Tag: Jammu Kashmir

Jammu Kashmir

  • Amit Shah: “উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদ এখন অতীত,” ঘোষণা করলেন শাহ

    Amit Shah: “উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদ এখন অতীত,” ঘোষণা করলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদ (Separatism) এখন অতীত।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিনই তিনি হুরিয়তের দুটি শাখা সংগঠনের মূল স্রোতে ফেরার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। সেখানেই তিনি জানিয়ে দেন ভূস্বর্গে বিচ্ছিন্নতাবাদ এখন অতীত।

    জম্মু- কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ (Amit Shah)

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই জম্মু- কাশ্মীরে শান্তি ফেরাতে কোমর বেঁধে নামেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একদিকে যেমন উপত্যকায় উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দেওয়া হয়, তেমনি অন্যদিকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। এই জোড়া ফলায় মেলে সাফল্য। গত ১০ বছরে উপত্যকায় নিত্য কমছে অশান্তির হার। এবার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন হুরিয়ত কনফারেন্সের দুটি শাখা সংগঠন হিংসার রাস্তা ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে কথাই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কী বলছেন শাহ

    সোশ্যাল মিডিয়া শাহ লিখেছেন, “কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদ এখন ইতিহাস। মোদিজির সবকা সাথের নীতি উপত্যকা থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। হুরিয়তের দুই শাখা সংগঠন সমস্ত রকম বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল।” তিনি লিখেছেন, “এই দুই সংগঠনকে সমাজের মূল ধারায় স্বাগত। আমি এই ধরনের সব সংগঠনকেই বিচ্ছিন্নতাবাদ ভুলে দেশের ঐক্যের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। উন্নত, শান্ত ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদৃষ্টিরই সুফল এটা।”

    গত কয়েক দশক ধরে কাশ্মীরে ভারত বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল বিচ্ছিন্নতাাদীরা। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল হুরিয়ত। তারা কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে প্রকাশ্যেই। ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা লোপ পাওয়ার পর অবশ্য বদলে যায় ছবিটা। ভূস্বর্গে প্রকৃত শান্তি ফেরাতে ধরপাকড় শুরু করে কেন্দ্র (Amit Shah)। তার পরেই বেপাত্তা হয়ে যায় হুরিয়ত পন্থী নেতাদের মাথারা। এঁদের অনেকেই আবার পরে ফেরেন সমাজের মূল স্রোতে। কেবল হুরিয়ত নয়, বিচ্ছিন্নতাবাদী আরও অনেক সংগঠনই ফিরেছে মূল ধারায়। সেই তালিকায় এবার জুড়ল হুরিয়তের দুই সংগঠনের নাম।

    গত ২১ মার্চ রাজ্যসভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, “মোদি সরকার নিষ্ঠুরভাবে জঙ্গিদের আত্মীয় যারা সরকারি চাকরি করছিলেন, তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে। সহানুভূতিশীলরা দিল্লি ও শ্রীনগরের জেরে রয়েছে। আরও একটি সময় ছিল যখন জঙ্গিদের (Separatism) গৌরবান্বিত করা হত। আর নয়। আজ তারা যেখানে মারা যায়, সেখানেই সমাহিত করা হয় (Amit Shah)।”

  • India Slams Pakistan: “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং থাকবেও,” রাষ্ট্রসংঘে ফের বলল ভারত

    India Slams Pakistan: “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং থাকবেও,” রাষ্ট্রসংঘে ফের বলল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) সব সময় ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।” রাষ্ট্রসংঘের আলোচনা সভায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা জম্মু-কাশ্মীর (India Slams Pakistan) নিয়ে মন্তব্য করলে, তার প্রতিবাদে এ কথা বলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পর্বতানেনি হরিশ। জম্মু-কাশ্মীরের কিছু অংশকে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে ইসলামাবাদ। অবিলম্বে ওই অংশ ছাড়তে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন নয়াদিল্লির দূত। দেশের সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়াদিল্লির অবস্থান ফের একবার স্পষ্ট করে দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

    পাকিস্তানের মন্তব্য অযৌক্তিক (India Slams Pakistan)

    জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের মন্তব্যকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে দাবি করে ভারতীয় এই কূটনীতিক বলেন, “বার বার এই ধরনের কথা বললে তাদের (পাকিস্তানের) অবৈধ দাবি বৈধতা পেয়ে যায় না। তাদের রাষ্ট্রের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদকেও বৈধতা দেয় না।” রাষ্ট্রসংঘে হরিশ জানান, পাকিস্তান এখনও জম্মু-কাশ্মীরের একটি বড় অংশ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। পাকিস্তান যাতে ওই অংশ ছেড়ে দেয়, তা নিয়েও সুর চড়ান ভারতীয় এই কূটনীতিক। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ওই আলোচনা সভায় মূল আলোচ্য বিষয় ছিল শান্তিরক্ষা বাহিনীর ভবিষ্যৎ। সেখানেই পাকিস্তানের দূত সৈয়দ তারিক ফতেমির বক্তৃতায় উঠে আসে জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গ। তার পরেই বলতে উঠে পাকিস্তানকে তুলোধনা করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি।

    কী বললেন ভারতের রাষ্ট্রদূত

    ভারতের রাষ্ট্রদূত বলেন, “ভারত বাধ্য হয়ে লক্ষ্য করেছে যে পাকিস্তানের প্রতিনিধি আবারও ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করেছে। এ ধরনের মন্তব্য বার বার করে তারা তাদের অবৈধ দাবিকে বৈধতা দেয় না, না তাদের রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় সীমান্ত-পার সন্ত্রাসবাদের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করে। এর পরেই তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর সব সময় ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং থাকবেও।” হরিশ বলেন, “পাকিস্তান অবৈধভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশ দখল করে রেখেছে, যা তাদের ছেড়ে দিতে হবে। আমরা পাকিস্তানকে পরামর্শ দেব যে এই ফোরামের মনোযোগ তাদের সংকীর্ণ ও বিভেদমূলক অ্যাজেন্ডা চালানোর জন্য অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করতে। ভারত আরও বিস্তারিত উত্তর দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকবে।”  তিনি বলেন, “ভারতের ব্যাপারে নাক গলিয়ে কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে আলটপকা মন্তব্য করছেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা। তাই ভারত বলতে বাধ্য হচ্ছে, পাকিস্তানের এ ধরনের মন্তব্যে তাদের দাবিদাওয়া মান্যতা পাবে না। এমনকী, রাষ্ট্রের মদতে সীমান্তে যে সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তান কায়েম করতে চাইছে, তাও কোনওভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে না (Jammu Kashmir)।”

    আগেই একহাত নিয়েছিলেন জয়শঙ্কর

    এ মাসের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর পাকিস্তান-দখলকৃত কাশ্মীরকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে দীর্ঘতম সময় ধরে অন্য একটি দেশের অবৈধ উপস্থিতি ও দখলদারিত্ব বলে উল্লেখ করেছিলেন। রাইসিনা ডায়লগ ২০২৫-এ ভাষণ দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের ভুল ব্যাখ্যা এবং আগ্রাসনকে বিবাদ হিসেবে চিহ্নিত করার সমালোচনা করেছিলেন। জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “আমরা রাষ্ট্রসংঘে গিয়েছিলাম। যে ঘটনাটি আদতে একটি আগ্রাসন, তাকে বিরোধে পরিণত করা হয়েছিল। আক্রমণকারী ও শিকারিকে একই সারিতে দাঁড় করানো হয়েছিল। অপরাধী পক্ষগুলি কারা? ব্রিটেন, কানাডা, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (India Slams Pakistan)?”

    পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ফিরে পাওয়াই বাকি

    এর আগে, জয়শঙ্কর বলেছিলেন যে জম্মু কাশ্মীরের সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান অর্জনের জন্য এখন শুধু পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) ফিরে পাওয়াই বাকি রয়েছে। লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে বক্তৃতা দেওয়ার সময় জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “কাশ্মীরে আসলে আমরা বেশ ভালো কাজ করেছি। বেশিরভাগ সমস্যারই সমাধান হয়েছে বলে আমি মনে করি। ধারা ৩৭০ বাতিল করা ছিল আমাদের প্রথম পদক্ষেপ। তারপর, কাশ্মীরে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা ছিল দ্বিতীয় পদক্ষেপ। তৃতীয় পদক্ষেপ হিসেবে উচ্চ ভোটদানের সঙ্গে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে। আমি মনে করি, এখন আমরা শুধু কাশ্মীরের চুরি হয়ে যাওয়া অংশ—যা পাকিস্তান অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে — সেটি ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। যখন সেটি সম্পন্ন হবে, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে (India Slams Pakistan)।”

