Tag: Jammu and Kashmir

Jammu and Kashmir

  • Article 370: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    Article 370: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের সঙ্গে সহমত দেশের শীর্ষ আদালত। ৩৭০ ধারা (Article 370 in Jammu and Kashmir) একটি ‘অস্থায়ী বিধান’। রাষ্ট্রপতির হাতে এটি বাতিল করার ক্ষমতা ছিল। সোমবার এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত আরও জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর সাংবিধানিক পরিষদ ভেঙে যাওয়ার পরেও ৩৭০ ধারা রদের বিজ্ঞপ্তি জারি করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির আছে। উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, এটি আশা, অগ্রগতি এবং ঐক্যের বার্তা দেয়। 

    ৩৭০ ধারা কী?

    ৩৭০ ধারা ভারতীয় সংবিধানের একটি অস্থায়ী সংস্থান (‘টেম্পোরারি প্রভিশন’)। এই ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে (Article 370 in Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। সংবিধানের ১১ নম্বর অংশে অস্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং বিশেষ সংস্থানের কথা বলা হয়েছে। সেই অনুযায়ীই জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সংবিধানের ধারাগুলি অন্য সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

    কবে অন্তর্ভুক্ত?

    ৩৭০ ধারা সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর। এই ধারা বলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়। এই ধারা বলে ওই রাজ্যে সংসদের ক্ষমতা সীমিত। ১৯৪৭ সালে এই ৩৭০ ধারার খসড়া প্রস্তুত করেন শেখ আবদুল্লা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী মহারাজা হরি সিংহ এবং জওহরলাল নেহরু তাঁকে নিয়োগ করেন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপালের জন্য সদর-এ-রিয়াসত চালু ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বদলে ছিল প্রধানমন্ত্রী। যদিও ১৯৬৫ সালের পর তা উঠে যায়।

    ৩৭০ ধারায় বিশেষ সুবিধা

    ৩৭০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসের আগে পর্যন্ত প্রতিরক্ষা, বিদেশ, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্রের। জম্মু ও কাশ্মীরে কোনও আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে রাজ্যের সম্মতি নিতে হত। তাছাড়া আলাদা পতাকাও ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের। ৩৭০ ধারার (Article 370 in Jammu and Kashmir) অধীনেই ছিল ৩৫এ ধারা। এই ৩৫এ ধারা অনুযায়ী কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাও বিশেষ সুবিধা পেতেন। স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া অন্য রাজ্যের কেউ সেখানে স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারতেন না। কিনতে হলে অন্তত ১০ বছর জম্মু-কাশ্মীরে থাকতে হত। এবার যে কোনও রাজ্যের বাসিন্দা সেখানে জমি কিনতে পারবেন।

    ৩৭০ ধারার ইতিহাস

    ১৯৪৭ সালের ২৬ শে অক্টোবর শেষ শাসক মহারাজা হরি সিং জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের পক্ষে আনার ক্ষেত্রে একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন। ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর, তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন সেই চুক্তি অনুমোদন করেন। পুরো বিষয়টি কয়েকটি ক্ষেত্রের মধ্যেই সীমাবন্ধ ছিল। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ ধারা ৩৭০ অনুযায়ী প্রথম আদেশ জারি করেন। যা ছিল জম্মু এবং কাশ্মীরের জন্য। যার মাধ্যমে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করা হয় এবং যা সূচিবন্ধ করা হয়। ১৭ নভেম্বর, ১৯৫৬ সালে জম্মু-কাশ্মীরের সংবিধান হয়। ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং থাকবে , সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার

    ২০১৯ সাল, ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় মোদি সরকার। আর সেই মতো পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয় জম্মু এবং কাশ্মীরকে ভেঙে। মোদি সরকারের এহেন সাহসী সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। আইনগত এবং সংবিধানিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত কতটা বৈধ, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কেন্দ্রের যুক্তি, দেশের সংবিধান সভা জম্মু ও কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারায় বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন দেশে সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৫৭ সালে সংবিধান সভা ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় ৩৭০ ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হলেও সেই মর্যাদা স্থায়ী ছিল না, বরং ছিল ‘অস্থায়ী সংস্থান’ ওই অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর উপধারায় বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ইচ্ছে করলে ওই ‘বিশেষ মর্যাদা’ তুলে নিতে পারেন। রাষ্ট্রপতির ওই ক্ষমতাকে ব্যবহার করেই ২০১৯ সালে ‘বিশেষ মর্যাদা’ প্রত্যাহার করে মোদি সরকার। 

