Tag: JN.1 variant

JN.1 variant

  • COVID-19 India: অন্ধ্রে মৃত ৩, ভারতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! আতঙ্ক নয়, সচেতনতার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    COVID-19 India: অন্ধ্রে মৃত ৩, ভারতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! আতঙ্ক নয়, সচেতনতার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা (COVID-19 India)। কয়েক বছর কেটে গেলেও করোনা ভাইরাস যে আমাদের চারপাশ থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়নি, তার প্রমাণ মিলল অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh)। বাড়ছে সংক্রমণ, বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ইতিমধ্যেই করোনা (COVID-19 India) আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সরকারের। এই পরিস্থিতিতে বাড়তি নজরদারি ও সতর্কতা অবলম্বন প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি বড় কোনও জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ইঙ্গিত নেই। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা।

    রূপ বদলাচ্ছে করোনা ভাইরাস (COVID-19 India)

    মুম্বইয়ের পালমোনোলজিস্ট ড. আভা মাশুর জানান, “SARS-CoV-2 ভাইরাসটি আসলে কখনও পুরোপুরি মিলিয়ে যায় না। এটি নতুন নতুন রূপ নিয়ে বারবার ফিরে আসে। ভাইরাসের এই মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তন অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া।” বর্তমানে ভারতে ওমিক্রনের দুটি উপ-ভেরিয়েন্ট মূলত সক্রিয় রয়েছে-

    • জেএন.১ ভেরিয়েন্ট: এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়াতে পারে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। তবে এর কারণে আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হচ্ছে না।
    • বিএ.৩.২ ভেরিয়েন্ট: ভাইরাসের এই রূপটিতে অনেক বেশি মিউটেশন দেখা গেলেও, এটিও গুরুতর কোনও রোগের কারণ হচ্ছে না। তাই এটি নিয়ে অযথা ভয়ের কিছু নেই বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    উপসর্গ-

    বর্তমানে এই ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে মূলত হালকা ঠান্ডা-কাশি বা গলার সমস্যার মতো মৃদু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ছে না।

    কারা বেশি ঝুঁকিতে?

    যদিও বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ মৃদু রূপ নিচ্ছে, তাও চিকিৎসকেরা কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষকে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বয়স্ক ব্যক্তিরা, গর্ভবতী নারীরা, ক্রনিক হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা, সিওপিডি (COPD) বা ফুসফুসের জটিল রোগে (ILD) আক্রান্ত রোগী, কিডনি বা লিভারের ক্রনিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম (Immunocompromised) তাঁদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।

    কী করণীয়?

    গুরুগ্রামের ফোর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. নেহা রাস্তোগি এবং ড. আভা মাশুর সংক্রমণ রুখতে সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। “বর্তমান পরিস্থিতিতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তবে লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যারা সংক্রামিত হচ্ছেন, তারা যেন জনসমক্ষে না গিয়ে নিজেদের আলাদা রাখেন। করোনার ভ্যাকসিন বা বুস্টার ডোজ নেওয়া না থাকলে তা দ্রুত নিন। ভিড় বা আবদ্ধ জায়গায় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা এবং সঠিক স্যানিটাইজেশন বজায় রাখা। ঘরের ভেতরে বাতাস চলাচলের (Ventilation) ভালো ব্যবস্থা রাখা। জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে করোনা পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া”।

  • COVID19: করোনার নতুন প্রজাতি বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি? কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    COVID19: করোনার নতুন প্রজাতি বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি? কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার (COVID19) নতুন প্রজাতি নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই। করোনা সংক্রমণ যাতে দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য একাধিক সরকারি পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কিন্তু তারপরেও করোনার চোখ রাঙানি রয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনার নতুন প্রজাতি হৃদযন্ত্রের বাড়তি বিপদ বাড়াচ্ছে।‌

    কেন হৃদযন্ত্র বিকলের আশঙ্কা? (COVID19)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা ভাইরাস (COVID19) ত্বক, চোখ আর ফুসফুসের ওপর কড়া প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, হৃদযন্ত্রের ওপর এই ভাইরাসের প্রকোপ মারাত্মক। সম্প্রতি জার্নাল অফ আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে হৃদরোগের দাপট। তরুণ প্রজন্মের হৃদযন্ত্র বিকলের ঘটনা বেশি ঘটছে। করোনা ভাইরাসের জেরেই হৃদযন্ত্রের শক্তি কমছে, এমন একাধিক উদাহরণ পাওয়া গিয়েছে। 
    ভারতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনার নতুন প্রজাতি সবচেয়ে বেশি হৃদযন্ত্রের উপরেই প্রভাব ফেলছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই নতুন প্রজাতিতে যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের একাংশ আগেও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বারবার আক্রান্ত হওয়ায় তাঁদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমছে। পাশপাশি করোনা আক্রান্তের ফুসফুসের সমস্যা বাড়ছে। ফলে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। আর তার জেরেই দেহের রক্তচাপ ওঠানামা করছে। ফলে, হৃদযন্ত্রের শক্তি কমছে। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।‌

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (COVID19)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, করোনা পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের বিষয়ে বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। না হলে যে কোনও বড় বিপদ ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, করোনা আক্রান্তের সুস্থ হয়ে ওঠার পরে খাদ্যাভ্যাস থেকে জীবনযায়, সব কিছুতেই বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। যেহেতু এই করোনার (COVID19) প্রজাতি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, তাই সুস্থ হওয়ার পরেও নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি। রক্তচাপ লাগাতার ওঠানামা করলে কিংবা ধারাবাহিক উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া, ওজনের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, স্থূলতা কোলেস্টেরল সহ একাধিক সমস্যা তৈরি করে। যা হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই করোনার পরে কম তেলমশলা যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কিন্তু পুষ্টির দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি‌‌। কারণ, করোনার পরে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যায়। তাই চোখ, ত্বক, লিভার সহ একাধিক অঙ্গে নানান সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত সিদ্ধ ডিম, দুধ, খিচুড়ি, আপেল, লেবু খাওয়া দরকার। তবেই দেহে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান হবে। তবে, চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়ম মাফিক যোগাভ্যাস করতে হবে। রক্তচাপ ঠিক রাখতে, হৃদপিণ্ডের কার্যশক্তি বাড়াতে যোগাভ্যাস সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। তাই করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট যোগাভ্যাস করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share