Tag: Jharkhand

Jharkhand

  • PM Modi: “মানুষের চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করছি”, ঝাড়খণ্ডে বললেন মোদি

    PM Modi: “মানুষের চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করছি”, ঝাড়খণ্ডে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানুষের কাছ থেকে চুরি করা টাকা উদ্ধার করছি আমি ও আমার সরকার।” সোমবার ঝাড়খণ্ডে ইডি বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ওড়িশার নবরঙ্গপুরে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অবধারিতভাবেই উঠে আসে ঝাড়খণ্ডে নগদ টাকা উদ্ধারের প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ (সোমবার) ঝাড়খণ্ডে টাকার পাহাড়ের খোঁজ মিলেছে। মোদি জনগণের চুরি যাওয়া এই টাকা উদ্ধার করছে। যখনই আমি এই লুট বন্ধের চেষ্টা করি, কিছু লোক আমায় গালাগালি দেয়। কিন্তু আপনারা আমায় বলুন, মোদির কি এভাবে আপনাদের টাকা উদ্ধার করা উচিত নয়?”

    রাঁচিতে হানা ইডির (PM Modi)

    এদিনই রাঁচির একাধিক জায়গায় হানা দেয় ইডি। বাজেয়াপ্ত করে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। সব (PM Modi) মিলিয়ে টাকার পরিমাণ প্রায় ২০ কোটি টাকা। ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী আলমগির আলমের পিএ সঞ্জীব লালের সহায়তায় ওই টাকা উদ্ধার করে ইডি। বছর সত্তরের আলমগির কংগ্রেস নেতা। তিনি ঝাড়খণ্ডের রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী। পাকুড় কেন্দ্রের বিধায়ক।

    আরও পড়ুুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    কংগ্রেসকে নিশানা

    তাঁর সরকার যে দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করবে না, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই সরকার (মোদি সরকার) দুর্নীতিগ্রস্তদের গারদে পুরবে।” প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, “কংগ্রেস দুর্নীতিকে জলভাত করে ফেলেছে। চল্লিশ বছর আগে একজন প্রধানমন্ত্রী ওড়িশায় এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি যদি দিল্লি থেকে এক টাকা পাঠান, গরিবদের কাছে পৌঁছায় তার মাত্র ১৫ পয়সা। এর অর্থ হল, একশো পয়সার মধ্যে ৮৫ পয়সা লুট হয়েছিল কংগ্রেসের হাতে।” খানিক আবেগ-তাড়িত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা এই দরিদ্র মায়ের সন্তানকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, আমি যদি একটা টাকাও পাঠাই (কেন্দ্র থেকে), আমি কাউকে সেই টাকার এক কানাকড়িও খেতে দেব না। আর যে খাবে, তাকে জেলের ভিতরে গিয়ে রুটিও চিবোতে হবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jharkhand ED Raid: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    Jharkhand ED Raid: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) কংগ্রেসের (Congress) গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবের পরিচারকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল টাকার পাহাড়। ইডির (ED Raid) অভিযানে কমপক্ষে ২৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া নগদ গণনার কাজ চলছে।

    কেন তল্লাশি

    জানা গিয়েছে রাঁচি (Ranchi) শহরের একাধিক জায়গায় রবিবার তল্লাশি চালানো হয়। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের রাঁচি এলাকা আজমগড়ের (Azamgarh) বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ২০২৩ সালে প্রথম টেন্ডার দুর্নীতি (Jharkhand Tender Scam) মামলায় অভিযান চালায়। এই মামলাতেই ঝাড়খণ্ডের গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী আলমগির আলমের (MLA Alamgir Alam) আপ্তসহায়ক সঞ্জীব লালের পরিচারকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে বিপুল পরিমাণ নগদ। ঝাড়খণ্ডের মোট ন’টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুনঃ “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    কোন মামলায় তদন্ত