    সুপ্রিম সিদ্ধান্ত

    যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জম্মু ও কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা (Article 370 in Jammu and Kashmir) প্রয়োগ করা হয়েছিল। তা ছিল অস্থায়ী ব্যবস্থা। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। তাই জম্মু কাশ্মীর থেকে কেন্দ্রের ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই। এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বলল, ৩৭০ ধারা ছিল অস্থায়ী। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরে তাদের সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে সমর্পণ করেছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GPS Anklet: ‘জিপিএস বেড়ি’ পরানো হল জঙ্গির পায়ে, ইতিহাস তৈরি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের

    GPS Anklet: ‘জিপিএস বেড়ি’ পরানো হল জঙ্গির পায়ে, ইতিহাস তৈরি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবার জঙ্গিদের গতিবিধি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে! সাধারণভাবে জিপিএস সিস্টেমকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই নির্ণয় করা যায় কোনও বস্তুর অবস্থান এবং গতিবিধি। এবার এই সিস্টেমকে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, তাও আবার সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ দমনের ক্ষেত্রে। জামিনে মুক্তি পাওয়া এক জঙ্গির গতিবিধির উপর নজর রাখার জন্য তার পায়ে পরানো হল ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’ (GPS Anklet)। 

    কী এই ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’?

    আদতে ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’ (GPS Anklet) হল অনেকটা নুপূরের মতো। পায়ের গোড়ালিতে তা পরিয়ে দেওয়া হয়। এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই নির্ণয় করা যায় ওই ব্যক্তি কোথায় যাচ্ছে? কী তার গতিবিধি রয়েছে? ইত্যাদি। কোনও ব্যক্তি যদি এটা খুলে ফেলতে চায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সংকেত চলে আসে পুলিশের কাছে। যে স্থানে সে এটা খুলছে, সেই অবস্থানও জানতে পারে পুলিশ। জামিনে মুক্তি পাওয়া গুলাম মহম্মদ ভাটের পায়ে শনিবারই জিপিএস পরিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। আগামী দিনে এই যন্ত্রের আরও ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে ভূ-স্বর্গের প্রশাসন। ভারতে এই যন্ত্র প্রথমবারের জন্য ব্যবহার করা হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে জামিনে মুক্ত আসামিদের কিংবা গৃহবন্দীদের গতিবিধির উপর নজর রাখতে জিপিএস সিস্টেম (GPS Anklet) ব্যবহার করা হয়।

    গুলাম মহম্মদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    জানা গিয়েছে, জঙ্গি গুলাম মহম্মদ ভাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, সন্ত্রাসবাদীদের আড়াই লাখ টাকা তহবিল দেওয়ার। সেই টাকা দিতে যাওয়ার আগেই অবশ্য গ্রেফতার করা হয় গুলাম মহম্মদকে। তার বিরুদ্ধে ইউএপিএ-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে তার যোগসূত্রের প্রমাণও মিলেছে। জানা গিয়েছে, গুলাম মহম্মদ সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিল নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের। ওই সংগঠনের নির্দেশেই সে সন্ত্রাসবাদকে ফান্ডিং করত বলে অভিযোগ। সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ এবং নাশকতার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দিল্লির পাতিয়ালা হাউসের এনআইএ আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপর গুলাম মহম্মদ জামিনের আবেদন করে। সেই মামলার শুনানি মুলতবি থাকাকালীন সে অন্তবর্তী জামিনে মুক্তি চায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। তবে শনিবার তাকে মুক্তি দেওয়ার সময়ই ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’ (GPS Anklet) পরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার পায়ে।

    কী বলছে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন?

