Tag: jdu

jdu

  • Nitish Kumar: বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

    Nitish Kumar: বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। মঙ্গলবার দলীয় সাংসদ এবং বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিজেপির সঙ্গে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসবে জেডিইউ। এরপরেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে দেন নীতীশ। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর সদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে নীতীশ রাবড়ি দেবীর বাড়িও যান বলে খবর। সেখানে রাবড়ি ও লালু পুত্র তেজস্বীর সঙ্গে কথা হয় নীতীশের। রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়ে আসার পর নীতীশ জানান, এটা তাঁর একার নয় দলগত সিদ্ধান্ত।

    সূত্রের খবর, মহাজোটের সব বিধায়কের জন্য মঙ্গলবার রাবড়ি দেবীর বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাবড়ি দেবীর বাসভবন ১০ সার্কুলার রোডে অবস্থিত। অন্যদিকে, সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার কংগ্রেস কোটা থেকে একজন উপমুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু তার প্রস্তাবে আরজেডি আপত্তি জানিয়েছে। আরজেডি সূত্রে জানা গিয়েছে, নীতীশ কুমারকে সমর্থন জানাবে আরজেডি। মন্ত্রীসভা গঠনে কোনও বিভেদ থাকবে না। তেজস্বী যাদব জানিয়েছেন যে, তাঁদের ১৬০ জনের সমর্থন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নতুন সঙ্গী আরজেডি! বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ নীতীশের, ফের ‘মহাজোট’-এর পথে বিহার?

    জেডিইউ-র সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি উপেন্দ্র কুশওয়াহা নীতীশ কুমারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি এদিন ট্যুইটে লিখেছেন, ‘নতুনভাবে নতুন নেতৃত্বের জন্য নীতীশ কুমারকে অভিনন্দন। ‘বর্তমানে বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব উপ-মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তাঁর হাতে স্বরাষ্ট্র দফতর থাকবে। আরজেডি সূত্রে খবর, ২০১৫ সালের মতোই ১৫ জন মন্ত্রী পেতে পারে আরজেডি। স্পিকার পদে বসতে পারেন আরজেডি নেতা। 

    সূত্রের খবর, বিহার মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেবেন ১৬ জন  বিজেপি (BJP) মন্ত্রী। ২৪৩টি আসনের বিহার বিধানসভায় এই মুহূর্তে নীতীশ কুমারের জেডিইউয়ের বিধায়ক সংখ্যা ৪৫। অন্য দিকে, বিহারে একক বৃহত্তম দল তেজস্বীর আরজেডি। তাঁর দলের ৭৯ জন বিধায়ক। দ্বিতীয় বৃহত্তম দল বিজেপি, তাদের কাছে ৭৭ জন বিধায়ক। বিহারে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ১২২ জনের সমর্থন।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

    এ ছাড়া কংগ্রেসের আছে ১৯ জন বিধায়ক। সিপিআইএমএল লিবারেশনের রয়েছেন ১২ জন বিধায়ক। জিতনরাম মাঝির হামের রয়েছে চার জন বিধায়ক। সিপিএম এবং সিপিআইয়ের রয়েছে মোট চার বিধায়ক। এক জন করে নির্দল ও এআইএমআইএম বিধায়ক। এই হিসেব অনুযায়ী পূর্বতন মহাগটবন্ধনের অঙ্ক কষলে দেখা যাচ্ছে, আরজেডি, কংগ্রেস ও জেডিইউ মিলিয়ে ১৪৩ জন বিধায়ক। যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেকটাই বেশি। পাশাপাশি সিপিআইএমএল লিবারেশন, সিপিএম ও সিপিআই-ও আগের মহাগটবন্ধন সরকারে ছিল। জিতনরাম মাঝির হামের চার বিধায়ক তেজস্বী, নীতীশের পাশেই থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। অতএব পদ্ম ছেড়ে লণ্ঠন হাতে নিয়েও অ্যানে মার্গের বাসভবনে ফেরায় কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় নীতীশের। তিনিই মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, থাকবেনও!

