Tag: Japan

Japan

  • Japan: নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে জাপান? ব্যাপক কমছে জন্মহার, বিয়ে ও সন্তানধারণে উৎসাহিত করছে সরকার

    Japan: নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে জাপান? ব্যাপক কমছে জন্মহার, বিয়ে ও সন্তানধারণে উৎসাহিত করছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের (Japan) সভ্যতা কি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে? কেন উঠছে এমন প্রশ্ন? দেখা যাচ্ছে ২০২৪ সালে জাপানে জন্মহার সর্বনিম্নের ভিত্তিতে রেকর্ড (Low Birth Rate) গড়ে একেবারে ফেলেছে। এই নিয়ে টানা ৯ বছর ধরে এই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে জাপানে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যদি এমনই চলতে থাকে, তবে এখন থেকে ৬৯৫ বছর পর ২৭২০ সালের জানুয়ারিতে জাপানে শিশুর সংখ্যা মাত্র একটিতে নেমে আসবে। এখানেই উদ্বেগ দেখা গিয়েছে।

    জন্মহার না বাড়লে জাপান (Japan) একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে

    জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জন্মহার না বাড়লে জাপান একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এই আবহে সামনে এসেছে জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট। ওই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে বিদেশি নাগরিক-সহ মাত্র ৭,২০,৯৮৮ শিশুর জন্ম হয়েছে জাপানে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭,৫৮,৬৩১। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের মধ্যে শিশুজন্মের সংখ্যা পাঁচ শতাংশ কমে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ইদানিং বিয়ের সংখ্যা কমতে শুরু করে জাপানে। ২০২০ সালে, কোভিডের সময়ে ১২.৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল বিয়ের হার। সেই প্রভাব এখনও টের পাওয়া যাচ্ছে জাপান।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর এথিক্স ইন এআই-এর সহযোগী অধ্যাপক একাতেরিনা হার্টোগের মতে, ‘‘জাপান যদি কখনও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, তার মূল কারণ হবে সে দেশের কর্মসংস্কৃতি। ভালো বেতনের চাকরি না করলে পুরুষদের বিবাহযোগ্য বলে মনে করা হয় না। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এই দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে বটে, কিন্তু জাপানের ক্ষেত্রে এ ছাড়া আরও কয়েকটি বিষয় রয়েছে। জাপানের (Japan) বাজারে ভালো চাকরির অভাব বাড়ছে বলেই বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের। ফলে পুরুষদের মধ্যে এমন এক শ্রেণি তৈরি হচ্ছে, যাঁরা আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে বিয়ে করতে চাইছেন না অথবা সন্তানের জন্ম দিয়ে পরিবার গড়ে তোলার ব্যাপারে সাহস পাচ্ছেন না।’’

    সরকারি উদ্যোগ (Japan)

    তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও সমাজবিদ্যা গবেষণা কেন্দ্রের অধ্যাপক হিরোশি ইয়োশিদা বলছেন, ‘‘কম জন্মহারের কারণে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রথম দেশ হতে পারে জাপান (Japan)।’’ বিয়ে এবং সন্তানধারণে দম্পতিদের উৎসাহিত করার জন্য একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে জাপান সরকার। সরকার চালু করেছে ডেটিং অ্যাপ। একই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে শিশুযত্নের সুবিধা, আবাসনের সুবিধা ইত্যাদি নানা পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

  • S Jaishankar: বাড়াবাড়ি নয়! চিনকে কড়া বার্তা কোয়াডের, ট্রাম্প ক্ষমতায় আসতেই বৈঠকে জয়শঙ্কররা

    S Jaishankar: বাড়াবাড়ি নয়! চিনকে কড়া বার্তা কোয়াডের, ট্রাম্প ক্ষমতায় আসতেই বৈঠকে জয়শঙ্কররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের বাণিজ্যিক এবং কৌশলগত একাধিপত্যকে মেনে নেবে না আমেরিকা। ক্ষমতায় এসেই কোয়াডের (Quad Meetings) সঙ্গে সুর মিলিয়ে চিনকে কড়া বার্তা দিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সরাসরি চিনের নাম না করা হলেও ভারত, জাপান, আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার চতুর্দেশীয় অক্ষ বা কোয়াডের বিদেশমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে বেজিংকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, শক্তিপ্রয়োগ করে বা জোরজবরদস্তি করে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একতরফা কোনও স্বাভাবিক অবস্থার বিঘ্ন ঘটনার চেষ্টা করা হলে সেটা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান, কোয়াডের বৈঠকের পর স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, যে বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে বিশ্বের ভালোর জন্য কাজ করবে কোয়াড।

