Tag: Jammu and Kashmir

Jammu and Kashmir

  • Rajnath Singh: ‘‘ভারতে যোগ দিন’’, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বার্তা রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘‘ভারতে যোগ দিন’’, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বার্তা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) বাসিন্দাদের বড় বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজনাথ বলেন, বিজেপিকে সমর্থন করুন। তারা যাতে কাশ্মীরে পরের সরকার তৈরি করতে পারে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) বিজেপি সরকার গড়লে এতটা উন্নয়ন করতে হবে, যাতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতের নাগরিক হতে চান।

    রাজনাথের বার্তা

    প্রসঙ্গত, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ দফায় জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। রবিবার জম্মু কাশ্মীরের রামবান এলাকায় নির্বাচনী প্রচার করেন রাজনাথ। জম্মু ও কাশ্মীরের আরও উন্নয়নের জন্য বিজেপিকে সমর্থনের আবেদন জানান তিনি। বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরে সরকার গড়ার জন্য বিজেপিকে সমর্থন করুন। যাতে জম্মু ও কাশ্মীরের আরও উন্নয়ন করতে পারে বিজেপি। আর সেই উন্নয়ন দেখে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা বলবেন, তাঁরা পাকিস্তানের সঙ্গে থাকতে চান না, তাঁরা ভারতের নাগরিক হতে চান।” কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) জানিয়েছেন, ভারত ওই জায়গাটি নিজের বলেই মনে করে। পাকিস্তানের মতো নয়, যারা ওদেরকে বিদেশি বলে মনে করে। এর জেরে আমরা প্রতিটি এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন করতে চাই। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানি অস্ত্রে ছেয়েছে বাংলাদেশ! সেনাকে তৈরি থাকার বার্তা রাজনাথের

    ভারতীয়রা আপনাদের আপনজন

    ন্যাশানাল কনফারেন্স ও কংগ্রেসের মধ্যে সমঝোতা ও ৩৭০ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তাদের আশ্বাসকে একহাত নেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানিয়েছেন বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে এটা কখনও সম্ভব হবে না। ৩৭০ ধারা বিলোপ হওয়ার পর থেকে যেভাবে কাশ্মীরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপারে কার্যকরী উন্নয়ন হয়েছে তার কথা উল্লেখ করেন রাজনাথ সিং। সম্প্রতি পাকিস্তানের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল একটি হলফনামায় বলেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) বিদেশি ভূমি ছিল। সেকথা উল্লেখ করে রাজনাথ বলেন, “আমি ওখানকার বাসিন্দাদের বলতে চাই, পাকিস্তান আপনাদের বিদেশি নাগরিক মনে করে। কিন্তু, ভারতের নাগরিকরা তা মনে করে না। তাঁরা আপনাদের আপনজন মনে করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘কংগ্রেস-কনফারেন্স জোট ক্ষমতায় ফিরলে জঙ্গিদের মুক্তি দিয়ে দেবে’’, জম্মুতে তীব্র আক্রমণ শাহের

    Amit Shah: ‘‘কংগ্রেস-কনফারেন্স জোট ক্ষমতায় ফিরলে জঙ্গিদের মুক্তি দিয়ে দেবে’’, জম্মুতে তীব্র আক্রমণ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) ভোটপ্রচারে গিয়ে ন্যাশনাল কনফারেন্স ও কংগ্রেস জোটকে তীব্র আক্রমণ শানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, ‘‘কংগ্রেস-কনফারেন্স জোট ক্ষমতায় এলে জঙ্গিদেরকে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে দেবে।’’ অমিত শাহের ভাষায়, ‘‘ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস চাইছে পাথর ছুড়ে যারা কাশ্মীরকে অশান্ত করত, তাদের মুক্তি দিতে।’’ সন্ত্রাসবাদকে রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলাতে পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠাতে চাইছে কংগ্রেস-কনফারেন্স জোট, এমন মন্তব্যও করেন তিনি।

