Tag: Jhargram

Jhargram

  • Sovandeb Chattopadhyay: আদিবাসীদের নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর করা মন্তব্যের জেরে অনির্দিষ্টকালের বনধ

    Sovandeb Chattopadhyay: আদিবাসীদের নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর করা মন্তব্যের জেরে অনির্দিষ্টকালের বনধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের নিয়ে কৃষিমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) করা বিরূপ মন্তব্যের মাশুল গুনল ঝাড়গ্রাম (Jhargram)। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকেছে আদিবাসীদের সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা। বনধের জেরে শনিবার ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন বনধ সমর্থনকারীরা। এদিন ঝাড়গ্রামে বেসরকারি বাস চলেনি। রাস্তায় হাতে গোণা যে কটি সরকারি বাস বেরিয়েছিল, অবরোধের জেরে তাও আটকে গিয়েছে মাঝপথে। তবে ব্যাঘাত ঘটেনি জরুরি পরিষেবায়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আদিবাসীদের অপমান করেছেন। অবিলম্বে তাঁকে আদিবাসী সমাজের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তবেই স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি।

    শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay) বলেন…

    প্রসঙ্গত, ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রস্তাবের আলোচনায় আদিবাসীদের পরিযায়ী ও গোর্খাদের বহিরাগত বলেছিলেন শোভনদেব (Sovandeb Chattopadhyay)। রাজ্যের এক মন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন কুমারগ্রামের বিধায়ক বিজেপির মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেন, মন্ত্রী ইতিহাসের অপলাপ করছেন। শোভনদেবের এই মন্তব্যের জেরেই ডাকা হয়েছে অনির্দিষ্টকালের বনধ।

    আরও পড়ুুন: সিমকার্ড বেচে দিন কাটত শান্তনুর! সেখান থেকে বাগানবাড়ি, রেস্তোরাঁ, ধাবা কীভাবে?

    বনধের জেরে এদিন ঝাড়গ্রাম শহরের বুকে শপিং মল থেকে শুরু করে কোর্ট রোড চত্বরের দোকান, জুবলি মার্কেটের দোকান বন্ধ রয়েছে। গজাশিমূলের কাছে অবরোধ করা হয় কলকাতা-মুম্বই ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক। রাস্তা অবরোধ করা হয় লোধাশুলির কাছেও। এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ। অবরোধ করা হয় বিনপুর এক নম্বর ব্লকের দহিজুড়ি মোড়েও। বিনপুর ২ নম্বর ব্লকের শিলদা চকেও অবরোধ করেন বনধ সমর্থনকারীরা। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অবরোধ করা হয়েছে পথ। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। আদিবাসী সমাজের পক্ষে ডানগা হাঁসদা বলেন, ঝাড়গ্রাম জেলার সমস্ত ব্লকে আমাদের অবরোধ ও বনধ কর্মসূচি চলছে। আমরা আগেই ঘোষণা করেছি এই বনধ অনির্দিষ্টকাল চলবে।

    তিনি বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভা কক্ষের মধ্যে মাননীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay) যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক। তার প্রতিবাদে আজ আমরা ঝাড়গ্রাম জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকেছি। ডানগা হাঁসদা বলেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁকে বলতে হবে ভুলবশত বলা হয়ে গিয়েছে। তাহলে আমরা মেনে নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে মাত্র তিন কিলোমিটার রাস্তা হাঁটলেন ৫০ মিনিট ধরে। তৃণমূলের গড়ে নিজের জাত চেনালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভিড়ে ঠাসা লোকজনের মাঝে লালগড় থেকে নেতাই পর্যন্ত মাত্র তিন কিমি রাস্তা শুভেন্দুর হেঁটে পৌঁছতে ৫০ মিনিট সময় লেগে যায়। শহিদ বেদির পাশে বিজেপির দলীয় পতাকা দেওয়া সভামঞ্চের ব্যাকড্রপে ছিল শুভেন্দু, নরেন্দ্র মোদি, জেপি নাড্ডা, সাংসদ কুনার হেমব্রম-সহ রাজ্য সভাপতি ও জেলা সভাপতির ছবি। 