    ২০২৩ সালে টেন্ডার দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গ্রামোউন্নয়ন দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বীরেন্দ্র রামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি আধিকারিকরা। এবার এই মামলার গ্রেফতার হলেন সঞ্জীব লাল। ভোটের আবহে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তোলপাড় হয়েছে জাতীয় রাজনীতি। প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি শিবির। ঝাড়খণ্ডের বিজেপি মুখপাত্র প্রতুল সাহু বলেন, “রাজ্যে দুর্নীতির শেষ নেই। এই পরিমাণ নগদ উদ্ধারের ঘটনা ইঙ্গিত দেয় চলমান লোকসভা নির্বাচনে তারা এই টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের উচিত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।”

    আলমগির আলমের পরিচয়

    আলমগির আলম ঝাড়খণ্ডের পাকুর বিধানসভা থেকে চারবারের কংগ্রেসের বিধায়ক। ঝাড়খন্ড সরকারের তিনি সংসদীয় বিভাগ ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঝাড়খণ্ড বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন। নিজের রাজনৈতিক জীবন পঞ্চায়েত প্রধান (সরপঞ্চ) হিসেবে শুরু করেছিলেন। তিনি ২০০০ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত গত বছরের ডিসেম্বরে ঝাড়খণ্ডে প্রচুর মাত্রায় টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ এবং ব্যবসায়ী ধীরাজ সাহুর বেশ কয়েকটি ঠিকানা থেকে ইনকাম ট্যাক্স ৩৫০ কোটি টাকার বেশি নগদ বাজেয়াপ্ত করেছিল। ধীরাজ জানিয়েছিলেন, “যে পরিমাণ নগদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে তা তাঁর মদের ব্যবসার টাকা। কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে এই টাকার কোন সম্পর্ক নেই।” এই ঘটনার এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের ঝারখন থেকে বাজেয়াপ্ত হল টাকার পাহাড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে মাও দমনে বিরাট সাফল্য, গ্রেফতার এক, আত্মসমর্পণ ১৫

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে মাও দমনে বিরাট সাফল্য, গ্রেফতার এক, আত্মসমর্পণ ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ঝাড়খন্ডে লোকসভা ভোট। এবার তার আগে বৃহস্পতিবার ১৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করল। জানা গিয়েছে, এই ধৃত মাওবাদীরা সকলে মাওবাদী নেতা মিসির বেসরার সঙ্গে সম্পর্কিত। আবার এদিন আরও একটি সরকারি বিবৃতি জারি করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, ঝাড়খন্ড (Jharkhand) ও আসামে অভিযান চালিয়ে নকশাল গোষ্ঠীর পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PLFI) এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোটের আগে এটা নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরাট সাফল্য।

    এনআইএ সূত্রে খবর

    এনআইএ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “বুধবার ঝাড়খন্ড ও আসামের দুটি স্থানে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় এনআইএ তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। তার মধ্যে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) খুন্তি জেলা থেকে বিনোদ মুন্ডা ওরফে সুখওয়া নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এনআইএ (NIA) তল্লাশির সময় পিএলএফআই (PLFI) সম্পর্কিত নথি সহ দুটি ওয়াকি টকি, পাঁচটি মোবাইল, সিম কার্ড এবং ১১ হাজার নগদ টাকা সহ অনেকগুলি অপরাধে ব্যবহার করা যায় এমন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। এর আগে ৩ লাখ টাকা, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ দুই অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছিল এই জেলা থেকেই।”

    তোলাবাজির মাধ্যমে টাকা আদায় চলত

    এখনও পর্যন্ত এনআইএ (NIA) যতদূর তল্লাশি করেছে তার ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, পিএলএফআই (PLFI) সদস্য এবং ক্যাডাররা ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), বিহার, ছত্তিশগড় এবং ওড়িশার বিভিন্ন কয়লা ব্যবসায়ী, পরিবহনকারী, রেল ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলাবাজির মাধ্যমে নিজেদের তহবিল ভর্তির কাজে জড়িত ছিল। নিরাপত্তা রক্ষীরা অনেক দিন ধরেই সতর্ক ছিল।

    আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    মাওবাদী দমননীতি অব্যাহত