  • Bihar Politics: অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    Bihar Politics: অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন মঙ্গলবার। বুধবার ফের অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। অটল বিহারী বাজপেয়ীর জমানায় সামলেছেন কৃষি, রেল সহ একাধিক মন্ত্রক। বিজেপির সমর্থনে পরে বসেন বিহারের (Bihar) তখতে। এবার ফের বসলেন। তবে এবার পাশে পেয়েছেন আরজেডি (RJD) এবং বাম-কংগ্রেসকে। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ বসলেও, উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন আরজেডির তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav)। এদিন দুপুর দুটোয় রাজভবনে শপথ নেন তাঁরা।  

    এদিন একটি গাড়িতে করে নীতীশ এবং তেজস্বী যান রাজভবনে। বিহার বিধানসভায় বৃহত্তম দল আরজেডির ৭৯ বিধায়কের সঙ্গে যোগ হল নীতীশ কুমারের দলের ৪৫ জন। এর সঙ্গে যুক্ত হল কংগ্রেসের (Congress) ১৯ জন এবং বামেদের ১৬ জনও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতন রাম মাজির দলের চারজন এবং একজন নির্দলও সমর্থন করেন নীতীশকে। সব মিলিয়ে এদিন ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থনের চিঠি রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন নীতীশ।

    আরও পড়ুন :পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    বিহার বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। নীতীশের সঙ্গে রয়েছে তার চেয়েও ঢের বেশি বিধায়কের সমর্থন। আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা বলেন, বিহারের রাজনীতি আজ থেকে নতুন পথে যাত্রা শুরু করল। একে শুধু দুজনের শপথ ভাবলে ভুল হবে। এদিকে, এদিন নীতীশকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। দলের নেতা সুশীল মোদি বলেন, নীতীশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিহারের জনগণকে অপমান করেছেন, যাঁরা এনডিএর দিকে তাকিয়ে তাঁকে ভোট দিয়েছিলেন। নীতীশের শপথের দিনটিকে বিশ্বাসঘাতকতা দিবস হিসেবে পালন করছে বিজেপি।

    এদিন শপথ নেওয়ার আগে আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবকে ফোন করেছিলেন নীতীশ। জেল থেকেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান লালু। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী, উপমুখ্যমন্ত্রী তজস্বীর স্ত্রী রাজশ্রী এবং আরজেডি নেতা তেজপ্রতাপরা। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই এদিন নীতীশকে প্রণাম করতে এগিয়ে যান তেজস্বী। শপথ গ্রহণের পর নীতীশ বলেন, দলের সবাই মিলে বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি যে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নন, এদিন তাও জানান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। নীতিশ বলেন, কে বলেছে ২০১৪ সালে যারা জিতেছে, ২০১৪ সালেও তারা ভোটে জিতবে? আমি চাই বিরোধীরা একজোট হোক। তিনি বলেন, তবে আমি প্রধানমন্ত্রিত্বের দাবিদার নই।  

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

  • Narendra Modi: ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    Narendra Modi: ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির বার্লিন থেকেই ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের স্লোগান পেয়ে গিয়েছিল বিজেপি (BJP)। আওয়াজ উঠেছিল, টোয়েন্টি টোয়েন্টি ফোর, মোদি ওয়ান্স মোর (Twenty Twenty Four, Modi once more) । অর্থাৎ ২০২৪-এ মোদি আরও একবার ক্ষমতায় আসছেন। বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্লিন সফর থেকেই বিজেপির পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের স্লোগান মিলেছিল। এবার সেই দাবিতেই শিলমোহর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    আগামী ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জেডিইউ এক সঙ্গেই লড়বে। আর এনডিএ-র প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী থাকছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার পাটনায় অনুষ্ঠিত বিজেপি দু’দিনের যৌথ জাতীয় কার্যনির্বাহী সভার সমাপ্তি অধিবেশনে এ কথাই বললেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি জানান আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদিই। তাঁর প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং যুক্তিবাদী, আধুনিক চিন্তাভাবনার সুফল পেয়েছে ভারত এমনই অভিমত ব্যক্ত করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর কাজ আজ শুধু ভারতে নয় সারা বিশ্বে আদৃত।