    জম্মু-কাশ্মীরের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় পুলিশ আধিকারিক জানাচ্ছেন, সম্প্রতি এনআইএ আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইউএপিএ আইনে জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর শর্তাবলী আরোপ করার। মুক্তির পরেও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপর কড়া নজর রাখা উচিত বলে পর্যবেক্ষণে জানায় আদালত। তারপর এনআইএ আদালতের নির্দেশেই অভিযুক্তের পায়ে জিপিএস পরানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশে জঙ্গি দমনে নতুন প্রযুক্তির (GPS Anklet) ব্যবহার দেখা গেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: শ্রীনগরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা

    Jammu And Kashmir: শ্রীনগরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতাধিক মানুষকে হাঁটতে দেখা গেল শ্রীনগরের (Jammu And Kashmir) তিরঙ্গা যাত্রায়। যার নেতৃত্বে থাকলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। রবিবার উপত্যকার এই তিরঙ্গা যাত্রা নিয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের মন্তব্য, ‘‘আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত তিরঙ্গাকে সম্মান করা এবং তার মর্যাদা রক্ষা করা।’’ উপত্যকার এই তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করেছিল প্রশাসন (Jammu And Kashmir)। একইরকম ভাবে জম্মু প্রদেশেও তিরঙ্গা যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। পিরপাঞ্জাল এবং চেনাব উপত্যকাতেও দেখা গিয়েছে তিরঙ্গা যাত্রা। যেখানে শতাধিক মানুষ কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হাঁটেন কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টার থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যন্ত। তিরঙ্গা যাত্রার ধ্বনি ছিল ‘ঝান্ডা উঁচা রহে হামারা’। 

    কী বললেন কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর?

    রবিবারের এই তিরঙ্গা যাত্রার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের (Jammu And Kashmir) একাধিক আধিকারিক, নিরাপত্তা আধিকারিকবৃন্দ। বিজেপি কর্মী সমর্থকদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাছাড়া বেশ বড় সংখ্যায় ছাত্র এবং সাধারণ নাগরিকরাও অংশ নিয়েছিলেন এই যাত্রায়। গভর্নর মনোজ সিনহা বলেন, ‘‘আমি প্রত্যেককে স্বাধীনতা দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুধুমাত্র প্রশাসনিক আধিকারিক বা নিরাপত্তা আধিকারিকদের নয় বা শুধুমাত্র শ্রীনগরের (Jammu And Kashmir) বাসিন্দাদের নয়, বড় সংখ্যার উপত্যকার সমস্ত মানুষকে আমি স্বাধীনতা দিবসের এই শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি মনে করি আমাদের তিরঙ্গার মর্যাদা রক্ষা করা সকলের কর্তব্য।’’ তিনি মনে করান যে গত বছরেও একই রকম তিরঙ্গা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘‘জম্মু-কাশ্মীর ক্রমশই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে।’’ এই যাত্রায় জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি কোটেশ্বর সিং লাল চৌকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

    সিআরপিএফ-এর বাইক র‍্যালি 

    অন্যদিকে জম্মু কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) সিআরপিএফও একটি বাইক র‍্যালির আয়োজন করে। লাল চৌক থেকে নিশাত গার্ডেন পর্যন্ত সম্পন্ন হয় বাইক র‍্যালি। মধ্য কাশ্মীর, দক্ষিণ কাশ্মীর, উত্তর কাশ্মীরের একাধিক অংশে দেখা গিয়েছে স্বাধীনতা উৎসবের উদযাপন। বড় সংখ্যায় জনপ্রতিনিধিরা এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন তিরঙ্গা যাত্রায়। ধ্বনি ওঠে ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘বন্দেমাতরম’, ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ’ এই সমস্ত কিছু। পুঞ্চ এবং রাজৌরি জেলাতেও এদিন সাড়ম্বরে পালিত হয়েছে স্বাধীনতা উৎসবের অনুষ্ঠান। প্রসঙ্গত, বারবার জঙ্গিহানার সাক্ষী থেকেছে এই অঞ্চল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: গত ২৪ ঘণ্টায় সেনা এনকাউন্টারে জম্মু-কাশ্মীরে খতম ২ জঙ্গি

    Indian Army: গত ২৪ ঘণ্টায় সেনা এনকাউন্টারে জম্মু-কাশ্মীরে খতম ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক এনকাউন্টার চলছে, জম্মু-কাশ্মীরে (Indian Army)। জঙ্গি খতমে গত ২৪ ঘণ্টায় বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার সকালেও এক জঙ্গি নিকেশের খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর জঙ্গিরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। তখনই গুলি করে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী। গুলির লড়াইতে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও এক জঙ্গি। 

    কী বলছে ভারতীয় সেনা?

