Tag: Jharkhand

Jharkhand

  • PM Modi: আজ রবিবার ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মেগা রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: আজ রবিবার ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মেগা রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডে রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে, সে রাজ্যের রাজধানী রাঁচিতে হবে এই রোড শো। অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রবিবার তিন কিলোমিটার রোড শো করবেন রাঁচিতে। তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এই রোড শো ঘিরে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করবেন এবং এটি ঐতিহাসিক হতে চলেছে।’’

    গত সপ্তাহেই ঝাড়খণ্ডে প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর এই রোড শোতে বিজেপির অনেক সিনিয়র নেতাই উপস্থিত থাকবেন। প্রসঙ্গত গত সপ্তাহেই ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ নভেম্বর তিনি ঝাড়খণ্ডে প্রচার করেন, তারপরে ফের একবার আজ ১০ নভেম্বর তিনি সেখানে যাচ্ছেন। গত সপ্তাহে ঝাড়খণ্ডের ছাইবাসা এবং গারোয়াতে তিনি প্রচার করেন। ছাইবাসার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘বিজেপি সরকার তৈরি হলেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সেই মতো আইন তৈরি করা হবে। যে সমস্ত জমি অনুপ্রবেশকারীরা দখল করেছে, তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে।’’

    রোটি-বেটি-মাটি স্লোগান

    সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), রোটি-বেটি-মাটি এই স্লোগানকেও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘‘সমগ্র ঝাড়খণ্ড আজকে বলছে রোটি-বেটি-মাটি কি পুকার, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)  মে বিজেপি সরকার।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীনই ঝাড়খণ্ড রাজ্যের জন্ম হয়েছিল। নিজের নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর তোপ দাগেন কংগ্রেস ও ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার জোটকেও। তিনি অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার জন্যই তারা ঝাড়খণ্ডকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিচ্ছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা আদিবাসী কন্যাদের টার্গেট করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঝাড়খণ্ডবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরি হলে এই সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।’’

    দারিদ্রতা মেটাবে বিজেপি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর গত সপ্তাহের ভাষণে আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় জনতা পার্টি ঝাড়খণ্ডের দারিদ্রতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। কংগ্রেস এবং তার জোটসঙ্গীরা আদিবাসী সম্প্রদায়কে গরিব করে রেখে দিতে চাইছে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চ এবং আরজেডি-এই দুই দলও ষড়যন্ত্র করছে। ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাসও পরিবর্তন করা হচ্ছে।’’ এই আবহে আজ প্রধানমন্ত্রীর মেগা রোড শো ঘিরে তাই স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় ততদিন মুসলিমরা সংরক্ষণ পাবেন না’’, ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: ‘‘যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় ততদিন মুসলিমরা সংরক্ষণ পাবেন না’’, ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিজেপি (BJP) এ দেশে যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন পর্যন্ত সংখ্যালঘুরা সংরক্ষণ পাবে না।’’ শনিবার ঝাড়খণ্ডের পালামুতে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) এই মন্তব্য করেন। শাহ বলেন, কংগ্রেস ওবিসি, দলিত এবং উপজাতিদের সংরক্ষণের সীমা কমিয়ে মুসলমানদের সংরক্ষণ করতে চায়। বিজেপি থাকতে সেটা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন তিনি।

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    ঝাড়খণ্ডের পালামুতে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘কংগ্রেস সংরক্ষণের কথা বলে, কিন্তু আমাদের সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ দেওয়ার কোনও বিধান নেই। মহারাষ্ট্রে কিছু ‘ওলামা’র একটি দল একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছে। মুসলিমদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের বিষয়ে তাদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংরক্ষণের বিষয়ে তারা তাদের সাহায্য করবে। রাহুল গান্ধীকে সতর্ক করতে চাই এই বলে যে, যতদিন পর্যন্ত এই দেশে বিজেপি থাকবে ততদিন সংখ্যালঘুরা সংরক্ষণ পাবে না। ওবিসি, দলিত এবং আদিবাসীদের বাবা সাহেব আম্বেদকর দিয়েছেন। আমরা এটিকে অসম্মান করতে পারি না।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    কংগ্রেস ‘‘ ওবিসি-বিরোধী ’’দল