    তিনটি পরিবার জম্মু-কাশ্মীরকে লুট করেছে (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স ছাড়াও মেহবুবা মুফতির ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সবাই জম্মু-কাশ্মীরকে সন্ত্রাসবাদের আগুনে ঠেলে দিতে চাইছে। এরপরেই তিনি বলেন, ‘‘তিনটি পরিবার জম্মু-কাশ্মীরকে লুট করেছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে সন্ত্রাসবাদ ফিরে আসবে। জম্মুকে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হবে, যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে আমরা সন্ত্রাসকে মাথা উঁচু করতে দেব না।’’

    আক্রমণ রাহুল গান্ধীকে 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) অমিত শাহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও তীব্র কটাক্ষ করেছেন এবং তিনি বলেছেন, ‘‘জম্মু কাশ্মীরের জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন রাহুল গান্ধী। রাহুল গান্ধী বলেছেন যে তিনি জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা দেবেন! রাহুল গান্ধীর কি সেই ক্ষমতা আছে? আমি সংসদে বলেছি যে নির্বাচনের পরে একটি উপযুক্ত সময় রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’’ অমিত শাহ শনিবার আরও বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পর প্রথমবারের জন্য জম্মু-কাশ্মীরের ভোটাররা তাঁদের ভোট দেবেন এবং এই ভোট তাঁরা দুটি পতাকার অধীনে নয়, একটি তেরঙ্গার নীচেই দেবেন, প্রথমবারের জন্য ভোট দেবেন তাঁরা দুটি সংবিধানের অধীনে নয়, বাবাসাহেব আম্বেদকর প্রণীত ভারতের সংবিধানের অধীনে।’’

    ১০ বছরে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলা ৭০ শতাংশ কমেছে

    শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, ‘‘১০ বছরে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলা ৭০ শতাংশ কমেছে।’’ প্রসঙ্গত, ৯০ আসনের জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা (Jammu And Kashmir) ভোট হবে তিন দফায়। ১৮ সেপ্টেম্বর ভোট হবে ২৪ আসনে। ২৫ সেপ্টেম্বর ভোট রয়েছে ২৬ আসনে এবং ১ অক্টোবর ভোট হবে ৪০ আসনে। গণনা ৮ অক্টোবর। প্রথম দফার ২৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি লড়ছে ১৬টিতে। শুক্রবারই বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেন শাহ। শনিবার থেকে প্রচার শুরু করলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: মোদির ১০ বছরে কাশ্মীরের ভাগ্য বদলে গিয়েছে, জানালেন দলের রাজ্য সভাপতি

    Jammu and Kashmir: মোদির ১০ বছরে কাশ্মীরের ভাগ্য বদলে গিয়েছে, জানালেন দলের রাজ্য সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) ভাগ্য এবং রাজনৈতিক চালচিত্র পরিবর্তন করে দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সবটাই উন্নয়নের ফলেই সম্ভব হয়েছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনিই বার্তা দিলেন উপত্যকার বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি রবিন্দ রায়না। এদিন এই সম্মেলনে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিশেন রেড্ডি, জিতেন্দ্র সিং। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই এই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, তাই এখন থেকেই বিজেপির প্রচারকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে।

    অনন্তনাগ-কুলগাম-শোপিয়ান-পুলওয়ামায় ব্যাপক সমর্থন (Jammu and Kashmir)

    জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি রায়না বলেন, “এই বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নিজেদের পূর্ণশক্তি দিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে লড়াই করবে। ভোটের আগেই বিজেপির প্রার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন পেতে শুরু করে দিয়েছেন। দলের প্রার্থীরা অনন্তনাগ, কুলগাম, শোপিয়ান এবং পুলওয়ামায় বিশেষ সমর্থন পেতে চলেছেন। আমি এই জন্য আমাদের রাজ্যের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রধানমন্ত্রীর জনমুখী নীতি আমাদের মানুষের সঙ্গে সংযোগকে আরও দৃঢ় করেছে। গত দশ বছরের গঠনমূলক উন্নয়নে কাশ্মীরের প্রত্যেক শিশু বলতে শিখেছে, “হর হর মোদি, ঘর ঘর মোদি।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের বিগত সরকার বিশেষ করে কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিডিপি যুগে মানুষের জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছিল। পাথর ছোড়া এবং বন্দুকের গুলি ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। রাজ্যের উন্নয়নে তাঁরা কোনও কাজ করেননি। কিন্তু কেন্দ্রে মোদিজির নেতৃত্বে বিরাট উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে এই রাজ্য। ধারা ৩৭০ বাতিল করা হয়েছে। এক বিধান, এক নিশান এবং এক প্রধানের মূল মন্ত্র এখন কাশ্মীরে মানুষ গাইছেন।”

    আরও পড়ুনঃহিন্দু মহিলাকে ইসলামে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, স্বামীর অভিযোগে গ্রেফতার অভিযুক্ত

    গতবারের বিধানসভায় ফলাফল কেমন ছিল?

