Tag: Jhalda Municipality

Jhalda Municipality

  • Sukanta Majumdar: আইসিইউ-তে ভর্তি সুকান্ত, বুকে-কোমরে ব্যথা, চলছে স্যালাইন, জানালেন শুভেন্দু

    Sukanta Majumdar: আইসিইউ-তে ভর্তি সুকান্ত, বুকে-কোমরে ব্যথা, চলছে স্যালাইন, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীদের অত্যাচারে সাধারণ মহিলারা সোচ্চার। আর তাই এই তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবিতে জনআন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কিন্তু টাকিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত বসিরহাট থেকে কলকাতায় বাইপাসের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নিউরোলজি বিভাগে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গতকাল তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আইসিইউতে রয়েছেন সুকান্ত। বুকের পাঁজর এবং কোমরের ব্যথা রয়েছে তাঁর। স্যালাইন ছাড়া কিছুই নিতে পারেননি। সুকান্তর বমি ভাব রয়েছে, বিশ্রাম নিলে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।”

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Sukanta Majumdar)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্তের (Sukanta Majumdar) সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। তবে এখনও সেই পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। একই ভাবে তাঁর এমআরআই সংক্রান্ত কিছু প্রয়োজনীয় স্ক্যান করা হবে। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাঁকে ইতিমধ্যে দেখতে এসেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। 

    বিজেপি সূত্রে খবর

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল। তবে এখনও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। শরীরে ব্যথা রয়েছে। ঘটনার সময় পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাপক ধস্তাধস্তি হলে পড়ে যান। এরপর তাঁকে কোলে করে নীচে নামানো হয়। ফলে ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন শরীরের ভিতরে কোনও অংশে আঘাত লেগেছে কিনা তাই পরীক্ষা করে দেখছেন চিকিৎসেকরা। বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার বলেন, “অসুস্থ অবস্থায় যখন সুকান্তবাবুকে নিয়ে আসা হচ্ছিল সেই সময় অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে এক বারের জন্যও চোখ খোলেননি। তাকানোর মতো কোনও পরিস্থিতি ছিল না তাঁর। কোমরে এবং বুকে ব্যথা রয়েছে। গাড়িতে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে টাকি থেকে তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।”

    এসপি অফিসে চলছিল ঘেরাও

    মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযান হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে। গত মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যে ঘটনায় বিজেপির ৭ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এরপর ধর্না শুরু করেন তিনি। পরে আবার রাতে তাঁকে আটক করলে কিছুক্ষণ পরেই ছেড়ে দেয় পুলিশ। এরপর বুধবার সকাল থেকেই আবার সরস্বতী পুজো করে আন্দোলনে যোগদান করলে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা রয়েছে বলে রাস্তায় বাধা দেওয়া হয়, এরপর শুরু হয় ধস্তাধস্তি। ওই সময় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন তিনি। পরে অবশ্য জ্ঞান ফেরে। এরপর দ্রুত হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ৩ ফেব্রুয়ারি হবে ঝালদা পুরপ্রধানের নির্বাচন, নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    Purulia: ৩ ফেব্রুয়ারি হবে ঝালদা পুরপ্রধানের নির্বাচন, নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সকল জল্পনার অবসান ঘটালো আদালত। পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদা পুরপুধান নির্বাচন হবে আগামী মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি। বর্তমানে পুরসভার কাজ দেখাশোনা করবেন ঝালদা মহকুমা শাসক। পুরভোটের পর থেকেই এই পুরসভাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। একজন কংগ্রেস কাউন্সিলরের মৃত্যুকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনীতির অন্দরমহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

    তৃণমূল পুরপ্রধান অপসৃত হয়েছিলেন (Purulia)