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) পশ্চিম সিংভূম জেলায় কয়েক দশক ধরে পিএলএফআই (PLFI) সদস্যরা নাশকতামূলক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। মাও আশ্রিত কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল ছিল এই জেলা। সেখানে বর্তমানেও সিপিআই মাওবাদীদের কিছু অবশিষ্ট গোপন আস্তানা রয়ে গেছে, যেখান থেকে দেশবিরোধী কাজ করা হয়। ফলে পিএলএফআই (PLFI) মামলা সম্পর্কিত বাকি তদন্ত এখনও অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: ন’বার সমন এড়ানোর পর হেমন্ত সোরেনের দিল্লির বাড়িতেই ইডি

    Hemant Soren: ন’বার সমন এড়ানোর পর হেমন্ত সোরেনের দিল্লির বাড়িতেই ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দুর্নীতিতে আর্থিক তছরুপের মামলায় ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) বাড়িতে ইডি হানা। ইডি মোট ন’বার তলব করলেও প্রতি বারই তা এড়িয়ে গিয়েছেন হেমন্ত। এবার তাঁর দিল্লির বাড়িতে পৌঁছে গেলেন ইডির (ED) আধিকারিকেরা। সোমবার সকালে বেশ কয়েক জন ইডি আধিকারিককে হেমন্তের বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায়।

    কেন ইডি হানা

    ঝাড়খণ্ডের শাসক দল জেএমএম সূত্রে খবর, বর্তমানে দিল্লিতেই রয়েছেন শিবু সোরেনের পুত্র হেমন্ত (Hemant Soren)। এর আগে তাঁর রাঁচীর বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি (ED)। দুইদিন আগেই তাঁকে সমনও পাঠায়ে ইডি। এর আগে নয়বার সমন পাঠানো হলেও, প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়েছেন হেমন্ত সোরেন। গত ২৭ জানুয়ারিই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে সমন পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই সপ্তাহেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি বা ৩১ জানুয়ারি-এই দুই দিনের মধ্যে কবে তিনি হাজিরা দিতে পারবেন, সে সম্পর্কে জানতে চায় ইডি। মুখ্যমন্ত্রী সেই প্রশ্নের জবাব না দিলেও, আজ ২৯ জানুয়ারি সাতসকালেই হেমন্ত সোরেনের দিল্লির বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: আরও আধুনিক মেট্রো! কলকাতায় চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ট্রায়াল রান সফল

    ইডির দাবি

    চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি প্রথমবার হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) বয়ান রেকর্ড করা হয়। ওই দিন মুখ্য়মন্ত্রীর রাঁচীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল তদন্তকারী দল। প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চলে। সেই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় হেমন্ত সোরেনকে। আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের অধীনে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। ইডির (ED) বক্তব্য, রাঁচীতে ৭.১৬ একর একটি জমির মালিকানার বিষয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু প্রশ্ন করতে চায় তারা। অভিযোগ উঠেছে, ওই জমি বেআইনি ভাবে দখল করা হয়েছে। আদতে সেটা সেনার জমি ছিল। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ‘অস্পষ্ট’ বলে দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জমি ‘দুর্নীতি’কাণ্ডে ইতিমধ্যে ১৪ জন গ্রেফতার হয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maoist Attack: ঝাড়খণ্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিল মাওবাদীরা, ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    Maoist Attack: ঝাড়খণ্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিল মাওবাদীরা, ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিল মাওবাদীরা (Maoist Attack)। এর জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে হাওড়া-মুম্বই শাখায় ট্রেন চলাচল। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ ঝাড়খণ্ডের গোইলকেরা এবং মনোহরপুর স্টেশনের মাঝে রেললাইনের বেশ খানিকটা অংশ বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা (Maoist Attack)। ঠিক তার পাশের লাইন দিয়ে যাচ্ছিল একটি মালগাড়ি। মালগাড়ির চালক বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় স্টেশন ম্যানেজারকে সতর্ক করে দেন।

    বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারত আপ শালিমার-কুরলা এক্সপ্রেস