    সেনা (Indian Army) সূত্রে খবর মিলেছে, সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের দেগওয়ার সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়ে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে দুই জঙ্গি। এরপরেই শুরু হয় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই। ভারতীয় সেনা এবং জম্মু-কাশ্মীরের যৌথ পুলিশ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেয়।  বর্তমানে ওই অঞ্চল ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জম্মুর প্রতিরক্ষা জনসংযোগ আধিকারিক লেফটেন্যান্ট সুনীল বার্তওয়াল জানিয়েছেন, রাত দুটো নাগাদ ২ জঙ্গিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালিয়ে জবাব দিতে থাকে নিরাপত্তা বাহিনী (Indian Army)। গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গিকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখা যায় এবং দ্বিতীয় জঙ্গিকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।

    স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক

    সূত্রের খবর,স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক কষছে জঙ্গি সংগঠনগুলি। সে কারণেই পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনগুলি অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে বারংবার। তবে ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফ থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা কোনও ঘাটতি রাখা হচ্ছে না এবং নিরাপত্তা অনেক ক্ষেত্রে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এনিয়ে  দ্বিতীয় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে জঙ্গিরা। রবিবারও নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা এবং তখনই ভারতীয় সেনার (Indian Army) নজরে আসে বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালায় সেনা। সেখানেও এক জঙ্গির মৃত্যুর খবর মিলেছে। এবং ২ থেকে ৩ জন জঙ্গি সীমান্ত পেরিয়ে ফের পাকিস্তানে পালিয়েছে। নিহত জঙ্গির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একে ৪৭ রাইফেল, ম্যাগাজিন, ১৫ রাউন্ড একে ৪৭ গুলি, ৫টি ৯ এমএম পিস্তল, ১টি ১৫ এমএমের পিস্তল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir Encounter: ৩ সেনা মৃত্যুর বদলা, উপত্যকায় ফের এনকাউন্টারে খতম ১ জঙ্গি

    Kashmir Encounter: ৩ সেনা মৃত্যুর বদলা, উপত্যকায় ফের এনকাউন্টারে খতম ১ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরির বুধল এলাকায় গুন্ধা-খাওয়াস গ্রামে সেনাবাহিনীর এনকাউন্টারে (Kashmir Encounter) খতম হয়েছে ১ জঙ্গি। সূত্রের খবর, এই এলাকায় আরও অনেক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে, আর তাই এই এনকাউন্টার অভিযান এখনও চলছে। গত শুক্রবার প্রাণ গিয়েছিল ৩ জন সেনার, তাই আপাতত এক জঙ্গির মৃত্যকে সেনার বদলা হিসাবে দেখতে চাইছেন নিরাপাত্তা উপদেষ্টার বিশেষজ্ঞরা।

    কেন এনকাউন্টার (Kashmir Encounter)?

    গত শুক্রবার কাশ্মীর উপাত্যকায় জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াইতে প্রাণ হারিয়েছেন তিন সেনা জওয়ান। আর পাল্টা জবাব হিসাবে রাজৌরি জেলায় সেনা বাহিনীর স্পেশাল এনকাউন্টারে (Kashmir Encounter) একজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। ইতি মধ্যে রাজৌরির গুন্ধা-খাওয়াস গ্রামে এই এনকাউন্টার অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য আগেও জম্বু-কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গেও ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল। কুলগামে হালানে উঁচু এলাকায় জঙ্গিরা রয়েছে, নির্দিষ্ট এই খবর পেয়ে গত ৪ অগাস্ট অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। কুলগামের হালান জঙ্গলে জঙ্গিদের তল্লাশির সময় আচমকা পিছন থেকে হঠাৎ আক্রমণ করে জঙ্গিরা। আর এই সংঘর্ষে প্রথমে আহত হন তিন সেনা এবং এরপর হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা করার সময় প্রাণ হারান তিনজন সেনা।

    কী বলেন অতিরিক্ত ডিজিপি?

