Tag: jharkhand tourism

jharkhand tourism

  • Mccluskieganj: নক্কি পাহাড় আর চট্টি নদী! অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের দেখা মেলে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জে

    Mccluskieganj: নক্কি পাহাড় আর চট্টি নদী! অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের দেখা মেলে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের ‘আ ডেথ ইন দ্য গঞ্জ’ ছবিটি হয়ত অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু সবাই জানেন না, এই ছবির শ্যুটিং হয়েছিল ম্যাকলাস্কিগঞ্জে (Mccluskieganj)। রাঁচি থেকে ৭০ কিমি দূরে ছোটনাগপুর মালভূমির ছোট্ট শহর এটি। ১৯৩৪ সালে রাতুর মহারাজের কাছ থেকে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমি লিজ নিয়ে (যার মধ্যে ছিল কঙকা, হেসাল এবং লাপড়া বস্তি) ভারতে বসবাসকারী অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য একটি কলোনি তৈরি করেন ই টি ম্যাকলাস্কি। তাঁর নামেই স্থানের নাম হয় ‘ম্যাকলাস্কিগঞ্জ’। শুরুতে ছিল ৩০০টি পরিবার। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেশ জমজমাট ছিল এই জায়গা। যদিও  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ক্রমেই পরিবারের সংখ্যা কমতে থাকে। এখন তা (Anglo-Indians) কমতে কমতে ২৫ এরও নীচে নেমে এসেছে।

    নীল আকাশ আর অফুরন্ত শান্তি (Mccluskieganj)

    লাল পাথুরে মাটির পথ, দুপাশে শাল-সেগুন-মহুয়ার জঙ্গল, পাখির কূজন, নীল আকাশ আর অফুরন্ত শান্তি-এই নিয়েই সংসার ম্যাকলাস্কিগঞ্জের। এই অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নক্কি পাহাড় নামের একটি ছোট্ট পাহাড় আর চট্টি নামের একটি ছোট্ট নদী। এখনও এখানে যে কয়েক ঘর অ্যাঙ্গলো ইন্ডিয়ানদের (Anglo-Indians) পরিবার রয়েছে, গাছ-গাছালির ফাঁকফোকর দিয়ে দেখা যায় তাঁদের বাংলোগুলি। আর পথে চলতে গিয়ে দেখা হয়ে যায় আদিবাসী বাচ্চা ছেলেমেয়েদের সঙ্গে। তাদের মুখে সর্বদাই লেগে রয়েছে হাসি। অদ্ভুত সুন্দর আর নিষ্পাপ সারল্যের হাসি।

    জলবায়ু তুলনাহীন

    অন্যান্য স্থানে যখন প্রবল গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত, তখনও এখানে শীতের আমেজ। ভরা বর্ষায় এই মালভূমির রুক্ষতা, আবার একই সঙ্গে শ্যামলিমা ধরা পড়ে এখানে। আর বসন্তে যখন চারদিকে ফুটে ওঠে রক্তলাল পলাশ, তখন মনে হয় যেন চারদিকের অরণ্যে আগুন লেগেছে। এই অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণে এবং দারুণ জলবায়ুর কারণেই এক সময় অনেক কৃতি বাঙালি এই ম্যাকলাস্কিগঞ্জে (Mccluskieganj) বাংলো বাড়ি তৈরি করেছিলেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক সদ্য প্রয়াত বুদ্ধদেব গুহ। এখানেই তিনি তাঁর ‘ছুটি’ নামের বাংলোতে বসে লিখেছিলেন বিখ্যাত উপন্যাস ‘একটু উষ্ণতার জন্য’।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    যাতায়াত-ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি এবং বেতলা জাতীয় উদ্যান থেকে বাস যাচ্ছে ম্যাকলাস্কিগঞ্জ (Mccluskieganj)। আর কলকাতা থেকে সরাসরি যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস এবং ভূপাল এক্সপ্রেস।
    থাকা-খাওয়া-এখানে হোটেলের সংখ্যা খুবই কম। কিছু কিছু বাড়ি আছে যেগুলো সামান্য অর্থের বিনিময়ে পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া হয়। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩১৩৯০৫২৪, ০৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: তত্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং, রুদ ফরেস্ট..লাতেহার জুড়ে প্রকৃতির অজস্র হাতছানি

    Jharkhand: তত্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং, রুদ ফরেস্ট..লাতেহার জুড়ে প্রকৃতির অজস্র হাতছানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু অসামান্য সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান, যেগুলির খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এর মধ্যে অন্যতম হল তপ্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং (Jharkhand)। স্থানীয় ভাষায় তত্তপানি কথার অর্থ গরম জল। অনেকেই মনে করেন, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশ্রিত থাকার কারণে এই জলে স্নান করলে বহু রোগব্যাধির নিরাময় হয়। বেতলা অরণ্যের খুব কাছেই এই ওয়াটার স্প্রিং। বেতলা থেকে ৩০-৩৫ কিমি দূরে বারেসাদের পথে মারোমার হয়ে ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পথ গিয়েছে কোয়েল নদীর দিকে। এই পথেই পড়বে আর একটি অপূর্ব সুন্দর স্থান “আকশি” (Tourist attractions)। একটু এগিয়ে কোয়েল নদীর তীরে রয়েছে উলফ স্যাংচুয়ারি। সম্পূর্ণ অঞ্চলটাই শাল, পলাশ, পিয়াল, মহুয়া গাছের অরণ্যে ঘেরা।

