Tag: jdu

jdu

  • Prashant Kishor: ‘আমার কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই’, প্রশান্ত কিশোর কেন বললেন একথা?

    Prashant Kishor: ‘আমার কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই’, প্রশান্ত কিশোর কেন বললেন একথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি কেন ভোটে (Election) লড়ব? এসব নিয়ে আমার কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। বর্তমানে নিজের রাজ্য বিহার চষে বেড়াচ্ছেন আইপ্যাকের প্রতিষ্ঠাতা। যেই তিনি পথে নেমেছেন অমনি সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্রশান্তর পুরানো দল জনতা দল (ইউনাইটেড) (JDU)। ওই দলের নেতারা পিকে-কে ‘ধান্দাবাজ’ বলে তোপ দেগেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধেও পাল্টা তোপ দেগে চলছেন প্রশান্ত কিশোর। এহেন উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে ইলেকশন স্পেশালিস্ট সাফ জানালেন, ভোটে লড়ার মতো বিষয়ে তাঁর কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই।

    কেন পদযাত্রা করছেন পিকে? 

    বিহারে ৩ হাজার ৫০০ কিমি দীর্ঘ পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। প্রচার চালাচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়। যাচাই করছেন জনমত। অদূর ভবিষ্যতে সেই জনমতের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করবেন প্রশান্ত কিশোর। জন সূরয নামে একটি সংগঠন গড়েছেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট। এই সংগঠনকে রাজনৈতিক দলের মর্যাদা দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে আয়োজন করেছেন কনভেনশনের। এরকমই একটি জেলা কনভেনশনে প্রশান্ত কিশোর সাফ জানিয়ে দেন, ভোটে তিনি দাঁড়াবেন না। তবে বিহারে বিকল্প রাজনৈতিক নেতা তৈরির প্রতিজ্ঞা করেছেন আইপ্যাক কর্তা।

    আরও পড়ুন: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    এক সময় নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। পরে নীতীশ কুমারের সঙ্গে মনান্তরের জেরে নীতীশ-সঙ্গ ছাড়েন তিনি। এদিন প্রশান্ত বলেন, যেহেতু আমি নিজের স্বাধীন পথ বেছে নিয়েছি, তাই নীতীশ কুমার ও তাঁর দালালরা আমার ওপর অসন্তুষ্ট। জেডি (ইউ) নেতারা আমাকে তিরস্কার করতে পছন্দ করেন। তাঁদের উচিত নীতীশ কুমারকে জিজ্ঞাসা করা যে আমার রাজনৈতিক বোঝাপড়া না থাকলে আমি দু বছর তাঁর বাসভবনে কী করছিলাম?

    আগেকার নীতীশ কুমারের সঙ্গে যে বর্তমানের নীতীশ কুমারের পার্থক্য রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কুমার (Prashant Kishor)। তিনি বলেন, ১০ বছর আগের তিনি (নীতীশ কুমার) আর আজকের নীতীশ কুমারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলের পরাজয়ের জন্য নৈতিক দায় স্বীকার করে তিনি নিজে তাঁর চেয়ার ছেড়ে দিয়েছিলেন। পিকে বলেন, আর এখন ক্ষমতায় থাকার জন্য যে কোনও ধরনের আপস করতে রাজি তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়। শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানালেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। সম্প্রতি দিল্লি (Delhi) গিয়ে বিজেপি (BJP) বিরোধী কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এদিন তাঁকেই কটাক্ষ করেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি বলেন, কেবল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলাম আর চারজন নেতার সঙ্গে চা খেলাম, এতে আম জনতার কিছু আসে যায় না। তাই নির্বাচনেও এর কোনও প্রভাব পড়ে না।

    এক সময় নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ছিলেন পিকে (PK)। পরে নীতীশের সঙ্গে মনান্তরের জেরে দল ছাড়েন তিনি। এদিন নীতীশকে নিশানা করে প্রশান্ত কিশোর বলেন, ভোটে লড়ার ক্ষমতা কিংবা বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে শুধু বৈঠক করে কী হবে? বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েছেন নীতীশ। ঘটনাটি, প্রশান্ত কিশোরের মতে, রাজ্যের ঘটনা। অন্য কোনও রাজ্যে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও মহারাষ্ট্রে মহাজোট সরকার ছিল। এখন সেখানে এনডিএ সরকার চলছে। বিহারে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। জেডিইউ দলের প্রাক্তনী প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি যাওয়ার কোনও প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে পড়েনি।