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) ভোটগ্রহণ হবে ১৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর। গণনা হবে ৮ অক্টোবর। মোট আসনের ৭টি আসন তফশিলি জাতি, ৯টি আসন তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। মোট ভোটার ৮৮.০৬ শতাংশ। গতবারের নির্বাচনে মোট আসনের পিডিপি পেয়েছিল ২৮টি, বিজেপি ২৫টি, ন্যাশনাল কনফারেন্স ১৫টি, এবং কংগ্রেস ১২টি। পিডিপি এবং বিজেপি মিলে মুফতি মহম্মদ সাঈদের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়। পড়ে মুফতি মারা গেলে মেয়ে মেহবুবা মুফতি মুখ্যমন্ত্রী হন। পরবর্তী সময়ে বিজেপি মেহবুবার থেকে সমর্থন তুলে নেয়। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট ধারা ৩৭০ বাতিল হয়।  এরপর এবার হবে নির্বাচন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ ধাপে নির্বাচন জম্মু-কাশ্মীরে, ফল প্রকাশ ৪ অক্টোবর

    Jammu Kashmir: ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ ধাপে নির্বাচন জম্মু-কাশ্মীরে, ফল প্রকাশ ৪ অক্টোবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জম্মু-কাশ্মীর ছাড়াও নির্বাচন হবে হরিয়ানাতেও। ৩৭০ ধারা বিলোপের মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর অবশেষে জম্মু-কাশ্মীরে হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Elections Commission of India) তরফে জানানো হয়েছে, তিন ধাপে নির্বাচন হবে জম্মু-কাশ্মীরে। ১৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর ভোটগ্রহণ হবে। পাশাপাশি হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১ অক্টোবর। ভোটের ফলপ্রকাশ হবে ৪ অক্টোবর।

    কমিশন যা বলল

    হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে যথাক্রমে ৩ নভেম্বর ও ২৬ নভেম্বর। নির্বাচন কমিশন (Elections Commission of India) ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছিল। কারণ কমিশনকে এই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেন, “সম্প্রতিই আমরা জম্মু-কাশ্মীর পরিদর্শনে গিয়েছিলাম নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখার জন্য। অদ্ভুত উন্মাদনা দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ-সকলেই চান দ্রুত নির্বাচন হোক। লোকসভা ভোটের সময় জম্মু-কাশ্মীরে ভোটকেন্দ্রগুলিতে যে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল, তা শুধুমাত্র ভোটদানের জন্য নয়, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। সাধারণ মানুষ শুধু পরিবর্তনই নয়, সেই পরিবর্তনের অংশ হতে চেয়েছিলেন। ‘ব্যালেট ওভার বুলেট’-এর স্বপ্নই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উপত্য়কায় ৫১ শতাংশ ভোট পড়েছিল।”

    আরও পড়ুন: আরজি করে হামলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ, সন্দীপকে কড়া ধমক হাইকোর্টের

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশা

    ২০১৪ সালের পরে আবার জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিধানসভা ভোট হতে চলেছে। এর মধ্যে অবশ্য পূর্ণ রাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ করেছিল। সাবেক জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখে ভাগ করা হয়েছিল। তার তিন বছর আগেই অবশ্য রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার (Elections Commission of India) রাজীব কুমার বলেন, “কাশ্মীরী পরিযায়ী ভোটারদের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্পেশাল বুথ তৈরি করা হবে। ভোটারদের সুবিধার জন্য নাম নথিভুক্তকরণ ও ভোটদান প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানের জন্য সবরম প্রস্তুতি নেবে কমিশন।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu and Kashmir: স্বাধীনতা দিবসের আগে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে পালিত বিজেপির তেরঙ্গা যাত্রা

