Tag: Joshimath

Joshimath

  • Joshimath: জোশীমঠের পর কি এবার নৈনিতাল ও মুসৌরিতে ফাটল!

    Joshimath: জোশীমঠের পর কি এবার নৈনিতাল ও মুসৌরিতে ফাটল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ২ তারিখ থেকে জোশীমঠের (Joshimath) বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দেয়, যার ফলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র শহরে। কমবেশি ৯০০ এর বেশি বাড়িতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় এই ফাটল। প্রশাসনিক উদ্যোগে সরানো হয় বিপজ্জনক বাড়ির বাসিন্দাদের। সরকার থেকে ২০০ এর বেশি ঘর বরাদ্দ করা হয়। জোশীমঠের (Joshimath) এই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের বেশ কিছু শহরে এবং পর্যটন কেন্দ্রে ফাটল দেখা দিচ্ছে বলে কিছু সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে।

    কোথায় কোথায় দেখা দিল ফাটল

     জোশীমঠের (Joshimath)  ফাটলের সঙ্গেই পার্শ্ববর্তী কর্ণপ্রয়াগের বহুগুণা নগরের ফাটলের ঘটনা সামনে আসে। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই সমস্ত শহরগুলিতে শুধুমাত্র ভ্রমণপ্রিয় মানুষদেরই ভিড় দেখা যায় এমন নয়, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অসংখ্য তীর্থস্থান রয়েছে হিমালয়ের পার্বত্য উপত্যকায়, যেখানে সারাদেশ তথা বিশ্বের পুণ্যার্থীরা ভিড় করে সারা বছর ধরেই।
    ভ্রমণপ্রিয় বাঙালি যেভাবে পুরী, ভাইজ্যাগ, গোয়া ঘুরতে যায় একইভাবে বারাণসী, হরিদ্বার, ঋষিকেশ, গঙ্গোত্রী, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ প্রভৃতি তীর্থস্থানগুলিতেও সারাবছর ধরে যাওয়া আসা চলতে থাকে বাঙালির।
    পার্বত্য অঞ্চলের এই সমস্ত স্থানগুলো যেমন কর্ণপ্রয়াগ, উত্তরকাশী, মুসৌরির মতো শহরে শীতের সময় তাপমাত্রা শুন্যের কাছাকাছি নেমে যায় আবার কোথাও কোথাও বরফপাত দেখতে শীতেও ভিড় জমায় বাঙালি। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে যে নৈনিতালের এবং মুসৌরীর বেশ কিছু বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে, সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন। নৈনিতালে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। শহরগুলোতে ব্যাপকভাবে নির্মাণ কাজ এখনও চলছে এবং শহরের উপর জনসংখ্যার চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মাটির ধারণক্ষমতা যাচাই না করে ভারী নির্মাণ কাজ চালালে এমন ভূমি ধসের ঘটনা ঘটবে বলে ইতিমধ্যে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    তেহারি গাড়ওয়াল, মুসৌরির ল্যান্ডৌর বাজার, নৈনিতালের লোয়ার মল রোড, রুদ্রপ্রয়াগের অগস্ত্যমুনি ব্লকের ঢালীমঠ বস্তি এবং গুপ্তকাশী শহরের মাটিতে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। সেখানকার বেশকিছু বাড়িঘর, দোকানপাটে ফাটল দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তাঁরা ভাবছেন যে এই সমস্ত জায়গাগুলির পরিণতি জোশীমঠের মতো হবে কিনা। প্রসঙ্গত, শিখদের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র হেমকুণ্ড সাহিব রয়েছে উত্তরাখণ্ডে। যা যেতে হয় জোশীমঠের (Joshimath) পথ ধরে। এই পরিস্থিতিতে সেই তীর্থক্ষেত্রে যাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে (Joshimath) ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি দল  জোশীমঠে (Joshimath) যায় গতকাল। বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতেই মূলত এই দল সেখানে পৌঁছায়। সেখানকার ভেঙেপড়া ঘরবাড়ি গুলোও দেখে তারা। জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় এই দল আজকে তাদের রিভিউ রিপোর্ট জমা দেবে রাজ্য সরকারের কাছে। সরকারী সূত্রে জানা যাচ্ছে,জোশীমঠের (Joshimath) এই পরিস্থিতির জন্য সমগ্র শহরকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে।
     জোশীমঠ (Joshimath) শহর অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলাতে। চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে শহরের ৬০৩ টি নির্মাণে ইতিমধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে সমগ্র জোশীমঠ শহরকে তারা তিনটে জোনে ভাগ করেছে, ডেঞ্জার জোন, বাফার জোন, এবং সেফ জোন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে প্রশাসন সর্বদাই কাজ করে চলেছে ডেঞ্জার জোন এবং বাফার জোনের জন্য, যে সমস্ত জোনগুলির সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ নয়, সেখান থেকে মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। এবং বাফার জোন ভবিষ্যতের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে সেখান থেকেও মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। একমাত্র তৃতীয় জোন হল সেফ জোন।

    উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী কী বলছেন

    উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি গতকাল বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দিয়েছেন যে সমস্ত রকমের সাহায্য কেন্দ্র সরকার করবে, পবিত্র তীর্থস্থান জোশীমঠকে (Joshimath) রক্ষা করার জন্য। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সর্বদাই জোশীমঠের (Joshimath) বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শহরের নটি ওয়ার্ড এই মুহূর্তে ডুবতে থাকা অঞ্চল বা বিপজ্জনক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবেদন জানিয়েছেন যে এইরকম উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের সবার উচিত টিম ওয়ার্ক করা। ৬৮ টি বাড়ি যেগুলি একেবারে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের ইতিমধ্যে সরিয়ে অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

    জোশীমঠে (Joshimath) আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের একটি দলেরও। এই মুহূর্তে জোশীমঠের (Joshimath)  সমস্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্থানীয় নির্মাণ কাজগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন জানায় যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য যে ক্যাম্প তৈরি হয়েছে অস্থায়ী সেখানে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুসারে হোটেলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এটা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। ২২৯টি ঘর এই মুহূর্তে দেওয়া হয়েছে মোট ১২৭১ জনের জন্য।

    কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জোশীমঠ (Joshimath)

    জোশীমঠের এই  উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সেখানকার উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য সেনাবাহিনী কাজ করছে। জোশীমঠ কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারণ ঠিক ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ভারত চীন সীমান্ত রয়েছে।

  • Joshimath: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    Joshimath: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে জোশীমঠ (Joshimath) শহরকে ইতিমধ্যে ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শহরের অসংখ্য বাড়িতে দেখা দিয়েছে ফাটল। উদ্বিগ্ন হয়ে গৃহহীনরা আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন ক্যাম্পে। সরকার থেকে নির্ধারিত করা হয়েছে কিছু ২০০ এর উপর বাড়ি। 

    কী বললেন উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    এমত অবস্থায় জোশীমঠের (Joshimath) মাত্র ২৫ শতাংশ বাড়িতেই ফাটল ধরেছে বলে দাবি করলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যে অনেক ক্ষেত্রে গুজব রটানো হচ্ছে এতে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, গুজব কেউ রটাবেন না এবং গুজবে কানও দেবেন না। বুধবার রাতে ফের একবার জোশীমঠে (Joshimath) গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি, তাঁদের বাড়িতেও যান। জোশীমঠের (Joshimath) সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। যাঁরা গৃহহীন হয়েছেন সে সমস্ত পরিবারগুলিকে প্রাথমিকভাবে ১.৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে বলে সরকারের তরফ থেকে আগেই ঘোষণা করা হয়েছে।