    সেই সময়ে ওই ট্র্যাক দিয়ে যাওয়ার কথা আপ শালিমার-কুরলা এক্সপ্রেসের। খুব স্বাভাবিকভাবেই এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হত ওই এক্সপ্রেসকে। খবর পাওয়া মাত্রই গোইলকেরা স্টেশনে শালিমার কুরলা আপ-এক্সপ্রেস কে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি রেলের শীর্ষ আধিকারিকদের খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেলের সুরক্ষা বাহিনী ও রেলের উচ্চপদস্থ পদাধিকারীরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার বাইশে ডিসেম্বর ভারত বনধ-এর ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা (Maoist Attack)। তার আগেই এমন ঘটনা ঘটল ঠিক ২১ ডিসেম্বরের রাতে। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকেই একটি মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “ভোটের আগে ললিপপ”! চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    কী বলছে প্রশাসন? 

    শুক্রবার এই ঘটনার পরেই বেশ কয়েকটি ট্রেনকে রাতেই অন্যান্য স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। যেমন, মনোহরপুরে পোরবন্দর শালিমার এক্সপ্রেস, জগদলপুর হাওড়া এক্সপ্রেস, গোইলকেরায় শালিমার এলটিটি এক্সপ্রেস, রৌরকেল্লায় পুনে হাওড়া এক্সপ্রেস, চক্রধরপুরে (Maoist Attack) হাওড়া সিএসএমটি এক্সপ্রেসকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। সিংভূমের পুলিশ সুপার আশুতোষ শেখর বলেন, “ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকে রেলওয়ে ট্র্যাক মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই ট্রেন পরিষেবা ফের চালু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাওবাদীরা ওই এলাকায় ব্যানার এবং পোস্টারও ফেলে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য! ভেঙে পড়তে পারে দুই রাজ্যের সংযোগকারী সেতু, হুঁশ নেই প্রশাসনের

    Birbhum: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য! ভেঙে পড়তে পারে দুই রাজ্যের সংযোগকারী সেতু, হুঁশ নেই প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করেই বীরভূম (Birbhum) জেলায় ঝাড়খন্ড লাগোয়া সেতুর কাছেই নদী থেকে অবাধে চলছে বালি উত্তোলন। ফলে, ফাঁকা হয়ে গিয়েছে সেতুর পিলারের নিচের অংশ। পিলারের তলা থেকে বালি ও মাটি সরে যাওয়ায় বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বাংলা ও ঝাড়খন্ডের সংযোগকারী সেতু। সেতুটি ভেঙ্গে পড়লে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে যেকোনও সময় সেতুটি ভেঙ্গে পড়ার আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।

    প্রতিদিন নদী থেকে কত গাড়ি বালি তোলা হয়? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শালবুনি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ব্রাহ্মনী নদী। নদীর ওপারে ঝাড়খন্ডের পাকুড় জেলার পাখুড়িয়া থানার বেড়াশিমপুর গ্রাম। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ঝাড়খন্ডের যোগাযোগ করার জন্য ব্রাহ্মনী নদীর উপর গড়ে তোলা হয়েছে ব্রাহ্মনী সেতু। সেতু নির্মাণের সময় থেকেই দুই রাজ্যের প্রশাসন পক্ষ থেকে সেতুর দুই পাশে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী বক্ষ থেকে বালি ও মাটি তোলার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু, সেই নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে অবাধে চলছে বালি উত্তোলন। এলাকাবাসীদের দাবী প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার থেকে ১২০০ ট্রাক্টর বালি তোলে মাফিয়ারা। ব্রাহ্মনী নদীর সেই বালি পাচার হচ্ছে রামপুরহাটের বিভিন্ন এলাকায়। দিনের বেলায় প্রকাশ্য দিবালোকে বালি মাফিয়াদের রমরমা থাকলেও রাতের অন্ধকারে তাদের দাপট আরও বেড়ে যায়। বড় বড় ডাম্পারে করে রামপুরহাট থানার শালবুনী থেকে নারায়ণপুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে বালি বোঝায় গাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সেতুর কাছে থেকে বালি তুলতে বারণ করলেও আমাদের কথায় আমল দেয় না বালি মাফিয়ারা। উল্টে তাদের রক্তচক্ষুর শিকার হতে হয়। এরাজ্যের বালি মাফিয়াদের এতটাই দাপট যে তারা ঝাড়খন্ডের পুলিশের উপরেও চড়াও হতে পিছু পা হয় না। সেতুর কাছ থেকে বালি তোলা রুখতে আসা ঝাড়খন্ডের পাখুরীয়া থানার ওসির উপরেও বীরভূমের (Birbhum) শালবুনী এলাকার বালি মাফিয়ারা চড়াও হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে বালি মাফিয়াদের দাপটে মুখ বুজে থাকতে হয় আমাদের। তাছাড়া মাফিয়াদের পিছনে শাসকদলের মদত রয়েছে। ফলে, জেলার পুলিশও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভয় পায়। আমাদের দাবি, দুই রাজ্যের প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ করে সেতুটিকে রক্ষা করুক।