    Jammu and Kashmir: স্বাধীনতা দিবসের আগে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে পালিত বিজেপির তেরঙ্গা যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ১১ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত, হর ঘর তিরঙ্গার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে সোমবার কাশ্মীরেও দেখা গেল এই চিত্র। দেশপ্রেমের চেতনা এবং স্বাধীনতা দিবসর উদ্দীপনা উদযাপন করতে এদিন জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিজেপির যুব মোর্চার নেতৃত্বে বিরাট তেরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করে। এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অশোক কৌল তেরঙ্গা র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় দেশের স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব এবং ঐক্য-অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্যের ওপর জোর দেন তিনি। একইসঙ্গে উপত্যকার উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ে বিজেপির প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন কৌল।

    ঠিক কী বললেন কাশ্মীরের বিজেপি সংগঠন সম্পাদক (Jammu and Kashmir)?

    বিজেপি নেতা অশোক কৌল বলেন, “একজন ব্যক্তির প্রথম দায়িত্ব তাঁর দেশের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা। সেইসঙ্গে, রাষ্ট্রকে সর্বোপরি সম্মান প্রদান করে মাতৃভূমির জন্য সেবা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। তাই এই রাজ্যের (Jammu and Kashmir) প্রত্যেক মানুষকে তেরঙ্গা যাত্রার সমাবেশে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করব।” এই সমাবেশে জম্মু পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের সাংসদ যুগল কিশোর শর্মা, বিজেপি সহ-সভাপতি যুধবীর শেঠি, যুবমোর্চার সভাপতি অরুণ প্রভাত এবং অন্যান্যরা সমাবেশে যোগদান করেন।

    আরও পড়ুনঃ ভারতের জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপে আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    রাজৌরি, কাঠুয়াতে পালিত হল তেরঙ্গা র‍্যালি

    এদিনই রাজৌরিতে (Jammu and Kashmir) রাজ্য বিজেপি (BJP) সাধারণ সম্পাদক বিবোধ গুপ্তা একটি তেরাঙ্গা সমাবেশে অংশ নেন। কাশ্মীরের বাস্তুচ্যুত জেলাগুলিতে এদিন বিজেপি জেলা সভাপতি রোহিত গাঞ্জু, যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ডা. হিমজা মেঙ্গি সহ আরও অনেক নেতা এদিন তেরঙ্গা র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। আবার সানাসারে রামবান বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় মিডিয়া ইনচার্জ এস আমনদীপ সিং তেরঙ্গা সমাবেশে যোগদান করেন। অপর দিকে, কাঠুয়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রবীণ বিজেপি নেতা মুনীশ শর্মা একটি জাতীয় পতাকা নিয়ে পদ যাত্রা করেন। একইভাবে, যুব মোর্চার পক্ষ থেকে নাগরোটা বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে যুব শাখার রাজ্য সম্পাদক ডাঃ সুনীল ভরদ্বাজের নেতৃত্বে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠান পালন হয়। ভাদেরওয়াহ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ সিং উপস্থিত থেকে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করেন। জম্মু উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র ও খাজুরিয়াতেও তেরঙ্গা সমাবেশে লক্ষ্য করা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: চাপিয়ে দেওয়া নয়, ৩৭০ ধারা নিয়ে সিদ্ধান্ত জনগণের সম্মতিতে, জানালেন মোদি

    PM Modi: চাপিয়ে দেওয়া নয়, ৩৭০ ধারা নিয়ে সিদ্ধান্ত জনগণের সম্মতিতে, জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ধারা (Article 370) নিয়ে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেয়ে জনগণের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পেঙ্গুইন এন্টারপ্রাইজের প্রকাশনায় ‘৩৭০: আনডুয়িং দ্য আনজাস্ট, এ নিউ ফিউচার ফর জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর’- বইটিতে এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রকাশকরা জানিয়েছেন, বইটি এই মাসেই প্রকাশিত হতে চলেছে। 

    এই বইটির বিষয়বস্তু কী? (Article 370)  

    জানা গিয়েছে, বইটিতে বিশদভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কীভাবে মোদি নিজের লক্ষ্য অর্জন করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রকাশকরা বলেছেন, ”ভারতের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে এটি সর্বশ্রেষ্ঠ সাংবিধানিক কীর্তি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কীভাবে আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন তার ভিতরের ইতিহাস বর্ণিত আছে এই বইতে।” অর্থাৎ ১৯৪৭ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদের খসড়া তৈরি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সব কিছুরই উল্লেখ আছে এই বইতে। 

    আরও পড়ুন: বোনকে নিয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে হাসিনা, আপাতত ক্ষমতায় সেনা, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী?

