Tag: Joshimath

Joshimath

  • Joshimath: বছরে আড়াই ইঞ্চি! গত তিন বছর ধরে এভাবেই ডুবছিল জোশীমঠ! সমীক্ষায় প্রকাশ

    Joshimath: বছরে আড়াই ইঞ্চি! গত তিন বছর ধরে এভাবেই ডুবছিল জোশীমঠ! সমীক্ষায় প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক শতাব্দী আগে ভূমিধসের উপরেই তৈরি হয়েছিল জোশীমঠ শহর (Joshimath)। বিভিন্ন রিপোর্টে সে কথা এর আগেও প্রকাশিত হয়েছে। 

    প্রতিবছর ২.৫ ইঞ্চি হারে জোশীমঠ (Joshimath) ডুবছিল

    তিন বছর আগেই এক সমীক্ষায় ধরা পড়েছিল জোশীমঠের (Joshimath) ফাটল। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী দেখা গেছে গাড়োয়াল হিমালয়ের জোশীমঠ (Joshimath) এবং আশপাশের এলাকা ধীরে ধীরে মাটির তলায় তলিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরে ২.৫ ইঞ্চি মানে ৬.৫ সেন্টিমিটার হারে এই তীর্থস্থানের শহর তলিয়ে যাচ্ছিল। এ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ রিমোট সেন্সিং এর রিপোর্ট মঙ্গলবার প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত উপগ্রহের চিত্র বিশ্লেষণ করার পরে সংস্থা জানায় এই সময়ের মধ্যে জোশীমঠ (Joshimath) এবং আশপাশের পার্বত্য এলাকায় অনেক ফাটল দেখা গিয়েছিল।

    জোশীমঠ (Joshimath) এখন ডুবতে থাকা অঞ্চল

    বর্তমানে জোশীমঠকে (Joshimath) ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেখানকার অধিকাংশ বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে রীতিমত। সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে মানুষজনকে সরিয়ে ফেলেছে। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি নিজে সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং যে সমস্ত পরিবার গৃহহারা হয়েছেন তাদের জন্য ২২৯ টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখানে ১২৭১ জন বর্তমানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। চামোলির জেলা শাসক জানান যে সমগ্র জোশীমঠ (Joshimath) শহরকে এই মুহূর্তে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে, ডেন্জার জোন, বাফারজোন এবং সেফ জোন। বিভিন্ন সূত্রমারফত প্রাপ্ত খবর যে শহর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে ১১০ টি পরিবার। জোশীমঠের (Joshimath) ৬৭৮ টি বাড়ি ছাড়াও একাধিক হোটেল এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বড় বড় ফাটল ধরা পড়েছে। বিপজ্জনক নির্মাণগুলি ভাঙার কাজ প্রশাসনের তরফ থেকে শুরু করার কথা ছিল কিন্তু মঙ্গলবার কিছু এলাকায় স্থানীয় মানুষদের বিক্ষোভে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি বলেই জানা গেছে। জোশীমঠ (Joshimath) শহর কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও বটে কারন এর ঠিক ১০০ কিলোমিটারের মধ্যেই পড়ে ভারত-চিন সীমান্ত। চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল দেখা দিয়েছে । অন্যদিকে জোশীমঠ (Joshimath) সংলগ্ন কর্ণপ্রয়াগে ৫০টি বাড়িতে ফাটলের ঘটনা সামনে এসেছে, এই ঘটনায় রীতিমতো উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। কর্ণপ্রয়াগের বহুগুণা নগরের এই ঘটনায় ইতিমধ্যে স্থানীয় পৌরসভা মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

    Joshimath: প্রতিবছর ২.৫ ইঞ্চি হারে ডুবছিল জোশীমঠ, সমীক্ষায় প্রকাশ

  • Karnaprayag: ৫০টি বাড়িতে দেখা দিল ফাটল, জোশীমঠের মতো ‘ডুবছে’ কর্ণপ্রয়াগও?

    Karnaprayag: ৫০টি বাড়িতে দেখা দিল ফাটল, জোশীমঠের মতো ‘ডুবছে’ কর্ণপ্রয়াগও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে ডুবতে থাকা অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় দল আজকে তাদের রিপোর্ট জমা করেছে জোশীমঠের পর্যবেক্ষণের পরে। সেখানে উদ্ধার কার্যের জন্য সেনা মোতায়ন করা হয়েছে। এই সময়েই চামোলি জেলার জোশীমঠ থেকে কিছু দূরে কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag) বেশ কিছু বাড়িতে ফাটলের ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। সূত্র অনুযায়ী প্রায় ৫০টি বাড়িতে এমন ফাটল দেখা দিয়েছে। ছোটখাটো ধসও নেমেছে কোথাও কোথাও।

    কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag)  স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছেন

    মঙ্গলবার এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অনুযায়ী কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag)  বহুগুণা নগর এলাকায় এই ফাটল সব থেকে বেশি দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে কর্ণপ্রয়াগ (Karnaprayag)  পৌরসভা, মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির কাছে সাহায্য চেয়েছে বলে সূত্রের খবর।
     এমন ফাটলের জন্য বহুগুণা নগরের  অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং অন্যত্র চলে গেছে আতঙ্কের কারণে। এখনও অবধি কোনও ক্যাম্প গড়ে ওঠেনি তাই বেশিরভাগ জনই আত্মীয় বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর। কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag)  আপার বাজার এলাকা সবথেকে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    স্থানীয় বিধায়কের বিবৃতি

    সেখানকার সিতারগঞ্জের বিধায়ক সৌরভ বহুগুণা এদিন বলেন যে জোশীমঠের কাছাকাছি আরও একটি এলাকাতে বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। বিধায়ক আরও জানান যে তিনি অনেক ফোন কল পেয়েছেন যাঁরা আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন তাঁদের কাছ থেকে। তাঁরা জোশীমঠের পরিণতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

    জোশীমঠের বর্তমান অবস্থা

    অন্যদিকে জোশীমঠে ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। অনেকেই ঘর ছেড়ে আতঙ্কে বেরিয়ে পড়েছেন। সেখানে ২২৭টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে যেখানে ১২৭৮ জনকে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রশাসন জানিয়েছে যে মোট তিনটি জোনে সমগ্র জোশীমঠকে ভাগ করা হয়েছে। ডেঞ্জার জোন, বাফার জন এবং সেফ জোন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Joshimath: ‘ডুবছে’ জোশীমঠ! কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি, সরানো হল ৪৭ পরিবারকে

    Joshimath: ‘ডুবছে’ জোশীমঠ! কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি, সরানো হল ৪৭ পরিবারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের কারণে বৃহস্পতিবার ফাটল দেখা গিয়েছিল জোশীমঠে (Joshimath)। এলাকার বেশ কিছু বাড়ির দেওয়ালেও ফাটল দেখা গিয়েছে। ঝুঁকি তৈরি হয়েছে শত শত বাড়ি মাটির তলায় চলে যাওয়ার। তার পরে এদিন রাতেই এলাকার বেশ কিছু পরিবারকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে আশ্রয় শিবিরে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে এ রকম প্রায় ৪৭টি পারিবারকে প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে আশ্রয় শিবিরে। ভূমিধসের জেরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, প্রশাসনের তরফে তাঁদের ত্রাণও দেওয়া হচ্ছে।

    জোশীমঠের পরিস্থিতি…

    হিমালয়ের শহর জোশীমঠের বিস্তীর্ণ অংশে কেন ফাটল ধরল, তা জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়েছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, ভূমধসের কারণেই এলাকায় দেখা গিয়েছে বিরাট ফাটল। ফাটল ধরেছে এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে। ঘটনার জেরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী (CM) পুষ্কর সিং ধামি জানান, জোশীমঠের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি জোশীমঠ পরিদর্শনে যাবেন। ধামি বলেন, জোশীমঠে ভূমিধস এবং তার জেরে বাড়িতে ফাটল সম্পর্কে আলোচনা করতে এদিন সন্ধ্যায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করব। আগামিকাল আমি জোশীমঠ পরিদর্শন করব। বিজেপির তরফেও একটি দলকে পাঠানো হবে জোশীমঠে।

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) চামোলি জেলায় রয়েছে জোশীমঠ (Joshimath)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ছ হাজার ফিট। বদ্রীনাথ থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে ফাটল ধরেছে। জানা গিয়েছে, এ পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার ৫৬১টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রবিগ্রামের ১৫৩টি, গান্ধীনগরের ১২৭টি, মনোহরবাগের ৭১টি, সিংধরের ৫২টি, পারসারির ৫০টি, আপার বাজারের ২৯টি, সুনীলের ২৭টি, মারওয়াড়ির ২৮টি এবং লোয়ার বাজারের ২১টি বাড়ি।

    এদিকে, ভূমিধসের কারণে আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে চার ধাম যাত্রার রাস্তা চওড়া করার কাজ। হেলং থেকে মারওয়াড়ি পর্যন্ত ওই রাস্তা চওড়া করার কাজ শুরু হয়েছিল। ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ওই রাস্তা চওড়া করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। সেই কাজই আপাতত বন্ধ থাকছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।  

     

LinkedIn
Share