Tag: Jammu and Kashmir

Jammu and Kashmir

  • Amit Shah: জম্মু-কাশ্মীর সফরে অমিত শাহ, আজই উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকে অংশ নেবেন

    Amit Shah: জম্মু-কাশ্মীর সফরে অমিত শাহ, আজই উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকে অংশ নেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৬ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীর সফর করছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর এই সফর ৩ দিন চলবে বলে জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ছাড়া জনসভাও করবেন তিনি। একইসঙ্গে সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর পদস্থ কর্তাদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করার কথাও রয়েছে তাঁর।

    উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন শাহ (Amit Shah)

    সূত্রের খবর, আজই অর্থাৎ রবিবার জম্মুতে লেফট্যানেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, সেনাবাহিনী, আধা-সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা আধিকারিকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পরে এমনই উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir)। গত মাসেই জম্মুর কাঠুয়াতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে দুই জঙ্গি নিহত হয়। চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়। এই আবহে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে বৈঠক

    সূত্রের খবর, ভূস্বর্গে থাকাকালীন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্প্রতি কাঠুয়া সহ একাধিক পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলেছে জঙ্গি দমন অভিযান। এই আবহে শাহের (Amit Shah) সফর নিয়ে আবদুল্লা বলেন, ‘‘কাঠুয়ার অভিযানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের কোনও যোগ নেই। অভিযানের আগেই এই সফরের দিনক্ষণ ঠিক হয়েছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জম্মুতে সভা করবেন তিনি। তারপর শ্রীনগরে বেশকিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।’’

    নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করবেন

    জানা যাচ্ছে, অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরে তিনি নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করবেন। এরপর ৭ এপ্রিল রাতেই শ্রীনগর সফর করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে উন্নয়ন প্রকল্পের পর্যালোচনা করবেন। এর পাশাপাশি বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। শাহের সফর ঘিরে জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তার জোরদার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ভিকে বিরদি এ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি নিরাপত্তা বৈঠকও করেন।

  • Jammu-Kashmir: জম্মুতে ফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, ভারতের পাল্টা জবাবে নিহত ৫ পাক জওয়ান

    Jammu-Kashmir: জম্মুতে ফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, ভারতের পাল্টা জবাবে নিহত ৫ পাক জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir) ফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাল পাকিস্তানি জঙ্গিরা। অনুঘটক হিসেবে তাদের কভারিং ফায়ার দিতে নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন (Pakistan Violates Ceasefire) করে গুলি চালাল পাকিস্তান সেনা। তবে, প্রস্তুত ছিল ভারতও। জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চের কৃষ্ণঘাটি (Krishna Ghati) সেক্টরে মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলোপাথাড়ি গুলি চালায় পাকিস্তান। পাল্টা জবাব দেয় ভারত। সূত্রের খবর, এই গুলির লড়াইয়ে পাকিস্তান সেনার একাধিক সদস্যর মৃত্যু হয়েছে। শেষ খবর, অন্তত পাঁচ পাক জওয়ান নিহত হয়েছেন। সীমান্তে একাধিক পাক বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ফৌজ।

    কৃষ্ণাঘাঁটি সেক্টরে ক্রস-ফায়ারিং (Jammu-Kashmir) 

    ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এলওসি-তে (Line of Control) একটি মাইন বিস্ফোরণের পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য গোলাগুলি বিনিময় হয়। পাকিস্তানি বাহিনী প্রথমে সংঘর্ষ শুরু করে, যার পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। ভারতের দিকে কোনও হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও, পাকিস্তানি বাহিনীর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জানা গিয়েছে, পুঞ্চে নিয়ন্ত্রণরেখায় (Jammu-Kashmir) কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন (Pakistan Violates Ceasefire) করে গুলি চালিয়েছে। এর জবাব দিয়েছেন নাঙ্গি টেকরি ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। সেনা সূত্রে খবর, এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও কৃষ্ণাঘাটি সেক্টরে ক্রস-ফায়ারিংয়ের ঘটনা ঘটেছিল। মঙ্গলবারের ঘটনায় পাকিস্তানের সেনার একাধিক সদস্য হতাহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    পাকিস্তানের প্রয়াস ব্যর্থ করল ভারত 