    স্থানীয় বিধায়ক কী বললেন?

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নদী থেকে বালি তোলার বিষয়টি  আমি জানি। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। নাহলে সেতুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সব স্তরে জানাব। প্রয়োজনে সেচমন্ত্রীকে বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Mines death: ফের কয়লা খনিতে ধস, রানীগঞ্জের পর ধানবাদে মৃত্যু ২, কাঠগড়ায় ইসিএল

    Coal Mines death: ফের কয়লা খনিতে ধস, রানীগঞ্জের পর ধানবাদে মৃত্যু ২, কাঠগড়ায় ইসিএল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানীগঞ্জে কয়লা খনিতে ধসের ঘটনার পর, এবার ফের ধানবাদের কয়লা খনিতে ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু (Coal Mines death) হয়েছে ২ জনের। সোমবার ধানবাদের ইসিএলের কয়লা খনিতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এলাকার মুগমা এরিয়ার কাপাসারা খোলামুখ খনিতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে আরও জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে একজনের নাম যমুনা রাজবংশী। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায় নি। আশঙ্কা করা হচ্ছে আরও কিছু মানুষ হয়তো নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন। এই ঘটনায় ইসিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কর্তব্যে গাফলতির অভিযোগে তুলে এলাকার মানুষ, মৃতদের পরিবারে জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন ইসিএলের কাছে। উল্লেখ্য গত জুন মাসেও নিরসাতে বিসিসিএলের খোলামুখ কয়লা খনিতে পাঁচজন মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। 

    ধস নেমেছিল রানীগঞ্জেও (Coal Mines death)

    গত বুধবার, রানীগঞ্জের ইসিএল কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি এলাকায় ধস নেমেছিল বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছু মানুষ সেখানে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। পরে সেখান থেকে মোট তিন জনের মৃতদেহ (Coal Mines death) উদ্ধার হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল, খনির দেওয়াল ফুটো করে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে চাপা পড়ে এই বিপত্তি ঘটে। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছান বিজেপি বিধায়ক আগ্নিমিত্রা পাল। তিনিও প্রশাসনের অব্যবস্থার দিকে আঙুল তোলেন। এই ঘটনার রেস কাটতে না কাটতেই ফের বিপত্তি ঘটল ধানবাদে।

    প্রশাসনের ভূমিকা?