    এই জানুয়ারি মাসের গত ১৭ তারিখ ঝালদা (Purulia) পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করেন দলের পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলর এবং দুই কংগ্রেস কাউন্সিলর। কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৭-০ ভোটে পরাজিত হন আগের পুরপ্রধান। এরফলে ঝালদা পুরসভায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। তৃণমূলের একাংশের দাবি ছিল পদ থেকে চ্যুত হলেও চেয়ার ধরে বসেছিলেন রত্না। যে তলবি সভায় অপসারণের কথা বলা হয় সেই সভাকে বৈধ বলেননি রত্না। তাঁর যুক্তি ছিল ওই তলবি সভার আগেই ২৭ জানুয়ারি তলবি সভার বিজ্ঞপ্তি ডেকা হয়েছিল। অবশ্য এই তলবি সভার বিজ্ঞপ্তির দিকে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। ফলে ঝালদা পুরসভার মধ্যে তৃণমূল দল, তৃণমূল কাউন্সিলর এবং পুরপ্রধানকে নিয়ে ব্যাপক বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছে।

    পুরসভার বিরোধী দলনেতা মামলা করেন কোর্টে

    ঝালদা (Purulia) পুরসভার শাসক দল তৃণমূলের কাউন্সিলার এবং কংগ্রেসের দ্বারা পুরপ্রধান পদচ্যুত হন। এরপর পুরপ্রধান নির্বাচনের জন্য মহকুমা শাসকও তেমন ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন না। অবশেষে পুরসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল হাইকোর্টে এই বিষয় নিয়ে মামলা করেন। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়ে বলেন যে আগামী ৭ দিন পর অনাস্থা আনা সাত সদস্যের মধ্যে যে কোনও তিনজন পুরপ্রধান নির্বাচনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। তার পরেই ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছেন অনাস্থা আনা কাউন্সিলররা।

    কংগ্রেস কাউন্সলের বক্তব্য

    ঝালদা (Purulia) পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল বলেন, “হাইকোর্টে আমার পিটিশনের ভিত্তিতে বিচারপতি নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, অনাস্থা আনা কাউন্সিলরদের মধ্যে তিনজন পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ধার্য করবেন। সেই নির্দেশকে মাথায় রেখে আমরা আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ঠিক করেছি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  •  Purulia: ঝালদায় দলের হুইপ মানল না তৃণমূলের কাউন্সিলররা, অনাস্থায় অপসারণ পুরপ্রধানের

     Purulia: ঝালদায় দলের হুইপ মানল না তৃণমূলের কাউন্সিলররা, অনাস্থায় অপসারণ পুরপ্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদায় দলেরই হুইপ মানল না তৃণমূলের কাউন্সিলররা। ঠেকানো গেলে না পুরসভায় অনাস্থা। পুরপ্রধানকে অপ্রসারণ করতে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাল তৃণমূলের কাউন্সিলররা। ফের দলের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ এবং অস্বস্তি দুই প্রকাশ্যে এলো। এলাকায় এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Purulia)?

    স্থানীয় (Purulia) সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরপ্রধান বিজ্ঞপ্তি জারি করে তলবি বৈঠকের দিন ২৭ জানুয়ারি বদলে দেন। অপরে শাসক দল তৃণমূলের ৫ কাউন্সিলর, কংগ্রেসের ২ কাউন্সিলরের সঙ্গে হাত মিলয়ে ৭-০ ভোটাভুটিতে তৃণমূলের পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায়কে অপাসারণ করে দেন। ২০২১ সালে পুর নির্বাচনের পর ঝালদা পুরসভার বোর্ড গঠন নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হইয়েছিল। তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের প্রকাশ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছিল। এবার এই পুরসভার বোর্ড গঠন করে ক্ষমতা ধরে রাখতে তৃণমূলের কাউন্সিলরা, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলালো। এবার পুরপ্রধানকে হবেন তাই নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এলাকার মানুষের বক্তব্য একেই বলে রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প। ক্ষমতায় টিকে থাকাটাই রাজনীতি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদায় এই ঘটনায় তৃণমূল নিজের দলের মধ্যে চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছে। জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “এই ঘটনায় ঝালদা শহরের তৃণমূল কর্মী নেতৃত্বের কাছে রিপোর্ট তলব করছি। সমস্ত বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জানিয়েছি।” অপর দিকে পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এই তলবি সভা বৈধ নয়। এই বৈঠক পিছিয়ে আমি ২৭ জানুয়ারি করেছি। আমি আমার পুরসভার কাজ করে যাবো। ওঁরা যদি আমাকে কাজ করতে না দেয় তাহলে আমি আইনের সাহায্য নেবো।” এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অন্দরে ফের আইনি যুদ্ধের সূচনা যে হতে চলেছে সে কথা এলাকার অনেক মানুষই বলছেন।