    স্থানীয় সূত্রে খবর, সীমান্তরেখা এলাকার বাসিন্দারা দাবি করেছেন, ওই গুলির লড়াইয়ে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) এলাকায়, ৪-৫ জন পাক সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। এই নিয়ে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে, দিন ভর সেখানে গুলির লড়াই চলে। ওই এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। গত দুই মাস ধরে দক্ষিণ পীর পঞ্জাল এলাকায়, সীমান্তরেখায় ক্রশ-ফায়ারিংয়ের (Pakistan Violates Ceasefire) সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই এলাকায় সেনা এবং জঙ্গিদের লড়াইও হচ্ছে। শনিবার তল্লাশি অভিযানের সময় সেনার রাইজিং স্টার কোর-র প্রত্যাঘাতে নিহত হয় দুই জঙ্গি। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার করে বাহিনী।

  • Maa Sharda: আগেই উদ্বোধন করছিলেন শাহ, এবার জম্মু-কাশ্মীরের শারদা মন্দিরে দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হল

    Maa Sharda: আগেই উদ্বোধন করছিলেন শাহ, এবার জম্মু-কাশ্মীরের শারদা মন্দিরে দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ হিন্দুর আস্থা জড়িয়ে রয়েছে কুপওয়াড়ার শারদা মন্দিরের সঙ্গে। ৩৬ বছর পরে কাশ্মীরের কুপওয়াড়ার শারদা মাতার (Maa Sharda) মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হল। এ এক ঐতিহাসিক জয়। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে উপেক্ষা, আক্রমণ এবং দশকের পর দশক ধরে সাংস্কৃতিকভাবে হিন্দুদেরকে দমন করার যে প্রচেষ্টা তার বিরুদ্ধে বড় জয় পাওয়া গেল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। একটি অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা পর্ব সম্পন্ন হয় শারদা পীঠে। এই সময়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। গর্ভগৃহে এই সময়ে প্রার্থনা চলে। অনেকে বলছেন দীর্ঘ চার দশক ধরে হিন্দুদের প্রতি বঞ্চনার জবাব অবশেষে দেওয়া গেল।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ কুপওয়াড়ার শারদা পীঠ (Maa Sharda)?

    ঠিক ২ বছর আগে ২০২৩ সালের মার্চ মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়াড়া জেলার টিটওয়াল গ্রামে দেবী শারদার এই মন্দির উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বাধীনতার পরে সেই প্রথম নিয়ন্ত্রণরেখার গা-ঘেঁষে কোনও মন্দিরের উদ্বোধন করা হয়। গবেষকরা জানাচ্ছেন, এক সময়ে শারদা পীঠের উদ্দেশে তীর্থযাত্রা শুরু হত কুপওয়ারার টিটওয়াল গ্রাম থেকেই। কিন্তু ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার ঠিক পরেই পাক হানাদারদের আক্রমণে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় টিটওয়ালের শারদা মন্দির (Maa Sharda) ও গুরুদ্বার। দেশভাগের পর থেকেই ওই এলাকায় ওই মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিল পন্ডিত সমাজ। অবশেষে ২০২৩ সালের মার্চে হয় মন্দির উদ্বোধন। এবার হল প্রাণ প্রতিষ্ঠা।

    ২৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোক নির্মাণ করেছিলেন মন্দির