    সম্প্রতি আমেরিকান পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ কূটনৈতিক শীতলতা নিয়েও মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানিয়েছেন, ভারত সব সময় শান্তি চেয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান তার বদলে ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ওই সাক্ষাৎকারে এও জানিয়েছেন, তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় ২০১৪ সালে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন যাতে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুনভাবে শুরু করা যায় (Jammu Kashmir)। কিন্তু শান্তি ফেরানোর প্রতিটি চেষ্টার বদলে অপর প্রান্ত থেকে বিরোধিতা ও বিশ্বাসঘাতকতা মিলেছে বলেও জানান তিনি (India Slams Pakistan)।

  • India Pakistan Relation: ‘পাকিস্তানের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা’, বলল বিদেশ মন্ত্রক

    India Pakistan Relation: ‘পাকিস্তানের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা’, বলল বিদেশ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ভূখণ্ডে অবৈধ ও জোর করে দখলে রাখা এলাকা ছেড়ে দিক পাকিস্তান (India Pakistan Relation)। তাহলেই সীমান্তে শান্তি ফিরবে। পাকিস্তানের কাশ্মীর সম্পর্কিত মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে, বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই কথা বলেন। তাঁর দাবি, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদে সহায়তা প্রদান শান্তি ও নিরাপত্তার পথে সবচেয়ে বড় বাধা। পাকিস্তানই সন্ত্রাসবাদের আখড়া! সন্ত্রাসবাদের যে বীজ পাকিস্তান বপন করেছে, তার ফল তাদেরকে ভুগতে হচ্ছে, বলে জানান রণধীর।

    পাকিস্তানের বিশ্বাসঘাতকতা

    সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক মার্কিন পডকাস্টে পাকিস্তানের (India Pakistan Relation) সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার প্রচেষ্টার কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী পদে প্রথম শপথ গ্রহণের সময় তখনকার পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে আমন্ত্রণ করেছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন যে, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর প্রতিটি প্রচেষ্টা শত্রুতা ও বিশ্বাসভঙ্গের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে শান্তির উদ্দেশ্যে লাহোরে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর, আমি বিশেষভাবে পাকিস্তানকে আমার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, যেন আমরা একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে পারি। তবুও, শান্তির প্রতি আমার প্রতিটি মহৎ প্রচেষ্টা শত্রুতা ও বিশ্বাসভঙ্গের মুখে পড়েছিল।” কিন্তু এই পডকাস্ট প্রচারের পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনে। পাক বিদেশমন্ত্রকের দাবি, ভারত রেষারেষি করছে। পাক-ভূমে সন্ত্রাসকে মদত দিচ্ছে দিল্লি। পাকিস্তান দাবি করেছে যে, বালোচ বিদ্রোহীরা জাফর এক্সপ্রেস ট্রেন হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং তারা আফগানিস্তানের রিং লিডারদের সঙ্গে যোগাযোগে ছিল। ভারত এই ঘটনার মজা নিয়েছে।

    গুজব ছড়ানোর প্রয়াস

    পাকিস্তানের (India Pakistan Relation) বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র শাফকত আলি খান দাবি করেছিলেন, “ভারত পাকিস্তানে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত। বিশেষত, জাফর এক্সপ্রেস হামলায়, সন্ত্রাসীরা তাদের হ্যান্ডলারদের এবং রিং লিডারদের সঙ্গে আফগানিস্তানে যোগাযোগ করেছিল।” ভারত এই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করেছে। দিল্লির তরফে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পাকিস্তানের মিথ্যা অভিযোগগুলো অস্বীকার করছি। পৃথিবী জানে, বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের উৎস কোথায়। পাকিস্তানকে অন্যদের ওপর দোষ চাপানোর বদলে নিজেদের ভেতরে দেখতে হবে।” বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘পাকিস্তানের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিদ্বেষে ভরা। ভারত-বিরোধী প্রচার চালানোর এটি একটি নবতম পন্থা। সারা বিশ্ব জানে, পাকিস্তান দীর্ঘ দিন ধরে সন্ত্রাসবাদ, সংগঠিত অপরাধ এবং অবৈধ আন্তর্দেশীয় কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল। পাকিস্তান যেমন বীজ বপন করবে, তেমন ফসলই পাবে।’’