    এই ইসিএলের খোলামুখ খনিটি ঝাড়খণ্ড পুলিশ প্রশাসনের অধীনে। ধসের পর উদ্ধার কাজের জন্য, ইসিএল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসন দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেনি বলে, অভিযোগ করেন বিজেপি বিধায়ক অপর্ণা সেনগুপ্ত। এই খনিকে প্রশাসন পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে দিয়েছিল বহুদিন। এখানে কোনও নিরাপত্তা ছিল না, আর তার ফলেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে (Coal Mine death)। অপর দিকে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও এই মৃত্যুর জন্য কাঠগাড়ায় তুলেছেন ইসিএল কর্তৃপক্ষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন হেমন্তের ভাই বসন্ত সোরেন

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন হেমন্তের ভাই বসন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আটজন বিধায়ককে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করলেন ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) নয়া মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন। এদের মধ্যে পাঁচজন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) এবং তিনজন কংগ্রেসের। মন্ত্রী হয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ভাই বসন্ত সোরেন (Basant Soren)। ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণন শুক্রবার এই আট বিধায়ককে মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করান।

    নতুন মন্ত্রী কারা

    ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে, চম্পাই সোরেন (Champai Soren) শুক্রবার (16 ফেব্রুয়ারি) আটজন বিধায়ককে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে তার মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেছেন। শপথ গ্রহণকারী কংগ্রেস বিধায়করা হলেন রামেশ্বর উরানভ, বান্না গুপ্ত এবং বাদল পাত্রলেখ। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা থেকে মিথিলেশ ঠাকুর, দীপক বড়ুয়া, বসন্ত সোরেন, হাফিজুল হাসান এবং বেবি দেবী শপথ নিয়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল বসন্ত সোরেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং জেএমএম সভাপতি শিবু সোরেনের ছেলে এবং ঝাড়খণ্ডের আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ছোট ভাই। ৫ ফেব্রুয়ারি আস্থা ভোটের আগে, রাজভবনে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে কংগ্রেসের আলমগীর আলম এবং আরজেডি-র সত্যানন্দ ভোক্তা ও চম্পাই সোরেন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    বসন্তের রাজনৈতিক জীবন

    বসন্ত সোরেন দুমকার বিধায়ক। তিনি ২০২০ সালের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী এবং প্রাক্তন মন্ত্রী লুইস মারান্ডিকে পরাজিত করে ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় নির্বাচিত হন। এই প্রথম তিনি রাজ্যের মন্ত্রী হলেন। বসন্ত সোরেনকে রাস্তা নির্মাণ, ভবন নির্মাণ ও জলসম্পদ সংক্রান্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে জেএমএম নেতৃত্বাধীন সরকার ৷ মুখ্যমন্ত্রী হন জেএমএম-এর হেমন্ত সোরেন ৷ কিন্তু কয়েকদিন আগে দুর্নীতির মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁকে গ্রেফতার করে ৷ তারপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন জেএমএম-এর চম্পাই সোরেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: হেমন্তের দিল্লির বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত গাড়ির মালিক কংগ্রেস সাংসদ, দাবি ইডির

    Hemant Soren: হেমন্তের দিল্লির বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত গাড়ির মালিক কংগ্রেস সাংসদ, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি জালিয়াতি মামলায় ধৃত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের দিল্লির বাসভবন থেকে বাজেয়াপ্ত  দামি গাড়িটি আসলে কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ শাহুর। ইডি সূত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গত বছর রাজ্যসভার কংগ্রেস সাংসদ ধীরজের বাড়ি থেকে বিপুল নগদ উদ্ধার করা হয়েছিল। ধীরজকে ওই গাড়ি প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে ইডি।

    গাড়ি আসলে কার

    ঘটনাচক্রে ধীরজ শাহুর বাড়ি, অফিস-সহ একাধিক জায়গা থেকে মাস দুয়েক আগেই সাড়ে তিনশো কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ডিসেম্বরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল অর্থ উদ্ধার করেছিল ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট। যদিও তিনি দাবি করেছিলেন, ওই বিপুল অর্থের সঙ্গে কোনও যোগ নেই কংগ্রেসের। সমগ্র টাকা উদ্ধারে ১০ দিন সময় লেগেছিল। ইডি সূত্রের দাবি, গাড়িটি কংগ্রেস সাংসদ শাহুর নামে নথিভুক্ত। কিন্তু হেমন্তের দিল্লির বাসভবনে সেই গাড়ি ছিল কেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেজন্যই জেরা করা হতে পারে ধীরজকে।