    কংগ্রেসকে ওবিসি-বিরোধী দল বলে অভিহিত করে শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘যখনই কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছে, তারা ওবিসি সম্প্রদায়ের প্রতি অবিচার করেছে। কাকা কালেলকর কমিটি  ১৯৫০ সালে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু, তার রিপোর্ট হারিয়ে গিয়েছে। যখন মণ্ডল কমিশন ওবিসিদের সংরক্ষণ করতে এসেছিল, তখন ইন্দিরা গান্ধী এবং রাজীব গান্ধী এটি বাস্তবায়নের বিরোধিতা করেছিলেন।’’ শাহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে বলেন, ‘‘মোদি ক্ষমতায় এসে ওবিসিদের ২৭ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছেন।  অনগ্রসর শ্রেণির জন্য একটি জাতীয় কমিশন (এনসিবিসি) গঠন করেছেন।’’

    বিজেপি সরকার হলে দুর্নীতিবাজদের কারাগারে ভরা হবে

    ইন্ডি জোটকে আক্রমণ শানিয়ে শাহ বলেন, “ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) জেএমএম, কংগ্রেস এবং আরজেডি সরকার দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার।” তিনি (Amit Shah) বলেন, ‘‘আমরা রাজ্যে বিজেপি সরকার আনার আবেদন করতে এসেছি, কারণ বর্তমান রাজ্য সরকার দুর্নীতিতে জর্জরিত। জেএমএম, কংগ্রেস এবং আরজেডি দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার। কেউ কি কখনও ৩০০ কোটি টাকা দেখেছেন? কংগ্রেস সাংসদের বাড়ি থেকে ৩০০ কোটি টাকার বেশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। টাকা গুনতে প্রায় ২৭টি মেশিন আনা হলেও এত বিপুল পরিমাণ টাকা গুনতে গিয়ে ওই মেশিনগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। আলমগীর আলম রাজ্য সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। এমনকী তাঁর পিএ- এর বাড়ি থেকে ৩০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। কিন্তু, হেমন্ত সোরেন বা কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেননি। এই টাকা আপনার, এটা ঝাড়খণ্ডের যুবক ও দরিদ্রদের, যা এই কংগ্রেসিরা খেয়ে ফেলেছে। আপনি যদি রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন করেন, আমরা দুর্নীতিবাজদের কারাগারের পিছনে ফেলব।’’ প্রসঙ্গত, ৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায় – ১৩ ও ২০ নভেম্বর। ২৩ নভেম্বর হবে ভোট গণনা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ঝাড়খণ্ডে বিজেপির তারকা প্রচারকের তালিকায় মোদি-শাহ-আদিত্যনাথের সঙ্গে শুভেন্দুও

    Suvendu Adhikari: ঝাড়খণ্ডে বিজেপির তারকা প্রচারকের তালিকায় মোদি-শাহ-আদিত্যনাথের সঙ্গে শুভেন্দুও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ বিজেপির নেতাদের ভিন রাজ্যের ভোটে তারকা প্রচারক হিসেবে সাধারণত ব্যবহার করা হত না। কিন্তু, ঝাড়খণ্ডের সীমানা লাগোয়া মেদিনীপুরের দাপুটে নেতাকে এবার তারকা প্রচারক হিসেবে বিধানসভা ভোটে কাজে লাগাবে পদ্মশিবির। দিল্লির নির্দেশে ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Assembly Elections 2024) প্রচার সেরেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাম্প্রতিককালে বঙ্গ বিজেপি-র প্রথম কোনও নেতা ভিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে তারকা প্রচারক হিসেবে থাকছেন।

    মোদি-শাহের সঙ্গে তালিকায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari),

    আগামী ১৩ ও ২০ নভেম্বর দু’দফায় ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় নির্বাচন হতে চলেছে। আর তার প্রচারে বিজেপির (BJP) হাইপ্রোফাইল তারকা প্রচারক তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ইউপি-র মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা-দের সঙ্গে নাম রয়েছে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। ঝাড়খণ্ডে তারকা প্রচারক হিসেবে যে ৪০ জনের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি, তাতে আছে জেএমএম থেকে আসা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের নামও।