    উত্তরাখন্ডের সমস্ত শহর এবার পরীক্ষা করা হবে

    জোশীমঠ (Joshimath) থেকে ৮২ কিলোমিটার দূরে কর্ণপ্রয়াগের বহুগুণা নগর এলাকায় অনেক বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং সেখানে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন যে উত্তরাখণ্ডের সমস্ত শহরগুলিকে পরীক্ষা করা হবে এবং দেখা হবে যে কোথাও জোশীমঠের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না! সমস্ত শহরকে পরীক্ষা করে জানা যাবে যে সেই সব শহর কতটা ওজন নিতে পারবে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ খুব শীঘ্রই নেওয়া হচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। গত ২ জানুয়ারি থেকে এখনও অবধি জোশীমঠের (Joshimath) সাতশোরও বেশি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চীন সীমান্তগামী সড়কও বাদ যায়নি  ফাটল থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    Joshimath: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী জোশীমঠ (Joshimath)-মালারি সড়কে ফাটল ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার এই ব্য়স্ততম রাস্তার বেশ কিছু জায়গাতে ফাটল দেখা দিয়েছে।

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কী বলছেন

    ইতিমধ্যে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি নিজে উপস্থিত থেকে জোশীমঠের (Joshimath) অবনমন এবং ফাটল দেখেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পর্যবেক্ষণও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ধসে যাওয়া বাড়িগুলির সদস্যদের সঙ্গে এদিন কথাও বলেন দেবভূমির মুখ্যমন্ত্রী ।
    এদিন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করছি প্রত্যেকেই যাতে নিরাপদ থাকেন, সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সরকার থেকে করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা অনুসন্ধান করছেন বর্তমানে, ভূমির অবনমনের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখার জন্য।

    উত্তরাখণ্ডে চামুলী জেলার জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা বলেন, জোশীমঠের (Joshimath) সমস্ত রকমের নির্মাণ কাজ এই মুহূর্তে বন্ধ রাখা হয়েছে ভূমির অবনমন এবং ফাটলের জন্য । গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাসিন্দারা বদ্রিনাথ সড়ক অবরোধ করেন সরকার এবং প্রশাসন যাতে এই পরিস্থিতিতে সুষ্ঠ ব্যবস্থা নেয় সেজন্য।

    জোশীমঠ (Joshimath) পৌরসভার চেয়ারম্যান শৈলেন্দ্র পাওয়ার বলেন, ব্যাপক ফাটল দেখা দিয়েছে ভূগর্ভস্থ জলস্তর লিক করার কারণে।
    ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF) সেখানে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে এ কথা জানিয়েছেন চামোলি জেলার চিফ ডেভেলপমেন্ট অফিসার ললিত নারায়ণ মিশ্র।
    এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে জেলাশাসক আরও বলেন সমগ্র জোশীমঠ (Joshimath) জুড়ে এখনও কোন ফাটল দেখা যায়নি, শুধুমাত্র একটা অংশে এই ফাটল দেখা দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা সঠিক কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

    জোশীমঠ (Joshimath) পৌরসভার চেয়ারম্যান আরও জানিয়েছেন যে যাদের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যারা বর্তমানে গৃহহীন, তাদের জন্য ভাড়ায় বাড়ির ব্যবস্থা করেছে উত্তরাখন্ড সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: জোশীমঠকে “ডুবতে থাকা অঞ্চল” ঘোষণা করল স্থানীয় প্রশাসন

    Joshimath: জোশীমঠকে “ডুবতে থাকা অঞ্চল” ঘোষণা করল স্থানীয় প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠকে (Joshimath) একটি ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করল সেখানকার প্রশাসন, ইতিমধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
    গত কয়েকদিন ধরে জোশীমঠের (Joshimath) বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছে , এমনকি কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল দেখা দিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই প্রশাসনের তরফে এমন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ড দেবভূমি নামেও প্রসিদ্ধ। অর্থাৎ এখানে দেবতারা বাস করতেন একসময়, এমনটাই বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের। হিন্দু ধর্মের বহু তীর্থস্থান এবং পীঠস্থান উত্তরাখণ্ডে রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল জোশীমঠ (Joshimath)।  সারা বছর ধরেই ধর্মপ্রাণ ভক্তদের আনাগোনা চলতে থাকে এখানে। এছাড়া পার্বত্য এলাকার মনোরম আবহাওয়ার জন্যও অনেকে আসেন। 