    ঘন জঙ্গলে ঢাকা স্থান কেঁড় (Jharkhand)

    এখানকার আর একটি অপরূপ সুন্দর স্থান হল কেঁড়। বেতলা থেকে মহুয়াডার হয়ে নেতারহাট যাওয়ার পথেই চারদিকে ঘন জঙ্গলে ঢাকা স্থান এই কেঁড়। কেঁড়ের খুব কাছেই আরও একটি অপূর্ব সুন্দর স্থান “পরেশ টোলা”। এখান থেকে আবার খুব কাছেই রয়েছে এমন একটি অপূর্ব সুন্দর অরণ্য, যার খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এই অরণ্যর নাম “রুদ ফরেস্ট”। বেতলা থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিমি দূরে গাড়ু। গাড়ু থেকে আরও প্রায় ২৫-৩০ কিমি দূরে এই রুদ ফরেস্ট। চতুর্দিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের শ্রেণি, নিবিড় অরণ্য, নদী, ছোট ছোট ঝর্ণা, অনাবিল সবুজে ঢাকা পরিবেশ, আর আদিবাসী মানুষজনের অকৃত্রিম সারল্য যে কোনও পর্যটককে মুগ্ধ করবেই।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    লাতেহারের (Jharkhand) এইসব স্পটগুলিতে আসতে হলে প্রথমে আসতে হবে ডাল্টনগঞ্জ অথবা তার আগের স্টেশন বারাওডি। হাওড়া থেকে আসছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন।ডাল্টনগঞ্জ থেকে বেতলার দূরত্ব প্রায় ২৪ এবং বারাওডি প্রায় ১৬ কিমি। এটুকু পথ যেতে হবে গাড়িতে। বর্তমানে এই স্থানগুলিতে গড়ে তোলা হয়েছে বনবাংলো। বুকিং-এর জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ সাউথ ফরেস্ট ডিভিশন, পালামৌ-৮২২১০১, অথবা ফোন করতে পারেন ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে। আর জঙ্গল সাফারি, গাড়ি প্রভৃতির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Saranda Forest: এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও সেরা শাল অরণ্য সারান্ডা, মধ্যমণি কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু

    Saranda Forest: এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও সেরা শাল অরণ্য সারান্ডা, মধ্যমণি কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারান্ডা। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও সেরা শাল অরণ্য (Saranda Forest)। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এই সারান্ডা ফরেস্ট, যার মধ্যমণি হল কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু। এখান থেকে সামান্য দূরত্বে অবস্থিত শতাধিক বছরের প্রাচীন ‘মুর্গা মহাদেব’ মন্দির। স্থানীয় মানুষজন এই মন্দিরকে অত্যন্ত পবিত্র ও জাগ্রত বলে বিশ্বাস করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এখানে মানত করে পুজো দিলে সকল মনোস্কামনা পূরণ হয়।

    উৎসবের আবহে সেজে ওঠে এই মন্দির (Saranda Forest)

    ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলা ও ওড়িশার প্রায় সীমান্ত অঞ্চল নোয়ামুন্ডি। এই শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় তিন ৪-৫ কিমি দূরে টিসকো টাউনশিপের কাছে মুর্গা পাহাড়ে অবস্থিত মন্দিরটির শিল্পশৈলী অনেকটাই ওড়িশার মন্দিরগুলির শিল্পশৈলীর মতো। মন্দিরের প্রবেশের যে তোড়ণদ্বার রয়েছে, তার শীর্ষদেশে রয়েছে নীলকন্ঠ মহাদেবের নীল রঙের মুখাবয়ব। মূল মন্দিরটির প্রবেশদ্বারের দুই পাশে দুটি সিংহ মূর্তি। মন্দির চত্বরে রয়েছে একটি ষাঁড়ের মূর্তি, যাকে অনেকে নন্দী বলেন। অনেকটাই লাল এবং গেরুয়া রঙের মন্দিরটির অভ্যন্তরে পূজিত হচ্ছেন স্বয়ং ভগবান মহাদেব। প্রতিদিন এখানে অসংখ্য ভক্ত সমাগম হয় মহাদেবের কাছে পুজো দিয়ে মনোস্কামনা পূর্ণ করার অভিপ্রায় নিয়ে। শিবরাত্রি এবং দুর্গাপুজোর সময় এখানে প্রবল আড়ম্বরে এবং পবিত্রতার সঙ্গে পুজোপাঠের আয়োজন করা হয়। হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় তখন। রীতিমতো উৎসবের আবহে সেজে ওঠে এই মন্দির।

    প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় 

    মন্দিরের কাছেই রয়েছে একটি সুন্দর ছোট্ট ঝর্ণা। অনেকেই এই ঝর্ণাধারায় স্নান করে তারপর পুজো দেন এই মন্দিরে। সবুজের গালিচায় মোড়া পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই মন্দিরের আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। এই মন্দিরের কাছাকাছি থাকার জায়গা তেমন নেই । সাধারণত পর্যটকরা এই মন্দির ঘুরে নেন খুব কাছের সারান্ডা অরণের কিরিবুরু মেঘাতাবুরু থেকেই। এবার আসা যাক কিরিবুরু মেঘাতাবুরু (Kiriburu and Meghahatuburu) থেকে। প্রকৃতপক্ষে কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু দুটি আলাদা আলাদা পাহাড় চূড়া। একটি পাহাড় থেকে অন্যটিতে পায়ে হেঁটেই ঘুরে আসা যায়। সারান্ডার গভীর অরণ্যের অভ্যন্তরে অবস্থিত এই কিরিবুরুকে (Saranda Forest) বলা হয় ৭০০ পাহাড়ের দেশ। এখান থেকে নাকি আশেপাশের অঞ্চলের ৭০০টি পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়। তাই এই নাম। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ ফুটের মতো উচ্চতায় অবস্থিত এই বনাঞ্চল এক সময় ছিল সিংভূমের রাজাদের শিকার করার স্থান। বর্তমানে এই অঞ্চল প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে এক অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    প্রাণভরে উপভোগ করা যায় অরণ্যের শিহরণ (Saranda Forest)