    কাশ্মীর নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার

    রণধীর দাবি করেন, পাকিস্তান (India Pakistan Relation) গুজব না ছড়িয়ে বরং জোর করে ভারতের যে যে জায়গা তারা দখল করে রেখেছে তার ওপর থেকে সরে যাক। পাক দখলীকৃত জায়গা দিল্লিকে ফিরিয়ে দিলেই, ভারত সেখানে উন্নয়নের জোয়ার আনবে। সম্প্রতি কাশ্মীর প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘আমরা সবাই সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার কথা বলি। বিশ্বের বিভিন্ন নিয়মের মধ্যে যা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে অন্য কোনও দেশের এলাকায় সবথেকে দীর্ঘ অবৈধ উপস্থিতির সাক্ষী রয়েছে ভারতের কাশ্মীর।’ কাশ্মীর প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং পশ্চিমী বিশ্বের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমরা ইউনাইটেড নেশনসে গিয়েছি। কাশ্মীরের একাংশ দখলের ঘটনাকে বিতর্ক বলে দাবি করা হচ্ছে। তাহলে অপরাধী কে? ব্রিটেন, কানাডা, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা? আমাকে ক্ষমা করবেন। ওই বিষয়ে আমার এই রকম অনেক প্রশ্ন আছে।’ এর পরই রাষ্ট্রপুঞ্জের ভূমিকা শক্তিশালী করে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই শক্তিশালী রাষ্ট্রপুঞ্জ। কিন্তু শক্তিশালী রাষ্ট্রপুঞ্জের দরকার নিরপেক্ষতা। শক্তিশালী গ্লোবাল অর্ডারে কিছু বেসিক স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে হবে। অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা যেমন দরকার, তেমন আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলারও প্রয়োজন।’

    ভারতকে দোষারোপের কারণ নেই

    বিদেশমন্ত্রীর দাবিকে মান্যতা দিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত (India Pakistan Relation) এবং অন্যান্য অনেক দেশ প্রকাশ্যে পাকিস্তানকে এই বলে বারবার সতর্ক করেছে যে, সন্ত্রাস এবং হিংসার সংস্কৃতির কারণে তারা নিজেদেরই ক্ষতি করছে। পাকিস্তানের নিজস্ব কর্মকাণ্ডের জন্য ভারতকে দোষারোপ করা কোনও যুক্তিযুক্ত সমাধান হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছে বিদেশ মন্ত্রক। দিল্লির দাবি, অন্যের দিকে আঙুল তোলা এবং অভ্যন্তরীণ সমস্যার জন্য বহিরাগত শক্তিকে দোষারোপ করার পরিবর্তে পাকিস্তানের আত্মসমালোচনা করা উচিত।

  • Jammu Kashmir: রাতভর অভিযান কাশ্মীরে সাফল্য সেনার, নিহত ২ জঙ্গি, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    Jammu Kashmir: রাতভর অভিযান কাশ্মীরে সাফল্য সেনার, নিহত ২ জঙ্গি, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকায় বড় সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নানা জায়গায় একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনায় মাঝেই শ্রীনগরে সেনার গুলিতে নিহত হল ২ জঙ্গি। শুক্রবার রাত থেকে বারামুল্লার সোপোর এলাকায় জঙ্গি দমনে অভিযান চালায় সেনা। জঙ্গিদের নিকেশ করার পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। কাশ্মীর পুলিশের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে, ‘সোপোরে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। মৃত জঙ্গিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।’ 

    জঙ্গি দমনে অভিযান

    পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে খবর আসে বারামুল্লার (Jammu Kashmir) সোপোর এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী। গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযানে নামে সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী। সোপোরের পানিপুরায় গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। সেনার উপস্থিতি টের পেয়ে এবং পিছু হটবার জায়গা না থাকায় নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে দুই তরফের গুলির লড়াইয়ের পর ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একের পর এক জঙ্গি কার্যকলাপের ঘটনা ঘটছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কিস্তওয়ার জেলায় দুই ভিডিজি (ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড) সদস্যকে অপহরণ করে খুন করল জঙ্গিরা। পুলিশ সূত্রের খবর, ওহলি-কুন্তওয়ারা গ্রামের ওই দুই বাসিন্দার নাম নাজির আহমেদ ও কুলদীপ কুমার। পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের ‘ছায়া সংগঠন’ কাশ্মীর টাইগার্স খুনের দায় স্বীকার করেছে। নিহত দুই ভিডিজি সদস্যের ছবিও প্রকাশ করেছে তারা। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা জঙ্গি হানায় দুই ভিডিজি সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‘এই সন্ত্রাসের চক্র আমরা ধ্বংস করবই।’’ সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে উপত্যকায় জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস রুখতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান জারি থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Article 370: ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে ফের উত্তাল জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা, ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের

    Article 370: ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে ফের উত্তাল জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা, ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ধারা (Article 370) নিয়ে শুক্রবারও উত্তপ্ত হল জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা। বৃহস্পতিবার এই ইস্যুতে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়করা। এদিন বিজেপি বিধায়কদের পাশাপাশি মার্শালের নিশানা হলেন আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির বিধায়ক খুরশিদ আহমেদ শেখ। স্পিকার আব্দুল রহিম রাথেরের নির্দেশে শুক্রবার খুরশিদের পাশাপাশি ১২ জন বিজেপি বিধায়ককেও সভা থেকে বার করে দেন মার্শাল। এর প্রতিবাদে বিজেপির বাকি ১১ বিধায়ক ওয়াকআউট করেন।

    এদিন ঠিক কী ঘটেছিল? (Article 370)

    এই নিয়ে টানা তিন দিন ৩৭০ ধারা (Article 370) নিয়ে অশান্তি হল দেশের নবীনতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভায়। শুক্রবার সভার শুরুতেই বিরোধী বিজেপির বিধায়কেরা জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। জবাবে বারামুলার সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার রশিদের ভাই খুরশিদ জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে স্লোগান তোলেন। আর এক বিরোধী দল পিডিপির বিধায়কেরাও তাঁর সঙ্গে গলা মেলান। দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে মার্শালকে তলব করেন স্পিকার। পরে, বিজেপি বিধায়কদের বের করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবারও দু’পক্ষের অশান্তির কারণে মার্শাল ডেকে কয়েক জন বিজেপি বিধায়ককে বার করে দিয়েছিলেন স্পিকার। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সরকার বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরাতে চেয়ে প্রস্তাব পাশ করেছিল সেখানকার বিধানসভায়। তার পর থেকেই শুরু হয়েছে অশান্তি।

    আরও পড়ুন: ৯৭ বছরে পা দিলেন লালকৃষ্ণ আডবানি, জন্মদিনে বর্ষীয়ান নেতাকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    বিশেষ মর্যাদা বিলোপের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক নয়

    জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট নরেন্দ্র মোদি সরকার ৩৭০ নম্বর (Article 370) ধারা বাতিল করে। ফলে, বিশেষ মর্যাদা হারায় জম্মু ও কাশ্মীর। এমনকি, কেড়ে নেওয়া হয় রাজ্যের তকমাও। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে ভেঙে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ-দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয়। এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বরের রায়ে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিল করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক নয়।

    জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে!

    পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, ওই বিধায়কের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের শাসক দল (Article 370) এবং কংগ্রেস। বিজেপির (BJP) জম্মু- কাশ্মীর সভাপতি রবীন্দ্র রায়না ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটকে নিশানা করে বলেন, “ওরা পাকিস্তানের হাত শক্ত করছে। জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: জঙ্গি সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে, কড়া নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের

    Jammu Kashmir: জঙ্গি সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে, কড়া নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমন অভিযানে লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার ওসমানের মৃত্যুর পরই ফের রক্তাক্ত শ্রীনগর (Srinagar)। রবিবার বাজারে গ্রেনেড হামলায় কমপক্ষে ১২ জন জখম হয়েছেন। গত কয়েকদিনে একাধিকবার জঙ্গি হামলায় রক্ত ঝরেছে উপত্যকায়। এরপরই কড়া নির্দেশ দিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) উপরাজ্যপাল মনোজ সিন‍্‍হা। সেনাকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন গুঁড়িয়ে দিতে নির্দেশ দিলেন তিনি। 

    যে কোনও মূল্যে জঙ্গি দমন

    রবিবার বিকেলে টিআরসি থেকে লালচক পর্যন্ত, রেসিডেন্সি রোডে একটি বড় বাজার বসে। সেই বাজারের মধ্যেই এদিন সিআরপিএফ কর্মীদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়েছিল জঙ্গিরা। এই হামলার নিন্দা করে উপরাজ্যপাল নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশে বলেন, “জঙ্গিদের কড়া জবাব দিতে হবে। জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে।” জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি নলিন প্রভাতের সঙ্গে কথা বলেন উপরাজ্যপাল। নিরাপত্তা বাহিনীর পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর। সরকারি এক মুখপাত্র জানান, জঙ্গিদের কড়া জবাব দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন উপরাজ্যপাল। উপরাজ্যপাল বলেন, যারা সাধারণ নাগরিকের উপর হামলা চালিয়েছে, এর মূল্য তাদের চোকাতে হবে। জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর পূর্ণ স্বাধীনতা আছে বলে মন্তব্য করেন মনোজ সিন‍্‍হা।