    আরও পড়ুন :আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর বলেন, ২০১৫ সালে মানুষ ভোট দিয়েছিলেন মহাজোটের পক্ষে। কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচনে মানুষ তাদের জেতায়নি। বিহার রাজনীতির এই ধাক্কা এবং দুই ভোটের ফল দেশের সাধারণ নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলেনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে দিল্লি গিয়ে বিজেপি বিরোধী দশ দলের নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তাতে আদৌ কোনও লাভ হবে না বলেই মনে করেন ভোট কুশলী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাইছেন নীতীশ। তাই শুরু করেছেন সলতে পাকানোর কাজ। তবে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন যে অধরাই থেকে যাবে, এদিন সেদিকেই ইঙ্গিত করেন প্রশান্ত কিশোর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরকে (Prashant Kishor) কোনও অফার দেওয়া হয়নি। সাফ জানিয়ে দিলেন জনতা দল ইউনাইটেড (jdu) প্রধান লালন সিং। জেডিইউয়ের ওই নেতা জানান, বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক হলেও, তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।

    এক সময় নীতীশের দল জেডিইউয়ের নেতা ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। পরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করায় ২০২০ সালে জেডিইউ থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে। তার পর থেকে আর নীতীশ-প্রশান্ত মুখোমুখি হননি। সম্প্রতি ফের একবার নীতীশ-প্রশান্ত বৈঠকে বসেন। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় প্রশান্তের পুরানো দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ফিরছেন ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রশান্তকে যে সময় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, সেই সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাচ্ছিলেন নীতীশ কুমার। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের সমালোচনা সহ্য করতে পারেননি জেডিইউ সুপ্রিমো। তার জেরেই বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    মাসদুয়েক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী। তার পর এই প্রথম নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রশান্ত। জনতা দল ইউনাইটেড প্রধান লালন সিং শনিবার জানান, কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি বলেন, ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি মার্কেটিং করে চলেছেন। জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে কোনও অফার করা হয়নি। তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই মতো দেখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভোট জয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রশান্তের একটি সংস্থা রয়েছে। নাম আইপ্যাক। প্রশান্তের এই সংস্থা বিভিন্ন দলের হয়ে কাজ করে। একুশের ভোটে প্রশান্তের সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে কাজ করেছিল তৃণমূলের হয়ে। অনেকেরই ধারণা, তার জেরেই ফের বাংলার ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল সরকার।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitish Kumar: আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    Nitish Kumar: আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) বিরোধী শিবিরকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হলেন বিহারের (Bihar) মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী জনতা দল ইউনাইটেডের (JDU) নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সোমবার দিল্লি উজিয়ে গিয়ে তিনি দেখা করলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে। সূত্রের খবর, ভিন্ন দুই রাজনৈতিক দলের এই দুই নেতার আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনীতির প্রসঙ্গ নিয়েই আলোচনা হয়েছে। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলকে কীভাবে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই ‘হুজুরে’র। কেবল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নন, এদিন নীতীশ দেখা করেছেন জনতা দল সেকুলার সুপ্রিমো এইচ ডি কুমারস্বামীর সঙ্গেও। কুমারস্বামীর বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    এক সময় বিজেপির হাত ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন নীতীশ। সম্প্রতি গেরুয়া সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মহাজোট গঠন করে সরকার গড়েন নীতীশ। এই মহাজোট সরকারেরও মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বীকে। তখনই জল্পনা ছড়ায় ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদে মুখ হতে পারেন নীতীশ। জল্পনা আরও জোরালো হয়, কারণ দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর বিহারে এসে দেখা করেন নীতীশের সঙ্গে। এদিন নীতীশ স্বয়ং দেখা করলেন রাহুল এবং কুমারস্বামীর সঙ্গে।