    জম্মু-কাশ্মীরের অতিরিক্ত ডিজিপি মুকেশ সিং বলেন, “ঘটনােস্থলে পুলিশ মোয়াতেন করা হয়েছে। এনকাউন্টারের (Kashmir Encounter) অপারেশন এখনও চলছে। জঙ্গিদের দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।”

    এর আগে গত এপ্রিল ও মে মাসে ৫ কমান্ডো-সহ ১০ সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। পুঞ্চ ও রাজৌরি জেলায় পৃথক এনকাউন্টারে (Kashmir Encounter) তাঁদের মৃ্ত্যু হয়েছিল। গত এপ্রিল মাসে রাজৌরি সেক্টরের পুঞ্চে (Poonch) সেনার একটি গাড়িতে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, এই দুই এলাকা গত দুই দশক ধরে জঙ্গিমুক্ত করা হবে বলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake at Delhi: শনিবার রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি সহ উত্তর ভারত

    Earthquake at Delhi: শনিবার রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি সহ উত্তর ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে কেঁপে উঠল (Earthquake at Delhi) রাজধানী দিল্লি সহ উত্তর ভারতের একাংশ। ভূমিকম্পন অনুভূত হয় জম্মু-কাশ্মীরেও। জানা গিয়েছে শনিবার রাতে ভূমিকম্পের (Earthquake at Delhi) উৎসস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বত। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৮, প্রসঙ্গত শনিবার সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জম্মু এবং কাশ্মীর। সকাল ৮টা ৩৬ মিনিট নাগাদ এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানা গিয়েছে। তীব্রতার মাত্রা ছিল ৫.২, তবে কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

    দিল্লিতে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে পড়েন মানুষজন

    শনিবার রাত্রি সাড়ে ৯টা নাগাদ দিল্লিতে কম্পন (Earthquake at Delhi) অনুভূত হয় বলে জানা গিয়েছে। অতিভারী বৃষ্টিতে নাজেহাল দিল্লিবাসী বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আশ্রয় নিয়েছিল ত্রাণ শিবিরে। ধীরে ধীরে যমুনার জলস্তর কমার পরে, শনিবারে ভূমিকম্পের আতঙ্কে রাত্রিতে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেড়িয়ে পড়েন অনেকে। দিল্লির একাধিক রাস্তায় এদিন লোকজনের ভিড় জমে যায়। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভূমিকম্পের সময়কার দৃশ্যও বন্দী করতে থাকেন।

    হিন্দুকুশ পর্বত হল ভূমিকম্পের উৎসস্থল 

    আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা হল শনিবারের ভূমিকম্পের উৎস। কম্পন অনুভূত হয় দিল্লি, নয়ডা, ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদেও।  এখনও পর্যন্ত সেভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনওরকম খবর মেলেনি। প্রসঙ্গত এটাই প্রথম নয়, চলতি বছরে এই নিয়ে তিন তিনবার জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী। উত্তর ভারতে একাধিক ছোট বড় কম্পন হয়েছে চলতি বছরে। শেষবারের মতো দিল্লী দুলে ওঠে ২১ মার্চ। দীর্ঘ কয়েক সেকেন্ড ধরে অনুভূত হয় সে সময় ব্যাপক জোরালো কম্পন। ভূমিকম্পের পরে চলতে থাকে আফটার শক। ২১ মার্চের ভূমিকম্পের (Earthquake at Delhi) উৎসস্থল ছিল আফগানিস্তান। 
    পাশাপাশি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২৪ তারিখেও ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দিল্লি। রিখটারস্কেলে কম্পনের (Earthquake at Delhi) তীব্রতা ছিল ৫.৮, জানুয়ারি মাসে দুপুরে কম্পন অনুভূতি হয় দিল্লি এবং তার সংলগ্ন এলাকাতে। জানুয়ারির ভূমিকম্পে উৎসস্থল ছিল নেপাল। চলতি বছরে জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখে ভূমিকম্প অনুভূত হয় জম্মু কাশ্মীরে। ৫.৯ ছিল রিখটারস্কেলে মাত্রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম দুই সন্ত্রাসবাদী। জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় এই অপারেশন চালায় সেনা। বুধবার সাত সকালেই পুলওয়ামায় বন দফতরের এক আধিকারিককে গুলি হত্যা করে জঙ্গিরা। এরপরেই পাল্টা লড়াই শুরু করে সেনা। জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ, বিএসএফ এর একটি দল এই অপারেশন চালায় বলে জানা গিয়েছে। সেনার এই সাফল্যে বড়সড় কোনও নাশকতার ছকও বানচাল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কী কী উদ্ধার হল মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে?