    কংগ্রসের বক্তব্য

    এই দিন তলবি সভায় উপস্থিত থাকা শাসক দল তৃণমূলের প্রাক্তন পুরপ্রধান (Purulia) সুরেশ আগরওয়াল বলেন, “৭-০ ভোটেপুর প্রধানকে অপসারণ করা হয়েছে। এর থেকে বেশি কিছু বলা সম্ভবপর নয়।” অপর দিকে ঝালদা পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা এই তলবি সভায় অংশ গ্রহণ করা কংগ্রেস কাউন্সিলর বলেন, “গত দুই বছরে এই পুরসভায় কোনও কাজ হয়নি, এমন পুরপ্রধান আগে কোনও সময়ে দেখা যায়নি। সেই জন্য আমরা তাঁকে অপসারণ করলাম।” উল্লেখ্য গত ৬ সেপ্টেম্বরে বাঘমুন্ডিতে (Purulia) স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোর হাত ধরে নির্দল কাউন্সিলরা শিলা চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। এরপর পুরসভার বোর্ড গঠনের সমীকরণ বদলে গিয়েছিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jhalda: আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী জুন অবধি ঝালদা পুরসভার দায়িত্বে শীলা, অস্বস্তিতে তৃণমূল

    Jhalda: আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী জুন অবধি ঝালদা পুরসভার দায়িত্বে শীলা, অস্বস্তিতে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝালদা পুরসভা (Jhalda) মামলায় নয়া মোড়। শীলা চট্টোপাধ্যায় এবং পূর্ণিমা কান্দুর নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশের সময়সীমা বাড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিজ নিজ পদে বহাল থাকবেন তাঁরা। আর সেদিনই হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। তার আগে দুই পক্ষকে হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চ।    

    ঝালদা পুরসভার (Jhalda) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অসাংবিধনিকভাবে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শীলা চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে সঙ্গ মৃত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। মামলাটি ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চে। সেই বেঞ্চ যা রায় দিয়েছিল তার বিরোধিতায় আবার ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। কিন্তু বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখল। ডিভিশন বেঞ্চের স্পষ্ট নির্দেশ, আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন শীলা চট্টোপাধ্যায়ই।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে জাল স্লিপ দিয়ে তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, সিবিআই তদন্তের দাবি          

    কী ঘটেছে? 

    ঝালদা পুরসভার (Jhalda) নির্বাচনে কংগ্রেস জেতার পরে শীলা চট্টোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করলে, তৃণমূল তা নিয়ে আপত্তি তোলে। সেই আপত্তির ভিত্তিতে পুরুলিয়ার মহকুমাশাসক রীতম ঝাঁ নির্দেশিকা জারি করে তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ কর্মকারকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশকে যে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন শীলা চট্টোপাধ্যায়। তাতে আদালত তৃণমূলের সুদীপকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে। সেইসঙ্গে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা নিহত কংগ্রেস নেতা তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুকে।   

    এরপর কাউন্সিলর পদ (Jhalda) থেকে তাঁকে অপসারণের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শীলা চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলা গ্রহণ করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করে আদালত। মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পূর্ণিমা কান্দু ঝালদা পুরসভার চেয়ারপার্সনের পদ সামলাবেন। সঙ্গে শীলা চট্টোপাধ্যায়ের কাউন্সিলর পদ খারিজের নির্দেশেও স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। এবার শীলার চেয়ারপার্সন পদের সময়সীমা বাড়ানো হল জুন অবধি।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে জাল স্লিপ দিয়ে তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, সিবিআই তদন্তের দাবি          