    আরও পড়ুন :জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের

    জানা গিয়েছে, এদিন রাহুলের ঘণ্টাখানেক ধরে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন নীতীশ। তাঁর সঙ্গে রাহুলের বাসভবনে গিয়েছিলেন বিহারের জল সম্পদ মন্ত্রী তথা নীতীশের দলের নেতা সঞ্জয় কুমার ঝা। বৈঠক শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে নীতীশ বলেন, আঞ্চলিক দলগুলিকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমি চেষ্টা করছি সাধারণ নির্বাচনের আগে বিরোধীদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার কোনও ইচ্ছে আমার নেই। প্রসঙ্গত, এবারের দিল্লি সফরে নীতীশ দেখা করতে পারেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব এবং আইএনএলডি প্রধান ওম প্রকাশ চৌতালার সঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Sushil Modi: ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির  

    Sushil Modi: ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সঙ্গ ছেড়ে জেডিইউ (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডিকে (RJD) নিয়ে গড়েছেন মহাজোট। নীতিশের নেতৃত্বে শপথও নিয়েছে নয়া মন্ত্রিসভা। তার পরেই নীতীশকে তোপ বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদির (Sushil Kumar Modi)। সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, নীতীশের লক্ষ্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    অষ্টমবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নীতীশ। তার পরেই তাঁকে নিশানা করেন সুশীল মোদি। তিনি বলেন, নীতীশকুমার দীর্ঘদিন ধরে মনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন লালন করছিলেন। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেও সেরকম কোনও সুযোগ মেলেনি তাঁর। কারণ বিজেপিতে উঁচু দরের অনেক নেতা রয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ সহ অন্যরা রয়েছেন। আঠারো বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ সামলানোর পরে তিনি চাইছিলেন একটি ঝাঁপ দিতে। তিনি বলেন, নীতীশ কুমারের লক্ষ্য, লালন সিংয়ের লোভ এবং লালু যাদবের ক্ষমতায় ফিরতে বেপরোয়া হওয়া এই তিন কারণের জেরে বিহারের এই পট পরিবর্তন।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, নীতীশকে উপরাষ্ট্রপতি পদে বসানোর একটা ভাবনা জেডিইউয়ের তরফে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বের কানে। তবে বিজেপি সেটা গ্রহণ করেনি। কিছু বিষয় ছিল। তার পরেও তাঁর লাগাম পরানো যায়নি তাঁর লক্ষ্যে। সুশীল মোদি বলেন, নীতীশের জনপ্রিয়তা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। ২০১০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ১১৫টি আসন। ২০১৫তে কমে তা দাঁড়ায় ৭১এ। আর ২০২০ সালের নির্বাচনে তাঁর দল পায় মাত্রই ৪৩টি আসন। যেটা বেড়ে এখন ৪৫ হয়েছে। তিনি বলেন, নীতীশ যে ক্রমেই তেজস্বী যাদব শিবিরের দিকে ঝুঁকছেন, তা আমরা জানতাম। কিন্তু আমরা ভাবতে পারিনি তিনি তাঁর পুরানো শত্রু লালুর দলের সঙ্গে হাত মেলাবেন। ১৯৯৪ সালে নিজে দল গড়বেন বলে লালুকে প্রত্যাখান করেছিলেন নীতীশ। সেই থেকে ’১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিজেপির সঙ্গেই ছিলেন। প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটা জিনিস পরিষ্কার। বিহার বিধানসভার পরবর্তী নির্বাচনে আমরা নরেন্দ্র মোদির নামেই ভোট চাইব। তিনি বলেন, বিহার বিধানসভার পরবর্তী নির্বাচনে কী হবে তা বলতে পারব না। তবে ’২৪ সালে মানুষ মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন। সুশীল মোদি বলেন, বিহারে বিজেপির বুথ স্তর পর্যন্ত শক্তপোক্ত নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং আমরা সব শ্রেণিকে নিয়ে কাজ করছি। বিহারে নরেন্দ্র মোদি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির প্রতীক। তাই বলতেই পারি, মণ্ডলও (মণ্ডল কমিশন) আমাদের সঙ্গে রয়েছে, রয়েছে কমন্ডলুও (হিন্দু ভোট ব্যাংক)।

    আরও পড়ুন : বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

  • Bihar Cabinet: নব কলেবরে নীতীশ মন্ত্রিসভা, আরজেডি পেল কোন কোন দফতর?  

