Tag: Joka ESI hospital

Joka ESI hospital

  • Sheikh Shahjahan: পার্থ, বালুর পর এবার শাহজাহান, শুনতে হল ‘চোর চোর’ স্লোগান

    Sheikh Shahjahan: পার্থ, বালুর পর এবার শাহজাহান, শুনতে হল ‘চোর চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পর এবার শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। শাহাজাহানকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিল রোগীর পরিজনেরা। সূত্রের খবর, শেখ শাহজাহানকে যখন মেডিক্যাল চেক আপ করে বের করা হয় তখন সেখানে উপস্থিত রোগীর পরিজনেরা চোর স্লোগান তোলেন। শাহজাহানকে দেখে স্লোগানের সঙ্গে চলে লাগাতার বিক্ষোভ।

    ‘চোর চোর’ স্লোগান 

    উল্লেখ্য, শুক্রবার শাহাজাহানকে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর জোকা ইএসআই হাসপাতাল (joka ESI Hospital) থেকে বার করার সময় ‘চোর চোর’ স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বেশ কয়েজন সাধারণ মানুষ। তাঁদের দাবি, যারা ভোট লুঠ করে তাদের তিহাড়ে পাঠিয়ে দেওয়া হোক। তাদের যারা নিরাপত্তা দিচ্ছে সেই বাহিনীকে সন্দেশখালির স্পর্শকাতর বুথে মোতায়েন করা হোক। ভিড়ের মাঝেই একজন তো চেঁচিয়ে বলে উঠলেন, “এদের গুলি করে মেরে ফেলা হোক। এনকাউন্টার করা হোক। এরা সন্দেশখালির (sandeshkhali) ত্রাস। অন্য এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘যারা মহিলাদের সম্মান নিয়ে খেলা করে, ভোটের সময় বুথ দখল করে তাদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে কেন? এদের তিহাড়ে পাঠিয়ে সেই নিরাপত্তা বুথগুলিতে দেওয়া উচিত।’’

    ইডির নজরে ডায়েরি

    অন্যদিকে ইডির নজরে এসেছে সন্দেশখালির এই নেতার হিসাবের খাতা। ঠিক যেন সারদার লাল ডায়েরি কিংবা খাদ্য কেলেঙ্কারির মেরুন ডায়েরি সেই ধাঁচেই একটি সাদা রঙের খাতার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে খোদ শাহজাহান এবং তাঁর কর্মচারী, ঘনিষ্ঠদের জেরা করে। ইডি সূত্রে খবর, শাহজাহানের বিরুদ্ধে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ব্যাঙ্কের নথিতে (bank details) তার হিসাব নেই। তবে কি শাহজাহানের সেই সাদা খাতাতেই মিলবে কালো টাকার হিসাব? এই ডায়েরি (accounts copy) কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শাহজাহানের লেনদেন সংক্রান্ত যে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি, ওই খাতার পাতা থেকে মিলতে পারে সব উত্তর,এমনটাই মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

    ইডি হেফাজতে শাহজাহান

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইডি (ED) হেফাজতে আছেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। রেশন দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই শাহজাহানের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের জমি-ভেড়ি জবর দখলেরও অভিযোগ রয়েছে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়েছে ইডি। ইডির দাবি, চিংড়ি রফতানির নামে অন্তত ১৩৭ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে শেখ শাহজাহান। যদিও রেশন দুর্নীতি ও টাকা পাচারের অভিযোগে আগেই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে শেখ শাহজাহান। তিনি দাবি করে, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চক্রান্ত হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ফের ইডি হেফাজত! ৫ অগাস্ট পর্যন্ত CGO কমপ্লেক্সের জেলেই থাকতে হবে পার্থ-অর্পিতাকে

    SSC Scam: ফের ইডি হেফাজত! ৫ অগাস্ট পর্যন্ত CGO কমপ্লেক্সের জেলেই থাকতে হবে পার্থ-অর্পিতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee and Arpita Mukherjee) আরও দুই দিনের ইডি হেফাজত। SSC দুর্নীতির মামলায় (SSC Scam) এখনও সব তথ্য হাতে আসেনি। তাই দু’জনকেই ফের একবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের হেফাজতে চেয়েছিল ইডি। সেই আবেদনে সাড়া দিল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। তবে চারদিন নয় আরও ২ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। ৫অগাস্ট পর্যন্ত সল্টলেকের CGO কমপ্লেক্সের জেলেই থাকতে হবে পার্থ-অর্পিতাকে। জানা গিয়েছে, এদিন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করেননি। তবে ইডি হেফাজতের বিরোধিতা করেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীও এই হেফাজতের বিরোধিতা করেন।