    গত ১৬ জানুয়ারি ১২টি আসন বিশিষ্ট ঝালদা (Jhalda) পুরসভার নির্বাচন হয়। ৬ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর এবং ১ জন নির্দল কাউন্সিলের ভোট আসে কংগ্রেসের ঝুলিতে। ৫ তৃণমূল কাউন্সিলর ভোটদান থেকে বিরত থাকেন। শীলা চট্টোপাধ্যায় নির্দল কাউন্সিলর হিসাবে কংগ্রেসকে সমর্থন করেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায় চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত হন। তার পরদিনই এক নির্দেশিকায় মহকুমাশাসক শীলাদেবীর কাউন্সিলর পদ খারিজ করেন। প্রশাসনের যুক্তি, নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জয়যুক্ত হলেও পরে নিজেকে নির্দল ঘোষণা করেছেন তিনি। যা দলত্যাগবিরোধী আইন বিরোধী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

         

  • Jhalda: তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে সিবিআইয়ের তলব ঝালদা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে

    Jhalda: তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে সিবিআইয়ের তলব ঝালদা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে এল নয়া মোড়। এবারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আধিকারিকরা তলব করলেন পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার নির্দল কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে। শনিবার বিকেলে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে যান শীলা। তাঁকে কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরেই ঝালদা পুরসভাকে নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে তপন কান্দু খুনের মামলায় শীলা চট্টোপাধ্যায়কে তলব বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    সিবিআই ক্যাম্পে হাজিরা শীলার

    শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ ঝালদায় সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে পৌঁছন শীলা। ঘণ্টা দু’য়েক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। এই নিয়ে শীলা বলেন, “আমার কাছ থেকে ওনারা কিছু বিষয় জানতে চেয়েছিলেন। যা ওনারা জানতে চেয়েছেন তা আমি জানিয়ে দিয়েছি।” তাঁর মতে, সিবিআই ভাল কাজ করছে। তপন হত্যা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব থমকে গিয়েছিল। মাস তিনেক বাদে তা আবার নতুন করে শুরু হল ঝালদার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল কাউন্সিলরকে তলব করায়।

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টানাপোড়েন, আইনি লড়াই পড়ে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড দখল করেছিল কংগ্রেস। চেয়ারপার্সন হন শীলা চট্টোপাধ্যায়। ৭-০ ভোটে জিতে বোর্ড দখল করে কংগ্রেস। শীলা চট্টোপাধ্যায় নির্দল কাউন্সিলর হিসাবে থাকলেও তিনি কংগ্রেসকে সমর্থন করেন। তবে আপাতত শীলা চট্টোপাধ্যায় আর চেয়ারপার্সনের পদে নেই। দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁকে পদচ্যুত করেন মহকুমা শাসক। জানানো হয় পুরনির্বাচনের ৬ মাসের মধ্যে পর পর দল বদল করা যায় না। তারপরেই তৃণমূল কংগ্রেসের সন্দীপ সর্দারকে চেয়ারম্যান করে দেওয়া হয়।

    এদিকে কাউন্সিলর পদ খারিজের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শীলা চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলায় হাইকোর্ট তাঁর কাউন্সিলর পদ খারিজের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেয়। এবং ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান পদে পূর্নিমা কান্দুকে বসানোর নির্দেশ দেয়। এই পূর্ণিমা কান্দু ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর স্ত্রী। পুরভোটের কয়েকদিনের মধ্যেই খুন হয়েছিলেন তপন কান্দু। আদালতের নির্দেশে সেই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় ঝালদায় খুন হন কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন। তাঁকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যাকারীরা। প্রাথমিক ভাবে ওই কাণ্ডের তদন্তে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) তৈরি করে জেলা পুলিশ। অবশ্য পরে কলকাতা হাইকোর্ট ওই মামলায় তদন্তভার তুলে দেয় সিবিআইকে।

  • Jhalda: ঝালদা পুরসভা নিয়ে আদালতে ধাক্কা রাজ্যের, পূর্ণিমা কান্দুই অস্থায়ী চেয়ারপার্সন