    Bihar Cabinet: নব কলেবরে নীতীশ মন্ত্রিসভা, আরজেডি পেল কোন কোন দফতর?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহ আগে বিহারে (Bihar) শপথ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী। সপ্তাহ পার হতে সম্প্রসারিত হল বিহারের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)  মন্ত্রিসভা। এদিন সব মিলিয়ে শপথ নিলেন ৩১ জন মন্ত্রী (Minister)।

    এনডিএ (NDA) জোট ছিন্ন করে বেরিয়ে আসে জনতা দল ইউনাইটেড (JDU)। মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। এর পরেই কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডির (RJD) সঙ্গে জোট বেঁধে মহাজোট গঠনের কথা ঘোষণা করা হয় জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে। সেই মতো গত মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তার পর এদিন সম্প্রসারিত হল নীতীশ মন্ত্রিসভা।

    আরও পড়ুন :নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    এদিন রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের কাছে শপথ নেন ৩১ জন মন্ত্রী। জানা গিয়েছে, তাঁদের সিংহভাগই আরজেডির। মহাজোটের মোট ৩০ জন বিধায়ক ঠাঁই পেয়েছেন বিহারের নয়া মন্ত্রিসভায়। এর মধ্যে আরজেডি পেয়েছে ১৬টি দফতর। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ১১টি দফতর। কংগ্রেসের দুই বিধায়ক, জিতিন রাম মাঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার এক বিধায়ক এবং একমাত্র নির্দল বিধায়ক সুমিত কুমার সিং-ও শপথ নিয়েছেন। নীতীশ তাঁর দলের বিজয়কুমার চৌধুরী, অশোক চৌধুরী, সঞ্জয় ঝা, মদন সাহনি, জয়ন্ত রাজ, শীলা মণ্ডল, বিজেন্দ্র যাদব, শ্রাবণ কুমার, সুনীর কুমার ও জামা খান সহ তাঁর দলের বেশিরভাগ মন্ত্রীদের নয়া মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিয়েছেন। এদিন আরজেডির যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন তেজ প্রতাপ যাদব, সুরেন্দ্র যাদব, ললিত যাদব, কুমার সর্বজিৎ, সুরেন্দ্র রাম, শাহনওয়াজ আলম, সমীর মহাশেঠ, ভারত মণ্ডল, অনিতা দেবী ও সুধাকর সিং। কংগ্রেসের আফাক আলম, মুরারি লাল গৌতমকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার সন্তোষ সুমনও শপথ নিয়েছেন এদিন। বিহারের মন্ত্রিসভায় মুখ্যমন্ত্রী সহ মোট মন্ত্রীর জায়গা হতে পারে ৩৬ জনের। ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের কথা মাথায় রেখে কিছু দফতর খালি রাখা হবে। ২৪ অগাস্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারে নীতিশ সরকার।

    জানা গিয়েছে, নীতীশের হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র, প্রশাসনিক, ক্যাবিনেট সচিবালয় ও নির্বাচন দফতর।  তেজস্বীর হাতে থাকছে— স্বাস্থ্য, রাস্তা নির্মাণ, নগরোন্নয়ন, হাউসিং ও গ্রামোন্নয়ন। তেজস্বীর দাদা, তেজ প্রতাপ যাদব পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন দফতরের দায়িত্ব। বিজয় কুমার চৌধুরীর হাতে গিয়েছে অর্থ, বাণিজ্যিক রাজস্ব ও সংসদ বিষয়ক দফতর। বিজেন্দ্র যাদব পেয়েছেন শক্তি, প্ল্যানিং ও ডেভেলপমেন্ট।

    আরও পড়ুন : পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

     

