Tag: Jamaat-e-Islami

Jamaat-e-Islami

  • Sheikh Hasina: জামাত, ছাত্র শিবিরের মোকাবিলা জঙ্গি সংগঠনের মতোই, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

    Sheikh Hasina: জামাত, ছাত্র শিবিরের মোকাবিলা জঙ্গি সংগঠনের মতোই, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেমনভাবে জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে মোকাবিলা করা হয়, ঠিক সেইভাবেই জামাত ও ছাত্র শিবিরের মোকাবিলা করতে হবে। বাংলাদেশের কট্টরপন্থী ইসলামি জঙ্গি সংগঠন জামাতে-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) ও তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর, ঠিক এই ভাবেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। ইতিমধ্যে সেই দেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা, জামাত শিবিরের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ইসালামি জেহাদি সংগঠন আল-কায়দার যোগসূত্র থাকার চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত প্রকাশ্যে এনেছে।

    কী বললেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)?

    বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি নোটিশ দিয়ে এই দুই সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, “জামাত (Jamaat-e-Islami) ও ছাত্র শিবিরকে এখন থেকে জঙ্গি সংগঠন ধরেই মোকাবিলা করতে হবে। আমি নিশ্চিত, নিষিদ্ধ হওয়ার পরে এরা আত্মগোপনে করবে এবং নানা ধরনের নাশকতামূলক কাজ করবে। এতদিন রাজনৈতিক ভাবে জামাতের মোকাবিলার পথ চলেছিল। এখন আর উপায় নেই। এই বিপুল পরিমাণে প্রাণহানি এবং নাশকতার তদন্তে রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে সাহায্য চাইব।”

    নির্বাচন কমিশন আগেই জামাতকে অবৈধ বলেছে

    প্রায় অর্ধশতকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলি একাধিক সময়ে আন্দোলন করে দাবি তুলেছেন যে, জামাতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টেও আইনি লড়াইও চলছে। ইতিমধ্যে, বাংলাদেশের সংবিধানকে সর্বোচ্চ হিসেব স্বীকৃতি না দেওয়ার কারণে ২০১৮ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতে ইসলামিকে অবৈধ ঘোষণা করে সেদেশের নির্বাচন কমিশন। এবার, সেই দেশের সন্ত্রাস-বিরোধী আইনে পাকিস্তানি সেনাদের সহচর জামাতে ইসলামিকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করল হাসিনা (Sheikh Hasina) সরকার।

    আরও পড়ুনঃ অশান্তির জের, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে জামাত, বড় সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার

    পাঁচ হাজার ক্যাডারকে ঢাকায় আনা হয়েছিল

    সম্প্রতি বাংলাদেশে কোটা-বিরোধী আন্দোলনে, সাধারণ ছাত্রদের ঢাল করে দেশব্যাপি সন্ত্রাস, প্রাণহানি, লুটপাট, ধ্বংস, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদির মতো পরিস্থিতির জন্য জামাতে ইসলামি এবং তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবিরের বড় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছে সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা। আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গোয়েন্দারা দাবি করেন, গত তিন মাসে রাজশাহি, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, ফেনি, ফরিদপুর থেকে অন্তত পাঁচ হাজার ক্যাডারকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। দাহ্য, তেল, বিস্ফোরক, দেশি অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল। বাগমারা এলাকা থেকে প্রশিক্ষিত নিষিদ্ধ জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গিদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছিল। জেএমবি সরাসরি আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত। আন্দোলনের নামে বড়সড় নাশকতামূলক ছক করেছিল এই জামাত শিবির। তাই কড়া হাতে দমনের পথেই হাঁটছেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamaat-e-Islami: অ-মুসলিম মহিলাদের নিয়ে গেট টুগেদারের আয়োজন জামাতের, জল ঢালল ভিএইচপি

    Jamaat-e-Islami: অ-মুসলিম মহিলাদের নিয়ে গেট টুগেদারের আয়োজন জামাতের, জল ঢালল ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুষ্ঠানের পোশাকি নাম গেট টুগেদার। উদ্যোক্তা জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) হিন্দ। ওই অনুষ্ঠানে কোনও মুসলিম (Muslims) নয়, ডাকা হয়েছিল অ-মুসলিম সম্প্রদায়ের মহিলাদের। এঁদের মধ্যে যেমন কমবয়সীরা ছিলেন, তেমনি ছিলেন মধ্য বয়সীরাও। তেলঙ্গানার করিমনগর এলাকায় এই অনু্ষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে শুনে ততক্ষণাৎ পুলিশকে বিষয়টি দেখতে বলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) কর্মকর্তারা। এরপর পুলিশ ওই অনুষ্ঠানের অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। প্রত্যাশিতভাবেই বন্ধ হয়ে যায় অনুষ্ঠান।

    খবরে প্রকাশ, করিমনগরের ওই গেট টুগেদার অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল ইসলামিক সংগঠন, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) হিন্দ। সংগঠনের সদস্যরা চেয়েছিলেন গেট টুগেদারে অংশ নিন অ-মুসলিম মহিলারা। এজন্য তাঁরা ছাপিয়েছিলেন আমন্ত্রণপত্রও (Invitation Letter)। পরে সেটি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনায় ছড়ায় উত্তেজনা।

    জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) হিন্দের এই অনুষ্ঠানের বিষয়টি নজরে আসে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। ইসলামিক ওই সংগঠনের অনুষ্ঠান বন্ধে উদ্যোগী হয় তারা। করিমনগরের পুলিশকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলা হয় সংঘের তরফে। পুলিশকে অনুষ্ঠানের অনুমতি না দিতেও অনুরোধ করা হয়। এও বলা হয়, এই গেট টুগেদারের ফল হতে পারে মারাত্মক। অশান্তির আশঙ্কায় তড়িঘড়ি অনুষ্ঠানস্থলে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। যদিও তার আগেই এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জামাত অনুমোদিত স্কুল বন্ধ করল সরকার, কেন জানেন?

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) শাখা গৌ রক্ষার সভাপতি ভুতুকুরু রাধাকৃষ্ণাণ রেড্ডির অভিযোগ, লাভ জিহাদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টার অঙ্গ হিসেবেই আয়োজন করা হয়েছিল এমন একটি গেট টুগেদার অনুষ্ঠানের। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই অনুষ্ঠান হিন্দুদের আত্ম-শ্রদ্ধায় আঘাত হেনেছে। পুলিশ গেট টুগেদারের উদ্যোক্তা জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) হিন্দের সদস্যদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক, চাইছেন রাধাকৃষ্ণাণ রেড্ডি। পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলার পাশাপাশি হিন্দু মহিলাদেরও কোনও মূল্যেই এমন অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share