Tag: Jitendra Singh

Jitendra Singh

  • India’s Quantum Leap: চন্দ্রযান, ভ্যাকসিনের হাত ধরে ভারতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত

    India’s Quantum Leap: চন্দ্রযান, ভ্যাকসিনের হাত ধরে ভারতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্যাকসিন ও চন্দ্রযান এর সাফল্য বিশ্ববাসীর কাছে ভারতের বিজ্ঞানের অগ্রগতির (India’s Quantum Leap) কথা তুলে ধরেছে। রবিবার দিল্লিতে “বিজ্ঞান ভারতী”-এর নতুন অফিস ভবন উদ্বোধন করে এমনই দাবি করেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)। তিনি বলেন, ভারতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ‘ভ্যাকসিন’ ও ‘চন্দ্রযান’-এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত এখন বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়কে উৎসাহিত করেন না, বরং তা শক্তিশালী করতে পর্যাপ্ত সম্পদ ও সরকারি-বেসরকারি খাতের মধ্যে দেশে বিজ্ঞান চর্চায় সহযোগিতা করেন।

    চন্দ্রযানের সাফল্য

    এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) বলেন, ‘ভারতের বৈজ্ঞানিক (India’s Quantum Leap) মেধা ও প্রতিভা সবসময়ই ছিল, তবে যে বিষয়টি অনুপস্থিত ছিল তা ছিল রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃঢ় সংকল্প এবং অগ্রাধিকার, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে তড়তড়িয়ে এগিয়ে চলেছে।’ তিনি ‘বিজ্ঞান ভারতী’-কে অনুরোধ করেন, ইনস্পেস ও বিআরএসি’র মতো সফল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে। চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যের পর চাঁদ সংক্রান্ত ইসরোর পরবর্তী প্রকল্পেরও সময় জানান কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। চন্দ্রযান-৪ নতুন লক্ষ্য নিয়ে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে। চাঁদের মাটি থেকে সেখানকার পাথরের নমুনা সংগ্রহ করাই হবে পরবর্তী অভিযানের লক্ষ্য। ২০২৭ সালে চন্দ্রযান-৪ উৎক্ষেপণ করা হবে, জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    ভ্যাকসিন নিয়ে সবার আগে

    স্বাস্থ্য খাতে ভারতের (India’s Quantum Leap) উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)। তিনি জানান, একসময় চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব না থাকলেও এখন দেশটি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বের শীর্ষে উঠে এসেছে। তিনি ভারতের সাফল্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু উদাহরণ দেন, যেমন মহামারীর সময় প্রথম ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি, প্রথম দেশীয় এইচপিভি ভ্যাকসিনের উন্নয়ন এবং মহাকাশ প্রযুক্তিতে দ্রুত অগ্রগতি। তিনি দেশের জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ২০৭০ সালের মধ্যে নেট-জিরো নিঃসরণ অর্জনের লক্ষ্যের কথাও উল্লেখ করেন।

  • ISRO: বড় খবর! ইসরো গগনযানের মানবহীন ফ্লাইট চলতি বছরের শেষেই, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    ISRO: বড় খবর! ইসরো গগনযানের মানবহীন ফ্লাইট চলতি বছরের শেষেই, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উচ্চাভিলাষী গণনযান (Gaganyaan) মিশন নিয়ে বড় খবর সামনে এল। চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথম আনক্রুড বা মানববিহীন ফ্লাইট মহাকাশে পাঠাবে ইসরো ইসরো (ISRO)। ২০২৬ সালের মধ্যে মানুষ পাঠিয়ে নিরাপদে মহাকাশ ভ্রমণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। একই ভাবে গগনযান মিশনের অধীনে প্রোপালশন সিস্টেম, ক্রু এস্কেপ মেকানিজম এবং অরবিটাল মডিউল ইন্টিগ্রেশনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানা গিয়েছে।

    প্রশিক্ষণের তিনটি স্তরের মধ্যে দুটি পর্ব সম্পন্ন (ISRO)