    শুভেন্দু যা বললেন

    এদিনের সভায় শুভেন্দু বলেন, ‘‘কে রুখে দেয় আমি দেখব। আমিও জানি কী ভাবে সোজা করতে হয়। অনেক বড় বড় মাতব্বরকে সোজা করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোদ্দ পুরুষও আমাকে আটকাতে পারবে না।’’ নেতাই কাণ্ডের জেলমুক্ত অভিযুক্তদের নাম না করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘যাঁরা দশ-বারো বছর জেল খেটে ফিরে এসেছেন, তাঁরা ভদ্র থাকুন, ভাল থাকুন। বেশি আর লাল ঝান্ডা নিয়ে উৎপাত করবেন না। এসব করতে যাবেন না। আবার বিপদে পড়বেন। পাশে কেউ দাঁড়াবে না। এখন সব গেরুয়া ঝান্ডা হয়ে গিয়েছে। আপনারা পারবেন না তৃণমূলকে টাইট দিতে। আমরা ছাড়া কেউ পারবে না।’’ 

    সভা শেষে শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের মঞ্চে ডেকে নেন শুভেন্দু। এসেছিলেন নেতাই শহিদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির প্রাক্তন সভাপতি দ্বারকানাথ পন্ডাও। শুভেন্দুর অভিযোগ, ‘‘শহিদবেদিতে আমাকে মালা দিতে বাধা দেওয়ার বিষয়টি দ্বারকাবাবু ও নেতাইবাসী মানেননি। তাই দ্বারকাবাবুকে স্মৃতিরক্ষা কমিটি থেকে সরানো হয়েছিল। এটা বিজেপির কর্মসূচি। উনি বিজেপির সদস্য নন, তাই তাঁকে আহ্বান করতে পারি না। কিন্তু উনি নিজে এসে পুরো গ্রামের মানুষের মনের কথা বলে দিলেন।’’ এদিন অমর্ত্য সেনের উদ্দেশে বিজেপির আক্রমণের বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: সরকারি বাসভবনে থেকেও পুলিশকর্তাদের একাংশ বাড়িভাড়া ভাতা পান কীভাবে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশংসা

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় বিচারপতি সমাজ সংস্কারের কাজ করছেন। ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে পড়েও তিনি যে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন, দুর্নীতির একেবারে মূল উপড়ে ফেলতে চাইছেন তাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি’। এদিনের সভায় শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে হাজির ছিলেন খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এদিন নিজের উত্তরীয় খুলে তা দিয়ে নেতাইয়ের ‘শহিদ বেদি’ পরিষ্কার করতে দেখা যায় শুভেন্দুকে। তার পর মাল্যদান করেন তিনি। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Blind T20 World Cup: গ্রামে ফিরলেন ব্লাইন্ড টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য বাংলার শুভেন্দু

    Blind T20 World Cup: গ্রামে ফিরলেন ব্লাইন্ড টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য বাংলার শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে ফিরলেন ব্লাইন্ড টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য বাংলার শুভেন্দু মাহাতো। ঝাড়গ্রামের এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে গর্বিত তাঁর গ্রাম। চলতি বছরের ব্লাইন্ড টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী হয়েছে ভারত। ফাইনালে বাংলাদেশকে ১২০ রানে হারিয়ে দিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই দলের একমাত্র বাঙালি সদস্য শুভেন্দু। সোমবার নিজের বাড়ি ফিরলেন শুভেন্দু। স্টেশন থেকেই তাঁকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিয়ে বরণ করে নেন আত্মীয়রা। 

    মনের জোরেই সাফল্য

    জীবনের শুরুতে শুভেন্দু দু চোখেই দেখতে পেত। ছোটবেলায় একটা দুর্ঘটনার পর  থেকেই দৃষ্টিশক্তি হারান শুভেন্দু। দৃষ্টি হারালেও মনের জোর হারাননি তিনি। উল্লেখ্য, চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দৃষ্টিহীনদের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে মাঠে নেমেছিল ভারতীয় দল। লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা। বাংলাদেশকে ১২০ রানের বিরাট ব্যবধানে হারিয়ে দেয় ভারত। সুনীল রমেশ ও ভারতীয় অধিনায়ক অজয় কুমার রেড্ডির শতরানের সুবাদেই টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জেতে ভারতীয় দৃষ্টিহীন দল।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২-০ জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ছাড়পত্র কী পাবে টিম ইন্ডিয়া?