    Jhalda: ঝালদা পুরসভা নিয়ে আদালতে ধাক্কা রাজ্যের, পূর্ণিমা কান্দুই অস্থায়ী চেয়ারপার্সন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝালদা (Jhalda) পুরসভা নিয়ে নাটকে নয়া মোড়। আদালতে মুখ পুড়ল রাজ্যের শাসক দলের। ঝালদা পুরসভার নির্বাচনে কংগ্রেস জেতার পরে শীলা চট্টোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করলে, তৃণমূল তা নিয়ে আপত্তি তোলে। সেই আপত্তির ভিত্তিতে গতকাল পুরুলিয়ার মহকুমাশাসক রীতম ঝাঁ নির্দেশিকা জারি করে তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ কর্মকারকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশকে যে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন শীলা চট্টোপাধ্যায়। এদিন সেই মামলার শুনানি ছিল। তাতে আদালত তৃণমূলের সুদীপকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে। সেইসঙ্গে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা নিহত কংগ্রেস নেতা তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুকে।

    কাউন্সিলর (Jhalda) পদ থেকে তাঁকে অপসারণের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শীলা চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলা গ্রহণ করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করে আদালত। বিকেলে সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পূর্ণিমা কান্দু ঝালদা পুরসভার চেয়ারপার্সনের পদ সামলাবেন। সঙ্গে শীলা চট্টোপাধ্যায়ের কাউন্সিলর পদ খারিজের নির্দেশেও স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

    গত ১৬ জানুয়ারি ১২টি আসন বিশিষ্ট ঝালদা (Jhalda) পুরসভার নির্বাচন হয়। ৬ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর এবং ১ জন নির্দল কাউন্সিলের ভোট আসে কংগ্রেসের ঝুলিতে। ৫ তৃণমূল কাউন্সিলর ভোটদান থেকে বিরত থাকেন। শীলা চট্টোপাধ্যায় নির্দল কাউন্সিলর হিসাবে কংগ্রেসকে সমর্থন করেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায় চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত হন। তার পরদিনই এক নির্দেশিকায় মহকুমাশাসক শীলাদেবীর কাউন্সিলর পদ খারিজ করেন। প্রশাসনের যুক্তি, নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জয়যুক্ত হলেও পরে নিজেকে নির্দল ঘোষণা করেছেন তিনি। যা দলত্যাগবিরোধী আইন বিরোধী। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১০ ফেব্রুয়ারি।

    এর আগে শীলা চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থন পেয়েই বোর্ড গঠন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ঝালদা (Jhalda) পুরসভা গেল কংগ্রেসের দখলে। পুরপ্রধান হওয়ার লোভে কংগ্রেসকে সমর্থন করেছেন শীলা, এই দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ    

    এর আগে এই পুরসভায় (Jhalda) নির্বাচনে পাঁচটি আসন তৃণমূল কংগ্রেস এবং পাঁচটি আসন কংগ্রেস পায়। দুই নির্দল প্রার্থীর সমর্থন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস পুরবোর্ডের দখল করেছিল। তারপর চেয়ারম্যান সুরেশ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে কংগ্রেস। কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করলে সুরেশ আগরওয়াল চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। আস্থাভোটে জয়লাভ করে কংগ্রেস। কিন্তু বোর্ড গঠন করতে পারেনি। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলর জবা মাছুয়াকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়।

    তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    ঝালদাকাণ্ডে (Jhalda) এবার দলত্যাগ বিরোধী আইনের প্রশ্নে প্রশাসনকে খোঁচা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু মুকুল রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, “বিধানসভায় বিজেপি সেজে জনসমক্ষে তৃণমূল বিধায়ক হয়ে ঘুরছেন গিরগিটিরা। এই বিধায়করা দিদির সুরক্ষা কবচের জোরে দলত্যাগ বিরোধী আইন থেকে সুরক্ষিত।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jhalda Municipality: ঝালদায় চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঘোষণা হাইকোর্টের, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজ

    Jhalda Municipality: ঝালদায় চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঘোষণা হাইকোর্টের, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঠিক করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্বাচনের দিন নিয়েই এতদিন টানাপোড়েন চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে আইন-আদালতের পর আজ, শুক্রবার পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঠিক করা হল। রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি এদিন খারিজ করে দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আর তখনই নির্দেশ দিলেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি বেলা ১১ টায় ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে হবে। এছাড়াও নির্দেশে বলা হয়েছে যে, জেলাশাসকের তত্ত্বাবধানে ও পুলিশ প্রশাসনের নজরদারিতে হবে এই নির্বাচন। কাউন্সিলরদের পুর-নির্বাচনে অংশগ্রহণে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই বিষয়টিও পুলিশ প্রশাসনকেই নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঘোষণা

    পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) চেয়ারম্যান নিয়োগ সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছিল আদালত। আর আগামী এক মাস ঝালদা পুরসভার যাবতীয় দায়িত্ব পুরুলিয়ার জেলাশাসককে দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অবশেষে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি জেলাশাসকের উপস্থিতিতে ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে হবে। আর সেখানে রাখতে হবে পর্যাপ্ত পুলিশবাহিনী। নির্বাচন প্রক্রিয়া ভিডিও-নজরদারিতে করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে কী ছিল?