  • Bihar Politics: ‘পল্টুরাম’ হলেন ‘কাল্টুরাম’, নীতীশকে বেনজির আক্রমণ গিরিরাজের

    Bihar Politics: ‘পল্টুরাম’ হলেন ‘কাল্টুরাম’, নীতীশকে বেনজির আক্রমণ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সঙ্গ ছেড়ে মঙ্গলবারের বারবেলায় দিয়েছিলেন ইস্তফা। পরের দিনই ইউপিএ-র (UPA) হাত ধরে ফের বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তার পরেই তাঁকে ফের আক্রমণ শানিয়েছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, পল্টুরাম (Palturam) হলেন কাল্টুরাম (Kalturam)।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। তার আগে শামিল হয়েছিলেন মহাজোটের সঙ্গে। এবার যখন লোকসভা নির্বাচনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে, তখন ফের ত্যাগ করলেন পদ্ম শিবির। ভিড়ে গেলেন আরজেডি এবং বাম-কংগ্রসের মহাজোটে। এবং যে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে গিয়েছিলেন তিনি, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বসলেন সেই তখতে।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গিরিরাজ বলেন, এক সময় লালুপ্রসাদ ওঁকে সাপ সম্বোধন করেছিলেন। তিনি বলেন, গতকালও যিনি ছিলেন পল্টুরাম, তিনিই হয়ে গেলেন কাল্টুরাম। গিরিরাজ বলেন, আমি শুনেছি যে লালু প্রসাদ ওঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অথচ এই লালুই একবার ট্যুইট করে বলেছিলেন, সাপ যেমন বারবার খোলস ত্যাগ করে, নীতীশ তেমনই প্রতিবার নতুন জোটে গিয়ে ভিড়ে যান। বক্তব্যের সমর্থনে ২০১৭ সালে লালুর সেই ট্যুইটবার্তাও শেয়ার করেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। গিরিরাজের প্রশ্ন, নীতীশ কুমার যে দু বছর অন্তর খোলস ছাড়ে না, এ নিয়ে কি কোনও সন্দেহ আছে? প্রসঙ্গত, লালু সঙ্গ ছেড়ে ২০১৭ সালে নীতীশ বিজেপির হাত ধরায় ওই ট্যুইট করেছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে দুবার নীতীশ বিজেপির হাত ছেড়ে ভিড়ে গেলেন আরজেডি, বাম-কংগ্রেসের মহাজোটে।

    আরও পড়ুন : অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    গিরিরাজ মনে করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে বিজেপি নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে মেনে নিয়েছিল, কারণ তখন তারা বিহারে বড় দল ছিল। বিজেপির চেয়ে জেডিইউয়ের আসন সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও ২০২০ সালেও তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁর এই ‘প্রবঞ্চনা’ যে ভাল চোখে দেখেছেন না বিজেপি নেতৃত্ব, গিরিরাজের কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

  • Bihar politics: পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    Bihar politics: পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়নি। আজই অষ্টমবারের জন্য ফের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। আজই সফর শুরু মহাজোটের। পাটনায় পালাবদলের পরও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ। তবে তাঁর হাতে কতটা ক্ষমতা থাকবে তা সময়ই বলবে। পাটিগণিতের হিসেবে বিহারের রাজ্যপাট নির্ধারণের ছড়ি কিন্তু রইল আরজেডির হাতে।  তাই নীতীশের ডেপুটি হয়ে কাজ করলেও চাবি ঘোরাবেন লালু পুত্র তেজস্বীই (Tejashwi Yadav), এমনই অভিমত রাজনৈতিক মহলের। 

