Tag: jobs

jobs

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির অশীতিপর বৃদ্ধও, কী অভিযোগ ভবানীপুরের এই ভোটারের?

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির অশীতিপর বৃদ্ধও, কী অভিযোগ ভবানীপুরের এই ভোটারের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) ‘জনতার দরবারে’ (Janata Darbar) হাজির ৮১ বছরের এক বৃদ্ধও। ছিলেন চাকরি হারা চাকরিপ্রার্থীরাও। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে ফি সোমবার বসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার। প্রতিটি দরবারেই ব্যাপক ভিড় হয়। আজ, সোমবারও ছিল উপচে পড়া ভিড়। সেই ভিড়েই ছিলেন চাকরিহারা থেকে চাকরিপ্রার্থীরাও। ছিলেন প্রবীরবাবুর মতো অসহায় মানুষও। রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নানা অভাব-অভিযোগ জানাতে এসেছেন তাঁরা।

    জনতার দরবারে হাজির অশীতিপর বৃদ্ধও (Suvendu Adhikari)

    এঁদের মধ্যেই ছিলেন বছর একাশির প্রবীর মুখোপাধ্যায়ও। তিনি ভবানীপুরের টাউনসেন্ড রোডের বাসিন্দা। মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে এসে তিনি জানান, তিনি  জয় কামদার এবং সোনা পাপ্পুর প্রতারণার শিকার। তাঁর মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, কামদার ও তার সাগরেদরা প্রোমোটিংয়ের নামে প্রবীরবাবুর বাড়িটি জরবদখল করে। কিন্তু তার পরে দীর্ঘ দিন পেরিয়ে গেলেও, এ পর্যন্ত ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি প্রবীরবাবুকে। মাথা গোঁজার ঠাঁই খুইয়ে তাঁকে থাকতে হচ্ছে ভাড়া বাড়িতে। মাস গেলে ভাড়া বাবদ গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। তাঁর দাবি, প্রতারিত হয়েছেন তিনি। বিচার পাওয়ার আশায় নিজের কেন্দ্রের বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির তিনি। তাঁর কাছে সব শুনে সমাধানের আশ্বাস দেন রাজ্যের প্রথম পদ্ম-মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সোম-দরবারে এদিন সব থেকে বেশি নজর কাড়েন চাকরিহারা এবং ‘বঞ্চিত’ চাকরিপ্রার্থীরা। সব মিলিয়ে মোট ন’টি চাকরিপ্রার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে, তাঁদের ক্ষোভ এবং দাবিদাওয়া জানাতে।

    দরবারে দাবি নিয়ে হাজির বঞ্চিত শিক্ষক ও চাকরিপ্রার্থীরাও

    তৃণমূল জমানায় নিয়োগ দুর্নীতি কেলেঙ্কারির জেরে রাজ্যে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ অথৈ জলে পড়েছে। সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে একে একে সকলের অভাব-অভিযোগ শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই দেখা গেল ২০১৬ সালের প্যানেলের বঞ্চিত শিক্ষক ও চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধিদের। তাঁদের পক্ষে সুমন বিশ্বাস বলেন, “আমরা চাই যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্যদের চাকরি দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া হোক। এই সরকারকে আমরা বিরক্ত করব না (Suvendu Adhikari)। কিন্তু আমাদের হাতে সময় কম। অন্যান্য বিষয়ের মতো এই বিষয়েও নয়া সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই আমাদের আশা।” তিনি বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ঔদ্ধত্য দেখিয়েছিলেন (Janata Darbar)। আমাদের মতো যুবকদের অবজ্ঞা করার পরিণাম তিনি এখন দেখছেন।”

    কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা

    কেবল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নয়, রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশার কথাও কয়েকজন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। কারিগরি শিক্ষার চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম দুর্নীতির জেরে গত ১৫ বছর ধরে কোনও নিয়োগ হয়নি। অবিলম্বে এই শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার।” শুধু শিক্ষক বা চাকরিপ্রার্থীরাই নন, নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘দরবারে’ অভাব-অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষও। কোচবিহার থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেও বহু মানুষ জনতার দরবারে এসেছিলেন ব্যক্তিগত ও সামাজিক নানা সমস্যার সুরাহার আশায়। সল্টলেকে গেরুয়া পার্টির এই ‘শুভেন্দু-দরবারে’ উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো বিজেপির হেভিওয়েট রাজ্য নেতৃত্বও (Suvendu Adhikari)।