    মৃত দুই জঙ্গির পরিচয় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা গিয়েছে ৪টি একে-৪৭ রাইফেল, ৬টি গ্রেনেড, এবং ৯টি ম্যাগাজিন। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে আরও যুদ্ধ সরঞ্জাম। মঙ্গলবারই উপত্যকার পুঞ্চ জেলায় ৪ জন জঙ্গির আত্মসমর্পণের খবর মেলে। ঠিক তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেল। জানা গিয়েছে অনুপ্রবেশের পরেই জঙ্গিরা হামলা চালায় পুলওয়ামা বন বিভাগের (Jammu And Kashmir) একটি চেক পোস্টে। তাদের ছোড়া গুলিতে জখম হন দুই কর্মী ইমরান ইউসুফ এবং জাহাঙ্গির আহমেদ। দুজনেই এখন সুস্থ আছেন বলে জাান গিয়েছে।

    জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) চলছে এনআইএ হানা

    জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের খোঁজ চালাচ্ছে এনআইএ। সূত্রের খবর গত সপ্তাহ থেকেই এই অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার সোপিয়ান, অবন্তীপোরা ও পুলওয়ামায় জেলায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। ইতিমধ্যে বেশকিছু জঙ্গি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে। একনজরে সেগুলি দেখে নেব।

    ১) দ্য রেসিস্ট্যান্ট ফ্রন্ট

    ২) ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট জম্মু ও কাশ্মীর

    ৩) মুজাহিদিন গজবা-উল-হিন্দ

    ৪) জম্মু ও কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটার্স

    ৫) কাশ্মীর টাইগার্স

    এনআইএ সূত্রে খবর, এই সংগঠনগুলিকে সাহায্য করছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ হিজাবুল মুজাহিদিন, আল-বদর ও আল-কায়েদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাশ্মীরে সেনা এনকাউন্টারে খতম পাক-অনুপ্রবেশকারী

    BSF: কাশ্মীরে সেনা এনকাউন্টারে খতম পাক-অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে বিএসএফের (BSF) ছোড়া গুলিতে খতম পাক অনুপ্রবেশকারী। জানা গেছে, জম্মু-কাশ্মীরের সাম্বা সেক্টরে এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর ওই পাক অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দিলেও সে শোনেনি।

    ঘটনার বিবরণ…

    বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ সাম্বা সেক্টরে পাকিস্তান সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর সেনা সূত্রে। ওই সীমান্তে পাকিস্তানের দিক থেকে আসা এক ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে পড়ে ভারতীয় সেনার। এই অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দেয় বিএসএফ (BSF)। কিন্তু সে পাকিস্তানে ফেরত যাওয়ার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়েই বিএসএফ (BSF) গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পাক অনুপ্রবেশকারীর।

    আরও পড়ুন: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন 

    ভারতীয় সেনার বিবৃতি…

    সেনার তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘‘আজ রাতে (১ জুন) বিএসএফ জওয়ানরা (BSF) সাম্বা এলাকায় পাকিস্তানের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরোনো এক অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে। তাকে থামানোর চেষ্টা করলে সে পাকিস্তানের বর্ডারের পেরিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। এই সময়ই ভারতীয় সেনা গুলি চালায় এবং অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হয়।’’

    সোমবার রাতেই জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে নিহত হন সার্কাস কর্মী

    সোমবারই জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয় এক সার্কাসকর্মীর। জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ঘটে এই ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম দীপক কুমার। বাবার নাম মাসুক কুমার। উধমপুরের বাসিন্দা দীপক একটি সার্কাসদলে কাজ করতেন। তাঁকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। জানা গেছে, অনন্তনাগের একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সামনে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। গত মাসেই সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন জওয়ানের মৃত্যু ঘটে। নিকেশ হয় বহু জঙ্গিও। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, জি২০ সম্মেলন কাশ্মীরে হওয়ার খবর সামনে আসতেই পাক মদতে বাড়তে থাকে জঙ্গি কার্যকলাপ। উদ্দেশ্য বিশ্বের মঞ্চে ভারতকে অপদস্থ করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কড়া মনোভাব টের পেয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ছুটলেন পাকিস্তানে