    প্রসঙ্গত, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে মুজফফ্‌রাবাদ থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে নীলম উপত্যকায় অবস্থান করছে ১৮টি মহাশক্তি পীঠের একটি শারদা পীঠ ও শারদা (Maa Sharda) বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ। জানা যায়, ষষ্ঠ থেকে বারোশো শতকের মাঝে ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির বিশ্ববিদ্যালয়। নালন্দা-তক্ষশীলার (Jammu and Kashmir) থেকেও প্রাচীন ওই বিশ্ববিদ্যালয়কে হামলা করে ভেঙে দেয় বিদেশী আক্রমণকারীরা। ঐতিহাসিকরা জানাচ্ছেন, ২৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোক নির্মাণ করেছিলেন বর্তমানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা শারদী পীঠকে। পরবর্তীকালে ১৯ শতকে মহারাজা গুলাব সিং মন্দিরকে আবার সংস্কার করেন। একদা এই মন্দির ছিল জ্ঞান এবং আধ্যাত্মিকতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এ প্রসঙ্গে বলা দরকার, ষষ্ঠ ও দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে, ভারতীয় উপমহাদেশে যে কয়টি বিশিষ্ট মন্দিরকেন্দ্রীক বিশ্ববিদ্যালয় ছিল, তারমধ্যে অন্যতম ছিল এই শারদা পীঠ। জানা যায়, এর গ্রন্থাগার ছিল খুবই বিশ্ব বিখ্যাত।

    ১৯৪৮ সালে পর থেকে ভারতীয়রা যেতে পারেন না এই মন্দিরে

    এই গ্রন্থাগার ব্যবহারের জন্য বহুদূর থেকে পণ্ডিতরা এখানে আসতেন বলে জানা যায়। জানা যায়, উত্তর ভারতে শারদা লিপির বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই মন্দিরের। বর্তমানে অধিকৃত কাশ্মীরে একেবারে ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে মন্দিরটি। হিন্দুদের বিশ্বাস, এখানেই সতীর ডান হাত পড়েছিল। তবে ১৯৪৮ সালের পর থেকে ভারতীয়রা যেতে পারেন না এই তাঁদের তীর্থস্থলে।প্রসঙ্গত, সারদা পীঠে ভারতীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকারের দাবিতে ২০০৪ সাল থেকেই সরব ‘সেভ সারদা কমিটি’।

    ২০২৩ সালে কুপওয়াড়ার মন্দির উদ্বোধন করে কী বলেছিলেন শাহ

    ২০২৩ সালে মন্দির উদ্বোধনের পরে অমিত শাহ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বলেন, ‘‘৩৭০ প্রত্যাহারের পরে কাশ্মীরের পরিস্থিতি যে শান্ত হয়েছে, তা সীমান্ত এলাকায় ওই মন্দির নির্মাণ থেকেই স্পষ্ট। কেবল হিন্দু মন্দিরই নয়, জঙ্গিরা বিভিন্ন সময়ে যে সুফি তীর্থস্থানগুলি ভেঙে দিয়েছে, সেগুলিও পুনরুদ্ধার করবে মোদী সরকার।’’ কর্তারপুরের ধাঁচেই সীমান্তের ও-পারে থাকা মূল শারদা মন্দির পর্যন্ত হিন্দুদের যাত্রার ব্যবস্থার দাবিও উঠেছে বারবার।কর্তারপুর করিডরটি ২০১৯ সালে উদ্বোধন করা হয়েছিল। এই স্থানে আছে দুটো গুরুত্বপূর্ণ শিখ উপাসনালয়। প্রথমটি হল পাকিস্তানের কর্তারপুরের গুরুদ্বারা দরবার সাহিব এবং আরেকটি হল পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলার ডেরা বাবা নানক। এই সংযোগস্থল হল তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এখানে তাদের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়। সারদা পিঠ করিডোর  এর ক্ষেত্রেও সরকারের একই চিন্তাভাবনা রয়েছে সরকারের।

  • Amit Shah: হয়েছে রাম মন্দির, বাতিল ৩৭০ ধারা, এই আবহে ইউসিসি নিয়ে বড় ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: হয়েছে রাম মন্দির, বাতিল ৩৭০ ধারা, এই আবহে ইউসিসি নিয়ে বড় ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির হয়েছে। বাতিল ৩৭০ ধারা। বাকি আছে ইউসিসি হতে। আমরা তাও করব। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করতে শোনা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah)। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীরকে (Jammu And Kashmir) খুব তাড়াতাড়ি রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাজ্যের মর্যাদা খুব তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হবে জম্মু-কাশ্মীরে। কিন্তু সেটা কবে হবে? তা এইভাবে প্রকাশ্য মঞ্চে বসে বলা সম্ভব নয়।

    ইউসিসি নিয়ে কী বললেন শাহ (Amit Shah)?