    কোয়াডকে গুরুত্ব ট্রাম্পের

    কূটনৈতিক সূত্রের খবর, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) যখন আমেরিকা যাত্রা করেন, তখনও নয়াদিল্লির উদ্বেগ ছিল চিন-বিরোধী এই কোয়াড অক্ষটিকে কতটা গুরুত্ব দেবেন ট্রাম্প। তবে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে দেয় তাদের মনোভাব। প্রথম দিন দায়িত্ব নিয়েই আমেরিকার নতুন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো চতুর্দেশীয় অক্ষ কোয়াডের গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের কথা জানিয়ে দেয়। অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওয়ং জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শপথের পরপরই কোয়াড গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই বৈঠক প্রমাণ করে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে ‘সমমনস্ক বন্ধুদের’। তাঁর বক্তব্য, “কোয়াডভুক্ত সমস্ত রাষ্ট্রের সামগ্রিক দায়বদ্ধতা এটাই প্রমাণ করে, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যখন ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন, সেখানে প্রত্যেকেই লৌহ সংকল্পে আবদ্ধ।”

    চিন নয়, ভারতই ভরকেন্দ্র

    চিন নয় বরং ভারতকেই যে এশিয়ার প্রধান ভরকেন্দ্র হিসাবে দেখছে আমেরিকার নতুন জমানা, তার ইঙ্গিত মিলেছে প্রথম দিনই। ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে জয়শঙ্করকে আসন দেওয়া হয়েছিল একেবারে প্রথম সারিতে, যাকে ইতিবাচক সংকেত হিসাবেই দেখা হচ্ছে। তাঁর দু’টি সারি পিছনেই বসেন জাপানের বিদেশমন্ত্রী তাকেশি আইওয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওয়ং, অর্থাৎ কোয়াডের আর দুই সদস্য। অর্থাৎ কোয়াডভুক্ত রাষ্ট্রগুলিকে প্রথম দিকেই রেখেছে আমেরিকার নতুন প্রশাসন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও (S Jaishankar) জানিয়েছেন, কোয়াডের বৈঠক থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে এই অনিশ্চিত দুনিয়ায় বিশ্বের ভালোর জন্য কাজ করবে কোয়াড। 

    ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল মুক্ত রাখার বার্তা

    ওয়াশিংটনে কোয়াড সদস্য দেশগুলির মধ্যে প্রায় ঘণ্টাখানেকের বৈঠকের পরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কোয়াডের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের যে বৈঠক হল, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে যে বন্ধু রাষ্ট্রগুলির ক্ষেত্রে (আমেরিকার) বৈদেশিক নীতি কতটা অগ্রাধিকার পায়। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল যাতে মুক্ত, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধশালী থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    কোয়াড বৈঠক (Quad Meetings) প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “আরও বৃহাদাকারে ভাবনাচিন্তা করা, নিজেদের পদক্ষেপকে আরও দৃঢ় করা এবং আমাদের সমন্বয় আরও মজবুত করার বিষয়ে একমত হয়েছি (আমরা)। আজ যে বৈঠক হল, সেটা থেকে স্পষ্ট বার্তা গেল যে এই অনিশ্চিত এবং অস্থির দুনিয়ায় কোয়াড বিশ্বের ভালোর জন্য একটি শক্তি হয়ে থাকবে।”

    আরও পড়ুন: ভারত-মার্কিন সম্পর্কের নয়া সমীকরণ! ট্রাম্পের শপথের সময় সামনের সারিতে জয়শঙ্কর