    শাল, মহুয়া, পলাশ, শিমুলের এই অরণ্যে দেখা মেলে বুনো শুকর, বন্য কুকুর, যাদের স্থানীয় ভাষায় বলে ঢোল, হাতি এবং জানা-অজানা হরেক রঙের, হরেক কিসিমের পাখির। এখানে এলে এক যাত্রায় দেখে নেওয়া পুন্ডিল ফলস, সান-সেট পয়েন্ট প্রভৃতি। আর প্রাণভরে উপভোগ করা যায় অরণ্যের শিহরণ। সঙ্গে এই মুর্গা মহাদেব মন্দির দর্শনের পুণ্য তো রইলই। তবে মনে রাখা দরকার, এখানে ঘোরাঘুরির জন্য সর্বদা সঙ্গে গাড়ি রাখা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে সুবিধার এবং অপেক্ষাকৃত কম খরচ হয় প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নিলে। সেক্ষেত্রে জঙ্গলে সাফারি, এবং অন্যান্য ঝক্কির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

    কীভাবে যাবেন?

    কিরিবুরু থেকে মুর্গা মহাদেব (Saranda Forest) যাওয়ার পথ হবে এই রকম। কিরিবুরু-বড়া জামদা-নোয়ামুন্ডি। আর কিরিবুরু যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে বড়া জামদা। কলকাতা থেকে আসছে হাওড়া-বরবিল জন শতাব্দী এক্সপ্রেস। বড়া জামদা থেকে গাড়ি বা ট্রেকারে সামান্য পথ কিরিবুরু। থাকার জন্য এখানে কিরিবুরুতে আছে সেইল (SAIL )-এর গেস্ট হাউজ। বুকিং-এর জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩৬৪৬৮১৭৮ নম্বরে। আর গাড়ি বা প্যাকেজের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: শাল-মহুয়া-পলাশের ঘন অরণ্য, দূরে পাহাড়ের শ্রেণি, ঘুরে আসুন প্রজাপতির দেশে!

    Jharkhand: শাল-মহুয়া-পলাশের ঘন অরণ্য, দূরে পাহাড়ের শ্রেণি, ঘুরে আসুন প্রজাপতির দেশে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরণ্য যাঁদের প্রথম প্রেম, অখণ্ড নির্জনতা, পাখির কূজন আর পাহাড়ের বুক চিরে আদিবাসী কিশোরীর প্রাণবন্ত চপলতায় নেমে আসা ঝর্ণা যাঁদের হৃদয়ে, তাঁদের কাছে অন্যতম সেরা গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান মারোমার (Jharkhand) আর আঁকশি। বেতলা জাতীয় উদ্যান থেকে নেতারহাট যাওয়ার পথে পড়বে মহুয়াডার। এই মহুয়াডার থেকেই রাস্তা ভাগ হয়ে গিয়েছে। একটি রাস্তা চলে গিয়েছে নেতারহাট, অপর রাস্তাটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এবড়ো-খেবড়ো, আঁকা-বাঁকা রুক্ষ পাথুরে পথ বেয়ে চলে গিয়েছে মারোমারের দিকে। চারদিকে শাল, মহুয়া, পলাশ, শিমুলের ঘন অরণ্য, দূর থেকে দেখা যায় পাহাড়ের শ্রেণি, এরই মাঝে অবস্থান এই মারোমারের। মারোমার যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি, স্থানীয় মানুষের ভাষায় যা বেশি পরিচিত মারুমার নামে।

    প্রজাপতির দেশ (Jharkhand)

    এখানকার বন বাংলোটিতে বসে বসেই কাটিয়ে দেওয়া যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এখানে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতির। তাই অনেকেই একে প্রজাপতির দেশ বলে থাকেন। বাংলোর পাশেই পাহাড়। পাহাড়ের বুক চিরে নেমে এসেছে একটি অপূর্ব সুন্দর ঝর্ণা। নাম, মিরচাইয়া ফলস। উত্তর কোয়েল নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট মিরচাইয়া ফলস প্রায় ১০০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের বুকে ধাক্কা খেতে খেতে নেমে এসেছে নীচে। এই অপরূপ সৌন্দর্যকে (Maromar Forest) ভাষায় প্রকাশ করা এক প্রকার অসাধ্য।

    সুগা বাঁধ ও আঁকশি 

    মারোমার থেকে আরও প্রায় ২০ কিমি দূরে আর একটি দারুণ সুন্দর স্পট ‘সুগা বাঁধ’। মারোমার থেকে আর একটু অরণ্য পথে গেলে ‘আঁকশি’। এও এক অসামান্য রূপসী স্থান। চারদিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের শ্রেণি, নিবিড় অরণ্য, নীচ দিয়ে বয়ে চলা নদী, মনপ্রাণ যেন এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। এর কাছেই রয়েছে উলফ স্যাংচুয়ারি। এখানকার অরণ্যে বাস হরিণ, বুনো শুকর, শজারু, হায়না, বন্য কুকুর, যাদের স্থানীয় ভাষায় বলে ‘ঢোল’। আছে অজস্র বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, আর আছে দামাল হাতির পাল। তবে মারোমারের (Jharkhand) পর থেকে আর সহজে হাতির দেখা মেলে না।