    এদিন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিষয়েও ফের একবার বলতে শোনা যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে (Amit Shah)। তিনি বলেন, ‘‘এটা আসবেই। এটা ছিল সংবিধান সভার সিদ্ধান্ত (ইউসিসি চালু করার)। কংগ্রেস হয়তো ভুলে গেছে কিন্তু আমরা তা ভুলে যাইনি। আমরা বলেছিলাম আমরা ৩৭০ ধারা বাতিল করব। আমরা তা করেছি। আমরা বলেছিলাম আমরা অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করব। আমরা তাও করেছি। এখন ইউসিসি হতে বাকি। আমরা তাও করব।’’ হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার দিল্লির বাসভবনে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের অভিযোগে শাহ বলেন, ভারতের প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে জম্মু-কাশ্মীরের ভোটের প্রসঙ্গ

    প্রসঙ্গত, গত বছরই জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচন হয়। সে প্রসঙ্গও এদিন সাংবাদিকদের সামনে উল্লেখ করেন অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা ছিল প্রথমবারের জন্য জম্মু-কাশ্মীরে ভোট, ৪০ বছরে যেখানে কোনও জায়গাতে ফের ভোট নিতে হয়নি। কখনও কাঁদানে গ্যাসও ছুড়তে হয়নি। একটা গুলিও চলেনি। তারপরেও ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরে। এটা একটা বড় পরিবর্তন এসেছে বলেই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

  • Jammu Kashmir Encounter: বাহিনীকে সাহায্য স্থানীয়দের, জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষে খতম ৩ জঙ্গি, নিহত ৩ পুলিশকর্মীও

    Jammu Kashmir Encounter: বাহিনীকে সাহায্য স্থানীয়দের, জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষে খতম ৩ জঙ্গি, নিহত ৩ পুলিশকর্মীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কাঠুয়া জেলায় (Kathua district) জঙ্গিদমন অভিযানে (anti-terrorist action) তিন পাকিস্তানি জঙ্গি (Pakistani militant) নিহত হয়েছে। সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে তিন পুলিশ কর্মীরও। এছাড়া পুলিশের একজন ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার-সহ সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। জঙ্গি দমন অভিযানে অংশ নেয় স্থানীয় তরুণেরাও। তারা অস্ত্রসহ সংঘর্ষে রসদ সরবরাহ করে নিরাপত্তা বাহিনীকে সাহায্য করে।

    গ্রামবাসীদের ভয় দেখিয়ে আশ্রয়

    কাঠুয়ার ঘতি যুথানা এলাকার জাখোলা গ্রামে গত রবিবার থেকে জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর (Jammu Kashmir Encounter) লড়াই চলছে। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জইশ-ই-মহম্মদ গোষ্ঠীর জঙ্গিরা গত শনিবার সেখানে ঢুকে পড়ে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে আশ্রয় নেয় তারা। জঙ্গলের ভিতরে থাকা গ্রামের মানুষ নিরাপত্তা বাহিনীকে খবর দিলে বড় আকারে সংঘর্ষ শুরু হয়। তার আগে জঙ্গিরা গ্রামবাসীদের কাছে আশ্রয় চেয়ে ভয় দেখাতে শুরু করে। রবিবার সন্ধ্যা থেকেই কাঠুয়ার আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী গ্রাম সানিয়ালের কাছের এক জঙ্গলে জঙ্গিদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় এক দম্পতি প্রথম সশস্ত্র জঙ্গিদের দেখতে পেয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ-ছয় জন জঙ্গির একটি দল ওই জঙ্গলে জ্বালানির কাঠ সংগ্রহ করছিল। তাদের দেখতে পেয়েই গ্রামবাসীরা খবর দিয়েছিলেন নিরাপত্তা বাহিনীকে। তার পরি শুরু হয় অভিযান।