    কোয়াড বৈঠকে যৌথ বিবৃতি

    ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানের পরই কোয়াড বৈঠক নিয়ে কূটনৈতিক মহলের মত, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের বাড়বাড়ন্ত, আগ্রাসন রুখতে গঠিত কোয়াডের উপর আমেরিকা যে আগের সরকারের মতোই জোর দেবে, সেই বার্তাটা দেওয়া হল। কোয়াডের বিদেশমন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতেও সেই বিষয়টা উঠে এসেছে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আগামীদিনে কোয়াডের কাজকর্মকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা মুখিয়ে আছি। ভারত যে পরবর্তী কোয়াড নেতাদের সম্মেলেনের আয়োজন করবে (২০২৫ সালেই হবে), সেটার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার মধ্যেই আমরা নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asian Champions Trophy Hockey 2024: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দাপটে শুরু! চিনের পর জাপান, হকিতে অপ্রতিরোধ্য ভারত

    Asian Champions Trophy Hockey 2024: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দাপটে শুরু! চিনের পর জাপান, হকিতে অপ্রতিরোধ্য ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের পর জাপানও তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারল না ভারতীয় হকি দলের বিরুদ্ধে। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Asian Champions Trophy Hockey 2024) দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয় পেল ভারতীয় হকি দল। সোমবার জাপানকে ৫-১ গোলে হারালেন হরমনপ্রীতরা (India beat Japan)। প্যারিস অলিম্পিকে পদক জয়ী হরমনপ্রীতরা এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন হতেও বদ্ধ পরিকর।

    আগ্রাসী শুরু ভারতের

    এদিন প্রথম মিনিট থেকেই আগ্রাসী মেজাজে শুরু করে ভারতীয় দল। জাপানের খেলোয়াড়েরা ঠিক মতো পজিশন নেওয়ার আগেই উইং দিয়ে আক্রমণ তৈরি করেন সুখজিৎ সিং। প্রথম মিনিটেই তাঁর গোল এগিয়ে দেয় ভারতকে। দ্বিতীয় গোলের জন্যও বেশি ক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ভারতীয় দলকে। দ্বিতীয় মিনিটেই জাপানের একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোল করেন অভিষেক। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। রক্ষণে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন জাপানিরা। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে পেনাল্টি কর্নার থেকে ৩-০ করে ভারত। ১৭ মিনিটের মাথায় পাওয়া পেনাল্টি কর্নারে ড্র্যাগ ফ্লিক নেননি হরমনপ্রীত। অধিনায়ক যান পেনাল্টি কর্নার নিতে। সঞ্জয় ড্র্যাগ ফ্লিক মারেন। গোল করতে ভুল করেননি তিনি। ৪১ মিনিটে জাপানের মাসুমোতো একমাত্র গোল করেন তাঁর দলের হয়ে। চতুর্থ কোয়ার্টারে উত্তম সিং (৫৪’) ও সুখজিতের (৬০’) গোলে ভারত ম্য়াচ পকেটে পুরে ফেলে।

    টেবল শীর্ষে

    গত রবিবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Asian Champions Trophy Hockey 2024) চিনকে ৩-০ চূর্ণ করেই শুভারম্ভ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। কয়েক ঘণ্টা ঘুরতে না ঘুরতেই ভারত এবার ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিল জাপানকে। সোমবার  হুলুনবুইরে জাপানকে দাঁড়াতে দিল না ভারত। হরমনপ্রীতদের আগুনে হকিতে আঁধার নামল সূর্যোদয়ের দেশে। আর ২ ম্য়াচে ২ জয়ের সুবাদে ভারত এখন লিগ টেবলে শীর্ষে চলে এল। ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিকে আজকের দিনেই রুপো জিতেছিল ভারত। দাপটে হকি খেলে সেদিনটাকে ফের স্মরণ করালেন হরমনপ্রীতরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা প্রযুক্তি নির্ভর। অথচ নয়া প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করতে তাদের বড্ড অনীহা! এই দেশটির ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি (Japanese Companies) এখনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সংক্ষেপে এআই (AI) ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে না। আজ্ঞে, হ্যাঁ, শুনতে যেমন তেমন হলেও, এটাই ঘোর বাস্তব। অন্তত, সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। এআই হল একটি কম্পিউটার বা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের কাজ করার ক্ষমতা যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, জাপানের বহু সংস্থা এআই ব্যবহার করলেও, ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি এখনই এআই ব্যবহার করতে রাজি নয়।

    সমীক্ষা রয়টার্সের (AI)

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের হয়ে সমীক্ষাটি করেছিল নিইকি রিসার্চ। জুলাইয়ের ৩ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে উদীয়মান সূর্যের দেশের ৫০৬টি কোম্পানির কাছে একগুচ্ছ প্রশ্ন রেখেছিলেন সমীক্ষকরা। উত্তর দিয়েছেন ২৫০ কোম্পানির কর্ণধাররা। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তেই তাঁরা জবাব দিয়েছেন সমীক্ষকদের নানা প্রশ্নের। তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে রিপোর্ট।

    কী বলছেন উত্তরদাতারা?