    আরও পড়ুন: ‘ভোটের গিমিক, দিশাহীন’! রাজ্য বাজেট নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বাজেয়াপ্ত গাড়ির বঙ্গ যোগ

    জমি জালিয়াতি মামলায় গত ৩১ জানুয়ারি ইডির হাতে গ্রেফতার হন হেমন্ত। ৬০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। নিজের রক্ষাকবচের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন হেমন্ত। কিন্তু শীর্ষ আদালতে গিয়েও বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।তাঁর দিল্লির বাসভবন থেকে বাজেয়াপ্ত গাড়ির সঙ্গে বঙ্গ যোগও রয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে যে গাড়ি রয়েছে, তার রেজিস্ট্রেশন করিয়েছিল কলকাতার এক ব্যবসায়ী যোগেশ আগরওয়াল। রিয়েল এস্টেট এবং মোটর প্রশিক্ষণ স্কুলের ব্যবসা রয়েছে যোগেশের। ফলে, মোটর ট্রেনিং স্কুলের আড়ালে দুর্নীতির চক্র রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের সন্দেহ এবং সেটা কী ধরনের দুর্নীতি, ইডি তা খতিয়ে দেখতে চাইছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Champai Soren: আস্থাভোটের গেরো উতরে গেল ঝাড়খণ্ডের চম্পাই সরকার, ভোট দিলেন হেমন্তও

    Champai Soren: আস্থাভোটের গেরো উতরে গেল ঝাড়খণ্ডের চম্পাই সরকার, ভোট দিলেন হেমন্তও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আস্থাভোটে জিতলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। আজ, সোমবার ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় আস্থাভোট হয়। চম্পাইয়ের পক্ষে ভোট দেন ৪৭ জন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও। দিন কয়েক আগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। আস্থাভোটে অংশ নেন হেমন্ত।

    কত ভোটে জয়

    ৪৭:২৯ ভোটে জয়ী হয় ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। আস্থাভোটে অংশ নেওয়ার জন্য চম্পাইকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তবে ঘোড়া কেনাবেচা রুখতে তিন দিনের মধ্যে আস্থাভোটে অংশ নেন চম্পাই। ঝাড়খণ্ড (Champai Soren) বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৮১। ম্যাজিক ফিগার ৪১। স্পিকার বলেন, “আস্থাভোটের পক্ষে অংশ নেন ৪৭। বিপক্ষে পড়ে ২৯টি ভোট। এভাবেই আস্থাভোট পাশ হয়েছে বিধানসভায়।”

    গ্রেফতার হেমন্ত

    জানুয়ারির ৩১ তারিখে ইডির হাতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত। জমি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিশেষ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে এদিন আস্থাভোটে অংশ নিতে আসেন তিনি। ভারতের ইতিহাসে দিনটিকে কালো অধ্যায় বলে অভিহিত করেন হেমন্ত। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৮.৫ একর জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে আমায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের যদি সাহস থাকে, তাহলে তারা আমার নামে জমির নথি দেখাক। যদি এটা প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।”

    আরও পড়ুুন: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

    পিএমএলএতে গ্রেফতার হন হেমন্ত। ২ ফেব্রুয়ারি পাঁচ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। ইডির হাতে গ্রেফতার হতে পারেন এই আশঙ্কায় মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন হেমন্ত। তাঁর জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন দলেরই চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। দলের বিধায়কদের যাতে অন্য দল ভাঙিয়ে নিতে না পারে, তাই কংগ্রেস শাসিত হায়দরাবাদে উড়িয়ে নিয়ে চলে যাওয়া হয় কংগ্রেস এবং জেএমএমের বিধায়কদের।

    চম্পাইয়ের আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল হেমন্তর স্ত্রী কল্পনাকে। তা নিয়ে অসন্তোষ দানা বাঁধে দলের অন্দরে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন হেমন্তর প্রয়াত দাদার স্ত্রীও। শেষমেশ ওই পদে বসানো হয় চম্পাইকে (Champai Soren)। উতরে যান আস্থাভোটের গেরোও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share