    এদিন ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পেশের আগে, জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায় ইডি (ED)। এদিন সকাল সোয়া ১১টা নাগাদ পার্থ-অর্পিতাকে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করে নিয়ে আসা হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করিয়ে দু’জনকে নিয়ে ব্যাঙ্কশাল কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন ইডির আধিকারিকরা। হাসপাতালে থেকে বের হওয়ার সময় চুপ রইলেন পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়। মুখের কাছে দু’হাত জড়ো করে রেখে, চোখ বন্ধ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। বরং হুইল চেয়ারে বসে থরথর করে কাঁপছিলেন তিনি। তাঁর শরীরি ভাষাই বলে দিচ্ছিল যে, তিনি যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছেন।  

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    উল্টো দিকে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) মাস্ক নামিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে মুখ খুলতে দেননি। বুধবারও হাউ হাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতাকে। এর আগে জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়ে একাধিকবার মুখ খুলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। কখনও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন তিনি। কখনও আবার বলেছেন, “নেত্রীর সিদ্ধান্ত ঠিক”, তবে দল থেকে সাসপেন্ড প্রসঙ্গে হেঁয়ালি বজায় রেখে জানান, সময় এলে বোঝা যাবে। 

    আরও পড়ুন: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    সময় এলে সবকিছু বলব, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই বুধবার তাঁকে আরেক দফা নিজেদের হেফাজতে রাখার আর্জি জানায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। নগর আদালতের ইডি স্পেশাল কোর্টে এই আর্জি করেন তদন্তকারীরা। অফিসারদের দাবি, থিতু হওয়ার জন্য সময় চাইছেন পার্থ। ২৪ জুলাই গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে অর্পিতা ইডির বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তাদের দেওয়া সূত্র ধরে একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক সাফল্যও পেয়েছে ইডি। 

     

     

  • SSC Scam Partha-Arpita: ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?

    SSC Scam Partha-Arpita: ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার তিনি হারিয়েছেন মন্ত্রিত্ব। সাসপেন্ড হয়েছেন দল থেকেও। শুক্রবার, এসএসসি কাণ্ডে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় দাবি করলেন তিনি নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার। এদিকে একইসঙ্গে ধৃত তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় আবার প্রকাশ্যে রাস্তায় বসে কান্নাকাটি শুরু করে দেন।

    আদালতের নির্দেশে প্রতি ৪৮-ঘণ্টা অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হওয়ার কথা পার্থ-অর্পিতার। সেই মতো, এদিন সকালে দুজনকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে নিয়ে যাওয়া হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। হাসপাতালে পৌঁছে গাড়ি থেকে নামতে নামতে অপেক্ষামান সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পার্থ জানান, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। হুইল চেয়ারে করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঢোকানো হল হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন: পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    এদিকে, একইসঙ্গে অন্য গাড়িতে আনা হয় অর্পিতাকে। তবে, পার্থ-ঘনিষ্ঠকে নিয়ে একপ্রস্থ নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালের সামনে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গাড়ি থেকে নামার সময় কেঁদে ফেলেন। কান্নায় ভেঙে রাস্তায় বসে পড়েন তিনি। পরে, তাঁকে টেনে নামিয়ে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

    নিয়োগ-দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পাঁচদিন পর, গতকাল দল ও সরকারের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁকে তিনটি দফতর থেকে সরানোর কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পার্থকে দলের সমস্ত পদ থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া অবধি তাঁকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। 

    আরও পড়ুন: এবার ইডির নজরে অর্পিতার চিনার পার্ক ও নয়াবাদের ফ্ল্যাট! বাজেয়াপ্ত বেশ কিছু নথি

    এখন প্রশ্ন হল, কেন পার্থ কেন ষড়যন্ত্রের দাবি করলেন? কেন তিনি বলছেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার? কীসের ষড়যন্ত্র? কারা কারা জড়িত? এটা কি স্রেফ নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা? নাকি, সত্যিই এর নেপথ্যে আরও বড় নাম জড়িয়ে রয়েছে? সব দিক খতিয়ে দেখছে ইডি। তবে, বিরোধীদের মতে, একা পার্থর পক্ষে এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা সম্ভব নয়। এর পেছনে তৃণমূলের আরও অনেক তাবড় তাবড় নেতা-মন্ত্রীরা জড়িয়ে রয়েছেন। তাদের আরও দাবি, টাকা উদ্ধার হওয়ায় এখন পার্থকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হচ্ছে। 

LinkedIn
Share