হল, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করা। চিন-বাংলাদেশের সামগ্রিক কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, যা শেষ পর্যন্ত উভয় দেশ ও তাদের মানুষের জন্য (Jamaat E Islami) আরও বেশি বেনিফিট বয়ে আনবে (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: অশান্তির জের, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে জামাত, বড় সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার

    Bangladesh: অশান্তির জের, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে জামাত, বড় সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: অশান্ত বাংলাদেশকে (Bangladesh) শান্ত করতে মোক্ষম দাওয়াই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেবল জামাত নয়, এই ইসলামিক সংগঠনের ছাত্র সংগঠনকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। 

    জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তার জেরে মৃত্যু হয় অন্তত ২০০ জন নাগরিকের। এই অশান্তির নেপথ্যে উগ্রপন্থী ইসলামিক সংগঠন জামাত (Jamaat E Islami) বলে অভিযোগ। তার জেরেই জামাত এবং তার ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে সে দেশের সরকার। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সরকারের তরফে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, বুধবারের মধ্যে জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে। সরকারের তরফে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলেও জানান তিনি।  

    জামাতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল আগেও

    হাসিনা সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জোট সরকারের ১৪টি দলের তরফে জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রস্তাব জমা পড়েছিল। সেই সব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। জামাত কট্টরপন্থী। ২০১৮ সালেই হাইকোর্টের একটি রায়ে জামাতকে কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন বলে উল্লেখ করেছিল উচ্চতর আদালত। তার পর বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তালিকা থেকে বাদ দেয় জামাতের নাম।

    কাফেরদের রক্তেই জ্বলজ্বল করে তাঁর অস্ত্র! এমনটাই তলোয়ারের হাতলে লিখেছিলেন টিপু

    দেশের অগ্নগর্ভ পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনে বৈঠকে বসেন জোটের নেতারা। সেখানেই জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী জানান, হিংসা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় হাত রয়েছে জামাতের। বৈঠকে তুলে ধরা হয় গোয়েন্দা রিপোর্টও। তার পরেই গৃহীত হয় জামাত ও তার ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত।

    সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দল (শাসক দলও বটে) আওয়ামি লিগ। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “দেশের স্বার্থে ১৪ দলের রাজনৈতিক জোট জামাত ও ছাত্র শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশ থেকে দেশ-বিরোধী শক্তিকে বিচ্ছিন্ন করতেই (Jamaat E Islami) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পে

     

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) মুসলমানদের কোনও ভয় নেই। মঙ্গলবারই একথা বলেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর এই বক্তব্যে শিলমোহর দিলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মওলানা সাবাবউদ্দিন রাজভি বেরেইলভি। তিনি বলেন, আমি তাঁর (মোহন ভাগবত) বক্তব্যকে পূর্ণ সমর্থন করি। এবং এটা ঘটনা যে ভারতে মুসলমানেদের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রয়েছে। ভারতে মুসলমানেরা গর্বের সঙ্গে বসবাস করছেন।

    জামাতের জাতীয় সভাপতি বলেন…

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি বলেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারে মুসলিমদের প্রতিনিধি কম। তাঁদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, তবে সরকারে মুসলমানদের প্রতিনিধি কতজন থাকবেন, তাঁদের কবে জায়গা দেওয়া হবে, তা স্থির করবেন হায়ার লেভেলের লোকজন। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের চাকরিতে মুসলমানদের ব্যালেন্সড শেয়ারও চাইছেন মওলানা সাবাবউদ্দিন রাজভি বেরেইলভি। তিনি বলেন, ভারতে প্রচুর সংখ্যক সুন্নি সুফি বেরেইলভি মুসলমান রয়েছেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁরাই সিংহভাগ। তাই তাঁদেরই কেন্দ্র কিংবা রাজ্য সরকারের চাকরিতে ব্যালেন্সড শেয়ার থাকা উচিত।

    আরও পড়ুুন: ‘আমরা ফের এই দেশ শাসন করব’, মুসলমানদের এই ধারণা ছাড়তে হবে, বললেন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, এদিন একটি অনুষ্ঠানে ভারতে মুসলমানেরা সুরক্ষিতই রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, আসল সত্যটা হল এই হিন্দুস্তান হিন্দুস্তানই থাকবে। তবে ভারতে যে মুসলমানরা বসবাস করছেন, তাঁদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের দেশের মুসলমানেরা নিরাপদে এবং সুরক্ষিতই রয়েছেন। আজকের ভারতে তাঁদের কোনও ক্ষতি হচ্ছে না। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা (মুসলমানেরা) যদি চান, তবে তাঁরা তাঁদের ধর্ম পথে থাকতে পারেন। সংঘ প্রধান আরও বলেন, তাঁরা যদি তাঁদের পূর্ব পুরুষের ধর্মপথে যেতে চান, তবে তাঁরা তা পারেন। তিনি (Mohan Bhagwat) বলেছিলেন, এটা তাঁদের পছন্দের ব্যাপার। হিন্দুদের এ ব্যাপারে কোনও জেদ নেই। মোহন ভাগবত বলেন, ইসলামের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে একই সঙ্গে মুসলমানদের আধিপত্যের ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jamaat E Islami: জামাতের ৯০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল প্রশাসন

    Jamaat E Islami: জামাতের ৯০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-ইসলামির (Jamaat E Islami) ৯০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল প্রশাসন। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) অনন্তনাগ জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ওই সব সম্পত্তি। প্রশাসন সূত্রে খবর, শনিবারই ওই সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসকের অর্ডার পেয়ে স্টেট ইনভেস্টিগেশান এজেন্সির অনুমোদন পাওয়ার পর দক্ষিণ কাশ্মীরের জেলায় জামাত-ই-ইসলামির ওই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    স্টেট ইনভেস্টিগেশান এজেন্সি…