    উপ নির্বাচনে নজর

    পশ্চিমবাংলার সীমান্তে ঝাড়খণ্ডে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসন আছে। ঝাড়খণ্ড লাগোয়া অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সংগঠন ও মানুষের সঙ্গে পরিচয়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, ২০২১ বিধানসভা ভোটের মুখে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভার ততকালীন সদস্য শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপিতে গিয়ে ক্ষমতায় আসতে না পারলেও নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। তার সুবাদে শুভেন্দুকে রাজ্যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা করে বিজেপি। শুভেন্দু এরপর বাংলায় বিজেপিকে নির্বাচনী সাফল্য এনে দিতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু লোকসভা ভোটে শুভেন্দু নিজে তাঁর পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দুটি আসনই (কাঁথি ও তমুলক) জিতে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখেন। তাঁর এই ক্যারিশ্মাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। ১৩ নভেম্বর বাংলায় ৬ আসনে বিধানসভা উপনির্বাচন। মেদিনীপুর, নৈহাটি, মাদারিহাটের পাশাপাশি শুভেন্দু ঝাড়খণ্ডে গিয়েও প্রচার করবেন। এই উপ নির্বাচনকেও খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: “এক কোটি সদস্য হলেই আমরা জিতব”, শাহি সভায় বললেন মিঠুন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হরিয়ানায় জিতেছি, ঝাড়খণ্ড-মহারাষ্ট্রেও জিতব, তার পরেই লক্ষ্য বাংলা”, প্রত্যয়ী শাহ

    Amit Shah: “হরিয়ানায় জিতেছি, ঝাড়খণ্ড-মহারাষ্ট্রেও জিতব, তার পরেই লক্ষ্য বাংলা”, প্রত্যয়ী শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালি থেকে আরজি করের মতো ঘটনা বিজেপি ক্ষমতায় এলে বন্ধ হয়ে যাবে”, প্রতিশ্রুতি অমিত শাহের (Amit Shah)। রবিবার সল্টলেকের ইজেটসিসিতে ‘সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচির সূচনা করে এমনই বার্তা দিলেন দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তৃতায় একাধিকবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, গত লোকসভা ভোটের পরে এই প্রথম বঙ্গ সফরে এসেছেন অমিত শাহ। তিনি দলের কর্মীদের স্পষ্টভাবে বলেন, “এক কোটি সদস্য সংগ্রহ করতে পারলেই বঙ্গে বিজেপি সরকার গড়বে।”

    চাকরি পেতে গেলে কাউকে টাকা দিতে হবে না (Amit Shah)

    রাজ্যে বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কর্মীদের উৎসাহ দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “আমরা হরিয়ানায় জিতেছি, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্রেও জিতব। তারপর আমাদের লক্ষ্য হবে বাংলা। মমতা দিদি বলছেন, কেন্দ্র ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছে না কিন্তু কেন্দ্র টাকা দিলে তৃণমূলের সিন্ডিকেট খেয়ে নিচ্ছে। তাই বাংলাকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে সকলে বিজেপিতে যোগদান করুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুপাচার, কয়লাপাচার বন্ধ হবে। চাকরি পেতে গেলে আর কাউকে টাকা দিতে হবে না। অপরাধের রাজত্ব বন্ধ হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “মমতাকে উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন, অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব”, বললেন অমিত শাহ

    সরকার গড়া আরও নিশ্চিত হবে

    ইন্ডিজোটকেও নিশানা করেন শাহ। এই জোটেই রয়েছে তৃণমূলও। তিনি (Amit Shah) বলেন, “ইউপিএ সরকারের তুলনায় বিজেপি সব ক্ষেত্রে বাজেট এবং অনুদান বৃদ্ধি করেছে। লোকসভায় বিজেপি কয়েকটি আসন কম পাওয়ায় মমতাদি খুব খুশি হয়েছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, বিজেপি সেই দল যারা ২ থেকে ২৭০ আসনে পৌঁছেছে।” এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও। দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত এই অভিনেতা বলেন, “রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা চরম শিখরে। লোকসভার ফলে আমাদের কিছু আসন কমেছে ঠিকই, কিন্তু সদস্য সংখ্যা ১ কোটি হলে বিজেপির সরকার গড়া আরও নিশ্চিত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NDA: “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে এনডিএ”, দাবি জিতন রামের