    আরও পড়ুন: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    সূত্রের খবর, মূলত লালু প্রসাদ যাদবের পার্টি আরজেডি-র (RJD) হাতে আসছে বিজেপির হাতে থাকা দফতরগুলি। শুধু তেজস্বী নন, মহাগটবন্ধনের সরকারে (Mahagathbandhan government) অভিষেক হতে চলেছে আরও এক লালু পুত্রের। মন্ত্রী পদে দেখা যেতে পারে তেজ প্রতাপ যাদবকেও (Tej Pratap Yadav)। আজই শপথ নিতে পারেন তেজও। এছাড়া শপথের তালিকায় আছেন জেডিইউ-এর বীজেন্দ্র যাদব (Vijendra Yadav), বিজয় চৌধুরী (Vijay Choudhary)। ২০১৭ সালে মহাগটবন্ধন ভাঙার আগেও তেজস্বীই ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কী প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    জেডিইউ (JDU)  প্রধানের দাবি অনুসারে RJD, কংগ্রেস ছাড়াও তাঁকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে তিন বাম দল, এবং জিতন রাম মাঝির দলও। বিহার বিধানসভায় RJD-র বিধায়ক সংখ্যা ৭৯, JDU-র ৪৫, কংগ্রেসের ১৯, তিন বাম দল মিলিয়ে বিধায়ক সংখ্যা ১৬ জন। এরসঙ্গে যোগ হয়েছেন জিতন রাম মাঝির (HAM) চারজন এবং এক নির্দল বিধায়কের সমর্থন। সব মিলিয়ে সাত দলের বিধায়কদের সমর্থন রয়েছে নীতীশের হাতে। বিহার বিধানসভায় মোট আসন ২৪৩। সরকার গড়তে দরকার ১২২ জন বিধায়কের সমর্থন। রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করে তার থেকে অনেক বেশি বিধায়কের সমর্থনের কথা জানিয়ে এসেছেন নীতীশ কুমার, তেজস্বী যাদবরা। সরকার গড়ার দাবি জানিয়েছেন বিহারের চাচা-ভাতিজা জুটি। রাবড়ি পুত্র তেজস্বীর কথায়, তাদের হাতে ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। সরকার গঠন শুধু সময়ে অপেক্ষা। 

  • Bihar Politics: হাসপাতালে বসেই হয় পরিকল্পনা! জানেন পাটনায় পালাবদলের চাণক্য কে?

    Bihar Politics: হাসপাতালে বসেই হয় পরিকল্পনা! জানেন পাটনায় পালাবদলের চাণক্য কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) সঙ্গ ছেড়ে আরজেডির (RJD) হাত ধরে সরকার গড়ছেন সংযুক্ত জনতা দলের প্রধান নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এর নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (RJD) কুলপতি তথা নীতীশের প্রাক্তন জোটসঙ্গী লালুপ্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয় মাসখানেক আগেই এমনই অনুমান রাজনীতিকদের।

    তখন লালু অসুস্থ। জুলাই মাসের শুরুতে লালুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পাটনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে। সেই সময়ই তাঁকে দেখতে যান নীতীশ। রাজ্য সরকারের খরচেই লালুকে চিকিৎসা  করানোর  জন্য দিল্লির এমস-এও পাঠান জেডিইউ প্রধান। সূত্রের খবর, লালু যে সময় এইমস-এ ভর্তি ছিলেন, সেই সময় সেখানে নিয়মিত চেকআপ করাতে যেতে শুরু করেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতন রাম মাঝিও। এর পর একে একে আরজেডি, জেডিইউ, বাম এবং কংগ্রেসের নেতাদের আনাগোনা বাড়ে এইমস-এ। পাটনা থেকে যোগাযোগ রাখতে শুরু করেন নীতীশের দলের লোকজন। আর সেখানে বসেই লালু বিহারে রাজনৈতিক পরিবর্তনের চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেন বলে অনুমান রাজনীতিকদের।

    মঙ্গলবারই একটি তাৎপর্যপূর্ণ ট্যুইট (Tweet) করেন লালুপ্রসাদের (Laluprasad’s Daughter) ছোট মেয়ে রোহিণী আচার্য। সিঙ্গাপুর নিবাসী রোহিনী একটি জনপ্রিয় ভোজপুরি সঙ্গীতের লাইন ট্যুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন, বিহারে ফের যাদব-রাজ আসন্ন। অর্থাৎ বাবা লালুপ্রসাদ, মা রাবড়িদেবীর পর এবার দাদা তেজস্বী।