    জানা গিয়েছে, ২৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই তাঁদের ব্যবসায় এআই (AI) ব্যবহার করছেন। এআই ব্যবহার করার কথা ভাবছেন ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা। বাকি ৪১ শতাংশের এই জাতীয় কোনও পরিকল্পনাই নেই। যে দেশটা কর্পোরেট কালচারে অভ্যস্ত, সেখানেই কিনা উন্নত প্রযুক্তিকে সাদরে গ্রহণ করতে গিয়ে বস্তুত নাক সিঁটকোচ্ছেন কোম্পানির কর্ণধারদের একটা অংশ।

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    এআই ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী? প্রশ্নের উত্তরে উত্তরদাতাদের ৬০ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন। ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁদের লক্ষ্য শ্রমব্যয় কমানো। ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা এআই ব্যবহার করছেন গবেষণা এবং উন্নয়নের স্বার্থে।

    এআই ব্যবহার করছেন, এমন অনেকে আবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন। ১৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, গত বছর তাঁরা সাইবার হামলার শিকার হয়েছিলেন। ৯ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যবসায়িক অংশীদাররাও সাইবার হামলার শিকার হয়েছেন (Japanese Companies)। ৪ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে (AI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Flesh Eating Bacteria: ‘মাংস খেকো’ ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণে মৃত্যু ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই!

    Flesh Eating Bacteria: ‘মাংস খেকো’ ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণে মৃত্যু ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই মৃত্যুর প্রহর গোণা শুরু। কারণ ‘মাংস খেকো’ এই ব্যাকটিরিয়ার (Flesh Eating Bacteria) সংক্রমণে রোগীর মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। জাপানের টোকিও শহরে এই সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দ্রুত। করোনার পর ফের এই ‘মাংস খেকো’ ব্যকটিরিয়ার সংক্রমণে ত্রস্ত বিশ্ব।

    মারণ ব্যাকটিরিয়া (Flesh Eating Bacteria)

    মারণ এই ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণে যে রোগ হচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় তার নাম স্ট্রেপটোকোককাল টক্সিক শক সিনড্রোম। এই ব্যাকটিরিয়ায় সংক্রমিত রোগী মৃত্যু হচ্ছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই। জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে ইতিমধ্যেই খবর মিলেছে ১৪৫ সংক্রমিতের (Flesh Eating Bacteria)। ‘মাংস খেকো’ ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণে যাঁরা সংক্রমিত, তাঁদের সিংহভাগই প্রাপ্ত বয়স্ক, বয়স তিরিশের ঊর্ধ্বে। মৃত্যু হার ৩০ শতাংশের আশপাশে। ২ জুন পর্যন্ত গোটা জাপানে এই রোগে সংক্রমিতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৭৭তে। গত বছর এই সংখ্যাটা ছিল ৯৪১ জন।

    রোগের লক্ষণ

    জানা গিয়েছে, শিশুরা এই রোগে সংক্রমিত হলে গলা ব্যথা হবে, গলায় হবে ঘা। খাবার গিলতে পারবে না। গলাও ফুলে যাবে। এর পাশাপাশি হবে জ্বর, হাতে-পায়ে ব্যথা, শরীরের বিভিন্ন জায়গা ফুলে উঠবে, ব্লাড প্রেসার নেমে যাবে দ্রুত। যার জেরে রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হবে। কাজ করা বন্ধ করে দেবে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। হতে পারে মৃত্যুও। বিশেষ করে যাঁদের বয়স পঞ্চাশের বেশি, তাঁদের সমস্যাটাও বেশি। টোকিও উইমেন্স মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রমক ব্যাধির অধ্যাপক কেন কিকুচি বলেন, “অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর মৃত্যু হচ্ছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই।” তিনি বলেন, “সকাল বেলায় হয়তো রোগী দেখলেন তাঁর পা ফুলতে শুরু করেছে, দুপুরের মধ্যেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে তাঁর হাঁটুতে। এর আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হচ্ছে রোগীর।”