    স্থানীয় প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, স্টেট ইনভেস্টিগেশান এজেন্সিই (SIA) প্রথম আবিষ্কার করে জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-ইসলামির কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, আজ অনন্তনাগ জেলার এগারোটি জায়গায় ৯০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি সিল করে দেওয়া হয়েছে। এদিন যেসব সম্পত্তি সিল করে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে বসত বাড়ি, বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স, ফলের বাগান এবং জমি। প্রশাসন সূত্রে খবর, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন রোধে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জামাত-ই-ইসলামির এই সব সম্পত্তি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জি-২০ শীর্ষ সম্মলেন ভারতের নেতৃত্ব দেওয়াটা একটা সুযোগ, গর্বের মুহূর্ত, বললেন মোদি

    চলতি বছরের মার্চ মাসের শুরুতে কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat E Islami) সংগঠনের ওপর পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল এবং এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত অনেকের সম্পত্তি সিল করে দিয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনী দক্ষিণ কাশ্মীরের অনেক জায়গায় অভিযান চালিয়ে দু ডজনেরও বেশি সদস্যকে গ্রেফতার করেছিল। মাস কয়েক আগে ভূস্বর্গে জামাত-ই-ইসলামির (Jamat-e-Islami) সঙ্গে সম্পর্কিত ফালাহ-ই-আম (Falah-e-Aam) ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত সব স্কুলে পঠনপাঠন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার।

    জম্মু-কাশ্মীরের স্কুল শিক্ষা বিভাগের মুখ্য সচিব বি কে সিং বলেছিলেন, ফালাহ-ই-আম ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত জম্মু-কাশ্মীরের স্কুলগুলিতে সমস্ত শিক্ষাক্রম অবিলম্বে বন্ধ হয়ে যাবে। স্থানীয় জামাত-ই-ইসলামি সংগঠনকে ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করেছে জম্মু-কাশ্মীর সরকার। সরকারের তরফে তখন জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছিল, এই নিষিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পাঠরত সব শিক্ষার্থীকে চলতি শিক্ষাবর্ষের জন্য কাছাকাছি সরকারি কোনও স্কুলে ভর্তি হতে হবে। প্রসঙ্গত, দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ১২টি স্কুল ফালাহ-ই-আম ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল। এসব ছাড়াও আরও ডজনখানেক প্রাথমিক ও মধ্যমস্তরের স্কুল ছিল তাদের। সব মিলিয়ে প্রায় ১১,০০০ ছাত্রছাত্রী ওই স্কুলগুলিতে পড়াশোনা করত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Madras HC: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras HC: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে গণেশ পুজো করতে গেলে জামাতের অনুমতি পত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কলোনির সকলকে নিয়ে গণেশ পুজো করতে চেয়েছিলেন কোয়েম্বাটোরের উক্কাদামের হাউজিং বোর্ড কলোনির বাসিন্দা মহালক্ষ্মী। গণেশ চতুর্থী থেকে শুরু করে চারদিন ব্যাপী পুজোর আয়োজনের কথা ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু প্যান্ডেল করার জন্য থানা থেকে সম্মতি চাইতে গেলেই বাধে বিপত্তি। অঞ্চলটি মুসলিম প্রধান হওয়ায় থানা সম্মতি দিতে রাজি হয় না। থানা থেকে সম্মতি না মেলায় আদালতের দ্বারস্থ হন মহালক্ষ্মী। সেই আবেদনের  ভিত্তিতেই এই নির্দেশ।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরেই এফএমসিজি বাজারে আত্মপ্রকাশ রিলায়েন্স রিটেলের, ঘোষণা মুকেশ-কন্যা ইশার

    মহালক্ষ্মীর আইনজীবী জানিয়েছেন, ওই এলাকাটিতে মুসলিমরা বাস করলেও পুজো-অর্চনা বা গণপতি আরাধনায় কারুর আপত্তি নেই। তাঁর আবেদনে বলা হয়েছে যে, কলোনির বাসিন্দারা গণেশের মূর্তি স্থাপন করে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করতে চান। আশেপাশের অঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিমদের এতে কোনও সমস্যা নেই। তারা উৎসবে অংশ নিতে চান। এমনকি ভোগ বিতরণেও তাদের সম্মতি রয়েছে। এরপরে পুলিশ-প্রশাসনের আপত্তি খাটে না।  তিনি আদালতকে অনুরোধ করেন, প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়ার জন্য পুলিশকে যেন নির্দেশ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    পুলিশের তরফে আদালতে বলা হয় মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় প্যান্ডেল করে পুজো করলে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। এখন না বোঝা গেলেও পরবর্তীতে সমস্যার সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। দুপক্ষের কথা শুনে মাদ্রাজ হাইকোর্ট মহালক্ষ্মীকে গণেশ প্যান্ডেল স্থাপনের আগে স্থানীয় জামাতের সম্মতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের তরফে বলা হয়, ” বিনায়ক মূর্তি স্থাপনের জন্য জামাত কমিটির অনুমতি-সহ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি হলফনামা দাখিল করতে হবে। তারপর তিনি গণেশ চতুর্থীর উৎসব পালন করুন।”  তবে পুজো অর্চনা করলেও কোনও মিছিল বা জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত। বলা হয় সমস্ত অনুষ্ঠান হাউজিং কলোনির মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ থাকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share