    সোমবার সকাল ন’টার সময় কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি লোকালে করে ঝাড়গ্রাম স্টেশনে পৌঁছয় শুভেন্দু। ঝাড়গ্রাম স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দুর মা দিপালী মাহাতো সহ কৈমা গ্রামের শতাধিক মানুষ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও জনপ্রতিনিধিরা। শুভেন্দুকে মিষ্টিমুখ করায় তাঁর মা দিপালী মাহাতো। শুভেন্দুর সঙ্গে ছবি তুলতে এবং সেলফি নেওয়ার জন্য মানুষের হুড়োহুড়ি লেগে যায়। গ্রামের মাটিতে পা রেখে আবেগতাড়িত শুভেন্দুর কথায়, “ঝাড়গ্রামে ফিরে খুব ভালো লাগছে। আমার মা ও গ্রামের সকল মানুষজন এসেছে খুবই ভালো লাগছে। এই জয় আমার একটা স্বপ্ন ছিল। আমার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। ভবিষ্যতে ভারতীয় জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাব। কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার (West Bengal News) যদি আমার পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে আমার এগিয়ে যেতে আরও সুবিধা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্য প্রশাসনের! শুভেন্দুকে সভার অনুমতি আদালতের

    Panchayat Elections 2023: হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্য প্রশাসনের! শুভেন্দুকে সভার অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। রাজ্যে তাপমাত্রা নামলেও রাজনীতির পারদ চড়ছে। মঙ্গলবার রাজ্য-রাজনীতিতে তিন হেভিওয়েট প্রার্থীর সভা রয়েছে জঙ্গলমহলে। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি কর্মিসভা থেকে শুরু করে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। একইদিনে জঙ্গলমহল অঞ্চলের গোপীবল্লভপুরে সুকান্ত মজুমদারের সভা রয়েছে। মঙ্গলবারই বাঁকুড়ায় শুভেন্দু অধিকারীরও সভা রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর সভা নিয়েই উত্তাল রাজ্য। প্রশাসন বিরোধী দলনেতার সভা বাতিল করলেও অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    হাইকোর্টের অনুমতি

    শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির তরফে রাইপুরে আগামী ১৫ নভেম্বর সভা করার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। ১০ নভেম্বর প্রথমে অনুমতি দেওয়া হলেও পরে ১১ তারিখ সেই আবেদন খারিজ করে প্রশাসন। এরপরই বিজেপি সভার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্টের নির্দেশ, রাইপুরে নির্ধারিত দিনেই বিজেপির সভা হবে। শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান। সভায় শুভেন্দুবাবুকে সিআইএসএফ-ই নিরাপত্তা দেবে। রাজ্য পুলিশ সহযোগিতা করবে।আদালতের নির্দেশ স্বস্তিতে পদ্ম শিবির। শুভেন্দুর সভা বাতিল প্রসঙ্গে পুলিশের যুক্তি ছিল,১৫ নভেম্বর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বাহিনী দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই সভার অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে এই রায় দেয় আদালত।

    রাজ্যে বেহাল গণতন্ত্র

    হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি, সুকান্ত মজুমদার বলেন,”আদালতের রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য হল যে, স্কুলে শিক্ষকের চাকরি থেকে রাজনৈতিক সভা, সমাবেশের অনুমতিও কোর্টের কাছ থেকে নিতে হচ্ছে। তাহলে প্রশাসন থাকার কী প্রয়োজন? বিরোধী দলনেতা সভা করবেন, সেই সভার অনুমতি কোর্ট থেকে নিতে হচ্ছে, এতেই প্রমাণিত হয় বাংলায় গণতন্ত্র নেই। আরও একবার কোর্ট রাজ্য সরকারের গালে চপেটাঘাত করল। কোর্ট আছে বলে বাংলায় গণতন্ত্র অবশিষ্ট আছে।”

    আরও পড়ুন: অখিল গিরির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    জঙ্গলমহলে অন্য সভা