    আরও পড়ুন: হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    এই প্রসঙ্গে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বলেন, “২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও জেডিইউ একসঙ্গে লড়বে। ২০২৫-এর বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি জেডিইউ জোট সক্রিয় থাকবে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই লড়বে। ফের তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। এনিয়ে কোনও ধোঁয়াশা নেই।”

    এই বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্যকে এক কাশ্মীরি মহিলার হাতে তৈরি তেরঙ্গা পতাকা দেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এই কাজের মাধ্যমেই বোঝানো হয়, ৩৭০ ধারা রদের পর কাশ্মীরের মনোভাব অনেকটাই ইতিবাচক। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন, “স্বাধীনতা দিবসে দেশের প্রতিটি কোণে উড়বে জাতীয় পতাকা। স্বাধীনতার পর মোদি সরকারের আমলেই গ্রাম থেকে দলিত ও উপজাতিরা সবথেকে বেশি মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। দেশভক্তি দেখানোর সময় এসেছে এবার ১৩ অগাস্ট থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত দেশের প্রতিটি কোণে জাতীয় পতাকার উত্তোলন হবে। বিষয়টি সুনিশ্চিত করবেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।”

  • Nitish Kumar: বদলাল পোস্টারের ভাষা, প্রকট নীতীশের কোন সুপ্ত বাসনা?  

    Nitish Kumar: বদলাল পোস্টারের ভাষা, প্রকট নীতীশের কোন সুপ্ত বাসনা?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Poll 2024)। সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন বিরোধীরা। ওই নির্বাচনেও বিজেপির (BJP) তুরুপের তাস হতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁকে মাত দিতে উঠে পড়ে লেগেছেন বিরোধীরা। সম্প্রতি সামনে এসেছে বেশ কিছু পোস্টার। যে পোস্টারগুলিতে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar)।

    সম্প্রতি বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েছেন নীতীশ কুমার। উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বী। তার পরেই জল্পনা ছড়ায়, ২০২৪ সালে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী হবেন বলেই বিজেপি সঙ্গ ছেড়েছেন নীতীশ। এতদিন এসব জল্পনার স্তরেই ছিল। তবে সম্প্রতি কিছু পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২০ সালে পোস্টারে লেখা ছিল নীতীশই সব। বিচার এবং বিকাশ, আইন এবং শৃঙ্খলা। দিন কয়েক আগে প্রকাশ্যে এসেছে রাজ্যে যা দেখা গিয়েছে, সেই দৃশ্য দেখা যাবে গোটা দেশে। নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডের এই পোস্টারের পরেই জল্পনা ছড়িয়েছে, তাহলে কি নীতীশই হচ্ছেন বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী?

    দিন দুয়েক আগেই নীতীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর। দুই মুখ্যমন্ত্রীর এই বৈঠকের ভিডিও ভাইরালও হয়েছে। ওই ভিডিওর কথোপকথন থেকেও এটা স্পষ্ট হয়েছে, যে নীতিশই হতে চলেছেন বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। সম্প্রতি জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে যে নয়া স্লোগান পোস্টারে লেখা হয়েছে, সেগুলি হল, ইয়ার্কি (Jokes) নয়, বাস্তব, মনের নয়, কিন্তু কাজের, কেবল আশ্বাস নয়, কিন্তু সুশাসন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপি ১৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল। পোস্টারে ‘জুমলা’ শব্দ ব্যবহার করে নীতীশের দল তাকেই কটাক্ষ করছে। 

    আরও পড়ুন : বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত!