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গত ২ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেসের একজন কাউন্সিলর জবা মাছুয়াকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করে অস্থায়ী প্রশাসক বোর্ড তৈরি করা হবে। আজ সেই নির্দেশের বিজ্ঞপ্তিই খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ফলে ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রেও হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার।

    কী ঘটেছিল ঝালদা পুরসভায়?

    ১২ আসন বিশিষ্ট ঝালদা পৌরসভায় আসনের নিরিখে সমীকরণ ছিল কংগ্রেস ৫, তৃণমূল ৫, নির্দল ২। এই অবস্থায় অনাস্থা ডাকে কংগ্রেস। আস্থা ভোটের ৭-০ ভোটে জয়লাভ করে কংগ্রেস। এর ফলে অপসারণ করা হয় তৃণমূলের পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়ালকে। এরই মধ্যে ২ ডিসেম্বর কাউন্সিলর জবা মাছুয়াকে ঝালদা পৌরসভার নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করে রাজ্য। অন্যদিকে কাউন্সিলর শিলা চট্টোপাধ্যায়কে পৌরপ্রধান হিসেবে নির্বাচিত করতে চায় কংগ্রেস। এরপরেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। তার পর ঝালদা পুরসভা নিয়ে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট। আর অবশেষে নির্বাচনের দিন জানিয়ে দিল আদালত। ফলে এই অবস্থায় রাজ্যবাসীর নজরে এখন ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের লড়াই।

  • Jhalda Municipality: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    Jhalda Municipality: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে কলকাতা হাইকোর্টে ঝালদা পুরসভা নিয়ে ফের ধাক্কা খেল রাজ্য। পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক (Administrator) নিয়োগ সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ (Stay Order) দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে আদালত জানিয়েছে। আর আগামী এক মাস ঝালদা পুরসভার যাবতীয় দায়িত্ব সামলাবেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক।

    প্রশাসক নিয়োগে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক নির্বাচনের জন্য ৩ ডিসেম্বর, শনিবার ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকার শুক্রবার রাতেই পুরসভায় প্রশাসক বসিয়ে দেয়। এরপর রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন ওই পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর। আর এই মামলাতেই এবার হাইকোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য। আগামী মাস পর্যন্ত প্রশাসক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এর ফলে তৃণমূল ও কংগ্রেস কেউই প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে না।

    তৃণমূল জবা মাছোয়াকে চেয়ারপার্সন হিসাবে নিয়োগ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দিল হাইকোর্টের নির্দেশ। আবার আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার পর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করতে চেয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু স্থগিতাদেশের ফলে কোনও নিয়োগই হবে না। ফলে এদিন বিচারপতি অমৃতা সিনহা পুরসভার যাবতীয় কাজের দায়িত্ব দিল পুরুলিয়ার জেলাশাসককে।

    কী ঘটেছিল ঝালদা পুরসভায়?

    ঝালদার বিরোধী কংগ্রেস কাউন্সিলাররা গত ২১ নভেম্বর তাঁরা একটি আস্থা ভোট ডাকেন। সেই আস্থা ভোটের পর অপসারিত হন চেয়ারম্যান। নিয়ম অনুযায়ী আস্থা ভোটের ৭ দিনের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যানকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করতে হয়। সেই অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যানকে একটি সভা ডাকতে বলেন তাঁরা। এর মধ্যেই ভাইস চেয়ারম্যানও পদত্যাগ করেন। ফলে পুর আইন অনুযায়ী, তিনজন বিরোধী কাউন্সিলার ২৯ নভেম্বর একটি সভা ডাকেন এবং সেই সভায় ঠিক হয় ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ চেয়ারম্যান নির্বাচন হবে। কিন্তু আগেই রাজ্য সরকার গত ২ তারিখ ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

    সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেহেতু ঝালদা পুরসভায় কোনও চেয়ারম্যান নেই তাই রোজকার কাজ চালাতে একজন প্রশাসক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। সরকারের সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রশাসক সেই কার্যভার গ্রহণ করেছেন। আর এই নিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস কাউন্সিলর।

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার

    পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক নিয়োগে রাজ্যের হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সরকারকে। বিচারপতি প্রশ্ন করেছেন, “রাজ্য কীভাবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে হস্তক্ষেপ করে?” এরপর বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ভাইসম্যানের পদত্যাগ নিয়ে। “ঝালদা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কার কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন?” রাজ্যকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। রাজ্য এর উত্তরে জানায়, তিনি পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু কার কাছে সেটা জানা নেই।

    এর পর আদালতে ভাইস চেয়ারম্যানের আইনজীবী জানান, গত ২৮ নভেম্বর এসডিও-র কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি জানতে চান, সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে যে তার কোনও লিখিত প্রতিলিপি আছে কিনা। কিন্তু আইনজীবী জানান মৌখিক ভাবে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন এসডিও। এই যুক্তি মানতে নারাজ বিচারপতি অমৃতা সিনহা। যেহেতু নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসক নিয়োগ করেননি ভাইস চেয়ারম্যান, তাই এই প্রশাসক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ জানুয়ারি।

  • Jhalda: প্রশাসক নিয়োগের নির্দেশিকা অগ্রাহ্য কংগ্রেসের, ঝালদায় দু’ জন পুরপ্রধান!

    Jhalda: প্রশাসক নিয়োগের নির্দেশিকা অগ্রাহ্য কংগ্রেসের, ঝালদায় দু’ জন পুরপ্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের প্রশাসক নিয়োগকে অগ্রাহ্য করে ঝালদায় (Jhalda) পুরবোর্ড গঠন করল কংগ্রেস (Congress)। শনিবার নির্ধারিত সময়ে ঝালদা পুরসভায় পৌঁছে পুরবোর্ড গঠন করেন কংগ্রেস ও নির্দল কাউন্সিলররা। তার আগে তাঁরা সবাই মিছিল করে যান শহরের কংগ্রেস পার্টি অফিসে (Congress Party Office)।

    অনাস্থা ভোটে…

    ২১ নভেম্বর অনাস্থা ভোটে অপসারিত হন পুর প্রধান তৃণমূলের (Tmc) সুরেশ আগরওয়াল। শনিবার ছিল নয়া বোর্ড গঠনের দিন। তার ঠিক আগে শুক্রবার রাজ্যের পুর দফতর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জবা মাছোয়াড়কে ভারপ্রাপ্ত পুর প্রধান নিয়োগ করে। কিন্তু পুর দফতরের সিদ্ধান্ত বেআইনি দাবি করে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শনিবার ঝালদার ৫ কংগ্রেস ও ২ নির্দল কাউন্সিলর নয়া পুর প্রধান বেছে নেন। তাঁরা শীলা চট্টোপাধ্যায়কে পুর প্রধান নির্বাচন করেন। এদিন তার আগে নির্দল কাউন্সিলর শীলা এবং সোমনাথ কর্মকার জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতর উপস্থিতিতে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা জানান। তার পরেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে শীলাকে পুর প্রধান নির্বাচন করা হয়। শীলা বলেন, ঝালদা পুরসভা এলাকার মানুষকে পরিষেবা দেওয়াই হবে আমার প্রথম কাজ।

    এদিকে, এদিনের পর ঝালদা (Jhalda) পুরসভায় পুর প্রধান হলেন দুজন। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হল প্রশাসনিক জটিলতা। এ প্রসঙ্গে জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাত বলেন, পুর দফতর যে ১৭ এ আইনে ভারপ্রাপ্ত পুর প্রধান মনোনীত করেছেন, তাঁর কাজ নতুন পুর প্রধান নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা। তিনি বলেন, এক মাসের মধ্যে পুর প্রধানকে বেছে নিতে হবে। কিন্তু তার আগেই আমাদের তিনজন কাউন্সিলর ৩ ডিসেম্বর নয়া পুর প্রধান নির্বাচনী সভা ডেকেছিলেন। তাই পুর দফতরের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়।  