    বর্তমানে কী পরিস্থিতি রয়েছে

    বর্তমানে এই এলাকার পরিস্থিতির জন্য উদ্বিগ্ন হয়েছে স্থানীয় সরকার। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ এবং উদ্ধার কাজ সুনিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন এবং যে সমস্ত মানুষ গৃহহারা হয়েছেন তাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। ভাড়াতে বাড়ির ব্যবস্থাও সেখানে করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জোশীমঠ (Joshimath) শহর তৈরি করা হয়েছিল একটি ভূমিধসের উপরে প্রায় এক শতাব্দী আগে, এমনটা বিভিন্ন কমিটির রিপোর্টেও প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাপকভাবে নির্মাণ কাজ চলতে থাকায় শহরের উপরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে চামোলির জেলাশাসক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নিয়ে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছেন। চামোলির বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এখনও অবধি ৬৩টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। ৬৮ পরিবারকে অস্থায়ীভাবে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে যে তারা গত রবিবার ৪৬ টি পরিবারকে বিভিন্ন সাংসারিক সামগ্রী কেনার জন্য ৫০০০ টাকা করে দিয়েছে।  জোশীমঠ (Joshimath) শহরে এই মুহূর্তে ২২৯ টি ঘর বাসযোগ্য রয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। ওই ঘর গুলিতে সর্বোচ্চ ১২৭১ জনকে রাখা যেতে পারে। এছাড়া শহরের বেশিরভাগ সমস্ত জায়গা বিপজ্জনক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেখান থেকে স্থানীয় মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এনটিপিসির তপোবন বিষ্ণুপুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অধীনে চলা সমস্ত নির্মাণ কাজও বন্ধ করা হয়েছে এবং শহরের অন্যান্য নির্মাণ কাজ যেগুলো চলছিল সেগুলোও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    জোশীমঠকে “ডুবতে থাকা অঞ্চল” ঘোষণা স্থানীয় প্রশাসনের

  • Joshimath: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

    Joshimath: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠে (Joshimath) ফাটলের কারণ নৃতাত্ত্বিক এবং প্রাকৃতিক। এমনটাই বললেন ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অফ হিমালয়ান জিওলজির ডিরেক্টর কালাচাঁদ সাঁই।

    আরও পড়ুন: শুধুই কি যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য? অন্যদের থেকে কোথায় আলাদা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস?

    তাঁর আরও সংযোজন, “এই বিপর্যয়ের কারণ একদিনে গড়ে ওঠেনি। এর মূল কারণ হল, জোশীমঠ (Joshimath) গড়ে উঠেছে একটি দুর্বল ভিতের উপর। এক শতাব্দীরও বেশি আগে ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষের উপর তৈরি হয়েছিল এই জোশীমঠ (Joshimath)। ভূগোলের ভাষায় এটি seismic zone V এর উপর অবস্থিত, যা ভূমিকম্প প্রবন বলেই মনে করা হয়”।

    আরও পড়ুন: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    এর আগেও অনেকেই বলে গেছেন জোশীমঠের (Joshimath)  বিপজ্জনক অবস্থান নিয়ে

    কালাচাঁদ সাঁইের মতে ইতিপূর্বে অনেকেই জোশীমঠের (Joshimath) বিপজ্জনক অবস্থান সম্পর্কে বলে গেছেন, যেমন ১৮৮৬ সালে অ্যাটকিন্স তাঁর প্রতিবেদনে লিখেছিলেন যে জোশীমঠ স্থাপন হয়েছে ভূমিধসের উপর।

    আরও পড়ুন: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    আবার ১৯৭৬ সালে মিশ্র কমিটিরও ওই একই বক্তব্য ছিল।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁদের ভোটে আমি জিতেছি, বললেন শুভেন্দু 