    দিন কয়েক আগেও যখন বিজেপির সঙ্গে সখ্যতা ছিল নীতীশের, তখনও পোস্টারে প্রকাশ পেত রাজ্যকে নিয়ে তাঁর ভাবনাচিন্তার কথা। একটি পোস্টারে লেখা ছিল, প্রকৃতি তোমার প্রয়োজন পূরণ করবে, তোমার লোভ নয়। অন্য একটি পোস্টারে লেখা ছিল, সেবাই ধর্ম। সেই নীতীশেরই এহেন ভোল বদলে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitish Kumar: জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের   

    Nitish Kumar: জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) যখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বুঁদ, ঠিক তখনই জেডি(ইউ) (Jdu) ছাড়লেন মনিপুরের পাঁচ বিধায়ক। শুক্রবার নীতীশের দল ছেড়ে তাঁরা যোগ দেন বিজেপিতে (BJP)। ঘটনাটিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি গেরুয়া নেতৃত্ব। বিহারের (Bihar) মহাজোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশকে তাঁরা খোঁড়া হাঁস (Lame Duck) মুখ্যমন্ত্রী আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। নীতীশকে নিশানা করে তিনি বলেন, নীতীশ কুমার দেখতে পাচ্ছেন বিহার এবং তার বাইরেও ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে তাঁর দল, অথচ তিনি স্বপ্ন দেখে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হওয়ার।

    বিজেপির সঙ্গে জোট বন্ধন ছিন্ন করে সম্প্রতি নীতীশ কুমার কংগ্রেস (Congress) এবং লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডির (RJD) সঙ্গে হাত মিলিয়ে গড়েছেন মহাজোট। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন নীতীশ স্বয়ং। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়েছে লালু প্রসাদের ছেলে তেজস্বী যাদবকে। বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে মহাজোট গড়তেই জল্পনা ছড়ায় ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বিজেপির নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিজেপি-বিরোধী শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন নীতীশ। জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে, কারণ সম্প্রতি বদলে গিয়েছে নীতীশের দলের পোস্টারের ভাষা। ২০২০ সালে, নীতীশ যখন বিজেপির সঙ্গে ছিলেন, তখন পোস্টারে লেখা ছিল নীতীশই সব, বিচার এবং বিকাশ, আইন এবং শৃঙ্খলা। বিজেপির সঙ্গ ছাড়ার পর দিন কয়েক আগে প্রকাশ্যে এসেছে যে পোস্টার, তাতে লেখা, রাজ্যে যা দেখা গিয়েছে, সেই দৃশ্য দেখা যাবে গোটা দেশে। নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডের এই পোস্টারের পরেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে, তাহলে কি নীতীশই হচ্ছেন বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী?

    আরও পড়ুন : বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত!

    এদিন যাঁরা নীতীশের দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা হলেন কেএইচ জয়কিষান, এন সানাতে, মহঃ আছাবউদ্দিন, প্রাক্তন ডিজিপি এলএম খাউতে এবং থাংজাম অরুণকুমার। এঁদের মধ্যে খাউতে এবং অরুণকুমার বিজেপিতে টিকিট না পেয়ে গিয়েছিলেন জেডিইউতে। মনিপুরে এই দলবদলের জেরে নীতীশকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে আখ্যা দিয়েছেন খোঁড়া হাঁস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Polls)  দামামা বেজে গিয়েছে। কোমর কষে নেমে পড়েছে শাসক ও বিরোধী দু’পক্ষই। এমতাবস্থায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এনসিপি-র (NCP) শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar) জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনি। একই কথা জানিয়ে দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও (Nitish kumar)।

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি চাইছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হোন সর্বসম্মতভাবে। সেজন্য বিজেপির তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh))। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে তাঁরাই ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন।

    আরও পড়ুন :রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    এদিকে, সলতে পাকাতে শুরু করেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলিও। বিজেপিকে মাত দিতে তারাও চাইছে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন দলের একজনকেই প্রার্থী করতে। সেই কারণেই তৃণমূল নেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল। সেখানেই চূড়ান্ত হতে পারে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের নাম।