    এই ট্যুইটের পরই দেখা যায়, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই নীতীশ কুমার যান লালুপ্রসাদ যাদবের বাড়িতে। বাবা লালুপ্রসাদকে ‘‌কিংমেকার’‌ উল্লেখ করে রোহিণী ট্যুইট করেন, ‘রাজতিলক কা করো তৈয়ারী, আ রহে হ্যায় লণ্ঠনধারী।’‌ ‌ওই ট্যুইটের সঙ্গেই লণ্ঠনধারী আরজেডি সমর্থকদের একটি ভিডিও পোস্ট করেন রোহিণী। সেখানে আরজেডি সমর্থকদের গাইতে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় ভোজপুরী গান–‘লালু বিন চালু এ বিহার না হোই’ (লালুকে ছাড়া বিহার চলবে না)। ভিডিওতে লালুর পাশাপাশি রয়েছে তেজস্বীর ছবিও।

    লালুকন্যা রাজলক্ষ্মী যাদবও বাবার একাধিক ছবির কোলাজ পোস্ট করে লেখেন, ‘‘শঙ্খ বাজাও। আগে ডানা দিয়েছিলেন, এ বার উড়তেও শেখাবেন। চাণক্য মানেই বিহার, বিহারি মানেই চাণক্য। ভুয়ো চাণক্যগিরি বিহারের বাইরে চলুক। বিহার বলছে, তেজস্বী ভবঃ সরকার’।

    আরও পড়ুন: পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে বারবার জোট বদলেছেন নীতীশ। তাঁকে ‘পল্টুরাম’ বলে কটাক্ষও করেন লালু। লালুর থেকে সেই কটাক্ষ ধার করতে দেখা যায় আরও অনেককেই। তবে অতীত ভুলে সেই নীতীশকেই পথ দেখালেন লালু, এমনই অভিমত বিরোধীদের। 

  • Bihar Politics: বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    Bihar Politics: বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ। জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar)  লক্ষ্য কী প্রধানমন্ত্রীর (Prime Minister) কুর্সি? আপাতত এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে বিহার (Bihar) রাজনীতির অলিন্দে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নীতীশের বারবার ভোলবদলের জেরে এই ইঙ্গিতই মিলেছে। তাঁর দল জনতা দল ইউনাইটেডের (JDU) তরফেও দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সমস্ত গুণ রয়েছে নীতীশের।

    বছর পনের আগে বিহারে যাদবরাজের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। নীতীশকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন আরজেডি নেতা শিবানন্দ তিওয়ারি। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হলেও, প্রথম থেকেই নীতীশের পাখির চোখ প্রধানমন্ত্রিত্ব। তাই বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালেও, বিরোধী শিবিরে নিজের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে সদা সচেষ্ট ছিলেন নীতীশ। যে কারণে বিজেপির সঙ্গে মনোমালিন্য হলেও, সংখ্যালঘুদের পাশ থেকে কখনওই সরে যাননি তিনি।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    রাজনীতিক মহলের একাংশের মতে, নীতীশ যখন প্রথমবার এনডিএ সঙ্গ ছাড়েন, তখনও তাঁর শ্যেনদৃষ্টি ছিল প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি। ২০১৪ সালে বিজেপি মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করায় এনডিএ ছাড়েন নীতীশ। তিনি ভেবেছিলেন, অ-কংগ্রেসি দলগুলি ভাল ফল করলে, সেই জোটের নেতা হিসেবে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসবেন নীতীশ। ২০১৪ সালে বিপুল ভোটে মোদির জয় ভেঙে খান খান করে দেয় নীতীশের স্বপ্ন। অগত্যা ফের এনডিএতে ভিড়ে যান এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

    আবারও একটি লোকসভা নির্বাচনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। তাই বিজেপির সঙ্গে থাকলে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাঁকেই সন্তুষ্ট থাকতে হত মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে। তাই বিরোধী শিবিরে গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে আগেভাগেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। জনতা দল ইউনাইটেড নেতৃত্বের মতে, নীতিশের লক্ষ্যই হল ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। তাই এনডিএ ছেড়ে ইউপিএ-সঙ্গ ধরেছেন তিনি। জনতা দল ইউনাইটেডের এক শীর্ষ নেতৃত্ব বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ব্যক্তিত্ব রয়েছে নীতীশ কুমারের। তিনিই যোগ্য প্রধানমন্ত্রী হবেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সব গুণই রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন : বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

LinkedIn
Share