    জোশীমঠ (Joshimath) হল বদ্রীনাথের প্রবেশদ্বার, এখানকার হেমকুন্ড সাহিব, আউলি প্রভৃতি অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাপক নির্মানকাজ চলেছে। শহরের চাপ মোকাবিলার ক্ষমতা যাচাই না করেই এগুলো চলেছে। অনেক কারনের মধ্যে এই কারনগুলিও ফেলে দেওয়ার মতো নয়, এমনটাই মত কালাচাঁদ বাবুর।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরের অনেক বাড়িই ধ্বংস হওয়ার মুখে। এ থেকে বাঁচার উপায় নেই। সকলকে নিরাপদে স্থানান্তরিত করার দায়িত্ব নিক সরকার।

    আরও পড়ুন: সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাবকাণ্ডে অভিযুক্ত শঙ্কর মিশ্রের খোঁজ দিল্লি পুলিশ কীভাবে পেল জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Joshimath: স্বাভাবিক হয়ে উঠছে জোশীমঠ, বললেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    Joshimath: স্বাভাবিক হয়ে উঠছে জোশীমঠ, বললেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২ জানুয়ারি থেকে জোশীমঠের (Joshimath) কয়েকশো বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়, ক্ষতিগ্রস্তরা আশ্রয় নেয় নিজেদের আত্মীয়দের বাড়িতে অথবা সরকারি ক্যাম্পে। প্রশাসন সে সময় এই পীঠস্থানকে ডুবন্ত শহর বলে ঘোষণা করে। বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে শহরের ৬৫-৭০ শতাংশ মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এবং আগামী চার মাসের মধ্যেই চারধাম যাত্রা শুরু হবে,ততদিনে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে। বুধবার একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।

    মুখ্যমন্ত্রী আর কী বললেন

    উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে জোশীমঠের (Joshimath)  সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি শহরের বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সমস্তরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না কেউ। দেশের কিছু প্রান্ত থেকে জোশীমঠ (Joshimath)  নিয়ে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। 

    মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, “আউলিতেও সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে বর্তমানে। ওই স্থান দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকরা এখনও নিয়মিতভাবেই আসছেন ওখানে। চারমাস পরেই চারধাম যাত্রা শুরু হবে। দলে দলে তীর্থযাত্রীরা তখন আসবেন। জোশীমঠ (Joshimath)  হয়েই তাঁরা কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথের দিকে এগিয়ে যাবেন।”

    এনটিপিসি-র দাবি

     জোশীমঠ(Joshimath)  বিপর্যয়ের জন্য বিভিন্ন মহল থেকেই এনটিপিসির খনন কাজকে দায়ী করা হচ্ছিল। এবার এই অভিযোগকে একেবারেই নস্যাৎ করে দিল এনটিপিসি। এদিন এনটিপিসির অতিরিক্ত জিএম ভূতত্ত্ব ভুবনেশ কুমার বলেন, বর্তমানে টানেলে কোনওরকম ব্লাস্টিং হচ্ছে না। ব্লাস্টিং এর কারনে যদি শহরের বাড়িতে ফাটল ধরত অথবা ভূমিধসে যেত তবে টানেলটিও প্রভাবিত হত। কিন্তু সেরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। তাই এনটিপিসির কাজের সঙ্গে ভূমিতল তলিয়ে যাওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। ১২ কিলোমিটার এই টানেলের কাজ হয়েছে বোরিং মেশিন দিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Joshimath: গোদের উপর বিষফোঁড়া! বিপজ্জনক জোশীমঠে এবার তুষারপাতের আশঙ্কা, উভয় সঙ্কটে স্থানীয়রা

    Joshimath: গোদের উপর বিষফোঁড়া! বিপজ্জনক জোশীমঠে এবার তুষারপাতের আশঙ্কা, উভয় সঙ্কটে স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২ জানুয়ারি থেকে কয়েকশো বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী সেখানকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। এরমধ্যেই আবার তুষারপাত শুরু হয়েছে সেখানে। ঠিক যেন গোদের উপর বিষের ফোঁড়া।

    আরও পড়ুন: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    কোথায় হল তুষারপাত