    পাঁচ দিন ধরে অভিযান

    গত পাঁচ দিন ধরে, জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir Encounter) পুলিশের ডিআইজি নলিন প্রভাতের নেতৃত্বে সেনা এবং পুলিশের যৌথ বাহিনী হিরানগর সেক্টরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে। এই জঙ্গিরা পাকিস্তানের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। জঙ্গিদের এই দলটি একেবারে নতুন বলে অনুমান নিরাপত্তা বাহিনীর। রবিবার হীরানগর সেক্টরে জঙ্গি এবং নিরাপত্তাবাহিনীর মধ্যে গুলিযুদ্ধ হয়েছিল। তাতে আহত হয়েছিল এক কিশোরী। বৃহস্পতিবার ওই হীরানগর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে রাজবাগের ঘতি যুথানার জাখোল গ্রামে নতুন করে গুলিযুদ্ধ শুরু হয়। তাতেই দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। মনে করা হচ্ছে, রবিবার যাঁরা সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিলেন, তাঁরাই বৃহস্পতিবার আবার হামলা চালিয়েছেন।

    পাক জঙ্গিদের খোঁজে শুক্রবারও অভিযান

     হীরানগর এলাকায় জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ, সেনা, বিএসএফ, সিআরপিএফ, এনএসজি। শুক্রবার সকাল (Kathua Gunfight) থেকে ফের অভিযান শুরু হবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অ্যান্টি ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট নামে জইশ-ই মহম্মদ পরিচালিত একটি সংগঠন সংঘর্ষে তাদের যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও এই ঘটনার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর নিহত পুলিশ কর্মীদের মধ্যে একজন সিলেকশন গ্রেড কনস্টেবল এবং বাকি দু’জন সীমান্তের এসডিপিও-র নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

  • S Jaishankar: ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, বাজার অর্থনীতি, ধর্মের প্রতি সম্মান ভারতীয় সমাজের মৌলিক দিক’, অভিমত জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, বাজার অর্থনীতি, ধর্মের প্রতি সম্মান ভারতীয় সমাজের মৌলিক দিক’, অভিমত জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে বোঝার জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্লোবাল সাউথ এবং গণতন্ত্র। ভারত একটি এমন বিশ্বে অভিযোজন করেছে এবং পথ চলেছে যা “সবসময় আমাদের সদয়” এবং “সবসময় আমাদের প্রতি সহনশীল” ছিল না, তবে দেশটি তার ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এগিয়ে এসেছে, বলে অভিমত প্রকাশ করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মঙ্গলবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’ (Raisina Dialogue 2025) অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে কাশ্মীর দখল করে রাখার প্রসঙ্গে তুলে পাকিস্তানকেও এক হাত নিয়েছেন তিনি।

    ভারতকে বুঝতে প্রয়োজন বিশেষ জ্ঞান

    ভারতের আসল অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার মতে, ভারতের বিষয়ে বোঝার জন্য তিনটি-চারটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, গ্লোবাল সাউথ, উপনিবেশবাদের পরিপ্রেক্ষিত, কারণ ভারতের বৈশ্বিক অবস্থানকে বোঝার জন্য উপনিবেশী ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়া জরুরি। যখন আপনি স্বাধীনতা হারিয়ে ফিরে পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করেন, তখন তার সঙ্গে একটি মানসিকতা তৈরি হয়। তাই গ্লোবাল সাউথ একদম গুরুত্বপূর্ণ।” বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) আরও বলেন, “দ্বিতীয়ত, আমরা ১৯৪০-এর দশকে একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হতে বেছে নিয়েছি। আমি মনে করি আমরা এ বিষয়ে আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য থেকে শিক্ষা নিয়েছি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, বাজার অর্থনীতি, এবং ধর্মের প্রতি সম্মান—এটি আমাদের সমাজের মৌলিক দিক। কখনো কখনো আমরা নিজেদের মধ্যে এটা কিছুটা গুরুত্বহীন ভাবতে পারি, তবে আমাদের অনেক সিদ্ধান্ত এই বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে নেওয়া হয়।” বিশ্বের প্রতি ভারতের অভ্যন্তরীণ অভিযোজনের কথা তুলে ধরে জয়শঙ্কর বলেন, “তৃতীয়ত, আমি বলব, আমাদের এমন একটি পৃথিবীতে অভিযোজন করার দক্ষতা তৈরি হয়েছে, যা সবসময় আমাদের প্রতি সদয় বা সহনশীল ছিল না। তবে আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে গেছি। আজ, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হিসেবে, পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে, সম্ভবত এই দশকের শেষে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে, আমাদের অবদান আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