    শূন্যপদ পূরণই সরকারের আশু লক্ষ্য

    সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, সাধারণ মানুষের নানান অভাব-অভিযোগ থাকেই। তবে ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মের বেড়াজালে আটকে গিয়ে সেই সব সমস্যা অনেক সময়ই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রীর কান পর্যন্ত পৌঁছয় না।  সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়া-অভাব-অভিযোগ সম্বলিত সেই সব চিঠি নবান্নে বা মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পাঠালেও, সব সময় সেগুলি উদ্দিষ্ট ব্যক্তির টেবিলে পৌঁছয় না বলেই অভিযোগ। সেই সব জটিলতা এড়িয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেই এহেন দরবারের সিদ্ধান্ত রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যেই নয়া সরকার সব দফতরের কাছ থেকে শূন্য পদের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। তাই শূন্যপদ পূরণই যে রাজ্যের পদ্ম-সরকারের কাছে প্রাধান্য পাবে, তা বলাই বাহুল্য (Janata Darbar)। রাজ্যবাসী যাতে তাঁদের নিজেদের নানা সমস্যার কথা খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে পারেন, তা-ই ফি সোমবার ‘জনতার দরবার’ চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের অভিযোগ বা সমস্যার গুরুত্ব বিচার করে ঘটনাস্থলেই উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশও এই দরবার থেকেই দেন তিনি। আজ, সোমবার নিয়ে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর এই দরবারের বয়স হল দু’সপ্তাহ (Suvendu Adhikari)।

    মর্যাদা পুরুষোত্তমের পথে শুভেন্দু!

    প্রসঙ্গত, শুভেন্দু আগেই জানিয়েছিলেন, প্রতি সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সল্টলেকের দলীয় অফিসে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী। চেষ্টা করবেন সমস্যার দ্রুত সমাধানের। কলকাতা থেকে শুরু হলেও, অদূর ভবিষ্যতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়ও ‘জনতার দরবার’ বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে শুভেন্দুর সরকারের। সেই সব দরবারেও গুরুত্ব দেওয়া হবে সাধারণ মানুষের ছোটখাট সমস্যাকেও। চেষ্টা করা হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেই সব সমস্যার সমাধানের। রামায়ণ থেকে জানা যায়, অযোধ্যার প্রজাদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে নিয়মিত রাম দরবার বসাতেন ইক্ষ্বাকু বংশের রাজা দশরথের জ্যেষ্ঠ পুত্র রামচন্দ্র স্বয়ং। ক্রমে সনাতন ধর্মের এই অবতার হয়ে (Suvendu Adhikari) ওঠেন অযোধ্যাবাসীর চোখের মণি।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শুভেন্দুও এগোচ্ছেন রামের পথে। স্বাভাবিক। মর্যাদা পুরুষোত্তম রামই যে আরাধ্য বঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রীরও (Janata Darbar)!

     

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল এখন লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করে দিয়েছে, আমরা তাঁদের ফেরাব”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল এখন লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করে দিয়েছে, আমরা তাঁদের ফেরাব”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্ষমতায় এলে বিজেপি (BJP) শুধু লক্ষ্মীদের কথাই ভাববে না, নারায়ণদের জন্যও ব্যবস্থা করবে।” মালদায় এমন মন্তব্যই করেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “বিহার নির্বাচনে সংখ্যালঘু মহিলাদের ভোট গিয়েছে বিজেপির দিকে। এই রাজ্যেও তার ব্যতিক্রম হবে না।”

    অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মিলবে বেশি টাকা (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত বলেন, “বাংলার মা-বোনেদের আমরা আশ্বস্ত করছি, বিজেপির ভয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর অর্থ সচিবকে বলেছেন, তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে হাজার টাকা করে বাড়াতে চান। আমার কাছে খবর, রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য ভালো নয়। ২০২৫ সালে প্রায় আট লাখ কোটি টাকা ঋণ হয়ে যাবে। যার মানে হল, প্রত্যেকের মাথার ওপর এখন ৭০ হাজার টাকার করে দেনা রয়েছে। এত ঋণ নিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে অত টাকা বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে কিছু টাকা বাড়ানো হবে।” তিনি বলেন, “বিজেপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে আমি রাজ্যের মহিলাদের আশ্বস্ত করছি যে তৃণমূল যা ঘোষণা করবে, আমরা তার থেকে অন্তত ৫০ টাকা বেশি দেব অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মীর সঙ্গে আমরা নারায়ণদের জন্যও ব্যবস্থা করব। তৃণমূল এখন লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করে দিয়েছে। লক্ষ্মী এখন গ্রামে, আর নারায়ণদের কেউ গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, বেঙ্গালুরুতে।” সুকান্ত বলেন, “বিহারে যেভাবে জীবিকা দিদি করা হয়েছে, মহিলাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে, এখানেও সেটা করা হবে। যাতে তাঁর পরিবারকে তাঁকে ছেড়ে যেতে না হয়।”

    উগ্রপন্থীদের মদতদাতা তৃণমূল!