    NDA: “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে এনডিএ”, দাবি জিতন রামের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে এনডিএ (NDA)।” এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঝি (Jitan Ram Manjhi)। তিনি বলেন, “ইন্ডি জোট যখন জোটের বাঁধন মজবুত করতেই ব্যস্ত, তখন বিজেপি জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে। প্রচারও শুরু করে দিয়েছে।”

    ‘এনডিএ সরকার গড়বে’ (NDA)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চা (হাম) নেতা বলেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই এনডিএ সরকার গড়বে। আমাদের এনডিএতে সব কিছুই একটা স্ল্যাবে হয়ে যায়। অথচ ইন্ডি জোটে এখনও আলোচনা চলছে। শুরুতেই যদি তারা এটা করে, তার অর্থ হল, তারা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।” 

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী সীতা সোরেন

    ঝাড়খণ্ডের বিজেপি নেত্রী সীতা সোরেনও ২০ অক্টোবর দাবি করেছিলেন, পরিবর্তন আনতে ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে বিজেপি। তিনি বলেন, “দল আমার ওপর আস্থা রেখেছে। জামতাড়া আসনে প্রার্থীও করেছে। সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে জিততে আমি কঠোর পরিশ্রম করব। ঝাড়খণ্ডবাসী বিজেপি সরকারকেই (NDA) পছন্দ করবেন।”

    সীতা আরও বলেন, “রাজ্যের বর্তমান সরকার কেবল দুর্নীতি এবং অপরাধ করেই চলেছে। রাজ্যের সব প্রধান শহরে দিনের আলোয় চলছে অপরাধমূলক কাজকর্ম। আমাদের সরকার রাজ্যের ক্ষমতায় আসবে এবং পরিবর্তন আনবে।” তিনি বলেন, “প্রথমে তারা (শাসক দল) যুবকদের ব্যবহার করেছিল। এখন তারা ‘মাইয়া সম্মান যোজনা’র মাধ্যমে মহিলাদের ভোলাতে চাইছে। ডিসেম্বরের পরে এই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। মহিলাদের অ্যাকাউন্টে কেবল তিন মাস পয়সা জমা হবে।”

    আরও পড়ুন: ২০৩০ সালেই ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, ইঙ্গিত এস অ্যান্ড পি-র

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    সীতা রাজ্যের শাসক দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি হেমন্ত সোরেনের প্রয়াত দাদার স্ত্রী। গত ১৯ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন সীতা। লোকসভা নির্বাচনে দুমকায় প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। হেরে যান। এবার তাঁকেই জামতাড়ায় প্রার্থী করেছে পদ্মশিবির। প্রসঙ্গত, শনিবারই বিজেপি ঝাড়খণ্ডে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় নাম রয়েছে ৬৬ জন প্রার্থীর। বিজেপির এই তালিকায় (Jitan Ram Manjhi) ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন এবং বাবুলাল মারান্ডির নামও রয়েছে (NDA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Election: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    Jharkhand Assembly Election: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আসনরফা চূড়ান্ত করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। শুক্রবার তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মোট ৮১টি আসনের মধ্যে সিংহভাগ কেন্দ্রেই লড়বেন বিজেপি প্রার্থীরা। ভোট যুদ্ধে সংগ্রামের জন্য বিজেপির আসন সংখ্য়া ৬৮। তবে, প্রাথমিকভাবে এদিন প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে দেওয়া হলেও তাতে প্রয়োজনে বদল আনা হতে পারে।

    কে কত আসনে লড়বে

    বিজেপির তরফে যে আসনরফা ঘোষণা করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, আগের বারের তুলনায় এবার গেরুয়া শিবির ১১টি কম আসনে লড়বে। ৮১ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রার্থী দেবে ৬৮টিতে। ১০টি আসন ছাড়া হচ্ছে জোট সঙ্গী অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্ট ইউনিয়ন অর্থাৎ আজসুর জন্য। বিহার লাগোয়া ঝাড়খণ্ডে বিহারের দুই জোটসঙ্গী জেডিইউ এবং এলজেপি রামবিলাসকেও জায়গা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। নীতীশ কুমারের দল লড়বে দুই আসনে। একটি আসনে লড়বে চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি (রামবিলাস)। গত মঙ্গলবারই ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই অনুসারে, দুই দফায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১৩ নভেম্বর। আর, দ্বিতীয় দফার ভোট হবে আগামী ২০ নভেম্বর।