    কাশ্মীরের ইতিহাস

    ১৯৪৭ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদের খসড়া তৈরি করেছিলেন শেখ আবদুল্লা। সেই সময় তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁকে নিয়োগ করেছিলেন মহারাজা হরি সিং এবং জওহরলাল নেহরু। তবে অস্থায়ী ভাবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার ব্যাপারে রাজি ছিলেন না আবদুল্লা। তিনি স্থায়ীভাবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। তবে তাতে রাজি ছিল না কেন্দ্র।  

    অগ্রিম প্রশংসা বিদেশমন্ত্রীর 

    বইটির জন্য অগ্রিম প্রশংসা করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিশিষ্ট বিবরণ যা জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়ন এবং নিরাপত্তার পটভূমিকে সঠিক ভাবে প্রকাশ করেছে। এই বইটির মাধ্যমে কীভাবে পূর্ববর্তী যুগের রাজনৈতিক গণনা এবং ব্যক্তিগত প্ররোচনাগুলি শেষ পর্যন্ত জাতীয় অনুভূতি দ্বারা প্রতিহত হয়েছিল তা প্রকাশিত হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ফের আগুন, আবারও পুড়ল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বাড়ি, নাশকতা?

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ফের আগুন, আবারও পুড়ল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বাড়ি, নাশকতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে ভূস্বর্গে আগুন জ্বালানোর সুযোগ করে দিয়েছিল কংগ্রেস। যার জেরে ভিটেছাড়া হতে হয়েছিল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit)। তাঁদের ফেলে আসা (Jammu And Kashmir) জমি-জিরেত দখল করে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে কড়া হাতে জঙ্গি দমন করে উপত্যকায় অশান্তির আগুনে জল ঢালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকে মোটামুটি শান্তই জম্মু-কাশ্মীর।

    পুড়ল পাঁচ বাড়ি (Jammu And Kashmir)

    মঙ্গলবার গভীর রাতে ফের অশান্তির আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গেল পাঁচ-পাঁচটি বাড়ি। সবগুলোই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার মাত্তান এলাকার ঘটনা। মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দিতেই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়িগুলিতে। তাঁরা যাতে ভূস্বর্গে আর না ফেরেন, তাই নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে হুমকি দেওয়া হল ভিটে ছেড়ে আসা পণ্ডিতদের।

    নিভল আগুন 

    আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন মাত্তানের এসএইচও। পুলিশ ও দমকলকে সঙ্গে নিয়েই আসেন তিনি। ঘণ্টা চারেকের চেষ্টায় আগুন আয়ত্তে আসে (Jammu And Kashmir)। এসএইচও-র আশ্বাস, তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। দমকলের আধিকারিক নাসির আহমেদ বলেন, “খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে চলে আসি। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় ঘণ্টা চারেকের মধ্যেই আগুন আয়ত্ত্বে আসে।”

    বুধবার গভীর রাতের এই আগুনের দিন দুয়েক আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল এই মাত্তান এলাকায়ই। সেদিন কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের তিনটি বাড়ি পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে ফের অগ্নিকাণ্ড। এবং লক্ষ্যবস্তু পণ্ডিতদের বাড়িই।

    আরও পড়ুন: অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান জনসংখ্যা, চোখ কপালে তুলবে পরিসংখ্যান