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, প্রথম ক্রুড বা মানব মিশন (Gaganyaan) ২০২৬-এর চতুর্থ মাসে সম্পন্ন হবে (ISRO)। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রথম আনক্রুড মিশনটি ২০২৪ সালের শেষে সম্পন্ন করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। পরবর্তী মিশনগুলি ২০২৫ সালের তৃতীয় মাসে এবং ২০২৬ সালের প্রথম মাসে লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, “মানব যাত্রার লঞ্চ ভেহিকলের সমস্ত প্রোপালশন সিস্টেম শ্রীহরিকোটায় পৌঁছেছে। একই ভাবে মিশনের জন্য ক্রু এস্কেপ সিস্টেম লঞ্চ কমপ্লেক্সে পৌঁছেছে। এই মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের তিনটি স্তরের মধ্যে দুটি পর্ব সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ধরা পড়বে না শত্রু-রেডারে, ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হল ‘খড়্গ’ আত্মঘাতী ড্রোন

    মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার পরীক্ষণের কাজ শেষ

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) তার এলভিএম-৩ লঞ্চ ভেহিকলে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার পরীক্ষণের কাজ শেষ করেছে। এই পরীক্ষা এবং পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল নিরাপদে মানুষের যাত্রাকে নিশ্চিত করা। এই কাজে মূলত তিনটি ধাপ রয়েছে। কঠিন, তরল এবং ক্রায়োজেনিক জ্বালানি ব্যবহার করে। ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের ফ্লাইট মক-আপ ফিলিং ট্রায়ালও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    আবার ক্রু এস্কেপ সিস্টেম হল জরুরি পরিস্থিতিতে মডিউল থেকে মহাকাশচারীদের (Gaganyaan) বের হওয়ার বিশেষ পদ্ধতি। এর আগে, এককভাবে ১৭ কিমি উচ্চতায় পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রথম মানববিহীন রকেট প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া, মানব অভিযানের আরবিট মডিউল, ক্রু-মডিউল, সার্ভিস মডিউলের কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। একই ভাবে স্থলভাগের সহায়তার জন্য ইসরো ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)-এর সঙ্গেও যৌথ ভাবে কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক মহকাশ স্টেশনে (International Space Station) যাচ্ছেন এক ভারতীয় (Indian Astronaut)। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে ওই মহাকাশচারীকে। এ খবর জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    এএক্স-৪ মিশন (Indian Astronaut)

    নাসা এবং ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাকাশ অভিযানের নাম এক্সিওম স্পেস এএক্স-৪ মিশন। এই অভিযানে ভারত থেকে পাঠানো হবে দুই নভশ্চরকে। এঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ও প্রশান্ত বালকৃষ্ণণ নায়ার। বর্তমানে নাসায় চলছে এঁদের প্রশিক্ষণ। জানা গিয়েছে, এএক্স-৪ মিশনের জন্য ইসরো বেছে নিয়েছেন শুক্লাকে। আর নায়ার হবেন ব্যাকআপ ক্যান্ডিডেট। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, “একজন ভারতীয় মহাকাশচারী আগামী এপ্রিলের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাবেন।” এবার আজ ২৩ অগাস্ট পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। গত বছর এই দিনে চাঁদে ল্যান্ড করেছিলেন বিক্রম ল্যান্ডার। তারই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। তার আগেই এক ভারতীয় মহাকাশচারীর (Indian Astronaut) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিমও জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার থিম হল, ‘টাচিং লাইভস হোয়াইল টাচিং দ্য মুন: ইন্ডিয়াজ স্পেস সাগা।’ এ উপলক্ষে এদিন ইসরোর তরফে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সায়েন্টিফিক ডেটা প্রকাশ করবে ইসরো। গবেষকরা যাতে এই ডেটা ব্যবহার করতে পারেন, তা-ই এই ব্যবস্থা। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের বর্ষপূর্তিতে গত দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজারো অনুষ্ঠান হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় মহাকাশ ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ হ্যাকাথন’ ও ‘ইসরো রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ’ জয়ীদের পুরস্কারও দেবেন তিনি। আসন্ন স্পেস মিশনের বিষয়ে বলতে গিয়ে ইসরোর সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি সান্ত্বনু ভাটাদেকর বলেন, “ইসরো-নাসার (International Space Station) যৌথ অভিযান এনআইএসএআর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির পরেই লঞ্চ করা হবে (Indian Astronaut)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অভিযানে অংশ নেবেন একজন ভারতীয় গগনযাত্রীও (Gaganyatri)। তিনি অবশ্য হবেন কোনও ভারতীয় নভশ্চর। লোকসভায় এ কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)।

    ইসরো, নাসার যৌথ উদ্যোগ (Jitendra Singh)