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    প্রাচ্যের জাপানের পাশাপাশি প্রতীচ্যের কয়েকজনও ‘মানুষ খেকো’ এই ব্যাকটিরিয়ায় সংক্রমিত হয়েছেন বলে খবর। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের তরফে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে অন্তত পাঁচজন ইউরোপিয়ান এই রোগে সংক্রমিত হয়েছেন। কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল হতেই এই রোগে সংক্রমণের হার বাড়ছে। গবেষকদের অনুমান, চলতি বছরের বাকি ছ’মাসেই জাপানে রোগীর সংখ্যা পৌঁছে যেতে পারে ২ হাজার ৫০০তে। এর মধ্যে মৃত্যু হতে পারে ৩০ শতাংশের (Flesh Eating Bacteria)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Economy: ২০২৫ সালেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় চারে আসবে ভারত!

    Indian Economy: ২০২৫ সালেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় চারে আসবে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমানা মাত্র দশ বছরের। তাতেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির (Indian Economy) দেশের তালিকার ১০ নম্বর থেকে পাঁচে উঠে এসেছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। দীর্ঘদিন পাঁচ নম্বরে ছিল ব্রিটেন। রাজার দেশকে টপকেই ওপরে উঠে এসেছে ভারত। অচিরেই যে দেশ ওই তালিকার তিন নম্বরে উঠে আসবে, নানা সময় তা বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

    জাপানকে টপকাবে ভারত (Indian Economy)

    তবে ২০২৫ সালের মধ্যে জাপানকে টপকে মোদির ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অমিতাভ কান্ত। অমিতাভ জি২০-র শেরপা এবং নীতি আয়োগের প্রাক্তন সিইও। তিনি জানান, বর্তমানে ভারতের (Indian Economy) স্থান রয়েছে পাঁচে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জার্মানি এবং জাপানের পরেই রয়েছে ভারত। ২০২২ সালেই ব্রিটেনকে টপকে গিয়েছে ভারত। তাঁর দাবি, আগামী বছরের মধ্যেই ভারতের ঠাঁই হবে তালিকার চার নম্বরে। তিনি জানান, গত দশ বছরের তুলনায় ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য। ভারতের জিডিপি ছিল বিশ্বের একাদশতম স্থানে।

    ভারতের জিডিপি

    বর্তমানে দেশের জিডিপি প্রায় ৩.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কান্ত জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে ভারত ছিল ‘ভঙ্গুর ৫’-এ, ২০২৪ সালেই সেই দেশ উঠে এসেছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার ৫ নম্বরে। যে কারণে ভারতের এই আর্থিক উন্নতি, কান্তের মতে, তার মধ্যে রয়েছে গত তিন ত্রৈমাসিকে জিডিপি গ্রোথ ৮ শতাংশের বেশি থাকা, বিশ্বের ২৭টি দেশের সঙ্গে ইন্ডিয়ার রুপিতে বাণিজ্য এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করি’’, চতুর্থ দফায় ভোট দানের আর্জি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কান্তের মতে, স্টিল, সিমেন্ট এবং অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের পাশাপাশি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচারে ভারত রয়েছে বিশ্ব নেতৃত্বের পর্যায়ে। বর্তমানে ই-ট্রানজেকশনস বেড়ে হয়েছে ১৩৪ বিলিয়ন, বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে যার পরিমাণ ৪৬। ২০১৩-১৪ এবং ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে মুদ্রাস্ফীতির হার কমেছে ৮.২ শতাংশ। কান্তের মতে, এসব কারণেই ভারতের অর্থনৈতিক (Indian Economy) ভিত্তি সুদৃঢ়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Economy: আগামী বছরেই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    Indian Economy: আগামী বছরেই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন অচিরেই ভারতের জায়গা হবে বৃহত্তম অর্থনীতির (Indian Economy) দেশের তালিকার তিন নম্বরে। প্রধানমন্ত্রীর কথা যে নিছক গালগল্প নয়, তার ইঙ্গিত মিলল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের কথায়ও। তারা জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই জাপানকে হঠিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চতুর্থ স্থানে চলে আসবে ভারত। এই সময়ের মধ্যে ভারতের জিডিপি জাপানের জিডিপির চেয়ে একলপ্তে অনেকটাই বেড়ে যাবে।