    আসন-রফা নিয়ে সহমত জোট শরিকেরা

    এদিন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা উপলক্ষে রাঁচিতে অবস্থিত রাজ্য বিজেপির সদর কার্যালয়ে একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সেই বৈঠকে বিজেপির পাশাপাশি আজসুর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আসন ভাগাভাগি নিয়ে সকলে সহমত হয়েছি। সেই অনুসারে, স্থির করা হয়েছে, আজসু ১০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জেডিইউ লড়াই করবে দু’টি আসন থেকে। আর এলজিপি প্রার্থী দেবে একটি আসনে। বাকি সবক’টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা ভোটে লড়বেন।’’ প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের অন্যতম হলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পাশেই ছিলেন আজসু প্রধান সুদেশ মাহাত। সেইসঙ্গে, ঝাড়খণ্ডে এনডিএ-র অন্য়ান্য শরিকদলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Election Commission: নভেম্বরেই ভোট মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে,  নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: নভেম্বরেই ভোট মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে, নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নভেম্বরেই মহারাষ্ট্রে এক এবং ঝাড়খণ্ডে দু’দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে। মঙ্গলবার দুই রাজ্যে ভোটের দিন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ছয় কেন্দ্রে উপনির্বাচনের (Byelection) দিনও ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, মহারাষ্ট্রে একটি দফায় নির্বাচন হবে আগামী ২০ নভেম্বর। ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোট হবে দুই দফায়। ১৮ এবং ২০ নভেম্বর হবে নির্বাচন। দুই রাজ্যেই ফলপ্রকাশ হবে ২৩ নভেম্বর। 

    রাজ্যেও ভোটের বাজনা

    মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ড বিধানসভার সঙ্গে মোট ১৫টি রাজ্যের ৪৮ বিধানসভা ও দু’টি লোকসভা আসনেও উপনির্বাচন হবে নভেম্বরেই। এদিন সেই ঘোষণাও করে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ৪৭টি বিধানসভা এবং কেরলের একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন (Byelection) হবে আগামী ১৩ নভেম্বর। উত্তরাখণ্ডের একটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং মহারাষ্ট্রের একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে আগামী ২০ নভেম্বর। লোকসভা ভোটের পর থেকে বিধায়কশূন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্র। নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর, তালড্যাংরা, মাদারিহাট এবং সিতাইয়ে ১৩ নভেম্বর উপনির্বাচন হবে। পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেনি কমিশন। যে ছ’টি আসনে উপনির্বাচন (Byelection) হবে তার মধ্যে বিজেপি ২০২১ সালে জিতেছিল একটিতে। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা সাংসদ হওয়ায় সেই আসনে ভোটগ্রহণ হবে। সিতাই আসন ছেড়ে তৃণমূলের সাংসদ হয়েছেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বাসুনিয়া। নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক বারাকপুরের সাংসদ হয়েছেন, মেদিনীপুর এবং তালড্যাংড়া আসন এখন শূন্য রয়েছে যথাক্রমে জুন মালিয়া এবং অরূপ চক্রবর্তী সাংসদ হওয়ায়।

    শান্তিপূর্ণ ভোট দানের আহ্বান

    বছরের শেষে বিধানসভা নির্বাচন মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে ৷ সম্প্রতি এই দু’টি রাজ্যই রাজনৈতিক ওঠাপড়ার সাক্ষী থেকেছে ৷ ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। মহারাষ্ট্রে মোট বুথের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৮৬। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ৩৮৮। মোট ভোটারের সংখ্যা ৯ কোটি ৬৩ লক্ষ। ৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি। ঝাড়খণ্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ৬ লক্ষ। কমিশনের (Election Commission) তরফে বলা হয়, মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের বহু বাসিন্দা অন্য রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তাঁরা যাতে ভোট দিতে নিজেদের রাজ্য আসতে পারেন সেই কথা মাথায় রেখেই নভেন্বরের মাঝামাঝি সময় বিধানসভার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। রাজীব বলেন, নির্বাচন উৎসব। এতে সকল নাগরিককে শামিল হওয়ার ডাক দেন তিনি। প্রচারের সময় আইন যাতে লঙ্ঘিত না হয়, সে দিকেও নজর রাখার কথা বলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুপ্রবেশে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি, আশ্বাস বিজেপির

