Tag: Jamshedpur

Jamshedpur

  • BIS Recruitment 2024: কেন্দ্রীয় সংস্থায় ৫০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি, যোগ্যতা কী জানেন?

    BIS Recruitment 2024: কেন্দ্রীয় সংস্থায় ৫০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি, যোগ্যতা কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। মূলত, কেন্দ্রের উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থায় কর্মী নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কত জন কর্মী নিয়োগ (Government Job) করা হবে, তাঁদের কত বেতন হবে তাও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের কোন কোন প্রান্তে কতজনকে নিয়োগ করা হবে তার রূপরেখাও ঠিক করা হয়েছে। আর এই কাজের জন্য কী কী যোগ্যতা দরকার তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থায় কর্মী নিয়োগ করবে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস) (BIS Recruitment 2024)। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে।

    কোথায় কোথায় কর্মী নিয়োগ করা হবে? (BIS Recruitment 2024)

    বিআইএস (BIS Recruitment 2024) সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলে সাতটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে নিযুক্তদের পোস্টিং দেওয়া হবে। এরজন্য অনলাইনেই আগ্রহীদের থেকে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। সংস্থার তরফে কনসালট্যান্ট বা পরামর্শদাতা পদে কর্মীদের নিয়োগ করা হবে। মোট শূন্যপদের সংখ্যা ১৪। কলকাতা ব্রাঞ্চ অফিস-১, কলকাতা ব্রাঞ্চ অফিস-২, জামশেদপুর, গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বর, রায়পুর এবং পাটনা ব্রাঞ্চ অফিসের প্রতিটিতে দু’জন করে কর্মী নিয়োগ করা হবে। সংস্থায় আগামী ছ’মাসের জন্য স্বল্পমেয়াদে কর্মীদের নিয়োগ করা হবে।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    মাসে বেতন ৫০ হাজার টাকা

    প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের জন্য কোনও বয়ঃসীমার উল্লেখ করা হয়নি। তবে, জানানো হয়েছে নিযুক্তদের (Government Job) বেতন হবে মাসে ৫০ হাজার টাকা। আবেদনকারীদের মার্কেটিং-এ এমবিএ বা মাস কমিউনিকেশনে সমতুল ডিগ্রি বা সোশ্যাল ওয়ার্কে মাস্টার্স (এমএসডব্লিউ) ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি / রাজ্য সরকারি / রাষ্ট্রায়ত্ত্ব / স্বশাসিত সংস্থায় মার্কেটিং এবং মাস কমিউনিকেশন সংক্রান্ত কাজের দু’বছরের অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। যাঁদের আইটি সম্পর্কিত কাজের দক্ষতা এবং ইংরেজি, হিন্দি এবং স্থানীয় ভাষায় কথোপকথন এবং লেখার দক্ষতা রয়েছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: পাহাড়ের সারি, শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল! ‘শঙ্করদা পোটকা’ যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি

    Jharkhand: পাহাড়ের সারি, শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল! ‘শঙ্করদা পোটকা’ যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরের খোঁজে যখন আমরা দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে বেড়াই, তখন আমরা ভুলে যাই যে আমাদের বাড়ির পাশেই রয়েছে এমন কিছু অপূর্ব সুন্দর স্থান, যার খোঁজ আমরা রাখি না। রীতিমতো উপেক্ষিতই থেকে যায় সেই সব অচেনা, অজানা সুন্দরীরা। যেমন শঙ্করদা পোটকা। নামের মধ্যেই রয়েছে এক আদিবাসী সারল্যের গন্ধ। পশ্চিমবঙ্গের একদম নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। এই ঝাড়খণ্ডেরই এক অসাধারণ সুন্দর স্থান হল এই শঙ্করদা পোটকা (Shankarda Potka)। বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ঘাটশিলা আর শিল্পনগরী টাটা-র মাঝখানে অবস্থান এই শঙ্করদা-র। এখানে নেই শহরের কোলাহল, যন্ত্র দানবের দৌরাত্ম্য আর দূষণ। বর্তমান সময়ের আধুনিক সভ্যতা যেন এখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এখানে আদি-অন্ত শুধুই অনাবিল প্রকৃতির স্নিগ্ধ হাতছানি। তার মন-প্রাণ ভুলিয়ে দেওয়া নৈসর্গিক সৌন্দর্যের ডালি। এখানে দাঁড়িয়ে দূরের ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি দেখতে দেখতে যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের হৃদয় ভালো লাগার অনুভূতি এনে দিতে পারে।

    যেন সম্পূর্ণ অঞ্চলে আগুন লেগেছে (Jharkhand)