    জাপানকে টপকাবে ভারত! (Indian Economy)

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, আগামী বছরের মধ্যে ভারতের জিডিপি ৪.৩৩৯৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সময় জাপানের জিডিপি দাঁড়াবে ৪.৩১০৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। মনে রাখতে হবে, গত বছর জাপানের জিডিপিকে দমিয়ে দিয়েছিল জার্মানি। এবার মোদির ভারত যদি টপকে যায় জাপানকে, তাহলে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে চলে আসবে (Indian Economy) জাপান। এখন এই জায়গায় রয়েছে নয়াদিল্লি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৭ সালের মধ্যে জার্মানিকেও টপকে যাবে ভারত। সেক্ষেত্রে বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারতের স্থান হবে তৃতীয়, বৃহৎ শক্তিধর দুই দেশ আমেরিকা ও চিনের ঠিক পরেই। 

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভবিষ্যদ্বাণী

    ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। তাদের ভবিষ্যদ্বাণী যে নিছক অমূলক নয়, তার প্রমাণ মেলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের কথায়ও। তারাও জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। দেশের মধ্যে ক্রমাগত চাহিদা বাড়তে থাকায় এবং দেশে কর্মক্ষম জনসংখ্যা বৃদ্ধির দরুন জিডিপি বাড়বে বলেই আশা আইএমএফের।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস আমলে হনুমান চালিশা শোনাও অপরাধ ছিল”, তোপ মোদির

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে আইএমএফ জানিয়েছে, ভারত বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। এশিয়া অ্যান্ড পেসিফিক ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন দিন কয়েক আগে বলেছিলেন, “ভারত এমন একটি দেশ যার স্ট্রং গ্রোথ রেট ৬.৮ শতাংশ। এই ভবিষ্যদ্বাণী আমরা ভারতের ’২৪, ’২৫ অর্থবর্ষের জন্য করেছিলাম। বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলির একটি (Indian Economy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির ছবি স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার তৈরি রিপোর্টে। কেন্দ্রের তরফেও রীতিমতো খতিয়ান তুলে দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছে ভারত। মোদি জমানায় স্ফীতকায় হচ্ছে দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য। অথচ গত কয়েক বছরে জার্মানি, জাপান এবং ব্রিটেনের মতো দেশে কমছে জিডিপির হার। এমতাবস্থায় তরতরিয়ে বাড়ছে ভারতের জিডিপি।

    জিডিপি (GDP)

    জিডিপির (GDP) অর্থ হল গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। কোনও দেশের নাগরিকদের ক্রয় ক্ষমতা কেমন (অর্থনীতির পরিভাষায় (পারচেশিং পাওয়ার প্যারিটি বা সংক্ষেপে পিপিপি), তার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় জিডিপি। দিল্লি ভিত্তিক নন-প্রফিট সোশ্যাল পলিশি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতিতে যখন পিপিপি দেখা যাচ্ছে ৩.৬ গুণ, তখন ব্রিটেনে এটি ২.১ গুণ। আর জার্মানির চেয়ে ২.৫ গুণ বেশি জাপানের। তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারত।

    দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা

    নরেন্দ্র মোদির জমানায় দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা। গত দু’তিন বছরে রকেট গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। দ্রুত হারে বাড়ছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যা দেখে মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বব্যাঙ্ক ও আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার। এই দুই প্রতিষ্ঠানেরই দাবি, আগামী দিনেও বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখবে ভারত। গত অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৪ শতাংশ। যা পূর্বাভাসের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ২০২২ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হারে চিন ছিল সবার ওপরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় জিডিপির অংশিদারিত্ব পিপিপিতে বৈশ্বিক জিডিপির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে। অথচ আমেরিকা, জাপান, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    পিপিপি আমাদের সাহায্য করে দু’টি দেশের অর্থনীতির তুলনা করতে। কোনও একটি বস্তুর দাম ওই দুই দেশে কেমন, তা জানতেও সাহায্য করে। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, একটি উচ্চমাত্রার পিপিপি বোঝায় প্রয়োজনীয় জিনিস ভারতে কতটা সস্তা। এই একই জিনিস কিনতে ঘাম ছুটে যায় জাপান, জার্মানি এবং ব্রিটেনের ক্রেতাদের (GDP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Miyazaki Mango: বীরভূমেই ফলেছে পৃথিবীর সব থেকে দামি আম, জেনে নিন এর ইতিবৃত্ত