    অবস্থান, যাতায়াত, থাকা-খাওয়া (Jharkhand)

    বেতলা থেকে মারোমারের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। পথ হবে এই রকম, বেতলা-গাড়ু-মহুয়াডার-মারোমার-বারেসাদ-আঁকশি-উলফ স্যাংচুয়ারি।

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে ডাল্টনগঞ্জ যাওয়ার ট্রেনে (যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন ) এসে নামতে হবে বারাওডি ষ্টেশনে। সেখান থেকে বাকি পথ যেতে হবে গাড়িতে।

    থাকা-খাওয়া-এই পথে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভরসা বনবাংলো। এখানেই হতে পারে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা (Maromar Forest)। বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ-ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ, অথবা ফোন করতে পারেন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে। আর গাড়ি বা জঙ্গলে সাফারি করার জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: পাহাড়ের সারি, শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল! ‘শঙ্করদা পোটকা’ যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি

    Jharkhand: পাহাড়ের সারি, শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল! ‘শঙ্করদা পোটকা’ যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরের খোঁজে যখন আমরা দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে বেড়াই, তখন আমরা ভুলে যাই যে আমাদের বাড়ির পাশেই রয়েছে এমন কিছু অপূর্ব সুন্দর স্থান, যার খোঁজ আমরা রাখি না। রীতিমতো উপেক্ষিতই থেকে যায় সেই সব অচেনা, অজানা সুন্দরীরা। যেমন শঙ্করদা পোটকা। নামের মধ্যেই রয়েছে এক আদিবাসী সারল্যের গন্ধ। পশ্চিমবঙ্গের একদম নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। এই ঝাড়খণ্ডেরই এক অসাধারণ সুন্দর স্থান হল এই শঙ্করদা পোটকা (Shankarda Potka)। বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ঘাটশিলা আর শিল্পনগরী টাটা-র মাঝখানে অবস্থান এই শঙ্করদা-র। এখানে নেই শহরের কোলাহল, যন্ত্র দানবের দৌরাত্ম্য আর দূষণ। বর্তমান সময়ের আধুনিক সভ্যতা যেন এখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এখানে আদি-অন্ত শুধুই অনাবিল প্রকৃতির স্নিগ্ধ হাতছানি। তার মন-প্রাণ ভুলিয়ে দেওয়া নৈসর্গিক সৌন্দর্যের ডালি। এখানে দাঁড়িয়ে দূরের ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি দেখতে দেখতে যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের হৃদয় ভালো লাগার অনুভূতি এনে দিতে পারে।

    যেন সম্পূর্ণ অঞ্চলে আগুন লেগেছে (Jharkhand)

    শঙ্করদা থেকে প্রায় তিন-সাড়ে তিন কিমি দূরে আর এক অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান হল পাহাড়ভাঙা। এখান দিয়েই বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা নদী। নদীর বুকে জেগে থাকা পাথরের গায়ে ধাক্কা খেতে খেতে আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় আপন খেয়ালে বয়ে চলেছে সে। আশেপাশে পাহাড়ের সারি, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল। বসন্তে যখন এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে ফুটে থাকে লাল পলাশ, তখন যেন মনে হয় সম্পূর্ণ অঞ্চলে আগুন লেগেছে। তখন যেন এই শঙ্করদা পোটকা শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি। স্থানীয় মানুষজনের কাছে এই পাহাড়ভাঙা বর্তমানে এক প্রিয় বেড়ানো এবং পিকনিক করার জায়গা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

    রঙ্কিনী দেবীর মন্দির

    শঙ্করদা থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) অন্যতম জনপ্রিয় এবং পবিত্র রঙ্কিনী দেবির মন্দির। যদুগোড়ার পথে অবস্থিত এই রঙ্কিনী দেবীকে স্থানীয় মানুষ অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করেন। কেউ কেউ এই দেবী মা-কে আদিবাসী সম্প্রদায়ের দেবী বলে মনে করেন। আবার অনেকেই মনে করেন এই দেবী ধলভূমগড়ের রাজাদের গৃহদেবতা। পাহাড়ের গুহায় এই মন্দির। মন্দিরের উল্টো দিকেই গভীর খাদ। এই খাদে নামার জন্য সিঁড়ি করা আছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। প্রাচীন এই মন্দিরটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল ঘাটশিলায়। পরে এটি স্থানান্তরিত করা হয় এই পাহাড়ের গুহায়। তবে ঘাটশিলা স্টেশনের কাছে এখনও রয়েছে সেই প্রাচীন মন্দির। শতাধিক বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে এক সময় নরবলি প্রথা চালু ছিল। বৃটিশ শাসকদের হস্তক্ষেপে সেই জঘন্য প্রথা বন্ধ হয়। আবার ইচ্ছে হলে বা হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় শঙ্করদা টোটকা থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে আর এক সুন্দর স্পট রাতমোহনাও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Jharkhand)