    Jammu and Kashmir: কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কড়া মনোভাব টের পেয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ছুটলেন পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: Shanghai Corporation Organisation (SCO)-এর বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাফ জানিয়েছিলেন, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবে। গোয়ায় এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো। এবার কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) ইস্যুতে পাকিস্তানের সুরে সুর মেলাতে ইসলামাবাদ উড়ে গেলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিম। প্রসঙ্গত, চিনা বিদেশমন্ত্রীও হাজির ছিলেন গোয়ায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে। অন্যদিকে, লাহোরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিলাওয়ালের ভারত সফরকে কটাক্ষ করলেন, সেদেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। প্রাক্তন পাক অধিনায়কের মতে, দেশ এই সময় ঘোর আর্থিক সংকটে ধুঁকছে, এমন পরিস্থিতিতে বিলাওয়াল পাকিস্তানের টাকায় বিদেশ সফর করছে। ইমরানের আরও প্রশ্ন, বিলাওয়ালের এই ভারত সফরে পাকিস্তানের কী লাভ হল, তা পাকিস্তানবাসী জানতে চায়। প্রসঙ্গত, ভারত সফরে এসে কড়া কথাবার্তাই হজম করতে হয় বিলাওয়ালকে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, তাই হয়তো ইমরানের এই খোঁচা।

    প্রসঙ্গ কাশ্মীর…

    ৩৭০ ধারার প্রসঙ্গ উঠতেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়ালকে বলেছিলেন, জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা এখন অতীত। পাশাপাশি, বিলওয়ালকে টেররিস্ট ইন্ডাস্ট্রির মুখপাত্র বা এজেন্ট বলেও তোপ দাগেন এস জয়শঙ্কর। হজম করতে হয় পাকিস্তানকে। ভারতের সাফ বক্তব্য ছিল, সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। এরই মাঝে শ্রীনগরে জি২০ সম্মেলনের আগে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গও ওঠে বৈঠকে। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়, শ্রীনগরে জি২০ সম্মেলন হবে, এতে পাকিস্তানের আপত্তি কিসের? বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, জি২০ সম্মেলন শ্রীনগরে হওয়াতে খুশি নয় পাকিস্তান, তার প্রতিফলন ধরা পড়ছে বিগত একমাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি হামলায়। কে না জানে, এগুলো পাক মদতেই সম্পন্ন হচ্ছে। অন্যদিকে চিনের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক যে স্বাভাবিক নয়, তা সেদেশের বিদেশমন্ত্রীকে বুঝিয়ে দিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের দাবি, কাশ্মীর আন্তর্জাতিক ইস্যু। পাকিস্তানের দাবিকে মান্যতা দিতেই কি চিনের বিদেশমন্ত্রীর ইসলামাবাদ সফর? এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Sing: রাজৌরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং! কী বার্তা দিলেন?

    Rajnath Sing: রাজৌরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং! কী বার্তা দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই রাজৌরির কান্দির জঙ্গলে চলছে সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই। ইতিমধ্যে সেখানে নিহত হয়েছেন পাঁচজন জওয়ান। শুক্রবার সকালে গোপন সূত্রে সেনা খবর পায় যে, রাজৌরির কান্দির জঙ্গলের গুহাতে আত্মগোপন করে রয়েছে ৮ থেকে ৯ জনের একটি জঙ্গি দল। অভিযানের সময় জঙ্গিদের ছোড়া বোমার অভিঘাতে মারা যান দুজন। গুরুতর জখম চারজনকে উধমপুর সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরে আরও তিনজন মারা যান। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার সিদ্ধান্ত ছেত্রী। প্রসঙ্গত, জি২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, আন্তজার্তিক মহলে ভারতের সম্মানকে ক্ষুন্ন করতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীরা এই সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজৌরিতে শনিবার পৌঁছান দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা এতে তিনি সরাসরি সন্ত্রাসবাদী এবং পাকিস্তানকে তিনি বার্তা দিতে চাইলেন যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো টলারেন্স নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার সঙ্গে এদিন রাজৌরি পৌঁছান রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)

    শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এবং সেনাবাহিনীর প্রধান মনোজ পান্ডের সঙ্গে রাজৌরিতে পৌঁছান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। কমান্ডিং-ইন-চিফ নর্দান কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, কান্দি জঙ্গলের জঙ্গি হামলা সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেন রাজনাথ সিংকে (Rajnath Sing)। সূত্র মারফত জানা গেছে, রাজনাথ সিং (Rajnath Sing) সেনা সেনা আধিকারিকদের বার্তা দিয়েছেন, যে সমস্ত সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের জওয়ানদের হত্যা করেছে তাদেরকে খুব দ্রুত হত্যা করতে হবে যে কোনও মূল্যে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও তিনি তোপ দেগে তিনি বলেন, যেকোনও মূল্যে জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি বজায় রাখা হবে।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share