    তুষারপাত শুরু হয়েছে আউলিতে। জোশীমঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আউলি। হাওয়া অফিস সেখানে বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে। বৃষ্টি ও তুষারপাত শুরু হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, এমন আশঙ্কাই করছেন জোশীমঠের (Joshimath) বাসিন্দারা।
    আউলিতে বরফপাতের ফলে সেখানকার তাপমাত্রার পারদ আরও নামছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও বাড়ছে। স্থানীয় হাওয়া অফিসের প্রধান বিক্রম সিংহ বলেন, ‘‘জোশীমঠ এবং আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমবে। রাতের পারদ ২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। দিনের বেলায় ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকবে তাপমাত্রা। আগামী কয়েক দিন উত্তরাখণ্ডে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তার পর আবার বৃষ্টি এবং তুষারপাত হবে।’’

    ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে জোশীমঠে বিগত কয়েকদিন ধরেই। বাড়িতে ফাটল ধরায় ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক শো পরিবার।  ঠান্ডায় প্রচন্ড কষ্ট পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তার ওপর তুষারপাতের পূর্বাভাস জারি হয়েছে, এতে আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তাঁরা। স্থানীয়দের মতে ফাটল বেড়েই চলেছে প্রতিদিন, এরপর বাড়িগুলোর ওপর বরফ জমলে ওজন বেড়ে আরও বড় বিপদ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। উত্তরাখণ্ড সরকার বিপজ্জনক বাড়ি খালি করার কাজ শুরু করেছে। সমগ্র জোশীমঠকে তারা তিনটি জোনে ভাগ করেছে। ডে়ঞ্জার জোন, বাফার জোন এবং সেফ জোন। প্রতিবছর ২.৫ ইঞ্চি করে ডুবছিল জোশীমঠ, উপগ্রহ চিত্রে এমনটাই ধরা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৫.৪ সেমি বসে গিয়েছে জোশীমঠ! আতঙ্কের ছবি শেয়ার করল ইসরো

    Joshimath: মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৫.৪ সেমি বসে গিয়েছে জোশীমঠ! আতঙ্কের ছবি শেয়ার করল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠ ঘিরে আতঙ্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে। গত ১২ দিনে ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গেছে জোশীমঠ! এমনই উদ্বেগজনক তথ্য মিলল ইসরোর রিপোর্টে। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারের তরফে উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই দেখা গিয়েছে দ্রুতগতিতে বসে যাচ্ছে জোশীমঠের মাটি। জানা গিয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে গত ৮ জানুয়ারির মধ্যে জোশীমঠের মাটি ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গিয়েছে।

    ইসরোর প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্র

    ইসরো-র ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার (এনআরএসসি) জানাচ্ছে, ২০২২ সাল থেকে এই ধস শুরু হয়। গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত একটি তথ্য দিয়েছেন এনআরএসসি। জানা গিয়েছে, গত বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর এই সাত মাসে জোশীমঠের জমি ধসেছে প্রায় ৯ সেন্টিমিটার। আবার ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ ১২ দিনেরও একটি রিপোর্ট সংস্থা সামনে নিয়ে এসেছে। প্রকাশ্যে এনেছে বেশ কিছু স্যাটেলাইট ছবিও। আর তাতে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে ভূমি ধস ব্যাপক ভাবে বেড়েছে। আর তা বেড়ে ৫.৪ সেন্টিমিটারে দাঁড়িয়েছে বলে জানাচ্ছে ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার।

    আর্মি হেলিপ্যাড এবং নরসিংহ মন্দিরের আশেপাশের অঞ্চলে মধ্য জোশীমঠের মাটির দ্রুত স্থানান্তর ঘটেছে। ইসরো-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “নিম্নপতনের শীর্ষস্থানটি ২ হাজার ১৮০ মিটার উচ্চতায় জোশীমঠ-আউলি রোডের কাছে অবস্থিত।”

    আরও পড়ুন: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    ডুবন্ত জোশীমঠ…