    এদিন পুরাতন মালদার একটি হোটেলে চারটি সাংগঠনিক জেলার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠক করেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা সুনীল বনসল। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) ছাড়াও ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু-সহ দলীয় বিধায়করা। অংশ নিয়েছিলেন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের দলীয় নেতৃত্বও। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এই বৈঠকের আগেই সাংবাদিক সম্মেলন (BJP) করেন সুকান্ত। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শুক্রবারই (বিহার নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন) বলে দিয়েছেন, যেভাবে মা গঙ্গা বিহার হয়ে বাংলায় এসেছেন, ঠিক সেভাবেই বিজেপির জয়যাত্রাও বিহার হয়ে বাংলায় ঢুকবে। তার জন্য ইতিমধ্যেই দলের নেতা-কর্মীরা প্রত্যেকে ময়দানে নেমে পড়ছেন। উগ্রপন্থীদের মদতদাতা তৃণমূলকে উপড়ে ফেলতে কোমর বেঁধে তৈরি হয়ে রয়েছেন তাঁরা।”

    ওরা বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে

    বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, “রাজ্যের দিকে দিকে বিজেপির ওপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। ডায়মন্ড হারবারের মতো জায়গায় বিজেপির লোকজন আক্রান্ত হচ্ছে। এ থেকেই প্রমাণিত, এরা বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে। ডায়মন্ড হারবারের মতো লোকসভা কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে ৭ লাখ ভোটে জিতেছিলেন, সেখানে যদি বিজেপি কর্মীদের মারতে হয়, তাহলে বোঝাই যায় বিজেপির দম আছে (Sukanta Majumdar)।” তিনি বলেন, “আমরা প্রতিটি রক্তবিন্দুর হিসেব নিয়ে নেব। বাংলায় ইতিমধ্যেই হিন্দুরা এককাট্টা হয়ে গিয়েছে। গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তার প্রমাণ মিলেছে। হিন্দুরা বুঝতে পেরেছে, যদি বিজেপি ক্ষমতায় না আসে, তবে তাদের জন্য এই বঙ্গভূমি আগামীতে বধ্যভূমিতে পরিণত হবে।”

    সর্বধর্ম সমভাবের নীতি

    সুকান্ত (BJP) বলেন, “আমরা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরুর তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। আমাদের চোখে প্রত্যেকে বাঙালি। প্রত্যেকে ভারতবর্ষের নাগরিক, ভারত মায়ের সন্তান। আমরা সর্বধর্ম সমভাবে নীতি নিয়ে চলি। এটা আমাদের পঞ্চনিষ্ঠা।” তিনি বলেন, “বিজেপি উন্নয়নে বিশ্বাস করে। বিহারে সংখ্যালঘু মহিলারাও বিজেপি এবং এনডিএ জোটকে ভোট দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, আগামীতে মুসলিম সমাজও বুঝতে পারবে, তাদের কেন বছরের পর বছর কোনও উন্নয়ন হয়নি। কেন তাঁদের মধ্যে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র আতশকাচ দিয়ে খুঁজতে হয়? তাঁরাও তো বাঙালি! আমাদের যা বুদ্ধিমত্তা, তাঁদেরও তো তাই। শিক্ষার কেন অভাব? স্বাস্থ্যের কেন অভাব? কেন মেয়েদের ওপর অত্যাচার হয়, হিংসার ঘটনা ঘটে (Sukanta Majumdar)? এর মূল কারণ স্বাধীনতার পর থেকে তাঁদের প্রত্যেকে মুসলমান হিসেবেই দেখে এসেছে, কেউ মানুষ হিসেবে দেখেনি। বিজেপি তাঁদের মানুষ হিসেবে দেখতে চায়।”

    উগ্রপন্থীদের আখড়া

    দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে উত্তর দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক চিকিৎসককে। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়ার বেশ কিছু অংশ এবং বীরভূম এখন উগ্রপন্থীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এখনই পাড়ায় পাড়ায় উগ্রপন্থী তৈরি হয়ে গিয়েছে। এরাজ্যে এখন দুয়ারে উগ্রপন্থী প্রকল্প চালু হয়েছে (BJP)। এখন দিল্লিতে ফাটাচ্ছে, দু’দিন পরে রাজ্যবাসীর বাড়ির সামনে বোমা ফাটবে (Sukanta Majumdar)।”

LinkedIn
Share