    শঙ্করদা থেকে প্রায় তিন-সাড়ে তিন কিমি দূরে আর এক অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান হল পাহাড়ভাঙা। এখান দিয়েই বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা নদী। নদীর বুকে জেগে থাকা পাথরের গায়ে ধাক্কা খেতে খেতে আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় আপন খেয়ালে বয়ে চলেছে সে। আশেপাশে পাহাড়ের সারি, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল। বসন্তে যখন এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে ফুটে থাকে লাল পলাশ, তখন যেন মনে হয় সম্পূর্ণ অঞ্চলে আগুন লেগেছে। তখন যেন এই শঙ্করদা পোটকা শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি। স্থানীয় মানুষজনের কাছে এই পাহাড়ভাঙা বর্তমানে এক প্রিয় বেড়ানো এবং পিকনিক করার জায়গা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

    রঙ্কিনী দেবীর মন্দির

    শঙ্করদা থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) অন্যতম জনপ্রিয় এবং পবিত্র রঙ্কিনী দেবির মন্দির। যদুগোড়ার পথে অবস্থিত এই রঙ্কিনী দেবীকে স্থানীয় মানুষ অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করেন। কেউ কেউ এই দেবী মা-কে আদিবাসী সম্প্রদায়ের দেবী বলে মনে করেন। আবার অনেকেই মনে করেন এই দেবী ধলভূমগড়ের রাজাদের গৃহদেবতা। পাহাড়ের গুহায় এই মন্দির। মন্দিরের উল্টো দিকেই গভীর খাদ। এই খাদে নামার জন্য সিঁড়ি করা আছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। প্রাচীন এই মন্দিরটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল ঘাটশিলায়। পরে এটি স্থানান্তরিত করা হয় এই পাহাড়ের গুহায়। তবে ঘাটশিলা স্টেশনের কাছে এখনও রয়েছে সেই প্রাচীন মন্দির। শতাধিক বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে এক সময় নরবলি প্রথা চালু ছিল। বৃটিশ শাসকদের হস্তক্ষেপে সেই জঘন্য প্রথা বন্ধ হয়। আবার ইচ্ছে হলে বা হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় শঙ্করদা টোটকা থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে আর এক সুন্দর স্পট রাতমোহনাও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Jharkhand)

    শঙ্করদা পোটকা যাওয়ার জন্য হাওড়া থেকে আসতে হবে টাটানগর। যাচ্ছে স্টিল এক্সপ্রেস, ইস্পাত এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। টাটা থেকে শঙ্করদা পোটকা প্রায় ১৭-১৮ কিমি পথ যেতে হবে গাড়িতে। আর রাতমোহনা থেকে শঙ্করদার দূরত্ব ৩০ কিমি। যেতে হবে গাড়িতে। থাকা-খাওয়া-শঙ্করদাতে আছে রিসর্ট উইক এন্ড। এখানে রয়েছে সুন্দর, জানা-অজানা বহু গাছ নিয়ে তৈরি এক সুন্দর বাগান, বাচ্চাদের খেলার জায়গা, একটি সুন্দর পুকুর। আছে খাওয়ায় ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক । ফোন-০৯২৩৪৬৪৩৫৪০, ০৮৭৫৭৭৮০৯১০।
    আর রাতমোহনায় আছে রিসর্ট রাতমোহনা ইন। একদম সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত এই রিসর্টটিতেও আছে খাবার ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক। তবে রাতমোহনা থেকে শঙ্করদা যেতে হলে ওই একই টাটাগামী ট্রেনে এসে নামতে হবে ঘাটশিলা স্টেশনে। ঘাটশিলা থেকে অটো বা গাড়িতে যেতে হবে রাতমোহনা (Jharkhand)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tata Steel Plant: জামশেদপুরে টাটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ৩ শ্রমিক

    Tata Steel Plant: জামশেদপুরে টাটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ৩ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামশেদপুর টাটার ইস্পাত কারখানায় ভয়াবহ আগুন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩ জন শ্রমিক। কর্তৃপক্ষের তরফে পরে জানানো হয়, ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, একটি বিস্ফোরণের পরই কারখানার কোক প্ল্যান্টে আগুন লাগে। বিস্ফোরণ ও আগুন ঘিরে আতঙ্ক কারখানা চত্বরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল।

     

     

    আহত তিন জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারখানার কাছেই টাটা মেডিক্যাল হাসপাতালে। টাটা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরেক কর্মী বুকে ব্যথা অনুভব করায় তারও চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। অন্য এক সূত্র মারফৎ খবর, বিষাক্ত গ্যাসেও কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ বোধ করলে, তাঁদেরও চিকিৎসা শুরু হয়।

    [tw]


    [/tw]

    শনিবার বেলা ১০টা বেজে ২০ নাগাদ একটা বিস্ফোরণের শব্দে চমকে ওঠে সকলে। মূহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোক প্লান্টের ব্যাটারি ৬-এর ফাইল গ্যাসের পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এই মুহূর্তে ব্যাটারি-৬ নিস্ক্রিয় বলে তার সরঞ্জাম খোলার কাজ চলছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। টাটা জানিয়েছে, দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কর্মীদের নিরাপত্তাই তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

    দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ চলছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন, প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে সরকার।

    [tw]


    [/tw]

     

LinkedIn
Share