    আরও পড়ুন: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    লস্কর জঙ্গি ওসমান-নিধনে বিস্কুটের ভূমিকা

    এর আগে, শনিবার শ্রীনগরের (Jammu Kashmir) খানিয়ারে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছে জঙ্গিনেতা ওসমানের। পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার এই কমান্ডারকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তা বাহিনী। গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক জঙ্গি হামলায় বড় ভূমিকা রয়েছে ওসমানের। তার মৃত্যুকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই অভিযানে (Srinagar) চার জওয়ানও জখম হয়েছেন। সেনা সূত্রে খবর, শনিবারের অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সাফল্যে বিস্কুটের একটি বড় ভূমিকা ছিল। অভিযানের সময়ে পথকুকুররা যাতে ডাকাডাকি না করে, সে দিকে সজাগ নজর ছিল বাহিনীর। ওসমানকে খুঁজে বার করার সময় পথকুকুরদের শান্ত রাখা ছিল বাহিনীর অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ, কুকুর ডাকাডাকি করলে ওসমানের সতর্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই অভিযান শুরুর সময় জওয়ানেরা সঙ্গে বিস্কুট রেখে দিয়েছিলেন। এলাকায় কুকুরদের শান্ত রাখার জন্য বিস্কুট খাওয়ান তাঁরা। শেষে খানিয়ারে ওসমানের সম্ভাব্য আস্তানাকে চিহ্নিত করে ৩০টি বাড়ি ঘিরে ফেলেন জওয়ানরা। অভিযানের একটি পর্যায়ে জঙ্গিনেতাকে খুঁজেও পান তাঁরা। লস্কর নেতার সঙ্গে ছিল একে-৪৭, একটি পিস্তল এবং বেশ কিছু গ্রেনেড। কয়েক ঘণ্টা ওসমান ও অন্য জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলে নিরাপত্তা বাহিনীর। শেষে বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওসমানের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: আখনুরে সেনা কনভয়ে হামলায় ব্যবহৃত স্টিল-বুলেট, পাল্টা অভিযানে খতম তিন জঙ্গি

    Jammu Kashmir: আখনুরে সেনা কনভয়ে হামলায় ব্যবহৃত স্টিল-বুলেট, পাল্টা অভিযানে খতম তিন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সীমান্তঘেঁষা আখনুর সেক্টরে ভারতীয় সেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলার (Akhnoor Terror Attack) ঘটনার পর জওয়ানদের প্রত্যাঘাতে তিন হামলাকারী খতম হয়েছে। এখনও তল্লাশি-অভিযান চলছে। সেনা অভিযানে বেশ কিছু অস্ত্র এবং গোলা-বারুদ উদ্ধার হয়েছে বলেও খবর। এখানেই দেখা যায়, হামলায় সেনার সাঁজোয়া গাড়ি ভেদ করতে সক্ষম এমন আধুনিক স্টিলের গুলি ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা। এই অভিযানে বীর বিক্রমে লড়াই করে শহিদ হয়েছে সেনা-সারমেয় ফ্যান্টম।

    বানচাল জঙ্গিদের ছক

    সেনার তরফে জানানো হয়, সোমবার সকাল ৭টা নাগাদ এই জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটে। বালতাল এলাকায় তিন জন জঙ্গি আচমকাই সেনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা সংখ্যায় ছিল তিন জন। সেনাবাহিনীর কনভয়ে ছিল একটি অ্যাম্বুল্যান্স, যার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এর পরেই জঙ্গিদের ধরতে পাল্টা অভিযান শুরু করে সেনা। দ্রুত গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেন জওয়ানরা। জঙ্গিদের খোঁজে জঙ্গলেও তল্লাশি চালানো হয়। জঙ্গিদের অবস্থান বুঝতে জঙ্গলে যায় সেনার ‘কে-৯’ ব্রিগেডের সদস্য ফ্যান্টম। তাকে দেখেই গুলি চালাতে শুরু করে আত্মগোপন করে থাকা জঙ্গিরা। গুলি এসে লাগে ফ্যান্টমের। কিন্তু, ততক্ষণে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে জেনে যায় বাহিনী। শহিদ হয় ফ্যান্টম। গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় সেনা সারমেয় ফ্যান্টম। এর পর শুরু হয় জঙ্গি-বাহিনীর গুলির লড়াই। প্রায় ২৪-ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পর খবর মেলে যে তিন জঙ্গিই বাহিনীর অভিযানে খতম হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী এলাকা থেকে প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করেছে।