    BJP: অনুপ্রবেশে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি, আশ্বাস বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতায় এলে সে রাজ্যে এনআরসি করার আশ্বাস দিল বিজেপি (BJP)। ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Bangladeshi Infiltration) এখন বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে জনবিন্যাসের পরিবর্তনও দেখা গিয়েছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের কারণে। বিজেপির অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকে বরাবরই ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। তাই এই নির্বাচনে বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় এলে সে রাজ্যে এনআরসি হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডকে রক্ষা করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শিবরাজ সিং চৌহানের মতে, ‘‘অনুপ্রবেশ শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাসের পরিবর্তন করেনি, এর পাশাপাশি উপজাতিদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কাঠামোকেও তা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।’’

    কী বললেন শিবরাজ

    শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ‘‘বিজেপির (BJP) বিস্তারিত ইস্তেহার শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। তবে এই নির্বাচন শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আমাদের জমি, আমাদের কন্যা এবং আমাদের জীবিকাকে রক্ষা করতে পারি। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কারণে সাঁওতাল পরগনার জনবিন্যাসের পরিবর্তন উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা সময় উপজাতিদের জনসংখ্যা ৪৪ শতাংশ ছিল, যা বর্তমানে ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। অবিরাম অনুপ্রবেশের কারণেই এটা হয়েছে।’’

    নিশানা হেমন্ত সোরেনকেও 

    এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে নিশানা করে শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেন, ‘‘ভোট ব্যাঙ্কের লোভে সোরেন সরকার আধার কার্ড থেকে শুরু করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা, সবটাই করে দিয়েছে এদের। অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Infiltration) আমাদের জমি দখল করছে, আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করে তাদের শোষণ করছে এবং আমাদের মেয়েদের নির্মমভাবে হত্যা করছে।’’ প্রসঙ্গত, গত মাসে ঝাড়খণ্ড সফরের সময় প্রায় একই ধরনের কথা বলতে শোনা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও এবং তিনিও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: তত্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং, রুদ ফরেস্ট..লাতেহার জুড়ে প্রকৃতির অজস্র হাতছানি

    Jharkhand: তত্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং, রুদ ফরেস্ট..লাতেহার জুড়ে প্রকৃতির অজস্র হাতছানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু অসামান্য সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান, যেগুলির খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এর মধ্যে অন্যতম হল তপ্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং (Jharkhand)। স্থানীয় ভাষায় তত্তপানি কথার অর্থ গরম জল। অনেকেই মনে করেন, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশ্রিত থাকার কারণে এই জলে স্নান করলে বহু রোগব্যাধির নিরাময় হয়। বেতলা অরণ্যের খুব কাছেই এই ওয়াটার স্প্রিং। বেতলা থেকে ৩০-৩৫ কিমি দূরে বারেসাদের পথে মারোমার হয়ে ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পথ গিয়েছে কোয়েল নদীর দিকে। এই পথেই পড়বে আর একটি অপূর্ব সুন্দর স্থান “আকশি” (Tourist attractions)। একটু এগিয়ে কোয়েল নদীর তীরে রয়েছে উলফ স্যাংচুয়ারি। সম্পূর্ণ অঞ্চলটাই শাল, পলাশ, পিয়াল, মহুয়া গাছের অরণ্যে ঘেরা।

    ঘন জঙ্গলে ঢাকা স্থান কেঁড় (Jharkhand)