    শঙ্করদা পোটকা যাওয়ার জন্য হাওড়া থেকে আসতে হবে টাটানগর। যাচ্ছে স্টিল এক্সপ্রেস, ইস্পাত এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। টাটা থেকে শঙ্করদা পোটকা প্রায় ১৭-১৮ কিমি পথ যেতে হবে গাড়িতে। আর রাতমোহনা থেকে শঙ্করদার দূরত্ব ৩০ কিমি। যেতে হবে গাড়িতে। থাকা-খাওয়া-শঙ্করদাতে আছে রিসর্ট উইক এন্ড। এখানে রয়েছে সুন্দর, জানা-অজানা বহু গাছ নিয়ে তৈরি এক সুন্দর বাগান, বাচ্চাদের খেলার জায়গা, একটি সুন্দর পুকুর। আছে খাওয়ায় ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক । ফোন-০৯২৩৪৬৪৩৫৪০, ০৮৭৫৭৭৮০৯১০।
    আর রাতমোহনায় আছে রিসর্ট রাতমোহনা ইন। একদম সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত এই রিসর্টটিতেও আছে খাবার ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক। তবে রাতমোহনা থেকে শঙ্করদা যেতে হলে ওই একই টাটাগামী ট্রেনে এসে নামতে হবে ঘাটশিলা স্টেশনে। ঘাটশিলা থেকে অটো বা গাড়িতে যেতে হবে রাতমোহনা (Jharkhand)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শক্তিপীঠ উগ্রতারা ছিন্নমস্তা মন্দির, দুর্গাপুজো হয় টানা ১৬ দিন ধরে!

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শক্তিপীঠ উগ্রতারা ছিন্নমস্তা মন্দির, দুর্গাপুজো হয় টানা ১৬ দিন ধরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) লাতেহার জেলা বিখ্যাত তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য। এখানকার গভীর-অগভীর অরণ্য, বন্যপ্রাণী, ঝর্ণা, পাহাড় সহজেই যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকের হৃদয় জয় করে নিতে পারে। কিন্তু লাতেহার মানেই কি শুধু বেতলা অরণ্য অথবা নেতারহাট? এর বাইরেও এই অঞ্চলে রয়েছে এমন কিছু স্থান, যেগুলির আকর্ষণও কিন্তু কোনও অংশে কম নয়।এমনই একটি স্থান হল টোরির উগ্রতারা ছিন্নমস্তা মন্দির বা উগ্রতারা নগর ভগবতী মন্দির। প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দিরটি ষষ্ঠদশ শতাব্দীতে নির্মাণ করেন টোরির রাজা। স্বয়ং রানী অহল্যা বাই এই মন্দিরে পুজো দিয়ে গিয়েছেন। ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শক্তিপীঠ বলে এই মন্দিরকে মান্যতা দেন ভক্তজনেরা। এখানে টানা ১৬ দিন ধরে দুর্গাপুজো হয়, যা সচরাচর অন্য কোথাও দেখা যায় না।

    দূর দূরান্ত থেকে আসেন ভক্তরা (Jharkhand) 

    মন্দির স্থাপনের পর থেকেই এখানকার পরম্পরা অনুযায়ী ‘জিউনিয়া তেওহার’-এর দ্বিতীয় দিন মায়ের পবিত্র কলস স্থাপন করা হয় এবং মা অষ্টাদশভূজার পুজো শুরু হয়। তার পর থেকে ভক্তি সহকারে এবং বিবিধ আচার মেনে ১৬ দিন ধরে মায়ের পুজো হয়। এই সময় দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন এই মন্দিরে। শুধু মাত্র ঝাড়খণ্ড থেকেই নয়, এখানে পুজো দিয়ে মনস্কামনা পূর্ণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ভক্তরা আসেন পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা থেকেও। মূলত মিছরি এবং নারকেল দিয়ে মায়ের পুজো দেওয়া হয়। তবে পশুবলি দেওয়ার প্রথাও আছে এখানে।

    বেতলা থেকে সময় লাগে তিন-চার ঘণ্টা

    লাতেহার শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে এই মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ৩৮ কিমি। চটকা-চতরা মূখ্য মার্গে (Jharkhand) অবস্থিত এই মন্দিরে পৌঁছনোর সড়ক পথ আছে। টোরি শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি। আর রাঁচি থেকে টোরির দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিমি। যাওয়া যায় বেতলা অরণ্য থেকেও। বেতলা থেকে যেতে সময় লাগে প্রায় তিন-চার ঘণ্টা। এই সমগ্র পথেই রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি পর্যটন স্থল। ঘুরে নেওয়া যায় সেগুলোও। আর যাতায়াতের পথের দৃশ্যও বেশ মনোরম।

    যাতায়াত এবং থাকা (Jharkhand)

    যাতায়াত-রাঁচি বা বেতলা, দুই জায়গা থেকেই এই মন্দির দর্শন করে আবার ফিরে গিয়ে রাত্রিবাস করা যায় রাঁচি বা বেতলায়। সেক্ষেত্রে ট্রেনে এসে রাঁচি বা বেতলা থেকে গাড়ি নিয়ে আসাই সুবিধার। 
    থাকা খাওয়া-রাঁচিতে রয়েছে প্রচুর হোটেল। এছাড়াও এই পথে রয়েছে বেশ কিছু বন বাংলো। বুকিং করার জন্য যোগাযোগ করতে হবে ডিএফও-র সঙ্গে। প্রয়োজনে ফোন করা যেতে পারে ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে। আর গাড়ি বা জঙ্গল সাফারির জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে (Jharkhand)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: পাহাড়ের বুক চিরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা! পর্যটকদের নয়া গন্তব্য পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি

    Jharkhand: পাহাড়ের বুক চিরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা! পর্যটকদের নয়া গন্তব্য পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের পর্যটন মানচিত্রে প্রায় নবীন সংযোজন পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি (Jharkhand)। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই ড্যাম বা জল সরবরাহ কেন্দ্রটি প্রকৃতপক্ষে পত্রাতু থার্মাল পাওয়ার ষ্টেশনে জল সরবরাহ করার উদ্দেশ্যেই নির্মিত। নলকারি নদী থেকে সৃষ্ট এই জলাধারের অন্য নাম তাই “নলকারি ড্যাম”। বহু পর্যটকের এখন গন্তব্য হয়ে উঠেছে বলতে গেলে হাতের একেবারে কাছেই এই স্থানটি। কেউ চাইলে রাঁচিতে থেকেও এই জায়গাটি ঘুরে আসতে পারেন। আবার সেখানেও থাকার বেশ কিছু জায়গা রয়েছে।

    অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য (Jharkhand)

    একদিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি, অপরদিকে সুবিশাল এই ড্যাম। এই অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের টানেই বর্তমানে এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি। এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ পত্রাতু ভ্যালির পাহাড়ের বুক চিরে চলে যাওয়া সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা (Jharkhand)। অনেকটা সিকিমের জনপ্রিয় সিল্ক রুটের মতোই এই “জিগ জ্যাগ” ভ্যালির ওপর থেকে পত্রাতু ড্যামের দৃশ্য অবলোকন করা যেন এক স্বর্গীয় অনুভুতি।

    প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের কাছে এক আদর্শ স্থান (Jharkhand)

    এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণগুলি হল বার্ড ওয়াচিং, ড্যামের জলে বোটিং, পাহাড়ে ট্রেকিং, ক্যাম্পিং প্রভৃতি। ইচ্ছে হলে এখান থেকেই ঘুরে নেওয়া যায় কাছের জয়ন্তী সরোবর এবং ঝাড়খণ্ডের অন্যতম পবিত্র পঞ্চবাহিনী (েPanchawahini ) মন্দিরও। সব মিলিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৯২ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পত্রাতু প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের কাছে এক আদর্শ স্থান।

    কীভাবে যাবেন? (Jharkhand)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে রাঁচিগামী যে কোনও ট্রেন ধরে আসতে হবে রাঁচি। রাঁচি থেকে বাস আসছে পত্রাতু। এছাড়া গাড়ি ভাড়া করেও যেতে পারেন।
    থাকা-খাওয়াঃ এখানে রয়েছে হোটেল কৃষ্ণ রেসিডেন্সি (৯৮৩১৩৯০৫২৪), হোটেল রয়্যাল (৯৮৩৬৪৬৮১৭৮), হোটেল পর্যটন বিহার (৮৯৮১৬১২১০০), পত্রাতু লেক ভিউ (০৬৫১-২৩১৮২৮ , ২৩৩১৬৪৩) অথবা যোগাযোগ করতে পারেন ৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে (Jharkhand)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghatsila: অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে!

    Ghatsila: অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপামর বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় এক পর্যটন কেন্দ্র হল ঘাটশিলা (Ghatsila)। কিন্তু ঘাটশিলা বলতেই আমরা বুঝি শুধুমাত্র বুরুডি লেক, গালুডি ড্যাম, ফুলডুঙরি প্রভৃতি। কিন্তু এর বাইরেও ঘাটশিলার আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক এমন কিছু স্পট, সৌন্দর্যের নিরিখে যেগুলি কোনও অংশে কম যায় না। এমনই অত্যন্ত সুন্দর স্থান হল “রাতমোহনা”। এখান থেকে পরিষ্কার দেখা যায় দূরের পাহাড়ের সারি। পথের দুপাশে পলাশ, শাল আর মহুয়ার জঙ্গল, আদিবাসী গ্রামের আলপনা আঁকা মাটির কুটির, অরণ্যের বুক চিরে চলে গেছে রাঙা মাটির পথ। আর হ্যাঁ! রাতমোহনার বুক চিরে আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় বয়ে চলেছে স্বচ্ছ সলিলা সুবর্ণরেখা নদী।

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি (Ghatsila)

    রাতমোহনাতেই রয়েছে একটি সুন্দর ঝর্ণা। স্বয়ং অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাতমোহনাতেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে। রাতমোহনা থেকেই একবারে ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই সিদ্ধেশ্বর পাহাড়, পাটকিতা, রানী ফলস এবং আরও একটি অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যৈ ভরপুর স্থান “শঙ্করদা” (Ghatsila)। বসন্তে যখন এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে পলাশ ফুল ফোটে, তখন সেই সৌন্দর্য ভাষায় বর্ণনা করা সাধ্যাতীত কাজ।

    যাবেন কীভাবে, থাকবেন কোথায়? (Ghatsila)

    যাতায়াত-রাতমোহনা যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে ঘাটশিলা। হাওড়া থেকে যাচ্ছে ইস্পাত এক্সপ্রেস, স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া ঘাটশিলা এক্সপ্রেস (মেমু) প্রভৃতি ট্রেন। সেখান থেকে অটোতে প্রায় ৫ কিমি দূরে রাতমোহনা। আর রাতমোহনা অথবা ঘাটশিলা (Ghatsila) স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের পথ শঙ্করদা।
    থাকা খাওয়া-রাতমোহনাতে আছে রিসর্ট রাতমোহনা ইন (০৮৪০৯২১১৫৫৫), শঙ্করদায় রয়েছে উইক এণ্ড রিসর্ট (০৯২৩৪৬৪৩৫৪০, ০৮৭৫৭৭৮০৯১০)। আর কেউ যদি ঘাটশিলা থেকে ঘুরে নিতে চান, তাহলে তাঁরা থাকতে পারেন হোটেল জে এন প্যালেস (০৮৭৫৭৪৪৩৫৪০, ০৮৯৬৯৬৫৪৭১৮, সুহাসিতা রিসর্ট (০৯৭৭১৮৩১৮৭৭), রামকৃষ্ণ মঠের গেস্ট হাউজ প্রভৃতিতে। সবকটিতেই খাওয়ার ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand News: বসন্ত এলেই যেন নতুন রূপে, নতুন রঙে সেজে ওঠে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জ!