    Miyazaki Mango: বীরভূমেই ফলেছে পৃথিবীর সব থেকে দামি আম, জেনে নিন এর ইতিবৃত্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম এমন একটি ফল, যা খেতে ভালোবাসে না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। এই ফল যেমন সুস্বাদু, তেমন এর গুণও অনেক। গাছে আম পাকতে না পাকতেই কাঁচা আম খাওয়ার অভ্যাসও কম মানুষের নেই। এখন বাজরে আমের দাম চলছে ২০ থেকে ৪০ টাকা প্রতি কেজি। কিন্তু যদি বলা হয়, এক প্রজাতির আমের (Miyazaki Mango) দাম প্রতি কেজি ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা! কী, অবাক হলেন তো? অবাক করার মতোই বিষয়।

    কী আম (Miyazaki Mango) এটি, কোথায় পাওয়া যায়?

    এমনই এক বিরল প্রজাতির আমের ফলন হয়েছে বীরভূমের একটি মসজিদে, যার বর্তমান বাজারমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রতি কেজি। আমের প্রজাতিটির নাম হল ‘মিয়াজাকি’। এটি পৃথিবীর সব থেকে দামি আম। এই ধরনের আম জাপানে ফলন হয়। এর নামকরণ করা হয়েছে জাপানের একটি শহর মিয়াজাকির নাম অনুসারে। শুধু মাত্র স্বাদে নয়, বিশ্বের সব থেকে দামি আমের (Miyazaki Mango) তকমা পেয়েছে এটি। অর্থাৎ এটি একটি জাপানি বংশোদ্ভূত আম। এক একটি মিয়াজাকি আমের ওজন ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রামের মধ্যে হয়ে থাকে এবং এগুলি গোলাপি বা বেগুনি রঙের হয়ে থাকে, যা বাজারে ভারতীয় মুদ্রা অনুসারে ২৪০০০ টাকা পিস হিসাবে বিক্রি হয়। আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য প্রতি কেজি হিসাবে ২ লাখ টাকারও বেশি। এই আমের চাহিদা জাপান ছাড়াও আমেরিকা এবং ইউরোপে রয়েছে। ভারতেও কিছু পরিমাণ চাষ করা হয়, কিন্তু দামের জন্য বিশেষ কোনও চাহিদা নেই ভারতীয় বাজারে। তাই বিদেশেই রফতানি করা হয় এই আম।

    কী কী গুণাগুণ রয়েছে এই আমের?

    সাধারণ আমের থেকেও এই আমের (Miyazaki Mango) পুষ্টি গুণ প্রচুর। এতে আছে নির্দিষ্ট পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন ফলিক অ্যাসিড, বিটা-ক্যারোটিন। তাছাড়াও আছে ভিটামিন সি, ই, এ এবং কে। জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদান রয়েছে এতে, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এটি ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ করতে খুবই সাহায্যকারী। যাঁরা পেটের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্যও এই আম উপকারী। মূল বিষয়, এই আম ক্যানসারের মতো মারণ রোগ প্রতিরোধ করতেও সক্ষম।

    কেন এত দাম এই আমের?

    মূলত এই আম (Miyazaki Mango) চাষ করতে যে পরিমাণ শ্রম ব্যয় হয়, তা অত্যধিক। খুবই যত্নে চাষ করা হয় এই আম। এর জন্য প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যালোক, উষ্ণ আবহাওয়া এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিও দরকার এই আমের ফলনের জন্য। চাষের সময় কৃষকরা এই আমগুলিকে জালি দিয়ে ঢেকে দেন, যাতে সূর্যালোক এসে আমের প্রত্যেক অংশে পড়ে এবং গায়ে যাতে কোনও রকম আঁচড় না লাগে। ততদিন এর লালন পালন করা হয়, যতদিন না এই আমের রং গোলাপি বা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে। এই সব কারণেই এই আমের বাজারমূল্য অত্যধিক। জাপানে উপহার হিসাবে এই আমের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই আমকে উপহার হিসাবে দেওয়ার রীতিকে সেখানে সম্মানের প্রতীক হিসাবে ধরা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share