    তবে রাষ্ট্রপতি পদে দৌড়ে তিনি যে নেই, তা আগেভাগেই জানিয়ে দিলেন পাওয়ার। বছর একাশির এই প্রবীণ নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আমি নেই। আমি বিরোধীদের প্রার্থী হচ্ছি না। এদিকে, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবারই পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে। রবিবার আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং-ও ফোন করেন এনসিপি প্রধানকে। তাঁদের ততক্ষণাৎ কিছু জানাননি পাওয়ার। জানালেন সোমবার। এমতাবস্থায় পাওয়ারের এই ঘোষণায় যথেষ্ট বিব্রত বিরোধীরা।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    এদিকে পাওয়ারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনিও। অথচ জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল নীতিশের নাম। বিজেপির তরফেও কেন্দ্রের এক মন্ত্রী দেখা করেন নীতিশের সঙ্গে। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি শিবিরের বাজি হতে পারেন নীতীশ। সেই নীতিশই সোমবার স্বয়ং ঘোষণা করলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে রেসের ঘোড়া নন তিনি।

     

  • Bihar Politics: নীতি-আদর্শ কি জলাঞ্জলি দিয়েছেন? নীতীশকে প্রশ্ন চিরাগের

    Bihar Politics: নীতি-আদর্শ কি জলাঞ্জলি দিয়েছেন? নীতীশকে প্রশ্ন চিরাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনার কি কোনও আদর্শ আছে নাকি নেই? বিহারের (Bihar) নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে এই প্রশ্নই করলেন লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান (Chirag Paswan)। মঙ্গলবার এনডিএ (NDA) সঙ্গ ছেড়ে ইউপিএর (UPA) হাত ধরেছেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। বুধবার অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথও নেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তার পরেই নীতীশকে তোপ দাগেন লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান।

    এদিন একটি গাড়িতে করে তেজস্বীকে নিয়ে নীতীশ যান রাজভবনে। তার আগে মঙ্গলবার সেখানে রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের কাছে গিয়ে ইস্তফা দেন তিনি।এর পরেই চিরাগ দাবি করেন, বিহারে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক। তারপর নতুন করে নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বেছে নেওয়া হোক মুখ্যমন্ত্রী। গেরুয়া শিবিরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, নীতীশ যা চেয়েছেন তাই মেনে নিয়েছিল বিজেপি। তবুও তাদের সঙ্গত্যাগ করলেন তিনি।

    আরও পড়ুন : অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    চিরাগ প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের ছেলে। সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চিরাগ বলেন, নীতীশ কুমার আবারও জনাদেশকে অপমান করলেন। উনি গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন…। তাঁর প্রশ্ন, এটা কী রসিকতা হচ্ছে? চিরাগ বলেন, একবার আপনি একজনের সঙ্গে যাবেন, পরে আর এক দিকে হাঁটবেন। মাননীয় রাজ্যপালের কাছে আমার আর্জি, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক। এর পরেই তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নতুন করে জনাদেশ নেওয়া হোক। চিরাগের দাবি, নতুন করে নির্বাচন হলে নীতীশের দল কোনও আসনই পাবে না। চিরাগ রয়েছেন বিজেপির পাশে। তাঁর দল ভেঙে তৈরি হওয়া রাষ্ট্রীয় লোক জনশক্তি পার্টিও বিজেপির পাশেই থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। এদিকে, ইস্তফা দিয়েই নীতীশ সটান চলে যান লালুপ্রসাদ যাদবের বাড়িতে। এর পরেই লালু-কন্যা রোহিণী আর্য ট্যুইট বার্তায় লেখেন, রাজতিলক কা করো তৈয়ারি, আ রহে হ্যায় লণ্ঠনধারী।

    আরও পড়ুন :পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

LinkedIn
Share