    ১৫ নভেম্বর আদিবাসী নেতা বিরসা মুণ্ডার জন্মদিনের অনুষ্ঠান। ওই দিন ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। একই দিনে গোপীবল্লভপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সভা ও মিছিল। উপলক্ষ এক। বিরসা মুন্ডার জন্মদিন উদযাপন । ওইদিনই বাঁকুড়ার রাইপুরে সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। একই দিনে মমতা- সুকান্ত- শুভেন্দু, এই তিন হেভিওয়েটদের রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে শীতের জঙ্গলমহলে রাজনীতির পারদ চড়ছে। তিন হেভিওয়েট কী বার্তা দেন, সেদিকেই এখন নজর সবার।

  • Mamata Banerjee: কেন্দ্রের টাকায় খয়রাতি, ‘দোষ’ ঢাকতে একশো দিনের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন মমতা?

    Mamata Banerjee: কেন্দ্রের টাকায় খয়রাতি, ‘দোষ’ ঢাকতে একশো দিনের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বলেছিলেন কেন্দ্রের টাকায় বয়েই গেছে! আর ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই ভোল বদল মুখ্যমন্ত্রীর। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়িতে বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভাবগম্ভীর ওই সরকারি অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, টাকা পেতে কি পায়ে ধরতে হবে? কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও আনেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাজ্যকে প্রাপ্য টাকাই দেওয়া হচ্ছে না।

    খয়রাতির সূত্রপাত…

    রাজ্যের কুর্সি দখল করতে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এর একটি হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। অভিযোগ, এই ভাণ্ডারে টাকা দিতে নানা প্রকল্পে দেওয়া কেন্দ্রের টাকা খরচ করা হচ্ছে। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একশো দিনের কাজের মতো বিভিন্ন প্রকল্প। তার পরেও প্রতিটি জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে চলেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জিএসটির নামে রাজ্য থেকে টাকা তুলছে কেন্দ্র। যদিও রাজ্যের প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না।

    এদিনের অনুষ্ঠানের আগাগোড়াই কেন্দ্রকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার মানুষের পকেট কেটে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে বঞ্চনা করছে। আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যকে প্রাপ্য টাকাই দিচ্ছে না। একশো দিনের কাজের টাকা বাধ্যতামূলক। মমতা বলেন, আমি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছি। এবার কি পায়ে ধরতে হবে? আমাদের টাকা আমাদের দিতে হবে, নইলে গদি ছাড়তে হবে।

    কেন্দ্র গ্রামীণ রাস্তা তৈরির টাকা দিচ্ছে না বলেও এদিন অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্রামীণ রাস্তা তৈরির টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আমরাও তো বন্ধ করে দিতে পারি। এর পরেই স্বভাবসুলভ ভঙ্গীতে মমতা বলেন, কেন তোমায় জিএসটি দেব? একশো দিনের টাকা ফিরিয়ে দাও, নইলে গদি ছেড়ে দাও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার টাকা তুলে নিয়ে যাবে, আর আমাকে টাকা দেবে না, এটা হয় না। এটা মানুষকে প্রতারিত করা। তিনি বলেন, তাও আমার মনের জোর আছে। এটা কি জমিদারির টাকা? এটা মানুষের টাকা। তাঁর দাবি, একশো দিনের টাকা দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘শান্তিকুঞ্জে’র সামনে ‘অশান্তি’ তৃণমূলের, সিবিআই চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    কেন্দ্রের পাশাপাশি এদিন মমতা (Mamata Banerjee) একহাত নেন বিজেপিকেও। তিনি বলেন, কিছু বিরোধী দল বাংলার উন্নয়ন চায় না, বিসর্জন চায়। তারা দিল্লিকে লিখে পাঠায় বাংলাকে টাকা দেবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এরকম চলতে থাকলে একদিন আমি তীর-ধনুক নিয়ে, ধামসা মাদল নিয়ে রাস্তায় নামতে বলব। আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা রাজ্য সরকার খয়রাতিতে খরচ করছে বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। এনিয়ে তিনিই একাধিকবার চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রকে। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী কি নিশানা করলেন তাঁকেই?

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share