    কাশ্মীর সারদাপীঠ আস্থাপনের সভাপতি রবীন্দ্র পণ্ডিত জানান, এই বাড়িগুলির বাসিন্দারা সকলেই বাইরে থাকেন। তাঁরা কাশ্মীরি উদ্বাস্তু। বাড়িগুলিতে কেউ থাকেন না। তাই শর্ট সার্কিট কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই। স্পষ্টতই এটা নাশকতার ঘটনা। তিনি বলেন, “সংখ্যালঘু সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব জেলার ডেপুটি কমিশনারের। তিনি উপযুক্ত পদক্ষেপ করছেন না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit) ফেলে যাওয়া সম্পদ রক্ষায় সরকার পদক্ষেপ করুক।” পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানান তিনি (Jammu And Kashmir)।

    অল টেম্পলস অ্যান্ড শ্রাইনস ইন সাউথ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট অশোক কুমার বলেন, “আমরা এতে ভীত নয়, পরোয়াও করি না। ১৯৯০ সাল থেকে এই হুমকি আমরা পাচ্ছি। কিন্তু এটা আমাদের জন্মভূমি। আমরা আমাদের মন্দির ও বিল্ডিংগুলো সংস্কার করছি। ওদের কাজে আমরা পিছিয়ে আসব না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সম্পত্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিহত জওয়ান, খতম এক পাকিস্তানি

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিহত জওয়ান, খতম এক পাকিস্তানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্গিল বিজয় দিবসের পরের দিনই নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হল কাশ্মীর উপত্যকায় (Jammu Kashmir)। শনিবার কুপওয়ারার (Kupwara) কামকারি এলাকায় নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত এক মেজর-সহ পাঁচ সেনা। ভারতীয় জওয়ানদের পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গির। 

    কী ঘটেছিল

    সেনা সূত্রে খবর, শনিবার ভোরে এলওসি-তে ওই হামলার (Jammu Kashmir) ঘটনায় পাক সেনার নর্দার্ন লাইট ইনফ্যান্ট্রি এবং জঙ্গিদের যৌথবাহিনী ‘বর্ডার অ্যাকশন টিম’ (ব্যাট) জড়িত। শুক্রবার ওই এলাকায় জঙ্গিদের গতিবিধির ‘খবর’ এসেছিল। তারই ভিত্তিতে অভিযানে নেমে হামলার মুখোমুখি হয় সেনা।

    ব্যাট কি

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা এই বাহিনীর সাহায্যেই উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করে। এখন জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের সময় ভৌগোলিক অবস্থান জানার জন্য অত্যাধুনিক জিপিএস ব্যবহার করছে। তাদের মোকাবিলায় সেনাও উন্নততর প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছে।

    পরপর সংঘর্ষ

    শুক্রবার কার্গিল বিজয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী নেরন্দ্র মোদি জঙ্গিদমনে আরও কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ঠিক তার পরের দিনই উপত্যকায় জঙ্গি হামলা (Kupwara)। এর আগে গত ২৪ জুলাই লোলাব এলাকায় অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে এক সেনার মৃত্যু হয়েছিল। সেনার তরফে জানানো হয়, ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি এখন কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Terrorist attack: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    Terrorist attack: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝরল রক্ত। ফের অশান্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir)। সোমবার সাতসকালে রাজৌরির সেনাঘাঁটিতে বড়সড় জঙ্গিহানার (Terrorist attack) খবর মিলল। ঘটনার পরে ইতিমধ্যেই গোটা এলাকায় নেমেছে সেনা, চলছে তল্লাশি অভিযান। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে জঙ্গিরা এ দেশে ঢুকে কাশ্মীরে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তাদের খুঁজে বার করতে জম্মুতে মোতায়েন করা হয়েছে প্যারা স্পেশ্যাল ফোর্সের ৫০০ জন কমান্ডোকে। শুধু তাই নয়, উপত্যকায় বাহিনী পুনর্বিন্যাসের কথাও ভাবছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorist attack) 

    নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, সোমবার ভোরে প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ নিয়ে একদল জঙ্গি জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরির সেনাছাউনিতে অতর্কিতে হামলা চালায়। ভোর চারটে নাগাদ প্রথমে গুলি চালানো শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানেরাও। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে গুলির লড়াই। জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক জওয়ান জখম হয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে পেরে না উঠে পিছু হটতে বাধ্য হয় জঙ্গিরা। বানচাল হয় জঙ্গি নাশকতার ছক। এ প্রসঙ্গে সেনা মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনীল বার্টওয়াল বলেন, ”রাজৌরির একটি দূর প্রান্তের গ্রামের সেনা ঘাঁটিতে বড়সড় হামলা চালিয়েছে সেনারা। জঙ্গিদের ধরতে অপারেশন চলছে।”
    প্রসঙ্গত, শনিবারই সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জম্মুতে গিয়েছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ও অন্যান্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনা করেছেন উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। সেই বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সেনা ছাউনিতে হামলা (Terrorist attack) চালাল জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুন: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে ১০ লাখ ডলার দেবে ভারত! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    এটাই প্রথম নয়, এর আগেও গত কয়েক বছরে একের পর এক জঙ্গি হামলার (Terrorist attack) খবর মিলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। সপ্তাহ দুয়েক আগে রাজৌরি জেলার মাঞ্জাকোটে সেনা ক্যাম্পের কাছে গুলি চালানোর খবর এসেছিল। সে সময় জঙ্গিরা মাঞ্জাকোটের ওই সেনা ক্যাম্পে রাতের অন্ধকারে হামলা চালানোর ছক কষে। সেনার সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষে আহত হয় এক জওয়ান। এর দিন ছয়েক আগে ডোডা জেলাতেও নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষ চলে। প্রাণ হারান একজন ভারতীয় সেনা অফিসার সহ চারজন নিরাপত্তারক্ষী। ফলে সব মিলিয়ে জম্মু এলাকায় ৩২ মাসে ৪৮ জন সেনা শহিদ হয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অনুপ্রবেশ করেছে প্রশিক্ষিত পাকিস্তানি জঙ্গি। সেই কারণেই আরও আঁটসাঁট করা হল ভূস্বর্গের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর (Indian Army), প্রায় ৫০০ প্যারা স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে ৫০ থেকে ৫৫ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। এলাকায় অশান্তির ছক কষেছে তারা। এদেরই দমন করতে মোতায়েন করা হচ্ছে ওই কমান্ডোদের।

    গোয়েন্দা তৎপরতা তুঙ্গে (Jammu And Kashmir)

    অভিযান চালানোর আগে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। এই অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দাদের তৎপরতাও। এই জঙ্গিদের কারা সাহায্য করছে, কোথা থেকেই বা রসদ জোগাড় করছে, সেসবও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। ভারতীয় সেনার তরফে টহলদারির জন্য অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে রয়েছেন সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার দক্ষ সেনা। জঙ্গি দমনের ছকও কষে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    জঙ্গি মোকাবিলায় গুচ্ছ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ও উন্নত কমিউনিকেশন ডিভাইস রয়েছে এই জঙ্গিদের হাতে। তাদের হাতে চলে এসেছে আফগানিস্তানে নেটো ও মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অত্যাধুনিক সব অস্ত্র (Jammu And Kashmir)। জঙ্গিদের সেই অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা। এদের মোকাবিলায় তাই মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষ সেনা। এই এলাকায় সন্ত্রাস-বিরোধী পরিকাঠামোও সম্প্রতি গড়ে তুলেছে ভারতীয় সেনা। যাতে রয়েছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের দুটি ব্যাটেলিয়ন – রোমিও এবং ডেল্টা ফোর্স। এর পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন রেগুলার ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। জঙ্গি কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিয়ে সেই উন্নয়ন যজ্ঞই ব্যাহত করতে চাইছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই ভারতে জঙ্গি ঢুকিয়ে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায় পাক সরকার। এতে লাভ হয় দু’দিক থেকে। এক, ‘হা-ভাতে’র দেশ পাকিস্তানে অনায়াসেই মেলে জঙ্গি হওয়ার জন্য তাজা রক্ত। আর দুই, ‘যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা’ চালিয়ে গেলে দেশে বয়ে যায় দেশপ্রেমের বন্যা। তখন আর অনাহার-অপুষ্টি নিয়ে (Indian Army) বিশেষ মাথা ঘামায় না কেউ। তাই ভূস্বর্গে (Jammu And Kashmir) নিরন্তর জ্বলতে থাকে অশান্তির গনগনে আগুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share