    আরও পড়ুন: ‘বোমা বাঁধছিলেন তৃণমূল নেতা’, ভূপতিনগরের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    নিহত কাউন্সিলর কংগ্রেসের তপন কান্দুর স্ত্রী তথা কংগ্রেস কাউন্সিলর পূর্ণিমা বলেন, দল শীলা চট্টোপাধ্যায়কে পুর প্রধান ঠিক করেছে। আমরা সকলে তাঁকে সহযোগিতা করব। ঝালদা পুরসভার মানুষ যাতে পরিষেবা পান, তার ব্যবস্থা করব। তিনি বলেন, সরকারের এই পদক্ষেপ থেকেই স্পষ্ট আমার স্বামীকে কারা মেরেছে। যে কোনও উপায়ে ঝালদা পুরসভা দখল করতে চায় তৃণমূল। আমরা আদালতে যাব। তিনি বলেন, এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jhalda Municipality: হাইকোর্টের রক্ষাকবচে স্বস্তিতে ঝালদা পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলররা

    Jhalda Municipality: হাইকোর্টের রক্ষাকবচে স্বস্তিতে ঝালদা পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস ও নির্দল কাউন্সিলরদের আগামী বুধবার পর্যন্ত রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ঝালদা পুরসভার ৬ বিরোধী কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নয় শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শনিবার ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠনের কথা। তার আগে পুলিশকে ব্যবহার করে শাসকদল কংগ্রেস ও নির্দল কাউন্সিলরদের গ্রেফতার করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন আবেদনকারীরা। 

    ঝালদা পুরসভার বোর্ড গঠন

    চলতি বছর পুরভোটে দেখা যায় ১২ ওয়ার্ডের ঝালদা পুরসভা ত্রিশঙ্কু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) পাঁচজন করে কাউন্সিলর জয়ী হন। অপরদিকে দু’জন নির্দল কাউন্সিলর জেতেন। এদিকে ভোটের ফল প্রকাশের পর‌ই খুন হয়ে যান কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু (Tapan Kandu)। হাইকোর্টের নির্দেশে খুনের তদন্তভার পায় সিবিআই (CBI)। এর‌ই মাঝে তৃণমূল দুই নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থন নিয়ে ঝালদায় বোর্ড গঠন করে। কিন্তু উপনির্বাচনে তপন কান্দুর ওয়ার্ডে জিতে যাওয়ায় কংগ্রেসের কাউন্সিলর সংখ্যা ফের পাঁচ হয়ে যায়। এরপরই তারা তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের চেয়ারম্যান সুরেশ আগর‌ওয়ালের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে। গত ২১ নভেম্বর অনাস্থা ভোটে পুরবোর্ড হাতছাড়া হয় তৃণমূলের। দুই নির্দল কাউন্সিলর কংগ্রেসকে সমর্থন করেন। 

    আরও পড়ুন: মানিক-ছটা থেকে মুক্ত হতে পর্ষদের ২-৩ বছর সময় লাগবে! অভিমত হাইকোর্টের

    আগামী শনিবার,অর্থাৎ ৩ নভেম্বর নতুন বোর্ড গঠন হ‌ওয়ার কথা পুরুলিয়ার এই পুরসভায়। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, কংগ্রেসি ও নির্দল কাউন্সিলরদের জামিন অযোগ্য ধারা দিয়ে গ্রেফতার করা হতে পারে আস্থা ভোটের আগে। যার ফলে বোর্ড গঠনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হবে কংগ্রেস শিবির। এই আশঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস। সেই মামলার শুনানিতে শুক্রবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা জানান, আগামী বুধবার পর্যন্ত ঝালদা পুরসভার ৪ জন কংগ্রেসি ও ২ নির্দল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আরও ১ কংগ্রেস কাউন্সিলর আগেই রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন আদালত থেকে। আদালতের এই নির্দেশের ফলে আপাতত স্বস্তিতে ঝালদা পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share