    জোশীমঠকে (Joshimath) একটি ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে সেখানকার প্রশাসন, ইতিমধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। গত কয়েকদিন ধরে জোশীমঠের (Joshimath) বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছে। একের পর এক বাড়িতে ফাটল বেড়েই চলেছে। হোটেল মালারি ইন ও মাউন্ট ভিউ, পাশাপাশি দুটি হোটেল ভাঙা শুরু হয়েছে। হোটেলের পিছনের দিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দাদেরও সরানো হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে হোটেলের এক একটা তলা ধীরে ধীরে ভেঙে সরানো হচ্ছে। বিপজ্জনক বাড়িগুলিতে রেড ক্রস দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছে। আজ দেরাদুনে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ক্যাবিনেট বৈঠক করবেন। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Joshimath: প্রাণ গেলে যাক! জোশীমঠে ঘর ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

    Joshimath: প্রাণ গেলে যাক! জোশীমঠে ঘর ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নয়নের মাশুল দিচ্ছে  জোশীমঠ। সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে বানানো বাড়ি ছেড়ে সাধারণ মানুষকে আশ্রয় নিতে হচ্ছে ত্রাণ শিবিরে। বিপজ্জনক বাড়িগুলিকে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করার পরেও স্থানীয়রা ঘর ছাড়তে নারাজ। প্রাণ গেলেও ভিটে-মাটি থেকে উৎখাত হতে নারাজ স্থানীয় নাগরিকেরা। পর্যাপ্ত পুনর্বাসন না থাকার অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। এক কামরার ঘরে গোটা পরিবারের আসবাব পত্র কীভাবে রাখা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

    ধ্বংসের পথে যোশীমঠ!

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পরিস্থিতি খারাপের দিকে গত কয়েকবছর ধরেই। ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে ওঠা উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার যোশীমঠ শহর ক্রমশ বসে যাচ্ছে। ধসে পড়ছে বাড়িঘর, মন্দির। সেখানকার রাস্তা, হোটেল, বাড়ির মেঝে ও দেওয়ালে চওড়া ফাটল দেখা দিচ্ছে। যেকোনও সময় তলিয়ে যাওয়ার দিন গুনছেন জোশীমঠের বাসিন্দারা। এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া চার হাজারের বেশি মানুষ। ফাটল ধরেছে ৬৭৮ বাড়িতে এই পরিস্থিতিতে ‘জাতীয় বিপর্যয়’ (National Disaster) ঘোষণার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। জোশীমঠ নিয়ে মামলাও হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার জোশীমঠ নিয়ে আবেদনের জরুরি শুনানির দাবি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৬ই জানুয়ারি জোশীমঠ মামলা শুনবে সুপ্রিমকোর্ট। শুনানির দিন ধার্য করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, মামলাকারী অন্য কোন সংস্থার কাছেও আবেদন করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রীও

    জোশীমঠে রয়েছে SDRF এবং NDRF-এর টিম। সমাধানের খোঁজে সাতটি সংস্থার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত ভাবে খোঁজ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি।  জোশীমঠের পরিস্থিতি কী, সঠিক ভাবে তা জানতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠিত হয়েছে আগেই, তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি, জোশীমঠকে বাঁচানোর জন্য সকলকে একত্রিত ভাবে কাজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। জোশীমঠ উদ্ধারে এলাকাকে তিনভাগে  ভাগ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিপদ কম এবং বিপদ যুক্ত, তিন ভাগে ভাগ করে কাজ শুরু করা হয়েছ।  মঙ্গলবার থেকে উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠে বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করার কথা। প্রথমে ভাঙার কথা ছিল বিপজ্জনক হোটেলগুলি। কিন্তু স্থানীয় মানুষের অসহযোগিতায় নির্দিষ্ট সময়ের পরেও শুরু করা যায়নি হোটেল ভাঙার কাজ। স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে এই এলাকার হোটেল এবং ঘরগুলি ভাঙা হবে বুলডোজার দিয়ে। কোন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share