    দীপাবলি উপলক্ষ্যে কড়া নিরাপত্তা

    দীপাবলি উৎসব উপলক্ষে নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) নিরাপত্তার কড়াকড়ি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তারই মধ্যে ঘটে গেল এই হামলার ঘটনা। জঙ্গিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত গোলা-বারুদের মধ্যে বেশ কিছু ছিল অত্যাধুনিক। সহজেই সেনার সাঁজোয়া গাড়ি ভেদ করতে সক্ষম এরকম স্টিলের বুলেট ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা। মঙ্গলবার সকালে সেনার তরফে জানানো হয়, সোমবার সারাদিন তল্লাশি অভিযান চলে আখনুরে। অবশেষে তিন জঙ্গি নিহত হয়।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    গত কয়েক দিন ধরেই জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) বার বার জঙ্গি হামলার ঘটনা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যটন কেন্দ্র গুলমার্গ থেকে কিছু দূরে সেনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। নিহত হন দুই জওয়ান এবং সেনাবাহিনীর দুই মালবাহক। আরও এক মালবাহক এবং জওয়ান ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন। জঙ্গিদের ধরতে ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে সেনা। এর আগে ২০ অক্টোবর গান্ডেরবাল জেলার শ্রীনগর-লেহ্ জাতীয় সড়কে একটি নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের কাছে জঙ্গি-হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ছয় নির্মাণ শ্রমিকের। তাঁরা সকলেই ভিন্‌রাজ্যের বাসিন্দা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Attack: গুলমার্গের পর আখনুর, জম্মু-কাশ্মীরে ফের সেনার গাড়ির ওপর হামলা জঙ্গিদের

    Terrorist Attack: গুলমার্গের পর আখনুর, জম্মু-কাশ্মীরে ফের সেনার গাড়ির ওপর হামলা জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উপত্যকায় জঙ্গি হামলা (Terrorist Attack)। সোমবার সাত সকালে সেনাবাহিনীর গাড়ির (Army Vehicle) ওপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। জম্মু কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরের বাতাল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এরপরে পাল্টা গুলি চালাতেই পিছু হঠে জঙ্গিরা। সংঘর্ষে কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। এরপরেই গোটা এলাকা ঘিরে ধরে শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, এখনও চলছে এই অভিযান। প্রসঙ্গত, দুদিন পরেই দীপাবলি, তার আগে এমন জঙ্গি হামলা উদ্বেগ বাড়িয়েছে উপত্যকায়।

    সম্প্রতি জঙ্গিদের গুলিতে (Terrorist Attack) ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে 

    জঙ্গিদের গুলিতে ২ জওয়ান সহ মোট ১২ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে সম্প্রতি। এর আগে গত ২৪ অক্টোবর বারামুল্লার গুলমার্গে একই কায়দায় সেনাবাহিনীর গাড়িতে (Terrorist Attack) হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সে সময় সংঘর্ষে প্রাণ হারান দুইজন জওয়ান। তার আগে গত ২০ অক্টোবর সোনমার্গে হামলা চলে শ্রমিকদের ওপরে। সেই সময় ৬ জন শ্রমিক ও এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয় জঙ্গিদের গুলিতে।

    চলছে লাগাতার তল্লাশি (Terrorist Attack) 

    জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় জোরকদমে তল্লাশি শুরু করে (Army Vehicle) সেনাবাহিনী। তল্লাশি অভিযানে নামে পুলিশের ‘কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স উইং’। শ্রীনগর, গান্ডেরবাল, কুলগাম, বদগাম, অনন্তনাগ এবং পুলওয়ামায় শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। জানা গিয়েছে, লাগাতার তল্লাশি চালিয়ে বুধবারই পুঞ্চে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তইবা (এলইটি)-র একটি শাখা সংগঠনের ঘাঁটি ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী। তবে তার পরও একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনা উদ্বেগ বৃদ্ধি করছে প্রশাসনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) আবারও জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলমার্গের (Gulmarg) কাছে নিয়ন্ত্রণ রেখার অদূরে বুটাপাথরির কাছে সেনার এক গাড়িতে অতর্কিত হামলা হয়। এই ঘটনায় দুই সেনা জওয়ান-সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন। সেনা সূত্রে খবর, এলওসি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে এই ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার পিছনে পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (ব্যাট) রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তারাই এই ধরনের ক্রস-বর্ডার হামলা চালাতে দক্ষ। ঘাতক জঙ্গিদের নিকেশ করতে এই মুহূর্তে অভিযান জারি রেখেছে ভারতীয় সেনা।