    প্রসঙ্গ কাশ্মীর

    কাশ্মীর (Kashmir) প্রসঙ্গে এদিন জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেছেন, ‘আমরা সবাই সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার কথা বলি। বিশ্বের বিভিন্ন নিয়মের মধ্যে যা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে অন্য কোনও দেশের এলাকায় সবথেকে দীর্ঘ অবৈধ উপস্থিতির সাক্ষী রয়েছে ভারতের কাশ্মীর।’ কাশ্মীর প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং পশ্চিমী বিশ্বের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট জয়শঙ্কর। সেই হতাশাও এদিন ব্যক্ত করেছেন তিনি।

  • Panchayat Polls: শীতের পরেই জম্মু-কাশ্মীরে পঞ্চায়েত নির্বাচন, ইঙ্গিত উপরাজ্যপালের কথায়

    Panchayat Polls: শীতের পরেই জম্মু-কাশ্মীরে পঞ্চায়েত নির্বাচন, ইঙ্গিত উপরাজ্যপালের কথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এবার জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) পঞ্চায়েত (Panchayat Polls) ও পুরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত মিলল উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহার কথায়। এই নির্বাচনই হবে শীতের পরে। তিনি বলেন, “আবহাওয়া ভালো হওয়ার পরে পঞ্চায়েত নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে।” প্রসঙ্গত, ভূস্বর্গে শেষবার পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালে। এক দশক পর বিধানসভা নির্বাচন হয় জম্মু-কাশ্মীরে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা।

    কী বললেন উপরাজ্যপাল? (Panchayat Polls)

    রবিবার ঝিরি মেলা ময়দানে আয়োজিত সভায় কৃষক ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন উপরাজ্যপাল। সেখানেই তিনি দেন পঞ্চায়েত নির্বাচনের ইঙ্গিত। পূর্বতন সরপঞ্চদের প্রসঙ্গের অবতারণা করে উপরাজ্যপাল বলেন, “আমি একটি বিষয় নিশ্চিতভাবে বলতে চাই যে এখানে পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু একটি সাংবিধানিক সমস্যা ছিল।” তিনি বলেন, “স্থানীয় সংস্থাগুলিতে (পঞ্চায়েত ও পুরসভা) অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য কোনও সংরক্ষণ ছিল না। তাই আইন (জম্মু ও কাশ্মীর পঞ্চায়েতি রাজ আইন) সংশোধন করতে হয়েছিল। সংসদে এই আইন সংশোধন করা হয়েছে।”

    পঞ্চায়েত আইন সংশোধন

    তিনি বলেন (Panchayat Polls),  “আইন সংশোধন হওয়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে পথ প্রশস্ত হয়েছিল। এরই মধ্যে চলে আসে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন।” উপরাজ্যপাল বলেন, “আমি পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (পিওজেকে), পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থী, উপজাতি, বাল্মিকী এবং ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে উপকৃত হওয়া অন্যান্য বঞ্চিত অংশের পরিবারগুলির অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের কৃষকদের ক্ষমতায়ন করা আমার লক্ষ্য, যার জন্য আমরা কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট খাতে রূপান্তরের গতি বাড়াতে কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছি। গ্রামীণ এলাকার যুবসমাজ যাতে সমান সুযোগ পায় এবং নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়, সেই বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব।”

    আরও পড়ুন: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    প্রসঙ্গত, রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ১১ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটাররা ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন নাম অন্তর্ভুক্তি, নাম বাদ দেওয়া এবং সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সূত্রের খবর, চূড়ান্ত (Jammu & Kashmir) ভোটার তালিকা (Panchayat Polls) প্রকাশিত হবে ৬ জানুয়ারি, ২০২৫-এ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: সকাল থেকে উত্তপ্ত কাশ্মীর, জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই, কিস্তওয়ারে জখম তিন জওয়ান