    এই মিশনটি হতে চলেছে ইসরো, নাসা এবং নাসা স্বীকৃত প্রাইভেট সংস্থা তথা অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ প্রয়াসে। সম্প্রতি মহাকাশ মিশনের অংশ হিসেবে, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাত্রার জন্য ইসরো অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। লিখিত জবাবে লোকসভায় মন্ত্রী জানান, নাসার সঙ্গে যৌথ মিশনে নেমেছে ইসরো। এই মিশনেরই অংশ হিসেবে ইসরোর তরফে এক গগনযাত্রীকে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

    বেসরকারি উদ্যোগ

    নাসার তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থবারের জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীদের নিয়ে যেতে অ্যাক্সিওমের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নাসা। এই চুক্তি মোতাবেক, চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পরে বেসরকারি উদ্যোগে নভশ্চরদের নিয়ে যাওয়া হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরোও (Jitendra Singh)।

    জানা গিয়েছে, এই মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই চার নভশ্চরকে বেছে নিয়েছে ইসরো। ইসরোর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। তার আগে এঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন রাশিয়ায়। তবে প্রশিক্ষণের শেষ ধাপ সম্পূর্ণ হবে ভারতেই। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গগনযাত্রীদের তিন ধাপ প্রশিক্ষণ পর্বের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুধাপ। এক ধাপের প্রশিক্ষণ এখনও বাকি।”

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    চারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তিনজন। তবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর আগে পাঠানো হবে যন্ত্রমানব। তার যাত্রাপথ মসৃণ হলে, তবেই মহাকাশে পাঠানো হবে রক্তমাংসের মানুষ। ইসরোর ওই মিশন হবে তিন দিনের। শুরু হতে পারে ২০২৫ সালে।

    যে যানটিতে করে নভশ্চরদের (Gaganyatri) মহাকাশে পাঠানো হবে, সেই যান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “মানব-রেটেড লঞ্চ ভেহিক্যালের কঠিন ও তরল প্রপালশন পর্যায়গুলি ফ্লাইট ইন্টিগ্রেশনের জন্য প্রস্তুত (Jitendra Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৬০০ টন লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে কর্নাটকে। অ্যাটমিক মিনারেল ডিরেক্টরেট ফর এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এএমডি)-এর পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট, এই রাজ্যের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় বিরাট মাত্রায় খনিজ লিথিয়ামের উপস্থিতি আবিষ্কার করেছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং ভূ-বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় লিথিয়াম সম্পর্কে এই তথ্য জানিয়েছেন। লিথিয়াম এমন ধাতু, বিশ্বব্যাপী যার চাহিদা এই মুহূর্তে সর্বাধিক। সেই প্রেক্ষিতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  

    ঠিক কী বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Lithium)?

    এএমডি পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট প্রাথমিক ভাবে সমীক্ষা করেছে। এরপর সংস্থার তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। আর তাতেই ভূ-গর্ভের নিচে থাকা এই প্রাকৃতিক খনিজ লিথিয়াম (Lithium)-এর বিপুল পরিমাণে থাকার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই কথা জানিয়ে বলেছেন, “কর্নাটকের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এএমডি সক্রিয়ভাবে ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলা সহ ভারতের অন্যান্য অংশেও লিথিয়ামের সম্ভাব্য উপস্থিতির অনুসন্ধানের কাজ করছিল। রাজস্থান, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান অভ্র সমৃদ্ধ অঞ্চল এবং ওড়িশা, ছত্তিশগড়, কর্নাটকের আগ্নেয়শিলা যুক্ত অঞ্চলে লিথিয়াম খনিজ দ্রব্যের সন্ধান চালানো হচ্ছিল। তাতেই মিলেছে সাফল্য।” এর আগে, এএমডি হিমাচল প্রদেশে একটি প্রাথমিক সমীক্ষা করে হামিরপুর জেলার মাসানবলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচে ইউরেনিয়ামের উপস্থিতিকে শনাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেছেন, “ছোট মডুলার পরমাণু চুল্লি নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে কেন্দ্রের পারমাণবিক শক্তি বিভাগ। ভারত এবং রুশ সরকার ক্ষুদ্র মডুলার চুল্লির ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে। একই ভাবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সম্প্রসারণে দুই দেশ পরস্পরের কাছে বদ্ধপরিকর থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত হল নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল, মেধা তালিকার প্রথমে বাংলার পড়ুয়াও

