Tag: Jitin Prasada

  • XI Jinping: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ, দিল্লিতে প্রেসিডেন্ট জিনপিং, মোদির সঙ্গে বৈঠকের আগে সহযোগিতার বার্তা

    XI Jinping: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ, দিল্লিতে প্রেসিডেন্ট জিনপিং, মোদির সঙ্গে বৈঠকের আগে সহযোগিতার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবার ভারতে পৌঁছলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (XI Jinping)। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। জিনপিংকে স্বাগত জানাতে উত্তর-পূর্ব ভারত-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সাংস্কৃতিক দল ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করে (BRICS Summit)।

    বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, “১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে আগত গণপ্রজাতন্ত্রী চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে উষ্ণ স্বাগত। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। ব্রিকস যখন সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং আরও ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিনিধিত্বশীল ও বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্ব গঠনে অবদান রাখছে, তখন আমরা গঠনমূলক আলোচনার দিকে তাকিয়ে রয়েছি।”

    জিনপিংয়ের সঙ্গী (XI Jinping)

    জিনপিংয়ের সঙ্গে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ দফতরের পরিচালক ছাই ছি এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক রয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে আশাব্যঞ্জক বার্তা দিয়েছেন চিনের সাংবাদিক ওয়েনতিং শিয়ে। তাঁর বক্তব্য, দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে তা ভারত ও চিন—উভয়েরই স্বার্থ রক্ষা করবে।

    তিনি বলেন, “চিন ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার জন্য এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ। দুই দেশই বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশ এবং বিশ্ব দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আমার মনে হয়, চিন ও ভারত একসঙ্গে কাজ করলে দুই দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা হবে এবং বিশ্ব দক্ষিণের উন্নয়নেও তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”

    তিনি আরও বলেন, “চিন ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত। যোগাযোগ আরও জোরদার করা, সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, মতপার্থক্যগুলি যথাযথভাবে সামাল দেওয়া এবং একে অপরের সাফল্যে সহায়ক অংশীদার হিসেবে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। দুই দেশেরই উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। চিন ও ভারতের সহযোগিতা বিশ্ব দক্ষিণের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ। আর গ্লোবাল সাউথও সেটিই দেখতে চায় (XI Jinping)।”

    চিনা সংবাদ সংস্থা শিনহুয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে যে ধরনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন জিনপিং, ব্রিকস সম্মেলনেও গ্লোবাল সাউথের সহযোগিতা নিয়ে একই ধরনের উদ্যোগের কথা তিনি তুলে ধরতে পারেন।

    দায়িত্বে চিন

    ২০২৭ সালে ব্রিকসের পর্যায়ক্রমিক সভাপতিত্বের দায়িত্ব নেবে চিন। চিনা সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, প্রকৃত বহুপাক্ষিকতার মাধ্যমে ঐক্যের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা এবং সহযোগিতার বিভিন্ন মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে আরও বেশি সমন্বয় গড়ে তোলার চেষ্টা করবে চিন।

    একই সঙ্গে অভিন্ন উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিশ্ব উন্নয়ন উদ্যোগ, বিশ্ব নিরাপত্তা উদ্যোগ, বিশ্ব সভ্যতা উদ্যোগ এবং বিশ্ব শাসন উদ্যোগের মতো কর্মসূচির উপরও জোর দেওয়া হবে। ডিজিটাল অর্থনীতি, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দারিদ্র্য হ্রাস এবং কৃষির উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির লক্ষ্যে কাজ করবে চিন।

    এদিকে, ভারতের আয়োজনে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের মূল ভাবনা— “সহনশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও স্থায়িত্বের জন্য নির্মাণ”। এই ভাবনায় বিদ্যমান সাফল্যগুলিকে আরও শক্তিশালী করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকারিতা বৃদ্ধির উপর ভারতের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে।

    সম্মেলনের আলোচনায় উন্নয়ন, স্থায়িত্ব এবং উদ্ভাবনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের আকাঙ্ক্ষাকেও সামনে রাখা হয়েছে। ভারত ব্রিকসকে (BRICS Summit) আরও গঠনমূলক এবং সমস্যা সমাধানমুখী আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবে শক্তিশালী করতে চায় বলেই অভিমত (XI Jinping) বিশেষজ্ঞদের।

     

LinkedIn
Share