    Jammu and Kashmir: সকাল থেকে উত্তপ্ত কাশ্মীর, জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই, কিস্তওয়ারে জখম তিন জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকাল থেকেই গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে জখম হয়েছেন তিনজন ভারতীয় জওয়ান। জানা গিয়েছে, তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন জঙ্গির সন্ধানে এখনও (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) সন্ধান চালাচ্ছেন নিরাপত্তা আধিকারিকরা (Kashmir Fresh Encounter)। রবিবার সকাল থেকেই কিস্তওয়ারের জঙ্গলাকীর্ণ চাস এলাকায় ও শ্রীনগরের হারওয়ান অঞ্চলে অভিযানে নামে সেনা। শুরু হয় গুলির লড়াই।

    কিস্তওয়ারে সেনা অভিযান, জখম ৩ জওয়ান

    কিস্তওয়ারের জঙ্গলাকীর্ণ চাস এলাকায় রবিবার সাত সকালে অভিযান শুরু করেন ভারতীয় জওয়ানরা (Jammu and Kashmir)। প্রসঙ্গত, দুদিন আগেই গত ৮ নভেম্বর এই এলাকাতে দু’জন গ্রামসুরক্ষা জওয়ানকে (ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড) খুন করা হয়েছিল। ওই খুনে অভিযুক্ত জঙ্গিরা জঙ্গলে লুকিয়ে রয়েছে, খবর পেয়েই অভিযানে নামে সেনা। জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির লড়াই শুরু হয়। সেখানেই জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে তিন জওয়ান জখম হন।

    অভিযান শ্রীনগরেও (Jammu and Kashmir) 

    রবিবার সকালে শ্রীনগরের হারওয়ান এলাকাতেও সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই এলাকায় কয়েক জন জঙ্গি গা ঢাকা দিয়ে আছে বলে গোপন সূত্রে জানতে পেরেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। তারপরেই শুরু করা হয় অভিযান। যদিও সেখানে কোনও হতাহতের খবর এখনও পাওয়া যায়নি (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)।

    শনিবার বারামুলায় সেনা অভিযানে হত ১ জঙ্গি 

    গতকাল শনিবারই পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে বারামুলায় এক জঙ্গি নিহত হয়। সন্ধ্যায় বারামুলার (Jammu and Kashmir) সোপোরে এলাকায় হানা দিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ দল। রাতে জঙ্গিদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলে, সেখানেই গুলিতে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ। কাশ্মীর পুলিশ সমাজমাধ্যমে এই অভিযান সম্পর্কে লিখেছে, ‘‘বারামুলার রামপোরা সোপোরে এলাকায় জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছে বলে আমাদের কাছে খবর এসেছিল। তার ভিত্তিতে শনিবার রাতেই পুলিশ এবং সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালায় ওই এলাকায়। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। তাদের সঙ্গে গুলির লড়াইও হয় কিছু ক্ষণ। এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sudhanshu Trivedi: “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবেও”, রাষ্ট্রসঙ্ঘে সাফ জানাল ভারত

    Sudhanshu Trivedi: “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবেও”, রাষ্ট্রসঙ্ঘে সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জম্মু-কাশ্মীর (Jammu And Kashmir) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবেও।” রাষ্ট্রসঙ্ঘের অধিবেশনে সাফ জানিয়ে দিলেন সাংসদ তথা বিজেপির মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী (Sudhanshu Trivedi)। জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান মিথ্যা কথা বলে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রাষ্ট্রসঙ্ঘে শান্তিরক্ষী বাহিনী নিয়ে অধিবেশন চলছে। সেই অধিবেশনে ভারতের তরফে যোগ দিয়েছিলেন সুধাংশু। সেখানেই তিনি মুখোশ খুলে দেন পাকিস্তানের।

    পাকিস্তানকে জবাব সুধাংশুর (Sudhanshu Trivedi)