    Jharkhand News: বসন্ত এলেই যেন নতুন রূপে, নতুন রঙে সেজে ওঠে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্জনে, নিরালায় অনাবিল প্রকৃতির মাঝে দু’দণ্ড শান্তির খোঁজে যাঁরা পথে বের হন, তাঁদের কাছে অন্যতম সেরা স্থান হল পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অপূর্ব সুন্দর পর্যটনকেন্দ্র ম্যাকলাস্কিগঞ্জ (Jharkhand News)। ১৯৩৪ সালে রাতুর মহারাজের কাছ থেকে প্রায় ১০০০ হেক্টর জমি লিজ নিয়ে (যার মধ্যে ছিল কঙ্কা, হেসাল, লাপড়া বস্তি) এদেশে বসবাসকারী অ্যাংলো ইন্ডিয়ান মানুষজনের নিজস্ব ভূমি হিসেবে এক আরণ্যক জনবসতি গড়ে তোলেন ই টি ম্যাকক্লস্কি সাহেব, যা পরবর্তীকালে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে হয়ে দাঁড়ায় “ম্যাকলাস্কিগঞ্জ”। একে আপামর বাঙালি এবং প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের মনে চিরস্থায়ী করে রেখে গিয়েছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। এই ম্যাকলাস্কিগঞ্জ-এর পটভূমিতেই তিনি লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস “একটু উষ্ণতার জন্য।

    লাল পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আলো (Jharkhand News)

    চারদিকে শিমুল, পলাশ, মাদার, কৃষ্ণচূড়া গাছের ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে জ্যাকারান্ডা, পুটুস ফুলের রঙিন আকর্ষণ। মাঝে মধ্যেই রয়েছে বেশ বড় বড় আমবাগান। লালমাটির পাথুরে পথ। সেই পথের-ই দু’পাশে রয়েছে একাধিক অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের বাড়ি। তবে বর্তমানে এখানে আর অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের বাস আগের মতো নেই, তবুও এখনও বেশ কিছু অ্যাংলো ইন্ডিয়ান পরিবার বাস করেন। বসন্ত ঋতু এলেই এই সমগ্র অঞ্চল যেন নতুন রূপে, নতুন রঙে সেজে ওঠে। লাল পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আলোয় সমগ্র ম্যাকলাস্কিগঞ্জ যেন এক অপরূপ মোহময়ী রূপ ধারণ করে। কাছেই এক ছোট্ট পাহাড়, নাম “নাকো পাহাড়”। কেউ কেউ আবার একে “নক্কী” পাহাড় বলেও জানেন। এখানে রয়েছে একটি ছোট্ট নদী। আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় আপন খেয়ালে বয়ে চলেছে সেই ছোট্ট কিন্তু সুন্দরী নদী। রয়েছে আদিবাসী হস্তশিল্প সমবায় “জাগৃতি বিহার”, আর এখানে রয়েছে একটি অদ্ভুত স্থাপত্য। একই জায়গায় গড়ে তোলা হচ্ছিল একটি হিন্দু মন্দির, খ্রিষ্টানদের জন্য চার্চ, মুসলিমদের জন্য মসজিদ। যদিও এটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়নি, তবু সর্বধর্মের মিলনের স্মারক হিসেবে এটি একটি অনন্য উদ্যোগ হয়ে উঠতে পারে। এসব তো দেখবেনই, সঙ্গে প্রাণ ভরে উপভোগ করুন এখানকার শান্ত, নির্মল পরিবেশ, অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বসন্তের পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া ফুলের আগুন রাঙা ছবি (Jharkhand News)।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Jharkhand News)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে ডালটনগঞ্জ বা বেতলা যাওয়ার প্রায় সব ট্রেনই যাচ্ছে ম্যাকলাস্কিগঞ্জের (Jharkhand News) ওপর দিয়ে। হাওড়া থেকে যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। আবার রাঁচি থেকে বাস যাচ্ছে ম্যাকলাস্কিগঞ্জ। রাঁচি থেকে সড়কপথে দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। যেতে সময় লাগে প্রায় দুই-আড়াই ঘণ্টা। আর হাওড়া থেকে রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৪৫২ কিমি। সময় লাগে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা। আর ডালটনগঞ্জ শহর থেকে সময় লাগে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা।
    থাকা খাওয়া-এক সময় এখানে বেশ কিছু হোটেল ছিল। বর্তমানে এখানে হোটেলের সংখ্যা বেশ কম। তবে এখন ও এখানে বেশ কিছু বাড়ি আছে যেগুলো প্রয়োজনে পর্যটকের ভাড়া দেওয়া হয়। এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে। আর হোটেল বুকিং বা এই বিষয়ে বিশদ জানতে প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Netarhat: নেতারহাটের ‘ম্যাগনোলিয়া পয়েন্ট’-এর ইতিহাস শুনলে আজও যেন গায়ে কাঁটা দেয়!