    ১৮১৭ সালে আবিষ্কার হয়েছিল লিথিয়াম

    লিথিয়াম খনিজ উপাদানটি প্রথম ১৮১৭ সালে জোহান অগাস্ট আরফভেডসন আবিষ্কার করেছিলেন। লিথিয়াম (Lithium) শব্দটি গ্রীক ভাষায় লিথোস থেকে এসেছে, যার অর্থ পাথর। সর্বনিম্ন ঘনত্বের ধাতু, লিথিয়াম। জলের সঙ্গে জোরালোভাবে বিক্রিয়া করে এই ধাতু এবং প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিষাক্ত। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে লিথিয়াম ব্যবহার করা হয় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ও ইলেকট্রিক ডিভাইসের রিচার্জেবল ব্যাটারিতে। এ ছাড়া হার্ট পেসমেকার, খেলনা, ঘড়ি ইত্যাদিতে নন-রিচার্জেবল ব্যাটারি হিসেবে লিথিয়াম ব্যবহৃত হয়। লিথিয়ামকে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে সংকর ধাতু হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hydrogen Fuel Cell Bus: হাইড্রোজেনে চলবে বাস! লঞ্চ করা হল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল বাস

    Hydrogen Fuel Cell Bus: হাইড্রোজেনে চলবে বাস! লঞ্চ করা হল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। উদ্বোধন করা হল ভারতে তৈরি (Make in India) প্রথম হাইড্রোজেন শক্তিচালিত ফুয়েল সেল (Hydrogen Fuel Cell) বাস। ভারতের বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদ বা সিএসআইআর (Council of Scientific Industrial Research ) এবং বেসরকারী সংস্থা কেপিআইটি লিমিটেডের (KPIT Limited) যৌথ উদ্যোগে এই বাসটি তৈরি করা হয়েছে। রবিবার পুনেতে এই বাসটি উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) আত্মনির্ভর ভারত মিশনেরই (Atmanirbhar Bharat) একটি অংশ এটি।

    জানা গিয়েছে, এই হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল বাসটি, হাইড্রোজেন গ্যাস এবং বাতাসকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং সেই বিদ্যুতেই বাস বা অন্য যানবাহন চলে। এমনকি বর্জ্য পদার্থ হিসেবে এই বাস থেকে শুধুমাত্র জল বের হবে। অর্থাৎ এই বাসটি সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব পরিবহণ মাধ্যমগুলির মধ্যে একটি। সুতরাং এই বাসটি আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যের পাশাপাশি আবহাওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই বাস থেকে কার্বন বেরোনোর সম্ভাবনাও খুব কম।

    আরও জানা গিয়েছে, হাইড্রোজেন চালিত যানবাহনগুলির খরচ ডিজেল চালিত যানবাহনের থেকে অনেক কম। তাই যেমন ডিজেল চালিত যানবাহনগুলির খরচ বেশি, তেমনি এটি পরিবেশকেও অনেক বেশি পরিমাণে দূষিত করে তোলে। জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ভারতের মোট কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের প্রায় ১২-১৪ শতাংশই তৈরি হয় ডিজেল-চালিত ভারি যানবাহন থেকে। অন্যদিকে ফুয়েল সেল ইলেক্ট্রিক্যাল ভেইকল থেকে গ্রিন হাউস গ্যাস (Greenhouse gas) তৈরির পরিমাণও শূন্য।

    জিতেন্দ্র সিং আরও জানিয়েছেন, পরিশোধন শিল্প, সার শিল্প, ইস্পাত শিল্প, সিমেন্ট শিল্প এবং ভারী বাণিজ্যিক পরিবহন ক্ষেত্রে কার্বন নির্গমনের পরিমাণ কম করা খুবই কঠিন। কিন্তু, সবুজ হাইড্রোজেন এমন এক শক্তি, যা এই শিল্পগুলি থেকে কার্বন নির্গমনকে ডিকার্বোনাইজেশন করতে সক্ষম। হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল চালিত যানবাহনগুলো এই ক্ষেত্রে কার্বন নির্গমন দূর করার জন্য চমৎকার বিকল্প হতে পারে। এর পাশাপাশি এটি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও অনেক বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ যানবাহন চালানোর জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করা হলে পরিবেশের দূষণ অনেক কমে যাবে।

LinkedIn
Share