    বিশ্বমঞ্চে আরও একবার স্পষ্ট করে দেন, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থান। এদিনের অধিবেশনে বিজেপি সাংসদ সেই সব শান্তিরক্ষীদের জন্য ভারতের প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দেন, যাঁরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিও। সেখানে তিনি জানান, ১৯৪৮ সালে জম্মু-কাশ্মীরকে একটি বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে ধরে সেখানে শান্তিরক্ষীদের পাঠিয়েছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। এর পরেই বলতে ওঠেন ভারতের প্রতিনিধি (Sudhanshu Trivedi)। সাফ জানিয়ে দেন, জম্মু-কাশ্মীর ভারতেই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি ফোরামকে জানান, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (জম্মু-কাশ্মীর) সম্প্রতি সঠিক গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনা করেছে। রাষ্ট্রসংঘের ফোরামে অসংগঠিত ও বিভ্রান্তিকর শব্দ ব্যবহার করায় পাকিস্তানকে তিরস্কারও করেন ত্রিবেদী।

    কী বললেন সুধাংশু

    তিনি বলেন, “ভারত পাকিস্তানের মন্তব্যের জবাব দিতে বেছে নিয়েছে সেই সম্মানিত সংস্থা, যার থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা করেছে পাকিস্তান। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবেও।” রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের জনগণ সম্প্রতি তাঁদের গণতান্ত্রিক ও নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগ করেছেন। একটি নতুন সরকার নির্বাচন করেছেন। পাকিস্তানের উচিত এই ধরনের বক্তব্য ও মিথ্যাচার থেকে বিরত থাকা। কারণ এটি বাস্তবকে পরিবর্তন করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুন: সনাতন ধর্ম রক্ষার আহ্বান ভাগবতের, প্রয়োজনে লাঠি ব্যবহারের নিদান

    এক্স হ্যান্ডেলে ত্রিবেদী (Sudhanshu Trivedi) লিখেছেন, “রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনার সময়, পাকিস্তানের প্রতিনিধি একই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রসঙ্গ থেকে সরে গিয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উল্লেখ করেন যে পাকিস্তানের রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা শুরু হয়েছিল ১৯৪৮ সালে, যখন রাষ্ট্রসঙ্ঘ বিতর্কিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) শান্তিরক্ষী মোতায়েন করেছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: রাতভর অভিযান কাশ্মীরে সাফল্য সেনার, নিহত ২ জঙ্গি, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    Jammu Kashmir: রাতভর অভিযান কাশ্মীরে সাফল্য সেনার, নিহত ২ জঙ্গি, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকায় বড় সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নানা জায়গায় একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনায় মাঝেই শ্রীনগরে সেনার গুলিতে নিহত হল ২ জঙ্গি। শুক্রবার রাত থেকে বারামুল্লার সোপোর এলাকায় জঙ্গি দমনে অভিযান চালায় সেনা। জঙ্গিদের নিকেশ করার পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। কাশ্মীর পুলিশের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে, ‘সোপোরে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। মৃত জঙ্গিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।’ 

    জঙ্গি দমনে অভিযান

    পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে খবর আসে বারামুল্লার (Jammu Kashmir) সোপোর এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী। গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযানে নামে সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী। সোপোরের পানিপুরায় গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। সেনার উপস্থিতি টের পেয়ে এবং পিছু হটবার জায়গা না থাকায় নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে দুই তরফের গুলির লড়াইয়ের পর ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একের পর এক জঙ্গি কার্যকলাপের ঘটনা ঘটছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কিস্তওয়ার জেলায় দুই ভিডিজি (ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড) সদস্যকে অপহরণ করে খুন করল জঙ্গিরা। পুলিশ সূত্রের খবর, ওহলি-কুন্তওয়ারা গ্রামের ওই দুই বাসিন্দার নাম নাজির আহমেদ ও কুলদীপ কুমার। পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের ‘ছায়া সংগঠন’ কাশ্মীর টাইগার্স খুনের দায় স্বীকার করেছে। নিহত দুই ভিডিজি সদস্যের ছবিও প্রকাশ করেছে তারা। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা জঙ্গি হানায় দুই ভিডিজি সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‘এই সন্ত্রাসের চক্র আমরা ধ্বংস করবই।’’ সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে উপত্যকায় জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস রুখতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান জারি থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share