    Netarhat: নেতারহাটের ‘ম্যাগনোলিয়া পয়েন্ট’-এর ইতিহাস শুনলে আজও যেন গায়ে কাঁটা দেয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এখানকার অন্যতম জনপ্রিয় এবং অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এক পর্যটনকেন্দ্র হল নেতারহাট। বিশেষ করে যাঁরা বেতলা অরণ্যে গিয়েছেন, নেতারহাট (Netarhat) না গেলে ভ্রমণটাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সাধারণত বেতলা আর নেতারহাট একসঙ্গেই বেড়িয়ে নেন প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকেরা। বেতলা থেকে নেতারহাটের সড়কপথে দূরত্ব প্রায় ১২০ কিমি। পথ হল এই রকম-বেতলা-কেড়-ছুপাদোহর-গাড়ু-মারুমার-বারেসাদ (এখান থেকেই জঙ্গলের ভিতরে রয়েছে আর একটি স্পট ‘সুগাবাধ’)।

    বারেসাদ থেকে মহুয়াডার। এখানে থেকে বাঁ দিকের উঁচু-নিচু, জঙ্গলাকীর্ণ পথে খানিকটা পথ গেলে দেখা যাবে এক অপূর্ব জলপ্রপাত ‘লোধ ফলস’। মহুয়াডার থেকে প্রায় ১৪ কিমি দূরে অবস্থিত এই জলপ্রপাতটি বুরহা নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট। এটি ঝাড়খণ্ডের উচ্চতম এবং ভারতের ২১ তম উচুঁ ফলস। প্রায় ১৪৩ মিটার উচ্চতা থেকে পাহাড়ের কঠিন পাথরের বুকে ধাক্কা খেতে খেতে নেমে এসেছে জলধার, যার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আসামান্য।

    ‘ম্যাগনোলিয়া পয়েন্ট’ (Netarhat)

    মহুয়াডার থেকে আরও প্রায় ১৯ কিমি পথ নেতারহাট। নেতারহাটের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ স্পট হল সান সেট পয়েন্ট, যার অপর নাম ‘ম্যাগনোলিয়া পয়েন্ট’। এই নামের পিছনে রয়েছে এক হৃদয়বিদারক ব্যর্থ প্রেমের গল্প। এক বৃটিশ তরুণী আর এক রাখাল যুবকের মধ্যেকার অসম প্রেম মেনে নিতে পারেননি তরুণীর উচ্চপদস্থ বৃটিশ রাজ কর্মচারীর বাবা। হঠাৎ-ই একদিন কোনও অজ্ঞাত কারণে নিখোঁজ হয়ে যান রাখাল যুবক। এর ঠিক পরেই সকলে দেখেন, এক বৃটিশ তরুণী প্রবল গতিতে ঘোড়া ছুটিয়ে এসে পাহাড়ের অতল খাদে মরণঝাঁপ দিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। সেই থেকে এই জায়গার নাম ‘ম্যাগনোলিয়া পয়েন্ট’। কারণ, সেই বিরহের যন্ত্রণাকাতর বৃটিশ তরুণীর নাম ছিল যে ‘ম্যাগনোলিয়া’। এখানে দাঁড়িয়ে চতুর্দিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারির মধ্যে ধীরে চারদিকে রক্তিম আলো ছড়িয়ে সূর্যের অস্ত যাওয়ার মনোরম দৃশ্য দেখতেই মানুষ এখানে (Netarhat) আসেন। ঘুরে নেওয়া যায় আপার ঘাঘড়ি নামের একটি ছোট্ট, কিন্তু অপূর্ব সুন্দর ঝর্নাও।

    লোয়ার ঘাঘড়ি ফলস (Netarhat)

    নেতারহাটের অন্যতম আকর্ষণ প্রায় ১০ কিমি দূরের লোয়ার ঘাঘড়ি ফলস। ঘন অরণ্যের অভ্যন্তরে, নির্জন পরিবেশে এই ফলসটি। ঘাঘড়ি নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট এই ফলসটি ভারতের ৩৩ তম উচুঁ ফলস। প্রায় ৩২২ ফুট উচ্চতা নেমে এসেছে জলধারা। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দেখে নিন এখানকার (Netarhat) ন্যাশপাতি বাগানগুলো, বিখ্যাত রেসিডেন্সিয়াল স্কুল প্রভৃতি।

    যাতায়াত এবং থাকা (Netarhat)

    দুভাবে ঘোরা যায় নেতারহাট-১) ট্রেনে বেতলা এসে গাড়ি নিয়ে নেতারহাট ঘুরে রাঁচি হয়ে ফেরা যায়। আবার রাঁচি গিয়ে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে নেতারহাট-বেতলা ঘুরে ট্রেনে কলকাতা ফিরে আসা যায়। আর এই পথে রয়েছে বেশ কিছু বন বাংলো, ট্রি হাউজ প্রভৃতি (Netarhat)। এগুলোর বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ: ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ অথবা ফোন করুন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে। আর নেতারহাটে আছে জেটিডিসি-র হোটেল বনবিহার (ফোন ০৯১০২৪০৩৮৮২) অথবা কলকাতায় এদের অফিস ১২-এ, ক্যামাক স্ট্রিট, কল-১৭ থেকে। আর জঙ্গল সাফারি প্রভৃতির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share