    এখানকার আর একটি অপরূপ সুন্দর স্থান হল কেঁড়। বেতলা থেকে মহুয়াডার হয়ে নেতারহাট যাওয়ার পথেই চারদিকে ঘন জঙ্গলে ঢাকা স্থান এই কেঁড়। কেঁড়ের খুব কাছেই আরও একটি অপূর্ব সুন্দর স্থান “পরেশ টোলা”। এখান থেকে আবার খুব কাছেই রয়েছে এমন একটি অপূর্ব সুন্দর অরণ্য, যার খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এই অরণ্যর নাম “রুদ ফরেস্ট”। বেতলা থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিমি দূরে গাড়ু। গাড়ু থেকে আরও প্রায় ২৫-৩০ কিমি দূরে এই রুদ ফরেস্ট। চতুর্দিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের শ্রেণি, নিবিড় অরণ্য, নদী, ছোট ছোট ঝর্ণা, অনাবিল সবুজে ঢাকা পরিবেশ, আর আদিবাসী মানুষজনের অকৃত্রিম সারল্য যে কোনও পর্যটককে মুগ্ধ করবেই।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    লাতেহারের (Jharkhand) এইসব স্পটগুলিতে আসতে হলে প্রথমে আসতে হবে ডাল্টনগঞ্জ অথবা তার আগের স্টেশন বারাওডি। হাওড়া থেকে আসছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন।ডাল্টনগঞ্জ থেকে বেতলার দূরত্ব প্রায় ২৪ এবং বারাওডি প্রায় ১৬ কিমি। এটুকু পথ যেতে হবে গাড়িতে। বর্তমানে এই স্থানগুলিতে গড়ে তোলা হয়েছে বনবাংলো। বুকিং-এর জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ সাউথ ফরেস্ট ডিভিশন, পালামৌ-৮২২১০১, অথবা ফোন করতে পারেন ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে। আর জঙ্গল সাফারি, গাড়ি প্রভৃতির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • NRC: “এনআরসি হবেই, নাম না থাকলে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে”, বললেন হিমন্ত

    NRC: “এনআরসি হবেই, নাম না থাকলে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এনআরসি(NRC) চালু হবে বলে ঠিক চারদিন আগে আশ্বাস দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। চারদিন পরে আজ শনিবার একই কথা বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

    কী বলেছিলেন শিবরাজ (NRC)

    শিবরাজ বলেছিলেন, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এ দেশে এসে আধার কার্ড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি করে ফেলছে। ভোটার কার্ডও তৈরি হচ্ছে। সেসব রুখতেই রাজ্যে এনআরসি চালু করবে বিজেপি। আর এদিন হিমন্ত বললেন, “এনআরসি হবে। তাতে যাদের নাম থাকবে না, তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর জেরে বদলে যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাস।”

    কী বললেন হিমন্ত

    সে প্রসঙ্গেই এক প্রশ্নের উত্তরে হিমন্ত বলেন, “এনআরসি হবেই। তাতে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে না, তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এটাই আমাদের নীতি।” তিনি বলেন, “এনআরসি কার্যকর হলে সবাইকে তাদের বক্তব্য এবং নথি পেশ করার সুযোগ দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এবং আপনি যদি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আমরা আইনি পদ্ধতির মাধ্যমে আপনাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব।” হিমন্ত বলেন, “অসমে আমরা ১৪ লাখ লোককে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছি, যারা ভারতীয় নয়।”

    আরও পড়ুন: “এত ঔদ্ধত্য”! রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিলেন ভাবিকা মঙ্গলানন্দন

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অসমে আমাদের একটি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করেছি, যাতে এটা আর একবার করতে পারি। যদি সুপ্রিম কোর্ট আমাদের দ্বিতীয়বার সংশোধনের অনুমতি দেয়, তবে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে (NRC)।” বিজেপির অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা, পাকুড়, দেওঘর, জামতাড়া, সাহেবগঞ্জের মতো জেলায় বাড়ছে অনুপ্রবেশ। যার ফলে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস। ঝাড়খণ্ড যখন বিহার থেকে আলাদা হল তখন এর জনসংখ্যার ৩৬ শতাংশ ছিল আদিবাসী। এখন সেটা কমে গিয়ে হয়েছে ২৪ শতাংশ। সেই কারণেই অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। আর তা করতে গিয়েই এনআরসি (NRC) চালু করতে চায় বিজেপি (Himanta Biswa Sarma)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

     

LinkedIn
Share