    জঙ্গিদের খোঁজে সেনা

    সেনা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গুলমার্গের (Gulmarg) নাগিন পোস্টের কাছে বুটাপাথরি এলাকায় সেনা গাড়িটি লক্ষ্য করে অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। এলাকাটি গুলমার্গ স্কি-রিসর্ট থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে এবং নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে অবস্থিত। এখানে অনুমতি ছাড়া অসামরিক ব্যক্তিদের চলাচল করতে দেওয়া হয় না। এলাকাটি জঙ্গিমুক্ত বলেই পরিচিত এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের অত্যন্ত পছন্দের। আক্রান্ত গাড়িটি ১৮ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেটি বুটাপাথরিতেই আসছিল। গাড়িটি একটি সেনা কনভয়ের অংশ ছিল। এক সন্ত্রাসবাদীও এই ঘটনায় আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এক পুলিশ কর্তা বলেছেন, “এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং জঙ্গিরা যাতে ঘন জঙ্গলের মধ্যে পালাতে না পারে, তার জন্য ওই এলাকায় বিশাল বাহিনী পাঠানো হয়েছে।” 

    এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার ত্রাল এলাকায় একজন পরিযায়ী শ্রমিককে গুলি করেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। প্রীতম সিং নামে উত্তর প্রদেশের ওই বাসিন্দা গুরুতর আহত হন। এর আগে কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) গান্ডেরবালে সুড়ঙ্গ নির্মাণের শ্রমিকদের খুন করার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ফুটেজ সামনে এসেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে গান্ডেরবালের গগনগির এলাকায় দুই পাক জঙ্গি শ্রমিক শিবিরে ঢুকেছিল। তাদের হাতে ছিল একে ৪৭ ও এমকে-১ এর মতো অত্যাধুনিক মার্কিন রাইফেল। যা দেখে সস্পষ্টত বোঝা যাচ্ছে পাকিস্তানি জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সই উপরাজ্যপালের, ভূস্বর্গ পাচ্ছে রাজ্যের মর্যাদা!

    Jammu Kashmir: মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সই উপরাজ্যপালের, ভূস্বর্গ পাচ্ছে রাজ্যের মর্যাদা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পাশ করেছিল (Statehood Resolution) ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লার মন্ত্রিসভা। পরে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহার কাছে। বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। এবার তোড়জোড় চলছে রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাওয়ার।

    রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব (Jammu Kashmir)

    বৃহস্পতিবারই প্রথম বৈঠকে বসে ওমর মন্ত্রিসভা। এদিনের বৈঠকে পাশ হয় জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব। মুখ্যমন্ত্রী ওমর ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ডেপুটি সুরিন্দর চৌধুরী, মন্ত্রী সাকিনা মাসুদ ইতু, জাভেদ আহমেদ রানা, জাভেদ আহমেদ দার ও সতীশ শর্মা। মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উপরাজ্যপাল স্বাক্ষর করার পরে সেটি পাঠানো হবে দিল্লিতে। আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যাওয়ার কথা ওমরের। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাব তুলে দেবেন ওমর। আর্জি জানানো হবে জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার।

    সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য

    জম্মু-কাশ্মীরের এক সরকারি আধিকারিক জানান, মন্ত্রিসভার পাশ করা প্রস্তাবে বাড়তি কিছু যোগ করেননি উপরাজ্যপাল। মন্ত্রিসভায় গৃহীত প্রস্তাব তাঁর কাছে আসতেই তিনি তাতে স্বাক্ষর করে দেন। তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দারা ফিরে পাবেন তাঁদের পরিচিতি ও সাংবিধানিক অধিকার।” ওমর সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া উপত্যকায়। তবে সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা করেছে বিরোধী পিডিপি-সহ একাধিক দল। তাদের দাবি, ন্যাশনাল কনফারেন্স ৩৭০ ধারা ও বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ক্ষমতায় আসতে ন্যাশনাল কনফারেন্স ৩৭০ ধারা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করছে না বলেও অভিযোগ বিরোধীদের।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই ভূস্বর্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক নয়। যদিও সঠিক সময়ে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে (Statehood Resolution) আশ্বাস দেয় কেন্দ্র (Jammu Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share